Month: November 2025

  • নির্বাচিত হলে ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রধান কাজ হবে: লবি

    নির্বাচিত হলে ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রধান কাজ হবে: লবি

    খুলনা-৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগার লবি বলেছেন, তিনি গত ৫ থেকে ৬ মাস ধরে ডুমুরিয়া এলাকায় বিভিন্ন স্থান ঘুরে নির্বাচনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এই সময়ে তিনি এলাকায় বিভিন্ন সমস্যা জানতে পেরেছেন এবং সমাধানের জন্য কার্যকরী চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তিনি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মসজিদ ও মন্দির সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অর্থ সহায়তা ও অনুদান প্রদান করেছেন। পাশাপাশি রাস্তাঘাটের উন্নয়ন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ডুমুরিয়ার বিল ডাকাতিয়ার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধানে কাজ শুরু করেছেন। তিনি জানান, যদি তিনি নির্বাচিত হয়ে আসেন, তবে বিল ডাকাতিয়া, ডুমুরিয়া উপজেলার খাল ও নদীগুলো খনন করে স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতা মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কথা তিনি শনিবার সন্ধ্যায় ভান্ডারপাড়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উল্লেখ করেন। এর আগে তিনি বেশ কয়েকটি স্থানে ধানের শীষের গণসংযোগ ও পথসভা পরিচালনা করেন। এই সভার উত্তরোত্তর সভাপতি ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি মোল্লা ইকরামুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এবাদুল হক রুবায়েত। আরও বক্তব্য দেন মোল্লা কবির হোসেন, জেলা যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল্লাহ হেল কাফি শখা, খুলনা জজকোর্টের এপিপি এড. মুনিমুর রহমান নয়ন, মাকসুদ আহম্মেদ সুমন, শেখ শাহিনুর রহমান, জিয়াউর রহমান জীবন, শ্যামল গোলদার, প্রকাশ বিশ্বাস, প্রণব মন্ডল, মিল্টন মন্ডল, গোবিন্দ মন্ডল, প্রীতিষ মন্ডল, আবুল কাশেম, নিত্যানন্দ মন্ডল ও অন্যান্যরা।

  • আগামী প্রজন্মের সুযোগ না দিলে দেশ নেতৃত্ব হারাবে

    আগামী প্রজন্মের সুযোগ না দিলে দেশ নেতৃত্ব হারাবে

    আমাদের উচিত আগামী প্রজন্মকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সকল ধরনের সুযোগ প্রদান করা। না হলে ভবিষ্যত বাংলাদেশের নেতৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়বে। দৌলতপুরে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দৌলতপুর থানা বিএনপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন থানা বিএনপি’র সভাপতি এম মুর্শিদ কামাল এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন। বকুল বলেন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে যে নতুন প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে, তার জন্য একটি মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত এবং সুন্দর বাংলাদেশ গঠন আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্ব। যারা মানুষ গড়ার মূল কারিগর, তারা হলেন শিক্ষক ও বাবা-মা, তাদের সম্মান না করলে জাতি সম্মান পায় না। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদদের অবশ্যই মেধাবী ছাত্রদের জন্য পথ তৈরি করতে হবে। শুধু পুঁথিগত শিক্ষাই নয়, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগও দিতে হবে। আমাদের উদ্দেশ্য, সুযোগের অভাবে কোনো মেধাবী সন্তান ঝরে পড়ুক না। বক্তব্যের শেষে তিনি শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং সন্তানদের সাফল্য অর্জনে মাতাদের ভূমিকা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে সকল মায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, মহানগর মহিলা দলের আহŸায়ক নার্গিস আলী, সাবেক ছাত্রনেতা মতিউর রহমান মতি, স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মী, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা। আলোচনা সভার পরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

  • সময়ের খবর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ

    সময়ের খবর বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে অঙ্গীকারবদ্ধ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনার স্থানীয় দৈনিক ‘সময়রে খবর’ অফিসে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। এই অবস্থান গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় তাকে সময়ের খবর কার্যালয়ে এসে সাংবাদিকদের সাথে কুশল বিনিময় ও শুভেচ্ছা জানান।

    মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাঠকরা সময়ের খবরকে অত্যন্ত পছন্দ করেন। এই পত্রিকাটি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং সময়ের খবর সবসময় সত্যের পথে অবিচল থেকে প্রকাশ করে থাকে। তিনি উল্লেখ করেন, গণমানুষের কথা সাহসে তুলে ধরা এবং মানুষের স্বার্থে কাজ করা আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, সময়ের খবর পাঠকদের দৌড় গড়ায় পৌঁছে গেছে এবং জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে।

    মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সময়ের খবরের বার্তা সম্পাদক মাসুদুর রহমান রানা, মফস্বল প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম বাবলু, সিনিয়র রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম নূর, নিজস্ব প্রতিবেদক আল মাহমুদ প্রিন্স, এন আই রকি, ফটোসাংবাদিক রবিউল গাজী উজ্জ্বল, এইচ এ হেলাল ও অনলাইন ইন্টারঅ্যাক্টের মো. ইমরান খান।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, এড. গোলাম মওলা, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, রবিউল ইসলাম রবি ও সেলিম বড় মিয়া প্রমুখ। এই আলোচনা ভবিষ্যতে সাংবাদিকতার অঙ্গনে সময়ের খবরের দায়িত্বশীলতা ও উন্নয়নে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা জাগিয়েছে।

  • বাগেরহাটে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসের শোভাযাত্রা ও চিকিৎসা ক্যাম্প

    বাগেরহাটে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবসের শোভাযাত্রা ও চিকিৎসা ক্যাম্প

    বাগেরহাটে বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস ২০২৫ উপলক্ষে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও ব্রাকের আয়োজনে এক শোভাযাত্রা ও স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৬ নভেম্বর) বাগেরহাট সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক ঘুরে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়। এই অনুষ্ঠানে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও ব্রাকের স্বেচ্ছাসেবকরা অংশ নেন, যাতে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. আ.স.মো: মাহবুবুল আলম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান, মেডিকেল অফিসার ডা. রিয়াদুজ্জামান ও ডা. নাইমুর রহমান। ব্রাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক ইব্রাহিম রেজা, যক্ষণিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শামীম রেজা, ব্রাকের অন্যান্য কর্মকর্তাগণও এতে অংশ নেন।

    এর পাশাপাশি, ব্রাকের উদ্যোগে বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে চালু করা হয় একটি বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প। এই ক্যাম্পে এক দিনেই পাঁচশোটির বেশি রোগীকে বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা, পরামর্শ ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য করা হয়েছে।

  • ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ রুখতে পারবে না

    ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ রুখতে পারবে না

    আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নেতারা। চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী, সেনাপ্রধান এবং জনগণের শক্তির ঐক্যের মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না। শনিবার বিকেলে খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের পক্ষে খানজাহান আলী থানা শ্রমিক দলের আয়োজনে একটি বিশাল শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে থাকাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, গত ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনের কারণে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থাকে দুর্নীতিগ্রস্ত ও প্রহসনের পর্যায়ে নামানো হয়েছিল। দেশের মালিকানা জনগণের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে এক পরিবারের হাতে কেন্দ্রীভূত করা হয়েছিল। কিন্তু এই দেশের তরুণ ছাত্র-জনতা এই স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সফলভাবে তার পতন ঘটিয়েছে। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারটি আমাদের ১৭ বছরের ত্যাগ ও ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এবং তাদের একমাত্র শক্তির উৎস হলো বিএনপি সহ সকল গণতান্ত্রিক দলের নৈতিক সমর্থন।

    প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে স্বপন বলেন, ড. ইউনূস জাতিকে আশ্বাস দিয়েছেন যে ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন হবে। এই ঘোষণা জনগণের মধ্যে আশা ও বিশ্বাস বাড়িয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত এবং নির্বাচন পেছানোর চেষ্টা করছে, তারা শুধু গণতন্ত্রের শত্রু নয়, দেশের শত্রুও।

    খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলকে একজন যোগ্য নেতা হিসাবে উল্লেখ করে স্বপন বলেন, বকুল শুধুমাত্র আমাদের দলের প্রার্থী নয়, তিনি জাতীয় রাজনীতি ও জনস্বার্থের জন্য কাজ করার সকল যোগ্যতা রাখেন। তাকে পার্লামেন্টে পাঠাতে পারলে ঐক্যবদ্ধভাবে এলাকায় উন্নয়ন হবে এবং জাতীয় পর্যায়েও সম্মান অর্জিত হবে।

    ভোটারদের জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই নির্বাচনটি শুধু সরকার গঠনের বিষয় নয়, এর ফলাফলের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন উচ্চপদস্থ ব্যক্তির আসন বিতরণ হবে। তাই এখন সময় নয় প্রশ্নে জোটবাজি বা আলোচনা চালানোর। তবে আমাদের লক্ষ্য, ধানের শীষের জয়ে শতকরা ৬০ ভাগ ভোট পাওয়া, এবং এই লক্ষ্য পূরণের জন্য বকুলকে সর্বোচ্চ ভোটে বিজয়ী করতে হবে।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একজন আপোষহীন নেত্রী, যিনি কখনো রাজপথ থেকে সরে যাননি। তিনি দেশের নেত্রী, জনগণের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের লুটপাটের কারণে খুলনার বন্ধ জুটমিলগুলো বন্ধ হয়ে গেছে, জনগণের অর্থ লুট করে দেশের বাইরে পাচার করা হয়েছে। নির্বাচনে ষড়যন্ত্র হলে তার ভয়ানক পরিণতি হবে বলে সতর্ক করে তিনি বলেন, যারা ভোট ছাড়া নির্বাচন করেছিল, তাদের অবস্থা কি হয়েছে তা জনগণ জানে। এর থেকে শিক্ষাদেয় যে, ভোটাধিকার লুটের জন্য যে সিস্টেম গড়ে তোলা হয়েছে, তার সন্তোষজনক পরিণতি হয়নি।

    খানজাহান আলী থানা শ্রমিক দলের সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলাম সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াদুল ইসলাম সঞ্চালনায় এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, খানজাহান আলী থানা বিএনপি সাবেক সভাপতি মীর কায়ছেদ আলী, সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেনসহ আরো অনেকে। জেলা ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় নেতারা এ সমাবেশে অংশ নেন।

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য পুনরায় বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, সম্প্রতি স্বর্ণের দাম মোট ২ হাজার ৫০৭ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকাতে। এই দাম পরিবর্তন সোমবার (১০ নভেম্বর) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যা আগামী মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বেড়েছে, ফলে সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ১১.৬৬৪ গ্রাম বা একটি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪ হাজার ২৮৩ টাকাতে। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯৯, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৭ হাজার ১৪৫ টাকা, পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ၃৮ হাজার ৯৪২ টাকায়। এর আগে, অর্থাৎ ১ নভেম্বর, বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৬৮০ টাকা করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছিল, যা ছিল ২ লাখ ১ হাজার ৭৭৬ টাকা।

  • এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    এক লাফে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৪ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    এক দিনের ব্যবধানে দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্যবৃদ্ধির খবর এল। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ৪ হাজার ১৮৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ফলে এখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরির দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৭১ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দামের ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটির স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং দেশের বাজারের অস্থিরতা বিবেচনা করে আগামী বুধবার (১২ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সব ক্যারেটের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেট শালীন স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ধার্য করা হয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৪৮ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য হলো ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৩৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্যে ১ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৮ টাকা। বাজুস এও জানিয়েছে, রুপার দামেরও সামঞ্জস্য করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের হলমার্ক রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে প্রতি গ্রাম ৪৩৬৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৪৩৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২২৩ টাকা প্রতি গ্রামে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই দামই কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার ডিজাইন, মান ও ধরনে অনুযায়ী মজুরিতে ভিন্নতা থাকতে পারে।

  • নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    নিলামে বিক্রি হয়নি, সাবেক এমপিদের ৩১ বিলাসবহুল গাড়ি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর

    বিলুপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সাবেক ৩১টি বিলাসবহুল গাড়ি এখন জনস্বার্থে ব্যবহারের জন্য সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই গাড়িগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছিল, তবে এই বিষয়টি এখন শুল্ক ও কর পরিশোধের বিলম্বের কারণে নিলামে বিক্রি করা সম্ভব হয়নি।

    আজ, বুধবার (১২ নভেম্বর), এক বিশেষ আদেশে এনবিআর উল্লেখ করে, এই গাড়িগুলোর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রযোজ্য হবে না এবং আমদানিকারকরা স্বাভাবিকহারে শুল্ক-কর পরিশোধ করে গাড়িগুলো খালাস করতে পারবেন। চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের নির্দেশনা অনুযায়ী, পণ্য খালাসের জন্য শুল্কায়ন এবং কর পরিশোধের নিয়মাবলী যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

    শুল্কেই আমদানি করা এই ৩১ গাড়ির মোট শুল্ক এবং করের পরিমাণ ধরা হয়েছে প্রায় ২৬৯ কোটি ৬১ লাখ ৮৯ হাজার ৬০০ টাকা। এর মধ্যে একক গাড়ির সর্বোচ্চ শুল্কের পরিমাণ ৯ কোটি ৪৪ লাখ ৮৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৪০০ টাকা।

    শুল্ক-কর সম্পন্ন হওয়ার পরও, গাড়িগুলোর মূল্যায়ন ও নিলামে অংশগ্রহণকারী কেউ বিড না করায় বিক্রি সম্ভব হয়নি। ফলে, আপাতত এই গাড়িগুলো নিলামে বিক্রি না করে আশু প্রয়োজনে সরকারের কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, অতি মূল্যবান এই গাড়িগুলোর ব্যবহারের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে হস্তান্তর করার জন্য এই বিশেষ আদেশ জারি করা হয়েছে।

    অতঃপর, ভবিষ্যতে যদি আমদানিকারকগণ যথাযথ শুল্ক ও কর পরিশোধ করে গ্লাসগুলো আইনানুগভাবে খালাস করেন, তবে চট্টগ্রাম কাস্টমস শুল্কায়ন ও মূল্য নির্ধারণের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাতে অনুমতি দেবে। এরপর, শুল্ক ও করের সম্পূর্ণ পরিশোধের পর গাড়িগুলো সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরে ফেরত দেওয়া হবে।

  • সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা

    সোনার দাম ভরিতে কমলো ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা

    দেশের বাজারে বেশ কিছু দিন ধরে ধারাবাহিক বৃদ্ধি শেষে হঠাৎ করে সোনার দামে পতন দেখা গেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন থেকে ভরিতে ৫ হাজার ৪৪৭ টাকা কমে দাঁড়াল ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। এর আগে, গত ১৩ নভেম্বর এক ভরি সোনার দাম ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা।

    বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী, এই দাম আগামীকাল রোববার থেকে কার্যকর হবে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমার ফলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য দাম নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

    নতুন এই দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম হবে ২ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টাকা। অন্য ক্যারেটের সোনার দামগুলো হলো, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার এক ভরির দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৭১৭ টাকা।

    উল্লেখ্য, গত ১৩ নভেম্বরের দাম অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। অন্য ক্যারেটের দামগুলো ছিল, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৪ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি দাম ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরির ৬ শতাংশ যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে এই মজুরি কিছুটা পার্থক্য হতে পারে।

    অপরদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হয় ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ হাজার ৬০১ টাকা।

  • বাংলাদেশের মোট ঋণ لأولবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল

    বাংলাদেশের মোট ঋণ لأولবারের মতো ২১ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছাল

    দীর্ঘ সময় ধরে দেশের রাজস্ব আয়ে দুর্বলতা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনার কারণে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের মোট ঋণের পরিমাণ ২১ ট্রিলিয়ন টাকা বা ২১ লাখ কোটি টাকায় ছুঁয়েছে। বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত ঋণ বুলেটিনে জানানো হয়, জুনের শেষের দিকে এই পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪৪ ট্রিলিয়ন টাকায়, যা এক বছর আগে ছিল ১৮ দশমিক ৮৯ ট্রিলিয়ন টাকায়, অর্থাৎ প্রায় ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ঋণের মধ্যে বৈদেশিক ঋণের অবদান ৯ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের ৪৪ দশমিক ২৭ শতাংশ। গত পাঁচ বছর ধরে বৈদেশিক ঋণ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকছে। ২০২১ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ২০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ ঋণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা গত অর্থবছরে ছিল ১০ দশমিক ৭৬ ট্রিলিয়ন টাকা, এবং এখন প্রায় ১১ দশমিক ৯৫ ট্রিলিয়ন টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০২১ সালে অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৭ দশমিক ২২ ট্রিলিয়ন টাকা। পরিসংখ্যানগুলো দেখাচ্ছে, বৈদেশিক ঋণ অভ্যন্তরীণ ঋণের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ঋবে বৃদ্ধি হওয়ার পেছনে কারণ হলো, কোভিড-১৯ মহামারির পরে উন্নয়ন সহযোগী দেশ থেকে প্রাপ্ত বাজেট সহায়তা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল, মাতারবাড়ি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ব্যাপক ব্যয়। এই সব প্রকল্পগুলো দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে।