Month: January 2026

  • বিপিএলের উপস্থাপনা প্যানেল থেকে ভারতীয় উপস্থাপিকা রিধিমা পাঠক বাদ

    বিপিএলের উপস্থাপনা প্যানেল থেকে ভারতীয় উপস্থাপিকা রিধিমা পাঠক বাদ

    চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) অনুষ্ঠানে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পরিস্থিতির বিবেচনায়, উপস্থাপনা দল থেকে ভারতের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা রিধিমা পাঠককে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবি। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এবারের বিপিএলে ভিন্ন ধরন ও নানা রঙের উপস্থাপনা ও ধারাভাষ্য আনার লক্ষ্য নিয়ে বিসিবি উদ্যোগ নিয়েছিল। এর অংশ হিসেবে পাকিস্তানের জয়নব আব্বাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন ভারতীয় উপস্থাপিকা রিধিমা পাঠক, যা ছিল নতুনত্বের একটি অংশ। এছাড়া, ধারাভাষ্য দলের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক পিসিবি প্রধান রমিজ রাজা এবং ইংল্যান্ডের সাবেক তারকা ড্যারেন গফ।

    তবে, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের মধ্যকার চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের নির্দেশে আইপিএলের কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে সরিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটায়। এর ফলে ভারত ও বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নানা আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই পরিস্থিতি বিপিএলের উপস্থাপনা ও ধারাভাষ্য দলের পরিবর্তনের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • আইসিসির কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা, ভারতের মাটিতে খেলার দাবি ভিত্তিহীন

    আইসিসির কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক বার্তা, ভারতের মাটিতে খেলার দাবি ভিত্তিহীন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রকাশিত শঙ্কার কথা উল্লেখ করে, বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণের ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতে পারে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে নিশ্চিত করেছে বিসিবি।

    আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে বিসিবির পক্ষ থেকে একটি رسمی বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, আইসিসি বাংলাদেশ দলের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণের ব্যাপারে পূর্ণ আশ্বাস দিয়েছে। তারা নিশ্চিত করেছে, টুর্নামেন্টের নিরাপত্তা পরিকল্পনার ধারাবাহিক অঙ্গ হিসেবে বাংলাদেশের উদ্বেগ-উদ্দেশ্যগুলো বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সমাধানে কাজ চালিয়ে যাবে। বিসিবি আরও জানিয়েছে, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল আইসিসি দেশের প্রতি চূড়ান্ত সতর্কবার্তা বা আলটিমেটাম দিয়েছে। তবে এসব সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং আইসিসির সঙ্গে বিসিবির যোগাযোগের প্রকৃতি বা বিষয়বস্তুর সঙ্গে কোনওই মিল নেই।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বিসিবি আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট ইভেন্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে গঠনমূলক, সহযোগিতামূলক ও পেশাদার সম্পর্ক বজায় রেখে আলোচনা চালিয়ে যাবে। এ লক্ষ্য হলো একটি বাস্তবসম্মত, সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো যাতে বাংলাদেশের দলের অংশগ্রহণ নির্বিঘ্ন ও সফল হয়।

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সার্বিক কল্যাণকে সবসময় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গতকাল (মঙ্গলবার) বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে ভার্চুয়াল বৈঠক নিয়ে একজন ভারতীয় ক্রিকেট খবরের ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তারা দাবি করে, নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ ভারতে না খেলার জন্য বাংলাদেশ বোর্ডকে জানিয়েছে। তাদের কথায়, বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ভারতে না গেলে পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। তবে বিসিবি এই খবরকে সম্পূর্ণ মান deny করে, বলেছে, তাদের ও আইসিসির মধ্যে আলোচনা সুসম্পর্কের ভিত্তিতে চলছে এবং এসব দায়ের কোনও ভিত্তি নেই।

  • আইপিএলে বাদ, পাকিস্তান থেকে সুখবর পেলেন মুস্তাফিজ

    আইপিএলে বাদ, পাকিস্তান থেকে সুখবর পেলেন মুস্তাফিজ

    এবারের আইপিএলে খেলা হচ্ছে না বাংলার তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের। ভারতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তাকে এই জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি লিগে খেলার থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিসিসিআই ভারতের দল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে নির্দেশ দিলে, কেকেআরও সেই নির্দেশ মান্য করেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই যখন ক্রিকেটপ্রেমীরা মুস্তাফিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে 궁দ্ধ হচ্ছেন, তখন তিনি পاتے পারেন এক সুখবর।

    আইপিএলে অবশেষে খেলা থেকে বাদ পড়লেও, তিনি সুযোগটি হাতছাড়া করেননি। পাকিস্তানের প্রিমিয়ার সার্কুলার লিগ পিএসএলে তিনি নাম লেখিয়েছেন। পাকিস্তানের এই জনপ্রিয় লীগে অংশ নেওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে।

    সেখানে পোস্ট করা হয়েছে, ‘ব্যাটসম্যানদের সাবধানে খেলতে হবে… মোস্তাফিজুর রহমান যোগ দিয়েছেন পিএসএল ১১-এ।’ উল্লেখ্য, পাকিস্তানের এই লীগ আগামী বছর ২৬ মার্চ শুরু হবে এবং ৩ মে এর মধ্যেই শেষ হবে।

    মুস্তাফিজ এর আগে ২০১৮ সালে প্রথমবার পিএসএল খেলেছিলেন। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে তিনি ৫ ম্যাচে মোট ৪ উইকেট তুলেছিলেন। দীর্ঘ সাত বছর পর এবার তিনি আবার এই লিগে খেলতে যাচ্ছেন।

    তবে এখনো নিশ্চিত নয়, পিএসএল কোন দলের হয়ে খেলবেন মওস্তাফিজ। প্লেয়ার ড্রাফটের মাধ্যমে তাকে কোন দল পাবে, সেটাই পরিষ্কার হয়নি। এইবার পিএসএলে প্রথমবারের মত থাকছে আটটি দল, এবং এটি হবে টুর্নামেন্টের ১১তম ও সবচেয়ে বড় আসর।

  • ভেনেজুয়েলার পর ট্রাম্পের নজরে ইরান ও কিউবা: পাঁচ দেশের রাজনীতি ও চ্যালেঞ্জ

    ভেনেজুয়েলার পর ট্রাম্পের নজরে ইরান ও কিউবা: পাঁচ দেশের রাজনীতি ও চ্যালেঞ্জ

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য তার পররাষ্ট্রনীতির নতুন উচ্চাকাঙ্ক্ষার গল্প আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এক নাটকীয় রাতের অভিযানে কারাকাসের শক্তিশালী ও সুরক্ষিত প্রেসিডেন্ট ভবন থেকে প্রেসিডেন্ট Nicolás Maduro ও তাঁর স্ত্রীর गिरफ्तारी ঘটিয়ে তিনি ভেনেজুয়েলাকে নিয়ন্ত্রণের হুমকি দিয়েছেন। এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ট্রাম্প ১৮২৩ সালে মার্কিন প্রশাসনের মনরো ডকট্রিনের আভাস তুলে ধরেছেন, যা লাজুকভাবে পূর্বে বিদেশি শক্তিগুলোর ব্যাপারে মার্কিন হস্তক্ষেপের নীতিকে নির্দেশ করে। ট্রাম্প এই নীতিটিকে তিনি নতুন করে নাম দিয়েছেন ‘ডনরো ডকট্রিন’, যা দক্ষিণ আমেরিকার নতুন করে রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ডে নজরদারির নির্দেশ দেয়।

    গত কয়েক দিনের মধ্যে ওয়াশিংটনের প্রভাবশালী দিকনির্দেশনা অন্যান্য দেশেও ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। যেমন, ডেনমার্কের গ্রিনল্যান্ডে রয়েছে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি পিটুফিক স্পেস বেস, যা ট্রাম্পের জন্য বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলছেন, পুরো দ্বীপটি তাঁরা দখল করতে চান, কারণ তা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, এই অঞ্চলটি ‘রুশ ও চীনা জাহাজে ভরে গেছে’ বলে তিনি মনে করেন।

    ডেনমার্কের এই আর্কটিক দ্বীপটি বিরল খনিজে সমৃদ্ধ, যা আধুনিক প্রযুক্তির জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে চীন এই খনিজ উৎপাদনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে গেছে। গ্রিনল্যান্ডের বহুস্তরীয় ভূখণ্ড উত্তর আটলান্টিকের গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান দখল করে আছে এবং আর্কটিক সার্কেলে প্রবেশের দ্বার খুলছে। তবে ডেনমার्कের প্রধানমন্ত্রী জেন্স ফ্রেডরিক নিলসেন এই প্রস্তাবকে ‘কল্পনা’ বলে অভিহিত করে বলেছেন, আলোচনায় তারা উন্মুক্ত, তবে আন্তর্জাতিক আইনের সম্মান রাখতে হবে। ফ্রেডরিকসেন আরও সতর্ক করে দিয়েছেন, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্য কেউ ন্যাটো দেশকে আক্রমণ করে, তবে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠবে।

    অপরদিকে, ভেনেজুয়েলার প্রতিবেশী কলম্বিয়া বিশাল তেল ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ। সেখানে ট্রাম্পের নির্দেশে চলমান আরও কঠোর মনোভাব ও আলোচনায় থাকা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। বেশ কয়েক বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলে মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে সোচ্চার এবং কোকেনের কার্টেলগুলোর সঙ্গে লড়াই চালাচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই কলম্বিয়াকে সবসময় গুরুত্বপূর্ণ দেহাবরণ করেছে।

    ইরান বর্তমানে ব্যাপক সরকার বিরোধী বিক্ষোভের সম্মুখীন, যেখানে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন, আরও যেন বিক্ষোভে হতাহতের ঘটনা না ঘটে। তিনি বলেছেন, আমরা খুবই নজরদারি করে রয়েছি, আর যদি তারা অতীতের মতো মানুষ হত্যা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কঠোরভাবে আঘাত করবে। এই পরিস্থিতি ‘ডনরো ডকট্রিনের’ বাইরে নয়, তবে গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের পরমাণু স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার পরে আরও কঠোর পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। এই হামলা হয় ইসরায়েলে চালানো এক বৃহৎ অভিযানের অংশ, যার লক্ষ্য ছিল ইরানের পরমাণু অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা ধ্বংস।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে মার-এ-লাগোতে বসে ইরানের জন্য বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যেখানে ইরানকে ভবিষ্যতের হামলার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    অবশেষে, মেক্সিকো সম্পর্কেও ট্রাম্পের মনোভাব সুস্পষ্ট। ২০১৬ সালে তার মূল স্লোগান ছিল-মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ। তার দখলে থাকাকালীন সময়ে তিনি এই বিষয়টিকে অগ্রাধিকার হিসেবে দেখিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, মেক্সিকো থেকে মাদক ও অবৈধ আমদানি ঠেকানোর জন্য খুবই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। এই বিষয়ে তারা খুব শক্তিশালী কার্টেল দ্বারা পরিচালিত, যা মোকাবেলা অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু অন্যদিকে, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শেইনবাম ব্যাপক বিরোধিতা জানিয়েছেন।

    সবশেষে, কিউবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ দিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। ১৯৬০-এর দশকের শুরু থেকে এই দ্বীপ রাষ্ট্রটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে, এবং এখন ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, পরিস্থিতি যদি পতনের মুখে আসে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়বে না। তিনি বলছেন, কিউবা এখন পতনের দোরগোড়ায়। তার বক্তব্য অনুযায়ী, তারা ভেনেজুয়েলার সঙ্গে প্রত্যক্ষ অর্থনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে চলেছে, যা এখন বিপদজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওও ঢের দিন ধরে আশা প্রকাশ করেছেন যে, শাসন পরিবর্তন হয়ে কিউবায় নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা এই অঞ্চলের জন্য শুভ হবে।

  • যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ যুক্ত হয়েছে

    যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ যুক্ত হয়েছে

    সংযুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা বন্ড তালিকায় এবার বাংলাদেশের নাম যুক্ত হয়েছে, যা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা গ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে, বাংলাদেশি প্রার্থীরা যারা যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পেতে চান, তাদের অতিরিক্তভাবে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত জমা দিতে হতে পারে।

    ১৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এই তালিকা হালনাগাদ করেছে, যেখানে মোট ৩৮ টি দেশের নাম উল্লিখিত রয়েছে। বাংলাদেশ তাদের মধ্যে অন্যতম। এই নীতি যত দ্রুত কার্যকর হবে, তা আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    নিয়ম অনুযায়ী, এই ৩৮ দেশের নাগরিক যারা ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের কাছ থেকে ভিসা পেতে হলে ৫ হাজার থেকে শুরু করে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে হবে। এই পরিমাণ নির্ধারণ করবেন ভিসা অফিসের কনস্যুলার কর্মকর্তারা, আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি এবং ইন্টারভিউ ভিত্তি করে।

    ভিসা বন্ডের অর্থের ব্যবহার মার্কিন সরকারের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ‘Pay.gov’ এর মাধ্যমে হয়। তবে, কেউ অগোচরে বা অনির্ধারিতভাবে অর্থ জমা দিতে পারবেন না, কারণ কনস্যুলার অফিসার পূর্বেই এই নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই ‘ভিসা বন্ড পাইলট’ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো, যারা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে থাকেন বা ওভারস্টে করেন, তাদের নিরুৎসাহিত করা। এই তালিকায় থাকা দেশগুলোর নাগরিকেরা সাধারণত বেশি হারে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসেন না, সেই পরিস্থিতিকে সামাল দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জামানতের টাকা একদমই কেটেই রাখা হয় না, বরং এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। যদি ভ্রমণকারী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা তার আগে যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যান, বা ভিসা বাতিল হয়ে যায়, বা তাদের অনুত্তীর্ণ সময়ের জন্য অপরাধপ্রবণ বা স্ট্যাটাস পরিবর্তনের জন্য অনুমতি নিয়ে থাকেন, তবেই এই অর্থ ফেরত পাবেন।

    তবে, যদি কেউ নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করেন বা এই দেশীয় নীতির ব্যতিক্রম করেন, তবে জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে।

    অন্তত তিনটি বিমানবন্দর নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে— বোস্টন লোগান, জ্যুই এফ কেনেডি ও ওয়াশিংটন ডুলস— যেখান থেকে বাংলাদেশি মারফত বা এই জামানত দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। অন্য কোথাও প্রবেশ বা বহির্ঘটন যদি ঘটে, তাহলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে।

    এছাড়াও, তালিকায় থাকা অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, এবং নেপাল। এই নতুন নিয়মগুলো কার্যকর হবে নির্দিষ্ট তারিখ থেকে, দেশের ভিত্তিতে আলাদা।

    প্রাতিষ্ঠানিক দৃষ্টিতে, ভিসা বন্ড হলো এক ধরনের আর্থিক নিশ্চয়তা, যা কিছু দেশ মুক্তিযুদ্ধের জন্য নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের জন্য আবশ্যক করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে, এই ব্যবস্থা ভিসার মেয়াদ শেষ না হওয়া অবৈধ অবস্থান প্রতিরোধে এবং ভিসা নিয়ম মোতাবেক চলার জন্য উদ্দশ্যপ্রসূত।

    অতীতে বিভিন্ন দেশ এই ধরনের ব্যবস্থা চালু করলেও, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা কার্যকর হয়নি বা বাতিল হয়ে গেছে। যেমন, নিউজিল্যান্ড একসময় এই পদ্ধতি চালু করেছিল, তবে তা পরে বিকল্প হয়নি। ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্য কিছু দেশের জন্য এই ব্যবস্থা চালু করলেও পরে তা স্থগিত করে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্যও বেশ কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যা ভিসা প্রক্রিয়াকে আরও জটিল ও ব্যয়বহুল করে তুলবে।

  • মা ও দাদিকে কুপিয়ে হত্যা, পুলিশ গুলিতে নিহত ছেলে

    মা ও দাদিকে কুপিয়ে হত্যা, পুলিশ গুলিতে নিহত ছেলে

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির পিসকাটাওয়ে টাউশিপে একটি ভয়াবহ পারিবারিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক যুবক ধারালো ছুরি দিয়ে তার মা ও দাদা–দাদিকে গুরুতরভাবে আহত করে হত্যা করেন। পরে পুলিশের সামনেই সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

    ঘটনা ঘটে সোমবার বিকেলে, স্থানীয় সময় সাড়ে ৫টার দিকে, পিসকাটাওয়ের রিভার রোড এলাকায় একটি বাড়িতে। জরুরি কল পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন, ওই যুবকের মা, দাদা ও দাদী।

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত যুবক তখনও একটি ধারালো ছুরি হাতে রেখেছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য পুলিশ প্রথমে তাকে অস্ত্র ফেলে দেওয়ার জন্য বলা হয় এবং টেজার (স্টান গান) ব্যবহার করে। কিন্তু সে নির্দেশ মানতে অস্বীকার করলে পুলিশের গুলির মুখে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    পিসকাটাওয়ে টাউনশিপের মেয়র ব্রায়ান ওয়াহলার বলেন, ‘এটি এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডি। একজন স্বামী আজ তার স্ত্রী ও বাবা-মাকে হারালেন, আর সেই সঙ্গে নিজের ছেলেকেও।’

    একজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, তিনি পুলিশকে গুলির শব্দ শুনেছেন। পুলিশ তাকে থামাতে বলছিল, অস্ত্র ছেড়ে দিতে বলছিল। পরিস্থিতিটি দ্রুতই খুব ভয়ংকর হয়ে ওঠে। তারা টেজারও ব্যবহার করেছিল। তিনি মনে করেন, পুলিশের পক্ষ থেকে সম্ভবত পরিস্থিতি শান্ত করতে যথাসাধ্য চেষ্টা চালানো হয়েছে।

    এদিকে, নিউ জার্সি স্টেট পুলিশ বেনেভোলেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এই ঘটনার বর্ণনা করা হয় ‘ভয়ংকর অপরাধ’ হিসেবে। সংগঠনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

    নিউ জার্সি অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় এই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। শেষ রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। এই মর্মান্তিক ঘটনায় पूरे পিসকাটাওয়ে এলাকায় শোকের ছড়াছড়ি এবং আতঙ্কের অবস্থা তৈরি হয়েছে।

  • ইউরোপে প্রবল তুষারঝড়ে ৬ জনের মৃত্যু, শত শত ফ্লাইট বাতিল

    ইউরোপে প্রবল তুষারঝড়ে ৬ জনের মৃত্যু, শত শত ফ্লাইট বাতিল

    বিস্তৃত ও ভারী তুষারপাতের কারণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শনিবারের মধ্যে কমপক্ষে ছয়জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ফলে হিমঘরময়Currencies গোঁড়ানো বাতাসের কারণে শত শত ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    নিহতদের মধ্যে পাঁচজনই ফ্রান্সের, আর একজন দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলের দেশের বসনিয়া অ্যান্ড হার্জিগোভিনার রাজধানী সারায়েভো থেকে। ফ্রান্সে নিহতরা মূলত দূর্ঘটনার শিকার হয়েছেন সড়কের ওপর জমে থাকা বরফের কারণে, যার ফলে গাড়ির চাকা পিছলে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে সারায়েভোতে একজনের মৃত্যুর কারণ গাছের উপড়ে পড়া।

    বলকান অঞ্চলের দেশগুলোতে তুষারপাতের পাশাপাশি ভারী বর্ষণও হচ্ছে। ফ্রান্সের কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবহনমন্ত্রী ফিলিপ তাবারোত গতকাল বলেন, আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে তুষারপাত। তিনি নাগরিকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার এবং ঘরে থেকে কাজ করার অনুরোধ জানান। আবহাওয়া দপ্তর ফ্রান্সের মোট ৯৬ জেলায় থেকে ৩৮টিতে তুষার সৃষ্ট সতর্কতা জারি করেছে।

    ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের প্রধান বিমানবন্দর রোইসি-চার্লস ডি গাউল্লে তুষারঝড়ের কারণে গতকাল মঙ্গলবার প্রায় ৪০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল করেছে। একই কারণে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম শিফোল বিমানবন্দরে বাতিল হয়েছে পাঁচশর বেশি ফ্লাইট।

    এই বাতিলের ফলে বহু যাত্রী ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন। স্পেনের নাগরিক জাভিয়ের সেপুলভেদা, যিনি আমস্টারডাম থেকে নরওয়ে যাওয়ার জন্য শিফোল বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন, তিনি বলেন, এ পরিস্থিতির কারণে বিমানবন্দরটি কোলাহলপূর্ণ, হতাশাজনক এবং বিরক্তিকর পরিবেশে রূপ নিয়েছে।

    এসব পরিস্থিতির কারণে হাজার হাজার যাত্রীর ভ্রমণে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে, এবং পরিস্থিতি আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

  • ইসরাইলের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    ইসরাইলের গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    ইরান ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। চলমান বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে বুধবার (৭ জানুয়ারি) ইরানের বিচার বিভাগ গণমাধ্যমের বরাতে এ বলা হয়। সংগঠনের সূত্রে জানানো হয়, দেশের সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে মোসাদের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধে এক ব্যক্তির প্রতি সর্বোচ্চ আদালতের অনুমোদন এবং আইনি প্রক্রিয়ায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা ইরান-ইসরাইল দ্বন্দ্বে এক নতুন অধ্যায় যোগ হলো। সম্প্রতি এ ধরনের বেশ কয়েকজন নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, বিশেষ করে চলতি বছরের মধ্যে সংখ্যাটা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জুন মাসে যখন ইসরাইলি ও মার্কিন বাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়, তখন দ্বিপাক্ষিক উত্তেজনাও দ্বিগুণ বেড়ে যায়। এর ফলে এই ধরনের ফাঁসির ঘটনাও চোখে পড়ে। অন্যদিকে, অর্থনৈতিক সংকট এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ে জনগণের প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে ২৭টি প্রদেশে এবং ৯২টি শহরে। গত দশ দিনে চলে আসা এই বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত ৩৬ জন নিহত হয়েছে এবং দুই হাজারের বেশি মানুষ গ্রেফতার করা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইরান নতুন এক প্রতিরক্ষা কাউন্সিল গঠন করে সতর্ক করেছে, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের হুমকি দেখা দিলে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। ইরানের অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়েছে, মুদ্রার মান ইতিহাসের最低 স্তরে পৌঁছেছে। বহুদূর পৌঁছেছে দেশের অস্থিরতা। টানা দশ দিনের বিক্ষোভ এখনো চলছে, তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে দোকানদাররা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান দিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে চেষ্টা করছে। বিক্ষোভের কেন্দ্রস্থল তেহরান থেকে এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এই আন্দোলনে এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হচ্ছে, যার মধ্যে দেড়জন নিরাপত্তা বাহিনী সদস্য। দুই হাজারের বেশি ব্যক্তি গ্রেফতার হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিল জানিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতা লালন করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং হুমকি হলে তার মোকাবিলা কঠোরভাবে করা হবে। সরকারি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অবহেলা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন, যারা দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ ও সহিংসতা উস্কে দিচ্ছে বলে তারা দাবি করছেন। পাশাপাশি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, যদি ইরান আবারো বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সুত্রপাতের জন্য কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানো হবে। এই পরিস্থিতিতে, ইরানের মুদ্রা রিয়াল ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক বাজারে ডলারের বিপরীতে রিয়াল প্রায় ১৫ লাখ রিয়াল, ইউরো প্রায় ১৭ লাখ রিয়াল এবং পাউন্ড প্রায় দুই কোটি রিয়াল দরে বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি, সরকারি ভর্তুকি পরিস্থির পরিবর্তনে খাদ্য পণ্যের দামও দ্রুত বেড়ে গেছে, যেমন রান্নার তেল, চিজ ও মুরগির দাম দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে। সাধারণ মানুষ এখন চিকিৎসাজনিত ও জীবনমানের খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সার্বিকভাবে, দেশজুড়ে অস্থিরতা বাড়ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারের নানা পাল্টা পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করছে জনগণ।

