Month: October 2025

  • ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের মুখে মেহজাবীন-আরশ খানের সমালোচনা

    ইয়াশ রোহানকে কটাক্ষের মুখে মেহজাবীন-আরশ খানের সমালোচনা

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ইয়াশ রোহান তার অভিনয় দিয়ে সবসময় দর্শকদের মন জয় করে আসছেন। সিনেমা আর নাটকে তার উপস্থিতি দর্শকদের মাঝে খুবই প্রশংসিত। সম্প্রতি তার এক পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। গত বৃহস্পতিবার, বিজয়া দশমির দিনে তিনি কপালে সিঁদুর তিলক দিয়ে দুর্গার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছবি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন। ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘শুভ বিজয়া।’ এই ছবিটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং সেটি নিয়ে মন্তব্যের ঝড় শুরু হয়। অনেক নেটিজেন সেখানে তার ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং বিদ্রুপমূলক মন্তব্য করে, যেমন—‘মুসলমান ভেবে ভুল করেছি’, ‘আপনি এতদিন মুসলিম ভেবেছি নাটকগুলোও তাই ভাল লাগতো’, ‘তাহলে এখন থেকে আর দেখব না আপনার নাটক’। এই ধরনের অসংখ্য কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যে ভরপুর হয় তার পোস্ট। এমন পরিস্থিতি বিনোদন অঙ্গনের তারকাদের জন্য সহজ নয়। তারা এসব দেখে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সমালোচকদের ঠেসে ধরেন। তার মধ্যে অন্যতম আছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও আরশ খান। মেহজাবীন নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কারো পোস্টে বাজে মন্তব্য করা, স্ল্যাং ব্যবহার করা কিংবা ভুয়া প্রোফাইল দিয়ে কথা বলা আপনাকে সাহসী না করে বরং আপনার মানসিকতার গভীরতা প্রকাশ করে। এই ঘৃণা ও অহেতুক বিদ্বেষ কীভাবে আপনি রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারেন?’ অন্য দিকে, অভিনেতা আরশ খান বলেছেন, ‘ইয়াশ রোহান বাংলাদেশের অন্যতম একজন স্বনামধন্য অভিনেতা। তার অভিনয় আর ব্যক্তিত্বই তার পরিচয়। তিনি তার ধর্ম বা কোন অঞ্চলের মানুষ হিসেবে পরিচিত নন। তিনি শুধুমাত্র তার শিল্পকর্মের মাধ্যমে এইদেশের মানুষ ও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। ধর্ম তো সবারই, দেশ সবার।’ এই বিভাজনকে অতিক্রম করে ইয়াশ রোহান মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি খুবই সরল ও মানসিকতায় এগিয়ে থাকেন। তার মন্তব্যের ঘরে কটাক্ষের জবাবেও সরলতা ও শ্রদ্ধার ছাপ দেখা গেছে। তবে সব প্রতিক্রিয়া নেতিবাচক নয়, কিছু মানুষ তার জন্য ভালোবাসাও প্রকাশ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘আজকে জেনেছি যে রোহান ভাই হিন্দু। ভাল লেগেছে, ভালোবাসা অবিরাম ভাই।’ আরেকজন বলেছেন, ‘কমেন্টগুলো দেখে বোঝা যায় মানুষের মানসিকতা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে।’ ইয়াশ রোহান বরেণ্য অভিনেতা নরেশ ভূঁইয়া ও শিল্পী সরকার অপুর ছেলে। তিনি গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমার জগতে পা রাখেন। তিনি বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় তারকা ও শক্তিশালী অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

  • বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, দাবি ব্যান্ড সদস্যের

    বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়েছে জুবিনকে, দাবি ব্যান্ড সদস্যের

    প্রখ্যাত ভারতীয় গায়ক জুবিন গার্গের মৃত্যু নিয়ে দেশের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এবার তার ব্যান্ডের সদস্য এবং প্রধান সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী অভিযোগ করেছেন, জুবিনকে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তার ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা ও ইভেন্ট ম্যানেজার.sh্যামকানু মহন্ত।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রিমান্ডের নোটে গোস্বামী দাবি করেছেন, জুবিনের মৃত্যু ছিল একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। এই হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা ছিল যাতে এটিকে দুর্ঘটনা বলে চালানো যায়। এজন্য সিঙ্গাপুরের প্যান প্যাসিফিক হোটেলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যেখানে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ৫২ বছর বয়সি জুবিন গার্গ ভারতীয় ও আঞ্চলিক পর্যটন উদযাপনের সময় ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি আরেকটি দ্বীপের কাছাকাছি সাঁতার কাটার সময় ডুবে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন, যা প্রাথমিক ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    রিমান্ডের বরাতে নিউজ ১৮ জানিয়েছে, মূল সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী গুরুতর কিছু অভিযোগ করেছেন। তিনি আরও বলছেন, যখন জুবিনের মুখ ও নাক দিয়ে ফেনা বের হচ্ছিল, তখন তার ম্যানেজার শর্মাকে চিৎকার করে বলতে শুনেছেন, “যাব দে, যাব দে”। তখন শর্মা কোনও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না করে কেবল বলেছিলেন এটি ‘অ্যাসিড রিফ্ল্যাক্স’। সাক্ষীরা মনে করছেন, এই অবহেলা জুবিনের মৃত্যুর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    গোস্বামী আরও দাবি করেছেন, জুবিন একজন দক্ষ সাঁতারু ছিলেন, ফলে স্বাভাবিকভাবে ডুবে যাওয়ার কোনও কারণ ছিল না। তিনি আরও বলেছেন, শর্মা কিছু ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করতে বারণ করেছিলেন যাতে ইয়টের দুর্ঘটনার প্রমাণ ধামাচাপা দেওয়া যায়।

    বর্তমানে এই ঘটনায় মোট চারজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে জুবিনের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, ইভেন্ট ম্যানেজার শ্যামকানু মহন্ত, ব্যান্ডের একজন সদস্য ও প্রধান সাক্ষী শেখর জ্যোতি গোস্বামী এবং আরেকজন সহশিল্পী রয়েছেন।

  • রুশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার গোপন বাগদান

    রুশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডার গোপন বাগদান

    দক্ষিণ ভারতের বিখ্যাত অভিনেত্রী রুশমিকা মান্দানা এবং জনপ্রিয় অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা শেষ পর্যন্ত তাঁদের বহু বছরের প্রেমের সম্পর্কের সম্পর্কে নতুন একটি পরিধি যোগ করলেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই দুই তারকা আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান সম্পন্ন করেছেন।

    এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে, এই আবেগময় ঘটনার সময়ে তাঁদের পরিবারের নিকটজন এবং কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে এই বাগদান সারেন তারা। তবে এখনো দম্পতি নিজ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেননি।

    আনুমানিক সংবাদ অনুযায়ী, এই প্রেমের জুটি আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। ভক্তরা এই সংবাদে বেশ উচ্ছসিত ও উত্তেজিত হয়ে উঠছেন, কারণ এই সম্পর্কের দীর্ঘ দিনের গুঞ্জন বেশ দিন ধরেই চলছিল।

    সম্প্রতি রুশমিকা তার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি শেয়ার করে এই জল্পনাকে নতুন করে জোরদার করেছেন। দোলের দিন তিনি ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে, কপালে তিলক লাগানো একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবি ক্যাপশনে লেখেন, ‘শুভ দোলার প্রিয়জন… এই বছর আমি সত্যিই খুব কৃতজ্ঞ। কারণ, “তাম্মা” ট্রেলার এবং আমাদের গানের জন্য আপনি যে ভালোবাসা দেখাচ্ছেন, সেটা আমার জন্য অনেক বড় উৎসাহের। আপনারা যে উত্তেজনা এবং সমর্থন দেখাচ্ছেন, তা আমার কাজের অভিগমন আরও উজ্জ্বল করে তোলে। খুব শিগগিরই সিনেমার প্রচার শুরু হবে, আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য আমি অপেক্ষা করতে পারছি না।’

    তিনি এই পোস্টের মাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে কিছু বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে মনে করছে অনুরাগীরা।

    শিল্পী হিসেবে রুশমিকা মান্দানাকে দেখা যাবে পরিচালক আদিত্য সারপোতদার পরিচালিত ভৌতিক-কমেডি ছবি “তাম্মা”য়। এটিতে তাঁর বিপরীতে রয়েছেন আয়ুষ্মান খুরানা। এই ছবিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী, পরেশ রাওয়ালসহ অন্যরা। ছবিটি ২১ অক্টোবর মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

    অন্যদিকে, বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গৌতম তিন্নানুরির তেলুগু স্পাই অ্যাকশন-থ্রিলার “কিংডম” (২০২৫) ছবিতে।

  • অভিনেত্রী বাঁধনের অনুভূতি: আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী বাঁধনের অনুভূতি: আমি ব্যর্থ হয়েছি

    অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ছাত্র আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন। তিনি সরব হয়ে রাজপথে নেমেছিলেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি এখনও উঠে আসা বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি নিজের মনোকথাও শেয়ার করেন। হঠাৎ করে তিনি জানালেন, তিনি সত্যিই ব্যর্থ হয়েছেন।

    রোববার তিনি তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি এমন এক মেয়ের স্বপ্ন দেখতাম, যে সবাইকে খুশি করতে পারে— যে অনুগত, বাধ্য এবং শান্তিপূর্ণভাবে সব কিছু মানিয়ে নিতে পারে। কিন্তু আমি সেই ধরণের মানুষ হতে পারিনি। আমি চেষ্টা করছিলাম, পরিবারের প্রত্যাশিত মেয়ে হওয়ার, সমাজের তৈরি ‘নারী’ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে। তবে আমি ব্যর্থ হয়েছি। এই ব্যর্থতার জন্য আমি নিজেকেই ধন্যবাদ জানাই।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি কারও নিয়ন্ত্রিত স্ক্রিপ্টে বাঁচার জন্য জন্মিনি। আমার কথা অনেকের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে, আমার কাজ অনেকের জন্য সান্ত্বনার সীমা ভেঙে দেয়। আমি সহজ মানুষ নই, তবে নির্মমও নই। আমি কাউকে আঘাত দেই না বা অসম্মান করি না, যদিও কেউ আমার প্রতি তা করে।’

    অভিনেত্রীর কথায়, এই মাসের শেষের দিকে তার জন্মদিন। তিনি বলেন, ‘চল্লিশের পর আমি নিজের সঙ্গে শান্তিতে আছি। এখন আমি নিজের মতো করে বাঁচি— স্বাধীনভাবে, সত্যি বলি, কোন ক্ষমাপ্রার্থনা না করেই। যদি কেউ এটা পছন্দ না করে, উপেক্ষা করুক, ব্লক করুক বা ঘৃণা করুক— আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, যাদের আমি অস্বস্তিতে ফেলি, তাদের পাশাপাশি আমার অনেক ভালোবাসে, বোঝে এবং আমার সত্যে শক্তি খুঁজে পায়। সবচেয়ে বড় কথা, আমি নিজেকে ভালোবাসি।’

    শেষে তিনি বলেন, ‘আমি ভাঙা নই। আমি শুধু সেই পৃথিবীর বিরুদ্ধে আছি, যেখানে এখনো আসল নারীকে ভয় করে। তোমায় ভালোবাসি, আজমেরী হক বাঁধন। তুমি যে নারী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলে, শেষ পর্যন্ত সেই নারীই হয়ে উঠেছো।’

  • শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূনের জীবনের নানা স্মৃতি এবং মনোভাব প্রকাশ

    শাওনের ফেসবুক পোস্টে হুমায়ূনের জীবনের নানা স্মৃতি এবং মনোভাব প্রকাশ

    প্রয়াত জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক বই ‘নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ’ থেকে এক হৃদয়স্পর্শী অংশ নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন। নিউইয়র্কে ক্যানসারের চিকিৎসার সময়ে লেখক এই বইটি লিখেছিলেন, যেখানে তিনি তার মানসিক দুর্বলতা এবং বিকৃত মানসিকতার মানুষের নির্মমতা তুলে ধরেছেন।

    রোববার, ৫ অক্টোবর, নিজের ফেসবুক পেজে শাওন প্রকাশ করেছেন কিভাবে তার স্বামী হুমায়ূন আহমেদ অসুস্থতার সময় কিছু বিদ্রুপ মন্তব্যের শিকার হয়েছিলেন। একজন ব্যক্তি লিখেছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে শিক্ষা দিলেন।’

    একদিন শাওন লক্ষ্য করেন, তার স্বামী কম্পিউটারে বসে ফেসবুকে দেখছিলেন, চোখে অশ্রু জমে রয়েছে। তিনি জানতে চান সমস্যা কী। স্বামী বলেন, মন খারাপ, কিছু বলতে চান না। পরে শাওন জানতে পারেন, ফেসবুকে একজন ব্যক্তির দেওয়া মন্তব্যে তার মন আঘাতপ্রাপ্ত। সেখানে লেখা ছিল, ‘তোমার উচিত শিক্ষা হয়েছে। আমি খুশি যে আল্লাহ তোমার স্বামীকে ক্যানসার দিয়ে শিক্ষা দিলেন।’ এমন মন্তব্য শাওনের মেয়ের মৃত্যুর সময়ও বহু মানুষের কাছ থেকে এসেছিল। তাদের একটিতে লেখা ছিল, ‘তোমার কঠিন শাস্তি হওয়ায় আমরা খুশি। আরও শাস্তি হবে।’ এই ধরণের কথা শুনে শাওন ভেঙে পড়লেও, তার স্ত্রী তাকে সাহস দেন এবং বলেন, ‘আমরা মানসিক অসুস্থ অনেক মানুষকে বুঝতে পারি। তাদের নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। তোমার জন্য বিশ্বাস রাখো, অসংখ্য মানুষ তোমাকে ভালোবাসে ও শুভকামনা করে।’

    শাওনের লেখা অনুযায়ী, এক পর্যায়ে তিনি এই বোধের উন্নতি করেন যে, এই ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য সাধারণ মানুষের হয়তো অপ্রাপ্তি বা মানসিক অস্থিরতার ফল। তিনি বলেন, কেবল ইতিবাচক মানুষকেই গুরুত্ব দিতে হবে। একবার তিনি দেখলেন একজন ব্যক্তি কাবা শরিফ থেকে এসেছেন এবং বললেন, ‘আমি স্যারের জন্য দোয়া করতে এসেছি।’ এরপরই তিনি জানতে পারলেন, এই ব্যক্তি তার জন্য শুভকামনা জানিয়ে যাচ্ছেন। এভাবেই তিনি হাসি হাসতে শিক্ষিত হন।

    অতসার জীবনে হুমায়ূন আহমেদ বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে দেখেছেন, যারা বিকৃত মানসিকতার শিকার। তার একটি অভিজ্ঞতাও তিনি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, তখন গেটের সামনে এক যুবক হঠাৎ হঠাৎ বলে উঠল, ‘তোমার লেখা আমার জঘন্য লাগে’। এই কথা শুনে তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন, ‘এই কথাটা বলার জন্য এত ঝামেলা কেন?’ ওই যুবক জবাবে বলল, ‘কারণ কারোর সাহস নেই আপনাকে সরাসরি এসব বলতে। সবাই আপনার পিছনে চামচা’। সেই সময় একটি ইংরেজি কথাও বললেন যুবক, ‘আই ওয়ান্ট ইউ টু ডাই সুন’ (আমি চাই আপনি শিগগির মারা যান)। এর উত্তরে হুমায়ূন বলেন, ‘আমি আশা করি, তোমার জীবন দীর্ঘ ও meaning-full হবে।’ এই ঘটনা বর্তমান সমাজে বিকৃত মানসিকতার মানুষের বেড়ে ওঠার দিকটি ফুটিয়ে তোলে।

  • বিসিবি নির্বাচনের পেছানোসহ তিন দাবিতে সংগঠকদের প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি

    বিসিবি নির্বাচনের পেছানোসহ তিন দাবিতে সংগঠকদের প্রধান উপদেষ্টার কাছে চিঠি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন আগামীকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা আরও বাড়েনি, বরং নির্বাচন ঘিরে অস্বস্তি ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। গত শনিবার সংগঠকরা এক সংবাদ সম্মেলনে তফসিল পরিবর্তন, নির্বাচন পেছানোর দাবি ও তিন দফা দাবিতে পুনরায় আন্দোলনের সূচনা করেন। তারা এখন বৃহত্তর আলোচনার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে একটি স্মারকলিপি পেশ করেছেন।

    আজ রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষ থেকে সংগঠকদের পক্ষে এই স্মারকলিপি পাঠানো হয়, যেখানে তারা চলমান সংকটের সমাধানে তিনটি মূল প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। প্রথমত, বিসিবির বর্তমান নির্বাহী পর্ষদ সময় বাড়িয়ে পুনঃতফসিলের মাধ্যমে নির্বাচন আয়োজন, কাউন্সিলরশিপ সংক্রান্ত বিতর্ক এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিদ্যমান নির্বাচন প্রক্রিয়া পুনঃনির্ধারণ। দ্বিতীয়ত, বিকল্প হিসেবে অ্যাডহক কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়ার সুপারিশ এবং শেষ পর্যন্ত নতুন নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে ভোটগ্রহণের প্রস্তাব।

    সংগঠকেরা অভিযোগ করেন, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হস্তক্ষেপ করে বিষয়টি জটিল করে তুলছে। তারা জানান, প্রথমে ১৫টি ক্লাবের অনুমতি প্রদান করলেও, বর্তমান সভানেতা আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বার্থান্বেষী মহলশাসিত পরিবেশের কারণে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর ফলে সুষ্ঠু নির্বাচন ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। গত কয়েক দফা বৈঠক হলেও কোনও সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ফলে সংগঠকরা তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বড় ক্লাবগুলোকে প্রভাবিত করে বিতর্কিত ব্যক্তিদের নির্বাহী পরিষদে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় রয়েছে কিছু কর্মকর্তা, যা গঠনতন্ত্রের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ঢাকা ও ঢাকার বাইরের প্রিমিয়ার ও বিভাগের ক্লাবগুলো দেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, তারা দেশের উন্নয়নে ব্যয় করে থাকে কোটি কোটি টাকা। তবে, এই মূল্যবান অবদান রয়েছে সংকটে। সংগঠকদের দাবি, বিভাগের ও জেলা পর্যায়ের কাউন্সিলর তালিকা সরকারের হস্তক্ষেপে ভয়ঙ্করভাবে আক্রান্ত হয়েছে। শীর্ষ ক্লাবগুলো যেমন মোহামেডান ও আবাহনী এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে সন্দিহান। পাশাপাশি, বর্তমান সভাপতির সময়ে ১৫টি তৃতীয় বিভাগীয় ক্লাবের টুর্নামেন্ট আয়োজনের শেষ বা ক্ষতি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ক্লাব সংগঠকদের অনেকে নিজেদের প্রত্যাহার করার চিন্তাভাবনা করছেন।

    আরও অভিযোগ রয়েছে, নির্বাচনের জন্য ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থায় ১২ পরিচালক পূর্বেই নির্বাচিত হয়েছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার সৃষ্টি করছে। সব মিলিয়ে, দেশের ক্রিকেট উন্নয়ন ও স্বচ্ছতার স্বার্থে এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার জন্য সকল পক্ষের সমঝোতা ও উদ্যোগের প্রয়োজন রয়েছে।

  • নারীবিশ্বকাপেও ভারতের সঙ্গে হাত না মিলালেন পাকিস্তানের অধিনায়ক

    নারীবিশ্বকাপেও ভারতের সঙ্গে হাত না মিলালেন পাকিস্তানের অধিনায়ক

    ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটের ঐতিহাসিক দ্বৈরথে রাজনৈতিক উত্তাপের প্রভাব আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ছেলেদের এশিয়া কাপের ম্যাচে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত না মিলিয়ে ভারতের খেলোয়াড়রা যে আচরণ দেখিয়েছিল, সেই ঘটনা এখন নারী বিশ্বকাপেও ফিরে এসেছে। আজ কলম্বোয় নারী বিশ্বকাপের ম্যাচের আগে টসের সময়ও দেখা গেল না ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর ও পাকিস্তানি অধিনায়ক ফাতিমা সানা হাত মেলাতে। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে ম্যাচের জন্য উভয় অধিনায়ক মাঠে নামলেও, চিরাচরিত সৌজন্যমূলক হাত মেলানো দেখা যায়নি। তারা একে অপরের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন। তবে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে টস জিতেছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক ফাতিমা সানা। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান। ভারতের প্রথম ম্যাচে তারা শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছে, অন্যদিকে পাকিস্তান হেরেছে বাংলাদেশের কাছে। শক্তির বিচারে এই ম্যাচে ভারতই ছিল অন্যতম প্রধান фавারিট। নারী ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে দুই দলের ১১টি সাক্ষাতের সবকটিতেই জয়ী হয়েছে ভারত। মাঠের লড়াইয়ে ভারতের আধিপত্য থাকলেও, হাতে হাত না দেওয়ার এই ঘটনা প্রসঙ্গে আলোচনায় এসেছে অনেক কিছুই। এটি শুধুই একটি ফুটেজের ঘটনা নয়, এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে দেশের ক্রিকেটের ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক প্রভাবের বিষয়গুলো।

  • বাংলাদেশের কারণে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের কারণে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ

    প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে ইতিমধ্যেই সিরিজের জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ছিল ‘ডেড রাবার’ ম্যাচ, যেখানে নাটকীয়তা ও উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আফগানিস্তানকে শূন্য করে হোয়াইটওয়াশ করতে সক্ষম হলো বাংলাদেশ। এর পেছনে মূল কৃতিত্ব তাদের দুর্দান্ত বলিং আক্রমণ, যার মধ্যে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাসুম আহমেদ ও তানজিম হাসান সাকিবের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এই তিন ক্রিকেটারের অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে আফগান ব্যাটসম্যানরা খুব বেশি রান সংগ্রহের সুযোগ পাননি, যেনো দেড়শর বেশি রানের লক্ষ্যও বেশ কঠিন হয়ে যায় তাদের জন্য। মাঝের কিছু সময়ে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ বেশ কঠিন পরিস্থিতিতে পড়ে গেলেও, সাইফউদ্দিনের অবদান তাদের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে ব্যাটিং করেন বাংলাদেশি ওপেনাররা। সফরকারীদের পক্ষে দারুণ শুরু করেন পারভেজ হোসেন ইমন, তবে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাই তাঁকে আউট করে দেন। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান ক্রমাগত আক্রমণে থাকেন। আফগান বোলারদের বিরুদ্ধে তারা নিয়মিত চার ও ছক্কার মারেনে রান তুলতে থাকেন। এর মধ্যে, তানজিদ হোসেন পঞ্চাশ ছুঁইয়ে জীবন পান। বিপদে পড়লেও দ্রুত ফেরত আসেন, তবে তার পরে ফের চমক দেখায় সাইফ হাসান; তিনি একের পর এক ছক্কা হাঁকিয়ে অপরাজিত ৬৪ রান করেন। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এই জয়ে বাংলাদেশ হাসিল করে ইতিহাস, তারা প্রথমবারের মতো তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে। বাংলাদেশি অধিনায়ক জাকির আলী অনিকের নেতৃত্বে দলে ছিলো উজ্জ্বল মনোভাব। শুরুতেই বাংলাদেশের স্পিনার মুজিব উর রহমানের মারকুটে ওভার দিয়ে ম্যাচের অপার সুযোগ তৈরি হয়। প্রথম ওভারে আফগানরা কিছুই করতে পারেনি, যা পুরো ম্যাচের ধারা পরিবর্তন করে দেয়। অনুরূপ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ওপেনাররা চালিয়ে যান। তবে মাঝপথে, যখন কিছু উইকেট পড়ে, বাংলাদেশ বেশ বিপদে পড়ে। কিন্তু সাইফের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং কখনো দলকে ভালই দিন আনে। তার ৭ ছক্কায় ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংস দেখিয়েছে দলের জয়ের জোরদার সম্ভাবনা। তানজিদও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন, যদিও তাকে জীবন পান। তিনি ক্যাচ ছেড়ে দিয়ে ফেরার আগে ৩৩ রান করেন। এরপর সাবলীলভাবে ব্যাটিং চালিয়ে যান সাইফ হাসান, এবং তাঁর ছক্কায় স্টেডিয়ামের বাইরে বল পাঠিয়ে দেন। তবে, এক ওভারেই ঘটে অপ্রত্যাশিত বিপদ; জাকের পাটোয়ারির বলে সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেট হন। তারপরের কিছু সময় বাংলাদেশিরা বেশ সংকটের মুখে পড়লেও, মাঠে দলের স্পিরিট ও মনোভাব বদলায়নি। সাইফের সর্বশেষ ইনিংসে, তিনি ৯২ মিটার দূরে ছক্কা হাঁকিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। তার সঙ্গে এশিয়া কাপের পর এই তৃতীয় পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস। শেষ পর্যন্ত, ৩৮ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন সাইফ হাসান। তার সতীর্থ নুরুল হাসান সোহান ১০ রানে থাকেন। আফগানিস্তানের পক্ষে দুটি উইকেট নেন মুজিব উর রহমান। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশের অঙ্গনে নতুন ইতিহাস লেখা হলো, যেখানে তারা প্রথমবারের মতো আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৩-০ ফাইনাল পরিসংখ্যান পেরিয়ে হোয়াইটওয়াশের জয়লাভ করে।

  • খুলনা বিভাগীয় তায়কোয়ানডো ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ 2025 অনুষ্ঠিত

    খুলনা বিভাগীয় তায়কোয়ানডো ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ 2025 অনুষ্ঠিত

    খুলনা বিভাগের বৃহৎ তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতা, ‘খুলনা বিভাগীয় তায়কোয়ানডো ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫’, সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল রবিবার যশোর জেলায় অবস্থিত ক্রীড়া জিমনেশিয়ামে this আসর অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগীদের পদচারণায় উৎসবের আবহ সৃষ্টি হয়েছিল। বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের উদ্যোগে এবং বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা খুলনা ও যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ তত্ত্বাবধানে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করে আটটি জেলার মোট ১৩০ জন ক্রীড়াবিদ, যার মধ্যে ৮৫ জন পুরুষ ও ৪৫ জন নারী। শিশু, যুবক ও যুবতীদের মধ্যে এই প্রতিযোগিতা নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থা এই আসরে মোট ২৪ স্বর্ণ, ১৯ রৌপ্য ও ১৩ তাম্র পদক লাভ করে, যা তাদের চূড়ান্ত বিজয়াধিকার নিশ্চিত করে। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা, যাদের কোলাকুলা স্বর্ণ সহ মোট ১৪ স্বর্ণ, ৮ রৌপ্য, ও ৭ তাম্র পদক অর্জন করে। নড়াইল জেলা সংস্থা যথাক্রমে ৪ স্বর্ণ, ৫ রৌপ্য ও ৩ তাম্র পদক নিয়ে দ্বিতীয় রানার্স আপ হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সভাপতি মেজর জেনারেল মোঃ হাবিব উল্লাহ, যিনি দেশের খ্যাতনামা ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব। বিশেষ অতিথির মধ্যে ছিলেন যশোর তায়কোয়ানডো অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস কে মোঃ ওয়ালিউর রহমান ও যশোর জেলা প্রশাসক মোঃ আজাহারুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন জেলার ক্রীড়া কর্মকর্তা, নেতৃবৃন্দ ও ক্রীড়াপ্রেমীরা, যারা উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন অতিথিরা, যা স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই আয়োজন। আসরের রেফারী ও পরিচালকদের প্রশংসায় ভরে উঠেছিল সার্বিক কার্যক্রম।

  • বিসিবি নির্বাচনে নাটকের শেষ হলো: ভোটাধিকার ফিরে পেল ১৫ ক্লাব

    বিসিবি নির্বাচনে নাটকের শেষ হলো: ভোটাধিকার ফিরে পেল ১৫ ক্লাব

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনের জটিল পরিস্থিতি এখন নতুন মোড় নিচ্ছে। পূর্বে যা ছিল অস্পষ্টতা ও জটিলতা, তার মধ্যে যুক্ত হয়েছে নাটকীয়তা এবং রায় পরিবর্তনের ঘটনা। সর্বশেষ আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটাধিকার হারানো ১৫টি ক্লাব আবারও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার পেয়ে গেল। এই পরিবর্তনের নায়ক হিসাবে উঠে এসেছে বিসিবির বর্তমান কাউন্সিলর লোকমান হোসেন ভূঁইয়া।

    এই পুরো ব্যাপারটির শুরু হয় ৩০ সেপ্টেম্বর। তখন সাবেক বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ হাইকোর্টে রিট দায়ের করে অভিযোগ করেন, এই ১৫টি ক্লাব নির্বাচন শুরু করার জন্য যে যোগ্যতা প্রয়োজন, তা তাদের নেই। হাইকোর্ট সেই রিটের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা দেয়, যেখানে ওই ১৫ ক্লাবকে নির্বাচনের প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেয়া হয়। এর ফলে, প্রাথমিকভাবে নির্বাচনী তালিকা থেকে এই ক্লাবগুলোর কাউন্সিলররা অপ্রাপ্তিহীন হয়ে পড়েন। এর মধ্যে ছিলেন নাখালপাড়া ক্রিকেটার্সের প্রতিষ্ঠিত মানুষ ও বিসিবির বর্তমান কাউন্সিলর লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। তিনি সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালতে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

    এরই প্রেক্ষাপটে ঘটে নাটকীয় পরিবর্তন। সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের সেই নির্দেশনা স্থগিত করে দেয়, ফলে বাদ পড়া ১৫ ক্লাবের ভোটাধিকার আবারও ফিরে আসে। এর ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আবারও নবায়ন হয় এবং ক্লাবগুলো আবারও ভোটদানে সক্ষম হয়।

    তবে এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে আলোচনায় আসে ইফতেখার রহমান মিঠু এর নাম। তিনি এই ১৫টি ক্লাবের মধ্যে একমাত্র এই প্রতিযোগিতায় বিসিবি পরিচালক পদে প্রার্থী ছিলেন। কিন্তু হাইকোর্টের রুলের পরে তার নাম প্রার্থীদের তালিকা থেকে কেটে যায়। এখন আবার মনে করা হচ্ছে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পরে মিঠু আবারও নির্বাচনী মাঠে ফিরতে পারেন, যদিও এই বিষয়ে এখনও বিসিবি বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

    সব মিলিয়ে, বিসিবির নির্বাচনী নাটকের শেষ কোথায়, তা এখনো পরিষ্কারভাবে বলা যাচ্ছে না। প্রার্থীরা এখনও মাঠে নামলেও তালিকা বদলের সম্ভাবনা থাকায় আয়োজকদের আশা, নির্বাচনের রূপ আরও পরিবর্তিত হতে পারে যে কোনো মুহূর্তে।