Month: October 2025

  • তারেক রহমানের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণের প্রস্তুতি ও উদ্বোধন ঘোষণা

    তারেক রহমানের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণের প্রস্তুতি ও উদ্বোধন ঘোষণা

    দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রস্তাবিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের জন্য ৩১ দফা নিয়ে লিফলেট বিতরণের পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে। সেই লক্ষ্যে সদর ও সোনাডাঙ্গা বিএনপি এক যৌথ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় দলীয় কার্যালয়ে এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইকবাল হোসেন খোকন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের পরীক্ষায় আমাদের উত্তীর্ণ হতে হবে এবং সব দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রই একমাত্র ব্যবস্থা যেখানে সব ধরনের মানুষের বিকাশের সুযোগ রয়েছে। আগামী নির্বাচনে গণতন্ত্রকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিষ্ঠা ও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। এর জন্য দলের নেতাকর্মীরা নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছেন। তারা বলছেন, যারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, তাঁদের সুসম্পর্ক রাখছে দলের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে। এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে আমরা গণতন্ত্রের প্রগতিতে আরও এগিয়ে যেতে পারবো। এরই অংশ হিসেবে, আগামী ১৯ অক্টোবর (রোববার) সকাল ১১টায় গোলকমনি শিশু পার্কে একটি জমায়েত অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন সকালেই বিএনপি কার্যালয়ে তারেক রহমানের ৩১ দফা ভিত্তিক রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। এই কর্মসূচিতে দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষের উপস্থিতি কাম্য। সভায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, এডভোকেট গোলাম মোস্তফা, আনোয়ার হোসেন, সাদিকুর রহমান সবুজ, গিয়াস উদ্দিন বনি, মজিবর রহমান ফয়েজ, জালাল শরীফ, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, হাসান মেহেদী রিজভী, ইশহাক তালুকদার, আকরাম হোসেন খোকন, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, মহিউদ্দিন টারজান, জাহিদ কামাল টিটো, আব্দুল জব্বার, গোলাম মোস্তফা, আসলাম হোসেন, মেহেদী হাসান সোহাগ, রিয়াজুর রহমান, বাচ্চু মীর, ওমর ফারুক, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, শরিফুল ইসলাম বাবু, আলমগীর হোসেন আলম, নুরুল ইসলাম লিটন, হেদায়েত হোসেন হেদু, মোস্তফা জামান মিন্টু, নাহিদ মোড়ল, কামাল উদ্দিন, খাইরুল ইসলাম লাল, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, মাহবুব হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, ওমর ফারুক বনি, ইফতেখার জামান নবীন, মনিরুল ইসলাম মাসুম, আল বেলাল, শামীম খান, সুলতান মাহমুদ সুমন, ফিরোজ আহমেদ, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর হোসেন, জামাল মোড়ল, আলম হাওলাদার, গোলাম নবী ডালু, সমির সাহা, শাকিল আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন, শরিফুল ইসলাম সাগর, সেলিম বড় মিয়া, মুশফিকুর রহমান অভি, শাহাবুদ্দিন, মামুনুর রহমান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, হুমায়ুন কবির, মাজেদা খাতুন, আব্দুল হাকিম, ওহেদুজ্জামান, এম এ হাসান, মাহমুদ হাসান মুন্না, খান মঈনুল ইসলাম মিঠু, ইউনুচ শেখ, রাজিবুল আলম বাপ্পি, মাসুদ রেজা, খান রাজিব, শহিদুল ইসলাম লিটন, শামীম রেজা, মোল্লা আবু তালেব, শামসুল আলম বাদল, সজল আকন নাসিব, এম এ সালাম, মাসুদ রুমী, খান আবু দাউদ, পারভেজ মোড়ল, কামরুল বিশ^াস, তরিকুল আলম, সালাউদ্দিন সান্নু, ঈসা শেখ, ইমরান খান, সোহেল খন্দকার, খায়রুল বাসার, এ আর রহমান, টিপু হাওলাদার, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, মহিউদ্দDin মঈন, সিরাজুল ইসলাম বাবুল, সিদ্দিক মাতুব্বর, আসাদ সানা, হারুন মোল্লা, আসমত হোসেন, এমরান হোসেন, জামান চৌধুরী, আব্দুর রহিম, এস এম সজল, সাজ্জাদ আলী, পারভেজ আহমেদ, লাকি বেগম, নাজমা বেগম, রাকিব খান প্রমুখ।

  • মুখে এক কথা, কাজে অন্যটা—এটাই তাদের মুনাফিকি রাজনীতি

    মুখে এক কথা, কাজে অন্যটা—এটাই তাদের মুনাফিকি রাজনীতি

    খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালে ভোট দিতে পারেনি। তাদের পছন্দমতো সরকার গঠনের সুযোগ দেয়া হয়নি, যা দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক গভীর অন্যায়। তবে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের পতনের পর স্বাভাবিকভাবেই গণতন্ত্র ফিরে আসবে, এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগের সময় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এড. মনা বলেন, “মানুষ এখন ভোট দিয়ে নিজের প্রতিনিধিকে বেছে নিতে চায়। এখন সবাই বুঝতে পেরেছে, যারা ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায়, তারা প্রকৃত শ্রেণীর শত্রু। যারা এখন পিআর পদ্ধতির কথা বলছে, তারা আসলে ছয় মাস আগে থেকেই নিজেদের প্রার্থীরা ঠিক করে রেখেছে এবং ঘরে ঘরে ভোট চাইছে। মুখে কথা আলাদা, কাজে অন্য, এটাই তাদের মুনাফিকি রাজনীতি।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের লড়াই কারো বিরুদ্ধে নয়, বরং ভোটাধিকার রক্ষা ও জনগণের ভোটে সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য। বিএনপি বিশ্বাস করে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে এই দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে।” মনা উল্লেখ করেন, “আজ জনগণ জেগে উঠেছে। ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে এক ত্বরিত উদ্যোগ জরুরি। বিএনপি ও অন্য দলগুলো গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ। দেশের ভবিষ্যৎ হবে মুক্ত, ন্যায়ের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত এবং জনগণের ভোটে নির্ধারিত। এই আন্দোলন হচ্ছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই, যা জনগণেরই।” সেখানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বদরুল আনাম খান, মহানগর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফি, মহানগর কৃষক দলের আহ্বায়ক আকতার্জামান সজীব তালুকদার, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম জলি, ২১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ আবু সাঈদ, ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি গাজী আফসার উদ্দিন মাস্টার, ২২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুল আলম দীপু, মোখলেছুর রহমান, মাহবুব উল্লাহ শামীম, সাকিব জমদ্দার, মিশকাত হোসেন, নুরুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম জুয়েল, মোল্লা নুরুল ইসলাম, সালাউদ্দিন বুলবুল, সিরাজুল ইসলাম লিটন, মাস্টার রফিকুল ইসলাম, মুরশিদুর রহমান লিটন, ওয়াইজ উদ্দিন শান্টু, মোঃ শফিকুর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেন, কাজী ফেরদৌস, প্রভাষক মফিজুল ইসলাম, শামসুল বারিক পান্না, হাবিবুর রহমান হাবিব, এনামুল, জাহাঙ্গীর হোসেন বাবু, আমিনুল ইসলাম মিন্টু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সিদ্দিক, ইসমাইল, মজিবর, মশিউর রহমান লিটন, সেলিম আলতাফ খান, মাফিজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ মুকুল, আলী হোসেন, মিন্টু কাজী, শহিদুল আলম, জাহিদুর রহমান, নুরুল ইসলাম, মোঃ নাসিম, রাহাত আলি লাচ্চু, মাহমুদুল হক টিটু, মিরাজ, শাহিন, শুভ, মনজুর, শাহীনের রুবেল, মোহাম্মদ মাসুদ, মাইদুল হকটুকু, গোলাম কিবরিয়া, সাজু হাওলাদার, শেখ তারিখ, শফিকুল ইসলাম, সজল, ফয়সাল অ্যামিন, দ্বীপ ইব্রাহিম নয়ন, আরিফা আশরাফির চুমকি, কাকলি, লাবনি, মেহেরুন্নেসা মিতু, সোনিয়া, সুজানা জলি, শিল্পী, লাকি, তিসা জুলি সুলতানা, সালমা আনোয়ারা চম্পা ফরিদা, রোজিনা, মিনার রহিমা, আনিকা প্রমুখ।

  • বকুলের অভিযোগ, জামায়াত এখন ধর্মকে ব্যবসায়ীক পণ্যে পরিণত করছে

    বকুলের অভিযোগ, জামায়াত এখন ধর্মকে ব্যবসায়ীক পণ্যে পরিণত করছে

    বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, জামায়াতে ইসলাম ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে মিথ্যাচার ছড়ানোর জন্য একদল প্রশিক্ষিত বাহিনী তৈরি করেছে। এই দলের নেতারা ধর্মকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। তারা এমনকি জান্নাতের টিকিট বিক্রির মতো প্রতারণামূলক প্রচার চালাচ্ছে। জামায়াত এখন নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশের কাজে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর পিআর, সংস্কার ও গণভোট ইস্যু সৃষ্টি করে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতিগ্রস্ত করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ড মূলত তারা একাত্তরের পরাজিত শক্তির অংশ, যারা ২৪ শে আন্দোলনের সময় সুযোগ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের গৌরব ও চেতনা বিনাশের পরিকল্পনা করছে। এই সময় জামায়াত ধর্মকে বাণিজ্যিক পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে মহিলাদের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে, যা এক ধরনের ধর্মীয় বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপকৌশল। এই ধরনের অপপ্রয়াস ইসলাম ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা ডিজিটাল মাধ্যমে মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে পাশাপাশি ঘরে ঘরে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কাজে লিপ্ত। বকুল এ সময় বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বিশেষ করে মহিলা দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সজাগ থাকুন, মহানগর ও পাড়া-মহল্লায় নজর দিন যেন ধর্মের নামে কাউকে নারীদের মনে বিভ্রান্তি বা প্রলোভন ছড়াতে না পারে। মঙ্গলবার খালিশপুরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মহিলা দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে একথা বলেন তিনি। বকুল আরও বলেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক দল হিসেবে জনগণের অধিকার ও ভোটের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করছে। কিন্তু জামায়াতে ইসলাম ও শিবিরের পুরোনো কৌশল ব্যবহার করে তারা সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তিনি সকলকে এ ধরনের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানান। দেশের মানুষ এখন সচেতন, যারা ধর্মের নামে ব্যবসা করে, তারা ইতিহাসের দুষ্টচক্রে অন্তর্ভুক্ত। বিএনপি কখনোই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর রাজনীতির সমর্থক নয়। বকুল হুঁশিয়ার করে বলেন, আগামী নির্বাচনী ও আন্দোলনকারী যেকোনো ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা একযোগে হুঁশিয়ারি দেবে। যারা বাংলাদেশে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের অর্জন মুছে ফেলতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে হবে—এটাই এখন আমাদের করণীয়। ৭নং ওয়ার্ডের মহিলাদলের মতবিনিময়কালে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, বাগেরহাট জেলা বিএনপি’র সমন্বয়ক এম এ সালাম, মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক মহানগর যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুর ইসলাম হোসেন, লিটন খান, জাকির হোসেন ও শাহনাজ সারোয়ার। সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড মহিলাদলের আহ্বায়িকা কামিনী বেগম। অন্যদিকে ১২নং ওয়ার্ডে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মহিলা দলের এক সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খাদ্যাসংঘের শফিকুল ইসলাম হোসেন, খালিশপুর থানার সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস ও মহিলা দলের আহ্বায়িকা শাহনাজ সারোয়ার। সভার সভাপতিত্ব করেন ১২নং ওয়ার্ড মহিলা দলের আহ্বায়িকা শায়েলা পারভিন সিবানি এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব পুতুল।

  • সদর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদের আটকাদেশের তিন মাসের স্থগিতাদেশ ঘোষণা

    সদর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদের আটকাদেশের তিন মাসের স্থগিতাদেশ ঘোষণা

    খুলনা সদর থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোল্লা ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে জারি করা আটকাদেশের বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত দিয়েছে। আদালত সেই আটকের ওপর তিন মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রুলের জবাব দিতে চার সপ্তাহের সময় নির্ধারণ করেছেন। মোল্লা ফরিদ আহমেদ খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১ নম্বর স্যার ইকবাল রোডের বাসিন্দা।

    তিনি চলতি বছরের ৩ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক শাখা-২ এর স্বাক্ষরিত একটি আদেশে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩(১) ধারায় ৬০ দিনের জন্য আটক হন। এরপর তিনি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন (নং ১৫৮৪০/২০২৫) দায়ের করেন। এই রিট শুনানি হয় ৬ অক্টোবর বিচারপতি ফরিদ আহমেদ ও বিচারপতি মাহমুদ হাসান দ্বারা গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে। আবেদনকারীর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এড. মোঃ ওজি উল্লাহ ও তাসেব হোসেন, আর প্রস্থে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আখতার হোসেন, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রাশেদুল হক ও মন্টু আলম।

    আদালত রুল জারি করে সরকারকে জিজ্ঞেস করে কেন মোল্লা ফরিদ আহমেদের আটকাদেশ আইনগত বৈধতা থাকবে না বা বন্দি রাখা অযৌক্তিক হবে না, তার ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য। একইসঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মোল্লা ফরিদ আহমেদকে আটক বা হয়রানি করা যাবে না। এই সিদ্ধান্তে আইনজীবীরা আর সাধারণ মানুষরা শান্তি ও স্বস্তি পেয়েছেন, এটি সত্যিই একটি সাহসী এবং ন্যায়সংগত রায় বলে মনে করা হচ্ছে।

  • জামায়াত ধর্মের অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে: সেলিমা রহমান

    জামায়াত ধর্মের অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে: সেলিমা রহমান

    গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার, নারী ও শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক বেগম সেলিমা রহমান। তিনি বলেন, “জনপ্রতিনিধিদের অভিজ্ঞতা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমাদের সামনে-existing রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলায় অভিজ্ঞ নেতৃত্ব অপরিহার্য।” খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার সকালে খুলনা প্রেসক্লাব ব্যাংকুয়েট হলে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

  • সোনার দাম ভরিতে আবার বাড়ল, প্রথমবারের মতো ২ লাখ ছাড়ানোর এক দিনের মধ্যে

    সোনার দাম ভরিতে আবার বাড়ল, প্রথমবারের মতো ২ লাখ ছাড়ানোর এক দিনের মধ্যে

    দেশের বাজারে দীর্ঘ সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো ভরিতে ২ লাখ টাকা ছাড়ানোর পর গত দিনটির মধ্যে আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সুপ্রিম মানের সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৬৯ টাকা হারে বেড়ে এখন ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নতুন করে জানিয়েছে, সোনার দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই নিয়ে গত চার দিনে ভরিপ্রতি সোনার মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে মোট ৬ হাজার ৮৪৮ টাকা। আগামীকাল বুধবার থেকে এই নতুন দর কার্যকর হবে।

    সমিতির দৃষ্টিতে, দাম বাড়ার ফলে দেশের বাজারে এক ভরি, যা ২২ ক্যারেটের ভালো মানের সোনার জন্য, কিনতে খরচ হবে এখন ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা। এর পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের সোনা যেমন- ২১ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার জন্য ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    অন্যদিকে, আজ পর্যন্ত (৭ অক্টোবর) পর্যন্ত এই ধরনের মানের সোনাগুলোর বিক্রয়মূল্য ছিল যথাক্রমে: ২২ ক্যারেটের সোনা ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা।

    নতুন দর অনুযায়ী, আজকের দিন থেকে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য প্রতি ভরি ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বাড়বে, ২১ ক্যারেটের জন্য ১ হাজার ৩৯৯ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ হাজার ২০২ টাকা বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও, সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে উঠবে ১ হাজার ২৭ টাকা।

    এছাড়া, সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও বাড়তি দেখা গেছে। এবার এক ভরি রুপার দাম সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক ভরি ২২ ক্যারেটের রুপার দাম এখন ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা। অন্যান্য ক্যারেটের জন্য এই দাম হয়েছে: ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ২ হাজার ৮৫৮ টাকা।

    সর্বশেষ হিসাবে, ভরিতে এই ক্যারেটের রুপার দাম যথাক্রমে: ২১ ক্যারেটের ৯৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৬৩০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

  • সোনা-রুপার দাম রেকর্ডের নতুন ইতিহাস, এক লাফে বৃদ্ধি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম

    সোনা-রুপার দাম রেকর্ডের নতুন ইতিহাস, এক লাফে বৃদ্ধি স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম

    দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি রুপার দামে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবার একদিনের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিশেষ করে সবচেয়ে মানসম্মত ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ৬ হাজার ৯০৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা। এর আগে এই দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এ ছাড়া অন্যান্য ক্যারেটে স্বর্ণের দামও বেড়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও ৪ হাজার ৮২৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে, এখন নতুন দাম এক লাখ ৪২ হাজার ৩০০ টাকা।

    বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী trend চলমান থাকায় এর আগে মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা, যা তখনও ছিল দেশের সর্বোচ্চ। 그러나 আজ আবার দাম বৃদ্ধির মাধ্যমে এই রেকর্ড ভেঙে গেছে।

    গত কয়েক দিন ধরেই দাম গুরুত্বপূর্ণভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর আগে ৭ অক্টোবর ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭২৬ টাকা রাখা হয়। একই সময় অন্যান্য ক্যারেটের দামে প্রবৃদ্ধি ছিল, যার মধ্যে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১০ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৫৭৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ১৯২ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকা।

    অন্যদিকে, রুপার দামে শুধু বৃদ্ধি হয়নি, বরং নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বুধবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলেও জানানো হয়েছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের রুপার দাম এখন ৪ হাজার ৯৮০ টাকা, যা আগে ছিল ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা। অন্যান্য ক্যারেটের দামও বাড়িয়ে নির্ধারিত হয়েছে ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৩ হাজার ৫৬ টাকা। আগের দাম ছিল যথাক্রমে ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ৩ হাজার ৮০২ টাকা এবং ২ হাজার ৮৫৮ টাকা।

    স্বর্ণ ও রুপার এই মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বাজার পরিস্থিতি এখন বেশ চ্যালেঞ্জিং। তবে এই দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি এবং বিহীন পরিস্থিতি বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • সরকারি সিদ্ধান্ত নয়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের ক্ষতি হবে না: অর্থ মন্ত্রণালয়

    সরকারি সিদ্ধান্ত নয়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের ক্ষতি হবে না: অর্থ মন্ত্রণালয়

    একটি বিভ্রান্তিকর বিভ্রান্তির পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেনি। সোমবার (১৩ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি কিছু সোশ্যাল মিডিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে পড়ছে যে, এই ব্যাংকগুলো একীভূত হলে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তবে, সরকার একেবারে এই ধরনের তথ্যের বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, কোনও সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি এবং ব্যাংকগুলো একীভূত করার প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের গুজব সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এটি একপ্রকার বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য প্রচেষ্টা। সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং এই ধরনের বিভ্রান্তিকর বিভ্রান্তির প্রতি নজর না দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • প্রথম ১৪ দিনে ছয় বার স্বর্ণের দাম বাড়ল, রেকর্ড নির্মাণ

    প্রথম ১৪ দিনে ছয় বার স্বর্ণের দাম বাড়ল, রেকর্ড নির্মাণ

    দেশের স্বর্ণবাজারে শুরু থেকেই দামের অস্থিরতা দেখা গেছে। চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনেই ছয়বার স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে, যা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি। এই ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দামও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

    গত কয়েকদিনে একের পর এক দাম বৃদ্ধির কারণে বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন দাম ঘোষণা করে। তাতে দেখা গেছে, ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা করে বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এটি এখন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য।

    ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। এই দাম বৃদ্ধির সঙ্গে যোগ হয়েছে, তেজাবি বা পিওর স্বর্ণের দামও বেড়েছে। ফলে বাজারে স্বর্ণের সামগ্রিক মূল্য পরিস্থিতির ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    নতুন দামে, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, স্বর্ণবিক্রয় মূল্যতে সরকারি ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভিন্নতার ফলে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ অগাস্ট বাজুস স্বর্ণের মূল্যে সাময়িক সংশোধনী এনেছিল। তখন ভরিতে ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চ মূল্যে স্বর্ণ বিক্রির রেকর্ড। তখন ২১ ক্যারেটের জন্য ভরি মূল্য ছিল ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা। এই দাম কার্যকর হয়েছিল ১৪ অক্টোবর থেকে।

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়ে গেছে, যা নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এ দাম বৃদ্ধি পেয়েছে চার হাজার ৬১৮ টাকা, এর ফলে এখন দেশের স্বর্ণপণ্যের বাজারে নতুন দামের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    এই দাম বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো, স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দর ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়া। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছে।

    বাজুসের মতে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এই সর্বোচ্চ দাম দেশের ইতিহাসে নতুন যান। এর পাশাপাশি, রূপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে এক ভরি রুপার দাম দাঁড়াচ্ছে প্রায় ছয় হাজার ২০৫ টাকা, যা আগে থেকেও বেশি।

    আরো জানা গেছে, অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও দাম বেড়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, যা আগের ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকার থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৮৫ টাকা, আগে ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮ টাকা।