Blog

  • মোবাইল ফোনের আমদানির শুল্ক কমল, ফলে ফোনের দাম হ্রাসে প্রত্যাশা

    মোবাইল ফোনের আমদানির শুল্ক কমল, ফলে ফোনের দাম হ্রাসে প্রত্যাশা

    আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিয়েছে, যাতে সাধারণ জনগণের জন্য মোবাইল ফোনের দাম আরও সাশ্রয়ী হয়। এর ফলে মোবাইল ফোনের উত্পাদন ও আমদানির খরচ কমে গেলে, ক্রেতারা বেশি জনপ্রিয় ও সুবিধাজনক দামে মোবাইল কিনতে পারবেন।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মোবাইল ফোনের ওপর প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি আগের ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, দেশীয় মোবাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নিধারিত হয়েছে। এবিষয়ে এনবিআর থেকে আজ পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যাকে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ।

    এনবিআর জানিয়েছে, এই শুল্ক কমানোর ফলে মোবাইল ফোনের উপর মোট শুল্কের হার ৬০ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে, মোবাইল ফোনের আমদানি খরচ কমায়, মোবাইল প্রস্তুতকারক ও আমদানিকারকদের জন্য প্রতিযোগিতা আরও সমান হবে। বিশেষ করে, উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ৫০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনের কারণে, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের প্রতি সম্পূর্ণ মোবাইল ফোনের দাম প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টাকা কমবে। এছাড়া, দেশে সংযোজিত সামগ্রী বা মোবাইল ফোনের দাম প্রতিটি প্রায় দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত হ্রাস পাবে।

    সরকারের এই শুল্ক হ্রাসের ফলে দেশের সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোন কেনাকাটায় আরও সুবিধা পাবেন, এবং ডিজিটাল সেবাগ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মোবাইল ফোনের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

  • মির্জা ফখরুলের মন্তব্য: অতীতে যারা স্বীকার করেনি, এখন বেশি দুষ্টামি করছে

    মির্জা ফখরুলের মন্তব্য: অতীতে যারা স্বীকার করেনি, এখন বেশি দুষ্টামি করছে

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতীতে যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি, তারা এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এটি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিএনপি বিরুদ্ধে অনেক ধরনের অপপ্রচারা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন ওদের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে বিএনপি। অতীতে যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি, তাদেরই এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে। তিনি আরও বলছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্দেশিত হবে দেশের রাজনীতি কিসের হাতে থাকবে—লিবারেল 민주তন্ত্রের বা উগ্রবাদী ও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির।

    ফখরুল বলেন, ’যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, আমাদের মা-বোনদের সম্মানহানি করেছেন, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছেন—তাদের আমরা ভুলে যাইনি। তবে মত প্রকাশ ও রাজনীতি চালিয়ে যাওয়ায় তারা স্বপ্ন দেখবেন না যে ধর্মের নামে মানুষের বিভ্রান্তি করে, ভুল বোঝানো যায়। এটা তাদের এক ধরনের মোনাফেকি। তাদের বাস্তব কাজ হলো মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও ভুল বোঝানো।’

    তিনি আরও বলেন, আজকে তাদের অপপ্রচার চলছে বিভিন্ন মাধ্যমে। তারা বিএনপিকে নিয়ে মিথ্যা প্রচার করে। বাংলাদেশ যখন মুক্তিযুদ্ধ করেছে, তখন সবাই এর বিরোধিতা করেছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায়, এমনকি তারেক রহমানের আধুনিক ও পরিবর্তনশীল রাজনীতি গ্রহণ করতে উন্মুখ। কিন্তু তাদের ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে কিছু উগ্রবাদী শক্তি।

    ফখরুল বলেন, আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য, আমরা ধর্মে বিশ্বাস করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বঙ্গন্ধু মুজিব প্রথম সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ লিখেছিলেন। তিনি আল্লাহর উপর আস্থার কথাও বলেছিলেন। তাই, ধর্মের নামে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছেন।

    তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র ২৩ দিন বাকি থাকল নির্বাচন থেকে। অনেকের এসব নিয়ে সংশয় থাকলেও আসল সত্য হলো, তাদের ভোটই নেই। তারা বড় গলা দিয়ে বলে, নির্বাচন হবে না। তবে বিএনপি নির্বাচন চায়, জনগণের কাছেও যাবে। যদি জনগণ আপনাদের গ্রহণ করে তবে তা হবে সমর্থন, আর না করলে বিরোধী দলে থাকবো। তাহলে কেন এত গলাকাটা গালমন্দ? এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আমাদের যেন সঠিক পথ বেছে নিতে হয়।

    বিএনপির নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, উদারমূলক ও মানুষের কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য দ্রুত সামনে আনা হচ্ছে। ৩১ দফা কর্মসূচি ও নতুন ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ডের মতো পরিকল্পনাগুলোর মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করে নির্বাচনে জয় লাভের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ আরো অনেকে।

  • এনসিপির আরও তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা

    এনসিপির আরও তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা

    শরিয়তাধীন ১০টি দলের নির্বাচনী জোট জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে অংশ নেওয়া এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তিনটি আসনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত ঘোষণা করেছে। এই আসনগুলো তাদের জন্য ফাঁকা ছিল, যেখানে এখন ভোটাররা প্রার্থী পেতে যাচ্ছে। দলটির মিডিয়া সেলের প্রধান মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নেত্রকোনা-২ আসনে ফাহিম পাঠান, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রীতম দাশ, এবং রাজবাড়ী-২ আসনে জামিল হিজাযী এই তিনটি আসনের জন্য নির্বাচনে লড়বেন।

    এর আগে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) এনসিপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ২৭টি আসনের প্রার্থী ও তাদের ছবি সংবলিত পোস্টার প্রকাশিত হয়। যেখানে নির্বাচনী প্রতীকের জন্য দলের প্রতীক ‘শাপলা কলি’ মার্কা ব্যবহৃত হয়।

    শুধু মাত্র তিনটি আসনের প্রার্থীই নয়, এনসিপির প্রার্থীরা মোট ৩০ আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ঢাকা, রংপুর, কুমিল্লা, পঞ্চগড়, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, সিরাজগঞ্জ, নরসিংদী, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দিনাজপুর, নোয়াখালী, কুড়িগ্রাম, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, পিরোজপুর ও নাটোরের বিভিন্ন কেন্দ্রে দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২৫৩টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী সমঝোতা ঘোষণা করে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলের জোট। যদিও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্যরা এই ঐক্যে যোগ না দিয়ে স্বতন্ত্রভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন ঘোষণা করেছে, এবং বাকি ৩২ আসনে তারা অন্যদের সমর্থন দেবে।

    এভাবে, এনসিপি মোট ৩০ আসনে নির্বাচন করছে, যেখানে তাঁদের ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ইসলামি আন্দোলনের সদস্যরা এই ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরে, এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা করে আসন সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়েছে।

  • ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিমি খাল খনন ও ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা ঘোষণা তারেক রহমান

    ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিমি খাল খনন ও ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা ঘোষণা তারেক রহমান

    বিএনপির সভাপতি তারেক রহমান বলেছেন, যদি তারা ক্ষমতায় আসে, দেশের আধেকের বেশি অংশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে এবং ২৫ কোটি নতুন গাছ রোপণ করবে। তিনি বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর চেয়ারম্যানবাড়ি মাঠে অনুষ্ঠিত এক দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানান, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    তারেক রহমান বলেন, জিয়াউর রহমানের সময় চালু হওয়া খাল খননের কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বর্তমানে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহরেও খাল খননের প্রয়োজন অনুভব করা হচ্ছে, কারণ একের পর এক খাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে জলজট, দূষণ ও পানির সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঢাকার সবুজায়ন কমে গেছে, বহু বছর আগে বাধ্য হয়ে দেশের বাইরে চলে যেতে হয়েছে। ফিরে এসে দেখছি, শহর কতটা শুকনো ও দূষিত হয়ে গেছে। একারণে তিনি বলেন, যদি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে পাঁচ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    তিনি বিশ্বাস করেন, তার এই উদ্যোগ পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় সরকারি ও বেসরকারি নার্সারির সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে শক্তিশালী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালানো হবে। তিনি আরো বলেন, বহু দিন পরে দেশের বাইরে থাকার পর এসে দেখছি পরিস্থিতি ইতিমধ্যে অপরিবর্তিত থাকেনি, বরং পরিবর্তন হয়েছে। রাজনৈতিক বিরোধীদের সমালোচনা স্বাভাবিক হলেও এখন সংকট মোকাবেলায় একযোগে কাজ করতে হবে।

    ট্রাফিক সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, পাবলিক পরিবহন উন্নত করে ট্রাফিক জট কমানো সম্ভব। তিনি মেট্রোরেলের প্রাকটিসে খরচ কমানোর জন্য মনোরেল ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন, যা বিভিন্ন এলাকাকে সংযুক্ত করে ট্রাফিক সমস্যা সমাধানে সহায়ক হবে।

    সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রে তিনি বলেন, ক্রীড়া পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে চান। পেশাদার ফুটবলাদের জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হবে, যেখানে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও তৃতীয় ভাষা শেখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি জানান, সব শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলক একটি খেলার সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে এবং একইভাবে সাংস্কৃতিক কর্মসূচিও বাধ্যতামূলক করা হবে। এই পরিকল্পনা দ্বারা তার দলের লক্ষ্য, শিক্ষার্থীদের সামগ্রীক উন্নয়ন ও সংস্কৃতিতে আরও যোগদান নিশ্চিত করা।

  • জাতীয় পার্টি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল: ১৯৬ আসনে নির্বাচনী লড়াই হবে

    জাতীয় পার্টি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল: ১৯৬ আসনে নির্বাচনী লড়াই হবে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য জাতীয় পার্টি (জাপা) ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে ১৯৬ জন প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। মঙ্গলবার রাজধানীর গ্র্যান্ড প্যালেস হোটেলের ব্যানকুয়েট হলে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী এই প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এখনও দুইজন প্রার্থী পেন্ডিং রয়েছে, ফলে আসন্ন ভোটে দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মোট ১৯৮ আসনে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। জি এম কাদের জানান, দলের এই নির্বাচনের জন্য মোট ১৯৬ জন বৈধ প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। ভবিষ্যতে আরো ২-৩ জনের যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনী মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গেছে, তিনি বলেন, বিভিন্নভাবে আমাদের রাজনৈতিক কার্যক্রমকে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে, বিভিন্ন পন্থায় আমাদের দূরে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত সমর্থন বা সমান সুযোগ নেই। এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গে, জি এম কাদের আসন্ন গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বললেন, এই গণভোট সংবিধান বিরোধী এবং বাস্তবায়িত হলে দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে, যা দেশের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে।

  • মামুনুল হকের দল ২৯ আসনে লড়বে, প্রার্থী তালিকা প্রকাশ

    মামুনুল হকের দল ২৯ আসনে লড়বে, প্রার্থী তালিকা প্রকাশ

    বাংলাদেশের ২৯টি সংসদীয় আসনে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী ঘোষণা করেছে দেশটির অন্যতম রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এই দলটি জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ শরিক। মঙ্গলবার দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘দশ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ এর সঙ্গে যৌথভাবে মানে তারা এই নির্বাচনকে পরিচালনা করছে। এর ফলে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোট ২৯ জন প্রার্থী এই নির্বাচনে অংশ নেবেন, যার মধ্যে বেশ কয়েকজন এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং অন্য কিছু আসনে জোটের অন্যান্য দলের প্রার্থী নিয়ে উন্মুক্তভাবে প্রতিযোগিতা হবে।
    প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক (ঢাকা ১৩), মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ (শরীয়তপুর ১), মাওলানা আকরাম আলী (ফরিদপুর ২), মাওলানা আতাউল­াহ আমীন (কিশোরগঞ্জ ৬), মুফতি সাঈদ নূর (মানিকগঞ্জ ৩), এড. শাহিনুর পাশা চৌধুরী (সুনামগঞ্জ ৩), মাওলানা হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া (ফেনী ২), মাওলানা হেদায়েতুল­াহ হাদী (কিশোরগঞ্জ ১), মুফতি নূর হুসাইন নূরানী (মুন্সিগঞ্জ ৩), মাওলানা আবদুস সুবহান (মাদারীপুর ২), মাওলানা এহসানুল হক (গাজীপুর ৩), মাওলানা রাকিবুল ইসলাম (নরসিংদী ৩), মুফতি শোয়াইব ইবরাহীম (গোপালগঞ্জ ২), মুফতি মোহাম্মদুল­াহ (ময়মনসিংহ ২), গোলাম রব্বানী (নেত্রকোনা ১), মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির (চট্টগ্রাম ৫), মুফতি আমজাদ হুসাইন আশরাফী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫), মাওলানা তাজুল ইসলাম (নরসিংদী ৫), মাওলানা আব্দুর রউফ (সিরাজগঞ্জ ৩), মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক (রাঙামাটি ১), মাওলানা তাজুল ইসলাম (ময়মনসিংহ ১), মাওলানা শাহজাহান শিবলী (নারায়ণগঞ্জ ৩), মাওলানা আব্দুল আজিজ মক্কি (গোপালগঞ্জ ৩), মাওলানা সাঈদ উদ্দিন আহমদ হানজালা (মাদারীপুর ১), মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী (হবিগঞ্জ ১), মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু (সিলেট ৩), মাওলানা নূরে আলম হামিদী (মৌলভীবাজার ৪), মাওলানা মিজানুর রহমান মৌলা (ফরিদপুর ৪), এবং খন্দকার আনোয়ার (নারায়ণগঞ্জ ৪)।
    আসন ভিত্তিক নির্বাচন ছাড়াও ৬টি আসনে উন্মুক্তভাবে নির্বাচন হবে। সুনামগঞ্জ-৩ ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনে লাভের জন্য খেলাফত মজলিসের প্রার্থী থাকলেও মৌলভীবাজার-৪, নারায়ণগঞ্জ-৪, ফেনী-২ এবং ফরিদপুর-৪ আসনে অন্য দলের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে নির্বাচন হবে। এই অঙ্গীকার অনুসারে, সব আসনে দলের প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী যুদ্ধে অংশ নেবেন।

  • আবুল কালাম আজাদ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন

    আবুল কালাম আজাদ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন

    মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে নিজস্ব voluntarily ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন। এই 사건ের মধ্যে তিনি এতদিন পালিয়ে থাকলেও এখন তিনি আদালতে হাজির হয়েছেন।

    আসামির বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হোসানের নির্দেশে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এই অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৪জনকে হত্যার, তিন নারীকে ধর্ষণের, নয়জনকে অপহরণের, দশজনকে আটক রাখার, পাঁচটি বাড়িকে অগ্নিসংযোগের এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুটের অভিযোগ।

    আসামির বিরুদ্ধে মোট সাতটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে তিনটি ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার আদেশ দেওয়া হয়, আর চারটিতে কারাদণ্ডের বিকল্প ছিল। তবে, মৃত্যুদণ্ডের রায় নিশ্চিত হওয়ায় অন্য অপরাধগুলোতে দণ্ড দেওয়া হয়নি।

    আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে এই রায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো যুদ্ধাপরাধের মামলার রায় ঘোষণা হলো। তবে তিনি পলাতক থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। জানা গেছে, তিনি পালিয়ে ভারত যাওয়ার পর পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারির আগেই তিনি দেশত্যাগ করেন।

    ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে ট্রাইব্যুনাল। এরপর রায় দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। এই বছরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর আওতায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা হয়।

  • তাসনিম জারা পেলেন ফুটবল প্রতীক

    তাসনিম জারা পেলেন ফুটবল প্রতীক

    ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে তিনি এই প্রতীক সংগ্রহ করেন। এসময় তিনি বলেন, আমি গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা-৯ আসনের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা থানাসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। অধিকাংশই জিজ্ঞেস করতেন, নির্বাচনী মার্কেট কী? তারা কোন মার্কায় ব্যালট পেপারে দেখতে পারবেন এবং যদি আমাকে সমর্থন করতে চান, তবে জানিয়ে দিতেন। এই প্রশ্নের একনিষ্ঠ উত্তর আমি আজ পেয়েছি।

    ডা. তাসনিম জারা আরও বলেন, আমি এই নির্বাচনে ফুটবল মার্কায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। আগামীকাল থেকে আমরা নির্বাচনী প্রচারণার কর্মসূচি শুরু করব। আমাদের প্রচারণার মূল ভিত্তি হচ্ছে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা, যা আমাদের রাজনীতি। সবাই দোয়া এবং শুভকামনা করলে আমরা আরও উজ্জ্বল পথে এগিয়ে যেতে পারবো বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়-পলকের বিচার শুরু

    মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়-পলকের বিচার শুরু

    জুলাই মাসে ঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞ চালানোর জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমед পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

    আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারসহ তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। অপর দুই বিচারপতি হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    প্রথমে, দুই আসামির পক্ষ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আনা প্রসিকিউশনের তিনটি অভিযোগ বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ পাঠ করেন। এর মাধ্যমে এ মামলার বিচার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। এছাড়া, সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

    এই মামলায় গ্রেপ্তার আসামি পলককে আজ সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। অপর আসামি জয় তার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলমের মাধ্যমে।

    উল্লেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারি এ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নির্ধারিত হওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনাল দিন ধার্য করে। ওইদিন জয়-পলকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ আর জয়টির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম। শুনানিতে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগের বিরোধিতা করে তারা দাবি করেন, জয়-পলকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এ জন্য চার্জ গঠন না করে তাদের অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়। তবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ গঠনের জন্য আবেদন করা হয়।

    ১১ জানুয়ারি চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম অভিযোগ গঠনের ব্যাপারে শুনানি করেন। এ দিন তিনটি অভিযোগের বিষয়টি শোনা হয় এবং বিচার কাজ শুরুর জন্য আবেদন জানান তিনি।

    অভিযোগের তিনটি মূল বিষয় হলো: জয়ের নির্দেশে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে ফেসবুকে উসকানি দেওয়া, এরপর ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনীর হামলা, ইন্টারনেট বন্ধ করে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি দেওয়া ও প্ররোচনা। এ সময় তারা হত্যাকা-েও সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় শহীদ হন রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন। তিন নম্বর অভিযোগ অনুযায়ী, তারা উত্তরায় ৩৪ হত্যার ঘটনায় সহায়তা করেন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণের জন্য আদালত দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তার পলককে একইদিন হাজির করা হয়। ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আদালত গ্রহণ করেন।

  • রিট খারিজ, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না

    রিট খারিজ, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না

    কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফেরানোর জন্য করা রিট হাইকোর্ট বাতিল করেছেন। এর ফলে, তিনি ঋণখেলাপি থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করে দেন। বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে এই বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত নেয়। নিজেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করে রিটের মামলা খারিজ হওয়ার কারণে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এখন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অবস্থা নেই। এর আগে, ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানিতে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এর আগে, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়ন স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে ছিলেন। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কুমিল্লা-৪ আসনের গণনায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আপিল করেন।