Blog

  • বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন রেফারেন্স রেট চালু করে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা আনলো

    বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন রেফারেন্স রেট চালু করে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা আনলো

    বাংলাদেশ ব্যাংক সুদহার নির্ধারণে আরও বেশি স্বচ্ছতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে নতুন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রকাশিত এক সার্কুলারে এই তথ্য জানানো হয়। সার্কুলারে বলা হয়, দেশে বিভিন্ন ধরনের ঋণচুক্তি, বন্ড, ডেরিভেটিভসসহ অন্যান্য ফাইন্যান্সিয়াল পণ্য ও চুক্তিতে সুদের হার নির্ধারণে একটি কার্যকর, গ্রহণযোগ্য এবং বাজারভিত্তিক বেঞ্চমার্কের প্রয়োজন দীর্ঘ দিন ধরে অনুভূত হচ্ছিল। এই পরিস্থিতিতে, প্রকৃত আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট নির্ধারণ ও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দুই রেটের নাম হলো ‘বাংলাদেশ ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট’ (বিওএফআর) এবং ‘ঢাকা ওভারনাইট মানি মার্কেট রেট’ (ডিওএমএমআর)। সার্কুলারে আরও জানানো হয়েছে, এই রেফারেন্স রেটগুলো প্রতিদিনের কার্যদিবসে নির্ধারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। রেট নির্ধারণের পদ্ধতিও ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই অনুসরণ করতে পারে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি বাজারে আরও বেশি নমনীয়তা ও আন্তর্জাতিক মানের পরিষেবা নিশ্চিত হবে।

  • দেশের রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেলো

    দেশের রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেলো

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এখন মোট ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩৪ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪,৬৬০.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) এর হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের রিজার্ভের পরিমাণ হয়েছে ২৯,৯৭৭.৮৯ মিলিয়ন ডলার।

    এর আগে, ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪,৬৪৫.০৪ মিলিয়ন ডলার, এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ২৯,৯৫২.৬৬ মিলিয়ন ডলার।

    উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ বা প্রকৃত মজুতের পরিমাণ নির্ণয় করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় বিয়োগ করার পর যা অবশিষ্ট থাকে সেটিই নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ হিসেবে গণ্য হয়।

  • ছেঁড়া-ফাটা নোট না বদলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত

    ছেঁড়া-ফাটা নোট না বদলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তি নিশ্চিত

    দেশজুড়ে ছেঁড়া, ফাটকা, ত্রুটি সম্পন্ন ও ময়লাযুক্ত নোটের ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক নেয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণ মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক করেছে যে, সব তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলোতে ছেঁড়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত নোট গ্রহণ করতে হবে এবং একই সঙ্গে নতুন বা পুনঃপ্রচলনযোগ্য নোট সরবরাহ করতে হবে। এর উদ্দেশ্য হলো দর্শনীয় ও নিরাপদ নগদ লেনদেনে সবসময় ভাঙা বা ক্ষতিগ্রস্ত নোটের ব্যবহার কমানো। এবার এর জন্য কঠোর নির্দেশনা জারি করে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজারে এখনও ছেঁড়া বা ময়লাযুক্ত নোটের আধিক্য রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে আরও বেশি সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। বিশেষ করে ৫, ১০, ২০ এবং ৫০ টাকার মতো ছোট মূল্যমানের নোট নিয়মিতভাবে গ্রহণ ও নির্ধারিত কাউন্টার থেকে বিনিময় করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। গ্রাহকদের কাছে সেই ধরনের ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বদলে ব্যবহারযোগ্য বা নতুন নোট দেওয়ার নির্দেশও জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে, যদি কোনো ব্যাংকের শাখা এ ধরনের পরিষেবা দিতে অনিচ্ছাকৃতভাবে গাফিলতি করে বা উদ্যোগ নেয় না, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা, যেহেতু এটি ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। বোঝা যাচ্ছে, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে সাধারণ গ্রাহকদের সুবিধার পাশাপাশি ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

  • ইডেন কলেজ, গোপালগঞ্জ ও অন্যান্য কলেজের ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

