Category: রাজনীতি

  • নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বললেন মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বললেন মির্জা ফখরুল

    বিএনপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা প্রকাশ্যে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একান্তে সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা ও ভাষণ যা আজ জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে, এটি আমাদের জন্য আশার আলো জর্জরিত করেছে। এই ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলো এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে একসাথে কাজ করতে চায় এবং জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষা ও নিশ্চিত করতে প্রতিজ্ঞবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, এই তফসিলের ঘোষণা মোটামুটি আমাদের সন্তুষ্টি দিয়েছে। কিছু শব্দের এদিক-সেদিক হতে পারে, তবে এটি বড় বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে ২০২৬ সালে নির্বাচন ও গণভোট একসাথে অনুষ্ঠিত হবে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরাট উল্লেখ্যযোগ্য ঘটনা। এর সুষ্ঠু আয়োজন ও সফল বাস্তবক্ষে কেন্দ্রীয় দায়িত্ব রয়েছে নির্বাচন কমিশনের ऊपर।

    মির্জা ফখরুল বিশ্বস্তভাবে প্রত্যাশা করেন, নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে। তিনি বলেন, সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী সক্রিয়ভাবে এই নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরিতে হাত লাগাবে। এর আগে, তিনি উল্লেখ করেন যে, গত ১৫ বছরে দেশে নির্বাচনের নামে নানা প্রহসন ঘটেছে, গণতন্ত্রের অপহরণ হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে আমাদের মুক্তি পেতে এখন একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একটি নতুন গণতান্ত্রিক পার্লামেন্ট গঠন করতে সক্ষম হবো।

    তিনি বলেন, প্রায় নয় মাসের আলোচনার মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো দেশের প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে আলোচনা করেছে। বেশির ভাগ বিষয়ে তারা একমত হলেও কিছু বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ পেয়েছে, যা গণভোটের মাধ্যমে সমাধান হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে নতুন একজন দিগন্তের সূচনা ঘটবে।

  • জামায়াত তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানাল

    জামায়াত তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানাল

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ.এম.এম নাসির উদ্দিনের প্রকাশিত নির্বাচন তফসিলের খবরের পর দলটির পক্ষ থেকে দ্রুত প্রতিক্রিয়া আসে। সহকারী secretary এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নির্বাচন নিয়ে অনেক দিন ধরে যে অনিশ্চয়তা ছিল, আজকের তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে সেই বিভ্রান্তি দূর হলো। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে সত্যিই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে নির্বাচন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও একসুপার মার্কেটে লেভেল প্লেয়ার ফিল্ড নিশ্চিত করতে তারা ওয়চড্রোন রয়েছে। জামায়াতের এই নেতা আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরণের উদ্যোগগুলো নির্বাচনকে অতীতের মতো বিতর্কিত করার পরিবর্তে সবার জন্য গ্রহণযোগ্য করে তুলবে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও সুন্দর একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য জামায়াত পুরোপুরি প্রস্তুত এবং নির্বাচন কমিশনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, আগামী সপ্তাহে জামায়াতের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হালিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মোবারক হোসাইন এবং মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন।

  • তফসিলকে স্বাগত বললেও ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় এনসিপির

    তফসিলকে স্বাগত বললেও ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় এনসিপির

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার প্রতি স্বাগত জানিয়ে করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে একই সঙ্গে তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এবং অন্তর্বতী সরকারের নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলে, দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণা করতে আন্তরিকতা দেখিয়েছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন, এ জন্য আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই। তবে, তারা নিরপেক্ষ ও সুসংহতভাবে দায়িত্ব পালন করবে এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের শঙ্কা রয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন অনেক ক্ষেত্রে সদিচ্ছার মাধ্যমে কাজ করেছে, কিন্তু তাদের ওপর আমাদের আস্থা দ্বিধার মধ্যে রয়েছে। কারণ, তাদের গঠন প্রক্রিয়ায় কিছু ভুল ছিল এবং কিছু দল তাদের নিয়োগ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, তারা তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণ করবে তারা দলীয় নয় এবং দেশের জনগণের পক্ষে। এনসিপি মনে করে, আসন্ন নির্বাচনের মধ্যে লন্ডন ডিলের ছায়া রয়েছে। তারা বলেছে, যদি এই নির্বাচন দেশের সব দল ও জনগণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতো, তবে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আরও দৃঢ় হতো। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, আমরা ভোটে অংশগ্রহণ করব। তবে প্রত্যাশা করি, ভোট কেন্দ্রগুলো যেন জনগণের এবং অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। যেসব অশুভ শক্তি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ে যুক্ত ব্যক্তি ভোট কেন্দ্র দখল করতে চাইবেন, তারা যেন তা না পারে। তবে আইনের শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা নিয়েও তিনি উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, এই নির্বাচনকে আঠাত্মকভাবে পরিচালনা করার জন্য আমাদের মনে হয়, বর্তমান কমিশনের পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জে তিনজনের ওপর হামলা হয়েছে, ঢাকায় এনসিপির কাজের জন্য একজন সাংবাদিক মারধর করা হয়; বিভিন্ন স্থানে অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখা যাচ্ছে। সুষ্ঠু নির্বাচন জন্য পেশিশক্তি, টাকার প্রভাব এবং গডফাদার সংস্কৃতি নতুন করে সুরক্ষা চাই। ভবিষ্যতে বিএনপির সংস্কারপন্থী অংশের জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এই সরকার যদি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে না পারে, তবে সেইসব ব্যক্তি ওোপদেশ নিয়ে গিয়েছিলেন যারা এই সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিল, তারা জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। এখন সেই ভয় দূর হয়েছে বলে তিনি আশাবাদী, उनसे আশা করেন তারা ভবিষ্যতে সংখ্যালঘু সংস্কারের পক্ষে দাঁড়াবে।

  • অভিনব সিদ্ধান্ত: আসিফ মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন

    অভিনব সিদ্ধান্ত: আসিফ মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ (শুক্রবার) সকালেই তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

    গতকাল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য তার তফসিল ঘোষণা করা হয়। এর আগের দিন, তিনি ও তার সহকারী উপদেষ্টা মাহফুজ আলম অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে পদত্যাগ করেন। উপদেষ্টা পদ ছাড়ার পর নানা গুঞ্জন শুরু হয়— হয়তো তাঁরা কোনো বড় রাজনৈতিক দল বা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হবেন, বা বিএনপি জোটের প্রার্থী হতে পারেন। তবে অবশেষে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি বড় কোনো দলে নয়, নিজস্ব স্বতন্ত্রভাবে ভোটের মাঠে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ফেসবুকে একটি ভিডিও করে আসিফ জানান, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আমাদের দেশের নতুন স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনের সময় এসেছে। এ জন্য তাঁর ভাষায়—“বিভাজনের রাজনীতি নয়, জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য এই লড়াই। নতুন সামাজিক, রাজনৈতিক ও জিওপলিটিক্যাল বন্দোবস্তের বাস্তবায়ন জরুরি।”

    তিনি আরও বলেন, এই সংগ্রাম সহজ নয়, তবে তিনি প্রেরণা পেয়েছেন দেশের বিপথগামী গণমানুষের আত্মত্যাগ থেকে— মতিউর রহমান, তারামন বিবি, নূর হোসেন, ফেলানী, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে। এই প্রেরণায় তিনি তাঁর লড়াই চালিয়ে যেতে চান।

    আসিফ বলেন, তিনি ঢাকায় ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ, নিউ মার্কেট ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার ভোটারদের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁর কাছে বড় রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতা, প্রচুর অর্থ বা ক্যাম্পেইন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সংগঠন নেই। একমাত্র বিভিন্ন সমর্থকদের সহযোগিতা ও আস্থা তার জন্য মূল্যবান।

    তিনি আরও বললেন, তিনি শুধু সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হননি, তার পাশাপাশি গণভোটের জন্যও আবেদন করেছেন। দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে এই ভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান জানিয়ে মানুষকে দেশের বদলে যাওয়া স্বপ্নের অংশ হয়ে উঠার অনুরোধ করেছেন।

    এ বিষয়ে, এখনই স্পষ্ট নয় যে, মাহফুজ আলম কি নির্বাচনে অংশ নেবেন বা কোন দলের হয়ে করবেন, কারণ এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

  • মির্জা ফখরুলের ঘোষণা: খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান

    মির্জা ফখরুলের ঘোষণা: খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান

    নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার প্রাক্কালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে বার্তা দিলেন, তা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, আজকের দিনগুলোতে বাংলাদেশের সব কর্মী ও নেতাকর্মী এখানেই উপস্থিত আছেন, আর এই মুহূর্তে আমাদের আদর্শ নেতা খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন। এই ঘোষণা প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি বিকেলবাস্তবতার সাথে একসাথে দেশবাসীর প্রত্যাশার কথাও বোঝায়।

