জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠে পুনর্বাসনের জন্য একটি স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকেরা গোপন মিটিংয়ের সুযোগ পাচ্ছেন, কোর্ট পাড়ায় জয় বাংলা স্লোগান শোনা যাচ্ছে, টক শো বাস্তবায়ন হচ্ছে যেখানে আওয়ামীপন্থী বুদ্ধিজীবীরা অংশ নিচ্ছেন। ভোটের মাঠেও দেখছি, জাতীয় পার্টিকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই সমস্ত চিত্র একত্রে সময়ের পরিকল্পিত উদ্যোগের অংশ, যারা আওয়ামী লীগকে আবার রাজনৈতিকভাবে অভ্যস্ত করে তুলতে চান।
Category: রাজনীতি
-

নির্বাচন কঠিন, ষড়যন্ত্র অব্যাহত: তারেক রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনটা সহজ হবে না, কারণ ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। গত কয়েক দিন ধরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো— হাদিকে গুলির ঘটনা, চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা— এগুলো প্রমাণ করে যে আমি যা আগের বার বলেছিলাম তা ধীরে ধীরে সত্যি হচ্ছে।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিএনপির আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক একটি কর্মশালায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার সপ্তম দিনের সিরিজের অংশ হিসেবে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতারা এই আলোচনা শোনেন।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘যদি আমরা নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে না আনি, যদি আমরা একে অপরের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ না হই, তাহলে এই দেশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের সময়বার্তা থেকে শুরু করে শহীদ জিয়া, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা ধীরে ধীরে দেশকে খাদের কিনারা থেকে ফিরিয়ে এনেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন সূত্র থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে, ষড়যন্ত্রগুলো এখানে থেমে যাবে না, বরং আরও ভয়াবহ হতে পারে। তবে আমাদের ভয় পেতে হবে না, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। বরং মানুষকে সাহস জোগাতে হবে, নিজেদের ঐক্যবদ্ধ করতে হবে, দেশের সাধারণ নাগরিকদের সচেতন করে তুলতে হবে। যত বেশি আমরা একাত্ম হবো, যত বেশি সামনে এগোবো, যত বেশি মরিয়া হয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করবো— এটিই ষড়যন্ত্রকারীদের পিছু হটতে বাধ্য করবে।’
তারেক রহমান দাবি করেন, ‘‘বিএনপিরই একমাত্র শক্তি বা ক্ষমতা এই ষড়যন্ত্রগুলো ঠেকাতে পারে।’’ চট্টগ্রাম ও ঢাকায় দলের প্রার্থীর ওপর গুলির ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনাগুলো কোনো ফায়দা নেওয়ার চেষ্টার অংশ।’
তিনি বিএনপির বিভিন্ন পরিকল্পনা যেমন খাল খনন, স্বাস্থ্য ও কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়ন, বেকার সমস্যার সমাধান, তথ্য প্রযুক্তি, বায়ু ও পানিদূষণ রোধ প্রভৃতি প্রসঙ্গে বিস্তারিত তুলে ধরেন ও প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘এখন আমাদের সময় এসেছে— আমি কি পেয়েছি, তা ছাড়িয়ে আসতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো, দেশ ও জাতির জন্য কি করতে পারলাম সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আজকের দিন থেকে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা নয়, বরং একযোগে কাজ করতে হবে। যদি আপনি কিছু করে থাকেন বা করতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ভালো কিছু রেখে যেতে পারবেন। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত, দেশে শান্তি, শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নয়। আমাদের এই সংগ্রামে জয় লাভ করতে হবে। জয় নিশ্চিত করতে একমাত্র নিশ্চিত শক্তি হলো— বাংলাদেশের জনগণ। তাদের সাথে নিয়ে এই সংগ্রাম জিততেই হবে।’
এ বিষয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, এবং সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।
-

আশঙ্কা প্রকাশ করলেন মির্জা ফখরুল, আরও হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা প্রবল
বাংলাদেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষ যখন একুশের স্বপ্নে বিভোর হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা করছে, সেই সময় আবারও দেশের অন্ধকার পাশ ফিরে আসার চেষ্টায় শত্রুরা হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে। তিনি এ কথা বলেছেন রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে।
মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, একজন হিসেবে তিনি গভীরভাবে আশঙ্কা করছেন যে, ভবিষ্যতে আরও অনেক হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে, যা দেশের জন্য এক ভয়ঙ্কর আভাস। এ দিন তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদাররা তাদের দোসরদের যোগসাজশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, গবেষক, কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকসহ বহু দেশপ্রেমিককে টুলে নিয়ে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামকে বাধাগ্রস্ত করার পরিকল্পনা করেছিল, যাতে দেশের মেধাহীন ও অন্ধকারে নিমজ্জিত করে ফেলা যায়।
মির্জা ফখরুল এই হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এ ধরনের নির্মম কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে মেধা এবং স্বাধীনচেতা অন্যায়ের মুখে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য,非常 গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই দিনটি জাতিকে স্মরণ করিয়ে দেয় মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্বপ্ন ও সাহসের কথা, যেখানে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেতনা লুকিয়ে আছে।
বিএনপির মহাসচিব জানান, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বর্তমানে খুবই অসুস্থ। তার পক্ষ থেকে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নেতারা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তারা এর মাধ্যমে শপথ নিয়েছেন যে, যে কোন মূল্যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবেন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখবেন। এ দিন তারা জাতীয় ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে দেশের মুক্তি সংগ্রামের চেতনাকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
-

নির্বাচন ও অভ্যুত্থান ঠেকাতে টার্গেট কিলিং এবং সজাগ থাকুন: নাহিদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানকে বাধাগ্রস্ত করতে আরও ব্যাপক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে টার্গেট কিলিং চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি এই মন্তব্য করেন রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর বধ্যভূমিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের শ্রদ্ধা জানানো শেষে।
নাহিদ বলেন, অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অন্যতম অংশ হিসেবে কিছুজন টার্গেট কিলিংয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দমন করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও জানান, এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রশাসন, সরকার ও অন্যান্য অপ্রত्यक्ष সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলো চিহ্নিত করে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ওই ব্যক্তি হত্যাচেষ্টা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য যারা দায়ী তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, নানা রাজনৈতিক দল এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একে অপরের প্রতি দোষারোপ করছে। তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে যাতে বিভাজন না তৈরি হয়। জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে, কারণ না হলে ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো সুবিধা গ্রহণ করবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য পরিবেশ ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দেশের কিছু সুশীল বুদ্ধিজীবী যে ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করে চলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে জনগণের পক্ষের অন্তর্নিহিত সম্মতি সৃষ্টি করতে হবে। তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে দুর্বল এবং বাহিনী জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। এই পরিস্থিতি পরিবর্তন না হলে অস্থিতিশীলতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অন্তে, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই দিন স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা, শহীদ পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা মিরপুর ও রায়েরবাজারের স্মৃতিসৌধে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া, এ দিন দুটি স্থান মানুষজনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, যেন সকলেই শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পারে।
-

মির্জা আব্বাসের হুঁশিয়ারি: হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, তার মতো তিনি যেন কেউ না আঘাত হানে। হাদির উপর গুলি চালানোর খবর পেয়ে তিনি মানসিকভাবে গভীর ভাবে আহত হয়েছেন। এই হামলা গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেন আব্বাস। তিনি বলেন, যারা এই আঘাত করেছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে।
শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত ইনকিলাব মঞ্চের এক প্রতিবাদ ও হামলার তদন্তের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। আব্বাস আরও বলেন, হাদিকে গুলিবিদ্ধ করে হাসপাতালে নেওয়ার আধাঘণ্টার মধ্যে একদল উত্তেজনা ছড়ানোর জন্য ফেসবুকে পোস্ট দিতে শুরু করে। তিনি বলেন, আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখলাম সবই পরিকল্পিত।আমি দীর্ঘ ৫০ বছর ঢাকায় রাজনীতি করি। শান্ত থাকায় হাদির চিকিৎসা ব্যাহত হয়নি, অন্যথায় হয়ত আরও ক্ষতি হতে পারত।
মির্জা আব্বাস বলেন, এই হামলার পেছনে এক বা একাধিক ষড়যন্ত্রকারীর হাত রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা ৭১, ৮৬সহ বিভিন্ন সময় এ ধরনের ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়েছি। এই ষড়যন্ত্রের মূল শক্তি হ’ল তারা, যারা শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র সহ্য করতে পারে না। তারা দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে যেতে চায়।
তিনি আরও বলেন, হাদির ওপর হামলার পর অনেক মানুষ ফেসবুকে দেশের মধ্যে অরাজগতা সৃষ্টি করতেও উসকানি দিয়েছে। তারা সবাই একটি কুচক্রী রাজনৈতিক দলের দোসর। আব্বাস জানিয়েছেন, তিনি ৭৭ সাল থেকে নির্বাচন করে আসছেন, কখনো মারামারি বা বিরোধে জড়িয়ে পড়েননি। তিনি বলেন, নির্বাচনে সবাই মিলেমিশে কাজ করেছেন। এই বিতর্কিত রাজনৈতিক দল, যারা সন্ত্রাসের আশ্রয় নিচ্ছে, তারা সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চায়। তিনি কড়া ভাষায় দাবি করেন, হাদির ওপর হামলাকারীদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার করা দরকার এবং তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।
সবশেষে, মির্জা আব্বাস বলেন, হাদি আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, তিনি আমার সহযোদ্ধা। আমি আশাবাদী, আবারও নিয়মিত পথে তার সক্রিয় উপস্থিতি দেখা যাবে এবং আমরা তার সাহসকে প্রশংসা করি।
-

মির্জা ফখরুলের দাবি: হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করুন
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দিকে মনোযোগ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
শনিবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পল্টন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে, যখন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মির্জা ফখরুল তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো স্থান নেই। তাকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমাদের মতাদর্শ যাই হোক, ভয়ভীতি বা শক্তির আশ্রয় নিলে সেটা গ্রহণযোগ্য নয়।
মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, তিনি শুনেছেন যে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং হাসপাতালে নেয়ার পর তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এই ঘটনার কঠোর জবাব দেবে।
এর আগে, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমও এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হলো। তারা চান ঢাকা শহরকে চাঁদাবাজ ও গ্যাংস্টার থেকে মুক্ত করতে, এজন্য তিনি ছাত্র-জনতাকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
-

আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান দাবি এনসিপির
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদীকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলির ঘটনা নির্মমভাবে নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তারা এগিয়ে এসেছে এই হঠকারী হামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার, হুমকির উৎস শনাক্ত এবং সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি এনে।
শুক্রবার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এনসিপির যুগ্ম-সচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন বলেন, এই হত্যাকাণ্ড কেবল একজন প্রার্থীর ওপর হামলা নয়, এটি গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে থামানোর অপচেষ্টাও। তারা প্রার্থীর দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়াও চেয়েছেন। তিনি জানান, এই হামলা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নির্বাচনী পরিবেশের দুর্বলতা নতুন করে ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে, শরিফ ওসমান হাদী নিরাপত্তা হুমকি জানানো সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা বা উদাসীনতা নজর কাড়ে।
নেতৃবৃন্দরা বলেন, এর আগেও জাতীয় নাগরিক পার্টির কার্যালয়ের সামনে বারবার ককটেল হামলা হয়েছে, প্রার্থীর বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া হয়েছে, অথচ সরকারের নিস্পৃহতা ও অকার্যকরতা স্পষ্ট। এটাই দেশের বর্তমান পরিস্থিতির দৃষ্টান্ত যেখানে অপরাধীরা ভয়ংকর ক্ষমতায় স্বীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। তারা অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত আওয়ামী লীগের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
অতীতে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগ জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়ে আসছে, বাহিনী তৈরি করেছে এবং এখনো তাদের ক্ষান্ত হয়নি। এই অবিরাম সহিংসতা ও অসাম্প্রদায়িক চেহারা নষ্টের অপচেষ্টা অব্যাহত থাকায় দেশের অস্থিতিশীলতা বেড়েছে। যদি আওয়ামী লীগ এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দ্রুত ও শক্তিশালী অভিযানে না নামে, তবে দেশ আবারও সহিংসতার পথে চলে যাবে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।
নেতৃবৃন্দ আকার দিয়ে উল্লেখ করেন, এখন সময় নিজের ভুল বা দোষধরার প্রত্যক্ষবিচার নয়, বরং মূল অপরাধী ও পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর। তারা জানান, বিভক্তি থাকলে সুবিধা নেবে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও দেশবিরোধী অপশক্তি, যারা অতীতে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার মাধ্যমে রাজনীতি কলঙ্কিত করেছে।
সবশেষে, তারা দেশের নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম, গণতান্ত্রিক শক্তি ও সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য আমাদের দৃঢ় সংকল্প করতে হবে।
এনসিপি আরও দাবি করে, এই ভয়ঙ্কর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার, হুমকির উৎস উদ্ঘাটন এবং সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক। তারা জোর দিয়ে বলে, শান্তি, নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমরা সকলের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আছি এবং থাকবো।
-

নির্বাচা চায় না যারা, তারা ওসমান হাদির ওপর হামলার পরিকল্পনা করে: সালাহউদ্দিন আহমেদ
বাংলাদেশে যারা নির্বাচন চায় না, তারা এবং নির্বাচনের স্বার্থে অকার্যকর করার জন্যই ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তিনি এ সময় হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং সকলের প্রতি ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করে রাখার আহ্বান জানান। গত শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় একজন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলা বাংলাদেশের ওপরই হামলা। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও গণতন্ত্রের জন্য একটি গুরুতর বিপর্যয়। নির্বাচন তফসিল ঘোষিত হয়েছে ১০ ডিসেম্বর। তার পরদিনই একজন সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে পদপ্রার্থীর ওপর পরিকল্পিতভাবে প্রাণনাশের চেষ্টা চালানো হয়েছে। হামলার ধরন দেখে বোঝা যায়, এটি একজন পেশাদার ও প্রশিক্ষিত খুনীর কাজ।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে ওসমান হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন তাঁর জীবন রক্ষা হয়, দ্রুত সুস্থতা লাভ করেন।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই ঘটনার পরেও আমাদের ঐক্য অটুট ও দৃढ़ থাকতে হবে। রাজনৈতিক মতভিন্নতা হতে পারে, কিন্তু আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করা। নির্বাচনের আগে আমরা যেন কোনো বিভাজন ও বিভ্রান্তিতে না পড়ি, সেই জন্য ঐক্য বজায় রাখতে হবে। আমাদের মূল চেতনায় রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের যে স্বপ্ন দেখেছি তা বাস্তবায়নের প্রত্যাশা। এ চেতনাকে সামনে রেখে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো।
তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশে নির্বাচনকে প্রতিহত করতে চাইছে, যারা গণতন্ত্রের বিকাশে বাধা হয়ে উঠছে, তারা দেশের ভেতরেও ও বাইরেও আছে। এই শক্তিগুলোর উদ্দেশ্য হলো পতিত ফ্যাসিবাদকে পুনরুজ্জীবিত করে বাংলাদেশকে আবারও একনায়কতন্ত্রের পথে ঠেলে দেয়া। আমরা এই ধরনের অপপ্রচেষ্টা ও হামলার প্রবণতাকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।
সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, আমরা পুরোপুরি বিশ্বাস করি যে, জাতীয় ঐক্য থাকলে এই সকল শত্রুতা ও ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব। দেশের সব গণতান্ত্রিক দল তাদের ঐক্যকে অটুট রেখে, আগামী নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও ফলপ্রসূ নির্বাচন আয়োজনেরই প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।
-

জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা, সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। এই সাক্ষাৎশন শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষাজীবনে কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচित হয়েছিলেন মেজর আখতার। এরপর ২০১৮ সালে তিনি ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন। তবে ২০২২ সালে বিএনপির সাথে তার বিরোধের কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি আর কখনো বিএনপিতে ফিরে আসেননি।
সাক্ষাৎকালে জামায়াতের প্রথম সারির নেতারা তাকে দলটির নীতি, আদর্শ, দেশপ্রেম ও দেশের স্বাধিকার রক্ষায় দলের অবিচল অবস্থানের ব্যাপারে গভীর আস্থা ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদ ফরম পূরণ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নতুন দলের সদস্য হিসেবে তিনি ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে দেশের স্বার্থ ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়া, তিনি জামায়াতের নিয়মনীতি, দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ হন।
আন্তরিকভাবে তাকে স্বাগত জানিয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান তাকে বিদায় ও দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।
যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।
উল্লেখ্য, দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান পঞ্চমবারের মতো ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বিএনপির থেকে বহিষ্কার হন। তবে বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন টক শো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিষয়ের উপর মন্তব্য করে আলোচনায় আসতেন।
-

প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থী ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে দলটি এই আন্দোলন চালাচ্ছে।
শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে বলে শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের ওপর এই ধরনের হামলা মানেই গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ কলঙ্ক, এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
এদিকে, গেল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকার কালেভার্ট এলাকায় বন্দুকধারীদের গুলিবর্ষণে তৃয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির এক প্রার্থী ও বিএনপি নেতাকর্মী শরিফ ওসমান বিন হাদী গুরুতর আহত হন। এরপর তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দিন দুপুরে অস্ত্রধারীরা তাকে ব্যাপক গুলিবর্ষণ করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহত শরিফ ওসমান বিন হাদীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানা গেছে, তাকে বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বিএনপি নেতৃবৃন্দের দাবি, নির্বাচনের আগে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ও হামলা ডিজিটাল গণতন্ত্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ যা অবিলম্বে বন্ধ করা জরুরি। এই ঘটনার জন্য দায়ী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত শনাক্ত ও শাস্তির আওতায় আনতে সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি।
