Month: October 2025

  • আশঙ্কাজনক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস: ২০২৫ সালে ৪%, ২০২৬ সালে ৫% হতে পারে

    আশঙ্কাজনক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস: ২০২৫ সালে ৪%, ২০২৬ সালে ৫% হতে পারে

    এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শতকরা ৪ ভাগে পৌঁছাবে। এরপর ২০২৬ সালের অর্থবছর শেষে এটি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে ৫ শতাংশে দাঁড়াবে। এবারে দেশের অর্থনীতি কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও আসন্ন বছরগুলোতে উন্নতির সামান্য প্রত্যাশা বহন করছে।

    এডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, বন্যা, শিল্প শ্রমিকের বিরোধিতা এবং ক্রমাগত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেশের অর্থনীতির গতিকে কিছুটা ঠেকিয়ে রেখেছে। তবে, পোশাক রপ্তানি এখনো স্থিতিশীল থাকলেও প্রবৃদ্ধির এই ধীরগতি চলমান।

    মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এডিবির এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) প্রতিবেদনে এ বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। তারা জানায়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি স্থায়ী করতে হলে ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নত করতে হবে এবং নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। এতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতামূলকতা বাড়বে।

    এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউন জিয়ং বলছেন, মার্কিন শুল্কের প্রভাব এখনও বাস্তবে দেখা যায়নি, তবে ব্যাংকিং খাতে কিছু দুর্বলতা রয়ে গেছে। উচ্চমানের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, আগামী বছরগুলোতে বাণিজ্য অনিশ্চয়তা, ব্যাংকিং সেক্টরের সমস্যা এবং নীতিগত স্থিতিশীলতা ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, যা অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

    আরও জানানো হয়, পাইকারি বাজারে প্রতিযোগিতার অভাব, বাজার তথ্যের অপ্রতুলতা, সরবরাহ শৃঙ্খলার সমস্যা এবং টাকা মুদ্রার দুর্বলতা থেকে বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২৪ অর্থবছরে এই হার ৯.৭৭ শতাংশ ছিল, যা ২০২৫ সালের মধ্যে বেড়ে হতে পারে ১০ শতাংশ।

    অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখার জন্য সামান্য জিডিপি উদ্বৃত্তের আশা করা হলেও, এই প্রবণতা কিছুটা অস্থির। ২০২৫ সালে, সামান্য ০.০৩ শতাংশের অর্থবাণিজ্য উদ্বৃত্ত থাকা সম্ভাবনা রয়েছে, যা গত বছরের ১.৫ শতাংশের ঘাটতির তুলনায় কিছুটা উন্নত। এতে বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসছে এবং শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এর জন্য ধন্যবাদ।

  • পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

    পাচার হওয়া অর্থের একটি অংশ ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, দেশের বাইরে পাচার হওয়া এর বড় অংশ আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তবে তার কাছ থেকে কতোটা অর্থ ফিরিয়ে আনা যাবে, সে বিষয়ে তিনি কোনও নিশ্চিত তথ্য দেননি। আজ মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি অপরাধসংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নে, পাচার করা অর্থ কি ফেব্রুয়ারির মধ্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব—তা কি কি পর্যায়ে এসেছে, এই প্রশ্নের উত্তরে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, অর্থ পাচারকারীরা এগুলোর জন্য খুবই চমৎকার পরিকল্পনা করে। এগুলো ফিরিয়ে আনতে সময় লেগে যায়, তবে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। অনেক লিগ্যাল ফার্মের সঙ্গে আলোচনা চলছে, আশা করি ফেব্রুয়ারির মধ্যে কিছু অংশ নদী হয়ে আসতে পারে। বাকিটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে, আমরা প্রস্তুত থাকছি। তিনি বললেন, এ বিষয়টি কোনো সরকারের পক্ষে এড়ানো সম্ভব নয়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, টাকা যদি সেন্ট্রাল ব্যাংক বা সুইস ব্যাংকে দিতে বলা হয়, সেটার জন্য লিগ্যাল রুট অনুসরণ করতে হবে, এটাই স্বাভাবিক।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমরা দেখছি, ১১ থেকে ১২টি ক্ষেত্রে খুবই উচ্চ পর্যায়েই রয়েছে। এর বাইরে অন্য শতাধিক ক্ষেত্রে যাদের মানি লন্ডারিং বা পাচারের অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়েও নজরদারি চলছে।

    নতুন সরকার কি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এটা তারা বাধ্য হয়ে করবে। কারণ আমরা যদি বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালু রাখি, তাহলে অর্থ ফেরত আনার প্রক্রিয়া এগোবে। না করলে বা প্রক্রিয়াগুলো পালন না করলে, অর্থ ফেরত আসবেনা। এটি আন্তর্জাতিক নিয়ম ও প্র্যাকটিসের অংশ, অন্যথায় কিভাবে সম্ভব?

    অর্থ পরিমাণ নিয়ে প্রশ্নে, তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কত টাকা ফেরত আসবে, সেটা তিনি বলতে পারবেন না। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকেই এ ব্যাপারে প্রশ্ন করতে হবে।

    এদিকে, এখনো কিছু পাচার কার্যক্রম রয়ে গেছে—তা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, সাময়িকভাবে আমরা দেখছি, বাংলাদেশ ব্যাংকে কিছু রিপোর্ট আসছে। আমরা অনুভব করছি, কিছু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে অ্যাসেট ফ্রিজ বা স্থগিত রাখা হয়েছে। ওখানে টাকা আছে, অ্যাকাউন্ট আছে, পাসপোর্টের তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি কাজগুলো সম্পন্ন হওয়া সময়ের ব্যাপার।

    আরো কিছু প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে অভিযোগ থাকলেও, সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রজেক্টের বরাদ্দ ও কাজের ধারা অনেক পুরানো। এই সমস্ত উদ্যোগ চালু থাকলে, এগুলো স্থির থাকলে অর্থ ফেরত আনার সুযোগ বাড়বে।

    একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের ১০টি পরিবারের মধ্যে তিনটিরই খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও পুষ্টিহীনতায় ভোগার পরিস্থিতি রয়েছে। এর উত্তরে তিনি জানান, কিছুটা পুষ্টি ঝুঁকি রয়েছে, বিশেষ করে শিশু ও মা-বাবাদের মধ্যে। তিনি বলেন, এর সমাধানে আমরা সব রকম চেষ্টা করছি, ভিজিএফ, স্পেশাল ট্রাকের মাধ্যমে খাদ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে। জেলেদের মাছ ধরা বন্ধের সময় ২০ কেজি করে চাল দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    তিনি যোগ করেন, আমাদের খাদ্যপণ্য মূলত চালের উপর বেশি নির্ভরশীল,অন্য খাবারও গুরুত্বপূর্ণ। তবে, ক্রয়ক্ষমতা কম থাকায় খাদ্য ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে আমিষের চাহিদা পুরণের জন্য ডিমের মতো সরবরাহ প্রয়োজন। অনেকেই তা ক্রয় করতে সক্ষম হবেন বলে আশা করছি।

  • ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ জনের চাকরি হারালেন কর্মী

    ইসলামী ব্যাংকে আরও ২০০ জনের চাকরি হারালেন কর্মী

    নজিরবিহীন শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছে বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক। চাকরির নীতিমালা লঙ্ঘন ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে একসঙ্গে আরও ২০০ কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে ব্যাংকের পরিচালনাকারীদের পক্ষ থেকে। এই ছাঁটাই বিভিন্ন দফায় চলছিল, যার ফলে চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয় দফায় ২০০ জনসহ মোট ৪০০ জনের চাকরি হারালেন ব্যাংকের কর্মীরা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা এই বিক্ষিপ্ত ছাঁটাইকে নজিরবিহীন বলে অভিহিত করেছেন। তবে ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি মূলত কর্মীদের দক্ষতা যাচাই ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) পরিচালিত ‘বিশেষ যোগ্যতা মূল্যায়ন পরীক্ষা’ এর মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৪১৪ জন কর্মী, যাদের মধ্যে ৮৮ শতাংশ বা ৩৬৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। বাকিদের জন্য আবার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, যারা পরীক্ষায় অংশ নেয়নি, তাদেরকে আপাতত ওএসডি (বিশেষ দায়িত্বে সংযুক্ত) করা হয়েছে, যার সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার।

    ব্যাংকের সূত্র জানিয়েছে, যারা চাকরি হারিয়েছেন, তারা শুধু অযোগ্যতার জন্য নয় বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন অপপ্রচার, সহকর্মীদের অংশগ্রহণে বাধা ও ব্যাংকের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

    অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ড. কামাল উদ্দীন জসীম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে ছাঁটাই করা নয়, বরং কর্মীদের দক্ষতা যাচাই ও বৈধতা নিশ্চিত করা। এর পেছনে মূল লক্ষ্য হলো ব্যাংকের আভ্যন্তরীণ কর্মপরিবেশ ও কার্যক্রমের মান উন্নত করা, যাতে ব্যাংকের ভবিষ্যত আরও সুসংহত ও স্থিতিশীল হয়।

  • সোনার ভরির দাম দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে গেছে

    সোনার ভরির দাম দুই লাখের কাছাকাছি, সব রেকর্ড ভেঙে গেছে

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ১৯২ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকায়। এটি এখন পর্যন্ত সব থেকে বেশি দাম, যা আগের রেকর্ড অর্থাৎ ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকায় চলে এসেছিল।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে এই মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। নতুন দাম রোববার থেকে কার্যকর হবে। এই দাম বৃদ্ধি মূলত স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনা বিক্রির দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে নেওয়া হয়েছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯১০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ২৫৩ টাকা।

    এর আগে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ১ লাখ ৩২ হাজার ৭২৫ টাকা।

    সোনার দাম বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত আছে। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের রুপার মূল্য প্রতি ভরি ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, ২১ ক্যারেট ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ২ হাজার ২২৫ টাকা।

  • টানা দুই মাস রপ্তানি কমে যাচ্ছে

    টানা দুই মাস রপ্তানি কমে যাচ্ছে

    চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মাসেই পণ্য রপ্তানিতে কিছুটা হেরফের দেখা গেছে। এ সময় রপ্তানি প্রবৃদ্ধি করেছিল প্রায় ৩ শতাংশের মতো, তবে তৃতীয় মাসেও একই ধারা বজায় থাকছে। এবার সেপ্টেম্বরে রপ্তানির পরিমাণ আরও কিছুটা কমেছে, যার ফলে রপ্তানি এখন প্রায় ৫ শতাংশের মতো হ্রাস পেয়েছে। গত বছরের একই মাসের তুলনায় এই মাসে রপ্তানি কমেছে প্রায় ১৭ কোটি ডলার। সেপ্টেম্বর মাসে রপ্তানি হয়েছে প্রায় ৩৬৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরের সমান সময়ে ছিল ৩৮০ কোটি ডলার থেকে বেশি।

  • জুলাই সনদ: নির্বাচনের আগে ভোটের দাবি জামায়াতে ইসলামী

    জুলাই সনদ: নির্বাচনের আগে ভোটের দাবি জামায়াতে ইসলামী

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীরা জুলাই সংবিধান সংস্কারের উদ্দেশ্যে একটি গণভোটের প্রস্তাব তুলে ধরছেন, যা নির্বাচন আগে সম্পন্ন করতে চায়। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আইনি ভিত্তির জন্য এই গণভোট জরুরি এবং সব রাজনৈতিক দল—বিশেষ করে বিএনপি—এ বিষয়ে একমত। তবে জামায়াত মনে করে, নির্বাচন আগে হলে সমস্যা থাকা দূর হবে।

    রোববার রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার বিরতিতে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এই বৈঠকটি ছিল জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পরিচালিত, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে জুলাই জাতীয় সনদ বিষয়ক সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবনা যাচাই-বাছাই চলছিল।

    এসময় একটি প্রশ্নে তিনি বলেন, গণভোট কবে হবে, তা এখনই স্পষ্ট নয়। তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা মনে করে, নভেম্বর বা ডিসেম্বরে যদি নির্বাচন হয়, তাহলে তফসিলের পূর্বেও এই ভোট সম্পন্ন সম্ভব। গণভোট হলে ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব বলে তারা মনে করেন, এতে করে জনগণও কোন ঝামেলার মধ্যে পড়বে না এবং সবকিছু সহজে এগোবে।

    আযাদ আরো জানান, যদি গণভোট থেকে ফলাফল তাঁদের বিপক্ষে যায়, তাঁরা সেটি মান্য করবেন এবং কোনো আপত্তি করবে না। তিনি বলেন, গণভোটের আগে কিংবা পরে এর আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। সবাই এই প্রস্তাবের পক্ষে, এবং নির্বাচনী কমিশন এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবে। সরকারের পক্ষ থেকে কমিশনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে এই ভোট আয়োজন করা সম্ভব হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও দলের আইনজীবী শিশির মনির।

  • জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের প্রস্তাবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পথে: সালাহউদ্দিন

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের প্রস্তাবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পথে: সালাহউদ্দিন

    জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত চতুর্থ দিনের আলোচনায় এই কথা বলেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে এবং আমরা মনে করি, আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কাছাকাছি আছি।” গণভোটের প্রস্তাবের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা সকল রাজনৈতিক দল মিলে ধারণা করছি, আমাদের কি জনগণের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। যদি জনগণের কাছে এই গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করা যায় যে, আমরা এই সনদে স্বাক্ষর করেছি এবং অঙ্গীকার করেছি, তখন জনগণের পক্ষ থেকেও এর কার্যকারিতা নিশ্চিত হবে।”তিনি আরও বলেন, “গণভোটের জন্য সংবিধান পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। আওয়ামী লীগ সরকার যে আর্টিকেল ১৪২ এর অধীনে গণভোটের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করেছিল, তা হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন কেউ সংবিধানে কোথাও গণভোটের প্রতিবন্ধকতা দেখতে পাবেন না। এক্ষেত্রে একটি অর্ডিন্যান্স জারি করে নির্বাচন কমিশনকে এই সুবিধা দিতে পারা সম্ভব, যাতে একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন করা যায়।” স্লাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “গণভোটের মাধ্যমে প্রাপ্ত জনস্ব idée সার্বভৌম ক্ষমতার অভিপ্রায়। তাই সংসদ এবং সংসদ সদস্যরা এই রায় মানতে বাধ্য হবেন।” সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যদি আগামী সংসদে এই সনদের বিরোধী সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকে, তবে তারা জনমতকে অগ্রাহ্য করতে পারবেন না। কারণ, এই ভোট সার্বভৌম সিদ্ধান্ত, যা মান্যতা পাবে।”তিনি আরও বলেন, “জুলাই সনদ প্রণয়ন ও স্বাক্ষরিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এই বিষয়ক ইশতেহারে নিজেদের অঙ্গীকার প্রকাশ করবেন। সেটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ হবে এবং জনগণ জানবে সংশ্লিষ্ট ধারাগুলি কি-কি। যাঁরা এই বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট করবেন, তারা তা অনুসরণ করতে পারবেন।” সুবিধার্থে বোঝানোর জন্য বলে রাখা ভালো, এই প্রক্রিয়া সমন্বিতভাবে চলবে, যাতে সকলের মধ্যে স্পষ্ট যোগাযোগ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়।

  • তারেক রহমানের আহবান: একসঙ্গে গড়ে তুলবো সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ

    তারেক রহমানের আহবান: একসঙ্গে গড়ে তুলবো সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এক সঙ্গে সবুজ এবং টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার গুরুত্ব আরোপ করেছেন। রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের সকলের জন্য একটি নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুরক্ষিত বাসস্থান অধিকারের বিষয়টি অপরিহার্য। আমাদের গ্রামাঞ্চল, শহর, নদী, বন—সকলই আমাদের জীবনযাত্রার অংশ, এবং এগুলোর সংরক্ষণ ও উন্নয়ন ভবিষ্যৎকে ধীরে ধীরে গড়ে তোলে। টেকসই উন্নয়ন ছাড়া একটি শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ জাতি সম্ভব নয়, এর জন্য বিশৃঙ্খল নগরায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তির মোকাবিলা জরুরি। আজকের বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে তিনি বিএনপি’র ৩১-দফা পরিকল্পনাকে আমাদের রোডম্যাপ হিসেবে পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষা, পরিকল্পিত ও সুষম নগরায়ন এবং বিকেন্দ্রীকরণ এই তিনটি বিষয়ে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ হতে চাই। তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ঢাকা কেন্দ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বন্ধ করে, দেশের প্রত্যেক অঞ্চলে উন্নত ও আধুনিক শহর গড়ে তুলতে হবে যাতে সব নাগরিক উপকৃত হন। তিনি একটি জাতীয় সবুজায়ন কর্মসূচি চালুর প্রতিশ্রুতি দেন, যার আওতায় ২৫ কোটি গাছ রোপণ, নদী পুনরুদ্ধার, বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর, আধুনিক কৃষি, নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমিকে প্রসারিত করা হবে। তিনি আরো বলেন, বিএনপি সরকার বাসস্থান ও ভবিষ্যৎ দু’টিই রক্ষা করবে। সবাই একসঙ্গে কাজ করে একটি সবুজ, টেকসই ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ‘বিশ্ব বাসস্থান’ দিবস প্রতি বছর অক্টোবরে প্রথম সোমবার পালিত হয়, যার প্রধান লক্ষ্য হলো সবাইকে নিরাপদ ও মানসম্পন্ন বাসস্থানের অধিকার নিশ্চিত করা এবং দ্রুত নগরায়ণের চ্যালেঞ্জে সচেতনতা বৃদ্ধি।

  • বিএনপির মনোনয়ন পাবেন কারা, জানালেন তারেক রহমান

    বিএনপির মনোনয়ন পাবেন কারা, জানালেন তারেক রহমান

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় কোনও ধরনের পেশি শক্তি বা অর্থের প্রভাবকে গুরুত্ব দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের সঙ্গে প্রার্থীর যোগাযোগ ও জনসমর্থনই মনোনয়নের মূল ভিত্তি হবে। বিএনপির এই নেতা বিবিসি বাংলাকে দেওয়া দুপর্বের সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্বে এসব কথা ব্যক্ত করেন। প্রথম পর্বটি সোমবার প্রচারিত হয়, এবং আগামীকাল (মঙ্গলবার) সকাল ৯টায় বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে দ্বিতীয় পর্বের সাক্ষাৎকার দেখানো হবে।

    সাক্ষাৎকারে তিনি নির্বাচন, রাজনীতি এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। পছন্দের প্রার্থনির জন্য পেশিশক্তি বা অর্থের প্রভাবের অভিযোগের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ’আমরা কখনোই এইসব বিবেচনায় যেসব বিষয় আসে, তা বিবেচনা করি না। আমাদের মনোনয়নের সিদ্ধান্ত সাধারণত ওই এলাকায় যে ব্যক্তি এলাকার সমস্যা ভালো বোঝে, যার সঙ্গে সাধারণ মানুষের যোগাযোগ রয়েছে, যারা পরিস্থিতির উন্নতিতে সক্ষম এবং জনগণের সমর্থন আছে, তাদের ভিত্তিতে হয়।”

    তিনি জানান, “অর্থাৎ, এমন একজন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, যার সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, তরুণ, নারী, বৃদ্ধ, ছাত্র-ছাত্রীরা যোগাযোগ রাখে। তার জনসমর্থন থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা এমন ব্যক্তিকে প্রাধান্য দেই, যার জনসমর্থন রয়েছে, যে সেই সমর্থন বহন করতে পারে।”

    তৃণমূলের মতামত কতটা প্রাধান্য পাবে, এই প্রশ্নে তিনি বলেন, “গণতন্ত্রে যেখানে মতামত থাকা স্বাভাবিক। বিভিন্ন মতামত আসে, কেউ এককভাবে সব বলবে না। জনপ্রতিনিধি যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য মূলত মেজরিটি বা বেশি সংখ্যক মানুষের মতামতই বিবেচনা করা হয়। আমরা আমাদের এলাকাকার মানুষের মতামত খুঁজে থাকি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা দলের নেতৃত্ব নির্বাচন করছি না, বরং এমন ব্যক্তিকে খুঁজছি, যে দলমত নির্বিশেষে এলাকার অধিকাংশ মানুষের সমর্থন পায়। এটি এমন একজন ব্যক্তি, যিনি সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন এবং নিজ এলাকায় জনপ্রিয়। আমরা চাই, এই ব্যক্তি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। কারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ও সাধারণ মানুষের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা সেই ধরনের ব্যক্তির খোঁজ করছি, যার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছেও যে সমর্থন আছে।”

  • তারেক রহমান বললেন, দ্রুত দেশে ফিরে আসব এবং নির্বাচনে অংশ নেবেন

    তারেক রহমান বললেন, দ্রুত দেশে ফিরে আসব এবং নির্বাচনে অংশ নেবেন

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তিনি দ্রুত দেশের মাটিতে ফিরে আসবেন এবং আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। আজ সোমবার বিবিসি বাংলার বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পরে প্রথমবারের মতো তিনি কোনো মৌখিক সাক্ষাৎকারে অংশ নিলেন। এই সাক্ষাৎকারে তিনি আগামী নির্বাচনের জন্য দলের কৌশল, আওয়ামী লীগ সরকার ও তাদের নেতাকর্মীদের বিচার, বাংলাদেশের নির্বাচন কেন্দ্রিক রাজনীতি এবং সাম্প্রতিক নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিপ আলোচনা করেন।

    সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বিবিসি বাংলার সম্পাদক মীর সাব্বির ও সিনিয়র সাংবাদিক কাদির কল্লোল। সাক্ষাৎকারের প্রথম অংশ আজ বিবিসি বাংলার পাঠকদের জন্য প্রকাশিত হলো।

    বিবিসি বাংলার প্রশ্নে, তিনি উল্লেখ করেন, গত এক বছরে নিজের প্রত্যাবর্তন নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের এক বছর সম্পন্ন হল, এবং অনেকের মনে ছিল যে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তিনি দেশে এসে দলের নেতৃত্ব দেবেন। তবে এখনো নিজেকে দেশে ফিরবেন কি না, তার ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলতে না পারলেও তিনি জানান, ফেরার সময় খুবই কাছাকাছি এবং শীঘ্রই তিনি দেশে ফিরবেন।

    তিনি বলেন, ‘কিছু সংগত কারণে এখনো ফিরতে পারেননি, তবে এখন সময় এসেছে। ইনশআল্লাহ, শীঘ্রই ফিরে আসব।’ তারেক রহমানের এই কথায় বোঝা যায়, তিনি খুব দ্রুত দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।

    নির্বাচনের ব্যাপারে তিনি জানান, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে তিনি নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করবেন। তিনি বলেন, ‘আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, ইচ্ছা এবং প্রবল আগ্রহ নিয়ে সেই প্রত্যাশিত নির্বাচনে অংশ নিতে। নির্বাচন যখন হবে, আমি অবশ্যই জনগণের মাঝে থাকব।’

    একই সাথে, তিনি বলেন, তার দলের কিছু নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কিছু নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে এখনো দেশে ফিরছেন না। তিনি এই বিষয়ে বলেন, বিভিন্ন সূত্র থেকে নানা রকম শঙ্কার খবর শুনেছেন, যা সরকারের কাছ থেকেও কিছু কিছু প্রকাশ পেয়েছে।

    পরবর্তী প্রশ্নে, তাকে জানতে চাওয়া হয়, তিনি কি প্রধানমন্ত্রীর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তিনি উত্তর দেন, ‘আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী। নির্বাচনে আমি অংশ নেব—এটা নিশ্চিত। নির্বাচন যেখানে হবে, সেখানে আমি থাকব।’ তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশের জনগণের। এটি আমার নয়, তাদের সিদ্ধান্ত।’

    শেষে, প্রশ্ন করা হয়, আসলেই কি তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি উত্তরে স্পষ্টভাবে বলেন, ‘নিশ্চয়ই। আমি ইনশাআল্লাহ নির্বাচনে থাকব।’ এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়, তিনি খুব দ্রুত দেশের রাজনীতিতে বড়ভাবে ফিরে আসার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন।