Blog

  • খুলনায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    খুলনায় বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

    খুলনায় একটি ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় তার স্ত্রীসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে দৌলতপুর থানার রেলিগেট এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা জানান, নিহতরা হলেন বাটিয়াঘাটা উপজেলার ভাদগাতি এলাকার বাসিন্দা মহিউদ্দিন শেখের ছেলে শরিফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী লামিয়া বেগম।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ফুলতলা থেকে ঢাকায় যাওয়ার জন্য একটি রয়েল পরিবহনের বাস রেলিগেট এলাকায় পৌঁছানোর সময়, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক শরিফুল ইসলাম ও তার স্ত্রী লামিয়া বেগম নিহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পূর্বে, আহতদের পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে রেকর্ড করেন।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক বাসটি জব্দ করে। তবে চালক এমনকি গাড়ি ফেলে রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পুলিশ বলছে, চালককে আটক করতে সক্ষম হয়নি, তবে দুর্ঘটনাকর বাসের বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলামের ভাষ্য, নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রয়েছে।

  • ছেঁড়া-ফাটা নোট বদল না করলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তির আশঙ্কা

    ছেঁড়া-ফাটা নোট বদল না করলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তির আশঙ্কা

    দেশব্যাপী ছেঁড়া, ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ এবং ময়লার মতো বদলে যাওয়া নোটের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক শক্তভাবে নির্দেশনা দিয়েছে যে এসব নোট গ্রহণ ও বিনিময় বাধ্যতামূলক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে, একথা না মানলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সম্পর্কে রোববার একটি বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

    নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলোতে ক্রেতাদের থেকে ছেঁড়া বা ফাটা ক্ষতিগ্রস্ত ও ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি, সেই সমস্ত নোটের পরিবর্তে নতুন বা পুনর্ব্যবহৃত নোট সরবরাহের দায়িত্বও তাঁদের।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগে থেকেও এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ছিল কিন্তু এখনো বাজারে এমন ক্ষতিগ্রস্ত নোটের পরিমাণ বেড়ে চলেছে, যা সাধারণ মানুষের কাছে লেনদেনে অসুবিধা সৃষ্টি করছে। এজন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ক্লিন নোট পলিসি’ বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    বিশেষ করে, ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার মতো ছোট মূল্যমানের নোট নিয়মিতভাবে গ্রহণ এবং নির্দিষ্ট কাউন্টারগুলোতে বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকদের এসব ক্ষতিগ্রস্ত বা ফাটল নোটের পরিবর্তে ব্যবহৃত বা নতুন নোট দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে, যদি কোনো ব্যাংক শাখা এই পরিষেবা দিতে গাফিলতি করে বা অনীহা দেখায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এই নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৯৯১ সালের ধারা ৪৫ এর আওতায় জারি করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমলো

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমলো

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। বিশ্ববাজারে সোমবার মূল্যবান ধাতুটির দাম প্রায় এক সপ্তাহেরLowestে পৌঁছেছে। এই খবর দিচ্ছে রয়টার্স। বিশ্লেষকদের মতে, শক্তিশালী ডলারের কারণে এই পতনের কারণ হয়েছে। আবার তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে চলতি বছরে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনাও কমে গেছে। এর ফলে স্বর্ণসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দাম বেড়েছে।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০.৪% কমে গিয়েছিল, ফলে প্রতি আউন্সের মূল্য দাঁড়ায় ৪,৭২৬.৬৪ ডলারে। এর আগে, দিন শুরুতে এটি ৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন ৪,৬৪৩ ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারের দাম ০.৮% কমে ৪,৭৪৮.৭০ ডলারে পৌঁছায়।

    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ডলার সূচক ০.৩% শক্তিশালী হয়েছে এবং তেলের দাম আবারও ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছুঁয়েছে। এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি অবরোধের প্রস্তুতিও নিচ্ছে, যা স্বর্ণের দামের পতনের পিছনে একটি কারণ হতে পারে।

    কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় যুদ্ধবিরতির আশা ভেঙে গেছে। এর ফলে ডলার ও তেলের দাম বেড়ে গেছে, যা স্বর্ণের উপর আবার চাপ সৃষ্টি করেছে।

    ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান মধ্যে যুদ্ধের কারণে স্পট গোল্ডের দাম ১১% এর বেশি কমেছে। সাধারণত, মুদ্রাস্ফীতি ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি স্বর্ণের চাহিদা বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু উচ্চ সুদের হার স্বর্ণের মতো সুদবিহীন সম্পদের জন্য নেতিবাচক। শক্তিশালী ডলারের কারণে অন্যান্য মুদ্রাধারীরা ডলার-নির্ধারিত স্বর্ণ কিনতে হলে আরও বেশি খরচ করতে হচ্ছে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, তেলের দাম যদি আবার ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছুঁয়ে যায়, তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়ানোর বিষয় বিবেচনা করবে। এর ফলে স্বর্ণের পারফরম্যান্স দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা খুবই কম কারণ, জ্বালানের উচ্চ মূল্য সমগ্র মুদ্রাস্ফীতিকে আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং মুদ্রানীতিতে শিথিলতার সুযোগ কমিয়ে দিচ্ছে। ফলে, মূল্যবান ধাতুগুলোর ওপর চাপ বেড়েই চলেছে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন রেফারেন্স রেট চালু করেছে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য

    বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন রেফারেন্স রেট চালু করেছে সুদহার নির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য

    বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক খাতে সুদের হার নির্ধারণে স্বচ্ছতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে নতুন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। সোমবার ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জারি করা এক সার্কুলারে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়।

    সার্কুলারে বলা হয়, দেশে বিভিন্ন ধরণের ঋণচুক্তি, বন্ড, ফ্লোটিং রেটভিত্তিক আর্থিক পণ্য যেমন ডেরিভেটিভস এবং অন্যান্য আর্থিক চুক্তিতে সুদের হার নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি কার্যকর, বিশ্বাসযোগ্য ও বাজারভিত্তিক বেঞ্চমার্কের প্রয়োজন ছিল দীর্ঘ সময় ধরে। এই প্রেক্ষিতেই, প্রকৃত আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন দুটি মানি মার্কেট রেফারেন্স রেট নির্ধারণ ও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নতুন এই রেটগুলোর নাম হবে ‘বাংলাদেশ ওভারনাইট ফিন্যান্সিং রেট’ (বিওএফআর) এবং ‘ঢাকা ওভারনাইট মানি মার্কেট রেট’ (ডিওএমএমআর)। এই দুটি রেফারেন্স রেট সুদ হার নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, যা বাজারের উন্নয়ন ও কার্যকারিতাকে আরও শক্তিশালী করবে।

    সার্কুলারে আরও জানানো হয়, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে প্রতিদিনের কার্যদিবসে এই দু’টি রেফারেন্স রেট হিসাব ও প্রকাশ করা হবে। রেট নির্ধারণের পদ্ধতি বা মেথডোলজি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে, যাতে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সহজেই তা অনুসরণ করতে পারে। এর ফলে, দেশের 금융 ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, নির্ভরযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানের হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

  • দেশের রিজার্ভ আবার বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    দেশের রিজার্ভ আবার বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এখন এটি দাঁড়িয়ে আছে ৩৪ হাজার ৬৬০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ মোট ৩৪.৬৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার এই তথ্য প্রকাশিত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ হলো ২৯ হাজার ৯৭৭ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার।

  • দেশে সোনা ও রুপার দাম বাড়ল, ভরি কত হলো

    দেশে সোনা ও রুপার দাম বাড়ল, ভরি কত হলো

    বাংলাদেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম সম্প্রতি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই দাম বৃদ্ধি সোমবার (১৫ এপ্রিল) থেকে কার্যকর করা হয়েছে এবং এর ফলে সাধারণ মানের (২২ ক্যারেট) সোনার এক ভরি দাম এখন সর্বোচ্চ ২৮৬,৫১৯ টাকায় পৌঁছেছে। এর আগে, গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এই দাম ছিল ২৭৭,৯৭৭ টাকা।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ১০টা থেকে নতুন দামে সোনার বিক্রি শুরু হয়েছে। তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত দামের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য এখন ২৮৬,৫১৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩৮,৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৩০,৪৭০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি দাম ১৬৬,৭৩৭ টাকা।

    এছাড়াও, রুপার দামে পরিবর্তন এসেছে, যেখানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য ৩ হাজার ৭৩২ টাকা।

    বিশ্ব বাজারে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রভাব দেশে পড়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্য চলমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বিশ্বজুড়ে সোনার মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৮২৩ ডলারের উপরে পৌঁছেছে, যা গত কয়েক মাসের তুলনায় অনেক বেশি।

    আগের মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ছিল ৫ হাজার ২শ’ ডলার। আর, ২৯ জানুয়ারির দিকে এটি বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

    এদিকে, বিশ্ববাজারে টানা দাম বাড়ার ফলে বাংলাদেশেও সোনার দামে হু হু করে বৃদ্ধি ঘটে। বিশেষ করে, ২০২৪ সালের ২৯ জানুয়ারি এক ভরি সোনার দাম প্রায় ২,৮৬,০০০ টাকায় পৌঁছেছিল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সেই সময়ে একদফা জরুরি মূল্যবৃদ্ধি করে বাজুস। এর ফলে, সোনার দাম এতটাই বেড়ে গেছে যে, তা সেটির ইতিহাসে একেবারেই নতুন দিগন্ত স্থাপন করেছে।

  • ইডেন কলেজ ও গোপালগঞ্জ জেলাসহ বেশ কয়েকটি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

    ইডেন কলেজ ও গোপালগঞ্জ জেলাসহ বেশ কয়েকটি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সম্প্রতি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় গোপালগঞ্জ জেলা, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ এবং ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ছাত্রদলের সব কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়, যেখানে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক ও সহ-সভাপতি পদমর্যাদার মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষর করে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই কমিটিগুলোর মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে শিগগিরই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির একান্তে অনুমোদন দিয়েছেন, যা ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • নাহিদ ইসলাম বললেন, আমরা আবারো আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি

    নাহিদ ইসলাম বললেন, আমরা আবারো আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আমরা আবারও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। দল-মত নির্বিশেষে সবাই একত্রিত হয়ে এই সংগ্রামে অংশ নিচ্ছি। এটি কোনো দলের স্বার্থের জন্য নয়, বরং এটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশের স্বার্থে মূল সংকট সমাধানের জন্য। তিনি বলেন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানকে রক্ষা করতে হবে এবং শহীদদের রক্ত যেন বৃথা না যায়, সেটাই আমাদের সংগ্রামের মূল উদ্দেশ্য। এজন্য আমরা সবাই একযোগে ঐক্যবদ্ধ থাকব।

    রোববার দুপুরে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন, যেখানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ পরিবার, যোদ্ধারা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, হয়তো আমরা অন্তর্বতী সরকারের সময় এই সংগঠনের পাশে পুরোপুরি দাঁড়াতে পারিনি, তবে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়েছি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই শহীদদের পক্ষে নানা বড় বড় কথা বললেও, তারা কি সত্যিই তার জন্য কিছু করে দেখাচ্ছে কিনা, সেটি দেখতে হবে। তিনি আরো যোগ করেন, অন্তর্বতী সরকারের সময় গঠন হওয়া জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন এখন কিছুটা কাজ করছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে তাদের উদ্যোগে অনীহা দেখা গেছে।

    জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, উপস্থিত সবাই হয়তো সব কথা বলতে পারেননি, তবে প্রত্যেকের মধ্যে একই স্পিরিট এবং আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। সবাই পুনরায় ঐক্যবদ্ধ এবং রাজপথে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত, ইনশাআল্লাহ। আপনি যারা শুনছেন, তাদেরও প্রস্তুত থাকতে বলি।

    এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘রাজপথের এই আন্দোলনে আপনারা সন্তান হারিয়েছেন, কেউ কেউ পা বা হাত হারিয়েছেন। আজ এই মঞ্চে বসে থাকা আমরা সবাইই আপনাদের সাথে থাকব, সবার সামনের সারিতে থাকব। হ্যাঁ, যেখানে গুলি চলবে, সেটি আমাদের বুকেই লাগবে। কাজের জন্য আমাদের সবাইকে সংগঠিত থাকতে হবে এবং দোয়া করতে হবে। বিশ্বাস করে বলছি, ইনশাআল্লাহ, একদিন নতুন বাংলাদেশ ও সংস্কার প্রতিষ্ঠিত হবেই। শুধু বিএনপি বা অন্য শক্তি নয়, কোনও পরাশক্তি বা বিদেশি শক্তি আমাদের রুখতে পারবে না; আমরা অবশ্যই বিজয় ছিনিয়ে নেব।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডাঃ শফিকুর রহমান।

