Blog

  • কানাডায় ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে কুপিয়ে হত্যা

    কানাডায় ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে কুপিয়ে হত্যা

    কানাডার ওন্টারিও প্রদেশের উইন্ডসর শহরে ভারতীয় বংশোদ্ভূত সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও ইউটিউবার ন্যান্সি গ্রেওয়ালকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে টড লেনের কাছে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়; হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    উইন্ডসর পুলিশের initial বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে ছুরিকাঘাতের সংবাদ পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ও প্যারামেডিকরা ন্যান্সিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি।

    পুলিশ প্রাথমিকভাবে এই হামলাকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখলেও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সন্দেহভাজনদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তদন্তের স্বার্থে কানাডা স্ট্রিট ও বিশপ স্ট্রিটে থাকা দুটো বাড়ি সিল করে রাখা হয়েছে।

    ন্যান্সি সম্প্রতি একটি ধর্মীয় ধর্মগুরু সম্বন্ধে কটাক্ষমূলক কনটেন্টও তৈরি করেছিলেন। পুলিশ ওই কনটেন্টের কারণে ঘটনাটি উদ্দেশ্যমূলক কিনা তাও খতিয়ে দেখছে।

    ন্যান্সির মা শিন্দরপল কৌর সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তিনি দাবি করেছেন, কয়েকদিন ধরেই কন্যাকে নানা ধরনের হুমকি মিলছিল এবং কয়েক মাস আগে তার বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছিল। তিনি স্থানীয় একটি গুরুদ্বারের এক ব্যক্তিসহ মোট তিনজনকে অভিযোগের আঙুল দেখিয়েছেন। শিন্দরপল কৌর আরও বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে এক সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করার পর থেকে ন্যান্সিকে ভয় দেখানো হচ্ছিল।

    পাঞ্জাবের জলन्धরের বাসিন্দা ন্যান্সি গ্রেওয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি ও তীব্র ভাষায় মতামত দেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন। তিনি মূলত খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন এবং জেলবন্দি সাংসদ অমৃতপাল সিং, শিরোমণি আকালি দলের নেতা বিক্রম সিং মাজিথিয়া ও গুরিন্দর সিং ডিলন সহ কয়েকজন নেতার কড়া সমালোচনা করতেন। এছাড়া তিনি কানাডা ও ভারতের মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক টানাপড়েনে ভারতের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভিডিও তৈরি করতেন।

    এই ঘটনার পর স্থানীয় কমিউনিটিতে শোক ও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ তদন্ত ত্বরান্বিত করেছে এবং যে কোনো তথ্যের জন্য জনসাধারণকে এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেছে। মামলার আনুষ্ঠানিক বিবরণ ও সন্দেহভাজনদের খোঁজ সম্পর্কে তদন্তকারীরা পর্যায়ক্রমে জানাবেন।

  • স্কুলছাত্রীদের অশ্লীল নাচের অভিযোগে বিতর্কের মুখে গায়ক বাদশা

    স্কুলছাত্রীদের অশ্লীল নাচের অভিযোগে বিতর্কের মুখে গায়ক বাদশা

    জনপ্রিয় গায়ক বাদশার বিরুদ্ধে নতুন এক বিতর্ক ঘনিয়েছে—তাঁর সাম্প্রতিক গান ‘টাটিরি’র দৃশ্যে স্কুলছাত্রীদের অশ্লীলভাবে নাচানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই অভিযোগের পর হরিয়ানার মহিলাদের কমিশন পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং এক ব্যক্তি মামলা করেছেন।

    এর আগে ‘বড়লোকের বেটি লো’ গানটির রিমেকে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন বাদশা; এবারও একই ধরনের সমালোচনার মুখে পড়লেন। ১ মার্চ মুক্তিপ্রাপ্ত ‘টাটিরি’ প্রথম দিকে শ্রোতাদের মধ্যে ভালো সাড়া ফেললেও কয়েক দিনের মধ্যেই গানের কথাবস্তু ও দৃশ্যায়ণে নারীদের তলিয়ে ধরা সম্পর্কে আপত্তি ওঠে। সমালোচকরা বলছেন, গানে নারী চরিত্রগুলোকে অবমাননাকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    হরিয়ানা মহিলা কমিশনের সভাপতি রেনু ভাটিয়া অভিযোগের বিষয়ে বলেছেন, “এই ধরণের গান জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।” কমিশন লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে বিষয়টি পুলিশের কাছে পৌঁছেিয়েছে।

    অভিযোক্তার দাবি, গানে স্কুলের পোশাক পরিহিত ছাত্রীরূপী চরিত্রদের অশ্লীল নাচ ও অঙ্গভঙ্গি দেখালে বর্তমান প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা যাবে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউটিউব থেকে গানটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বাদশা বা তাঁর প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মামলা ও অভিযোগ সংক্রান্ত প্রশাসনিক — আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, এবং তদন্ত প্রতিবেদন প্রতীক্ষিত।

  • ৮ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের ছয় রুটে ফ্লাইট বাতিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের

    ৮ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের ছয় রুটে ফ্লাইট বাতিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সেখানকার আকাশপথে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে গুরুত্বপূর্ণ বিমানের শিডিউলে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। পরিস্থিতি বিবেচনায় আধাসংগঠিত এই সংস্থা ঘোষণা করেছে যে, আগামী ৮ মার্চ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ রুটে সব ফ্লাইট স্থগিত থাকবে। এর আগে, এই রুটগুলোতে ফ্লাইট বন্ধ ছিল ৩ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত। এখন এই সময়সীমা আরও বাড়িয়ে ৮ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে বিমানের পক্ষ থেকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলোর সাথে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় এবং যাত্রীদেরকে এই তথ্য নিশ্চিত করার অনুরোধ করা হয়। বাতিল হওয়া রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে—সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, আবুধাবি ও শারজা, সৌদি আরবের দাম্মাম, কাতারের দোহা এবং কুয়েত।

    বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতির উন্নতি হলে তারা বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলো নতুন সময়সূচি অনুযায়ী চালুর আপডেট দেবে।

    উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও আকাশপথের নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি হওয়ায় ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। এর ফলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ব্যাপক প্রভাব পড়ে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটের সূচি বিঘ্নিত হয়।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের মোট ২৪৫টি ফ্লাইট বাতিল হয় শুধুমাত্র শুক্রবার পর্যন্ত।

    বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আকাশপথের উত্তেজনা প্রশমিত ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এই অনিশ্চয়তা কাটছে না। তাই তারা যাত্রীদের নিয়মিত বিমানের কল সেন্টার বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

  • সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি: তথ্যমন্ত্রী

    সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, সংসদীয় ব্যবস্থার অনুযায়ী আগামী সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেবেন। এ ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। আজ শনিবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।

    সম্মেলনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আজ বিকেলে চতুর্থ সেশনের মধ্য দিয়ে এই কর্মশালা শেষ হবে।’

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জনসেবা দেওয়ার পাশাপাশি, আমরা আমাদের আইন বিভাগ এবং জাতীয় সংসদকে কিভাবে আরও কার্যকর করে তুলতে পারি—এখন সেই বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি। সরকারের নেতৃত্বে সংসদকে সবসময় জীবন্ত ও কার্যকর রাখতে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে, সেটাই আমরা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছি।’

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের নেতা, দেশনায়ক তারেক রহমান ক্ষমতায় যাওয়ার আগে ৩১ দফার মাধ্যমে রাষ্ট্রের সংস্কার ও উন্নয়নের কথাই বলেছেন। আমরা মাধ্যমিক নির্বাচনে জেতার পর, এই দফাগুলোর উপর ভিত্তি করে আমাদের কাজের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করেছি। জনগণকে সেবা দিতে হয়েছে পাশাপাশি, আমাদের এই আইন বিভাগ ও সংসদকে কিভাবে আরও কার্যকর ও প্রাণবন্ত করে তোলা যায়—সে বিষয়ে আমরা অবদান রেখে চলছি।’

  • জ্বালানি মজুদ যথেষ্ট, তেলের সংকটের আশঙ্কা নেই: জ্বালানিমন্ত্রী

    জ্বালানি মজুদ যথেষ্ট, তেলের সংকটের আশঙ্কা নেই: জ্বালানিমন্ত্রী

    জ্বালানি, জটিল পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক যুদ্ধের কারণে দেশব্যাপী তেল সরবরাহ নিয়ে সৃষ্টি হওয়া উদ্বেগের মধ্যে বাজে কোনো পরিস্থিতির আশঙ্কা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি জানান, দেশের ভান্ডারে যথেষ্ট পরিমাণে ডিজেল, পেট্রল, অকটেন এবং অন্যান্য জ্বালানি তেল রয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ যেন আতঙ্কিত না হন এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ না করেন, এ বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।

  • ৯ মার্চ দুটি তেলের ভেসেল আসছে: জ্বালানিমন্ত্রী

    ৯ মার্চ দুটি তেলের ভেসেল আসছে: জ্বালানিমন্ত্রী

    দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে মনে করছে সরকার। জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, আগামী ৯ মার্চ একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ দিন, কারণ সেই দিনই দেশে আসবে দুটি তেলবাহী ভেসেল বা জাহাজ। তিনি এই তথ্য শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।

    মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ কিছুটা উদ্বেগে রয়েছে, তবে সরকারের পক্ষ থেকে সব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অনিশ্চয়তার মাঝেও তিনি আশ্বাস দেন, দেশে তেলপ্রাপ্যতা পর্যাপ্ত এবং কোন সংকট নেই।

    তিনি আরও বলেন, ‘‘বিশ্বজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রভাব আমাদের জ্বালানি খাতে দেখা যায়, তবে আমরা সচেতন রয়েছি এবং প্রধানমন্ত্রীকে পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফ করেছি। আমি আবার বলছি, তেল নিয়ে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।’’ তিনি জানান, সরকার সতর্কতার অংশ হিসেবে কিছু সময়ের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে। তবে এই রেশনিং দেখে মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বেশি তেল স্টক করার চেষ্টা করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

    এসময় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট জনগণকে আশা দেন যে, তেলের কোনও অভাব নেই এবং নতুন করে আরও দুটি ভেসেল আসছে। সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ জানান, যেন তারা আতঙ্কে না পড়ে। গণমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি বারবার বলছেন, “অতিরিক্ত যানবাহন চালানোর বা অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নিয়মিত তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।’’ কেউ কেউ যদি তেল পাম্পে তেল না পায়, তাহলে তাদের জানানো হয়, সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে এবং পক্ষপাতমূলকভাবে কোনও পাম্প বেশি লাভের আশায় তেল বিক্রি বন্ধ করলে, তাদের বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত হবে।

    মন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার মোবাইল কোর্ট পরিচালনার প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতোমধ্যে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে।’ একই সঙ্গে, তিনি এই মুহূর্তে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে নিয়মনীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান।

    বিশেষ করে, মোটরসাইকেল চালকদের জন্য দুই লিটার করে তেল দেওয়ার রেশনিং বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা এখন নেই বলেও জানান তিনি। তবে সরকার নিজস্ব মজুত সম্পদ দেখে সতর্ক থাকছে, কারণ যুদ্ধ কখন শেষ হবে, তা কেউ বলতে পারে না। তাই আগাম সঞ্চয় বা মজুতের ওপর গুরুত্ব দিতে বলা হচ্ছে।

    মানুষের মধ্যে আতঙ্কের কারণ কী, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘এটি স্বাভাবিক মানবমনস্তত্ত্ব। ভবিষ্যতের অজানা আশঙ্কায় কেউ কেউ আগেভাগে তেলমজুতের চেষ্টা করেন।’’ একই সঙ্গে বলেন, ‘‘সরকারের বার্তায় অনেক সময় মানুষ প্যানিক করে, তবে এটা মানুষের সাধারণ আচরণ। পরে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’’

    এলএনজি সরবরাহের ব্যাপারে জানিয়েছন, সরকার কাতার থেকে এলএনজি আমদানি করে থাকলেও বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহের জন্যও কাজ চলছে। এখন দেশে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি সম্পদের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ভবিষ্যতে কোনও সংকট এড়াতে সরকার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

    অবশেষে, মন্ত্রী বলেন, ‘‘দেশবাসীকে আমি বলবো, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং জ্বালানি সচেতনভাবে ব্যবহার করতে হবে।’’ তিনি সবাইকে আহ্বান জানান যেন তারা প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করে, আবেগে বা অকারণে অতিরিক্ত স্টক না করে।

  • ৮ দিনে ২৬৮ ফ্লাইট বাতিল, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির অবনতি

    ৮ দিনে ২৬৮ ফ্লাইট বাতিল, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির অবনতি

    মধ্যপ্রাচ্যের আধুনিক পরিস্থিতির কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়া এবং বেশ কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত সাত দিনে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের এক শতাধিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

    বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সূত্রে জানা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু করে চলতি মাসের ৬ মার্চ পর্যন্ত এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়ে বিমানবন্দরের কর্ম পরিচালনায়। এই সময়ের মধ্যে, বিভিন্ন দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ফ্লাইট পরিকল্পনা বিঘ্নিত হয়।

    একটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত সাত দিনে মোট ২৬৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ৭ মার্চ, শনিবার, মোট ২০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

    তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি বাতিল হয় ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি এবং ৬ মার্চ ৩৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

    শনিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে-কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, গালফ এয়ারের ২টি এবং এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৪টি।

    বেবিচক কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো অবনতি অব্যাহত থাকায় আকাশপথ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এগুলোর ওপর ভিত্তি করে ফ্লাইট চলাচলে অনিশ্চয়তা রয়ে যাবে।

  • মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ দিনে ২৬৮টি ফ্লাইট বাতিল

    মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ দিনে ২৬৮টি ফ্লাইট বাতিল

    মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাজটিলতার কারণে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সাম্প্রতিক সময়ে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত মোট ২৬৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

    বেবিচক সূত্রে জানা যায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করলে এ সিদ্ধান্তগুলোর প্রভাব পরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ও ট্রানজিট ফ্লাইটগুলোর উপর।

    প্রতিদিনের বাতিলের তালিকা অনুযায়ী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি এবং ৬ মার্চ ৩৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। শনিবার (৭ মার্চ) আরও ২০টি ফ্লাইট বাতিলের তথ্য পাওয়া গেছে।

    শনিবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, গালফ এয়ারের ২টি এবং এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ৪টি ফ্লাইট।

    বেবিচকের কর্মকর্তারা বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আকাশপথে অনিশ্চয়তা ও রুট পরিবর্তন, বিলম্ব বা বাতিলের ঘটনা চলতেই পারে। যাত্রী ও এয়ারলাইন্সকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ানো হয়েছে।

  • ৯ মার্চ দেশে আসছে দুই তেলবাহী জাহাজ: তেলের মজুত পর্যাপ্ত — জ্বালানি মন্ত্রী

    ৯ মার্চ দেশে আসছে দুই তেলবাহী জাহাজ: তেলের মজুত পর্যাপ্ত — জ্বালানি মন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে তেলের যথেষ্ট মজুত আছে; তাই সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ণ হওয়ার দরকার নেই। তিনি জানান, আগামী ৯ মার্চ দেশে তেলবাহী দুটি জাহাজ পৌঁছাবে।

    শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হওয়া বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগের কারণ হচ্ছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিতভাবে ব্রিফ করেছেন মন্ত্রী।

    টুকু জানান, সরকার সতর্কতার অংশ হিসেবে সীমিত পরিসরে রেশনিং ব্যবস্থা নিয়েছে; কিন্তু কিছু মানুষ এই রেশনিং দেখে আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল মজুত করার চেষ্টা করায় স্থানীয় কিছু পেট্রল পাম্পে সাময়িকভাবে তেলশূন্যতা দেখা দিয়েছে। তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমাদের মজুত রয়েছে এবং ৯ তারিখে আরও দুইটি ভেসেল আসছে; তাই তেলের কোনো ঘাটতি হওয়ার কথা নয়।’’

    মন্ত্রী জনগণকে অহেতুক প্যানিক না করে স্বাভাবিকভাবে তেল কেনার আহ্বান জানান। তিনি মিডিয়াকে অনুরোধ করেন, জনগণকে জানান যেন তারা দ্রুত তেল কিনতে না ছুটে ভীড় না করে—রাতভর লাইনে থাকার প্রয়োজন নেই।

    কিছু পাম্পে তেল না পাওয়া সম্পর্কিত প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণে সরবরাহ করে। কোনো পাম্প যদি দ্রুত তেল বিক্রি করে ফেলে, তবে তাদের পরবর্তী সরবরাহ পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। একই সঙ্গে তিনি জানান, পাম্পগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে বেশি মুনাফার আশায় তেল সরবরাহ বন্ধ করে রাখছে কি না—তারও তদন্ত করা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট নামিয়ে দেওয়া হবে বলে মন্ত্রী জানান।

    মোটরসাইকেলের জন্য দুই লিটার তেলের রেশনিং বাড়ানো হবে কি না—এই বিষয়ে মন্ত্রী জানান, আপাতত এরকম কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ‘‘কোথাও তেল নেই—এরকম কোনো পরিস্থিতি নেই, তবে বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা আছে, তাই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’’

    এলএনজি নিয়ে তিনি জানান, সরকার কাতার থেকে এলএনজি আমদানি করে এবং বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে যাতে ভবিষ্যতে সমস্যা না হয়। বর্তমানে দেশের এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলেও মন্ত্রী জানিয়েছেন।

    সবশেষে মন্ত্রী দেশবাসীকে হুঁশিয়ার করে বলেন, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই; তাও সচেতন থাকতে হবে এবং জ্বালানি দায়িত্ববলভাবে ব্যবহার করতে হবে। গণমাধ্যমকে তিনি পুনরায় অনুরোধ করেন—সঠিক তথ্য দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দিন যাতে প্যানিক কেনাকাটা রোধ হয়।

  • ৯ মার্চ দুই তেলবাহী ভেসেল আসছে, উদ্বেগের কারণ নেই: জ্বালানিমন্ত্রী

    ৯ মার্চ দুই তেলবাহী ভেসেল আসছে, উদ্বেগের কারণ নেই: জ্বালানিমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি জানিয়েছেন যে আগামী ৯ মার্চ দুইটি তেলবাহী ভেসেল দেশে পৌঁছবে।

    শনিবার (৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সংলগ্ন স্থানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি সম্পর্কে সরকার প্রধানমন্ত্রীর নিকটও বর্ণনা করেছেন মন্ত্রী।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান অনিশ্চয়তার প্রেক্ষিতে সতর্কতার অংশ হিসেবে সীমিত পরিসরে তেলের রেশনিং ঘোষণ করা হয়েছে। কিন্তু রেশনিংয়ের খবরে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে তেল জমাতে শুরু করেছেন, যা স্থানীয়ভাবে সরবরাহ চেইনকে জটিল করে তুলছে। মন্ত্রী পুনরায় জানিয়েছেন, দেশের কোনো তেলের ঘাটতি নেই।

    কিছু পেট্রল পাম্পে তেল না পাওয়া যাচ্ছে—এ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে। কোনো পাম্প দ্রুতই স্টক বিক্রি করে ফেলে গেলে তাদের পরবর্তী সরবরাহ না আসা পর্যন্ত গ্রাহককে অপেক্ষা করতে হয়। বিষয়টি সরকার মনিটর করছে এবং দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

    মন্ত্রী বলেন, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অধিক মুনাফার আশায় জ্বালানি বিক্রি বন্ধ করে রাখছে কি না—এই ধরনের অনিয়ম তদন্ত করা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোবাইল কোর্ট চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাল থেকে মোবাইল কোর্ট নামিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

    মোটরসাইকেলের জন্য থাকা দুই লিটার রেশনিং বাড়ানোর কোনো চিন্তা এখনই নেই—এ কথাও মন্ত্রী স্পষ্ট করেন।

    এলএনজি সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি জানান, সরকার কাতার থেকে এলএনজি আমদানি করছে এবং পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি নিশ্চিত করার উদ্যোগ চলছে, যাতে ভবিষ্যতে সংকট না হয়। বর্তমানে দেশে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে মন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন।

    মন্ত্রী গণমাধ্যম এবং জনগণকে অনুরোধ করেন—হঠ করে তেল কিনতে যাবেন না, প্যানিক করবেন না। পেট্রল পাম্পে নিয়মিত সরবরাহ চলছে; মানুষ চাইলে তেল পাবে, সারারাত লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন নেই।

    সবশেষে তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি অদৃশ্য পর্যন্ত অনিশ্চিত থাকতে পারে, তাই সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। তবুও আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই; সবাইকে সচেতনভাবে জ্বালানি ব্যবহার করার আহ্বান জানাচ্ছেন মন্ত্রী।