Month: January 2026

  • বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ৫ দফা দাবি

    বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ৫ দফা দাবি

    রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। গত বছরের ২১ জুলাই ওই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় বহু প্রাণহানি ঘটে, যা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে একটি কালো দিন হিসেবে চিহ্নিত। এর পর থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের অঙ্গীকার ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করে আসছে।

    সেপ্টেম্বর ৮ জানুয়ারি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবিগুলো জানান। তারা অভিযোগ করেন, দুর্ঘটনার জন্য মূলত পাইলটের উড্ডয়নের ত্রুটি, বিমানবাহিনীর রক্ষণাবেক্ষণে অবহেলা এবং স্কুল ভবনের নির্মাণে অনিয়ম দায়ী। তারা উল্লেখ করেন, তদন্ত রিপোর্টে উল্লেখ করা পাইলটের ওপরে দায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। পাশাপাশি, অবসরে থাকা বিমানবাহিনী প্রধানের তিন হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

    তাদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে: প্রথমত, দুর্ঘটনার জন্য দায়ীর কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা; দ্বিতীয়ত, প্রভাবিত পরিবারগুলোর জন্য পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ; তৃতীয়ত, নিহত ও আহত ব্যক্তিদের ‘শহীদী মর্যাদা’ ও সনদ প্রদান; চতুর্থত, ২১ জুলাইকে ‘জাতীয় শিক্ষা শোক দিবস’ হিসেবে ঘোষণা এবং উত্তরায় একটি আধুনিক মসজিদ ও শিশুদের কবরের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা; পঞ্চমত, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক ও মানসিক সহায়তার ব্যবস্থা করা।

    সংবাদ সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা বলেন, ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বিমানবাহিনীর বাজেটে দুর্নীতি না থাকলে অভ্যন্তরীণ রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিক প্রশিক্ষণ সম্ভব হতো। তাদের দাবির পক্ষে, দুর্নীতির কারণেই ৩৬ জন জীবন হারিয়েছেন এবং ১৭২ জন আহত হয়েছে। তারা বিমান নির্মাণের অনিয়মের কারণেও হতাহতের সংখ্যা বাড়ার জন্য দায়ী করেন। উপস্থিত পরিবারগুলো কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং জানান, দুর্ঘটনার দিন দুপুর ১:১২ মিনিটে বিমানটি‌ বাতাসে আছড়ে পড়লে শিশুরা, শিক্ষক ও অভিভাবকেরা দগ্ধ ও বিভক্ত মরদেহ উদ্ধার হয়। এ ধরনের ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ইতিহাসে বিরল।

    অভিযোগ করা হয় যে, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব ১১ ডিসেম্বর ফায়ার সার্ভিসে ঘোষণা দিয়েও তাদের ক্ষতিপূরণ ছাড়া ন্যায্য বিচার পাননি পরিবারের সদস্যরা। তারা আরও জানান, বিভিন্ন আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও এখনও ন্যায্য দাবিগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। তারা দাবি করেন, সরকারের দ্রুত ও নিষ্ঠার সঙ্গে ন্যায্য বিচার ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা যেন দ্রুত গ্রহণ করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বলেন, ক্ষতিপূরণ ও ন্যায্যতা তাদের জীবনের সর্বোচ্চ চাওয়া। তাদের এই দাবিগুলো মান্যতা পেলে অন্তত কিছু শান্তি ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • জিয়াউল আহসান হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারিত ১৪ জানুয়ারি

    জিয়াউল আহসান হত্যা মামলায় অভিযোগ গঠনের তারিখ নির্ধারিত ১৪ জানুয়ারি

    শতাধিক গুম, খুন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে আগামী ১৪ জানুয়ারি (বুধবার) দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ সিদ্ধান্ত নেন।

    আদালত কক্ষে জিয়াউলের পক্ষ থেকে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী এবং তার বোন আইনজীবী নাজনীন নাহার উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রসিকিউশন দপ্তর উপস্থাপিত তিনটি অভিযোগের বিরোধিতা করে অব্যাহতির আবেদন করেন। পাশাপাশি তারা দাবি করেন যে, তদন্ত কর্মকর্তা কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এ সময় জবানবন্দি দেওয়া দুজন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করেন এবং অভিযোগ গঠন করার জন্য আনুষ্ঠানিক প্রার্থীতা চালিয়ে যেতে চান। এরপরই বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা ১৪ জানুয়ারির দিন নির্ধারণ করেন।

    ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি শেষে প্রসিকিউশন অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি সম্পন্ন করেন। অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরের জিয়াউল আহসানের উপস্থিতিতে তৎকালীন সময়ে নানা অপরাধের জন্য তিনজনকে হত্যা করা হয়।

    আরেকটি অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী খাল ও বলেশ্বর নদীর মোহনা ঘেঁষা এলাকায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা করা হয়। এছাড়া একই সময়ে বাগেরহাটের শরণখোলাসহ বিভিন্ন বনাঞ্চলে বনদস্যু দমন নামে আরও ৫০ জনের প্রাণ নেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

    এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে গত ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ মঞ্জুর করে, একইসঙ্গে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

  • দিপু হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগে ইয়াছিন ঢাকায় গ্রেফতার

    দিপু হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেয়ার অভিযোগে ইয়াছিন ঢাকায় গ্রেফতার

    ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাক কারখানা শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে এবং আগুন দিয়ে হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে থাকতেন ইয়াছিন আরাফাত। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল, এবং অবশেষে পুলিশ তাকে রাজধানীর ডেমরা থানার সারুলিয়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে।

    গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে জেলা পুলিশ একটি প্রেস বিবৃতিতে এর সত্যতা নিশ্চিত করে।

    ইয়াছিন আরাফাত ভালুকা থানার দক্ষিণ হবিরবাড়ি (কড়ইতলা মোড়) এলাকার গাজী মিয়ার ছেলে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনি ১২ দিন দেশের বিভিন্ন মাদ্রাসায় আত্মগোপন করেন। তদন্তে জানা গেছে, হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    ১৮ ডিসেম্বর তিনি পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির গেটের সামনে স্লোগান দিয়ে জনসমাগমের আয়োজন করেছিলেন। এই উত্তেজিত জনতাকে উসকানি দিয়ে দীপুকে নির্মমভাবে মারধর ও তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন তিনি। হত্যার পর, তার দেহটি রশি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে মরদেহ পোড়ানোর জন্য নেতৃত্ব দেন ইয়াছিন।

    পুলিশের কাছ থেকে জানা গেছে, ইয়াছিন আরাফাত এখনও ভালুকার স্থায়ী বাসিন্দা। তবে,গত ১৮ মাস থেকে তিনি উপজেলার কাশর এলাকার শেখবাড়ি মসজিদে ইমামতি এবং মদিনা তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করছেন। হত্যাকাণ্ডের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পলাতক থাকা এই সময়ের মধ্যে ঢাকার ডেমরা অঞ্চলের বিভিন্ন মাদ্রাসায় অবস্থান নেন এবং নিজেকে পরিচয় গোপন করতে ‘সুফফা মাদ্রাসা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করে শিক্ষকতা শুরু করেন।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    অন্তর্জাতিক ওমরাহ হজ পালন করার জন্য সৌদি আরবে অবস্থান করছেন জনপ্রিয় টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি পরিচিত প্রিন্স মামুন নামে। তবে দেশের মাটিতে ফেরার অপেক্ষায় থাকা তার জন্য দুঃসংবাদ থাকলেন। লায়লা আখতার ফরহাদ নামে এক নারীর উপর বাসায় হামলা ও মারধরের অভিযোগে মামুনের জামিন বাতিল করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। এই আদেশ দেন ঢাকা মহানগর অতিরিক্ত চিফ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ, বৃহস্পতিবার।

    শুনানির দিন ছিল বৃহস্পতিবার যেখানে মামলা শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে, ওমরাহ পালনের কারণে মামুন আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম সময়ের আবেদন করলেও বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ আদালতে হাজির হয়ে মামুনের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করেন। বাদীর আইনজীবী সরকার সাব্বির হোসেন (ফয়সাল) জানান, প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে অন্য একটি আদালতে ধর্ষণ মামলাও বিচারাধীন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, তিনি প্রকাশ করেন, মামুনের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে—তাকে একটি মামলার জন্য প্রত্যাখ্যাত করে বাসায় গিয়ে ছুরি দিয়ে আঘাত করার, যা তদন্তে প্রমাণিত।

    অ্যাডালত সিদ্ধান্তে, মামুনের জামিন বাতিল করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এছাড়া, মামলার অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৫ মার্চ।

    প্রিন্স মামুনের সঙ্গে লায়লার পরিচয় মনোযোগ আকর্ষণ করে। পূর্বের ঝগড়া ও অভিযোগের সূত্রে, গত ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার সময় লায়লার ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস-এর বাসায় গেলে মামুন তাকে মারধর ও হুমকি দেয়। লায়লার অস্বীকৃতি জানানোয়ার পর, মামুন লাইভে এসে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ করেন। এরপরই মারধর করেন, এমনকি ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করলে, লায়লা হাত দিয়ে রক্ষা করতে গেলে তিনি আহত হন। এ ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন লায়লা। পুলিশের তদন্ত শেষে, ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    বর্ষবরণের রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে ওই ঘটনার মধ্যে পড়ে যান তারা। এই ঘটনা শুধু তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্যই নয়, বরং ভারতের শিল্পী এবং দর্শকদের মধ্যে নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলার উদ্বেগও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বালুরঘাটে একটি জমকালো কনসার্টে অংশ নেওয়ার পর, নতুন বছর উদযাপনের জন্য তারা যখন বাড়ি ফিরছিলেন, তখন এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, তাদের গাড়িকে শত শত জনতা ঘেরাও করে রেখেছে। জনতার উত্তেজনা এতটাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে যে, তারা চলন্ত গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। মুহূর্তে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায় এবং ভেতর থেকে সাচেত ‘ওহ শিট’ বলে চিৎকার করেন। পাশের একজন শিল্পী, পরম্পরা, আতঙ্কিত হয়ে জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, বলে: “গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।” তবে জনতা তাদের গাড়ি থেকে পালাতে পারেনি।

    অ্যাকসিডেন্টের পরে শিল্পীরা এই ঘটনায় কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতি দেননি। তবে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভিডিও শেয়ার করে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে এই ঘটনার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

    এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে। কেউ বলছেন, ভারতের অন্যতম অর্থপূর্ণ সাংস্কৃতিক উৎসবের পরে এমন ঘটনা খুবই ভয়ঙ্কর। অনেকেই মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গের মতো প্রদেশে বলিউডের তারকাদের ওপর এমন হামলা দেশের আভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা ও সুরক্ষার জন্য একটি বড় সংকেত। বিশেষ করে, সম্প্রতি কৈলাস খেরের কনসার্টেও একই ধরনের উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মাঝপথেই মঞ্চ থেকে উঠে যান শিল্পী।

    অভিযোগ বা প্রতিক্রিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না হলেও, এই ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক পরিবেশে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তেও এই এক ধরনের ‘মব কালচার’ বা উন্মত্ত জনতার আক্রমণ চোখে পড়ছে, যা অবশ্যই দ্রুত সমাধান করতে হবে।

  • প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    প্রখ্যাত নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। তিনি ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    চলচ্চিত্র পরিচালক ও আশেপাশের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে তার সঙ্গে এক ফোন আলাপে কথা হয়েছিল। আজ দুপুরে খবর আসে, তিনি আর জীবিত নেই।

    কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিছু মাস আগে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়াজনিত সমস্যায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যেখানে তিনি দীর্ঘ চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ফিরেছিলেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ক্যারিয়ারে তিনি মহান চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে একজন; সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলের জনক, যাদের সবাই প্রবাসে থাকেন। তার অকাল মৃত্যুতে চলচ্চিত্র সংসার গভীর শোকাহত।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছর উপলক্ষে বলিউডের জনপ্রিয় নির্মাতা করণ জোহর আবারও দর্শকদের জন্য আকর্ষণীয় ঘোষণা নিয়ে হাজির হচ্ছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তিনি একে একে একটি পারিবারিক ছবি বানানোর পরিকল্পনা করছেন, যা পুরোপুরি একটিহু বোঝাবে আবেগে ভরা পরিবারের গল্প। তবে কেউ মনে করেননি যে, এই সিনেমার মধ্যে থাকবে তার অসাধারণ হিট সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল।

    পিঙ্কভিলা সূত্রের খবর অনুযায়ী, করণ জোহর তার এর আগে ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’ এর মতো রোমান্টিক কমেডি তৈরি করার পর এখন একটি পারিবারিক ড্রামা নিয়ে নতুন কিছু করার পরিকল্পনা করছেন। এটি নির্মিত হবে ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে। প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হবে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে এবং এই বছরের শেষের দিকে শুটিংও সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।

    প্রথম আলোর মতে, ছবিতে দুটি মূল নায়ক ও নায়িকা থাকবেন এবং casting এর কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে। কিছু প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ছবির নাম হতে পারে ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’, যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আপডেট পাওয়া যায়নি।

    ২০২৬ সালে ২৫ বছর পূরণ হতে চলেছে, তখনকার সময়ে মুক্তি পায় করণের ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’। এখন আবার এর সিক্যুয়েল নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

    করণ জোহরের ক্যারিয়ারে উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’ এবং সর্বশেষ ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’। এই সব সিনেমা বলিউডে তার অসাধারণ স্থান করে নিয়েছে।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা কেন আলাদা, হেমা মালিনী জানান

    ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা কেন আলাদা, হেমা মালিনী জানান

    প্রয়াত বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী পৃথক একটি স্মরণসভার আয়োজন করেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন শুরু হয়েছে যে, দেওল পরিবারের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব চলছে। মূল সামাজিক অনুষ্ঠানে যেখানে ধর্মেন্দ্রর দুই ছেলে সানি ও ববি দেওল উপস্থিত ছিলেন, সেখানে হেমা ও তার কন্যারা কেউ উপস্থিত ছিলেন না। একইভাবে হেমার আয়োজনেও দেখাও যায়নি সানি-ববি। তবে এই দূরত্ব এবং পারিবারিক বিভেদ নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি নিজেই।

    ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী স্পষ্ট করেছেন, এই পারিবারিক বিভেদের বিষয়টি তারা ব্যক্তিগত। তিনি বলেন, এটি একান্তই তাদের পরিবারের বিষয়, যা তারা ব্যক্তিগতভাবেই মোকাবেলা করে আসছেন। তাঁর কাছে মনে হয়, আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় আমার জন্য আলাদা এক আয়োজনের প্রয়োজন হয়েছিল। তিনি আরও জানান, তিনি দিল্লিতে তাঁর সহকর্মী ও বন্ধুদের জন্য একটি স্মরণসভার আয়োজন করেছেন, আর তার নির্বাচনী এলাকা মথুরার মানুষের আবেগকে মাথায় রেখে সেখানে আলাদা আয়োজনের প্রয়োজন হয়েছিল।

    হেমা মালিনী আরও তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে বলেছেন যে, পরিবারে কোনো ভাঙন আসেনি। সবাই মর্যাদা ও শ্রদ্ধাসহ ধর্মেন্দ্রকে স্মরণ করছেন।

    প্রসঙ্গত, বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতা ২০২২ সালের ২৪ নভেম্বর না ফেরার দেশে চলে গেছেন। ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুতে তার পরিবারের সবাই গভীর শোক প্রকাশ করেছিলেন। এরপর, ৩ ডিসেম্বর, সানি ও ববি দেওল হরিদ্বারে তার অস্থিসংস্থান সম্পন্ন করেন। তবে শেষকৃত্য ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে দেখা যায়নি, যার ফলে বলিপাড়ায় নানা রকম গুঞ্জন শোনা যায়।

    তবে সেইসব গুঞ্জনকে অস্বীকার করে হেমা মালিনী জানিয়েছেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি ধরে রাখতে তাদের পরিবার একযোগে কাজ করছে। তিনি জানান, সানি দেওয়েল বড় ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন সে কারণে তিনি নিজেদের উদ্যোগকে সমর্থন করছেন। মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত ধর্মেন্দ্রর ১০০ একর জমির ওপর নির্মিত ফার্মহাউসটিকে একটি মিউজিয়ামে রূপান্তর করার পরিকল্পনা চলমান রয়েছে। হেমা মালিনী বলেন, এই উদ্যোগ ধর্মেন্দ্রর অনুরাগীদের জন্য এক বিশেষ উপহার হবে।

  • বিনা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছে বিসিসিআই

    বিনা আলাপ আলোচনার মাধ্যমে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছে বিসিসিআই

    তিন দিন পেরিয়ে গেলেও মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা এখনও চলছে না। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এই বিষয়ে কোনো আলাপ-আলোচনা করেনি বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে। দেশি- ও বিদেশি ক্রিকেটাররা একদিকে বিসিসিআইয়ের এই অজানা সিদ্ধান্তের নেপথ্যের কারণ খুঁজতে পারেননি, অন্যদিকে বোর্ডের একজন নাম প্রকাশ না করতে চাওয়া কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে কোনওভাবে আলোচনা হয়নি। এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বিসিসিআইয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে এসেছে বলে জানা গেছে। এরপর থেকেই বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা ধরনের সমালোচনা শুরু হয়েছে।

    মোস্তাফিজুর রহমান খেলে থাকেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস এবং চেন্নাই সুপার কিংস—এই পাঁচ দলের হয়ে। ভারতের এই জনপ্রিয় আইপিএল টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত তিনি ৬০ ম্যাচে খেলেছেন এবং ৮.১৩ ইকোনমিতে ৬৫ উইকেট নিয়েছেন। ২০২৪ সালে চেন্নাই সুপার কিংস তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু পোস্ট দিয়েছে। গতবার জেক ফ্রেজার ম্যাগার্ক না খেলায়, মোস্তাফিজকে মাঝপথে দলে নেওয়া হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের পক্ষ থেকে। তবে এবারে রাজনৈতিক বিবাদের কারণে, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের দূরত্বের কারণেও তিনি আইপিএলে খেলতে পারছেন না।

    ১৬ ডিসেম্বর আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত আইপিএল নিলামে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে (প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা) কেনে। এইতো বাংলাদেশের ক্রিকেটারের মধ্যে আইপিএলে সর্বোচ্চ দাম পান মোস্তাফিজ। তবে সম্প্রতি বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, ৩ জানুয়ারি বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া এএনআইকে বলেন, মোস্তাফিজকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের জন্য। এই নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। ফলে ক্রিকেটপ্রেমীরা বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে তার প্রতি নানা মন্তব্য করছে, পোস্টে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ছড়িয়ে পড়েছে।

    আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড, বিসিবি, আইসিসিকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে যে, বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অনুষ্ঠিত হলে, নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে তা সরিয়ে নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, মোস্তাফিজ ইস্যুতে বাংলাদেশের আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের দাবি তুলেছে। এর ফলে পরিস্থিতির আরও জটিলতা তৈরি হয়েছে।

  • বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে সবার আগে নিরাপত্তা: রমিজ রাজা

    বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে সবার আগে নিরাপত্তা: রমিজ রাজা

    বাংলাদেশের ক্রিকেট ও রাজনীতির মধ্যে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল ২০২৬ থেকে বাদ দেয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনা চলছে। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) এই ক্রিকেটারকে ৯.২ কোটি রুপিতে দখল করেছিল, তবে বিসিসিআইয়ের নির্দেশে তাকে ফ্র্যাঞ্চাইজি ছাড়তে হয়েছে। বলা হচ্ছে যে, এর পেছনে রয়েছে ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতি’, যা মূলত বাংলাদেশে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগের কারণে সৃষ্টি হয়েছে।

    এর জবাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)কে একটি চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছে, নিরাপত্তার অবস্থা বিবেচনায় তারা আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ভারতে খেলা চলবে না। বাংলাদেশের সব গ্রুপ ম্যাচের জন্য নির্ধারিত ছিল কলকাতা ও মুম্বাইয়ে, তবে তারা চাইছে ওই ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হোক। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উল্লেখ করেছেন, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার আগে।

    এদিকে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আইপিএলের সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে দেশটির দর্শকদের জন্য। বলা হচ্ছে, এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য আঘাতের মতো। আইসিসি নতুন শিডিউল প্রস্তুত করা শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে, যদি খেলাগুলো সরানো হয়, তবে বিসিসিআইয়ের অর্থনৈতিক ক্ষতি ভয়ঙ্কর হবে।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি ক্রিকেটার রমিজ রাজা, যিনি বর্তমানে বিপিএলে ধারাভাষ্য দিচ্ছেন, এই ঘটনার বিষয়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমার মতে, বাংলাদেশ তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে কারণ প্লেয়ারদের নিরাপত্তা সবার আগে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ভারতের আচরণের উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়, এশিয়া কাপের সময় ভারত নিরাপত্তার অজুহাতে পাকিস্তান সফরে যায়নি এবং তাদের ম্যাচগুলো অন্য স্থানে সরিয়ে নিয়েছিল। আজকের এই ঘটনা যা ঘটছে, তা খুবই দুঃখজনক।’

    বাংলাদেশ যদি আইপিএলে অংশ না নেয়, তবে কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে বিসিসিআই। জানা গেছে, এই পরিস্থিতি এড়াতে ভারত এখন বাংলাদেশ দলের জন্য ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা’ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, যা সাধারণত সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত হয়।