  • আন্দোলন শুরু হয়েছে, এবার সফলতার জন্য এগিয়ে যেতে হবে: জামায়াতের আমির

    আন্দোলন শুরু হয়েছে, এবার সফলতার জন্য এগিয়ে যেতে হবে: জামায়াতের আমির

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে আন্দোলনের সূচনা হয়েছে। এখন এটি তিলে তিলে সফলতার দিকে এগিয়ে নেওয়ার সময়। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট (আইইডিবি) মিলনায়তনে ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সংকটের মুখোমুখি বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি বক্তব্যের শুরুতেই একটি ছোট গল্পের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। গল্পে তিনি দড়ি টানা পাখার উদাহরণ দিয়ে বলেন, এক বিচারক একটি হত্যা মামলার রায় দেওয়ার সময় পরস্পরবিরোধী কথা বলছিলেন। পরে জানা গেল, পেছন থেকে দড়ি টানার অসুবিধার জন্য এমনটি ঘটছে। এ গল্পের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান, দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বিরোধপূর্ণ সিদ্ধান্তের পেছনে অদৃশ্য শক্তির হাত রয়েছে।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে, বিশেষ করে পার্লামেন্টে যারা থাকেন, তাদের মধ্যে কে দড়ি টানে? সেই দড়ি কোথা থেকে টান দেওয়া হয়? এই প্রশ্ন এখন সবাই বুঝতে পারছেন।

    তিনি সরকারের দ্বৈত নীতিরও সমালোচনা করেন এবং বলেন, এক সময় গণভোট হারাম, আবার কিছু সময় হালাল। এক সময় অর্ডার অনুযায়ী গোস্ত হালাল, কিন্তু শুরুটা ঝোলের হারাম। এসব নিয়ে আমরা পার্লামেন্টে কথা বলেছি, তবে আমাদের কণ্ঠ রোধ করার চেষ্টাও হয়েছে। তবু আমরা আমাদের বক্তব্য অব্যাহত রেখেছি, কারণ জনগণ আমাদের এই অধিকার দিয়েছে বলেই আমরা কথা বলছি।

    তিনি বর্তমান সংসদকে ‘জুলাই প্রোডাক্ট’ নামে অভিহিত করে বলেন, ‘জুলাই নয়, আমরা আছি, সরকারও আছে, বিরোধীদলও আছে, আর কিছুই নেই। এই জুলাইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াই এখন আমাদের লক্ষ্য। গণভোটের মাধ্যমে এই জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ইনশা আল্লাহ পূরণ হবে। তার জন্য জীবনের কমতি থাকলে করতেও প্রস্তুত।’

    নিজেদের সংসদে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম, আমরা এই সংসদ থেকে সুবিধা নিতে যাচ্ছি না। অনেক কিছু সময়ের জন্য নেওয়া হবে, তবে নীতির বাইরে যাওয়া হবে না। যে বাধ্যবাধকতা আছে, সেটিতেই থাকবো, অবৈধ কিছু করব না।

    ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান শুধু শিক্ষিত ছাত্র বা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আন্দোলন নয়। তিনি ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষ্য দিয়েছেন, এই শহীদদের মধ্যে ৬২ শতাংশই শ্রমিক। তিনি প্রশ্ন করেন, তারা কি কোটার বৈষম্য বা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছিল? না, তারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, পরিবর্তনের জন্য বুক চিতিয়ে লড়েছিল। তারা জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছে, তারা গুণগত রাজনীতির জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত।

    সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরে মজলিস আল্লামা মামিনুল হক, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বাংলাদেশ) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ, আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির।

    আন্দোলনের শুরু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আন্দোলন শুরু করতে হবে এটিও আন্দোলনের অংশ। যখন আমরা সংস্কার পরিষদের সভার জন্য নোটিশ দিয়েছিলাম, তখন সংখ্যাগরিষ্ঠের হোটে আমাদের গায়ের জোরে সেটি বাতিল করা হয়। এরপরই আমরা বলেছি, জনগণের রায় নিয়ে রায় বাস্তবায়নে আবার আমরা পার্লামেন্টে যাচ্ছি।’

    জামায়াতের আমির বলেন, এই আন্দোলন সুবিধাবাদী নয়, এটি ক্ষমতার ভাগবাটোয়ারা নয়। মূল লক্ষ্য হচ্ছে ৭০ ভাগ মানুষের রায় ও শহীদদের রক্তের সঙ্গে অঙ্গীকার। বর্তমান সরকারের একচেটিয়া অধিকার ও আচরণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, আমরা চাই, আমাদের সন্তানদের কারো গোলামি করতে দিই না। বাংলাদেশে রাজতন্ত্র বা ফ্যাসিবাদ মেনে নেওয়া যাবে না। সবাই মিলেই এই দেশকে উন্নত করতে হবে, কোনও বোঝা বা অন্ধকারের উদ্যোগে পা দেওয়া চলবে না।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই দুষ্টচক্র ভেঙে ফেলার জন্য সবাই একসাথে কিছু করতে হবে। সংসদের সময়ের বড় অংশ অন্যের প্রশংসায় নষ্ট হলে চলবে না; বরং সেখানে জনতার সমস্যা ও সমাধানই মুখ্য হওয়া উচিত। তিনি সরকারের সমালোচনা করে আরও বলেন, আজও আমরা ফ্যাসিবাদের ছায়া দেখছি সংসদে। কিছু সদস্যের আচরণে দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, সকলকেই সংযত হতে হবে ও দেশরত্নের ইতিহাসকে সম্মান করতে হবে। এই দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী তাদের মূল্যবোধ অটুট রাখতে হবে।

    সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ, নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ, আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির।

  • সংস্কার পরিষদ না করলে বিএনপি সরকার সংকটে পড়বে: নাহিদ

    সংস্কার পরিষদ না করলে বিএনপি সরকার সংকটে পড়বে: নাহিদ

    সংস্কার পরিষদ না করে দেশের ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারকে বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ১১ দলীয় জোটের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকার: সংকটের মুখোমুখি দেশ’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের প্রধান দুটি প্রশ্ন সামনে আসে। একদিকে, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী আন্দোলনের দাবি ছিল ফ্যাসিবাদের অবসান, অন্যদিকে বিএনপির দাবি ছিল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আমাদের পক্ষ থেকে সংস্কারসহ নতুন রিপ্লেসমেন্টের জন্য দাবি ওঠে গণপরিষদের। পরে বিএনপি আলোচনা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় আসতে সম্মত হয়। এজন্য আমরা গণপরিষদ এর পরিবর্তে সংস্কার পরিষদের প্রস্তাব মেনে নিই।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি আসলে একটি কৃত্রিম বিরোধ তৈরি করছে। তারা জুলাই সনদ এবং জুলাই আদেশকে আলাদা করার চেষ্টাও করছে। কারণ, তারা জুলাই সনদকে নিজেদের রাজনীতির ইশতেহারে পরিণত করেছে। এতে সংবিধানের মূল কাঠামো পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকায় গণভোটের প্রশ্ন উত্থাপিত হয়। সংবিধানের স্বাভাবিক ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে সম্পাদনযোগ্য সংস্কারের জন্য গঠিত হয়েছে গঠনমূলক সংস্কার পরিষদ। এই প্রক্রিয়াটির অংশ হিসেবে ঐকমত্যে এসেও বিএনপি এখন এসব বিষয়ের বরখেলাপ করছে এবং গণরায়কে অগ্রহণযোগ্য করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    বিরোধী দলীয় নেতা উল্লেখ করে বলেন, গণভোটের রায় প্রত্যাখ্যানের ফলে সরকারকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। এখন আমাদের দেশকে ঘিরে থাকা বিভিন্ন সংকটে ঐক্যবদ্ধভাবে সম্মিলিতভাবে মোকাবেলা করতে হবে—যেমন যুদ্ধ পরিস্থিতি, জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ, হামর মতো মহামারী প্রতিরোধ ও জীবাশ্ম জ্বালানি সমস্যার সমাধান। আমাদের দুর্ভাগ্যবশত গত ১৬ বছর ধরে চলমান সংস্কার ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আলোচনাগুলো এখনো ফলপ্রসূ হয়নি, এ কারণেই দেশ এনেছে এই দুর্যোগ। বিএনপির এই দায়ভার এড়ানো সম্ভব নয়, কারণ এর পরিণতি খুবই কঠিন হতে পারে।

    তিনি আরও বলেন, সংকট মোকাবেলায় দ্রুত সংস্কার পরিষদ গঠন ও সংবিধানে সংস্কার দরকার। সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, দ্রুত এই পরিষদ গঠন করুন, দেশের শান্তি ও ঐক্য রক্ষা করুন। তা না হলে এর ভবিষ্যৎ খুবই জটিল হয়ে উঠবে।

    এছাড়া, এনসিপির আহ্বায়ক গণহারে সংবিধান সংস্কার ও পরিষদ গঠনের জন্য সরকারের প্রতি প্রাধান্য দেন। তিনি বলেন, এই সংকটের সমাধানে অতি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তা না হলে দেশের ভবিষ্যৎ এক অন্ধকারের দিকে এগোবে।

    সেমিনারের প্রধান অতিথি ছিলেন বিরোধী দলের নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও উত্তরাঞ্চলের এনসিপির প্রধান সংগঠক সারজিস আলমসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা।