Blog

  • বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে ৩৪,৬৬০.৯৯ মিলিয়ন ডলার

    বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে ৩৪,৬৬০.৯৯ মিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪,৬৬০.৯৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৪.৬৬ বিলিয়ন ডলার)। সোমবার এই তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪,৬৬০.৯৯ মিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯,৯৭৭.৮৯ মিলিয়ন ডলার।

    তুলনামূলক হিসেবে বলা যায়, আগের হিসাব ছিল ৯ এপ্রিল পর্যন্ত—তখন গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪,৬৪৫.০৪ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯,৯৫২.৬৬ মিলিয়ন ডলার। এতে গত কয়েক দিনের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভে বাড়তি ১৫.৯৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ ভিত্তিক রিজার্ভে বাড়তি ২৫.২৩ মিলিয়ন ডলার দেখা গেছে।

    উল্লেখযোগ্য, নিট রিজার্ভ হিসাবও আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী করা হয়। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী বৈদেশিক দায়-দায়িত্ব (short-term liabilities) বিয়োগ করলে যেই পরিমাণ পাওয়া যায় তাকে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ বলা হয়। এই ধরনের সংক্ষিপ্ত আপডেট দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অবস্থা ও লেনদেন পরিচালনার পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে গণ্য করা হয়।

  • ছেঁড়া-ফাটা নোট বদলাতে অনীহা করলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

    ছেঁড়া-ফাটা নোট বদলাতে অনীহা করলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

    দেশজুড়ে ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোটের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় এগুলো গ্রহণ ও বিনিময় বাধ্যতামূলক ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করে এবং তা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জনসাধারণের স্বাভাবিক নগদ লেনদেন নিশ্চিত করতে তফসিলি ব্যাংকের সকল শাখায় নিয়ম অনুযায়ী ছেঁড়া-ফাটা বা ময়লাযুক্ত নোট গ্রহণ করতে হবে। গ্রহণের চারপাশে নতুন বা পুনঃপ্রচলিত ব্যবহারযোগ্য নোট সরবরাহ করার কথাও নির্দেশে রাখা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, যদিও আগেই এই নির্দেশনা ছিল, তবু বাজারে এ ধরণের নোটের আধিক্য রয়ে গেছে এবং তা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেনে সমস্যা তৈরি করছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় ‘ক্লিন নোট পলিসি’ কার্যকর করার জন্য ব্যাংকগুলোকে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিশেষভাবে ৫, ১০, ২০ ও ৫০ টাকার ছোট নিষ্পত্তিযোগ্য নোট নিয়মিতভাবে গ্রহণ করতে এবং নির্ধারিত কাউন্টারে বিনিময় নিশ্চিত করতে শাখাগুলোকে বলা হয়েছে। গ্রাহকদের কাছ থেকে এমন নোট নেওয়া হলে তাদের বদলে ব্যবহারযোগ্য বা নতুন নোট দিতে হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করে জানিয়েছে, কোনো শাখা যদি এই সেবা দিতে অনীহা বা গাফিলতি করে, তাহলে ব্যাংকের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।

    এই নির্দেশনা ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

  • ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কূটনৈতিক পদক্ষেপ: প্রকাশ পেল ১০ দফার প্রস্তাব

    ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কূটনৈতিক পদক্ষেপ: প্রকাশ পেল ১০ দফার প্রস্তাব

    কুয়েতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় ওয়াশিংটন একটি নতুন ১০ দফার কূটনৈতিক প্রস্তাব পাঠিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংশ্লিষ্ট সূত্র এই তথ্য জানিয়ে দিয়েছে। কুয়েতের সংবাদমাধ্যম আল-জারিদার রিপোর্টে এই প্রস্তাবকে দ্বিতীয় দফার আলোচনার ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    প্রথম দফার আলোচনা ইসলামাবাদে ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক আয়োজনের বিদ্যমান কূটনৈতিক যোগাযোগ তীব্র হয়েছে। এমন সময় মার্কিন গণমাধ্যমে সম্ভাব্য নতুন প্রস্তাব ফাঁস হওয়ার খবর আসে, যা কূটনৈতিক মঞ্চে নতুনোভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

    ইরানের সূত্র জানায়, প্রথম দফায় অংশ নেওয়া একজন মার্কিন কর্মকর্তা—যাকে প্রতিবেদনে ‘জে.ডি. ভ্যান্স’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—শেষ মুহূর্তে তেহরানে একটি নতুন প্রস্তাব পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন। সূত্রটি বলেছে, ওই প্রস্তাবের চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা ও অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির পর।

    সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক আলোচনায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আংশিক ঐকমত্য গড়ে উঠায় নতুন প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তাবের মূল উপাদানগুলোতে রয়েছে: ইরানের সঙ্গে একটি আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর, আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোয় তেহরানের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বৈরী ক্রিয়াকলাপ বন্ধের শর্ত।

    এছাড়া প্রস্তাবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে একটি সময়সীমার জন্য (প্রতিবেদন অনুসারে ১০ বছর) স্থগিত রাখা, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেওয়া এবং আঞ্চলিক পারমাণবিক কনসোর্টিয়াম গঠনের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। তদুপরি উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর অথবা আন্তর্জাতিক নজরদারিতে রাখতে বলা হয়েছে।

    প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালীকে সম্পূর্ণভাবে নৌচলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যৌথ তত্ত্বাবধানের কথাও উল্লেখ আছে। এছাড়া ৩০০ কিলোমিটারের বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন স্থগিত রাখা, বিদেশে জব্দ করা ইরানি সম্পদ নির্দিষ্ট শর্তে ফেরত দেওয়া এবং চূড়ান্ত চুক্তি পর আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা প্রস্তাবে স্থান পেয়েছে।

    তবে এ বিষয়ে এখনো ওয়াশিংটন কিংবা তেহরান থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ চলমান; প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আরও আলোচনা ও সমঝোতার সুযোগ তৈরি হলে তা দ্বিতীয় দফা বৈঠকে প্রভাব ফেলতে পারে।

  • কানাডার ফেডারেল সংসদে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হলেন ডলি বেগম

    কানাডার ফেডারেল সংসদে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হলেন ডলি বেগম

    কানাডার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম। তিনি ১৪ এপ্রিল টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনের ফেডারেল উপনির্বাচনে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক ভোটে জেতার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কানাডার ফেডারেল পার্লামেন্টে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রতিনিধি হিসেবে স্থান করে নেন।

    প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, ডলি বেগম প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট পেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বীদের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছেন। এই বিশাল বিজয় লিবারেল পার্টির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ — পার্লামেন্টে পার্টির অবস্থানকে শক্ত করার ক্ষেত্রে এ আসনের গুরুত্ব ছিল গভীর।

    ডলি বেগম শুধু একটি প্রতিশ্রুতিশীল ভোটজয়ী নেতা হিসেবে নয়, বরং কানাডার বহুসাংস্কৃতিক সমাজে অভিবাসী কমিউনিটিদের কণ্ঠস্বরের একটি শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তিনি নিজেকে সামাজিক ন্যায়বিচার, অভিবাসী অধিকার, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সংরক্ষণ-উন্নয়নের দিকে নিবেদিত একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন।

    আগে ডলি অন্টারিও প্রদেশের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে এমপিপি (Member of Provincial Parliament) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে স্থানীয় সমস্যা বোঝা ও সমাধানে কার্যকর ভূমিকা নিতে সাহায্য করেছে।

    নিজের বিজয় ভাষণে ডলি বেগম বলেন, ‘‘এই জয় কেবলই একটি রাজনৈতিক সাফল্য নয়, এটি বহুসাংস্কৃতিক কানাডার অন্তর্ভুক্তিমূলক চেতনারই জয়।’’ তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, স্কারবোরো সাউথওয়েস্টের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, অবকাঠামো ও পরিবহন ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং সমঅধিকার নিশ্চিত করতে তিনি জোরালোভাবে কাজ করবেন।

    বাংলাদেশি অভিবাসী সমাজ ও স্থানীয় প্রবাসীদের মধ্যে এই জয়ের ব্যাপারে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। অনেকেই বলছেন, ডলি বেগমের এই অর্জন নতুন প্রজন্মকে রাজনীতি ও নেতৃত্ব প্রশ্নে এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা দেবে। ভবিষ্যতে পার্লামেন্টে তার কার্যক্রম ও প্রতিনিধিত্ব কিভাবে প্রতিফলিত হয়, সেটাই এখন নজরকাড়া বিষয়।

  • খুলনায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত

    খুলনায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহত

    খুলনার দৌলতপুরে বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুজন মারা গেছেন। সংঘর্ষটি দৌলতপুর থানার রেলিগেট এলাকায় ঘটে।

    ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ঘাতক বাস ও dessen চালককে গ্রেপ্তার করেছে। সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়টি দৌলতপুর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

    পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনার সঠিক কারণ выяс করার চেষ্টা চলছে। আহত বা নিহতদের পরিচয় সম্পর্কে তথ্য স্বীকৃত হওয়া মাত্র তা জানানো হবে।

  • একুশে টিভির ২৭ বছরে পদার্পণ: খুলনায় বর্ণাঢ্য উদযাপন

    একুশে টিভির ২৭ বছরে পদার্পণ: খুলনায় বর্ণাঢ্য উদযাপন

    “পরিবর্তনে অঙ্গিকারবদ্ধ” শ্লোগানকে হাতে নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও সৃজনশীল অনুষ্ঠান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জনপ্রিয় বেসরকারি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন ২৭ বছরে পা দিল। এ উপলক্ষে খুলনায় একটি বর্ণাঢ্য কর্মসূচি পালন করা হয়।

    পহেলা বৈশাখ সকাল ৯টায় খুলনা প্রেসক্লাব চত্বরে আলোচনা সভা, কেক কাটা, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও বৈশাখী আপ্যায়নের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। একুশে টেলিভিশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সিইও আব্দুস সালামের পক্ষে খুলনা প্রতিনিধি আশরাফুল ইসলাম নূর নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান এবং চ্যানেলের জন্মদিন উদযাপন করেন।

    অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদ হাসান, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক এস.এম. মনিরুল হাসান বাপ্পী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন ও যুগ্ম-মহাসচিব হেদায়েৎ হোসেন মোল্লা, খুলনা সংবাদপত্র পরিষদের কোষাধ্যক্ষ মো. তরিকুল ইসলাম।

    খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, নির্বাহী সদস্য অধ্যাপক দিদারুল আলম, কৌশিদ দে বাপ্পী ও আহমদ মুসা রঞ্জু, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা, কোষাধ্যক্ষ ও খুলনা টিভি রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. রকিবুল ইসলাম মতি সহ অন্যান্য সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন আবুল হাসান হিমালয়, নির্বাহী সদস্য কেএম জিয়াউস সাদাত ও দৈনিক জন্মভূমির যুগ্ম-সম্পাদক মো. সোহরাব হোসেন। বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ্জামানও অনুষ্ঠানে ছিলেন।

    অনুষ্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন খুলনা শিশু হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. প্রদীপ দেবনাথ, খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, সিপিবি নেতা কমরেড মিজানুর রহমান বাবু, জনতা ব্যাংক অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে মো. জাহাঙ্গীর আলম। রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন স্তরের উপস্থিতিদের মধ্যে ছিলেন শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, খুলনা সদর থানা বিএনপির সভাপতি কেএম হুমায়ুন কবির, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি, খুলনা সদর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, মহানগর শ্রমিকদলের সভাপতি মো. মজিবুর রহমান, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পি। বিএনপির নেতারা জাফরী নেওয়াজ চন্দন, ইকরামুল কবীর মিল্টন, জিএম হারুন অর রশীদ, মো. আমিন আহমেদ ও মেশকাত আলী উপস্থিত ছিলেন। নারীনেত্রী হোসনেওয়ারা চাঁদনী, সুজানা জলি ও উন্নয়ন কর্মী মো. আব্দুল হালিমসহ আরও অনেকে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে উৎসবকে জমজমাট করে তোলেন।

    বাংলা নববর্ষ ও একুশে টিভির জন্মদিনকে কেন্দ্র করে হওয়া এই আয়োজনটি ছিল আন্তঃপেশাগত মিলনমেলা ও উৎসবমুখর — যেখানে সংবাদ, সংস্কৃতি ও সামাজিক প্রতিনিধিত্ব একসঙ্গে উপস্থিত ছিল।

  • ব্লেজিং মুজারাবানিকে পিএসএল থেকে দুই বছর নিষেধাজ্ঞা

    ব্লেজিং মুজারাবানিকে পিএসএল থেকে দুই বছর নিষেধাজ্ঞা

    পিএসএল (পাকিস্তান সুপার লিগ) মধ্যেই লিগ ছেড়ে আইপিএলে যোগ দেওয়ায় জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেজিং মুজারাবানিকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে পিএসএল কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

    পিএসএল এক বিবৃতিতে বলেছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগগুলোতে অংশগ্রহণকারীদের পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। এক ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকতে থাকা অবস্থায় অন্য কোনো লিগে মাঝপথে যোগ দেওয়া পেশাদারি আচরণের গুরুতর লঙ্ঘন এবং মুজারাবানির এই আচরণ দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কতটা গুরুতর তা প্রমাণিত হয়।

    ঘটনা এসেছে এমন সময়ে যখন মুজারাবানি ২০২৬ সালের আরম্ভিক নিলামে কোনো দল পাননি। পরে তিনি পিএসএল দল ইসলামাবাদ ইউনাইটেডে শামার জোসেফের বদলি হিসেবে সুযোগ পান। অন্যদিকে আইপিএলে তার সুযোগ সৃষ্টি হয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের পথে — জানুয়ারিতে বিসিসিআই নির্দেশে মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা বাদ দেয়ার পর মুজারাবানিকে সেখানে নেওয়া হয়। এরপরেই মুজারাবানি পিএসএল ছেড়ে আইপিএলে চলে যান, যা নিয়ে লিগ কর্তৃপক্ষ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

    আইপিএলে মুজারাবানির পারফরম্যান্সও মিশ্র রকমের — এবারের টুর্নামেন্টে তিনি দুই ম্যাচে ৪ উইকেট নিয়েছেন, ইকোনমি ১০.৭১। সব উইকেটই এক ম্যাচে এসেছে: ২ এপ্রিল ইডেন গার্ডেনে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৪ ওভার বল করে ৪১ রানে ৪ উইকেট। সমগ্র টুর্নামেন্টে কলকাতা নাইট রাইডার্স চারে ৪ ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে আছে এবং আজ প্রথম জয়ের খোঁজে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে খেলবে (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা, এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম)।

    আগে একই ধরনের ঘটনার উদাহরণ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার করবিন বশকে এক বছর পিএসএল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল; তখন বশকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে লিজাড উইলিয়ামসের প্রতিস্থাপন হিসেবে নেওয়ার কারণে শাস্তি দেয়া হয়েছিল। এ ছাড়া এবার মুজারাবানির সঙ্গে সঙ্গে স্পেনসার জনসন ও দাসুন শানাকাও পিএসএল ছেড়ে আইপিএলে গেছেন—তাদের শাস্তি বা অনুসন্ধান সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।

    পিএসএল কর্তৃপক্ষ বলেছে, ফ্র্যাঞ্চাইজির সাথে থাকা অবস্থায় কোথাও যোগ দেওয়ার আগে খেলোয়াড়দের নিজেদের দায়বদ্ধতা ও চুক্তি মানার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা মুজারাবানির বিরুদ্ধে লিগ কর্তৃক নেওয়া কঠোর পদক্ষেপ হিসাবে দেখা যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগগুলোর নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের সিদ্ধান্তের নজির হিসেবে পরিগণিত হবে।

  • চৈত্র সংক্রান্তিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত ঘুড়ি উৎসব

    চৈত্র সংক্রান্তিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণবন্ত ঘুড়ি উৎসব

    বাংলা বর্ষপঞ্জির শেষ দিন চৈত্র সংক্রান্তি উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে বর্ণিল ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকাল ৫টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম উৎসবের উদ্বোধন করেন এবং এতে অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানান।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ঘুড়ি উৎসবটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী আয়োজন, যা শিক্ষার্থীরাই সক্রিয়ভাবে চালিয়ে নেন। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। তিনি বলেন, এ ধরনের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম শুধুমাত্র বিনোদন নয়, আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ রক্ষার একটি মাধ্যম। নান্দনিক উৎসবে পারস্পরিক সর্ম্পক ও ভ্রাতৃত্ববোধও জোরালো হয়।

    অনুষ্ঠানে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রুমানা হক, কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাতসহ বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকরা, সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালকবৃন্দ এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

    ঘুড়ি ওড়ানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। আকাশজুড়ে নানা রঙ ও আকৃতির ঘুড়ি ভাসছিল—প্রজাপতি, সাপ, চিল, ঈগল ও মাছ আকৃতির ঘুড়িগুলো ছিল বিশেষভাবে নজর কাড়ে। অংশগ্রহণকারীরা একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে আনন্দ ভাগ করে নেন এবং উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেন।

    শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি এমন সাংস্কৃতিক আয়োজন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করে বলে আয়োজনকরা জানান। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চৈত্র সংক্রান্তির ঐতিহ্য সংরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি নতুন বাংলা বছরের আগমনও উৎসুক মনোরঞ্জনে পালিত হলো।

  • চোখের জলে চিরবিদায়: পঞ্চভূতে বিলীন হলেন আশা ভোঁসলে

    চোখের জলে চিরবিদায়: পঞ্চভূতে বিলীন হলেন আশা ভোঁসলে

    ভারতীয় উপমহাদেশের সুপরিচিত সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই। সোমবার বিকেলে মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্ক শ্মশানে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়; মুখাগ্নি দেন তাঁর ছেলে আনন্দ ভোঁসলে। এই বিদায়ের মূহুর্তে সুরের এক যুগের এক অমোঘ অধ্যায়ের পরশ তীব্র আবেগে ভরে উঠল।

    গতকাল সকাল থেকেই লোয়ার পারলের আশার বাসভবন ভিড় জমে ওঠে; বাড়িটি যেন শ্রদ্ধা আর স্মৃতিচিন্তায় এক বিশাল সমাগমে পরিণত হয়েছিল। উপস্থিত ছিল কোনো উৎসবের মেজাজ নয়, বরং শোকার ছায়া। শেষকৃত্যে বড় বোন লতা মঙ্গেশকর, মীমা খারিদকরসহ বলিউড ও ক্রীড়া, রাজনীতি জগতের বহু মানুষ শ্রদ্ধা জানান। উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা আমির খান, ক্রিকেট কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার, সংগীত পরিচালক এ.আর. রহমান, গায়ক জাভেদ আলি, অভিনেত্রী টাবু, আশা পারেখ, নীল নীতিন মুকেশ, জ্যাকি শ্রফ ও অনেকে। লোয়ার পারলে যারপরনাই মানুষ ভিড় করেন এবং রাস্তায় দুই পাশে দাঁড়ানো ভক্ত-অনুরাগীরা শেষ বিদায় জানাতে আসে; তাদের চোখে-মুখে ভরা ছিল অগণিত আবেগ।

    শববাহী গাড়িটি সাজানো ছিল আশা ভোঁসলের প্রিয় সাদা-হলুদ রঙের ফুলে; শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন বিনোদন-রাজনীতি-খেলাধুলার বহু শীর্ষ চরিত্র। শেষকৃত্য ও রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদানের মধ্য দিয়ে ভারতীয় সঙ্গীত জগতে এক সময়ের অম্লান কণ্ঠকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হল।

    আশা ভোঁসলে গত ১১ এপ্রিল অসুস্থ হয়ে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। রবিবার, ১২ এপ্রিল দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

    সংগীতজীবন শুরু করেছিলেন ১৯৪৩ সালে; প্রায় আট দশক ধরে তিনি সঙ্গীতের আকাশ আলোকিত করেছেন। শুধুমাত্র হিন্দি নয়, প্রায় ২০টির বেশি ভারতীয় ভাষায় এবং কয়েকটি বিদেশি ভাষায়ও গান রেকর্ড করেছেন তিনি। অনেক হিসাবেই বলা হয়, সিনেমার জন্য ৯২৫টিরও বেশি ছবিতে গান গেয়েছেন এবং মোট গানসংখ্যা প্রায় ১২ হাজার—যা এক বিস্ময়কর রেকর্ড। ২০০৮ সালে তিনি ভারত সরকারের তরফে পদ্ম বিভূষণে সম্মানিত হন এবং ২০১১ সালে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে তাঁকে সর্বাধিক সংখ্যক গান রেকর্ডকারীর খেতাব দেওয়া হয়।

    ব্যক্তিগত জীবনে আশা ভোঁসলের প্রথম বিবাহ হয় গনপাত্রাও ভোঁসলের সঙ্গে, যখন তাঁর বয়স ছিল প্রায় ১৬ বছর এবং গনপাত্রাও ছিলেন বেশ বড়—এর সংসার ১৯৬০ সালে ভেঙে যায়। পরে ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত সুরকার আর.ডি. বর্মনের সঙ্গে বিয়ে করেন; ১৯৯৪ সালে আর.ডি. বর্মন মারা যান।

    আশা ভোঁসলে যে কণ্ঠে আনন্দ, আবেগ, উদ্দীপনা ও বেদনাকে একসঙ্গে গেঁথে দিয়েছেন, সেই কণ্ঠ আজকের এই অমোঘ নীরবতায় ভেঙে গেলেও তাঁর গান বহু প্রজন্মের মানুষের হৃদয়ে জীবন ধারণ করে থাকবে। ভক্তদের চোখের জলে, স্মৃতির অজস্র নোটের মধ্য দিয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন তিনি।

  • ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশা ভোঁসলেকে নিয়ে রুনা লায়লার শোক

    ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশা ভোঁসলেকে নিয়ে রুনা লায়লার শোক

    ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনন্তলোকে চলে গেছেন। ১২ এপ্রিল মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ৯২ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়। তাঁর প্রয়াণে সঙ্গীতজগতে গভীর শোক নেমে এসেছে এবং উপমহাদেশের বরেণ্য শিল্পীরা তাদের স্মৃতিচারণ ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

    রুনা লায়লা আশা ভোঁসলের প্রয়াণে profound শোক ব্যক্ত করে বলেন, “পৃথিবীর বড় বড় দুইজন কিংবদন্তি একের পর এক চলে গেলেন। লতা মুঙ্গেশকর দিদি ২০২২ সালে চলে গেলেন, আর এখন আশা দিদিও চলে গেলেন। এমন শিল্পী আর এই পৃথিবীতে জন্মাবে না। আমার কাছে মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল।”

    নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রুনা লায়লা আরও জানান, “তারা দুজনেই আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন—মায়ের মতোই। এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমার শেষ দেখা হয়েছিল আমার সুর করা গান ‘চলে যাওয়া ঢেউগুলো আর ফিরে আসেনি’–এর রেকর্ডিংয়ের সময়। এরপর ফোনে যোগাযোগ হয়েছে, কিন্তু কিছুদিন ধরেই ভাবছিলাম আবার কথা বলব—আজ করব, কাল করব—এই ভাবনায় আর করা হয়নি। শেষ কথাটাও বলা হলো না।” তিনি কিছু পড়ে অবশ্যই আফসোস ব্যক্ত করে বলেন, “যদি তখনই ফোন করতাম, হয়তো আজ এই আফসোসটা থাকত না।”

    আশা ভোঁসলেকে শনিবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যথা নিয়ে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল; সেখানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন। তবুও শেষ পর্যন্ত ফিরে আসা হলো না।

    আশা ভোঁসলে প্রতি প্রজন্মের শ্রোতাকে ছুঁয়ে যাওয়া অসংখ্য গান ও কালজয়ী সুর উপহার দিয়ে গেছেন। টানা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় সংগীতে তাঁর প্রভাব অমোচনীয়—হাজারো গান, অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত এবং বহু শিল্পীর অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে তাঁর অবস্থান অনস্বীকার্য। তাঁর প্রয়াণে একটি সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল, যা অনেকেরই হৃদয়ে গহ্বরে শূন্যতা রেখে যাবে।