Blog

  • করাচিতে শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১

    করাচিতে শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১

    পাকিস্তানের অর্থনৈতিক কেন্দ্র করাচির অন্যতম ব্যস্ত শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজায় ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২৮ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং ৮১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। এই দুর্ঘটনায় নিহত সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    গুল প্লাজা করাচির সবচেয়ে বড় শপিংমালগুলোর একটি। ১৯৮০ সালে নির্মিত এই চারতলা মার্কেটের ক্ষেত্রফল একটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় এবং এতে এক হাজার ২ শ’য়ের বেশি দোকান রয়েছে। আগুন লাগার ঘটনায় অধিকাংশ দোকানই সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।

    প্রতক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূচনা হয়। শুকনো আবহাওয়ার কারণে দ্রুত এই আগুন পুরো কমপ্লেক্সে ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ হয়েছিল যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টা পরেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

    প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে, হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা এত বেশি হওয়ার মূল কারণ হিসেবে গুল প্লাজার কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করছেন ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা।

    করাচির ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, গুল প্লাজার মোট গেটের সংখ্যা ২৬টি। তবে, এর মধ্যে ২টি ছাড়া অন্য সবগুলো винаই বন্ধ থাকতো। আগুনের সময়ও সেগুলো খোলা ছিল না, ফলে শত শত মানুষ আস্তে থাকাতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন। একই সঙ্গে জানা গেছে, মার্কেটের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা বাকেও নষ্ট ছিল।

    প্রত্যক্ষদর্শী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে করাচিতে এত বড় আকারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। আহত ও নিহতদের সবাইকে করাচির সিভিক হাসপাতালে আনা হয়েছে, যেখানে এ পর্যন্ত ৮ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

    ডাক্তার সুমাইয়া সাঈদ জানিয়েছেন, নিহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, এখনো ৮১ জন নিখোঁজের মধ্যে ৭৪ জনের নাম নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বুধবার প্রথম তলায় উদ্ধার ও তল্লাশি কার্যক্রম শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় উদ্ধারকাজ শুরু করা হবে।

    গুরুত্বপূর্ণ এই শহর করাচি, পাকিস্তানের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের রাজধানী। এটি দেশের প্রধান বন্দরশহর, যেখানে দেশের ৮০ শতাংশ বৈদেশিক বাণিজ্য হয়।

    গভর্নর কামরান তেসোরি এই দুঃখজনক ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারের সদস্যদের জন্য গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

  • রাগ-ক্ষোভ ভুলে কাজ করে বিজয় লাভের ডাক

    রাগ-ক্ষোভ ভুলে কাজ করে বিজয় লাভের ডাক

    দেশ অনেক ত্যাগের পর ইতোমধ্যে একটি স্থানে পৌঁছেছে। সামনে নির্বাচন। যেখানে মানুষ তাঁদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং গণতান্ত্রিক দেশে উন্নতি করতে প্রস্তুত। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু কটাক্ষ করে বলেছেন, এই আসনের জনগণের শেষ আশ্রয় ধানের শীষ। এই আসনটি ধরে রাখতে এবং সবার প্রত্যাশা পূরণে সকলের মধ্যে রাগ এবং ক্ষোভ ভুলে একসাথে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে আমরা চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করব।

    গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ৩১নং ওয়ার্ডের হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী (রাঃ) নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আব্দুল খালেক ব্যাপারী, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ ছাড়া, দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মাসুম বিল্লাহ।

    দুপুর ১২টায় সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু শেরে বাংলা রোডস্থ সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কনিজ মোস্তফা ও প্রতিবন্ধী সেবা কেন্দ্রে কাজের সঙ্গে পরিচিত হন। বিকেলে ৩০নং ওয়ার্ডের মরিয়মপাড়া এলাকায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় করেন। Furthermore, বাদ মাগরিব, তিনি ১৬নং ওয়ার্ডে আয়োজিত মীরেরঘাট মহিলা সমাবেশে উপস্থিত হন, যেখানে বক্তব্য দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা, যেমন আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, সাদিকুর রহমান সবুজ, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, এডভোকেট সরফরাজ হিরো, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল এবং আরও অনেকে। তাঁরা সব মিলিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবার জন্য প্রস্তুত। ব্যক্তিবর্গের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংগঠনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বে থাকেন এবং তাদের সহযোগিতায় এ নির্বাচনী প্রচেষ্টা সফল করতে চান।

  • খুলনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩ জন কারাগারে

    খুলনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩ জন কারাগারে

    খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে গ্রেফতার তিনজনকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন। মঙ্গলবার পুলিশ তাঁদের আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন। ঘটনাটির বিস্তারিত নিশ্চিত করে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, চাঁদা দাবি ও লেনদেনের অভিযোগে তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করা হয়। আজ তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তাঁদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে সোমবার নগরীর সোনাডাঙ্গা নেসার উদ্দিন সড়কের একটি বাড়িতে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়। পরে ভুক্তভোগী শাহানাজ পারভীন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় চাঁদাবাজির মামলাটি দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মোঃ মিরাজুল ইসলাম ওরফে মাহাদী হাসান, আরেফিন আল নাহিন ও মিরাজ গাজী ওরফে বোরহান। তাঁদের মধ্যে মোঃ মিরাজুল ইসলাম নিজেকে এনসিপির জেলা শাখার সদস্য বলে পরিচয় দেন এবং আরেফিন আল নাহিন খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিকস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র বলে জানা গেছে।

  • স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন বিএনপি’র বিরুদ্ধে চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত: রকিবুল ইসলাম বকুল

    স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন বিএনপি’র বিরুদ্ধে চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত: রকিবুল ইসলাম বকুল

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, যারা এক সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মানতে চাননি, তারা আজীবন দেশের অগ্রগতি ও উন্নতির বিরোধিতা করে আসছে। আর সেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিগুলিই এখন নানামুখী চক্রান্তে লিপ্ত হয়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চেষ্টা করছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় খালিশপুরের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বর্তমানে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুবিধা নিয়ে কিছু পরিকল্পিত মহল নানামুখী চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তারা এমনকি অতীতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব অস্বীকার করতে চেয়েছিল, এখন তারা ছদ্মবেশ ধারণ করে দেশের ও দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করছে। তিনি উল্লেখ করেন, এরূপ অপপ্রচার ও কুৎসা রটিয়ে দেশের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপকৌশল চালাচ্ছে একেকটা গোষ্ঠী। বিএনপি আজ এসব অপশক্তির প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজনৈতিক নেতা বকুল আরো বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক ও দলটির কর্মীরা এসব ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। দলের স্বার্থে ইস্পাত কঠিন ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং উসকানি বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল চক্রান্তের মোকাবিলা করতে হবে। জনগণের শক্তির সমর্থনে বিএনপির বিরুদ্ধে চলমান অপকৌশলগুলো জনগণই রুখে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক স্মরণ সভা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ইউনুছ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, আঃ সামাদ স্যার, আবুল বাশার বাদশা, সৈয়দ কামরুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম বাবুল, মোহাম্মদ আলী ওস্তাদ, নাজমুল বাবু, বাবুল হোসেন খোকন, এম এ রউফসহ খালিশপুর থানা ও ওয়ার্ড বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ কামনায় একটি মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিলে স্থানীয় বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবর্গ ও সাধারণ জনগণ ব্যাপক সংখ্যায় অংশ নেন।

  • খুলনার ৬ আসনে মোট ৩৮ প্রার্থী পেয়েছেন প্রতীক

    খুলনার ৬ আসনে মোট ৩৮ প্রার্থী পেয়েছেন প্রতীক

    সারাদেশের মতো খুলনাতেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ও ইশতেহার পাঠের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এই কার্যক্রম বেলা ১১টার পর থেকে খুলনা জেলা নির্বাচন অফিস, জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে শুরু হয়। এ সময় খুলনার ছয়টি আসনের মোট ৩৮ জন প্রার্থীকে তাদের নির্বাচন প্রতীক প্রদান করা হয়। দলীয় প্রতীক ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজের নিজের ইচ্ছেমতো প্রতীক নির্ধারণ করেন। প্রতীক বরাদ্দের পর বেশ কয়েকজন প্রার্থী তাদের নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা করেন। বিশেষ করে, খুলনা ৫ নম্বর আসনের জন্য প্রার্থী হয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামার পর, নির্বাচন পরিচালনায় কোনো বিভ্রান্তি যেন না হয়, এ জন্য তিনি শঙ্কা ব্যক্ত করেন জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারী জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কালো টাকা আর সন্ত্রাসের বিস্তার রোধ করতে হবে এবং সবাইকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।’ অন্যদিকে, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে বিএনপি, ও অন্যান্য প্রার্থীরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানান। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই এলাকার ভোটার ও প্রার্থীমrush সঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আগামীকাল থেকে সবাই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করবেন এবং ভোটের মাঠে নিজেদের শক্তিশালী করণ জন্য প্রস্তুতি নেবেন।

  • আপনার ভোট আপনার অধিকার: খুশি মনে ভোট দিন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন

    আপনার ভোট আপনার অধিকার: খুশি মনে ভোট দিন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন

    খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ভোটের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ভোটপ্রার্থীরা প্রতি নির্বাচনে তাদের কাছে পৌঁছান। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন, ভোট দেওয়া আমাদের মূল অধিকার এবং আপনি যাকে খুশি মনে ভোট দিতে পারেন। এই স্বাধীনতা কেউ কোনোভাবেই খর্ব করতে পারে না। নির্বাচনের সময় এএসকল অধিকার রক্ষা করতে দায়ী থাকেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আপনি ইচ্ছেমতো যা মনে করেন, যেমন মার্কায় ভোট দিতে পারেন, এটি সম্পূর্ণ আপনার স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত। কেউ এতে বাধা দিতে পারবে না।

    মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার মাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলী ইমাম মজুমদার। বক্তারা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তিতে গণভোটের হ্যাঁ বা না ভোট গুরুত্বপূর্ণ। দেশের পরিচালনা কারা করবে, সেটাও নির্ভর করে দেশের জনগণের ইচ্ছার উপর। তিনি সমাবেশে সবাইকে অনুরোধ করেন, গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার জন্য।

    আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণের দায়িত্ব আপনারাই। যাকে আপনি ভোট দেবেন, তিনি এই দেশের নেতৃত্বে আসবেন। তাই আপনার ভোটই দেশের ভবিষ্যত গড়ে দেবে। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নিবাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনসার, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মুইনুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় শিক্ষক, ইমাম ও সমাজের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    অন্যদিকে, একই দিনে সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাগেরহাটে জেলা পর্যায়ে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনসার, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুইনুল ইসলাম, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক ও ইমামগণ।

    সম্মেলনে গণভোটের গুরুত্ব, জাতীয় সংসদ ভোটে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন ও দক্ষ সংসদ সদস্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোচনা হয়। প্রার্থীর যোগ্যতা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া বিষয়ে আলোচনা করে ইমামদেরও অনুরোধ করা হয় এই ব্যাপারে জনগণকে সচেতন করতে। ঐসময় বিভিন্ন স্থানে মোট ৫শ’র বেশি ইমাম এই সভায় অংশগ্রহণ করেন।

  • সোনার দামে আবার রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা

    সোনার দামে আবার রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা

    দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দেখা গেল দামের বিশাল উল্লম্ফন। এই মুহূর্তে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে সোনার মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, এখন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বেশি। এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে আগামী মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি থেকে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা তাজা সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে এই মূল্যনির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামে যোগ হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি। গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে অনেক বেশি বা কম হতে পারে মজুরির পরিমাণ।

    সাম্প্রতিক আগে, গত ১৪ জানুয়ারি, একই সংগঠন দেশের স্বর্ণবাজারে দাম সমন্বয় করেছিল, তখন ভরিতে ২৷৬২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ১৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারিত হয়।

    এটি দেশের স্বর্ণবাজারে চলতি বছরের অষ্টম মূল্যসমন্বয়, যেখানে ছয় দফায় মূল্য বাড়ানো হয়েছে এবং দুটি দফায় কমানো হয়েছে।

    অতীতের মতো, রুপার দামের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ভরিতে ২৯১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে এক ভরি রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৬ হাজার ২৪০ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

  • রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে, এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক গতি দ্রুতই বাড়বে। তিনি আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর উল্লেখ করেন, দেশের তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমে আসছে। আগে যেখানে অর্থনীতিকে চাপে ফেলত অক্সিজেনের অভাব, যেখানে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করত তারল্যের অভাব, এখন সেই চাপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো পূর্বে ঝুঁকি এড়িয়ে বেশি মুনাফা করত, তবে এখন সরকারের অর্থনৈতিক নীতির কারণে তারা অস্বস্তিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে নাড়াচাড়া ও সঠিক ঋণগ্রহীতাকে বিবেচনা করে ব্যাংকগুলোকে আরও কঠোর হতে হবে।

    তিনি বলেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য মূল্যপণ্য সস্তা হওয়ায় দেশের আমদানির ওপর চাপ কমেছে।

    সুদ হার নিয়ে তিনি জানান, এই মুহূর্তে এটি দেশের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের টাকা আরও আকর্ষণীয় করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিমধ্যে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আন্তর্জাতিক বিতরণের চেয়েও বেশি। এছাড়া, বাজারে আরও ৪৫ বিলিয়ন টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর ফলে তারল্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    গভর্নর বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা ব্যবসায়ের ওপর কিছু প্রভাব ফেলেছে, তবে যাদের টিকে থাকার সক্ষমতা রয়েছে, তারা সহায়তা পেয়েছে। কোনো দল বা গোষ্ঠীর ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়নি। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, খুব দ্রুত সুদের হার কমানো ঠিক নয় কারণ এতে অর্থনীতির বিনিময় হার ও বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনে অস্থিতিশীলতা বাড়তে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে, যা লক্ষ্য করা হয় যে ৫ শতাংশের নিচে নামাতে এখনো কিছু সময় লাগবে। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলেই নীতিগত সুদের হার কমানো হবে। ইতিমধ্যে বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে, যেখানে রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই রেমিট্যান্সের প্রবাহ পর্যবেক্ষণ চলমান, যেখানে সোমবার রেমিট্যান্স এসেছে ১৭০ মিলিয়ন ডলার বেশি। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত, গত মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ৬৯ শতাংশ বেশি। মাসিক ও সাপ্তাহিক ডেটার পাশাপাশি এখন ত্রৈমাসিক জিডিপি রিপোর্টও পাওয়া যাচ্ছে, যা অর্থনীতির তুলনামূলক বিশ্লেষণে সহায়তা করছে।

    অতীতের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই’র সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, এবং পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।

  • নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশ-কে উন্নত এবং আধুনিক ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিপ্পন পেইন্টের ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের সংগ্রহের অর্থের ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, ফালাফলাত্মকতা বৃদ্ধি করা এবং পণ্য বিতরণের প্রক্রিয়াগুলিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    চুক্তির আওতায় নিপ্পন পেইন্ট ব্র্যাক ব্যাংকের ডেটা এপিআই ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রমকে আরো আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় করবে। এর ফলে, ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে তারা ২০০টির বেশি ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থের তথ্য সরাসরি ইআরপি সিস্টেমে দেখা যাবে, যা সময় ও শ্রম খরচ যথেষ্ট কমিয়ে দেবে।

    এই সমঝোতার ফলে নিপ্পন পেইন্টের নগদ প্রবাহের দৃশ্যমানতা বাড়বে, রিসিভেবল ম্যানেজমেন্টের প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং ডিস্ট্রিবিউশনের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হবে। এই উদ্যোগ ব্র্যাক ব্যাংকের ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে স্বাক্ষরিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব কর্পোরেট, কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং আসিফ বিন ইদ্রিস, অ্যান্ড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এরিয়া হেড এ. কে. এম. ফয়সাল হালিম এবং রিলেশনশিপ ইউনিটের এস এম মুসা উপস্থিত ছিলেন।

    নিপ্পন পেইন্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার রাজেশ সিরকার, সিনিয়র ম্যানেজার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এই যৌথ উদ্যোগটি প্রযুক্তিনির্ভর ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে কর্পোরেট গ্রাহকদের স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির অংশ। ব্র্যাক ব্যাংক তাদের এই পরিষেবার মাধ্যমে কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের স্বতন্ত্র ব্যবসায়িক উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বিকাশে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

  • সোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    সোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    দেশীয় বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার মূল্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এখন দেশের বাজারে সোনার মূল্য পৌঁছেছে দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকার আশেপাশে, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ মূল্য।

    বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ হলো বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়া। আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে স্বর্ণের দাম এখন প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৪৫ ডলার ছাড়িয়েছে। এর প্রভাব দেশের বাজারে এসে পৌঁছেছে।

    নতুন এই দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার একটি ভরি দাম এখন দুই লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, এবং ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা। অন্য দিকে, ১৮ ক্যারেটের সোনার মূল্য এক লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার হার এখন এক লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা প্রতি ভরি।

    সোনামের পাশাপাশি ব metais রুপার দামেও বৃদ্ধি দেখা গেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা প্রত্যকে ভরি।

    বাজুসের এই ঘোষণা আজ থেকে কার্যকর হবে, যা দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।