Month: October 2025

  • ত্রিপুরায় তিন বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা

    ত্রিপুরায় তিন বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা

    ভারতীয় সেনারা ত্রিপুরায় তিন বাংলাদেশি নাগরিককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। নিহত ব্যক্তিরা হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার পরিবারের সদস্য। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতরা হলেন- চুনারুঘাটের আলীনগর গ্রামের আশ্বব আলীর ছেলে জুয়েল মিয়া (৩২), কন্না মিয়ার ছেলে পন্ডিত মিয়া (৪৫), এবং কবিলাশপুরের কদ্দুস মিয়ার ছেলে সজল মিয়া (২০)।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালকে খোয়াই জেলার বিদ্যাবิล এলাকায় পাহাড়ি আদিবাসীরা তিন বাংলাদেশিকে খুঁজে পেয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খোয়াই থানায় নিয়ে আসে।

    চুনারুঘাট উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের সদস্য তারেকুর রহমান জানান, রাতে বিজিবি সদস্যরা নিহতদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য নেয়। এরপর ভারতের দিক থেকে ছবি দেখে নিশ্চিত হওয়া যায়, জুয়েল, পন্ডিত ও সজলই নিহত।

    হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানজিলুর রহমান নিশ্চিত করে বলেন, এই ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং বিএসএফের সঙ্গে বিষয়টি সমঝোতার জন্য পতাকা বৈঠকের প্রক্রিয়া চলমান।

    বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, আধঘণ্টা বা দুই তিন দিন আগে শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্তবর্তী বিদ্যাবিল এলাকায় গোপনে ভারতীয় ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই থানাধীন কারেঙ্গিছড়ায় প্রবেশ করে তিন বাংলাদেশি। স্থানটি সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ৪-৫ কিলোমিটার ভিতরে এবং ভারতের ৭০ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন।

    স্থানীয় ভারতীয় জনগোষ্ঠী রাতের অন্ধকারে গরু চুরি নিয়ে সন্দেহ করে এই তিনজনের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। মরদেহ বর্তমানে ভারতের সাম্পাহার থানায় রয়েছে।

    এ ঘটনায় বাংলাদেশে অবস্থানকারী কর্মকর্তারা ঘটনার जानकारी নিশ্চিত করে বলেছেন, ঘটনা তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় ও নিরাপত্তা সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনার সঙ্গে কোনো অন্যায্য অভিযোগ নেই এবং ঘটনাটি সংঘবদ্ধ অপরাধ বা চুরি সংক্রান্ত নয় বরং সীমান্ত নিরাপত্তা ও সন্দেহজনক প্রবেশের ফল বলে মনে করা হচ্ছে।

  • ঢাকায় পাসের হার এগিয়ে, কুমিল্লা পিছিয়ে

    ঢাকায় পাসের হার এগিয়ে, কুমিল্লা পিছিয়ে

    ২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। পরীক্ষা পরিচালনাকারী নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা বোর্ড এবং কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার এখন ৫৮.৮৩ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এই হার কমেছে ১৮.৯৫ শতাংশ। এই বছরের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ অর্জন করেছেন মোট ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বোর্ডগুলোর মধ্যে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার সবচেয়ে বেশি ৬৪.৬২ শতাংশ। অন্যদিকে, কুমিল্লা বোর্ডে এটি সবচেয়ে কম, মাত্র ৪৮.৮৬ শতাংশ। রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৫৯.৪০ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৫০.২০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২.৫৭ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৬২.৫৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫১.৮৬ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৭.৪৯ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১.৫৪ শতাংশ। অধিকাংশ বোর্ডে পাসের হার উঁচু থাকলেও কুমিল্লা বোর্ডের ফল আশানুরূপ নয়।

    বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় আলাদাভাবে তাদের নিজস্ব অবস্থান থেকে ফলাফল প্রকাশ করে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এ দিন ঢাকাসহ অন্য বোর্ডগুলো ফল প্রকাশের পর পাঠকদের জন্য তা প্রকাশিত হয়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন মোট ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলেদের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ জন এবং মেয়েদের সংখ্যা ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন। দেশের ২ হাজার ৭৯৭ কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে, প্রায় ২৭ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি। ফলাফলে দেখা গেছে, ফলাফল তৈরি হয়েছে ‘বাস্তব মূল্যায়ন’ নীতির ভিত্তিতে, যা গত বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলের মতোই গ্রহণযোগ্য।

    গত জুলাই মাসেযদিও এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের মতো এ বছরও কোনো আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়নি, শিক্ষার্থীরা ফলাফল জন্য অনলাইনে এবং প্রত্যক্ষভাবে ফলাফল দেখতে পারছেন।

  • ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই শাহাদাতসহ ৯ জন গ্রেপ্তার

    ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই শাহাদাতসহ ৯ জন গ্রেপ্তার

    রাজনৈতিক নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াতের নামে গোপনে কার্যক্রম চালানো এবং দলের পুনর্গঠনের অপপ্রয়াসের অভিযোগে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই শাহাদাত হোসেনসহ নয়জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।

    বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন এলাকায় স্বাধীনভাবে পরিচালিত এ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। ডিবি সূত্র বলছে, তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে গ্রেপ্তারকৃতরা নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত, যারা সম্প্রতি গোপনে কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রচারপত্র ছাপানোর পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা সংগঠনের কার্যক্রমে যুক্ত। পুলিশের কাছ থেকে সংগঠনের বেশ কিছু প্রচারপত্র ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এখন তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

    নেতাকর্মীদের মধ্যে আক্রান্তদের নাম হলো— শাহাদাত হোসেন, মাসুদ রানা, হাবিবুর রহমান, কাইয়ুম মিয়া, সেলিম উদ্দিন, আরিফুল ইসলাম, শহীদুল হক, জাকির হোসেন ও ফজলুল করিম।

    পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার করা এই ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দের পর রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হবে, যাতে তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেওয়া যায় এবং অপরাধের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

  • সরকার শিক্ষকদের বাড়িভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করছে

    সরকার শিক্ষকদের বাড়িভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করছে

    শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ও অন্যান্য দাবির প্রতি সরকারের সহানুভূতি ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। তিনি বলেন, শিক্ষকরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মূল স্তম্ভ। সরকার তাদের মর্যাদা ও সামর্থ অনুযায়ী বাড়িভাড়া সংক্রান্ত দাবিগুলোর বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে। বর্তমানে শিক্ষক সংগঠনগুলো শতাংশভিত্তিক বাড়িভাড়া ২০ শতাংশ বৃদ্ধি সহ আরো কিছু দাবী তুলেছে। কিন্তু সরকারের আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এটাকে সীমিত রাখার জন্য আলোচনাচলছে। তার মতে, চলতি পরিস্থিতিতে সরকার ন্যূনতম ৫ শতাংশ বা দুই হাজার টাকা বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে, যা শিক্ষক সংগঠনগুলোর দাবির জন্য একটি নমনীয় সমাধান। তিনি আরও বলেন, আগামী বছর নতুন বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আমরা একটি আরও সম্মানজনক ও সুদৃঢ় পেশাগত কাঠামোর দিকে এগিয়ে যেতে পারব। শিক্ষা উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, শুধু বেতন নয়, শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে কাজ চলছে। তিনি উচ্ছ্বসিত করে বলেন, সম্মান ও সক্ষমতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এগুলো শিক্ষকদের মানোন্নয়নে অপরিহার্য।

  • চাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে নতুন ভিপি-জিএস শিবিরের, এজিএস ছাত্রদলের

    চাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের নেতৃত্বে নতুন ভিপি-জিএস শিবিরের, এজিএস ছাত্রদলের

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে ভিপি (সহসভাপতি) ও জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ছাত্রশিবিরের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে, এজিএস (সহ-সাধারণ সম্পাদক) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী।

    নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের সদস্যরা এই গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন। ইব্রাহিম হোসেন রনি ভিপি পদে এবং সাঈদ বিন হাবিব জিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, আইয়ুবুর রহমান তৌফিক এজিএস পদে বিজয়ী হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল চারটার দিকে ১৪টি হলের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। ফলাফল প্রকাশের আগে এবং পরে কয়েকটি স্থানে উত্তেজনা দেখা দিয়েছিল। কিছু ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির সমর্থক এ নিয়ে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নানা অভিযোগ তুলে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চেয়েছিল বলে জানা গেছে।

    উত্তেজনা চলাকালে, রাতের শুরুর দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দুইটি হলের ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে রাখে। তবে কিছু সময় পরে তিনি মুক্ত হন।

    চাকসু নির্বাচনের দিনভর শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলেও ফলাফল প্রকাশের আগে বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনা দেখা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের বাইরে ছাত্রদল, বিএনপি, এবং জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থাকলেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। রাত পর্যন্ত তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থানে ছিলেন। পরিস্থিতির উন্নতি নিশ্চিত করতে রাতের দিকে ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

  • অভিনেতা ফারহানের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিন, মক্কায় উপস্থিতি

    অভিনেতা ফারহানের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিন, মক্কায় উপস্থিতি

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মুশফিক আর ফারহান বর্তমানে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় অবস্থান করছেন, যেখানে ওমরাহ পালনের জন্য এসেছেন। এই মুহূর্তে তিনি তার অনুভূতি এবং আবেগ প্রকাশ করে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন।

    গত শুক্রবার তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এই ভিডিওটি প্রকাশিত হয়। সেখানে দেখা যায়, অভিনেতা ইহরামের সাদা পোশাকে পবিত্র কাবা শরীফের সামনে বসে আছেন। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমার জীবনের সেরা দিন।”

    ভিডিওতে আবেগপ্রবণ কণ্ঠে তিনি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ… জীবনে প্রথমবার এখানে আসার সৌভাগ্য হয়েছে। কাবা শরীফের সামনে এই প্রথমবার ঢুকেই হাজরে আসওয়াদে (কালো পাথর) চুমু দিতে পেরেছি; যা বাস্তবে ভাগ্যের চেয়েও বড় ঘটনা। এর জন্য আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া। আমার আর কোনো বড় ইচ্ছে বা আশা নেই, সব কিছু আলহামদুলিল্লাহ।”

    অভিনেতা আরও বলেন, “আল্লাহ সবাইকে এই পবিত্র স্থানে আসার তাওফিক দিন। দয়া করে আমার জন্য দোয়া করুন।”

    ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের পরে ভক্তরা উচ্ছ্বাস ও শুভ কামনায় ভারাক্রান্ত হয়ে দোয়া ও শুভকামনা জানাতে শুরু করেন।

    খবর অনুযায়ী, এই অভিনেতা চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। ফিরে এসে তিনি নতুন নাটকের শুটিংও শুরু করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • অরিজিতের সঙ্গে দ্বন্দের অবসান, অবশেষে ভুল স্বীকার করলেন সালমান

    অরিজিতের সঙ্গে দ্বন্দের অবসান, অবশেষে ভুল স্বীকার করলেন সালমান

    বলিউডে সালমান খান ও অরিজিৎ সিংয়ের মধ্যে পুরোনো দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনায় ছিল সব সময়। এই বিরোধের সূত্রপাত প্রায় এক দশক আগে, যখন উভয়ের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। সম্প্রতি নিজে সালমান এই বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, এই ভুল বোঝাবুঝির জন্য দায়ী তিনি নিজেই।

    ‘বিগ বস ১৯’ শোয়ের এক পর্বে, জনপ্রিয় কৌতুকশিল্পী রবি গুপ্তার সঙ্গে আলাপে সালমান অরিজিৎ প্রসঙ্গ টানেন। রবি মজা করে বলেন, ‘আপনার সামনে আসতে ভয় লাগছে, কারণ অনেকে বলে আমার মুখটা অরিজিৎ সিংয়ের মতো।’ শোতে সালমান প্রথমে হেসে ওঠেন, তারপর বিনয়ের সঙ্গে স্বীকার করেন, ‘অরিজিৎ আসলে খুব ভালো ছেলে, আমার খুব প্রিয় বন্ধু। আমাদের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, আর সেটা আমার দিক থেকে হয়েছিল।’

    সালমানের এই বক্তব্য এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনায়। অনেকে মনে করেন, এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমে তাদের পুরোনো দ্বন্দের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হচ্ছে।

    দ্বন্দের ইতিহাস শুরু ২০১৪ সালে, যখন এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সালমান ও অরিজিৎ মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। সালমান সঞ্চালনা করছিলেন, আর অরিজিৎ তখন মঞ্চে সাধারণ পোশাকে উপস্থিত। সালমান মজা করে জিজ্ঞেস করেন, ‘ঘুমাচ্ছিলে নাকি?’ অরিজিৎ উত্তরে বলেন, ‘আপনারাই ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছিলেন।’ এই কথাটির জন্য দর্শক হেসে ওঠলেও সালমান সেটি খুব পছন্দ করেননি বলে শোনা যায়।

    এরপর, ২০১৬ সালে অরিজিৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় সালমানের কাছে ক্ষমা চেয়ে জানান, ‘আমি কখনো সালমান ভাইকে অপমান করতে চাইনি, এটা ছিল একটি ভুল বোঝাবুঝি।’ সেই সময় থেকে দ্বন্দ্বের এই ইস্যু নিয়ে চর্চা চলে আসছিল। এখন এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, তারা সেই পুরোনো ভুল বোঝাবুঝি কাটিয়ে পুনঃসম্পর্ক স্থাপন করতে চান।

  • টিভি সাংবাদিক পরিচয়ে রিপন মিয়ার পরিবারকে হেনস্থা!

    টিভি সাংবাদিক পরিচয়ে রিপন মিয়ার পরিবারকে হেনস্থা!

    নেত্রকোনার সদর উপজেলার কাঠমিস্ত্রি রিপন মিয়া ২০১৬ সালে একটি ভিডিও প্রত্যাহার করে তার জীবনে পরিবর্তন আনেন। সেই সময়ের সঙ্গে তার মজার মজার ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং তার পরিচিতি বাড়ে। এখন তিনি সম্পূর্ণভাবে একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে উঠেছেন। কিন্তু সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে, টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয়ের নামে রিপন মিয়ার পরিবারকে হেনস্থা করা হয়েছে। নিজেই একথা জানিয়েছেন তিনি।

    রিপন মিয়া অভিযোগ করেন, তার ঘরে নারী সদস্য থাকা সত্ত্বেও নির্ধারিত অনুমতি না নিয়ে কিছু ব্যক্তি তার পরিবারকে ভিডিও করে। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে তিনি বলেন, আমি রিপন মিয়া। আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থনে ২০১৬ সাল থেকে এই কাজে থাকার সুযোগ পেয়েছি। এত দীর্ঘ সময়ে আমি কখনো কারও ক্ষতি করিনি। যে কেউ আমাকে ডেকেছেন, আমি সব সময় সাড়া দিয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে মানুষের ভালোবাসা বৃদ্ধির সাথে সাথে আমার পেজ হ্যাকের চেষ্টাসহ নানা আঘাত এসেছে। আজ, সোমবার, ঢাকার বেশ কয়েকজন টিভি সাংবাদিক আমার বাড়িতে এসে অনুসন্ধানমূলক কাজ করতে থাকেন। তবে তাদের কেউ অনুমতি না নিয়ে আমার পরিবারকে ভিডিও করে এবং ভেতরে ঢুকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করেন। এমনকি পরিবারের মহিলা সদস্য থাকলেও তাদের অনুমতি নেননি।

    রিপন বলেন, আমি কখনোই আমার পরিবারের ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে টাকা আয়ের অপচেষ্টা করিনি। তিনি উল্লেখ করেন, নির্দিষ্ট কোন টিভি চ্যানেলের নাম তিনি বলতে চায়নি, কারণ তার উদ্দেশ্য কখনো কারো ছোট করা নয়। তবে তাকে দুর্বল করে টাকা আয় করে তার পরিবারের খেয়াল রাখতে চাওয়া এই অসাধু কাজের জন্য অনেকে বিবেকহীনতা দেখাচ্ছেন।

    তিনি সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, নিজের বিবেকের প্রশ্ন করুন যে, এই পথ দিয়ে টাকা উপার্জন করে নিজের পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে যতটা পারছেন, সেটি কি ঠিক? সবশেষে তিনি সবাইকে ভাল থাকার আহ্বান জানান এবং দোয়া চান।

  • প্রখ্যাত কন্নড় অভিনেতা রাজু তালিকোট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ

    প্রখ্যাত কন্নড় অভিনেতা রাজু তালিকোট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ

    জনপ্রিয় কন্নড় অভিনেতা রাজু তালিকোট হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। সোমবার (১৩ অক্টোবর) উডুপির মণিপাল হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। এই অকাল প্রয়াণে কন্নড় শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘ দিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। সম্প্রতি এক কন্নড় সিনেমার শুটিংয়ের জন্য উডুপির হেবরি এলাকায় ছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে শুটিং শেষ করেন তিনি, এরপর মধ্যরাতে হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন।

    অভিনেতা রাজুর অসুস্থতার খবর জানিয়েছেন কন্নড় অভিনেতা শাইন শেঠি, তিনি বলেন, রাজু তালিকোটের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল হঠাৎ করেই। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। মুহূর্তে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

    তার ছেলে জানিয়েছেন, অভিনেতার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে বিজাপুরের সিন্ধগী তালুকের চিক্কাসিন্দগীতে।

    রাজু তালিকোটার প্রকৃত নাম রাজেসাবা মাকতুমাসাব তালিকোটি। তিনি কর্ণাটকের বিজয়পুর জেলা সিন্দাগী তালুকের চিক্কাসিন্দগী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা-মাও ছিলেন নাট্যশিল্পী। মাত্র সাত বছর বয়স থেকেই বাবার পরিচালিত ‘শ্রীগুরু খাসগটেশ্বর’ নাট্য সংগঠনে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করেন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি থিয়েটার শিল্পে কাজ করেছেন।

    প্রসGlobal এ তিনি ‘মানসারে’, ‘পঞ্চারঙ্গি’, ‘লাইফ ইজ দ্যাট’, ‘রাজধানী’, ‘আলেমারি’, ‘ময়না’ এবং ‘টোপিওয়ালা’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। উল্লেখ্য, প্রয়াত এই অভিনেতা ‘বিগ বস কন্নড়’ এর সপ্তম সিজনে অংশ নিয়েছিলেন।

  • পাকিস্তানে অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মুনিবা শাহকে গুলি করে হত্যা

    পাকিস্তানে অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মুনিবা শাহকে গুলি করে হত্যা

    পাকিস্তানের পেশোয়ার শহরে এক মঞ্চ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) গভীর রাতে রিং রোডের পাশে একটি রিকশার ওপর নেমে আসা অজ্ঞাত হামলাকারীরা তাঁর ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পেশোয়ার পুলিশের পক্ষ থেকে এই ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীরা দ্রুত গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত হন রিকশা চালকও, যার দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। ফোরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বুলেটের খোলস ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন। কর্তৃপক্ষ অভিযান চালাচ্ছে সন্দেহভাজনদের খুঁজে বের করতে এবং গ্রেফতার করতে।

    তদন্তকারীরা হামলার পেছনের কারণ বা উদ্দেশ্য জানার জন্য কাজ করছেন। এই মুহূর্তে পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো বা কি Motiv ছিল, তার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলমান।