Month: November 2025

  • প্রধান উপদেষ্টার: এবার নির্বাচন দেশ রক্ষার লড়াই

    প্রধান উপদেষ্টার: এবার নির্বাচন দেশ রক্ষার লড়াই

    আগামী নির্বাচন ও গণভোটে শতভাগ সততা, নিরপেক্ষতা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন সাধারণ নির্বাচন নয়, বরং এটি দেশকে রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম।

    আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে নতুন জামানতপ্রাপ্ত ৫০ জেলা প্রশাসকসহ ৬৪ জেলার প্রশাসকদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি। ইউনূস বলেন, এই নির্বাচন কেবল পাঁচ বছরের জন্য সরকার গঠনের জন্য নয়, এটি গণভোট যুক্ত হওয়ার কারণে আরও বেশি তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এটি এক সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নির্বাচন, যা বহু প্রহসনের পরিসমাপ্তি ঘটানোর দিক নির্দেশ করে দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, এই নির্বাচন প্রতীক হিসেবে গণঅভ্যুত্থানের পর্যায়ের অন্যতম একটি স্তর। এটি জাতির ভবিষ্যৎ দিগন্ত নির্ধারণ করবে—শতাব্দীর দিশারী হিসেবে।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, এই নির্বাচনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনভাবেই এর ব্যর্থতা মেনে নেয়া হবে না। এই নির্বাচন সফল হলে জাতি নতুন করে জেগে উঠবে এবং জেলা প্রশাসকরা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে দেশকে এগিয়ে নেবেন।

    তিনি জানান, জেলা প্রশাসকদের সবাই যেন প্রয়োজনীয় সব তথ্য আগাম জেনে নেন, এবং কর্তব্য পালনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করে তুলতে সবাই সচেষ্ট হন। বিশেষ করে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, তরুণ ও নারী ভোটারদের সংখ্যাবৃদ্ধি লক্ষ্য করতে হবে; কারণ অনেক আগে থেকে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি।

    বিশ্ব পর্যবেক্ষকদের আগ্রহও এই নির্বাচনে দৃশ্যমান। তারা গভীর আগ্রহের সঙ্গে দেখছে, নির্বাচন কতটা সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ হয়। ইউনূস বলেন, এই নির্বাচনকে সফল করে তোলার জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে— এটি হলো একটি গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্নের বাস্তবায়ন। এই সংগ্রামে আমাদের জয়ের কোনও বিকল্প নেই। স্বাধীন জাতি হিসেবে টিকে থাকতে হলে এই লড়াইয়ে সম্পূর্ণ জিততেই হবে।

    বৈঠকটি পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব শেখ আব্দুর রশীদ। আলোচনায় অংশ নেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং আইন উপদেষ্টা প্রফেসর আসিফ নজরুল।

    এছাড়াও বিভিন্ন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক ও বগুড়ার জেলা প্রশাসক মহা., তারফিকুর রহমান বিভিন্ন দিক থেকে বক্তব্য রাখেন।

  • এক্সকাভেটর নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা: ধাক্কাধাক্কি, লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ব্যবহার

    এক্সকাভেটর নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা: ধাক্কাধাক্কি, লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ব্যবহার

    ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এক্সকাভেটর নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে ব্যাপক সংঘর্ষ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও সেনাবাহিনী বিক্ষোভকারীদের লাঠিচার্জ এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা ইট-পাটকেলও ছোড়ে যা দুই পক্ষের মধ্যে চাপ বাড়ায়।

    জুলাই-মঞ্চ নামে একটি সংগঠনের নেতারা ব্যানারে একদল লোক আজ সোমবার দুপুর ১টা ৭ মিনিটের দিকে ৩২ নম্বরে পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশের জন্য চেষ্ট করেন। তখন পুলিশ তাদের সতর্ক করে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয়, কিন্তু তারা সরেননি বরং প্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যায়। পরিস্থিতি জটিল হওয়ার পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং নিউ মডেল কলেজের গলির দিকে টেনে নিয়ে যায়। একই সময়ে সেনাবাহিনীও বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দেয়।

    বিক্ষোভকারীরা পরে নিউ মডেল কলেজের সামনের এলাকায় অবস্থান নিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এমনকি পুলিশ ও সেনারা আবার তাদের ধাওয়া দেয় এবং তিন রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। কিছু বিক্ষোভকারী পান্থপথ দিয়ে চলে যায়, আবার অন্যরা মিরপুর সড়ক হয়ে ২৭ নম্বরের দিকে যায়।

    বেলা ২টার দিকে পরপর চারটি সাউন্ড নোট ছুঁড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটে পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন। পাশাপাশি পুলিশ তিনজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলেন।

    এদিকে, বিক্ষোভের আগের দিন দুপুরে সাইন্সল্যাব এলাকা থেকে দুটি এক্সকাভেটর নিয়ে আসে বিক্ষোভকারীরা। তাদের একজন বলেন, তারা julho মঞ্চের ব্যানারে এখানে এসেছেন এবং শেখ হাসিনা ও অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেছেন, কেউ যেন বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত না হয়, তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ধীরে ধীরে ৩২ নম্বরের মিরপুর সড়কের একপাশ বন্ধ করে দেয় ও অন্য পাশে ডাইভারসন করে দেয় যাতে যান চলাচল সচল থাকে।

  • শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত: ট্রাইব্যুনাল

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ প্রমাণিত: ট্রাইব্যুনাল

    আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর নেতৃত্বে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারসহ তিন সদস্যের বেঞ্চ এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ সময়ে সাজানো জোটের নেতৃত্বে মূলত শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত। একইসঙ্গে, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামীান খান এবং পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই তিনজনই এখন বিভিন্ন দেশে পলাতক থাকলেও, তাদের বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিশেষ করে, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামীান খান পলাতক রয়েছেন ও বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন গত বছর গ্রেফতার হন এবং এর মধ্যে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনও সম্পন্ন হয়েছে।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১ জুন এই তিনজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে—৬টি মূল অভিযোগ, যার মধ্যে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর খেতাব দিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি, অস্ত্র ব্যবহারে আন্দোলন দমন, রংপুরে গুলিতে একজনের মৃত্যু, ঢাকা চানখাঁরপুলে গুলিবর্ষণে ছয়জনের মৃত্যু এবং আশুলিয়াতে ছয়জনকে পুড়িয়ে মারার মতো গুপ্তচরচোরা আক্রমণ।

    অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে, গত ১০ জুলাই ট্রাইব্যুনাল এই তিন আসামির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অভিযোগ গঠন করে। তবে, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামীান খান এখনও পলাতক থাকায় তাদের কোনো গ্রেফতারকরার কার্যক্রম এখনো সম্পন্ন হয়নি, অন্যদিকে, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এখনো জেলহাজতে রয়েছেন। এই মামলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে।

  • শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ঘোষনা

    শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খাঁন কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ঘোষনা

    বিশেষ আদালত সম্প্রতি এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে গণহত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছেন বর্তমানের নির্বাসিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কাদেরকে। এই মামলার বিচারবিষয়ক বিষয়গুলো বিশদভাবে পর্যবেক্ষণ করে, ২৪ জুলাই-আগস্টের সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়। এই রায় বাংলায় ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

    বিচারকরা আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে রায়ের প্রথম অংশ পড়ে শোনান। তাঁরা ৪৫৩ পৃষ্ঠার মামলার ডকুমেন্টের ছয়টি অধ্যায় বিশ্লেষণ করেন। ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক বিচারপতি প্যানেল এই রায় দেয়। এরপর দুপুর ২টায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রায় পড়া সম্পন্ন হয়।

    বিশেষ এই বিচারে যারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কাদের। তবে তারা বিভিন্ন কারণে এখন পলাতক থাকলেও মামলার অন্য এক গুরুত্বপূর্ণ আসামি সাবেক আইজিপি মামুন প্রায় এক বছর ধরে তার কারগারে আছেন। তিনি রাজসাক্ষ্য দিয়েছিলেন এবং এর ফলে তার শাস্তির ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তে কিছুটা সুবিধা হয়েছে। প্রসিকিউশন এই দুজনের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছেন।

    মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়, এর মধ্যে রয়েছে উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ড, চানখারপুলে হত্যাযজ্ঞ ও আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো। মোট অভিযোগপত্রের পৃষ্ঠা সংখ্যা প্রায় আট হাজার সাতশ’। এতে অন্তর্ভুক্ত তথ্যসূত্র দুই হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও দালিলিক প্রমাণাদি চার হাজার পাঁচশ’ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ দুই হাজার সাতশ’ বিশ পৃষ্ঠা। এতে মোট সাক্ষীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪ জন।

    প্রথম দিন থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্টের আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি চলছে। গত ১৩ নভেম্বর থেকে রায় ঘোষণা অনুষ্ঠানের দিনকে কেন্দ্র করে যান চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।

    সবশেষে, এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য ১৩ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার প্রধানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই সিদ্ধান্ত নেয়। রায়ের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ২৮ কার্যদিবসের মধ্যে ৫৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণ সম্পূর্ণ হয়েছে। পাশাপাশি, প্রসিকিউশন ও স্টেটের পক্ষে যুক্তিতর্ক চলে মোট নয় দিন। এসব প্রক্রিয়ার শেষে রাষ্ট্রের আইনজীবীরা সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য দাবি করেন।

    অন্যদিকে, মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন, তবে তার খালাসের জন্য বেশ কিছু আইনি দপ্তর আবেদন করেছেন। আইনজীবীরা মনে করেন, এই মামলার সব দোষীদেরই যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত হবে। তবে, পুরো প্রক্রিয়া আইনি নিয়মবলে চলবে এবং সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।

  • হাসিনা খোঁজার জন্য ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বিভ্রান্তিকর মাইকিং

    হাসিনা খোঁজার জন্য ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বিভ্রান্তিকর মাইকিং

    রাজধানীর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এলাকায় সোমবার ভোর থেকেই অদ্ভুত এক মাইকিং শোনা যায়, যা সাধারণত কেউ হারিয়ে গেলে প্রচারের জন্য ব্যবহৃত হয়। সেখানে বলা হচ্ছিল, ‘একটি হারানো বিজ্ঞপ্তি… আমাদের হাসিনা খালা (শেখ হাসিনা) গত ৫ আগস্ট সপরিবারে হারিয়ে গেছেন। যদি কেউ তার সন্ধান পান, তবে তাকে হাইকোর্টের ফাঁসির মঞ্চে পৌঁছে দেবেন।’ এই ধরনের বক্তব্য শুনে আশেপাশের মানুষরা অবাক হয়ে যান। এটি সম্ভবত কোনো ধরণের অপপ্রচারের অংশ বা অনাকাঙ্ক্ষিত একটি মিসইনফরমেশন যা পরিস্থিতি জটিল করে তুলতে পারে।

    শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার দিন হওয়ায় আদালতের চারপাশে সকাল থেকেই ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায় বিভিন্ন পেশার মানুষ সেখানে উপস্থিত হয়েছেন রায়ের ফলাফলের জন্য। নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর থাকলেও রাজধানীর যানবাহন স্বাধীনভাবেই চলাচল করা চলছে। ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে।

    এদিন জনসম্মুখে পতিত আওয়ামী লীগের ‘লকডাউন’ কর্মসূচির কোন প্রভাব পড়েনি, বরং বিভিন্ন ইসলামিক দলসহ আওয়ামী লীগের প্রতিদ্বন্দ্বী ও অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সকাল থেকেই মাঠে ছিল। একদিকে রায়ের দিনকে কেন্দ্র করে তৎপরতা চলছে অপর দিকে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণবিক্ষোভে প্রায় এক হাজার চারশোর বেশি মানুষ নিহত ও বিশাল সংখ্যক আহতের অভিযোগে এই মামলাটি দায়ের হয়।

    অন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বর্তমান রায়ের জন্য বিচারক বিনা বিরতিতে চার দশকের বেশি সময়ের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন সাক্ষ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে এ মামলার শুনানি করেন। এতে মোট ৫৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেওয়া হয়, যার মধ্যে বিভিন্ন প্রভাবশালী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষ্যপ্রমাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেমন আহত ও নিহত ব্যক্তি, সাংবাদিক, চিকিৎসক, পুলিশ আদিত আহত ও নিহতের পরিবার এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    উল্লেখ্য, এই মামলার একাধিক আসামি—including শেখ হাসিনা, অঙ্গীকার ধরা হয়েছে—অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ আনা হয়। বিচারকাজে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য প্রমাণের পাশাপাশি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন নিজে নিজের অপরাধ স্বীকার করে আদালতের কাছে স্বীকারোক্তি দেন।

    এছাড়াও মামলার শুনানিতে অংশ নেন বিভিন্ন স্বাক্ষী, যারা ২১শে আগস্টের হামলার বিষয়ে পরবর্তী তথ্য ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে সাক্ষ্য দেন, যেমন আহত শিক্ষার্থী, পুলিশি গুলিতে আহত ব্যক্তি, সাংবাদিক ও চিকিৎসক। এছাড়াও, বিভিন্ন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও প্রত্যক্ষদর্শীর কথাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

    গত ১৩ নভেম্বর, রায়ের তারিখ নিশ্চিত হওয়ার পর, নানা ধরণের পরিস্থিতির জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। সেকারণে, সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মাধ্যমে লকডাউন, হরতাল ও কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অংশে অগ্নিসংযোগসহ নানা প্রকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন দলের কর্মসূচির ভয়াবহতা ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এভাবে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চয়তার দিকে গড়িয়ে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

  • হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    হিরো আলমের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় হত্যাচেষ্টা, মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে সাবেক স্ত্রী রিয়া মনির মামলা অনুযায়ী আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম ও তার সহযোগী আহসান হাবিব সেলিমের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াহিদুজ্জামান এ আদেশ দেন। মামলার বাদী রিয়া মনিরের আইনজীবী জিয়াউর রহমান চৌধুরী জানিয়েছেন, আসামিরা জামিনের শর্ত ভঙ্গ করে আদালতে হাজিরা দিচ্ছিলেন না, এ জন্য তাদের জামিন বাতিলের জন্য আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। জানা গেছে, এই মামলার এজাহার ২৩ জুন দাখিল করা হয়। আসল ঘটনা হলো, মনোমালিন্য হলে হিরো আলম তার স্ত্রী রিয়া মনিকে বাসা থেকে বের করে দেন। পরে মীমাংসার জন্য হাতিরঝিল থানার একটি বাসায় ডেকে এনে, সেখানে অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের সহায়তায়, হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে পিটিয়ে আহত করেন এবং তার গলার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেন।

  • আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড জিতল ‘সাইয়ারা’

    আন্তর্জাতিক অ্যাওয়ার্ড জিতল ‘সাইয়ারা’

    মারকাটারির ভিড়ে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে রোমান্টিক ছবি ‘সাইয়ারা’, যার জন্য পরিচালক মোহিত সুরি ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছেন। ছবিটি এখন প্রেক্ষাগৃহে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে আর এর ফলস্বরূপ বক্স অফিসে উচ্ছ্বাসের গতি বাড়ছে। আর সম্প্রতি এই ছবিটি ভারতের মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ইয়েলোস্টোন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৫-এ পপুলার চয়েস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে। এটি অভিনেতা-পরিচালকের জন্য একেবারে প্রথম আন্তর্জাতিক পুরস্কার, যা মোহিত সুরিকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

    বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই পুরস্কার জয়ে প্রতিভাধর এই পরিচালকের জন্য একটি বড় সম্মান এবং প্রেরণা। মোহিত সুরি বলেন, ‘এটি আমার জন্য খুবই বিশেষ একটি দিন। আমি গত ২০ বছর ধরে চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করি, আর এই প্রথম আমি কোনো আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেলাম। এই ছবির সঙ্গে আমার জীবনে অনেক প্রথম হয়েছে। অভিনেতারা প্রথমবারের মতো সহকর্মী, আমি যশরাজ ফিল্মসের সঙ্গে প্রথম কাজ করেছি, প্রযোজক হিসেবে প্রথমবার কাজ করেছি অক্ষয়ীর সঙ্গে। ছোটবেলায় যখন আমি দিলওয়ালে দুলহানিয়া দেখতে সিনেমা হলে গিয়েছিলাম, সেই সময়ে প্রথম করেছিলাম জল-টপকোড়। তখন থেকেই ভাবতাম আমি একজন পরিচালক হব।’

    তিনি আরো যোগ করেন, ‘প্রযোজক আদিত্য চোপড়াকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি প্রেমে বিশ্বাস না করলেও এখন নতুন করে বিশ্বাস জাগিয়েছেন। আপনিই আমার উপর আস্থার আরো বড় আস্থা দিয়েছেন। এই পুরস্কার শুধু আমার নয়, সবাইকে উৎসাহিত করবে। তরুণ যুগলের প্রেমের জাদু ছুঁয়েছে সবাইকে।’

    অভিনেতাদের প্রশংসা করে মোহিত বলেন, ‘ছবির পারফরম্যান্স এবং গল্পের জন্য আমরা বেশ প্রশংসিত।’

    রোমান্টিক ছবি ‘সাইয়ারা’ ১৮ জুলাই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে মুক্তি পেয়েছিল। এটি বিশ্বজুড়ে বিশাল আয় করেছে প্রায় ৫০০ কোটি রুপির বেশি। ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও এর জনপ্রিয়তা ব্যাপক। এই সিনেমা শুধু দেশের মধ্যে নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও দর্শকদের মন জয় করে চলেছে।

  • বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেত্রী ভদ্রা বসু আর নেই

    ওপার বাংলার নাটক ও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করেছেন বর্ষীয়ান নৃত্য ও নাট্যশিল্পী, জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নির্মাতা ভদ্রা বসু। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) রাতে কলকাতার একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৬৫ বছর।

    ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, কিছু দিন ধরেই শারীরিক গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন এই গুণী শিল্পী। তার গলব্লাডারে স্টোনের খবর প্রথম জানা যায়, যা চিকিৎসকদের মতে চিকিৎসা নিলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। তবে অত্যন্ত উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদযন্ত্রের অসুবিধার কারণে দ্রুত অস্ত্রোপচার সম্ভব হয়নি। ওষুধের মাধ্যমে সমস্যা সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছিল।

    কিন্তু পরিস্থিতি তখন আরো জটিল হয়ে উঠল, যখন হঠাৎ করেই তিনি ঘরে পড়ে গিয়ে স্নায়ুবিক আঘাত পান। এরপর তাকে প্রথমে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুক্ষণ পর তাকে কলকাতার জনপ্রিয় এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

    সেখানে তার মস্তিষ্কে জটিল অস্ত্রোপচার করা হয়। পাশাপাশি কিডনির সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসকদের নানা চেষ্টার পরও অবস্থা অবনতি হলে শুক্রবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    ভদ্রা বসু ছিলেন প্রখ্যাত নাট্য নির্দেশক ও অভিনেতা অসিত বসুর সহধর্মিণী। তিনি Bühne ও ক্যামেরার সামনে এক অনন্য প্রতিভা হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন, যার মধ্যে সুমন মুখোপাধ্যায়ের ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ ও অনিলাভ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বেলা’ ছবিগুলো বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। তার মৃত্যুতে বাংলার সাংস্কৃতিক জগতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    ঢাকার একটি আদালত মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই পরোয়ানা জারি করা হয় সম্প্রতি এক মামলায়, যেখানে অভিযোগ উঠে যে তারা পারিবারিক ব্যবসার অংশীদার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। পাশাপাশি অর্থ laban করে হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখানোসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের অভিযোগ ওঠে।

    আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য ডাকা হয়, কিন্তু তারা অনুপস্থিত থাকায় ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে, তাদের গ্রেপ্তারকামী তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বরের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বাদী দীর্ঘদিন ধরে পরিচয় থাকা অবস্থায় আসামিদের প্রলোভন দেখিয়ে নির্দিষ্ট তারিখে বিভিন্ন সময়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে মোট ২৭ লাখ টাকা দেন। তবে, টাকা পাওয়ার জন্য বারবার টাকা চাইলে আসামিরা সময়ক্ষেপন করেন। ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে টাকা ফেরত দাবি করলে, আসামি ও তার সহযোগীরা আয়োজন করেছিলেন ভয়ভীতি ও হুমকি, এমনকি জীবনের জন্য ক্ষতির আশঙ্কাও প্রকাশ করেন। শোনা যায়, তারা বাদীর সঙ্গে অশালীন ভাষায় গালাগালি করে ও তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

    এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় জানানো হলে পুলিশ মামলা করতে পরামর্শ দেয়। এরপর, আমিরুল ইসলাম নামে একজন বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭/ ১১৭(৩) ধারায় এ মামলা দায়ের করেন। এই মামলার মাধ্যমে এ সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন আদালত।

  • ভারতের সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক মৈথিলী ঠাকুর

    ভারতের সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক মৈথিলী ঠাকুর

    ভারতীয় রাজ্য বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে নিশ্চিতভাবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট বিশাল বিজয় লাভ করেছে। শুক্রবার সকালে ভোট গণনা শুরু হতেই রাজনৈতিক পরিস্থিতির নতুন চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠে। ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই বিহারের ভোটাররা বিজয় মিছিল শুরু করেন, উচ্ছ্বাসে ভেঙে পড়েন উৎসাহী ভোটাররা।

    এই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বিজেপি টিকিটে জিতেছেন জনপ্রিয় তরুণ সংগীতশিল্পী মৈথিলী ঠাকুর। আলিনগর এলাকার রােজ্য জনতা দলের (আরজেডি) প্রার্থী বিনোদ মিশ্রকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছেন তিনি। এই জয়ের ফলে তিনি এখন ভারতের সব থেকে যুবপ্রাপ্ত বিধায়ক হিসেবে পরিচিত। তার বয়স এখন মাত্র ২৫ বছর।

    মৈথিলী ঠাকুরের জন্ম ২০০০ সালের ২৫ জুলাই বিহারের মধুবনীতে। শৈশব থেকেই বাবা ও দাদার সঙ্গে শাস্ত্রীয় ও লোকসংগীতের সূচনা করেন তিনি। ২০১৭ সালে রিয়েলিটি শো ‘রাইজিং স্টার’-এ রানারআপ হিসেবে তার পরিচিতি বাড়ে।

    নির্বাচনের কয়েক দিন আগে বিজেপিতে যোগ দেন মৈথিলী। এই সিদ্ধান্তে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার আমার কাছে অনুপ্রেরণার ź। আমি এখানে সমাজসেবা এবং বিহারের উন্নয়নে অবদান রাখতে এসেছি।’

    এছাড়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) কে জানান, ‘এটা আমার স্বপ্নের মতো। আমি আমার এলাকাবাসীর ঘরের মেয়ে হয়ে তাদের সেবা করব। বর্তমানে আমি আলিনগরকে কেন্দ্র করে ভাবনা চিন্তা করছি, কীভাবে সেখানে কাজে লাগবো।’