Month: October 2025

  • নেপালে ভারী বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৪৭, সেতু ধসের কারণে দুই দিনের ছুটি ঘোষণা

    নেপালে ভারী বর্ষণে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৪৭, সেতু ধসের কারণে দুই দিনের ছুটি ঘোষণা

    নেপালে ভারী বর্ষণে সৃষ্টি হওয়া প্রবল বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশ কিছু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, এবং পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে দেশের বিভিন্ন সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে, অনেক সেতুও ভেঙে পড়েছে। এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রশাসন সোমবার ও মঙ্গলবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। তবে জরুরি সেবা এবং উদ্ধার কর্মীরা ছুটির বাইরে থেকে কাজ করবেন বলে জানানো হয়েছে। সরকারি মুখপাত্র রমেশ্বর ডাঙ্গাল বলেছেন, আগামী কয়েক দিনে আরও ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    দেশটির পুলিশ প্রধান কলিদাস ধাউবোজি জানিয়েছেন, ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন ইলাম জেলায় পৃথক ভূমিধসে অন্তত ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ও নিখোঁজের সংখ্যা এখনও নির্ধারিত না হলেও পরিস্থিতি খুবই গুরুতর। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই বন্যায় এখনো ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন এবং বজ্রপাতে মারা গেছেন আরও ৩ জন। নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে, বলে জানিয়েছেন জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা সংস্থার মুখপাত্র শান্তি মহাত।

    নেপালের আবহাওয়া বিভাগ দেশের এক ডজনের বেশি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে। বিভাগীয় প্রধান কামল রাম জোশী জনগণকে নদী ও ঝর্ণার কাছ থেকে তাড়াতাড়ি সরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    খবর অনুসারে, রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বাগমতি, গান্ডাকি, লুম্বিনি ও মধেশ প্রদেশের কিছু জেলার ওপরও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রচণ্ড বৃষ্টির কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিধসের ফলে কাঠমান্ডুর প্রধান সকল সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। চীনের সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত আরণিকো মহাসড়ক বেশ কয়েকটি স্থানে ধসে পড়েছে এবং পূর্বাঞ্চলের বিপি মহাসড়ক ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়েছে।

    প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী শনিবার অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলি স্বল্পআকারে চালু রয়েছে বলে জানানো হয়েছে, জানিয়েছেন কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের মুখপাত্র রিনজি শেরপা।

    অতি সম্প্রতি নেপালের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দশাইন শেষ হওয়ার পর এই দুর্যোগ পরিস্থিতি আরও জটিলতর হয়ে উঠেছে। কারণ, উৎসবের পর লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজ নিজ গ্রাম থেকে শহরে ফিরছেন। যেখানে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হলো দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কোসি নদীর পানি বিপদসীমার অনেক ওপরে বইছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণত কোসি ব্যারেজের ১০ থেকে ১২টি স্লুইস গেট খোলা থাকলেও বর্তমানে সব ৫৬টি গেটই খোলা হয়েছে। ভারী যানবাহনের চলাচলও সীমিত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    প্রতি বছর বর্ষাকালে নেপালের পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধস এবং অকাল বন্যায় শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সাধারণত জুনের মাঝামাঝি থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশজুড়ে বর্ষা মৌসুম থাকে, যা এই দুর্যোগের অন্যতম বড় কারণ।

  • গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ২ লাখের বেশি বিস্ফোরক ব্যবহৃত, নিহত–নিখোঁজ ৭৬ হাজারের বেশি

    গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ২ লাখের বেশি বিস্ফোরক ব্যবহৃত, নিহত–নিখোঁজ ৭৬ হাজারের বেশি

    আগামীকাল ৭ অক্টোবর marks হবে গাজায় ইসরায়েলি আক্রমণের দুই বছর পূর্ণ হওয়ার স্মরণ। এই দুই বছরের সময়ে, ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৭,০০০ এর বেশি মানুষ মারা গেছেন এবং প্রায় ১০,০০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এর পাশাপাশি, এই সময়ে গাজায় দুই লক্ষ টনের বেশি বিস্ফোরক নিক্ষেপ করা হয়েছে।

    লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল–মায়েদিনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গাজা সরকারের জনসংযোগ কার্যালয় এক নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে এই দুই বছরের সংঘর্ষের ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ দেখা দিয়েছে, গণহত্যা চলছে, লাখো মানুষ পালানোর জন্য বাধ্য হয়েছে, এবং হাজারো সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত ৭৬,০০০ এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৭,১৩৯ জনের মরদেহ হাসপাতাল থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রায় ৯,০০০ মানুষ এখনও নিখোঁজ, যাদের অনেকের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

    নিহতদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি নারী, শিশু ও প্রবীণ মানুষ রয়েছেন। শিশু ২০,০০০ এর বেশি এবং নারীর সংখ্যা ১২,৫০০ এর বেশি। পুরো পরিবার একসাথে ধ্বংস হয়ে গেছে এমন ঘটনা ২,৭০০ এর বেশি। খুবই দুঃখজনকভাবে, এমন পরিস্থিতিতে হাজারো পরিবারে কেবল একজন সদস্যই জীবিত রয়েছেন।

    গাজার অভ্যন্তরে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও স্থলযুদ্ধের ফলে ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে। গোটা এলাকা এখন মানবিক বিপর্যয়ে পড়েছে। ইসরায়েলি সেনারা গাজার ৮০ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছে। দু’বছরে, ২০ লাখেরও বেশি মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যারা অনেকেই একাধিকবার জায়গা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইসরায়েল গাজায় ক্ষুধা ও জাতিগত দ্বন্দ্বের নীতি চালিয়ে যাচ্ছে। এই দুই বছরে গাজায় ২ লাখ টনের বেশি বোমা ও বিস্ফোরক নিক্ষেপ করা হয়েছে। মানবিক সহায়তার জন্য নির্ধারিত ‘নিরাপদ এলাকা’ আল–মাওয়াসিতে ১৩০ বার বেশি বোমা হামলা চালানো হয়েছে।

    অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, এই সংঘর্ষে ৩৮টি হাসপাতাল ও ৯৬টি ক্লিনিক ধ্বংস বা অচল হয়ে পড়েছে। ১৯৭টি অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ ১,৬০০ এর বেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছে। এছাড়া ২৫৪ জন সাংবাদিক, ১৪০ জন সিভিল ডিফেন্স কর্মী এবং ৫৪০ জন মানবিক সহায়তাকর্মী জীবন হারিয়েছেন।

    আহত হয়েছেন ১,৬৯,০০০ এর বেশি মানুষ। হাসপতালগুলো বর্তমানে চিকিৎসা দেওয়ার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। বিশ্বব্যাপী অনেক রোগীকে গাজর বাইরে চিকিৎসা নিতে অনুমতি দেওয়া হলেও, এখনও আটকা পড়েছেন প্রায় ২২,০০০ রোগী। পাশাপাশি, ৬ লাখ ৫০ হাজার শিশু মারাত্মক খাদ্যসংকটের মধ্যে রয়েছেন। দুধ, ওষুধ আর খাবারের সংকটের কারণে জীবন বিপন্নের মুখে।

    জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বারবার গাজায় সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রকাশ করছে। জাতিসংঘের তথ্যে, গাজার ২৪ লাখ মানুষ প্রায় সবাই মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল, এবং তারা ‘অভূতপূর্ব বঞ্চনার’ শিকার।

    জনসংযোগ কার্যালয় জানিয়েছে, গাজার ৯৫ শতাংশ স্কুলে ক্ষতি হয়েছে। ১৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এই সংঘর্ষে ১৩,৫০০ শিক্ষার্থী, ৮৩০ শিক্ষকসহ অসংখ্য গবেষক ও শিক্ষাবিদ নিহত হয়েছেন। ধর্মীয় স্থানগুলোও ধ্বংসের মুখে। ৮৩৫টি মসজিদ পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে, এমনকি কিছু গির্জাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন কবরস্থান কবরবাহী বা বোমা মেরে ধ্বংস করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজায় সরাসরি ক্ষতি হয়েছে ৭০ বিলিয়ন ডলার, এর মধ্যে আবাসন খাতে ২৮ বিলিয়ন, স্বাস্থ্য খাতে ৫ বিলিয়ন ও শিক্ষা খাতে ৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে। চাষযোগ্য জমি ও মাছের খাত প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে, যা দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির কারণ।

    সবশেষে, আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, গাজা পুরোপুরি ধ্বংসের দেওয়ালritt রুখে দিতে। অবরোধ তুলে দিয়ে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করা হয়েছে। যদিও জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার যুদ্ধাপরাধের তদন্তের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করলেও, নিরাপত্তা পরিষদের রাজনৈতিক বিভাজনের কারণে এই দাবি কার্যকর হয়নি।

    যখন গাজার যুদ্ধ তৃতীয় বছরেও প্রবেশ করছে, তখন পরিস্থিতি একেবারে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়েছে, ক্ষুধার্ত অবস্থায় বেঁচে থাকার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই পরিস্থিতিকে বর্ণনা করছে—‘৭৩০ দিনের গণহত্যা ও জাতিগত নিধন’।

  • ইন্দোনেশিয়ায় স্কুল ধসে নিহত ৫০, বিস্তারি উদ্ধার অভিযানে অভিযান শুরু

    ইন্দোনেশিয়ায় স্কুল ধসে নিহত ৫০, বিস্তারি উদ্ধার অভিযানে অভিযান শুরু

    ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভায় একটি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলের ভবন ধসে পড়ে মর্মান্তিক трагনায়ালয় সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে কমপক্ষে ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও শতাধিকStudents। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দুপুরের পর, সিদোয়ার্জো শহরের আল খোজিনি ইসলামিক বোর্ডিং স্কুলে।

    প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকারীরা জানাচ্ছেন, সেই সময় স্কুলে অনেক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল। ভবনের উপরতলায় তখন নতুন একটি তলা নির্মাণের কাজ চলছিল, যা মূল কাঠামোর জন্য যথেষ্ট ভিত্তি বা শক্তির সুবিধা না থাকায় ধসে পড়ে। ফলে সিঁড়ির কাছাকাছি অংশসহ পুরো ভবনের শিরদাঁড়া ঝুলে পড়ে, নিচের ক্লাসগুলো একেবারেই চাপা পড়ে যায় ধ্বংসস্তূপে।

    ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় উদ্ধার সংস্থা ‘বাসারনাস’ জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫০টির বেশি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি, জীবিত অবস্থায় আরও ১০৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো ১৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, এবং উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

    সংস্থাটির অপারেশন পরিচালক ইউধি ব্রামান্তিও বলছেন, ধসে পড়া ভবনের ৬০ শতাংশ ধ্বংসস্তূপ ইতোমধ্যে সরানো হয়েছে। তবে, ধ্বংসের ক্ষতি স্কুলের পাশের একটি ভবনকেও স্পর্শ করেছে, ফলে পুরো এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে বেশিরভাগই ওই পাশের ভবনের বাসিন্দা বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরেকটি উদ্ধারকারী সংস্থা বিএনপিবির তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান আবদুল মুহারি বলছেন, আহতদের মধ্যে ৮৯ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নদির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১৫ জন।

    স্থানীয় শিক্ষকরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি স্কুলের শ্রেণীকক্ষ বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসাবে ছাদের ওপর একটি নতুন তলা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু নির্মাণের আগে স্কুলের মূল কাঠামো বা ভিত্তির নিরাপত্তা যাচাই করা হয়নি, ফলে নির্মাণকাজের চাপে ভবনটির অবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে, এবং শেষ পর্যন্ত এটি ধসে পড়ে।

    বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, স্কুলের মতো স্পর্শকাতর স্থাপনা এ ধরনের গাফিলতি মারাত্মক বিপদের কারণ হতে পারে। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।

    সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

  • ইসরায়েল গ্রেটা থুনবার্গসহ ১৬৫ অভিযাত্রীকে গ্রীসের পথে পাঠাচ্ছে

    ইসরায়েল গ্রেটা থুনবার্গসহ ১৬৫ অভিযাত্রীকে গ্রীসের পথে পাঠাচ্ছে

    ইসরায়েল শনিবার (৪ অক্টোবর) তাদের পক্ষ থেকে জানিয়েছে যে, গ্রেটা থুনবার্গসহ গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ১৫৬ জন অভিযাত্রীকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এই খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আই ২৪ নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই বিশেষ অভিযানে গ্রীসের নাগরিকদের পাশাপাশি গ্রেটার মতো বিশ্ববিখ্যাত ব্যক্তিত্বকে একটি বিশেষ বিমানে করে গ্রীসের উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে। এই অভিযান শুরু হয় ৩১ আগস্ট, যখন স্পেনের বন্দরে থেকে গাজা উপকূলের দিকে বেশ কয়েকটি নৌকা যাত্রা শুরু করে। সেগুলোর মধ্যে ছিল গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা, যেখানে ছিল ৪৩টি নৌযান। এই ফ্লোটিলার মূল উদ্যোক্তা হল ফিলিস্তিন ভিত্তিক চারটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা—ফ্রিডম ফ্লোটিলা ফাউন্ডেশন, গ্লোবাল মুভমেন্ট টু গাজা, মাগরেব সুমুদ ফ্লোটিলা এবং সুমুদ নুসানতারা।

    বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা এই অভিযানে অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে রয়েছে সুইডেনের পরিবেশ আন্দোলন কর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি মান্ডোলা ম্যান্ডেলাস, এছাড়াও বিভিন্ন পেশাজীবী ও স্বেচ্ছাসেবক। তাদের মধ্যে ছিল পার্লামেন্টারিয়ান, আইনজীবী, রাজনৈতিক আন্দোলনকারী এবং সাধারণ স্বেচ্ছাসেবক।

    কিন্তু ইসরায়েল এই অভিযানে বাধা দেয়। প্রথমে বুধবার (১ অক্টোবর) রাতে ১৩টি নৌযান তাদের নৌবাহিনীর দ্বারাই আটক হয়, এরপর আরও ৩০টি জাহাজ জব্দ করা হয়। এই জাহাজগুলো গাজার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। সবশেষে এসব জাহাজ এবং অভিযাত্রীদের ইসরায়েলের আশদোদ বন্দরে রাখা হয়েছে।

    আই ২৪ নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কিছু অভিযাত্রীর বিরুদ্ধে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

    অন্যদিকে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়, আটক অবস্থায় গ্রেটাকে ইসরায়েলের সুইডিশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়। গ্রেটা বলেছেন, তাকে একটি পরিপূর্ণ চৌবাচ্চার মতো কারাদণ্ডে রাখা হয়েছে, যেখানে তাকে প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয় দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়াও, তাকে জোর করে ইসরায়েলি পতাকাকে চুমু দিতে এবং পতাকাটি ধরে ছবি তুলতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

  • সৌদিতে ১৮ হাজার ৬৫০ প্রবাসী গ্রেফতার, অধিকাংশই দুই দেশের নাগরিক

    সৌদিতে ১৮ হাজার ৬৫০ প্রবাসী গ্রেফতার, অধিকাংশই দুই দেশের নাগরিক

    সৌদি আরবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন অভিযানে অসংখ্য প্রবাসীকে গ্রেফতার করেছে। জাতীয় নিরাপত্তা ও শ্রম ব্যবস্থা লঙ্ঘনের অভিযোগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত সমস্ত দেশের প্রবাসীসহ মোট ১৮ হাজার ৬৫০ জন প্রবাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব অভিযান দেশের বিভিন্ন স্থানে চালানো হয়েছিল। সৌদি সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে বেশীরভাগই আবাসন আইন লঙ্ঘন, সীমান্ত নিরাপত্তা ভাঙা এবং শ্রম আইন অমান্য করেছিল। Specifically, ১০ হাজার ৬৭৩ জন আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে, ৩ হাজার ৮২২ জন সীমান্তে অবৈধ প্রবেশের চেষ্টায়, এবং ৪ হাজার ১৭৮ জন শ্রম আইনের লঙ্ঘনে অভিযুক্ত। দেশে অবস্থান করা বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি সংস্থা যৌথভাবে এই অভিযানে অংশ নিয়েছে। পাশাপাশি, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টায় ১ হাজার ৪৭৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে ইয়েমেনি ৫৯ শতাংশ, ইথিওপিয়ান ৪০ শতাংশ, এবং অন্যান্য দেশের নাগরিকরা ১ শতাংশ। এছাড়া, অবৈধভাবে সৌদি ছাড়ার চেষ্টাকারী ৫২ জনও এই তালিকায় রয়েছে। তাছাড়া, আবাসন ও কর্মবিধি লঙ্ঘন করে যারা বাসস্থান বা পরিবহন ব্যবস্থা করে দিচ্ছিল, তাদের মধ্যে ১৭ জনকেও গ্রেফতার করা হয়। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের এই ধনী দেশের জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৪৮ লাখ, যেখানে বিভিন্ন দেশের অনেক লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদিকে নিয়মিত ভাবে বিচারবিভাগের মাধ্যমে আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানো হয় এবং অবৈধ প্রবাসীদের আটক করা হচ্ছে—এমন খবর তারা নিয়মিত প্রকাশ করে থাকেন।

  • অজ্ঞান করে টাকা-মোবাইল লুটের ঘটনায় যুবক হাসপাতালে

    অজ্ঞান করে টাকা-মোবাইল লুটের ঘটনায় যুবক হাসপাতালে

    নগরীর জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকাগামী পথে অজ্ঞান পার্টির শিকার হন অয়াজেদুল (২৭) নামে এক যুবক। এই ঘটনাটি রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নোয়াপাড়া এলাকায় ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অয়াজেদুল ঢাকাস্থ এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন, যার বাড়ি ডুমুরিয়া উপজেলার শরাফপুর বাজারে। তাঁর পিতা মোজাফফর হাওলাদার।

    জানাগেছে, অয়াজেদুল জিরো পয়েন্ট থেকে রাজিব পরিবহনে করে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। চলন্ত পথে, অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা তাকে সম্মোহিত করে ফেলেন। এর ফলে, তার কাছে থাকা স্যামসাং এবং রেডমি কোম্পানির দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন সহ মানিব্যাগে থাকা নগদ ৭০০ টাকা দ্রুত লুট করে নিয়ে যায় তারা।

    পরে, অয়াজেদুলের কাছ থেকে তার এনআইডি কার্ডের সূত্রধরে তার পরিবারের লোকজনের মাধ্যমে খুলনায় পাঠানো হয়। এই ঘটনার পর স্থানীয়রা থানায় রিপোর্ট দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পুলিশও এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগ খতিয়ে দেখছে।

  • বাগেরহাটে সাংবাদিক হত্যার মামলা দ‍ুই দিনের মধ্যে

    বাগেরহাটে সাংবাদিক হত্যার মামলা দ‍ুই দিনের মধ্যে

    বাগেরহাটে সাংবাদিক ও বিএনপি নেতা হায়াত উদ্দিন হত্যার ঘটনায় দেরিতে হলেও অবশেষে মামলা দায়ের হয়েছে। রোববার সন্ধ্যায় হায়াত উদ্দিনের মা হাসিনা বেগম এই মামলাটি করেন। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে মোঃ ইসরাইল মোল্লাসহ আরও ৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ তাদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    অতীতের ঘটনা হলো, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের হাড়িখালি এলাকায় দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক ৪০ বছর বয়সী এস এম হায়াত উদ্দিনকে ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি দিয়ে একদম নির্মমভাবে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। হামলাকারীরা ছিলেন একই এলাকার মোঃ ইসরাইল মোল্লা ও তার সহযোগীরা। আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত বাগেরহাট ২৫০ শয্যা হাসপাতাল নেয়া হয়, কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    শনিবার বিকেলে খুলনা মেডিকেল কলেজের মর্গে মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়, এরপর এলাকায় উপস্থিত জনতার স্বস্তির জন্য তাকে দাফন করা হয়। জানাজা শেষে তার দাফন কার্য সম্পন্ন হয়।

    প্রধান অভিযুক্ত মোঃ ইসরাইল মোল্লা হাড়িখালি এলাকার মোঃ আব্দুস সালাম মোল্লার ছেলে। তিনি বিএনপি’র কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত এবং ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হেলথ কেয়ার সোসাইটির বাগেরহাট জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগ রয়েছে।

    বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাহমুদ-উল-হাসান বলেন, হায়াত উদ্দিনের মা হাসিনা বেগম মামলা দায়ের করেছেন এবং তদন্ত চালিয়ে আসামীদের বিচারের জন্য চেষ্টা চলছে।

  • আগামী বাংলাদেশের পুনর্গঠনের জন্য ৩১ দফার রূপরেখা

    আগামী বাংলাদেশের পুনর্গঠনের জন্য ৩১ দফার রূপরেখা

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, জনগণের উচিত দেশের উন্নয়নের জন্য এখনই এগিয়ে আসা এবং ভবিষ্যৎ শক্তিশালী করতে ৩১ দফা সংস্কার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। তিনি একথা বলেন রোববার নগরীর দৌলতপুরের পূর্বপাড়া ৪নং ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর সঙ্গে উঠান বৈঠককালে। বকুল উল্লেখ করেন, বিএনপি শুরুর দিন থেকেই শিক্ষাব্যবস্থা অবৈতনিক করে দিয়ে আখেরে দেশের সুশিক্ষিত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে চেয়েছিল। তখন বেগম খালেদা জিয়া বুঝেছিলেন, একজন সুশিক্ষিত মা সমাজকে বদলে দিতে পারে। এই ধারণা থেকে ইন্টারমিডিয়েট পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের জন্য বিনা বেতনে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। তিনি বলেন, তখন ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে কর্মসূচিগুলোর মাধ্যমে পথশিশুদের জন্য ‘পড়ালেখার বিনিময়ে খাদ্য’ কর্মসূচি শুরু হয়েছিল, যেখানে সরকার তাদের শিক্ষার মাধ্যমে অর্থ ও খাওয়ার ব্যবস্থা করত। দুর্ভাগ্যবশত, গত ১৫ বছর ধরে এসব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে, দেশনেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রণীত ৩১ দফা সংস্কার রূপরেখা প্রমাণ করে, তিনি দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কতটা দূরদর্শী। তিনি আরও জানান, এই দফাগুলোর প্রস্তাব ৫ আগস্টের বহু আগে তৈরি হয়েছিল, কারণ তিনি জানতেন যে এক সময় শেখ হাসিনাকে ছেড়ে যাবে, এবং তখনই দেশের পুনর্গঠনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। বকুল বলেন, ৩১ দফা একা তৈরি হয়নি; এটি বিভিন্ন সেক্টরের পেশাজীবী, বিশেষজ্ঞ ও নাগরিক মতামত নিয়ে গড়ে উঠেছে। যারা আজ সংস্কার নিয়ে বড় বড় কথায় থাকেন, তাদের পরিকল্পনার ৯০ শতাংশই তাদের সঙ্গে মিল রয়েছে। আমরা দেশের মঙ্গল ও জনগণের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করি—এটাই ৩১ দফার মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, এই আলোচনা সভার মূল লক্ষ্য হলো জনগণের কথা শোনা এবং তাদের সমস্যা, দলের দুর্বলতা বা ভবিষ্যতে প্রত্যাশা লিপিবদ্ধ করা। সরকারের কাছে পৌঁছে, এই বিষয়গুলো সমাধানে কাজ করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে দেহের নেত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এসব সমস্যা স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন দৌলতপুর থানা বিএনপির সহ-সভাপতি শেখ কামরুল ইসলাম বাচ্চু। উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি মুরশিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মতলেবুর রহমান মিতুল, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সরদার লিয়াকত হোসেন লাবলু, সাধারণ সম্পাদক শেখ আরমান হোসেন এবং বিভিন্ন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, যেমন রুবায়েত হোসেন বাবু, শেখ রফিকুল ইসলাম, এরশাদ হোসেন ডাবলু, কচি, কবীর, মফিজুল, মিজা, শেখ নাহিদ, খসরু, পলাশ, ডিকলার, আলমগীর কবীর প্রমুখ। এরপর বকুল খানজাহান আলী থানাধীন যোগীপোল ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন, যেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি নিজে। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানার সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুন শেখ এবং ইউনিয়নের সভাপতি শেখ আলমগীর হোসেন। দিনের শেষ কর্মসূচিতে তিনি খুলনা আড়ংঘাটা থানাধীন খানাবাড়ি শাহী জামে মসজিদ ও নূরে মদিনা মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।

  • খুলনায় মুজিব লোগো সম্বলিত লিফলেট বিতরণের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন কেডিএ চেয়ারম্যান

    খুলনায় মুজিব লোগো সম্বলিত লিফলেট বিতরণের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন কেডিএ চেয়ারম্যান

    খুলনার শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত একটি সরকারি অনুষ্ঠানে মুজিব দিবসের লোগো সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে। বহু দর্শক ও উপস্থিত অতিথি এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। একদিকে কিছু ব্যক্তি পরিস্থিতির বোঝাপড়া না থাকায় বিষয়টি না জানার ভান করছেন, আবার অন্যরা ক্ষমা চাচ্ছেন সেই ভুলের জন্য।

    আজ সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে খুলনার শিল্পকলা একাডেমিতে বসতি দিবসের বিভিন্ন আর্দ্র অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। র‌্যালি, আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা সহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হয়। তবে এরই মধ্যে ঘটনা জানাজানি হলে বিষয়টি আরও বিতর্কিত হয়ে পড়ে। আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মুজিব লোগো সম্বলিত এই লিফলেট। এটি ছাপানো হয়েছিলো আগের আওয়ামী লীগ সরকারের সময়, যা বর্তমানে যোগ্যতার সাথে লড়াই করে চলা শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেও দেখা গেছে।

    পূর্ববর্তী এই পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষের কর্মকাণ্ডে উপস্থিত অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে 이에 বিরোধিতা করেন। তারা বলেন, খোভজনক এই কার্যক্রম জাতির গৌরবময় ইতিহাসের প্রতি অসম্মান।

    জানানো হয়, লিফলেটে পরিলপ্ত নামের একটি শাখার নাম রয়েছে। তবে এই ব্যাপারে পরিকল্পনা কর্মকর্তা তানভীর আহম্মেদ বলেন, তিনি এই লিফলেটে জড়িত নন এবং কোনো ভুল স্বীকার করেননি। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি এই লিফলেট তৈরি বা বিতরণের সঙ্গে জড়িত নই, এজন্য এর দায় আমার নয়।’ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘কারা দায়ী তার জন্য জিজ্ঞেস করুন যারা এর সঙ্গে যুক্ত।’

    অপরদিকে, এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহাংগীর হোসাইন। তিনি বলেছেন, ‘ভুলবশত এই লিফলেটগুলো চলে এসেছে। আমরা সকলের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।’ এর পাশাপাশি তিনি আরও জানিয়ে দেন, দায়িত্বে অবহেলা বা এই ঘটনা ঘটানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

  • জামায়াত ক্ষমতায় এলে মুসলমান হয়ে সার্টিফিকেট নিতে হবে, বললেন বিএনপি নেতা

    জামায়াত ক্ষমতায় এলে মুসলমান হয়ে সার্টিফিকেট নিতে হবে, বললেন বিএনপি নেতা

    বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল বলেছেন, যদি কখনও জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসে, তবে তাদের কাছে থেকে মুসলমান হিসেবে স্বীকৃতি নিতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত ইতিমধ্যে বিদেশি শক্তিকে খুশি করতে দলীয় লোগো পর্যন্ত পরিবর্তন করেছে। এই ধরণের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে একদিন তারা হাফপ্যান্টও পরবে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। গতকাল রোববার বিকেলে খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলা যুবদল আয়োজিত এক যুবসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।