  • আগামীতে দেশকে শাসনক্ষমতায় দেখতে চাই ক্লিন মানুষ

    আগামীতে দেশকে শাসনক্ষমতায় দেখতে চাই ক্লিন মানুষ

    জামায়াতের মহানগর আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, ভবিষ্যতে যেন কালো টাকা এবং পেশীশক্তি আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিতে না পারে। তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, সবাইকে সচেতন ও শক্তিশালী হতে হবে এবং বলতে হবে, আমরা সাধারণ মানুষ, আমরা বিক্রি হয়ে যাব না টাকা-তাহিরের প্রতি। আমরা কলুষিত সম্পদশালী ও কালো টাকার মালিকদের অশ্রদ্ধা করে থাকবো। আমরা চাই একটি সুপবিত্ৰ, সুন্দর ও শুদ্ধ মানুষ দ্বারা গঠিত দেশ, যেখানে সত্যি সৎ মানুষরা দেশের শাসনক্ষমতায় আসবে।

    গতকাল মঙ্গলবার খুলনা-3 আসনের খালিশপুর থানার 7নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে কাশিপুর, বিআইডিসি রোড, বায়তিপাড়া মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংবাদ সম্মেলন ও জনসংযোগের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগর সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, 7নং ওয়ার্ডের আমীর আলমগীর হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান, বিএল কলেজের সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর কবির, সাবেক ছাত্রনেতা মুনসুর আলম চৌধুরী, ফিরোজ আহমেদ, বিপ্লব হোসেন, মো: সাইদুর রহমান, স্থানীয় জামায়াত নেতা মামুন কাজল, ডাঃ মনির হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিয়ার রহমান, বাবুল হোসেন, নূর আলম, আব্দুল মালেক, বেলাল হোসেন, মো: সোহেল, মো: নান্নু, আল-আমিন, নজরুল ইসলাম, ফিরোজ শেখ, শ্রমিক নেতা মুজাহিদুল ইসলাম বিপ্লব, যুবনেতা আব্দুল্লাহ আল-মামুন, মো: ইমরান হাসান, সাগর, তানভীর আহমেদ, মো: সুমন শেখ, ছাত্রশিবির নেতা ইয়াসিন আরাফাত, শাফায়াত হোসেন, নাজমুল কবির ও হাসান আাল-সাদিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • মাদক ও অস্ত্রের তথ্য দিতে নিজের পরিচয় দরকার নেই

    মাদক ও অস্ত্রের তথ্য দিতে নিজের পরিচয় দরকার নেই

    খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহের জন্য আপনাকে নিজের পরিচয় দিতে হবে না। নির্ভীক ও নিশ্চিন্তে আপনি এ ধরণের তথ্য শেয়ার করতে পারবেন। তিনি বলেন, আপনার জন্য আমার অফিস সব সময় খোলে এবং প্রয়োজন হলে যে কোন সময় চলে আসুন। মঙ্গলবার সকালে ডুমুরিয়া থানার পুলিশ আয়োজিত এক সূচনামূলক সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বহুমাত্রিক এই সভায় সাধারণ মানুষ তাদের দৈনন্দিন জীবনজুড়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা পুলিশ সুপারের কাছে তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার আশ্বাস দেন, সকল সমস্যা সমাধানের জন্য তিনি আশাবাদী এবং মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় সবাই যেন সহযোগিতা করে। সভার শেষ পর্যায়ে পুলিশ সুপার থানার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এস, এম, আল-বারুনী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মোঃ খাইরুল আনাম (বিপিএম-সেবা), ডুমুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কামাল হোসেনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সুধী সমাজের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।