Month: January 2026

  • আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ

    আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ

    বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, ভারতের জনপ্রিয় ক্রিকেট তাহলে এশিয়ার অন্যতম বিশ্বস্ত কোটি কোটি ভক্তের জন্য দুর্ভাগ্যজনক এক সংবাদ। বাংলাদেশে তারকা ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) এর সব খেলা, অনুষ্ঠান এবং সম্প্রচার বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ভারতের ক্রিকেট বোর্ড সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে, আগামী ২৬ মার্চ ২০২৬ থেকে আইপিএলে অংশ নেওয়া দেশীয় ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ বা যোগ্যতা সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের মানুষ এই সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

    এর ফলে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে আইপিএলের সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার বন্ধ রাখতে নির্দেশনা জারি হয়েছে। এই আদেশ জনস্বার্থে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে জারি করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে মুস্তাফিজের আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছিল। বাংলাদেশের বীর ক্রিকেটার মুস্তাফিজের ওপর ভারতীয় কট্টর হিন্দুত্ববাদী দলের কয়েকজন নেতা দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। তাঁদের দাবির প্রেক্ষিতে শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, এই ক্রিকেটার আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপর কলকাতা নাইট রাইডার্স তাদের স্কোয়াড থেকে মুস্তাফিজকে সরিয়ে নিয়েছে। এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক দুঃখজনক সিদ্ধান্ত।

  • মুস্তাফিজকে বাদ: একদিনেই কেকেআরের ফলোয়ার ১০ লাখ কমলো

    মুস্তাফিজকে বাদ: একদিনেই কেকেআরের ফলোয়ার ১০ লাখ কমলো

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ভয়াবহ এক পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়েছে। বাংলাদেশের তরুণ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলের স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রভাব সরাসরি পড়েছে দলের সোশ্যাল মিডিয়া অনুসারীদের উপর। মুস্তাফিজের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সব পোস্ট কেকেআরের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ থেকে মোছার কারণে বাংলাদেশি সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। মাত্র এক দিনের মধ্যেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি তার ফলোয়ার সংখ্যা ১০ লাখের বেশি হারিয়ে ফেলেছে।

    প্রথম দিকে সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসের জন্য বাংলাদেশে কেকেআর ছিল অন্যতম জনপ্রিয় দল। গত বছর ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েও সেই আগ্রহের উৎস ছিল বেশ। তবে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে তাঁকে বাদ দেওয়ার এবং সব সংশ্লিষ্ট পোস্ট সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত খুব দ্রুতই সেই ভালোবাসা ক্ষোভে রূপান্তরিত করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কেকেআরের অনুসারীর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৮১ লাখের বেশি, কিন্তু আজকের মধ্যে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখে, অর্থাৎ প্রায় ১০ লাখ মানুষ কেকেআরের পেজ বিশ্বাসের হারিয়ে ফেলেছেন।

    অর্থাৎ, এক দিনের মধ্যে ১০ লাখের বেশি অনুসারী এই ক্লাবটিকে আনফলো করেছেন। এই ঘটনার প্রভাব শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এর প্রভাব পড়েছে দেশের ক্রিকেটের পরিস্থিতিতেও। মুস্তাফিজকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক জটিলতা এখন তারকারা অংশ নেওয়া আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পরিকল্পনাও এসে ঠেকিয়েছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আয়োজিত বিশ্বকাপের সময়ে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ভারতে হওয়ার কথা ছিল। তবে, বর্তমান পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতীয় দর্শকদের মুখোমুখি হতে চান না। আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যে একটি চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের খেলাগুলো অন্যান্য দেশে আয়োজনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বিসিবি।

    ক্রিকবাজের প্রতিবেদন মতে, বিসিবির এই আবেদন আইসিসির তরফ থেকেও দেখা जा Preis aandacht krijgt যা ইতিবাচক। তারা এই পরিস্থিতিকে নাকচ করেনি, বরং আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার আশা করা হচ্ছে।

    এই বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ‘সি’ গ্রুপে রয়েছে। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষরা হলো ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেনে এবং একটি ম্যাচ মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা ছিল। তবে, বর্তমান জটিল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ নিরাপত্তা উদ্বিগ্ন হয়ে আসন্ন আসরটি অন্য দেশে আয়োজনের জন্য চাপ দিচ্ছে।

  • বাংলাদেশের আপত্তির কারণে নতুন সময়সূচি বানাচ্ছে আইসিসি, জয় শাহের নেতৃত্বে

    বাংলাদেশের আপত্তির কারণে নতুন সময়সূচি বানাচ্ছে আইসিসি, জয় শাহের নেতৃত্বে

    নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারতের ম্যাচগুলো খেলতে অনিচ্ছা প্রকাশ করায় আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নতুন সূচি তৈরি করছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সম্প্রতি আইসিসির কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্র পাঠানোর পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।

    দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমসসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছে, আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর নেতৃত্বে টুর্নামেন্টের সূচি ফের সাজানোর উদ্যোগ শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি, এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে, বাংলাদেশকে নির্ধারিত তিনটি ম্যাচের venues পরিবর্তন করে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।

    বিশেষ করে, কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আবুধাবিতে নিলামে মুস্তাফিজকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে নেওয়া হলেও, কূটনৈতিক চাপ ও দেশটির অগ্রহণযোগ্য উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর চাপের কারণে কেকেআর তাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দেয়।

    বিসিবি থেকে রোববার জানানো হয়, ‘নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা আইসিসির কাছে মুলতাব্যভাবে আবেদন করেছে, এই ম্যাচগুলো যেন ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হয়।’

    প্রায় এক মাসের মধ্যে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের তারিখ (৭ ফেব্রুয়ারি) আসছে, যার ফলে নতুন সূচি তৈরির প্রক্রিয়া আয়োজকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ কলকাতা ওয়ার্ল্ড কাপের অন্তর্গত ছিল। ৭ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে, ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচসমূহ অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিল। আরও, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে নেপালের বিপক্ষে হওয়ার কথা ছিল।

    এদিকে, বিসিবি ইতোমধ্যে এই টুর্নামেন্টের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে। এই ২০ দলের বিশ্বকাপের খেলা শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি, শেষ হবে ৮ মার্চ, ভারতের বিভিন্ন ভেন্যু সহ শ্রীলঙ্কায় মোট আটটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

  • ট্রাম্পের হুমকির পরে সীমান্তে কলম্বিয়ার সেনা মোতায়েন

    ট্রাম্পের হুমকির পরে সীমান্তে কলম্বিয়ার সেনা মোতায়েন

    শনিবার ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে অপহরণের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিপদ সংকেত দিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকে। এরপরই কলম্বিয়ার সরকারের নির্দেশে ভেনেজুয়েলার সীমান্তে ব্যাপক সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, এটি নিশ্চিত করেছে এএফপি ও সিএনএন।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই দাবি, যে নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়েছে, এর প্রেক্ষিতে পেত্রো সতর্ক করে বলেছেন যে, এই মার্কিন উদ্যোগ লাতিন আমেরিকার সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত। তিনি মনে করেন, এর ফলে মানবিক সংকট আরও গভীর হবে।

    নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য তিনি সংলাপের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে, তিনি তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ জানান, ভেনেজুয়েলা সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনী তৎপরতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

    অন্যদিকে, নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার বিষয়ে পেত্রো কোনো বিবৃতি দেননি। তবে, আঞ্চলিকভাবে তার সরকারের ঘনিষ্ঠ সাবেক এই মার্কিন মিত্রের বিরুদ্ধে এই পরিস্থিতিতে ব্যাপক উদ্বেগ রয়েছে।

    অপহরণের পরপরই বড় আকারের সামরিক অভিযান চালানোর আভাস মিলছিল কলম্বিয়ার পক্ষ থেকে। তবে সেটা বাস্তবে রূপ নেয়নি। তবে খবর ছড়িয়েছে যে, ভেনেজুয়েলার নেতা মাদুরোকে গ্রেফতার করতে মার্কিন সেনাদের আগ্রহ রয়েছে।

    শনিবার, ট্রাম্প মাদুরোকে নিয়ে উদ্বিগ্নি প্রকাশ করে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টকে কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কলম্বিয়ায় কোকেনের কারখানা রয়েছে, যেখানে বড় পরিমাণে মাদক তৈরি হচ্ছে এবং তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হচ্ছে। এই বিষয়ে তিনি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।

  • ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডেলসি রদ্রিগেজ নিয়োগ

    ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডেলসি রদ্রিগেজ নিয়োগ

    মার্কিন বাহিনী কর্তৃক অভিযান চালানোর পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। এর মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি মহারূপে ব্যাপক পরিবর্তনের মুখে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের অপশন দেখানো হয়েছে। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করে ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ। আদালত জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট মাদুরো যদি অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে রাষ্ট্রের কার্যক্রম অব্যহত রাখতে and দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ডেলসি রদ্রিগেজকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করতে হবে। তারা উল্লেখ করেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আদালত নির্ধারণ করবেন যে, প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতিতে কী ধরনের আইনি কাঠামো অনুসরণ হবে।

  • মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবা কে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

    মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবা কে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি

    অবমানবিক আচরণ ও আক্রমণ বন্ধ না করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না—এমন সতর্কবার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করে দেশকে দখলের চেষ্টা শেষে, এবার তিনি মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবার প্রতি হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন। ট্রাম্প ছাড়ছেন না, এই তিন দেশের জন্য সতর্কতা প্রকাশ করে বলেছেন যে, ভেনেজুয়েলার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে তাদের দেশগুলোতে যদি পরিস্থিতি উত্তরণ না ঘটে। মাদক চোরাকারবারি ও সন্ত্রাস মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় যে কোনো পদক্ষেপ নিতে তিনি প্রস্তুত, এবং এই ক্ষেত্রে কাউকেই তার নীতি থেকে বিচ্যুত করতে দেবেন না। বেশ কয়েকটি বিশ্ব শক্তি যেমন চীন, রাশিয়া ও ইরান, ইতিমধ্যেই ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। বেইজিং উল্লেখ করে, মার্কিন এই অভিযানে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে এবং এতে ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বাড়বে। একই সঙ্গে, রাশিয়া ও ইরানও এই সামরিক পদক্ষেপটিকে অজনপ্রিয় ও বৈধতার বিরুদ্ধে বলে নিন্দা জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক দিকে মাদুরোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পর, অন্য দিকে মেক্সিকো, কলম্বিয়া ও কিউবার প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতেও তিনি পিছপা হবেন না। তিনি বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে আমেরিকা প্রয়োজনীয় হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হবে এবং কেউ তার শক্তিকে ঠেকাতে সক্ষম হবে না। ট্রাম্পের শাসনামলে বিশেষ করে মেক্সিকো ও আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েন বেড়েছে। শরণার্থী অনুপ্রবেশ ও শুল্কনীতি নিয়ে চলমান বিরোধের পাশাপাশি, মেক্সিকোকে নানা হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প বারবার সতর্ক করে বলেছেন, মেক্সিকো যদি শরণার্থী ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে তার ফল ভুগতে হবে। এই পরিস্থিতিতে, ট্রাম্প মেক্সিকো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ও সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি, কলম্বিয়াকে হুঁশিয়ারি দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন যে, তাদের মাদক তৈরির কারখানাগুলি মার্কিন শত্রুদের জন্য ভয়ঙ্কর বিপদ হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, কলম্বিয়ায় মাদক উৎপাদন করছে পেত্রো এবং তার কারখানাগুলি অত্যন্ত সক্রিয়। তাঁর ভাষায়, এই মাদক চোরাচালান আমেরিকার অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতেই হবে। এরইমধ্যে ভেনেজুয়েলার ঘটনার ফাঁকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিউবার জন্যও সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি কিউবার নেতৃস্থানীয় ব্যর্থ শাসক মিগুয়েল দিয়াজু-কানেলকে ‘ব্যর্থ’ বলে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, কিউবার পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত খারাপ। রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ভেঙে পড়ার কারণে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ বেড়েছে। তিনি দাবি করেন, বহু বছর ধরে কিউবার মানুষ এই দুঃশাসনের কারণেই বিপদে রয়েছে এবং তাদের মুক্তির জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন অভিযান। রাজধানী করাকাসে একদিকে নিরবচ্ছিন্ন বিস্ফোরণের শব্দ শোনা অবধি, অন্যদিকে বিভিন্ন প্রদেশে প্রচুর আঘাত হানে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই আঘাতের পিছনে আসল কারা তা শুরুতে স্পষ্ট ছিল না। তবে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানিয়ে দেন, ভেনেজুয়েলা ও তার নেতাকে বড় ধরনের সফল অভিযান চালানো হয়েছে। তা ছাড়া, প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীর বন্দি করা হয়েছে। এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রে এসে দাঁড়িয়েছে ওভেহ, পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করছে।

  • ওয়াইসির অদ্ভুত দাবি: আপনার বোনকে আগে বাংলাদেশে পাঠান, মোদিকে বলে দিন

    ওয়াইসির অদ্ভুত দাবি: আপনার বোনকে আগে বাংলাদেশে পাঠান, মোদিকে বলে দিন

    ভারতে শরণ নেওয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন অল ইন্ডিয়া মজলিশে ইত্তেহাদুল মুসলেমিনের সভাপতি ও কংগ্রেস দলের সংসদ সদস্য আসাদুদ্দিন ওয়াইসি। এ মন্তব্য তিনি সম্প্রতি একটি জনসভায় প্রকাশ করেন।

    ইকোনমিক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াইসি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বোন যে বর্তমানে দিল্লিতে বসে আছেন, তাকে প্রথমে বাংলাদেশে পাঠানো উচিত। তিনি আরও বলেন, মহারাষ্ট্র ও মুম্বাইয়ের জনগণের কাছ থেকে শুনেছি, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বলাহচ্ছেন। তাহলে মোদির বোনকে প্রথমে বাংলাদেশে ফিরে যেতে হবে।

    ওয়াইসির এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত জনতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। তিনি জনতাকে স্লোগান দিতে উৎসাহিত করলে তারা খুশির সঙ্গে সাড়া দেয়। এরপর ওয়াইসি মোদিকে উদ্দেশ করে বলেন, শুনুন, এই অস্ত্রের আওয়াজ শুনছেন? তাঁকে সেখানে থেকে বের করে দিন, বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিন।

    এর আগে, ওয়াইসি শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় দেওয়ার জন্য সমালোচনা করেছিলেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে বিহারের পূর্ণিয়ায় এক নির্বাচনী সমাবেশে মোদি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ও বিজেপি সরকার বিহারে বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছে। এর জবাবে ওয়াইসি বলেন, বিহারে কোনো বাংলাদেশি অবশিষ্ট নেই, বিশেষ করে সীমান্ত এলাকা where যেখানে তাঁর দল আগের নির্বাচনে ভালো ফল করেছে।

    ওয়াইসি মন্তব্য করেন, মোদিজি দাবি করলেন যে, বিহারে বাংলাদেশের অনেক মানুষ রয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেখানে বা সীমান্তের কাছাকাছি কোনও বাংলাদেশি নেই। বরং দিল্লিতে বসে আছেন একজন বাংলাদেশি, যাকে সীমান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাঠানো হলে ওই লোকটি সেখান থেকে বাংলাদেশে পৌঁছে যাবে।

    এ ধরনের বক্তব্যে স্পষ্ট মনে হচ্ছে, ওয়াইসি মূলত শেখ হাসিনাকেই টেক্কা দিতে চাচ্ছেন। ২০২৪ সালের আসন্ন নির্বাচন যত সামনে আসছে, তার আগেই জনমনে প্রশ্ন উঠছে, শেখ হাসিনা নিজ দেশে থাকা দেশের নেতাদের সঙ্গে কি এই ধরনের অদ্ভুত দাবির জবাব দেবেন। এর মধ্যে, শেখ হাসিনা ২০২৩ সালের আগস্টে ক্ষমতা ছাড়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন এবং দিল্লিতেই রয়েছেন।

  • ভয়ঙ্কর কারাগারে নিকোলাস মাদুরো, খোঁজ মিলছে না স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের

    ভয়ঙ্কর কারাগারে নিকোলাস মাদুরো, খোঁজ মিলছে না স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের

    Venezuelan leader Nicolás Maduro has been transferred to the Metropolitan Detention Center (MDC) in Brooklyn, New York. This facility has previously housed high-profile prisoners such as Ghislaine Maxwell and PDD officials.

    On Saturday morning, Maduro was taken to a military base in the United States. From there, he was first taken to the Drug Enforcement Administration (DEA) office in New York before being transferred by helicopter to the Brooklyn detention center. He faces charges of drug trafficking and arms smuggling, although Maduro has consistently denied any involvement in drug syndicates.

    According to court sources, Maduro and his wife, Silia Flores, are expected to appear before a New York court. However, the exact date of their court appearance has not yet been announced.

    It has been reported that until their appearance in Manhattan Federal Court next week regarding the drug and arms case at MDC, Maduro will remain in this detention center. The current status or location of Maduro’s wife, Silia Flores, remains unclear, with no specific information available.

    The MDC is known as New York City’s only federal prison and has a reputation for being extremely dangerous. It has been the subject of numerous complaints about unsanitary conditions, violence, and neglect by authorities.

    A video posted by the White House Rapid Response account shows drug enforcement officers leading the Venezuelan leader through a corridor. Earlier, former US President Donald Trump stated that Maduro and his wife were forcibly taken out of their residence by US forces.

  • খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রামে অবিচল

    খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে সংগ্রামে অবিচল

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এবং ডায়াবেটিস সমিতি খুলনার আহ্বায়ক এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একনিষ্ঠভাবে সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি সময়ে দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা, জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দৃঢ় পদক্ষেপ লক্ষণীয়। রোববার বিকালে ডায়াবেটিক সমিতি খুলনার উদ্যোগে নগরীর ডায়াবেটিক সমিতির সভাকক্ষে আয়োজিত দোয়ায় তিনি এসব কথা বলেন, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

    শফিকুল আলম মনা আরও বলেছিলেন, একাধিকবার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলেও বেগম খালেদা জিয়া কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থকে প্রাধান্য দেননি। তিনি সর্বদাই রাষ্ট্রের স্বার্থ, সংবিধান ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন। স্বৈরশাসন ও একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রাম দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়েছে। তিনি সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

    তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ, সাহস ও আদর্শ আমাদের ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পথচলার জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে আমাদের একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও ন্যায্য প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, ফেরদৌস আলম, ডাঃ মোস্তফা কামাল, কে এম হুমায়ুন কবির, মুজিবুর রহমান, বদরুল আনাম খান, শফিকুল ইসলাম শফি, সজীব তালুকদার, তছলিমা খাতুন ছন্দা, মনজুর হাসান অপু, জাহাঙ্গীর আলম, কাজী সান্টু, জিয়াউর রহমান জিয়া, ডাঃ আক্তারুজ্জামান, ডাঃ এম বি জামান, ডাঃ মেহেদী হাসান, ডাঃ নাজমুল সাদাত, ডাঃ সালাউদ্দিন আহমেদ, ডাঃ জগবন্ধু দাস, ডাঃ ফাওমিদা সুলতানা, ডাঃ এফ এম মনিরুজ্জামান, ডাঃ শাবমাজ সরোয়ার, ডাঃ নাকিব উদ্দিন, ডাঃ আবিদাতুস সুমাইয়া, মোঃ নুরুজ্জামান শেখ, মোঃ আমিরুল ইসলাম, মোঃ আরিফ, রাব্বি, আপন ও আব্দুল্লাহ আল মুজাহিদসহ ডায়াবেটিক হসপিটালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

  • মঞু: মরতে হলে দেশের মাটিতে, বাঁচতে হলে দেশের মাটিতে

    মঞু: মরতে হলে দেশের মাটিতে, বাঁচতে হলে দেশের মাটিতে

    বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের অবিসংবাদিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হারিয়ে দেশের জনগণ গভীর অভুক্তিতে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি উল্লেখ করেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তখন বলেছেন, আমার দেশের বাইরে কোনো ঠিকানা নেই। মরতে হলে দেশের মাটিতে মরব, আর বাঁচতে হলে দেশের মাটিতে বাঁচব। দেশের মানুষের প্রতি অবিচল আনুগত্য এবং দেশের স্বার্থে তিনি কখনো দেশের বাইরে যাননি।

    গতকাল রোববার নগরীর মিয়াপাড়া পাইপের মোড়ে কায়েমিয়া জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পরে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন, যেখানে দেশের জন্য গৌরবজনক কৃতি ফুটবলার ও খুলনা জেলা ফুটবল দলের কোচ মোঃ দস্তগীর হোসেন নীরার নামাজে জানাজায় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল ৩১নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন, যার সভাপতিত্ব করেন জনপ্রিয় নেতা হোসেন-আল-আহসান।

    বিএনপি, অঙ্গ সংগঠন ও বিভিন্ন বিশিষ্টজনের অংশগ্রহণে এই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু, যিনি খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এছাড়াও দোয়া পরিচালনা করেন হাজী মালেক জামে মসজিদের পেশ ইমাম আজিজুল ইসলাম আইয়ুবী। অন্য এক স্মরণ সমাবেশটি হয় আলিয়া উড ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাঙ্গণে, যেখানে সভাপতিত্ব করেন শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল। সেখানে বক্তৃতা করেন মঞ্জু এবং দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল গফ্ফার।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, তারা হলেন আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, সাদিকুর রহমান সবুজ, ইকরামুল হক হেলাল, শেখ আকিরুল ইসলাম, আমির হোসেন বাচ্চু, শেখ জাহিদুল ইসলাম খোকন, শরিফুল ইসলাম বাবু, গোলাম মোস্তফা, রিয়াজুর রহমান, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, নূরুল ইসলাম লিটন, মাসুদ খান বাদল, তরিকুল আলম তুষার, আবু দাউদ খান, সাখাওয়াত হোসেন, বজলুর রহমান আবু হানিফ, নজমুল হাসান নাসিম, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, ঢালী আব্দুর রউফ, নজরুল ইসলাম ঢালী, হুমায়ূদ হোসেন, কামরুল আলম, শেখ জাকির হোসেন, আবু তালেব, সেলিম বড় মিয়া, জাহান আলী, রোকেয়া ফারুক, মামুনুর রহমান, কামরুল আলম খোকন, মিজানুর রহমান, হারুন মোল্লা, মহিউদ্দিন, শেখ মোতাহার আলী, মোঃ মোহন, মোঃ রফিক, আসলাম মোল্লা, মুশফিকুর রহমান অভি, মাসুদ রুমি, শুকুর আলী, জাহিদুল ইসলাম, ইয়াকুব পাটোয়ারী, হাসুয়ানুজ্জামান, আমির হোসেন মেহেদী, ডাঃ মহিউদ্দিন, মামুনুর রহমান রাসেল, শামীম রেজা, নাজমুল ইসলাম নজু, ছিদ্দিকুর রহমান, মতিউর রহমান, আলাউদ্দিন, মাসুম হোসেন, মান্নান গাজী, ডাঃ শেখর, আজিজুল গাজী, দোলোয়ার হোসেন, আনোয়ারা বেগম, পারভেজ আহমেদ, আশিকুর রহমান, হানিফ জাহাঙ্গীর, শামীম রেজা, আশিকুর রহমান সেলিম, কাজী আমির, বেল্লাল হোসেন, সুলতান হাওলাদার, লুৎফর রহমান, বিনা আক্তার, জাহেদা খাতুন, হেলাল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ মোড়েল, সুমন হোসেন, শফিকুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম, জমসেদ আলী, লাভলী ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, মোঃ গালিব, আইনুল ইসলাম, শামীম শেখ, এজাজ মোল্লা, সোলাইমান হাওলাদার, হোসনে আরা চান্দনী, মোঃ মফিজ, শফি ঢালী প্রমুখ।