Blog

  • অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    ঢালিউডের সোনালী যুগের অন্যতম দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক ক্যানসারের লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন, এবং আজ বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। শেষ পর্যন্ত তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) চলে গেছেন পৃথিবীর বিদায় নেন।

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন। প্রখ্যাত এই অভিনেতা ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশোয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে তার পরিবারসহ পাঞ্জাবে চলে যায়, কিন্তু নিয়তি তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে উন্নীত করে।

    জানানো হয়েছে যে, জাভেদ ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন পাশাপাশি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গেল বছর এপ্রিলেও তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় তিনি মারা যান।

    তার স্ত্রী ডলি চৌধুরী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থা মারাত্মকভাবে খারাপ হয়ে পড়ে। সাধারণত তাকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। কিছুদিন ধরেই বাসায় চিকিৎসা চলছিল। হাসপাতালে এসে চিকিৎসকরা জানান, তার সারা শরীর ঠান্ডা। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় যেখানে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

    অভিনেতা হিসেবে তার প্রথম পরিচয় ঘটে ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে। তবে তার ভাগ্য বদলের খোলসা ঘটে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ সিনেমায়। এই ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শাবানা। সেই সিনেমার মাধ্যমেই তার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। পরিচালক মুস্তাফিজ তার নাম রাখেন জাভেদ।

    এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি, একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা করে তিনি দর্শকদের হৃদয়ে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে নিজের স্থান করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    জাভেদের পুরো নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। তিনি নৃত্য পরিচালনা দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, পরে নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজস্ব আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেন।

    সত্তুর ও আশির দশকের সময়কালেই জাভেদ মানেই ছিল পর্দায় বিদ্রূপাত্মক নাচ ও অ্যাকশনের অসাধারণ সংমিশ্রণ। তার মৃত্যুতে বাংলার চলচ্চিত্রের একটি যুগের শেষ হলো। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগে নিভৃতে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এই গুণী শিল্পী।

    তার উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী, আবদুল্লাহ ইত্যাদি।

  • শেষ বলের ছক্কায় সিলেটকে বিদায় করে রংপুর কুইইকালিফায়ার নিশ্চিত

    শেষ বলের ছক্কায় সিলেটকে বিদায় করে রংপুর কুইইকালিফায়ার নিশ্চিত

    রংপুর রাইডার্সের জন্য কঠিন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে সিলেট টাইটান্সকে শেষ মুহূর্তে হারিয়ে কোয়ালিফায়ার পর্যায়ে প্রবেশের ব্যাপারে বিশ্বস্ততা অর্জন করলো। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে রংপুরের ব্যাটসম্যানরা খুব একটা ভালো করতে পারেননি, ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১১ রান সংগ্রহ করে। এই লক্ষ্য সন্দেহাতीतভাবে কম হলেও, রংপুরের বলিং অ্যালাইনমেন্টও শুরুতে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করেছিল সিলেটের জন্য। তবে দলনেতা মেহেদী হাসান মিরাজ ও প্রশিক্ষিত ব্যাটসম্যান স্যাম বিলিংসের জুটিতে রংপুরের বোলিংকে সামাল দেন তারা, ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের পক্ষে আনেন। বিশেষ করে বিলিংস ২৯ রান করেন, আর মিরাজ ১৮ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। অন্যদিকে, পারভেজ হোসেন ইমন ১৮, আরিফুল ইসলাম ১৭ ও আফিফ হোসেন ৩ রান করেন। শেষআসরে, ৬ রান প্রয়োজন ছিল দলের জন্য, তখনই অবশ্য ব্যতিক্রমী এক সিদ্ধান্ত নেন ক্রিস ওকস। ফাহিম আশরাফের ভাষায় বলটি ফেঙ্কিগে ফেলে ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন ইংলিশ তারকা ওকস। ফলে, এই জয় রংপুরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, কারণ তা তাদেরকে কোয়ালিফায়ার খেলার একদম শেষ রক্ষা করে দেয়। অন্যদিকে, সিলেটের ব্যাটিং শুরুতেই বেশ চাপে পড়ে। মাত্র ১১১ রানে পুরো টিম আউট হয়, যেখানে সিলেটের সর্বোচ্চ স্কোর হয় ৩৩ রান (রিয়াদ), খুশদিল শাহ ৩০। ব্যাটসম্যানরা বেশি সময় উইকেটে টিকে থাকলেও, সতর্কভাবে ব্যাটিং করার জন্য তারা কৃতিত্ব পেতেন। বললে, সিলেটের বলিংয়ে খালেদ আহমেদ চার উইকেট নেন, আর ওকস ও নাসুম আহমেদ দু’থেকে দুটি করে উইকেট নেন। অবশেষে, শেষ বলে দরকার ছিল ৬ রান। এমতাবস্থায়, ক্রিস ওকসের সাহসী ব্যাটিংয়ে দীর্ঘ শট হাঁকিয়ে ছক্কা মারেন এবং দলের জয়ের গল্প লিখে দেন। এর ফলে রংপুর ১৫৭ রানে পৌঁছে যায় এবং সুপার লিগে যাওয়ার পথে তারা সফলতা অর্জন করে।

  • খুলনা উপ-আঞ্চলিক শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান

    খুলনা উপ-আঞ্চলিক শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান

    খুলনা উপ-আঞ্চলিক স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ৫৪তম শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গতকাল মঙ্গলবার বিকালে খুলনা জিলা স্কুল ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চল উপ-পরিচালক এস, এম সাজ্জাদ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চল উপ-পরিচালক মোঃ কামরুজ্জামান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমীন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মোঃ ইনামুল ইসলাম এবং খুলনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং নেতৃত্বদানের দক্ষতা entwickeln হয়। শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও নজর দিতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা इलेक्ट्रনিক ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহারে মনোযোগ না দেয়। অতিথিরা খুলনাঞ্চলে খেলাধুলার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সকল খেলোয়াড় ও প্রশিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান। শেষে অতিথিরা বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

  • কুয়েটে ‘শাহ্ সিমেন্ট-কুয়েট ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ফুটসাল টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ও পুরস্কার বিতরণ

    কুয়েটে ‘শাহ্ সিমেন্ট-কুয়েট ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ফুটসাল টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ও পুরস্কার বিতরণ

    খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ‘শাহ্ সিমেন্ট-কুয়েট ইন্টার ডিপার্টমেন্ট ফুটসাল টুর্নামেন্ট-২০২৬’ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এই জমজমাট টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে ইলেকট্রিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ডিপার্টমেন্টকে ১-০ গোলে পরাজিত করে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। উক্ত সমাপনী অনুষ্ঠানটি মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলাধুলা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর, প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী, যিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ), প্রফেসর ড. বি. এম. ইকরামুল হক। টুর্নামেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছে চ্যাম্পিয়ন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, রানার্স-আপ ইসিই বিভাগ, ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড আইইএম বিভাগ, মান অফ দ্য ফাইনাল মিজাইল (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং), বেস্ট প্লেয়ার মোঃ আহাসান হাবিব আশিক (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং), বেস্ট রাইজিং প্লেয়ার মোঃ ইমরুল হাসান (এমএসই), বেস্ট গোলকিপার ফাহিম ফয়সাল (এমএসই), এবং টপ স্কোরার যৌথভাবে আহনাফ তাজওয়ার সাদী (সিএসই) ও রবিউল ইসলাম (ইউআরপি)। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকগণ, শাহ্ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও জনতা ব্যাংক পিএলসি প্রতিনিধিরা। উল্লেখ্য, এই টুর্নামেন্টটি শুরু হয় ৮ জানুয়ারি এবং এটি পরিচালিত হয়েছে শাহ্ সিমেন্ট ও জনতা ব্যাংকের স্পনসরশিপে, এবং সার্বিক আয়োজনে ছিল কুয়েটের ছাত্র কল্যাণ অফিস।

  • বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসির কাছে চিঠি পাঠাল পিসিবি

    বাংলাদেশের সমর্থনে আইসিসির কাছে চিঠি পাঠাল পিসিবি

    আগামি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণে uncertainty দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তার কারণে ভারতে না গিয়ে শ্রীলঙ্কায় সরাসরি খেলতে চাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), যা তাদের দৃঢ় অবস্থান। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা আইসিসি চাইছে, বাংলাদেশ যেন ভারতে গিয়ে খেলতে পারে, এবং তারা বিসিবিকে রাজি করানোর জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি গ্রুপ পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উত্থাপিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যখন বাংলাদেশ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে, তখন পাশে এসে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

    পিসিবির গভর্নিং বডি বিসিবির এই অটল অবস্থানের সমর্থনে আইসিসি এক চিঠি পাঠিয়েছে। এই চিঠিটি অন্য সদস্য দেশগুলোর কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্রিকইনফো, একটি ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের নিরাপত্তা বিষয়ক উদ্বেগের কারণে বিসিবি শ্রীলঙ্কায় নিজেদের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায়েছিল। এই বিষয়টি সমাধানের জন্য আইসিসি আজ (বুধবার) একটি বৈঠক ডাকলে, সেই সভা কি शांतিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয় বা না হয় তা এখনও নিশ্চিত নয়।

    অন্যদিকে, আইসিসি যখন বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে পিসিবির সমর্থনমূলক মেইলটি পাঠানো বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। তবে, ধারণা করা হচ্ছে, এই চিঠিটি আইসিসির সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনা বা তা প্রভাবিত করার মতো কিছু নয়। ক্রিকইনফো জানায়, বাংলাদেশ বিষয়ক বিষয়াদি – যেমন ভেন্যু বা সূচিতে পরিবর্তন – খুবই কম সম্ভাবনা রয়েছে। গত সপ্তাহে বিসিবি এবং আইসিসির মধ্যে শেষ বৈঠকে উভয়পক্ষই তাদের অবস্থানে অটুট থাকেন।

    এদিকে, আইসিসি কর্তৃপক্ষ ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছে, তারপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। তবে, বিসিবি ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা বিশ্ব cricket সংস্থার কাছ থেকে কোনো নির্দিষ্ট ডেডলাইন পায়নি। উল্লেখ্য, বিশ্বকাপের শুরুর মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে, ৭ ফেব্রুয়ারি, ভারতে ও শ্রীলঙ্কায় এই মহাযজ্ঞের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ কোলকাতা ও মুম্বাইয়ে তিনটি ম্যাচ খেলবে।

    অন্যদিকে, পাকিস্তান গত বছর থেকে ভারতে না গিয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে। ফলে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হলে অবশ্যই নিরপেক্ষ ভেন্যু বা হাইব্রিড মডেলে আয়োজন হবে। এছাড়া, বাংলাদেশ না যাওয়ার সিদ্ধান্তের ফলে পাকিস্তানের সমর্থন বা পরিস্থিতি কিছুটা নাটকীয়তাও সৃষ্টি করেছে। আগে গুঞ্জন ছিল, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো পাকিস্তানে সরিয়ে নেওয়া বা বাংলাদেশ না খেললে পাকিস্তানও নিজেদের অংশগ্রহণ থেকে সরে আসতে পারে। তবে এই বিষয়গুলো এখনও শুধুই গুঞ্জন, পিসিবি এ বিষয়ে কোনও رسمي মন্তব্য করেনি।

  • চট্টগ্রাম রয়্যালসের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জয়ের মাধ্যমে ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত

    চট্টগ্রাম রয়্যালসের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জয়ের মাধ্যমে ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বিতা উত্থান-পতনের মধ্যে চলে গিয়ে, চট্টগ্রাম রয়্যালস রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে পৌঁছেছে। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নামা রাজশাহী নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৩ রান সংগ্রহ করে। জবাবে চট্টগ্রাম দ্রুততায় ব্যাট করে, কেবল ৩ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে।

    চট্টগ্রামের দুই ওপেনার শুরুতেই মন্থর গতিতে ব্যাট করলেও, পরে তারা গুরুত্বপূর্ণ দলগত জুটির মাধ্যমে কার্যকর হয়ে ওঠেন। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ৬৪ রান। মোহাম্মদ নাঈম শেখ ৩৮ বলে ৩০ রান করেন, এরপর হাসান নাওয়াজ ১৪ বলে ২০ রান করেন, এবং আসিফ আলি ৮ বলে ১১ রান করেন।

    অপরদিকে, রাজশাহীর ওপেনার মির্জা বেগ ৪৭ বলে ৪৫ রান করে দলের সাথে থাকেন। এরপর দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন দলনেতা শেখ মেহেদী হাসান, তিনি মাত্র ৯ বলেই অপরাজিত ১৯ রান করেন। জামাল ২ বলে ২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    ম্যাচের শুরুতে টস জিতে চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান রাজশাহীকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানালে, রাজশাহী শুরুতেই প্রাথমিক ঝুঁকি নিয়ে ব্যাট করতে থাকেন। ৩০ রানে থামে উদ্বোধনী জুটি। সাহিবজাদা ফারহান ১৯ বলে ২১ রান করেন, অন্যদিকে তানজিদ হাসান তামিম ৩৭ বলে ৪১ রান করে আউট হন।

    পরে, দলের জন্য কোনও একজন ব্যাটার দ্বিগুণের বেশি রান করতে পারেননি। নাজমুল হোসেন শান্ত ৮, মুশফিকুর রহিম শূন্য, আকবর আলি ৩, জিমি নিশাম ৬ ও রায়ান বার্ল ৩ রান করে আউট হন।

    ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তোলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন, ১৫ বলে দুটি চার ও তিনটি ছয় সহ ৩৫ রান করেন তিনি। এই ইনিংসের মাধ্যমে রাজশাহী সংকটের পরিস্থিতিতে একটি শক্তিশালী সংগ্রহ তৈরি করে। অন্য দিকে, রিপন মণ্ডল ১০ ও বিনুরা ৩ রান করেন, হাসান মুরাদ অপরাজিত থাকেন ১ রানে।

    চট্টগ্রামের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল, অন্য পাঁচজন বোলার একেকটি করে উইকেট অর্জন করেন। এই জয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ফাইনালে ওঠা নিশ্চিত হয়েছে, যা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীতাকে আরও জোরদার করবে।

  • নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার কারণে ভাবনা বদলে যাচ্ছে ট্রাম্পের

    নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার কারণে ভাবনা বদলে যাচ্ছে ট্রাম্পের

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ার কারণে তিনি এখন আর কেবল শান্তির দিকে তাকিয়ে থাকতে বাধ্য নয়। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রية জোনাস গার স্টোরকে পাঠানো এক চিঠিতে ট্রাম্প এই বার্তা ব্যক্ত করেন, যেখানে তিনি গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

    সংবাদ সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, এই চিঠিটি প্রথম প্রকাশিত হয় পিবিএস নিউজআওয়ারএর পররাষ্ট্র-বিষয়ক সংবাদদাতা নিক শিফ্রিনের মাধ্যমে। পরে নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিষয়টি নিশ্চিত করে।

    চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ‘প্রিয় জোনাস, ৮টি যুদ্ধ সফলভাবে বন্ধ করার পরও যখন আপনার দেশের সিদ্ধান্তে আমাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়নি, আমি আর শুধুমাত্র শান্তির কথাই ভাবতে বাধ্য হচ্ছি না। যদিও শান্তি সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ, এখন আমি কেবল আমার দেশের জন্য কী প্রকৃতভাবে উপযুক্ত, তা ভাবতে পারি।’

    এখানে তিনি গ্রিনল্যান্ডের ওপর ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন, বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ছাড়া দ্বীপটিকে রাশিয়া বা চীন থেকে রক্ষা করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘ডেনমার্ক এই ভূখণ্ডকে রক্ষায় অসমর্থ, এবং যদি আমাদের নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে এ অঞ্চল নিরাপদ নয়’।

    নরওয়ের সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকে-কে স্টোর জানিয়েছেন, ট্রাম্পের এই চিঠি তিনি আগেই ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাবের সঙ্গে যৌথভাবে ট্রাম্পকে পাঠানো এক বার্তার জবাবে পেয়েছেন। ওই বার্তায় উভয় দেশ ও অন্যান্য দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনার বিরোধিতা করা হয়েছিল।

    স্টোর আরও উল্লেখ করেছেন, ‘আমরা উত্তেজনা কমানোর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, প্রেসিডেন্ট স্টাব, ও আমার মধ্যে একটি ফোনালাপের অনুরোধ প্রকাশ করেছি’। তিনি আরও বলেছেন, নরওয়ের অবস্থান গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে অপরিবর্তিত থাকবে।

    অর্থাৎ, ট্রাম্পের দাবিকে নরওয়ের সরকার প্রত্যাখ্যান করে বলে স্টোর নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, এই পুরস্কার নরওয়ে সরকার নয়, স্বতন্ত্র নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি দিয়ে থাকে।

    শেষে, ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রুথ সোশ্যাল-এ একই বিষয়ের বক্তৃতা পুনরাবৃত্তি করে লিখেছেন, ‘আর্কটিক অঞ্চলে যে নিরাপত্তা হুমকি বিদ্দমান, তা মোকাবিলার জন্য এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।’ এ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনা এবং উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

  • কলকাতা বইমেলায় এবারও বাংলাদেশের বাদ, যুক্তরাষ্ট্রও থাকছে না

    কলকাতা বইমেলায় এবারও বাংলাদেশের বাদ, যুক্তরাষ্ট্রও থাকছে না

    এবারের কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় বাংলাদেশকে যেনো আর স্থান দেওয়া হচ্ছে না। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এই প্রগতিশীল ও জনপ্রিয় বইমেলায় দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন থাকছে না। তবে প্রতি বছর সেখানে বাংলাদেশের বই বিক্রি থেকে কোনও বাধা পড়ছে না, এমন তথ্য বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
    প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের উপস্থিতি ২০২৩ সালে ছিল না, এর আগে প্রতিবছরই বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকাশক এই মেলায় অংশ নিতেছিলেন। সেই সময় পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ছিল, বাংলাদেশি লেখকদের বই বিক্রি খুবই ভালো হতো। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও সরকারের নতুন নির্বাচন আসার পর থেকে বাংলাদেশ থেকে মেলায় অংশ গ্রহণ বন্ধ হয়ে গেছে।
    অ্যাডভোকেসি গ্রুপ গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ত্রিদিব চ্যাটার্জি আজ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের তরফ থেকে এবার মেলায় অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে তাদের অংশ নেওয়া ঠেকানো হয়েছে।’ এই তথ্যটি কলকাতায় থাকা বাংলাদেশের উপদূতাবাসেরও নিশ্চিত করেছে।
    ত্রিদিব আরও জানিয়েছেন, ‘ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বর্তমানে যে সম্পর্ক, তাতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের মেলায় যোগদান নিষেধ। সেই অনুমতিপত্র এখনো আসেনি, তাই বাংলাদেশ এই মেলায় অংশ নিতে পারছে না। তবে যদি কেউ কোনও স্টলে বাংলাদেশের বই রাখে, তাহলে আমাদের কোন আপত্তি নেই।’
    এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্র, যে প্রতিবছর মেলার নিয়মিত অংশীদার ছিল, এবারের মেলায় থাকছে না। এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে बजেটের সমস্যা বা বাজেট বরাদ্দের অভাবে। তবে ভালো খবর হলো, দীর্ঘ ১৫ বছর পর এবার মেলায় চীনের প্যাভিলিয়ন ফিরে এসেছে এবং প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ইউক্রেন।
    অন্যদিকে, এই বছরের মেলার থিম দেশ হচ্ছে আর্জেন্টিনা। মোট ২১টি দেশ এবং বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রায় এক হাজারের বেশি প্রকাশক অংশ নেবেন। ২২ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে ৪৯তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা, যা চলবে শেষ জানুয়ারি পর্যন্ত। মেলা উদ্বোধন করবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এই স্থায়ী ‘বইমেলার প্রাঙ্গণে’ স্থান পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

  • জাতিসংঘ বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়

    জাতিসংঘ বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়

    বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে, শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জাতিসংঘ গুরুত্ব দিচ্ছে।

    জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এই বিষয়ে কথা বলেন মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক। এক সাংবাদিক বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কিত প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, জাতিসংঘের ইচ্ছা, দেশের নির্বাচনপ্রক্রিয়া যেন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়।

    ফারহান হক জানান, জাতিসংঘ স্পষ্টভাবে বলেছে, এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিরাপদে ভোট দিতে পারবেন এবং তাদের মতামত স্বাধীনভাবে প্রকাশ করতে পারবেন। তিনি আরও যোগ করেন, নির্বাচনের সময় এবং পরে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মনোভাব জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা, যাতে নির্বাচনের সুষ্ঠুতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

    এই মন্তব্যের সময় এমন এক পরিস্থিতিতে যখন দেশটিতে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি দ্রুত আগাচ্ছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে।

  • ট্রাম্পের হুমকি: পৃথিবী থেকে ইরানকে ‘মুছে ফেলা’ সম্ভাবনা

    ট্রাম্পের হুমকি: পৃথিবী থেকে ইরানকে ‘মুছে ফেলা’ সম্ভাবনা

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতাদের উদ্দেশে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, ইরানের পক্ষ থেকে যদি তার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি অব্যাহত থাকে, তবে দেশটিকে ‘পৃথিবী থেকে চিরতরে মুছে ফেলা হবে’। মার্কিন এক গণমাধ্যম, দ্য হিল, এই খবর প্রকাশ করেছে।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তিনি নিউজ নেশনের সাংবাদিক কেটি প্যাভলিচের সঙ্গে অনুষ্ঠিত ‘কেটি প্যাভলিচ টুনাইট’ অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন। ট্রাম্প বলেন, এ ধরনের হুমকি তারা দিতেই পারে না। তবে আমি আগেই স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছি—যদি কিছু ঘটে, তাহলে পুরো ইরানকেই ধ্বংস করে দেয়া হবে।

    তিনি জানান, তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় বাইডেন প্রশাসনের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পাওয়া এক ব্রিফিং, যেখানে ইরানের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি দেওয়ার বিষয়ে সতর্কতা জানানো হয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলাইমানিকে এক মার্কিন অভিযানে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তৎকালীন মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ড মন্তব্য করেন, এই হত্যার পেছনে ইরানের জেনারেল কাসেম সোলাইমানির দায় থাকতে পারে, যা সম্ভবত প্রভাবিত হয়েছে দেশটির শীর্ষ সামরিক স্থাপনার ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য।

    ট্রাম্প এ প্রসঙ্গে বলেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উচিত ছিল এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা। বর্তমান ও সাবেক নেতাদের মধ্যে এ বিষয়ে একে অপরকে রক্ষা করা উচিত। তিনি আরও বলেন, আমার স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে—যদি কিছু ঘটে, তবে ইরান বোর্ডের বাইরে চলে যাবে।

    আগেই ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, ইরান যদি তার জীবন সংক্রান্ত কোনও হুমকি দেয়, তবে তা দেশটিকে ধ্বংস করে দেবে। তখন তিনি এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন, যা ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি কূটনৈতিক পথে সমাধানের রাস্তা খোলা রেখেছিল।

    তিনি বলেছেন, ইরান যদি তার জীবন হুমকি দেয় বা কিছু করে, তবে তা খুবই ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনবে। অন্যান্য দেশের মতো আমি ব্যক্তিগতভাবে এটাকে অগ্রাহ্য করিনি—কারণ তা যদি হয়, তাহলে ইরান কোনও অস্তিত্বই রাখত না।

    অন্যদিকে, ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের কারণে সেখানে নিরাপত্তা বাহিনী সহ ৩,৩০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প দেশের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, তবে তার আরাক্টিক শক্তি ব্যবহার করতে বাধ্য হবেন। তবে এ মুহূর্তে জানা গেছে, এসব হত্যা কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে।

    অন্যদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে দেশটিকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে (ট্র্যাভেল) তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে দখল করার চেষ্টা করছে।

    খামেনি আরও বলেন, আমরা চাই না আমাদের দেশ যুদ্ধের দিকে যাওুক। তবে দেশের ভেতরের অপরাধীদের ছেড়ে দেওয়া হবে না, এবং আন্তর্জাতিক অপরাধীদেরও ছাড় দেওয়া হবে না—তাদের জন্য হয়েছে কঠোর সতর্কতা।