Month: October 2025

  • খুলনাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন রংপুর

    খুলনাকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন রংপুর

    প্রিমিয়ার লিগের গত আসরে ঢাকা মেট্রোকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল রংপুর বিভাগ। এবারও তারা ফাইনালে জায়গা করে নিয়ে শিরোপার প্রত্যাশা ছিল। তবে এবার রংপুরের תשובה ছিল আরও কঠিন। ম্যাচের শুরু থেকেই রংপুরের বোলাররা দারুণ বল করে খুলনাকে আটকে রাখে, আর ব্যাটসম্যানরা নির্ভীকেই খেলতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে, খুলনার ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১৩৬ রানে, যেখানে তাদের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ১৪ রান। এরপর রংপুরের ব্যাটসম্যানরা খুবই ধারাবাহিক ভাবে খেলতে থাকেন, এবং বড় জয় দিয়ে মাঠ ছাড়েন। তারা ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয়, সেইসঙ্গে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

    খুলনার বোলিং শুরুতেই ধাক্কা খায়। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা খুলনা প্রথম বলেই মোহাম্মদ ইমরানুজ্জামানকে হারায়, যিনি স্পিনার নাসুম আহমেদের দ্রুত গতি ও সঠিক লাইন লাউড করে প্রথম শিকার হন। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ওপেনার এনামুল হক বিজয়। তার বিরুদ্ধে পয়েন্টের দিকে বল ঠেলে বেশ কয়েকটি রান করার চেষ্টা করেন, কিন্তু শেষমেষ রান আউট হন। সৌম্য সরকারও ব্যাটে কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু রান নিতে গেলে তিনি আউট হন বাইরের বলের কারণে। এরপর একজনের পর একজন উইকেট পতনের মধ্য দিয়ে খুলনার ইনিংস দ্রুতই একপ্রকার ধসে পড়ে। শেষদিকে কিছু রান একটু বেশিই সংগ্রহ করে তারা, যেখানে ১৩০ পেরিয়ে যায়।

    রংপুরের ব্যাটসম্যানরা শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। দুই ওপেনার নাসির হোসেন ও জাহিদ জাভেদ দারুণভাবে দলের জন্য শক্ত ভিত্তি তৈরি করেন। তারা ৬১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে প্রথমে দলের গতি বজায় রাখেন। জাভেদ ২৪ বলে ২৭ রান করেন, যেখানে নাসির আরও উজ্জ্বল পারফর্ম করে ৪৬ রান করে আউট হন। তিনি হাফ সেঞ্চুরির কাছাকাছি থাকতেই আউট হন। এরপর নাইম ইসলাম ও অধিনায়ক আকবর আলী অবিচ্ছিন্নভাবে ৫৪ রান যোগ করে। নাইম ৩২ বলের মধ্যে অপরাজিত ৪০ রান করেন, আর আকবর ১৫ বলে ১৯ রান করে থাকেন।

    রংপুরের জয়ে মূল ভুমিকা রাখে তাদের শক্ত বোলিং আর দৃঢ় মনোভাব। বিশেষ করে আব্দুল্লাহ আল মামুন ১৮তম ওভারে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন, যা ম্যাচের মোড় ঘূর্নে যায় খুলনার বিপক্ষে। তিনি মিঠুন ও অভিষেক দাসের উইকেট তুলে নেন, যদিও হ্যাটট্রিকের অনুকূল সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এই বোলিংয়ের ফলে খুলনার সংগ্রহ কাঁটার মতো আটকে যায়। শেষে, খুলনার ব্যাটসম্যানরা কিছুটা রানের ব্যবস্থা করলেও শেষ পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩০ রান। এই সংগ্রহের সাথে রংপুরের জেতা নিশ্চিত হয়, এবং তারা টানা দ্বিতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

  • শেষ ওভারে বাংলাদেশ হেরল রোমাঞ্চকর ম্যাচে

    শেষ ওভারে বাংলাদেশ হেরল রোমাঞ্চকর ম্যাচে

    শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৮ রান। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে ছিলেন নাহিদা। তার করা প্রথম বলেই চার মেরে সমীকরণ সহজ করে দেন ডে ক্লার্ক। এরপর পরের বল ডট খেলার পর, তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি ৩ বল হাতে রেখেই দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই হারের মাধ্যমে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা অনেকটাই দূরবর্তী হয়ে গেছে বাংলাদেশের জন্য।

    বিশাখাপত্তমে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তারা করে ২৩২ রান। দলের হয়ে অপরাজিত ফিফটি করেন স্বর্ণা। তার পরিণত ব্যাটিং এবং ধৈর্য্যপূর্ণ ইনিংসের কারণে বাংলাদেশের স্কোর মোটামুটি শক্তিশালী হয়।

    জবাবে, ৪৯ ওভারে ৩ বল বাকি থাকতেই দক্ষিণ আফ্রিকা ৭ উইকেট হারিয়ে ২৩৩ রান সংগ্রহ করে এবং ম্যাচ জেতার বন্দরে পৌঁছে যায়।

    দক্ষিণ আফ্রিকার শুরু খুবই হালকা ছিল, প্রথম ওভারে নাহিদার শিকার হন ওপেনার তাজমিন ব্রিটস। প্রথম উইকেট হারানোর পরই লরা উলভার্টের নেতৃত্বে একমাত্র জুটিতে দাঁড়িয়ে যায়, তিনি ৩১ রান করেন। তবে, অধিনায়ক হঠাৎ রান আউটে পড়ে গেলে দ্রুতই আরও তিন উইকেট হারায় তারা।

    এখনও ৭৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে এই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে থাকলেও, ষষ্ঠ উইকেটে মারিয়ানা কাপ এবং চার্লি ট্রায়ন ৮৫ রানের জুটি গড়ে দেন। শেষমেশ, কেবল ৫৬ রান করে কাপ আউট হয়ে যান, আর ট্রায়ন করেন ৬২ রান।

    অবশেষে, ডে ক্লার্ক দলের জন্য দারুণ কিছু করেন। ২৯ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

    ম্যাচের শুরুতে বাংলাদেশের দুই ওপেনার রুবাইয়া হায়দার ঝিলিক ও ফারজানা হক সাবধানীভাবে ব্যাট করতে থাকেন। এতে বাংলাদেশের রান রেট কিছুটা কমলেও ভালো সূচনা হয়। লম্বা সময় পর উদ্বোধনী জুটিতে ফিফটি আসে। ঝিলিক ২৫ রান করে ফিরে যাওয়ার পর, ফারজানা ৭৬ বলে ৩০ রান করেন।

    তিনে নামা শারমিন আক্তার আবার দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন, নিগার সুলতানা জ্যোতির সঙ্গে ৭৭ রানের জুটি গড়ে। জ্যোতি ৪২ বলে ৩২ রান করেছেন। জ্যোতি ফিরে গেলেও, শারমিন ৭৪ বলে ফিফটি তুলে নেন, যা বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম। তাঁর এই পারফর্মেন্সে বাংলাদেশের শক্ত ভিত গড়ে ওঠে।

    অধিনায়ক নার্গিসের কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি ৫ নম্বর বিস্তৃত হন এবং মিডল অর্ডারে সফল হন। স্বর্ণা ৩৪ বলে ব্যক্তিগত ফিফটি ছুঁয়ে দ্রুত আঙিনায় পৌঁছান, যা বাংলাদেশের নারী ওয়ানডে ইতিহাসে দ্রুততম।

    শেষে, রান উৎসবে যোগ দেন রিতু মণি, তিনি ৮ বলে অপরাজিত ১৯ রান করেন। তার এই ধারাবাহিক পারফর্মেন্স ও স্বর্ণার আধিপত্যে বাংলাদেশ অবশেষে এই রোমাঞ্চকর ম্যাচ হারলেও হতাশায় ডুবে না, ভবিষ্যতে আরও ভাল পারফর্মেন্সের প্রত্যাশা রেখে।

  • নতুন বিসিবি পরিচালক জুলুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    নতুন বিসিবি পরিচালক জুলুর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নবনির্বাচিত পরিচালক সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার জুলফিকার আলি খান জুলুকে খুলনা থেকে এক বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। এই আয়োজনটি সম্পন্ন হয় খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা মিলনায়তনে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এক্স-ক্রিকেটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি তরিকুল ইসলাম সোহান, যার সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ নাসির হোসেন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শংকর কর্মকার, মোহাম্মদ নাসিম, মোহাম্মদ আনসারুল হক, মনিরুল হাসান মনি, মোহাম্মদ আজিজসহ আরও অনেক distinguished ব্যক্তিত্ব। এর পাশাপাশি অংশগ্রহণ করেন সংগঠনের সহ-সম্পাদক মোসেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আজগর, প্রচার সম্পাদক ও সাংবাদিক আনিছুর রহমান কবির, এবং সদস্য জিয়াউর আলম জিয়া।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম, জাকির হোসেন রিপন, মোহাম্মদ মোস্তাক, মোহাম্মদ এজাজ, এডভোকেট সাজ্জাদ হোসেন বাপ্পি, আম্পায়ার অ্যাসোসিয়েশনের নেতা খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, তারিকুল ইসলাম তুষার, বরকতউল্লাহ তুর্কি, মইনুল হাসান শিমুল এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

    বক্তারা জুলফিকার আলি খান জুলুর ক্রিকেট জীবন ও তার প্রশাসনিক দক্ষতার প্রশংসা করেন। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ভবিষ্যতে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন এবং খুলনাকে দেশের ক্রিকেটের কেন্দ্র হিসেবে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করবেন।

    অর্থাৎ, অনুষ্ঠানের শেষে জুলফিকার আলি খান জুলুর জন্য ফুলেল শুভেচ্ছা এবং সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে তার ক্রিকেট ও প্রশাসনিক অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মান জানানো হয়।

  • শেষ মুহূর্তের গোলে বাংলাদেশের হংকংয়ের বিরুদ্ধে ড্র

    শেষ মুহূর্তের গোলে বাংলাদেশের হংকংয়ের বিরুদ্ধে ড্র

    এশিয়ান কাপের মূল পর্বে উন্নীত হওয়ার লড়াইয়ে হংকংয়ের বিপক্ষে হোম ম্যাচে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ড্র করেছে। আজকের এই ম্যাচে স্বাগতিক দলের পরিবর্তে সফরকারী বাংলাদেশ মাঠে নামেছিল অ্যাওয়ে ম্যাচের মর্যাদায়। কাই তাক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে বাংলাদেশের জন্য খুবই কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। মাত্র ৩৪ মিনিটে ডিফেন্ডার তারিক কাজী ভুল করে পেনাল্টির অনুমতি দেন, যা হংকংয়ের ম্যাট অর সফলভাবে কনভার্ট করে দলকে প্রথমে এগিয়ে দেন। এর ফলে প্রথমার্ধে হংকং 1-0 ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। এই ভুলের ফলে বাংলাদেশের জন্য ম্যাচ কঠিন হয়ে পড়ে। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে বাংলাদেশ নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্ত করে এবং আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কঠোর পরিশ্রমে তারা অনেক সুযোগ সৃষ্টি করলেও কাঙ্ক্ষিত গোল পেতে অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে হংকংয়ের ডিফেন্ডার অলিভার গারবিগকে দুটি হলুদ কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। এরপর ৮৩ মিনিটে বাংলাদেশের অধিনায়ক রাকিব হোসেন বাঁ পাশের ক্রসে হেড করে বল জালে পাঠান। বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড ফাহমিদুলের ক্রস উপরিভাগে পেয়ে রাকিব নিখুঁত শটে গোল করেন। এভাবেই শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ গোলের মাধ্যমে ম্যাচটি 1-1 ড্রতে শেষ হয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যেতে সাহায্য করে। এই ড্র ফলাফল বাংলাদেশের জন্য অনেকটাই উৎসাহের কারণ, কারণ তারা কঠিন পরিস্থিতি মাউন্ট করে শেষ মুহূর্তে সমতা আনতে সক্ষম হয়েছে।

  • আফগানদের কাছে ২০০ রানে হেরে শোচনীয় হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের

    আফগানদের কাছে ২০০ রানে হেরে শোচনীয় হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের

    সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে আফগানিস্তান বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বড় এক জয় হাসিল করলো, এটি তাদের জন্য টানা třি ম্যাচের হোয়াইটওয়াশ। আফগানরা এই ম্যাচটি ২০০ রানের বড় ব্যবধানে জিতেছে। বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুঃখজনক, ২৭.১ ওভারে মাত্র ৯৩ রানে অল আউট হয়ে যায় তারা। এই দিন সাইফ হাসানের ৪২ রানের ইনিংস ছাড়াও অন্য কিছু উল্লেখযোগ্য ছিল না। আফগানিস্তানের জন্য রশিদ খান তিন উইকেট নেন, আর বিলাল সামি পাঁচ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ভোগান। বাংলাদেশ দলের কেউই দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি, নিজেদের দুর্বলতা আবারো প্রকাশ পেলো এই ম্যাচে।

    এর আগে আফগানিস্তান উড়ন্ত সূচনা করে, রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং ইব্রাহীম জাদরান প্রথম ৭ ওভারেই ৫০ রান সংগ্রহ করেন। প্রথম ১০ ওভারে তারা বিনা উইকেটে ৬৬ রান করে বসেন। ১৬তম ওভারে বাংলাদেশের জন্য সুখকর ছিল না, তখন প্রথম উইকেটটি পড়ে আরই হৃদয়ের বিদায় ঘটে। এরপর সেদিকউল্লাহ অতল ২৯ রান করে আউট হন, তবে রিভিউতে দেখা যায় বল স্টাম্পলাইনের মধ্যেই ছিল। এরপরই বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা ধীরে ধীরে উইকেট হারাতে থাকেন।

    শুরুর দিকে আফগানিস্তানের অপ্রতিরোধ্য ব্যাটিং উপভোগ করে তারা। নবির ঝড়ো ইনিংসে ২৫ রন করে অপরাজিত থাকেন, মাঠে রশিদ খানও বেশ ভয়ঙ্কর ছিলেন। বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক ছিল, তাদের ব্যাটিং লাইনআপ পুরোপুরি ব্যর্থ হয়, বিশেষ করে ওপেনার নাইম শেখ এবং সাইফ হাসানের খেলা যেন আরও হতাশাজনক। সব মিলিয়ে, আফগানরা এই সিরিজে বাংলাদেশের হার নিশ্চিত করে দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নেয়।

  • মেক্সিকোতে দুই মৌসুমি ঝড়ের প্রভাবে নিহত ৬৪, নিখোঁজ ৬৫

    মেক্সিকোতে দুই মৌসুমি ঝড়ের প্রভাবে নিহত ৬৪, নিখোঁজ ৬৫

    মেক্সিকোর উপসাগরীয় উপকূলে শরৎকালীন দুই ভয়াবহ মৌসুমি ঝড়ের কারণে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাস ও তেল দূষণ ঘটেছে। উপসাগরীয় শহর পোজা রিকা ঘুরে দেখা যাচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াবহতার চিত্র। ব্যাপক বৃষ্টিপাত ও ভূমিধসের ফলে অন্তত ৬৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন, আর ৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এই বন্যার ফলে প্রায় এক লাখ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বিশেষ করে ভেরাক্রুজ, হিদালগো, পুয়েবলায়, কোয়েরেতারো এবং অন্যান্য পাঁচটি রাজ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত।

    তেল উৎপাদনের জন্য পরিচিত পোজা রিকা এখন তেল ঝরনার কবলে পড়ে গেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, কাছাকাছি রাষ্ট্রীয় তেল সংস্থা পেমেক্সের স্থাপনাগুলো থেকে তেল ছড়িয়ে পড়েছে, তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পায়নি।

    লিলিয়া রামিরেজ নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘‘পানিতে ডুবে যাবার আগের মুহূর্তে আমি খুব সহজে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছি। ফিরে দেখতে পাচ্ছি আমার বাড়ির প্রথম তলা ছাদ পর্যন্ত পানি ও কাদায় ভরে গেছে।’’

    বন্যা পরবর্তী উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মেক্সিকো সরকার প্রায় ১০,০০০ সেনা ও উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করেছে। হেলিকপ্টার দিয়ে ২০০টি বিচ্ছিন্ন এলাকার জ্বর, খাদ্য ও পানীয় সরবরাহ করা হচ্ছে এবং আহত ব্যক্তিদের দ্রুত জীবনের ঝুঁকি থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

    প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম গত সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘‘আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সম্পদ রয়েছে, ত্রাণে কোনো ফাঁকি দেওয়া হবে না। তবে দেশের দুর্গম কিছু অঞ্চলে ত্রাণ পৌঁছাতে কিছু দিন সময় লাগবে।’’

    বৃষ্টিপাতের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৬ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ভেরাক্রুজে প্রায় ২৪.৭ ইঞ্চি (৬২.৭ সেন্টিমিটার) বৃষ্টি হয়। এই ভারী বর্ষণে ভেরাক্রুজে ২৯ জন, হিদালগোতে ২১ জন, পুয়েবলায় ১৩ জন, এবং কোয়েরেতারোতে ভূমিধসের কারণে এক শিশুসহ আরও অনেকের মৃত্যু হয়।

    সরকার জানিয়েছে, এই ভয়াবহ বৃষ্টিপাতের জন্য মূলত দায়ী হারিকেন প্রিসিলা ও গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় রেমন্ড। এই ঝড়গুলো মেক্সিকোর পশ্চিম উপকূলে তৈরি হয় এবং ব্যাপক প্রভাব ফেলে। নৌবাহিনীর সচিব রেমুন্ডো মোরালেস জানান, কয়েক মাস ধরে নদীগুলো একটানা ভারী বৃষ্টির কারণে উপচে পড়ছিল। বর্ষণে ভূমিধস ও জলমগ্নতা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

    প্রেসিডেন্ট শেইনবাউম বলেন, ‘‘এমন প্রবল বৃষ্টি আমাদের কল্পনাকেও হার মানিয়েছে।’’ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বহু সেতু, সড়ক এবং বিদ্যুৎ অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক শহর এখনো বিদ্যুৎবিহীন হলেও বেশির ভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ আবার চালু করা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি ডেঙ্গু ও অন্যান্য ভাইরাসজনিত রোগের সংক্রমণ রোধে সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া শুরু করেছে।

    রবার্তো ওলভেরা নামে একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘‘পেমেক্সের সংস্থাগুলো থেকে যখন সাইরেন বাজছিল, তখন আমরা বুঝতে পেরেছিলাম বিপদ আসছে। কিন্তু আশেপাশের অনেক মানুষ ঘরে থাকছিলেন—কেউ কেউ প্রাণ হারিয়েছেন।’’

    অব্যাহত প্রবল বৃষ্টি ও তেল দূষণের কারণে পোজা রিকা ও আশপাশের এলাকা এখনো বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। সরকার উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এই দুর্যোগের তীব্রতা এবং পরিবেশগত ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য আরও সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • ভারতের তিন কাশির সিরাপে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কবার্তা

    ভারতের তিন কাশির সিরাপে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কবার্তা

    জাতিসংঘের স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), ভারতের তিনটি কাশির সিরাপের ব্যাপারে জোরদার সতর্কতা জারি করেছে। এই সিরাপগুলো তৈরি করা হয়েছিল শিশুদের, যারা বয়সে এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সূত্রে বার্তা সংস্থা রয়টার্স প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই তিনটি সিরাপে ডায়াথিলিন গ্লাইকোল নামে এক ধরনের রাসায়নিকের অস্বাভাবিক উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এই কারণে স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় সংস্থাটি সতর্ক করে দিয়েছে।identifierসিরাপগুলো হলো—ভারতের শ্রেসান ফার্মাসিউটিক্যালের তৈরি কোল্ডরিফ, রেডনেক্স ফার্মাসিউটিক্যালের সিরাপ রেসপিফরেশ টিআর, এবং শেপ ফার্মার তৈরি রিলাইফ। ডায়াথিলিন গ্লাইকোল মূলত শিশুদের কাশি নিরাময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু যদি সিরাপের মধ্যে এর মাত্রা অনুমোদিত সীমার থেকে পাঁচশো গুণ বেশি হয়, তাহলে তা বিষের মতো হয়ে দাঁড়ায়। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এই তিন সিরাপে ডায়াথিলিন গ্লাইকোলের উপস্থিতি নির্ধারিত বা অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে ৫০০ গুণ বেশি। আগস্টে ভারতের শ্রেসান ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি কোল্ডরিফ সিরাপ খেয়ে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর আগে, ২০২৩ সালে অন্য কোনও ভারতীয় কোম্পানির সিরাপ খেয়ে উজবেকিস্তান, ক্যামেরুন ও গাম্বিয়ার মোট ১৪১ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। ভারতের সরকারি ওষুধ মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা, সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশনের (সিডিসিসিও) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ডব্লিউএইচও’র সতর্কবার্তা মাথায় রেখে তারা ওষুধের মান আরও কড়া করে তোলা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

  • ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর গাজায় ফের হামলার ঘোষণা

    ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর গাজায় ফের হামলার ঘোষণা

    ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ আবারও গাজায় সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন, এবং এ ঘোষণা যুদ্ধবিরতি চুক্তির মাধ্যমে জিম্মিদের মুক্তির একদিনেরও কম সময়ের মধ্যে এসেছে। তিনি বলেছেন, জিম্মি মুক্তির পর ইসরায়েল তাদের জন্য নতুন করে হামাসকে পরাজিত করার জন্য সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করবে। এই ঘোষণাকে সাধারণত নতুন সম্মত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট অভিপ্রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    কাটজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে বলেন, ‘জিম্মিদের মুক্তির মাধ্যমে চুক্তির প্রথম ধাপের কাজ শেষ হবে, তারপরই ইসরায়েল হামাসের সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমন করতে আবারও সামরিক পদক্ষেপ নেবে।’ তিনি আরও জানান, ‘জিম্মি ফেরত পাওয়ার পর ইসরায়েলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে গাজায় হামাসের সব সন্ত্রাসী সুড়ঙ্গ ধ্বংস করা, যা সরাসরি আইডিএফের (ইসরায়েলী সেনাবাহিনী) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি যৌথ অভিযানে সম্পন্ন করা হবে।’

    কাটজের মতে, গাজাকে নিরস্ত্রীকরণ ও হামাসের ক্ষমতা কমানোর উদ্দেশ্যেই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য। তিনি আইডিএফ বাহিনীকে নতুন সামরিক অভিযান প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    এই ঘোষণা তখন এসে পৌঁছেছে যখন কাতার, মিশর ও আমেরিকার মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তির একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল দুই বছরের ধ্বংসযজ্ঞ ও রক্তক্ষরণ বন্ধ করা। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কাটজের এই বক্তব্য খুব স্পষ্ট যে, ইসরায়েল এই যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তির পরিবর্তে সাময়িক বিরতিই হিসেবে দেখছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, কাটজের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক মানবধিকার আইনের লঙ্ঘনের ঝুঁকি বাড়িয়েছে। কারণ, যুদ্ধবিরতি থাকাকালীন সময়ে নতুন আক্রমণের প্রস্তুতি নেওয়া বা বড় আকারের হামলার ঘোষণা দেওয়া আইনী দিক থেকে অসঙ্গত।

    গাজার পরিস্থিতি এখন ভয়াবহ। ইসরায়েলের টানা আক্রমণে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৭,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই নারী ও শিশু। পাশাপাশি দুই মিলিয়নের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন। হাসপাতাল, স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্র ধ্বংসের কারণে খাদ্য ও চিকিৎসা সংকট তীব্র।

    আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা গণহত্যা মামলার শুনানি চালিয়ে যাচ্ছে, যেখানে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বেসামরিক জনগণের ওপর deliberately হামলা, অনাহার সৃষ্টি ও গাজামের অবকাঠামো ধ্বংসের প্রমাণ উপস্থাপন করা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মত, কাটজের এই বক্তব্য স্পষ্ট করে দেখিয়েছে যে, ইসরায়েল স্থায়ী শান্তি নয়, বরং তাদের সামরিক আধিপত্য বজায় রাখাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর ফলে, যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

  • হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করতে বল প্রয়োগ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

    হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করতে বল প্রয়োগ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেছেন, মার্কিন শীর্ষ কূটনীতিকদের সঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন যে হামাসকে অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির পরে যদি তারা সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ না করে, তবে প্রয়োজন পড়লে বলপ্রয়োগ করে হলেও হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা হবে। খবর অনুযায়ী, টাইমস অব ইসরায়েলের।

    ট্রাম্প একথা হোয়াইট হাউস থেকে সাংবাদিকদের কাছে ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, হামাসের নেতাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে সরাসরি আলোচনা করেছেন মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনার।

    উল্লেখ্য, মার্কিন সরকারের অনুমোদনে উইটকফ এবং কুশনার গত সপ্তাহে শার্ম আল-শেখে হামাসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। এ সময় তারা প্রত্যাশা প্রকাশ করেন যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে গাজায় যুদ্ধ শেষ করতে মার্কিন পরিকল্পনার শর্তাবলী অনুসারে ইসরায়েলকে জবাবদিহি করতে হবে।

    ইসরায়েলের সঙ্গে হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে মার্কিন মধ্যস্থতায় শুক্রবার থেকে স্থগিত হয় যুদ্ধবিরতি। এ চুক্তির অংশ হিসেবে, সোমবার হামাস ২০ জন জিম্মিকে জীবিতভাবে মুক্তি দিয়েছে।

    পরবর্তী সময়ে, ধাপে ধাপে মৃত জিম্মির দেহাবশেষও ফেরত দেওয়া হয়েছে, মঙ্গলবার চারজনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছিল।

    হামাসকে নিরস্ত্রীকরণ করা হবে কিনা এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, তিনি এ বিষয়ে গ্যারান্টি দিতে পারেন না।

    অন্যদিকে, হামাস সোমবার চারজন জিম্মির মৃতদেহ ফেরত দিয়েছে, এবং মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আরও চারটি মৃতদেহ ফিরিয়ে দেয়।

  • ইতালি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতেআর প্রস্তুত: মেলোনি

    ইতালি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতেআর প্রস্তুত: মেলোনি

    ইতালি খুব শিগগিরই স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার পরিকল্পনা করছে। এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। তিনি গাজা সংলগ্ন মিসরীয় শহর শারম আল শেখে অনুষ্ঠিত ‘গাজা শান্তি সম্মেলন’-এ উপস্থিত ছিলেন যেখানে তিনি নিজের প্রতিপাদ্য বিষয়ে মুখ খোলেন। মেলোনি বলেন, ‘ইতালি গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রত্যাশায় ছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশংসা করেন তিনি, কারণ ট্রাম্প একটি সময়োপযোগী পরিকল্পনা তুলে ধরেছিলেন। এখন আমাদের নজরrobi এই পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নে। যদি তা সম্পন্ন হয়, তবে ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি দিতে আর কোনো বাধা থাকবে না।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সংক্ষেপে বলতে গেলে, ইতালি প্রস্তুত ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এবং বর্তমানে আমরা এই লক্ষ্য অনুযায়ী খুব কাছাকাছি রয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে তিনি গাজার পুনঃনির্মাণে ইতালির অংশ নেওয়ার Interesse প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘ইতালি তার দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত। এটি একটি ঐতিহাসিক দিন। আমি গর্বিত যে, এই সম্মেলনে ইতালির উপস্থিতি।’তার মন্তব্যে জোর দেয়া হয় যে, দুই বছরের সংঘাতের পর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার আওতায়, ফিলিস্তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানিয়েছেন। এই পর্যায়ে, হামাস গাজার উপত্যকায় ইস্রায়েলি সেনা প্রত্যাহার ও যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করেছে। ইতিমধ্যে, হামাস ২০ জন ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে এবং বিনিময়ে ৩৭০০ ফিলিস্তিনি কারাবন্দিকে মুক্ত করেছে ইসরায়েল। গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার এই প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মেলোনি বলেন, ‘বিশেষ করে ট্রাম্পের নেতৃত্বে গাজায় যুদ্ধবিরতি একটি বড় সাফল্য। পাশাপাশি, আমরা রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘর্ষেও ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকে সফল দেখতে চাই।’ এই তথ্য সূত্র হিসেবে আনাদোলু এজেন্সি উল্লেখ করে।