Month: October 2025

  • নগরীর ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিঠু দল থেকে বহিষ্কার

    নগরীর ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিঠু দল থেকে বহিষ্কার

    নগরীর ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ রকিবুল ইসলাম মিঠুকে দলে তার শৃঙ্খলার অবনতি এবং সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মহানগর বিএনপি’র মিডিয়া সেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, দলের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপরাধে, মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের স্বাক্ষরিত পত্রে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বহিষ্কারের ফলে মোঃ রকিবুল ইসলাম মিথু এখন থেকে দলের কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের এই তাকের সাথে আর কোন সম্পর্ক স্থাপন না করার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

  • দলের দুঃসময়ে যারা নিরাপদ দূরত্বে থেকেছেন, তারা বিএনপি’র কেউ নয়

    দলের দুঃসময়ে যারা নিরাপদ দূরত্বে থেকেছেন, তারা বিএনপি’র কেউ নয়

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশ না নেওয়া এবং দলের প্রতি বেঈমানী করা ব্যক্তিরা বিএনপির প্রকৃত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মুখোমুখি। যারা দলের অঙ্গীকারের প্রতি অবিচল না থেকে নিজেদের ‘আমিত্ব’ ও ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছেন, তারা দলের স্বার্থের পরিপন্থী। বিএনপি এক আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠন, যার শেকড় রাজপথে ও সাধারণ মানুষের হৃদয়ে। তিনি আরও বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ উপেক্ষা করে কিছু ব্যক্তিরা নিজের বলয় গড়ে তুলতে চাইছেন, যা দলের শৃঙ্খলা ও ঐক্যের জন্য হুমকি। এসব ব্যক্তিরা দলের মূল আদর্শের বাইরে গেলেও তারা বৈধ নেতা-কর্মী নয়। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় রূপসা বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হওয়া বিএনপি’র রাষ্ট্র মেরামতে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের পক্ষে প্রচার মিছিলের শেষ পর্যায়ে তিনি এসব কথা বলেছেন।

  • সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় একত্রীক হওয়া জরুরি

    সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় একত্রীক হওয়া জরুরি

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বর্তমানে দেশে চলছে চরম অর্থনৈতিক সংকট, বেআইনি বেকারত্ব এবং সামাজিক অবক্ষয়। এসব সংকটের মূল কারণ হলো বর্তমান সরকার। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে এই দুঃসময় থেকে মুক্তি সম্ভব। তার মতে, শুধুমাত্র এমন নির্বাচনই পারে দেশের রাজনীতিকে পুনরুদ্ধার করে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত করতে।
    বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডে গোয়ালখালী ইউনিট ও নেছারিয়া মাদ্রাসা ইউনিটসহ চারটি নারী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি। ঐতিহাসিক এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, খালিশপুর থানা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, খালিশপুর মহিলা দলের আহ্বায়ক শাহানাজ সরোয়ারসহ নয়নং ওয়ার্ডের মহিলা দলের সদস্যরা।
    রকিবুল ইসলাম বকুল উল্লেখ করেছেন, খালিশপুরের অর্থনীতির মূল ভিত্তি ছিল মিল-কারখানা। কিন্তু বর্তমানে সরকারের নিষেধাজ্ঞা ও নীতির কারণে এই শিল্পগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে হাজারো পরিবার কর্মসংস্থান হারিয়ে দুঃখের জীবন কাটাচ্ছে। কেউ রিকশা চালাচ্ছে, কেউ ছোট ব্যবসা শুরু করেছে, কিন্তু সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। তিনি ব্যাখ্যা করেন, চাকরি হারানো তরুণরা হতাশায় নিপতিত হয়ে মাদকাসক্তিতে ডুবে যাচ্ছে। এক পরিবারে যদি একজন মাদকাসক্ত হয়, তাহলে পুরো পরিবারই অস্থির হয়ে পড়ে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই পরিস্থিতির থেকে উত্তরণে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধতা, ধৈর্য্য ও সঠিক নেতৃত্ব। নচেৎ এই নাজুক পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

  • রূপসা ঘাটের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: জেলা প্রশাসক

    রূপসা ঘাটের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: জেলা প্রশাসক

    খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, রূপসা ঘাটে বিরাজমান সমস্যাগুলোর সমাধানে দ্রুত এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, জনগণের সহজসুলভ এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। পাশাপাশি, ঘাটের দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে তারপর সর্বোত্তম সমাধান খুঁজে বের করা হবে।

    বৃহস্পতিবার সকালে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে উপজেলার সরকারি দপ্তর প্রধানগণের সাথে এক জরুরি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, নিজেদের সততা, দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা দিয়ে জনগণের সেবায় এগিয়ে আসতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, আমরা জনগণের কল্যাণে অবদানের জন্যই এই চাকরি করছি। তাই জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের উপকারের জন্য কাজ করে যেতে হবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন রূপসা থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাজেদুল হক কাউসার, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আহসান হাবিব প্রামাণিক, জেলা প্রশাসন অফিসের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান আরিফ, কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, প্রকৌশলী শোভন সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার উল কুদ্দুস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ বোরহান উদ্দিন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজসহ আরও অনেক সরকারি ব্যক্তিত্ব।

    তাছাড়া তিনি রূপসা থানা পরিদর্শন করেন এবং উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর আয়োজিত কর্মক্ষেত্রে “আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার” শীর্ষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। সকল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করে প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত হন, যা রূপসার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের পথে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

  • খুলনা মহানগর বিএনপিতে আন্দোলনবিমুখ ও বিশ্বাসঘাতকদের স্থান হবে না

    খুলনা মহানগর বিএনপিতে আন্দোলনবিমুখ ও বিশ্বাসঘাতকদের স্থান হবে না

    খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, অতীতে যারা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ অমান্য করে সংবাদপত্রে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন, তারা দলের আর একজন সদস্য হতে পারছেন না। তিনি বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এখানে নেতৃত্বে প্রতিযোগিতা স্বাভাবিক, কিন্তু দলের শৃঙ্খলা ভাঙা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যারা বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপপ্রয়াস চালাচ্ছেন, তারা কখনোই বিএনপির অংশ নয়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সংগ্রাম করছে। এই সময়ে যারা দল বিকৃতি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন, তারা অজান্তে আওয়ামী লীগের স্বার্থ রক্ষা করছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে যারা প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করছেন, তাদের কোনওভাবে বিএনপির আদর্শের অংশ বলে বিবেচনা করা যায় না। বিএনপি কোনও ব্যক্তির প্রতিষ্ঠান নয়, এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া একটি জনগণের দল। এখানে নেতৃত্ব পাওয়ার জন্য ত্যাগ, আনুগত্য ও সংগঠনের প্রতি দায়বद्धতা থাকতে হবে, সংবাদ সম্মেলনের নাটক তাদের জন্য নয়।

    বুধবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বিকেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের পক্ষে বিশাল প্রচার মিছিল শেষে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    মহানগর বিএনপির সভাপতি আরও বলেন, যারা ওয়ান ইলেভেনের সময় জিয়া পরিবারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, আন্দোলনের নামে চাঁদাবাজি ও নেতাকর্মীদের থেকে প্রতারণা করেছে, তাদের জন্য বিএনপিতে কোনও স্থান নেই। খুলনা বিএনপি এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। কোনও ষড়যন্ত্রকারী বা দলবিরোধী ব্যক্তিকে দলে স্থান দেওয়া হবে না।

    রয়্যাল মোড় থেকে শুরু হওয়া এই প্রচার মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিববাড়ি মোড়ে পথসভায় মিলিত হয়। সেখানে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য এখানে এসেছি কারণ আমরা এই দেশকে ভালোবাসি। দলীয় বিশ্বাসঘাতকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যারা ওয়ান ইলেভেনের সময় জিয়া পরিবারকে ধোঁকা দিয়েছে, আন্দোলনের নামে চাঁদাবাজি করেছে, এমনকি বিএনপি অফিসের সামনে গড়াকোটি দিয়ে নাটক করে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে—তাদের দল কখনো মেনে নেবে না। খুলনার মানুষ এমন নেতাদের বিএনপিতে দেখতে চায় না। তুহিন আরও বলেন, খুলনা বিএনপি এখন আন্দোলনের সফলতার প্রতীক। এই বিএনপির হাত ধরেই খুলনায় ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন হয়েছে, এবং ভবিষ্যতেও এই মাটিতে ফ্যাসিস্টদের স্থান হবে না। আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, খুলনার ছয়টি আসন ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। খুলনা বিএনপি এখন একত্র ও ঐক্যবদ্ধ, কোনও আন্দোলনবিমুখ বা পলায়নপর ব্যক্তিকে দলে ঢুকতে দেবে না।

    কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজসহ থানা, ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, জাসাস, মহিলা দল, তাঁতীদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি দেশের জনগণের মুক্তি, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রের উপকারী রূপান্তরের জন্য। খুলনা মহানগর বিএনপি এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরব থাকবে।

    পরবর্তী কর্মসূচি: বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় রূপসার ফেরিঘাট থেকে রয়্যাল মোড় পর্যন্ত লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের পক্ষে বিশাল প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

  • অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্সের লাভ ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্সের লাভ ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অসাধারণ এক অঙ্কে রেমিট্যান্স প্রবাহ ভারতের অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি সূচক। অক্টোবরের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ এসেছে মোট ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় অন্তত ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকায় পরিণত হয়েছে (প্রতি ডলার মূল্য ধরে ১২১.৭৫ টাকা হিসেব করে)। এই তথ্য শুক্রবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর নিশ্চিত করেছে।

    চলমান অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসী আয় আগের বছরের সমান সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি এসেছে। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন মোট ১৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। তবে এর আগের মাস, সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৮ দিনেও বাংলাদেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ কিছুটা কম ছিল, যেখানে ওই সময়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১৬১ কোটি ১৫ লাখ ডলার।

    অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছর ১ জুলাই থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত এই তিন মাস ১৮ দিনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মোট পরিমাণ আগের বছর অপেক্ষা ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। এই সময়ে মোট ৯১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে যেখানে, আগের বছর এই সময়ের মধ্যে তা ছিল ৮০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

    বিশ্লেষকদের অভিমত, এ ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায়, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং শ্রমিকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও বাড়ছে।

  • কার্গো টার্মিনালের আগুনে রপ্তানি খাতে ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    কার্গো টার্মিনালের আগুনে রপ্তানি খাতে ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় দেশের রপ্তানি শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা ট Twelve হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে।

    আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) রপ্তানি ও শিল্প খাতের বিভিন্ন সংগঠনের সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম, ইএবি (এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ), একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করে। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

    ইএবি সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু ব্যবসায়ীরা নয়, দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা হারানোর আশঙ্কাও উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রত্যাশা, এই ঘটনার জন্য সম্পূর্ণ তদন্তের মাধ্যমে ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত পুনরুদ্ধারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের মূল কেন্দ্র, এখানে এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা আর ঘটুক না।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো হ্যান্ডলিং জোন দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র। প্রতিদিন এই স্থানে কোটি কোটি ডলারের পণ্য ওঠানামা করে। এই সংবেদনশীল স্থাপনায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডটি কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়, বরং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যাপক দুর্বলতা প্রকাশ করে।

    তারা প্রশ্ন ওঠায় বলেন, কি এই গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় কি অটোমেটিক ফায়ার ডিটেকশন ও প্রটেকশন সিস্টেম ছিল? আগুনের সময় বিমানবন্দরের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপক দল কীভাবে ছিল? বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিসের আসতে এত সময় লাগলো কেন?

    নেতারা অভিযোগ করেন, দেশের সিভিল এভিয়েশন, কাস্টমস এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স—এই তিন প্রতিষ্ঠান এ জন্য দায়ী, যাদের দায়িত্ব ছিল কার্গো টার্মিনালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার। তাদের ব্যর্থতার কারণেই আজকের এই বিপর্যয়।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগুনে প্রথমে তৈরি পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল, ফার্মাসিউটিক্যাল কাঁচামালসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্য পুড়ে গেছে। এতে অনেক ক্রেতা তাদের অর্ডার বাতিল করেছেন এবং বেশ কিছু বিদেশি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

    সংবাদ সম্মেলনে ইএবি ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের বিমা দাবি দ্রুত নিষ্পত্তি, যেখানে বীমা কাভার ছিল না, সেই পণ্যের জন্য বিশেষ সরকারি তহবিল থেকে সহায়তা, কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের আধুনিকায়ন ও নিরাপত্তা জোরদার, রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন, আধুনিক স্ক্যানার এবং প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং ব্যবস্থা স্থাপন, কার্গো ব্যবস্থাপনায় ডিজিটালাইজেশন ও ফায়ার প্রোটেকশন ব্যবস্থার উন্নয়ন।

    অবশেষে, রপ্তানিকারক নেতারা দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য দাবি জানিয়েছেন, যাতে কিছু অস্বচ্ছতা বা অবহেলা যেন আবার ফিরে না আসে। তারা সরকারের, সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে এক পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

  • স্বর্ণ ও রুপার দাম কমল টানা রেকর্ডের পর

    স্বর্ণ ও রুপার দাম কমল টানা রেকর্ডের পর

    জাতীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম আরো নিচে নামে। সবচেয়ে প্রিমিয়াম মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম কমে দাঁড়িয়েছে আট হাজার ৩৮২ টাকা, যার ফলে একটি ভরি স্বর্ণের বর্তমান মূল্য এখন দুই লাখ আট হাজার ৯৯৫ টাকা। একই সঙ্গে রুপার দামও কমানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকেই এই নতুন দর কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরযুক্ত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এর আগে, ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। তখন এক প্রকারের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম সব রেকর্ড ভেঙে যায়, যেখানে একটি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল দুই লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা।

    নতুন দাম অনুযায়ী, স্বর্ণের দাম আবার কমে এসেছে, যেখানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম এখন আট হাজার ৩৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৯৯ হাজার পাঁচশ’ এক টাকা, যা আগে ছিল বেশি। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমে এক লাখ ৭০ হাজার ৯শ’ ৯৪ টাকা। পাশাপাশি, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম কমে হয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার ২শ’ ১৯ টাকা।

    অন্যদিকে, এর আগে ২০ অক্টোবর স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সময়, বিভিন্ন মানের স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছিল। ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ছিল দুই লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ছিল দুই লাখ ৭ হাজার ৫শ’ ৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছিল এক লাখ ৭৭ হাজার ৮শ’ ৫৩ টাকা। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১৪৮,৭৪২ টাকা।

    অন্যদিকে, রুপার দামও কমে এসেছে। ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম ৭৩৫ টাকা কমে now ৫ হাজার ৪৭০ টাকা। ২১ ক্যারেটের রূপার দাম কমে ৫ হাজার ২১৪ টাকা। ১৮ ক্যারেটের রুপার দামে কমতি ৬০৭ টাকা, নতুন দাম এখন ৪ হাজার ৪৬৭ টাকা। সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ৩ হাজার ৩৫৯ টাকা, যা আগে ছিল বেশি।

    আগে ২০ অক্টোবর, ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম ছিল ৬ হাজার ২১০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ছিল ৫ হাজার ৯১৪ টাকা, এবং ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ছিল ৫ হাজার ৭৪ টাকা।

  • বাংলাদেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    বাংলাদেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমানে ৩২.১০ বিলিয়ন ডলারReached . This আশ্চর্যজনক বৃদ্ধি মূলত রেমিট্যান্স প্রবাহে জোরের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলাম কার্যক্রমের ফল। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ৩২.১১ বিলিয়ন ডলারReached। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ ২৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার। Ioএ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    অগ্রগতির ধারাবাহিকতায়, গত ৯ অক্টোবরে দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১.৯৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে আইএমএফের বিপিএম-৬ মত অনুযায়ী তা ছিল ২৭.১২ বিলিয়ন ডলার। ব্যাংকের মুখপাত্র জানান, রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনার ফলে রিজার্ভের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার নিলামের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছে। এই নিলাম কার্যক্রম শুরু হয় ১৩ জুলাই, এবং এখন পর্যন্ত রিজার্ভের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

  • বাংলাদেশে জুয়া ও প্রতারণার মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট ৫০,০০০ এর বেশি স্থগিত

    বাংলাদেশে জুয়া ও প্রতারণার মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট ৫০,০০০ এর বেশি স্থগিত

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা জানিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। জুয়া এবং প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত থাকায় এই সময়ে ৫০ হাজারের বেশি মোবাইলভিত্তিক আর্থিক লেনদেন পরিষেবা (এমএফএস) অ্যাকাউন্টকে স্থগিত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি মাস পর্যন্ত। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায়, যেখানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি, সিআইডি, বিএফআইইউ এবং মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধি অংশ নেন, এই তথ্য জানানো হয়।

    বিএফআইইউর একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হয়ে জানান, মোবাইল লেনদেনের মাধ্যমে জুয়া, প্রতারণা ও অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধে বিটিআরসি এর মাধ্যমে নানা ধরনের সতর্কতা বার্তা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি, এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হবে, যাতে এসব অনুসরণ করে অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করা যায়। চিন্তাজনক বিষয় হলো, জুয়াখোর চক্রগুলো বেনামি সিমের মাধ্যমে অনলাইন জুয়া পরিচালনা করছে, বিকাশের নকল অ্যাপ তৈরি হচ্ছে, মানুষের আঙুলের ছাপ বা ডেটা ডার্ক ওয়েবে পাওয়া যাচ্ছে। এসব বেআইনি কার্যক্রম দেশের অর্থনীতির জন্য বড় বিপদ সৃষ্টি করছে।

    অত্র সভায় সরকারের বিশেষ উপদেষ্টা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, অনেক গণমাধ্যম এখনও জুয়া বিজ্ঞাপন প্রচার করছে, যা সরকারকে বেশ সতর্ক করে দিয়েছে। এখন যদি এই ধরনের বিজ্ঞাপন বন্ধ না করা হয়, তবে বিনা নোটিশে সংশ্লিষ্ট পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়া হবে। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে জুয়া বিজ্ঞাপন বন্ধের জন্য কিছু সময় দেওয়া হয়েছিল, তবে অনেক অনলাইন পোর্টাল এখনও এসব বিজ্ঞাপন চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, সরকার অতিশীঘ্রই এসব পোর্টাল বন্ধ করে দেবে।

    ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানিয়েছেন, মে মাস থেকে এ পর্যন্ত সরকারের হাতে এসেছে ৪ হাজার ৮২০টি এমএফএস নম্বর এবং ১ হাজার ৩৩১টি ওয়েবসাইটের লিঙ্ক। তবে, এই চক্রগুলো নতুন করে আরেক ভাবধারায় ফিরে আসছে, তারা আইপি পরিবর্তন ও নতুন নামে ওয়েবসাইট তৈরি করে আবার নতুন অ্যাপ চালু করছে। বন্ধ করা অ্যাপগুলো অনেক সময় পাবলিশড নয় বা এপিআই ব্যবহার করে গোপনভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা এই অপরাধগুলোর সঙ্গে যুক্ত দালাল ও চক্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।