    বৃহস্পতিবার সকালে ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনার কর্মসূচি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। এই কর্মশালায় দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    মির্জা ফখরুল স্পষ্ট করে বলেন, যখন আমাদের নেতা দেশে ফিরবেন এবং বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখবেন, তখন পুরো দেশ যেন কেঁপে উঠে। এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সেই দিনটি আমাদের স্বপ্নের দিন, যখন আমরা বাংলাদেশের চেহারা পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হব।

    তিনি আরো বলেন, আমরা উন্নতির পথে এগোতে চাই, প্রগতির দিকে এগিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের নেতার দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত করতে আমাদের অঙ্গীকারের সাথে এগিয়ে যেতে হবে।

    মির্জা ফখরুল যোগ করেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য এখন হলো নির্বাচনে জয় লাভ। এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে যথাযথ পথে নিয়ে যেতে পারব। অনেক বাধা-প্রতিবন্ধকতা সামনে আসবে, নানা প্রচারণা চলবে। কিন্তু আমাদের দৃঢ় সংকল্প, বিএনপি কখনো পরাজিত হয়নি এবং ভবিষ্যতেও পারবে না।

    তিনি এও বলেন, ১৯৭১ সাল আমাদের অস্তিত্বের অংশ। অত্যন্ত জোরে উচ্ছসিত করে বলেন, আজকের প্রজন্মের কেউ যদি বলে ১৯৭১ সালের প্রজন্ম নিকৃষ্ট, তবে এটা কতটুকু দুঃসাহসের কথা! তারা যেন এমন দুঃসাহস দেখাতে না—এ বিষয়ে স্পষ্ট হুঁশিয়ার করেন।

    আরো বলেন, আজ কিছু শক্তিশালী দৃষ্টি ঝুলে আছে, অন্ধকারের মধ্য দিয়ে যেন একটা কালো থাবা বেরিয়ে আসছে। অন্যদিকে, নতুন ফ্যাসিবাদের অস্তিত্ব নিয়ে ভাবনা রয়েছে। ধর্মের অপব্যবহার করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি চলছে; এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে আমাদের।

    মির্জা ফখرুল জনগণের মনোভাব বুঝতে ও তার প্রতি সচেতনতার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বলেন, এই আলোচনা শুধু শোনা বা নোট করার জন্য নয়, তা জনসমক্ষে তুলে ধরাতে হবে। জনগণকে জানাতে হবে, বিএনপি পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে এই দৃষ্টিভঙ্গি আরও স্পষ্ট করতে হবে।

    এছাড়া, বিএনপি মহাসচিব বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন ও দোয়া চান।

    অতীতের কর্মসূচির বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা ও একটি পরিকল্পনা নিশ্চিত করে এই আলোচনা যেহেতু চলছিল, বিকালে দেশের গণমানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন দেশের নেতা তারেক রহমান।

  • এনসিপির প্রথম ধাপের নির্বাচনী মনোনয়ন ঘোষণা

    এনসিপির প্রথম ধাপের নির্বাচনী মনোনয়ন ঘোষণা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১২৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকার বাংলামটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

    প্রথম ধাপে প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে ঢাকা-১১ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এই আসনটি ঢাকা জেলার বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ। অন্যদিকে, রংপুর-৪ আসনে নির্বাচন করবেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    এছাড়া, পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম, ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা, ঢাকা-১৬ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও নোয়াখালি-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব তাসনিম জারা বলেন, দেড় হাজারের বেশি প্রার্থী তাদের দল থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছে। তাদের এই প্রার্থী তালিকায় কিছু ব্যতিক্রমও রয়েছে, যা অন্য দলগুলোর থেকে আলাদা।

    নেতৃবৃন্দের মধ্যে দলের মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উল্লেখ করেন, এবারে তারা ব্যালট রেভল্যুশনে যাচ্ছেন। দলীয় প্রতীক শাপলা কলি এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য প্রার্থীদের তিনি আহ্বান জানান।

    এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • এনসিপির ১২৫ প্রার্থীর মধ্যে নারী ১৪ জন

    এনসিপির ১২৫ প্রার্থীর মধ্যে নারী ১৪ জন

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে দলের মনোনীত ১২৫ প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এসব প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেন।

    তালিকায় নারী প্রার্থীর সংখ্যা ১৪ জন। তাঁদের মধ্যে ডা. তাসনিম জারা, ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও dillshana paruld আছেন, যারা আগে থেকেই পরিচিত মুখ। তবে, সামান্তা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম এই তালিকায় এখনো স্থান পাননি।

    নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেবেন দেশের বিভিন্ন আসনে নির্বাচিত প্রার্থীরা। যেমন, নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিন, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), ঝালকাঠি-১ আসনে ডা. মাহমুদা আলম মিতু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    অন্যদিকে, ময়মনসিংহ-১১ আসনে তানহা শান্তা, ঢাকা-৯ আসনে ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১২ আসনে নাহিদা সারওয়ার নিভা, ঢাকা-১৭ এ ডা. তাজনূভা জাবীন, ফরিদপুর-৩ আসনে সৈয়দা নীলিমা দোলা, চাঁদপুর-২ আসনে ইসরাত জাহান বিন্দু, নোয়াখালী-৫ আসনে অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, চট্টগ্রাম-১০ এ সাগুফতা বুশরা মিশমা এবং খাগড়াছড়িতে অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিবেন।

    এনসিপির নারী প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা হলো:

    1. মনিরা শারমিন (নওগাঁ-৫)
    2. দিলশানা পারুল (সিরাজগঞ্জ-৩)
    3. দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি) (সিরাজগঞ্জ-৪)
    4. ডা. মাহমুদা আলম মিতু (ঝালকাঠি-১)
    5. তানহা শান্তা (ময়মনসিংহ-১১)
    6. ডা. তাসনিম জারা (ঢাকা-৯)
    7. নাহিদা সারওয়ার নিভা (ঢাকা-১২)
    8. ডা. তাজনূভা জাবীন (ঢাকা-১৭)
    9. ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ (ঢাকা-২০)
    10. সৈয়দা নীলিমা দোলা (ফরিদপুর-৩)
    11. ইসরাত জাহান বিন্দু (চাঁদপুর-২)
    12. এডভোকেট হুমায়রা নূর (নোয়াখালী-৫)
    13. সাগুফতা বুশরা মিশমা (চট্টগ্রাম-১০)
    14. এডভোকেট মনজিলা সুলতানা (খাগড়াছড়ি)

  • বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর: মেগা প্রকল্পে যাবে না দলটি, বললেন তারেক রহমান

    বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর: মেগা প্রকল্পে যাবে না দলটি, বললেন তারেক রহমান

    ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির অবসান ঘটাতে বিএনপি কোনো মেগা প্রকল্পে যাবে না বলে স্পষ্ট করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো বড় প্রকল্পে যাব না, কারণ এগুলো দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে। বরং আমরা সরকারের কাছে অর্থ খরচ করব শিক্ষার উন্নয়ন ও জনবল প্রস্তুতিতে।’

    বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক ধারাবাহিক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবেই জয় আমাদের। দেশকে সঠিক পথে চালানোর জন্য ধানের শীষের জয় অপরিহার্য। এর কোনো বিকল্প নেই।’

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মানবাধিকার অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আমি চাই না আবার কোনো দল বা মানুষ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হোক।’

    তারেক রহমান আরও বলেন, ‘মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে মর্যাদার সঙ্গে জীবিকা চালাতে হবে। আমরা পর্যায়ক্রমে নারীদের জন্য পরিবার পরিকল্পনা কার্ডের ব্যবস্থা করব যাতে তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি দৃঢ় হবে।’

    তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে যাতে ইংরেজির পাশাপাশি অন্য ভাষাতেও শিক্ষার্থীরা দক্ষ হয়ে ওঠে।

    অতিরিক্ত তিনি বললেন, ‘আমরা ভাবছি— যদি ক্ষমতায় আসি, তাহলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করব, তাদের মধ্যে ৮০-৮৫ শতাংশই নারী হবে। এর মাধ্যমে সার্বিক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু হবে এবং দশ বছরের মধ্যে এর ফল দেখতে পাবো।’

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া—এই তিন মন্ত্রণালয় সারা বছর একসঙ্গে কাজ করবে। শহরের দমবন্ধ করা পরিবেশে খেলার মাঠের অভাব থাকায় আমরা নতুন মাঠ তৈরি করব।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দল আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা দেয়নি। এই পরিকল্পনাগুলিই একমাত্র বিএনপি দিয়েছে এবং আমরা এগুলো বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

  • মির্জা ফখরুলের ভাষণে বললেন: খুব কঠিন লড়াই হবে এই নির্বাচনে

    মির্জা ফখরুলের ভাষণে বললেন: খুব কঠিন লড়াই হবে এই নির্বাচনে

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে কঠিন লড়াই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু সাধারণ নির্বাচন নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম যেখানে আমাদের সবাইকে ঈমানি সাহস নিয়ে অংশ নিতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে অনুষ্ঠিত বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির পঞ্চম দিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সেখানে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এবারের নির্বাচন শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার জন্য নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকার রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি লড়াই।

    মির্জা ফখরুল আরও জানান, এই নির্বাচনে জয় লাভের জন্য জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, এ প্রচেষ্টায় আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, পেছনে টেনে নেওয়ার শক্তির বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত এই লড়াইয়ে বিএনপি সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে। নিজেদের আত্মবিশ্বাস ও জনগণের দোয়া নিয়ে আমরা এই সংগ্রামে বিজয় অর্জন করবো বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, নতুন গঠিত একটি রাজনৈতিক জোট বিএনপিকে ‘সংস্কারবিরোধী’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। তিনি দৃঢ়ভাবে মন্তব্য করেন, দেশের যতবার সংস্কার এসেছে, তার বেশি ভাগই বিএনপির হাত ধরেই এসেছে। দেশের সব উন্নয়ন ও অগ্রগতির পেছনে বিএনপির অবদান রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, আমাদের লড়াই একটাই—দেশের গণতন্ত্র ও আধুনিকীকরণের জন্য এই সংগঠন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

  • মির্জা ফখরুলের ঘোষণা: খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন নেত্রী

    মির্জা ফখরুলের ঘোষণা: খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন নেত্রী

    নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হতে চলেছে, এর আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুরুত্বপূর্ণ এক বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আজকের এই সেমিনারে উপস্থিত সব নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জানাতে চাই, আমাদের নেত্রী এবং দলের প্রধান ঘোষণা অনুযায়ী খুব শিগগিরই দেশে ফিরে আসবেন। এই খবর শুনে পুরো দলের জন্যই নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকালবেলা রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি আরও বলেন, যখন আমাদের নেত্রী দেশে ফিরবেন, তখন পুরো দেশ কেঁপে উঠবে। সেই দিন বাংলাদেশ আজকের চেয়ে অনেক বেশি পরিবর্তিত ও উন্নত হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমরা যদি সত্যিই একসাথে কাজ করে এগিয়ে যাই, আমাদের এই লক্ষ্য অর্জন কোনোভাবেই অসম্ভব নয়।

    মির্জা ফখরুল তুলে ধরেন সামনের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দৃষ্টিভঙ্গি, দেশের মর্যাদা পুনরুদ্ধার এবং প্রগতির অঙ্গীকার। তিনি জানান, বর্তমানে আমাদের প্রধান লড়াই হলো নির্বাচনে জয় লাভ করা। এই নির্বাচনে আমাদের পুরো অবদানের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করতে হবে, যাতে বাংলার মানুষ এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বিভিন্ন বাধা ও বিপত্তি আসবে, নানা ষড়যন্ত্র চলবে, ফ্যাসিবাদী শক্তির চেস্টাও বাড়বে। তবে তাদের সবাইকে আমরা রুখে দাঁড়াতে জানি এবং পরাজিত করব বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    এক সময় তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ দেশের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এই ইতিহাস অমূল্য। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা ১৯৭১ সালের যুদ্ধের শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অস্বীকার করেন বা তাদের কুরুচিপূর্ণ ভাষায় অপমান করেন, তাঁদের সাহস কী করে হয় এইসব বলতে? আসলে এই বিপ্লবের প্রেরণাই আমাদের এই পাকিস্তানি শাসনবিরোধী আন্দোলনের পেছনে ছিল।

    বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, অনেক প্রজন্ম এখন ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তিতে আছে। যেখানে কেউ কেউ মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য করেন, সেখানে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে আজকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে, অন্ধকারের মধ্যে আবারও যেন কোনও কালো ছায়া না পড়ে। এই জন্য নিজেদের ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন হতে হবে।

    তিনি বলেন, আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুধু শোনা নয়, বরং জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। নিজেদের কাজের প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে, যাতে তারা আমাদের সাথে সংহত হয়। এর মাধ্যমে বিশ্বাস ও আস্থা বাড়বে এবং আমাদের আন্দোলন আরও শক্তিশালী হবে।

    বৈঠকের শেষে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানের পর্যায়ক্রমে এসব আলোচনা ও পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়, যেখানে _তারেক রহমান_ আজ বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। সভাপতিত্ব করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।