Blog

  • আশা ভোঁসলের শেষবিদ্যায় কেন যাননি সালমান ও শাহরুখ?

    আশা ভোঁসলের শেষবিদ্যায় কেন যাননি সালমান ও শাহরুখ?

    সুরসম্রাজ্ঞী আশা ভোঁসলের শেষ বিদায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হয়। তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় গোটা বলিউড স্তব্ধ হয়ে কাঁদছিল—রণবীর সিংসহ বহু তারকা সামিল ছিলেন। তবুও দুই সুপারস্টার সালমান খান ও শাহরুখ খান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না, যা অনেকের মধ্যে ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর পাওয়া গেছে, শেষ rites-এর সময় উভেই মুম্বাইতেই ছিলেন। কিন্তু তাদের অনুপস্থিতির পেছনে মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে নিজেদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় আনা। দুই পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়া হয়নি।

    তারপরও আশা ভোঁসলের প্রয়াণে দুজনেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। শাহরুখ লিখেছেন, “এটা খুবই দুঃখজনক যে আশা তাই চলে গেলেন। তাঁর কণ্ঠ ভারতীয় সিনেমার একটি অমোঘ স্তম্ভ ছিল, এবং আগামী প্রজন্ম পর্যন্ত তার ছাপ থাকবে।” সালমান লেখেন, “এটি ভারতের সংগীতজগতের একটি বিশাল ক্ষতি। আশা জির গান আমার হৃদয় কে ছুঁয়েছে—এক অপূরণীয় কণ্ঠ, যা ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।”

    আশা ভোঁসলে ১২ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন। আগের দিন ১১ এপ্রিল তিনি শারীরিকভাবে অস্বস্থি বোধ করলে বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলেন। প্রথমদিকে আশা করা হচ্ছিল তিনি সেরে উঠবেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

    আশা ভোঁসলের গায়নশৈলী ও কীর্তি আজীবন স্মরণীয় থাকবে—তার অবদান ভারতীয় সংগীতের ইতিহাসে অম্লান।

  • আশা ভোঁসলের মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া সংগীত জগতে

    আশা ভোঁসলের মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া সংগীত জগতে

    ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে রোববার চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যাথা অনুভব করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন আশা। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পরও সংবেদনশীল এই শিল্পীর জীবনযাত্রা শেষ হয়।

    আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সংগীত এক গভীর শোকের ছায়ায় ঢেকে গেছে। তার এই শোকাবহ সংবাদ নিজেকে সামলাতে পারেননি উপমহাদেশের অন্যতম কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা। তিনি গণমাধ্যমে বলেন, “পৃথিবীর বড় বড় দুইজন কিংবদন্তি শিল্পী পরপর চলে গেলেন। লতা মঙ্গেশকর দিদি গত বছর চলে গেলেন, আর এখন আশা দিদিও অত💐তৎ চলে গেলেন। এমন শিল্পী এই পৃথিবীতে আর কেউ জন্ম নেবে না বলে মনে হয়। আমার জন্য মনে হচ্ছে, আমার পৃথিবীটাই এখন খালি।”

    তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন, বললেন, “তাদের দুজনেই আমাকে মা থেকে যেন বেশি স্নেহ করতেন। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমার শেষ দেখা হয়েছিল তাঁর সঙ্গে যখন আমি আমার গাওয়া গানের রেকর্ডিং করছিলাম—‘চলে যাওয়া ঢেউগুলো আর ফিরে আসেনি’। এরপর ফোনে যোগাযোগ হলেও কিছুদিন পর আবার কথা বলতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আর সে সুযোগ হয়ে ওঠেনি। শেষ কথাগুলোও বলা হলো না।”

    রুনা লায়লা আরও যোগ করেন, “যখন মনে হচ্ছিলো দিদিকে ফোন করব, যদি তখনই করে থাকতাম, হয়তো আজ এই আফসোসটা থাকত না। এই কষ্টটা ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই কঠিন।”

    আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সংগীতের জগতে এক যুগের অবসান ঘটল। তিনি কয়েক দশকের ক্যারিয়ারে হাজারো জনপ্রিয় গান ও অসংখ্য কালজয়ী সুর উপহার দিয়ে অজস্র প্রজন্মের হৃদয়ে আজও শক্ত مقام ধরে রেখেছেন। তার এই প্রয়াণে এক সোনালি অধ্যায়ের অবসান ঘটল। সংগীতের এই মহা শিল্পীর অবদান চিরকাল স্মরণীয় থাকবে।

  • আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য কবে জানালেন পরিবার

    আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য কবে জানালেন পরিবার

    প্রসিদ্ধ সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে দীর্ঘ আট দশকেরও বেশি সময় ধরে সংগীতের জগতে নিজেদের আলাদা স্থান করে নিয়েছিলেন। উল্লেখযোগ্য তার কণ্ঠের মাধুর্য্য ও বহুমুখী প্রতিভার জন্য। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

    হাসপাতালের সূত্র ও পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতার কারণে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    আশা ভোঁসলের ছেলে আনন্দ ভোঁসলে জানিয়েছেন, আগামী সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তিনি আরও বলেছেন, ‘মা আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। এর আগে, সকাল ১১টায় তাঁর নিজ বাসভবন ‘কাসা গ্রান্দে’তে মরদেহ রাখা হবে যেখানে ভক্ত ও গুণগ্রাহীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এরপর বিকালে শিবাজি পার্কে সংগীতপ্রেমীদের শেষ সৌজন্য দেখানো হবে।’

    আশা ভোঁসলের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১২ হাজারেরও বেশি গান রেকর্ড করেছেন তিনি। প্রজন্মের পর প্রজন্মের তারকারা— মিনা কুমারী, মধুবালা, কাজল, ঊর্মিলা মাতন্ডকর— সকলের জন্য তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। অজস্র ধরনের গান— গজল থেকে পপ এবং ক্লাসিক্যাল— সবখানে ছিল তাঁর বিস্ময়কর উপস্থিতি।

    ১৯৪৩ সালে ক্যারিয়ার শুরু হয়ে, তিনি সংগীতপ্রেমীদের উপহার দিয়েছেন জনপ্রিয় বহু গান, যেমন ‘দাম মারো দাম’, ‘চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে’, ‘পিয়া তুমি আ তো আজা’ ও ‘দিল চিজ কেয়া হ্যায়’সহ। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, তিনি বিশ্বের অন্যতম বেশি স্টুডিও রেকর্ড করা শিল্পী।

    হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁর বিশিষ্ট অবদান স্বীকার করে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার ও পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে সংগীতপ্রেমী ও সংশ্লিষ্ট মহল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন, তাঁর শৈল্পিক জীবন ও অবদানের জন্য আবেগঘন শ্রদ্ধা।

  • আশা ভোসলেকে আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

    আশা ভোসলেকে আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায়

    ভারতীয় সংগীতের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের অবসান ঘটল। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে ৯২ বছর বয়সে মুম্বইয়ে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে সংগীত জগতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    গতকাল রোববার মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিত্সাধীন থাকাকালীন তিনি মারা যান। আগের রাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, সংক্রমণ ও বয়সজনিত জটিলতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন তিনি; শেষ পর্যন্ত একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।

    পরিবারের মাধ্যমে জানানো হয়, আজ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সম্পন্ন হয়েছিলেন তাঁর বড় বোন লতা মঙ্গেশকরের শেষকৃত্যও এই পার্কে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিস অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

    গতকাল সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ লোয়ার পারেলে পরিবারের বাসভবনে নেওয়া হয়। আজ সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভক্ত ও অনুরাগীরা সেখানে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন। গানের ছেলে আনন্দ ভোসলে বলেন, ‘যাঁরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে চান, তাঁরা সকাল ১১টা থেকে তাঁর বাসভবনে আসতে পারেন।’ পরিবারের বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘শেষদর্শন সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত হবে, এরপর বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকাজ সম্পন্ন হবে।’

    সাত দশকের বেশি ক্যারিয়ারে আশা ভোসলে একাধিক হাজার গান গেয়েছেন। হিন্দি ছাড়াও তিনি ২০টির বেশি ভাষায় গান করে বিশ্বজুড়ে শ্রোতাদের মন জয় করেছেন। গজল, শাস্ত্রীয়, আধুনিক—সব ধরনের গানেই ছিল তাঁর দখল ও পারদর্শিতা।

    ভারতীয় চলচ্চিত্রজগতের সর্বোচ্চ সম্মান দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, পদ্মবিভূষণ ও আরও অনেক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন আশা। তাঁর কণ্ঠে থাকা অসংখ্য কালজয়ী গান আজও জনপ্রিয়।

    আশার এই প্রয়াণে বলিউড ও দক্ষিণী চলচ্চিত্রের বহু তারকা শোক প্রকাশ করেছেন। শাহরুখ খান, কাজল, শ্রেয়া ঘোষাল, কারিনা কাপুর খান, ভিকি কৌশল, রাম গোপাল ভার্মা, অন্যতম মালিক, কমল হাসান, জুনিয়র এনটিআরসহ অনেকে সামাজিক মাধ্যমে শোক জানিয়েছেন।

    অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ী বলেছেন, ‘আমাদের অনেকের মতো আমি ওঁর গান শুনে বড় হয়েছি। তাঁর কণ্ঠ আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে এবং মুগ্ধ করেছে। তাঁর গান চিরকাল আমাদের সঙ্গে থাকুক।’ দক্ষিণী তারকা রামচরণও মন্তব্য করেছেন, ‘ভারতীয় সংগীতের জন্য এটি অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর কণ্ঠ ছিল একেকটি জাদুর মতো।’

    এছাড়া মিলিন্দ সোমান তাঁকে স্মরণ করেছেন একজন কিংবদন্তি হিসেবে। শ্রদ্ধা কাপুর ও আরও অনেকের শোকবার্তায় মনোভাব প্রকাশ পায়।

    গতকাল রাত থেকেই আশা ভোসলের বাসভবনে নানা বিশিষ্টজনের ভিড় জমতে থাকে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জাভেদ আখতার, শাবানা আজমি, এ আর রাহমান, বিদ্যা বালানসহ আরও অনেকে।

  • আশা ভোসলে চিরবিদায়, সুরের অমর বাণী বিলীন পঞ্চভূতিতে

    আশা ভোসলে চিরবিদায়, সুরের অমর বাণী বিলীন পঞ্চভূতিতে

    ভারতীয় সংগীতের একজন অগ্রগণ্য শিল্পী আশা ভোসলে সোমবার মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে পঞ্চভূতিতে মিলিয়ে গেলেন। তার শেষকৃত্যটি সম্পন্ন হয় পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়, যেখানে উপস্থিত হন পরিবারের সদস্য, সহকর্মী, এবং লাখো ভক্ত-অনুরাগীরা। আশা ভোসলের ছেলে আনন্দ ভোসলে তার চেহারায় মুখাগ্নি করে শেষ বিদায় জানান তার প্রিয় মাতৃবিহীন সুরের মহাযাত্রাকে। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে। 

    গতকাল সকালে মুম্বাইয়ের লোয়ার পারলে অবস্থিত তার বাসভবন ছিল ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীদের এক মিলনমেলা। তবে সেই পরিবেশ ছিল শোকের ছায়া ঘেরা, আনন্দের পরিবর্তে ছিল গভীর শ্রদ্ধা ও শোকের ছড়াছড়ি। তার বোনকে শেষ বিদায় জানাতে হাজির ছিলেন প্রবীণা গায়িকার মতি মীনা খাড়িকর। এছাড়াও ছিলেন চলচ্চিত্র ও সংগীত জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা – অভিনেতা আমির খান, ক্রিকেটের মহাতারকা শচীন টেন্ডুলকার, সংগীত পরিচালক এ আর রহমান, অভিনেত্রী টাবু, আশা পােখ, নীল নীতিন, মুকেশ, জ্যাকি শ্রফসহ আরও অনেকে। রাজনৈতিক নেতারাও সমবেদনা জানাতে উপস্থিত হন লোয়ার পারলেতে। 

    আশার মরদেহ এরপর তার প্রিয় শিবাজি পার্কের শ্মশানে নেওয়া হয়। তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার শববাহি গাড়ি ছিল সাদা-পলটাইবেল দিয়ে সাজানো, যার গায়ে ছিল হলুদ-সাদার ফুলের মালা। রাস্তার দু’ধারে ছিল অবর্ণনীয় ভক্ত-অনুরাগীর ঢল, যারা চোখের জল অঝোরভাবে দিয়ে চিরতরে বিদায় জানিয়েছেন সুরের এই মহান শিল্পীকে। শ্মশানে উপস্থিত ছিলেন বিনোদন বিশ্বের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা, ক্রীড়া ও রাজনীতির অঙ্গনের নেতাকর্মী। 

    আশা ভোসলে ১৯৪৩ সালে সংগীত জীবনের সূচনা করেন। তখন তার বয়স কেবল ১০ বছর। আট দশকের অধিক সময় ধরে তিনি সংগীতের জগতে বিচরণ করেন। তার গানের রেকর্ড সংখ্যা বিশাল—প্রায় ১২ হাজারের বেশি গান তিনি গেয়েছেন বলে মনে করা হয়। তিনি শুধু হিন্দি নয়, ভারতের মোট ২০টি ভাষায় গান রেকর্ড করেছেন। তিনি গানের জগতে অসামান্য অবদান রেখে ভারত সরকার ২০০৮ সালে তাকে পদ্মভূষণ সম্মাননা প্রদান করে। ২০১১ সালে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে তার নাম আসে, সর্বাধিক সংখ্যক গান রেকর্ডকার হিসেবে। 

    আশা ভোসলের প্রথম বিয়ে হয়েছিল ১৬ বছর বয়সে, গায়ক গণপতরাও ভোসলে’র সঙ্গে। কিন্তু ১৯৬০ সালে তারা আলাদা হয়ে যান। এরপর ১৯৮০ সালে তিনি আরডি বর্মনের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দুর্ভাগ্যবশত, ১৯৯৪ সালে তার স্বামী আরডি বর্মন মৃত্যুবরণ করেন। তার জীবনে দু’টি বিয়ে করলেও, সংগীতের প্রেমে তিনি ছিলেন অটুট। আজ তাঁর মৃত্যুর খবর কাঁদিয়েছে পুরো বন্ধুরা, পরিবার, সহকর্মী ও ভক্তদের। সুরভরা জীবনে তিনি অমর হয়ে থাকবেন সবার মনে।

  • আশা ভোঁসলের শেষ বিদায়ে গেলেন না সালমান-শাহরুখ, জানুন কারণ

    আশা ভোঁসলের শেষ বিদায়ে গেলেন না সালমান-শাহরুখ, জানুন কারণ

    সুরের রানী আশা ভোঁসলের শেষ বিদায় দেওয়া হলো দেশব্যাপী মর্যাদার সাথে। তার মহাপ্রস্থানের মুহুর্তে পুরো বলিউড কাঁদতে শুরু করে। রণবীর সিং থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় তারকারা উপস্থিত ছিলেন এই শোকসভায়। তবে অপ্রত্যক্ষভাবে দেখা যায়নি কিংবদন্তি এই গায়কদের মধ্যে সালমান খান এবং শাহরুখ খানকে। এ বিষয়টি অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, কেন তারা উপস্থিত থাকতে পারেননি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, আশা ভোঁসলের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময় মুম্বাইয়ে ছিলেন সালমান ও শাহরুখ। তবে নিরাপত্তা বিবেচনায় তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে সেখানে উপস্থিত থাকতে চাননি। সেই কারণেই তারা শেষ বিদায়ে যোগ দেননি। এ ব্যাপারে এখনো কোন আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি দুই তারকা।

    তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে থাকা বিভিন্ন পোস্টে দেখা গেছে, সালমান এবং শাহরুখ আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শাহরুখ লিখেছেন, “এটা খুবই দুঃখের যে আশা আমাদের মধ্যে নেই। তার কণ্ঠের স্বকীয়তা ভারতীয় সিনেমার এক অন্যতম স্তম্ভ ছিল এবং তার ছাপ প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম পর্যন্ত থাকবে।”

    সালমানও শোক প্রকাশ করে লিখেছেন, “ভারতীয় সংগীতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি এটি। আশা জির চলে যাওয়া দুঃখজনক। তার অসাধারণ কণ্ঠের এই প্রতিভা কোনদিন ভুলবেন না আমরা। তার গান ভবিষ্যত প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যুগিয়ে যাবে।”

    ১২ এপ্রিল ভোরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আশা ভোঁসলে। এর আগের দিন, ১১ এপ্রিল, শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। শারীরিক পরীক্ষায় দেখা যায়, বুকের ব্যথা ছিল তাঁর। আশা চলে যাওয়ার খবর শুনে সবাই শোকাহত। আশা ভোঁসলের মৃত্যুতে দেশের শিল্পী সমাজ ও শোবার্তায় সমবেদনা প্রকাশ করেছেন অনেকে। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার কারণে হয়তো কিছু তারকা শেষ বিদায় জানাতে পারেননি। তবে আশা ভোঁসলের স্মৃতিগুলো সবসময়ই থাকবেগোটা বিশ্বে।

  • নাসুমের বকেয়া পারিশ্রমিক নিয়ে সিলেট টাইটান্সের স্পষ্ট ব্যাখ্যা

    নাসুমের বকেয়া পারিশ্রমিক নিয়ে সিলেট টাইটান্সের স্পষ্ট ব্যাখ্যা

    বিপিএলের সর্বশেষ আসরে সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলেছিলেন ক্রিকেটার নাসুম আহমেদ। পুরো টুর্নামেন্টে অংশ নিলেও তিনি এখনও পুরো পারিশ্রমিক পাননি বলে কথা উঠেছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নাসুম নিজেই জানিয়েছেন যে, তিনি এখন পর্যন্ত সিলেট টাইটান্সের কাছ থেকে ৩৫ লাখ টাকা পাননি। এই বিষয় নিয়ে সিলেট টাইটান্সের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে তারা স্পষ্টভাবে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে। পাঠকদের সুবিধার্থে সেই বিজ্ঞপ্তিটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

    সিলেট টাইটান্সের বিবৃতি-
    সম্প্রতি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পোর্টালে সিলেট টাইটান্সের ক্রিকেটার নাসুম আহমেদের বকেয়া অর্থ সংক্রান্ত কিছু সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এসব সংবাদে কিছু তথ্যের অসামঞ্জস্যতা থাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বলে আমরা মনে করছি। সত্যতা নিশ্চিত ও স্পষ্ট করতে, আমরা নিচের বিবরণ প্রদান করছি:

    ১. চুক্তি অনুযায়ী পারিশ্রমিক পরিশোধ: বিপিএল ২০২৫-২০২৬ মৌসুমের জন্য ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিকের বিষয়টি গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দপ্তরে চূড়ান্তভাবে সমাধান হয়েছে। নির্ধারিত চুক্তির অনুযায়ী, নাসুম আহমেদের মোট পারিশ্রমিক ছিল ৩৫ লাখ টাকা (বি-ক্যাটাগরি), যার পুরো অংশই আমরা ইতিমধ্যে পরিশোধ করে ফেলেছি। এ জন্য এখন তার কাছে কোনো বকেয়া টাকা অবশিষ্ট নেই।

    ২. মৌখিক আলোচনা ও বোনাসের বিষয়: নিলামপর্বের আগে ক্রিকেটারদের সঙ্গে পারিশ্রমিক ও বোনাসের ব্যাপারে কিছু মৌখিক আলোচনা হয়েছিল। সেখানে শর্ত দেওয়া হয়েছিল, দল যদি চ্যাম্পিয়ন হয়, তবে অতিরিক্ত বোনাস দেয়া হবে। бирок দল এই ফলাফল অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ায়, উক্ত মৌখিক চুক্তির শর্ত অনুযায়ী কোনো অতিরিক্ত বোনাস দেবে না। মূল চুক্তিপত্রের শর্তাবলীই সব অর্থদেনার ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

    ৩. চেক ও পেমেন্ট পদ্ধতির ব্যাখ্যা: নাসুম আহমেদের অনুরোধে তার পাওনা অর্থ নগদে সরাসরি পরিশোধ করা হয়েছিল। তিনি ব্যাংক থেকে টাকা না দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে নিরাপত্তার কারণে, কিছু চেক অগ্রিম হিসেবে দেয়া হয়েছিল যা অন্যান্য খেলোয়াড়রা পেমেন্ট বুঝে নিয়ে ফেরত দিয়েছেন। তবে নাসুম এখনও সেই চেক ফিরিয়ে দেননি। বিসিবি দপ্তরে উপস্থিত না থাকায়, তার অনুরোধে চেক গ্রহণের সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন না এবং পরবর্তীতে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও চেক ফেরত পাননি।

    সিলেট টাইটান্স সবসময় খেলোয়াড়দের পেশাদারিত্ব বজায় রাখা ও প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা স্পষ্ট করে জানাতে চাই যে, চুক্তি অনুযায়ী নাসুম আহমেদের সব পারিশ্রমিক ইতিমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে; তার কাছে আপাতত কোনো অর্থ বকেয়া নেই। আশা করি, এই বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে এবং সকল বিভ্রান্তি দূর হবে।

  • অগণিত রেকর্ড ভেঙে এবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বড় প্রাইজমানি ঘোষণা

    অগণিত রেকর্ড ভেঙে এবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য বড় প্রাইজমানি ঘোষণা

    নারী ক্রিকেট দ্রুতই এগিয়ে চলেছে বিশ্বজুড়ে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবার নতুন করে অসামান্য এক উদ্যোগ নিল। ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, যার জন্য আইসিসি ঘোষণা করেছে একটি রেকর্ড পরিমাণ অর্থপ্রাপ্তি, যা আগের আসরটির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই সিদ্ধান্ত নারী ক্রিকেটে বিনিয়োগ ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    আসন্ন এই টুর্নামেন্টটি ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মোট প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৭ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ১০৮ কোটি বাংলাদেশি টাকা)। এর আগে ২০২৪ সালে এই অর্থ ছিল প্রায় ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ডলার, অর্থাৎ এ যাবৎকালের মধ্যে প্রাইজমানির বৃদ্ধি প্রায় ১০ শতাংশ। এই বৃদ্ধি শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ার সাথে সঙ্গে নারীদের খেলার গুরুত্ব বাড়ার সুসংবাদ দিচ্ছে।

    চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার (প্রায় ৩০ কোটি টাকা), আর রানার্স-আপ দল পাবার সম্ভাবনা ১১ লাখ ৭০ হাজার ডলার (প্রায় ১৫ কোটি টাকা)। সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দল প্রত্যেকে পাবেন ৬ লাখ ৭৫ হাজার ডলার (প্রায় ৯ কোটি টাকা)। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে জয়ী দলের জন্য প্রতিটি ম্যাচে পুরস্কার হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে ৩১,১৫৪ ডলার (প্রায় ৪০ লাখ টাকা)। এই অর্থের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১২টি দলই ন্যূনতম ২ লাখ ৪৭ হাজার ৫০০ ডলার বা প্রায় ৩.৫ কোটি টাকা নিশ্চিতভাবে পাবে।

    এবারের টুর্নামেন্টে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো ১২টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে, যা প্রতিযোগিতাকে আরও জৌলুসময় ও চ্যালেঞ্জিং করে তুলবে। আগে যেখানে দলসংখ্যা কম থাকাতে সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিযোগিতার মাত্রা সীমিত ছিল, বর্তমানে আরও বেশি দেশের নারী ক্রিকেটাররা এই মহাযজ্ঞে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ পাবেন।

    আইসিসির প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্তা বলেন, “নারী ক্রিকেটের বিকাশ এখন দ্রুতগামী। দলসংখ্যা বাড়ানো এবং রেকর্ড পরিমাণ প্রাইজমানি আমাদের বৈশ্বিক ক্রিকেটকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলছে।” তিনি আরও আখেরগেছেন, বিনিয়োগের এই বৃদ্ধি নারীদের ক্রীড়াঙ্গনে উপস্থিতি ও প্রভাবও অনেক বাড়িয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই বিশ্বকাপ দর্শকসংখ্যা ও সম্প্রচারের ক্ষেত্রেও নতুন রেকর্ড করবে।

    প্রতিযোগিতাটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য আইসিসি ইতিমধ্যে ট্রফি ট্যুরের সূচনা করেছে। লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ট্রফির প্রদর্শনী দিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়, এরপর ট্রফি নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডে যাবে। মে মাসজুড়ে ইংল্যান্ডের লিডস, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম, ব্রিস্টল, সাউথাম্পটন ও লন্ডনের বিভিন্ন শহরে দর্শকদের জন্য ট্রফি দেখার সুযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে টুর্নামেন্টের উত্তেজনা আরও বাড়বে।

    অঘোষিত ঘোষণা অনুযায়ী, এই বিশ্বকাপ শুরু হবে ১২ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে। উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ড মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কার। পুরো টুর্নামেন্টে মোট ৩৩টি ম্যাচ হবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভেন্যুতে, যার মধ্যে ফাইনালও থাকবে।

  • নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে পহেলা বৈশাখের ঘুড়ি উৎসব

    নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে পহেলা বৈশাখের ঘুড়ি উৎসব

    নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে বিশেষ ঘুড়ি উৎসব ও প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সকল সদস্যরা অংশ নেন। সোমবার বিকালে সোনাডাঙ্গা বাইপাস রোডের ময়ূরী আবাসিক পার্কে এ আয়োজনের শুভ উদ্বোধন করেন নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর কানাই লাল সরকার। তিনি তার ভাষণে নববর্ষের প্রাণময়তা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করতে এই ধরনের উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ড. মোঃ ইমজামাম-উল-হোসেন, ডিন ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদ, ড. মোঃ রউফ বিশ্বাস, অধ্যাপক ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক, ড. মোঃ আসাদুজ্জামান, সহযোগী অধ্যাপক ও সদস্য সচিব, রেজিস্ট্রার ড. শেখ শফিকুর রহমান, প্রক্টর শকীল আহমদসহ বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষকদের, ছাত্র-ছাত্রীদের এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    এই ঘুড়ি উৎসবটি চারটি প্রধান পর্বে সম্পন্ন হয়, যার মধ্যে ছিল সুন্দর ঘুড়ি প্রদর্শনী, সর্বোচ্চ উচ্চতায় ঘুড়ি উঠানো, ঘুড়ি কাটাকাটি এবং ঘুড়ি দৌড়। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভা ও দক্ষতা প্রদর্শন করেন। সুন্দর ঘুড়ি প্রদর্শনীতে প্রথম স্থান অর্জন করে ইইই বিভাগের আবু উবাইদা সায়মন। সর্বোচ্চ উচ্চতায় ঘুড়ি উঠানোর চ্যাম্পিয়ন হন সিএসই বিভাগের সাইফ, আর রানার্স আপ হন শুভ্র দুবে। ঘুড়ি কাটাকাটিতে বিজয়ী হন সিএসই বিভাগের ক্যালভিন অয়ন। দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন আইন বিভাগের নাইমুর, এবং ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের নাইফুল রানার্স আপ হন।

    শেষে, অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে পুরস্কার বিতরণ করা হয়, যা তাদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়িয়েছে। এ আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের সংস্কৃতি চর্চা এবং পারস্পরিক বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ পান।

  • চৈত্র সংক্রান্তিতে খুলনায় ঘুড়ি উৎসবের প্রাণবন্ত ধারা

    চৈত্র সংক্রান্তিতে খুলনায় ঘুড়ি উৎসবের প্রাণবন্ত ধারা

    বাংলা বর্ষপঞ্জির শেষ দিন চৈত্র সংক্রান্তিকে উপলক্ষ করে রবিবার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক রঙিন ও ব্যাপক আকারের ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে এই উচ্ছ্বাসপূর্ণ উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, চৈত্র সংক্রান্তির এই ঘুড়ি উৎসব বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। এর মাধ্যমে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। তিনি উল্লেখ করেন, এমন সাংস্কৃতিক আয়োজন কেবল বিনোদনের জন্য নয়, বরং আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এই উৎসবের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্মান ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। পাশাপাশি, শিক্ষার পাশাপাশি এই ধরণের সাংস্কৃতিক পরিবেশ জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রেও সমৃদ্ধি আনে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসা প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রুমানা হক, কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, বিভিন্ন বিভাগীয় শিক্ষক, সহকারী ছাত্র বিষয়ক পরিচালকবৃন্দসহ একাধিক শিক্ষার্থী ও অতিথি। এই ঘুড়ি উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনায় ভরপুর। আকাশে উড়তে দেখা যায় নানা রঙ এবং বিভিন্ন আকৃতির ঘুড়ি, যার মধ্যে প্রজাপতি, সাপ, চিল, ঈগল ও মাছের আকারের ঘুড়িগুলো ছিল বিশেষ আকর্ষণীয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মিলিত অংশগ্রহণে এই উৎসব চৈত্র সংক্রান্তির ঐতিহ্যকে সম্মান জানিয়েছে এবং নতুন বাংলা বছরকে বরণ করে নেয় উৎসবের আবহে।