    ইডেন কলেজ, গোপালগঞ্জ ও অন্যান্য কলেজের ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদল মেয়াদ শেষে চলে গেছে ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, গোপালগঞ্জ জেলা, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ছাত্রদলের বিভিন্ন কমিটি। শনিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ও সহ-সভাপতির পদমর্যাদার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, উল্লেখিত সব কলেজ ও জেলার কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় তা কার্যত বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয় যে, শিগগিরই এসব ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।

    এ ছাড়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নতুন কমিটি তৈরির জন্য প্রস্তুতিসভা শুরু হয়েছে এবং দ্রুত নতুন নেতাদের নেতৃত্বে এসব সংগঠন পুনর্গঠন হবে বলে প্রত্যাশা করা হয়।

  • নাহিদ: আবারও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি

    নাহিদ: আবারও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আমরা আবারও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। দল-মত নির্বিশেষে সবাই একত্রিত আছি। এটি কোন এক দলের বিষয় নয়, কোন জোটের বিষয় নয়; এটি বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও গণঅভ্যুত্থান রক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। জুলাই মাসে শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না, এই দাবি নিয়ে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকবো।

    রোববার দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সভায়, যেখানে শহীদ পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছিলেন তিনি, এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা হয়তো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সবাইকে পুরোপুরি পাশে রাখতে পারিনি, তবে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে গেছি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী ও সরকার বিভিন্ন বড় বড় কথা বলছে, আমরা চাই, তারা সত্যিই জুন মাসে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য এবং দেশের সংস্কারের জন্য কতটা কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে তা দেখতে।

    নাহিদ বলেন, ‘জুলাই অধিদফতর ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠন হয়। তারা কিছু কাজ বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে তাদের অনীহাও দেখা যাচ্ছে।’

    জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘আপনাদের মধ্যে যারা উপস্থিত, সবাই হয়তো পুরো কথাটি বলতে পারেননি, কিন্তু প্রত্যেকের মধ্যেই স্পিরিট অনুভব করেছি। আমরা আবারো একত্রিত, রাজপথে উঠার জন্য প্রস্তুত। ইনশাহআল্লাহ, আপনিও প্রস্তুত।’

    এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘রাজপথের আন্দোলনে আপনারা সন্তান হারিয়েছেন, কেউ পা বা হাত হারিয়েছেন। এবার আপনি শুধু আমাদের জন্য দোয়া করুন, সবাই একসাথে থাকুন। আমাদের লক্ষ্য হবে নতুন বাংলাদেশ ও সংস্কার প্রতিষ্ঠা। বিএনপি বা অন্য কোনো শক্তি, বিদেশি বা দেশের পরাশক্তি, যারা আগের মতো বাঁধা সৃষ্টি করতে চায়; তাদের পরাজিত করেই ছাড়ব।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডাঃ শফিকুর রহমান।’

  • আন্দোলন শুরু হয়েছে, সফলতা আনার প্রস্তুতি চলছে: জামায়াত আমির

    আন্দোলন শুরু হয়েছে, সফলতা আনার প্রস্তুতি চলছে: জামায়াত আমির

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে সত্যিকার অর্থে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই আন্দোলনকে ধীরে ধীরে সফলতার পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এই কথাগুলো তিনি সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট (আইইডিবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সংকটের মুখোমুখি বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই এক ছোট গল্পের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। গল্পে তিনি দড়ি টানা পাখার উদাহরণ দিয়ে বলেন, একজন বিচারক একটি হত্যা মামলার রায় দিলেন, কিন্তু তার রায়ে একদিকে পরস্পরবিরোধী কথা থাকায় পরিস্থিতি অন্ধকারে ঢাকা হয়। পরে জানা যায়, পেছন থেকে দড়ি টানার কারণে এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এই গল্পের মাধ্যমে তিনি বুঝাতে চান, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সিদ্ধান্তের পেছনে অদৃশ্য ও অন্তর্ধানশীল শক্তি কাজ করছে।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে, বিশেষ করে সংসদে যারা আসীন রয়েছেন, তাদের মধ্যে কে দড়ি টানে? দড়ি কোথা থেকে টানা হয়? এর জবাব জনগণই দেবে। জামায়াতের আমির সরকারের দ্বৈত নীতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, একদিকে গণভোট হারাম, অন্যদিকে হালাল; গণভোটের ব্যাখ্যাও দ্বৈত। তার ভাষায়, কখনও অর্ডারের গোস্ত হারাম, আবার কখনও হালাল। তিনি সংসদে এই বিষয়ে বারবার আলোচনা করেছেন, কিন্তু তাদের কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেষ্টাও করা হয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের রায়ের জন্য তিনি ও তার দল সব কিছু ত্যাগ করতে প্রস্তুত।

    তিনি বর্তমান সংসদকেও ‘জুলাই প্রোডাক্ট’ বলে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, ‘জুলাই নেই, তবে আমরা আছি; জুলাই আছে, তবে সরকার ও বিরোধী দল রয়েছে। এই জুলাইয়ের বিরুদ্ধে অভিমতই চূড়ান্ত, এবং দেশের পুনরুদ্ধার নিশ্চিত। যেহেতু গণভোটের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছা পূরণ হবে, বাংলাদেশে এই দিনের জন্য জীবন দেওয়ার জন্যও তিনি প্রস্তুত।’

    নিজেদের সংসদে ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি জানান, তারা এর আগে থেকেই বলেছিলেন যে তারা সুবিধা নেওয়ার জন্য যাচ্ছে না। তারা বাধ্য হয়েই কিছু সুবিধা নেবে, তবে অবৈধ কোনোTHING করবে না। নীতিতে অটল থাকবেন বলে দৃঢ়তা প্রকাশ করেন।

    প্রসঙ্গত, তিনি বলেন, এই গণআন্দোলন শুধু শিক্ষিত ছাত্র বা রাজনীতিবিদদের উদ্যোগ নয়, এর পেছনে রয়েছে শ্রমিক, যুবক ও সাধারণ মানুষ। তিনি ব্যক্তিগতভাবে অনেক শহীদ পরিবারের বাড়িতে গিয়ে দেখেছেন, তাদের মধ্যে ৬২ শতাংশই শ্রমিক। এই আন্দোলন মূলত ফ্যাসিবাদ, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে; পরিবর্তনের স্বপ্ন আর সাম্যের জন্য রাস্তায় নামছিল তারা।

    সেমিনারে বক্তব্য রাখেন, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বাংলাদেশ) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানসহ আরও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

    মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির। তিনি উল্লেখ করে বলেন, আন্দোলনের শুরু আসলে জনগণের রায়ের ভিত্তিতে। সরকার ও সংসদের অশুভ নীতিগুলোর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য এই আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, এই সংগ্রাম ক্ষমতার ভাগ ভাগের জন্য নয়, বরং গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের স্বার্থে।

    তিনি জনগণকে আহ্বান জানান, আসুন সবাই একযোগে এই আন্দোলনে অংশ নিন, কারণ এটি দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। তিনি আরও বলেন, এই আন্দোলন শক্তিশালী হলে, দেশের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক চেতনা আবার ফিরে আসবে এবং ফ্যাসিবাদ ও অন্ধকারের আওয়াজ বন্ধ হয়ে যাবে। তিনি সাহস ও ধৈর্যের সাথে এই লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য সকলের প্রতি পক্ষে আহ্বান জানান।

  • সংস্কার না করলে বিএনপি সরকার সংকটে পড়বে: নাহিদ

    সংস্কার না করলে বিএনপি সরকার সংকটে পড়বে: নাহিদ

    বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংস্কার পরিষদ না করার জন্য সরকার নিজেদের জন্য বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের পরিস্থিতি আরও জটিল হবে এবং এর পরিণতি কঠিন বা অপ্রত্যাশিত হতে পারে।

    সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনার আয়োজন করে ১১ দলীয় ঐক্য। এই অনুষ্ঠানে তিনি সংগঠনের বক্তব্য ব্যক্ত করেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরে দেশে দুটি মূল প্রশ্ন উঠে এসেছে। এক দিকে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি ছিল ফ্যাসিবাদের অবসান, অন্য দিকে বিএনপি দাবি করেছিল নির্বাচন বাস্তবায়নের। তবে আমরা সংস্কারের জন্য গণপরিষদ গঠনের দাবি জানিয়েছিলাম। এরপর বিএনপি এই আলোচনা অংশ নিয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে তারা এখন বুঝিয়ে দিচ্ছে, গণপরিষদ নয়, সংস্কার পরিষদ দরকার।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপি artificially বা কৃত্রিমভাবে বিরোধ তৈরি করছে এবং জুলাই সনদ ও জুলাই আদেশের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার চেষ্টা করছে। কারণ, তারা জুলাই সনদকে নিজেদের দলের ইশতেহারে পরিণত করেছে। এ কারণে সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তন সম্ভব নয়, যার কারণে মূলত গঠনতান্ত্রিক সংস্কার পরিষদের প্রয়োজনীয়তা এসেছে। এই দাবিটি ঐকমত্যে পৌঁছানো হয়েছে, কিন্তু এখন বিএনপি কথার বরখেলাপ করে গণভোটের ফলাফলকে অমান্য করছে।

    নাহিদ বলেন, গণভোটের গণরায়কে অগ্রাহ্য করার পরিণতি সরকারকেই ভোগ করতে হবে। তিনি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এখন আমাদের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা দরকার। জাতীয় স্বার্থ কি করে রক্ষা করা যায়, তা ভাবনায় আনতে হবে। হামে মতো মহামারি, জ্বালানি সংকট, এই সব দুর্যোগ মোকাবেলা নিয়ে বৃহৎ পরিকল্পনা প্রয়োজন। গত ১৬ বছর ধরে এই সংকট ও সংস্কারের কথাই বলতে হয়েছিল, কিন্তু তা এখনও সমাধান হয়নি। এ সবের জন্য বিএনপি দায়ী এবং তাদের এই পরিণতি ভোগ করতেই হবে। এর ফলাফল সহজ হবে না।

    সংকটের সমাধানে দ্রুত সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সরকারকে দ্রুত সংবিধানে সংস্কার আনতে হবে। এই ব্যবস্থায় যদি উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তবে দেশের ভবিষ্যত আরও বিপর্যস্ত হতে পারে। জাতীয় ঐক্য রক্ষা করতে না পারলে পরিস্থিতি আরও খারাপে পরিণত হবে।

    সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বক্তাদের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।

  • ক্ষমতার লিপ্সা বিএনপি জনগণের দুর্বলতা ভুলে গেছে: নাহিদ ইসলাম

    ক্ষমতার লিপ্সা বিএনপি জনগণের দুর্বলতা ভুলে গেছে: নাহিদ ইসলাম

    নাহিদ ইসলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ, মন্তব্য করেছেন যে ক্ষমতার ঘূর্ণিতে মোহবিষ্ট হয়ে বিএনপি দেশের জনগণের কথা ভুলে গেছে। তিনি এ কথা বলেছেন আজ শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায়।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের দেশের ইতিহাসে বারবার দেখা গেছে, শ্রমিকেরা রক্ত দিয়ে এই দেশের স্বাধীনতা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন। ১৯৪৭ সালের আজাদির সংগ্রাম থেকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষের অবদান রয়েছে। এই শ্রমিকরাই দেশের মূল শক্তি এবং যারা এই দেশের নাগরিকত্বের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতাসীন বিএনপি দলটি জাতির রক্তের ওপর দিন দিন ক্ষমতায় আসছে। একজন নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই তারা শ্রমিকদের রক্তের মূল্যকে অস্বীকার করে বেইমানি করেছে। গণভোটের রায় ও গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তকে জুলুমের মাধ্যমে উপেক্ষা করা হচ্ছে। তিনি বলে যান, এই সরকার গণবিরোধী এবং ক্ষমতার মোহে দেশ ও দেশের শ্রমিকদের স্বার্থ মূল্যহীন হয়ে পড়েছে।

    নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, অবাধ ও উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্নকে সামনে রেখে বিএনপি ও বর্তমান সরকারের বিভিন্ন অঙ্গীকার ভঙ্গ করছে। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এই পরিস্থিতিতে ক্রমবর্ধমান আন্দোলন গড়ে তুলে শ্রমিকের অধিকার ও সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। গণসংহতি ও আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের দাবিগুলো প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

    তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন জাতীয় ঐক্যে আবির্ভূত হয়েছি, যেখানে ১৯৭১ সালের গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিকদের যে প্রতিশ্রুতি ছিল, তা শুন্য হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকব না। আমরা চাই এক বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে, সব ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে, শ্রমিকের হিস্যার জন্য নতুন বন্দোবস্ত তৈরি করতে। এই লক্ষ্য নিয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব।’

    নাহিদ আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, জাতীয় নাগরিক পার্টি, এবং জাতীয় শ্রমিক শক্তি সেই ঐক্যের পথে আছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জবাবদিহির আওতায় আনতে শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের নেতৃত্ব দিতে হবে, গণআন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে বাধ্য করতে হবে যেন জুলাই সনদ, গণভোট এবং শ্রমিকের সমস্ত দাবিগুলো পূরণ হয়।’

    শেষে তিনি রাজপথের প্রস্তুতিও নিতে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘শুধু সংসদ নয়, এখন থেকে রাজপথেও প্রস্তুতি নিতে হবে। গণআন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা বর্তমান সরকারের নীতিকে পরিবর্তন করতে পারব এবং শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত করতে পারব। এই আন্দোলন দেশের মূল ধারাকে শক্তিশালী করবে এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করবে।’

  • দেশে প্রথমবার ‘নুসুক কার্ড’ বিতরণের উদ্যোগ, হজ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত

    দেশে প্রথমবার ‘নুসুক কার্ড’ বিতরণের উদ্যোগ, হজ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত

    বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো হজযাত্রীদের জন্য প্রি-অ্যারাইভাল ‘নুসুক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে, যা হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও আরও কার্যকর করে তুলতে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে হজযাত্রীরা এর আগে ভিসা ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়াগুলিতে যে জটিলতা ও অপ্রাপ্তিযোগ ছিল, তা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। অনুষ্ঠানটি সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বাংলাদেশ সরকার, হজ এজেন্সিগুলোর প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, ‘নুসুক কার্ড’ চালুর ফলে হজের জন্য নির্বিঘ্ন, দ্রুত ও নিরাপদ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিলা হজ এজেন্সিগুলোর সতর্কতা দেন, যদি কোনও ধরনের অবহেলা বা অদক্ষতা দেখা দেয়, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই কার্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশি হজযাত্রীরা তাদের সফর আরও সহজ, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন। উল্লেখ্য, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজে যেতে পারবেন, এবং আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হবে। এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসার প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে।

  • শিক্ষা ক্যাডারে বড় রদবদল, ওএসডি হলেন মাউশি মহাপরিচালক

    শিক্ষা ক্যাডারে বড় রদবদল, ওএসডি হলেন মাউশি মহাপরিচালক

    সরকার বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে বড় ধরনের রদবদল ঘোষণা করেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের বিভিন্ন কলেজ, শিক্ষা বোর্ড ও অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের বদলি এবং নতুন পদায়ন চালানো হয়েছে। এসব প্রজ্ঞাপনে একাধিক সিনিয়র কর্মকর্তাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে ওএসডি (অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-২ শাখার উপ-সচিব তানিয়া ফেরদৌসের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন, যিনি আগে ওএসডি হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে কর্মরত ছিলেন (ইনসিটিউট কুমিল্লা ভিকার্তন্রী সরকারি কলেজ), তাঁকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, চট্টগ্রামের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ড. এ কে এম সামছু উদ্দিন আজাদকে চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক আবু মুসা মো. তারেককে সিলেট শিক্ষাবোর্ডে বিদ্যালয় পরিদর্শক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া, সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলামকে সিলেট শিক্ষাবোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শকের দায়িত্ব থেকে মুক্ত করে ওএসডি করা হয়েছে এবং তাঁকে হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যাপক মোঃ আনোয়ার হোসেনকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং একইসঙ্গে বর্তমানে পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) হিসেবে কর্মরত বি এম আব্দুল হান্নানকে ওএসডি ঘোষণা করে তাঁকে সরকারি তিতুমীর কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, ফরিদপুরের মধুখালী সরকারি আইনউদ্দিন কলেজের অধ্যাপক মোঃ নাজমুল হককে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

    এছাড়া, এনটিআরসিএতে উপ-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী অধ্যাপক দীনা পারভিনকেও ওএসডি করে মাউশি অধিদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই রদবদলগুলো দেশের শিক্ষা বিভাগে ব্যাপক পরিবর্তনের মুখ দেখাচ্ছে, যা উল্লেখযোগ্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ।