Category: রাজনীতি

  • ইইউভুক্ত ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক

    ইইউভুক্ত ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক

    ডেলিগেশন অব ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাষ্ট্রদূত সেবাস্টিয়ান রিগার ব্রাউনের আমন্ত্রণে ইইউভুক্ত ৮টি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর গুলশানে রাষ্ট্রদূতের বাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ছিলেন নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এবং সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৮ দেশের প্রতিনিধিগণ হলেন- জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রোস্টার, ইটালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও অ্যালেস্যান্ড্রো, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মুলার, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্টিয়াগা, ফ্রান্সের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর ক্রিস্টিয়ান বেক, নরওয়ের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ম্যারিয়ান রেবেকনায়েভেলস্রুড, সুইডেনের হেড অব পলিটিক্যাল ও ট্রেড অ্যান্ড কমিউনিকেশন লোভিসা হোফম্যান এবং নেদারল্যান্ডসের ডেপুটি হেড অব মিশন থিজ উওদস্ট্রা।

    বৈঠকে অংশ নেওয়া রাষ্ট্রদূত ও জামায়াত নেতারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    দেশ-রাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।

    তিনি বলেছেন, দেশের সংস্কার আছে, রাষ্ট্রের আছে; রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে। অনেকে বক্তৃতা করার সময় পেছনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। আমরা যদি কোনো কাজ করতে না পারি, জনগণের কল্যাণ করতে না পারি, তাহলে এ ছবি কোনো কাজে আসবে না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অনেক কষ্ট করেছেন, তবুও তিনি মাথানত করেননি। তিনি বলেছেন, দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও। এর জন্যই তিনি আজীবন লড়াই করেছেন।

    সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ‘মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটি’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    সেলিনা রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলটির নেতাকর্মীরা ভারত ও অন্যান্য দেশে অবস্থান করে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। বিএনপি ১৭ বছর ধরে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করছে। হ্যাঁ, আমাদের একটা সরকার আছে। তারা কাজ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু স্বৈরশাসক যিনি পালিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছেন, সেখান থেকে তিনি একেকদিন একেকটা ফোনকল ছাড়ছেন। আওয়ামী লীগ নেতা যারা পালিয়ে আছেন, তারা দেশের মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন যাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়।

    কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মোছা. ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে ও মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মো. সারোয়ার হোসেন রুবেলের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্মমহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।

  • তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    গত কয়েকদিন রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন কলেজ ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি কিংবা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও একে-অন্যের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

    সোমবার সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার কারণে এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীসমাজসহ নাগরিকদের মধ্যে পুঞ্জীভূত হয়ে আছে নানা ক্ষোভ ও অভিযোগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ের পর আমরা সবাই বাংলাদেশিরা সম্মিলিত প্রয়াসে একটি ইতিবাচক ও বৈষম্যহীন সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নে কাজ করে যাচ্ছি আর অন্যদিকে পতিত স্বৈরাচার খুনি হাসিনার দোসররা দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

    তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টজনদের কাছে নিজেদের মধ্যকার ভুলবোঝাবুঝিসহ নানা জটিলতাকে আলাপ-আলোচনা-উদারতা ও পরমত সহনশীলতার মাধ্যমে জাতীর বৃহত্তর কল্যাণ স্বার্থে বিবাদ মিমাংসার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে এবং একইসঙ্গে, তৃতীয় স্বার্থান্বেষী যে দেশদ্রোহী মহল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য বিনষ্ট করে দূরত্ব তৈরি করছে এবং ক্যাম্পাসগুলো অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে তাদের সম্পর্কে সজাগ ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীসহ সবাই ধৈর্যশীল-উদার ও ইতিবাচক হবার অনুরোধ জানিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সব বিবাদ মিমাংসার ওপর জোর দিয়ে উল্লিখিত আহ্বান জানিয়েছেন।

  • বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। নির্বাচন কিন্তু এখনো ঘোষণা হয় নাই। নির্বাচন কমিশন হয়েছে। এজন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।

    সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    আবদুস সালাম বলেন, আশা করি সরকার অনতিবিলম্বে নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে। তা নাহলে আওয়ামী দোসররা ষড়যন্ত্র করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইবে। এই অস্থিরতা মোকাবিলা করার জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ছাড়া কি আর কেউ আছে? আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে পারে একমাত্র বিএনপি।

    তিনি আরও বলেন, রাজপথে এলাকায় এলাকায় ওই খুনিদের মোকাবিলা করার জন্য বিএনপিকে দরকার। আমরা এখনো মাঠে আছি। গণতন্ত্র যে পর্যন্ত ফিরে না আসবে, ভোটের ডেট যে পর্যন্ত দেওয়া না হবে, নির্বাচন যে পর্যন্ত শেষ না হবে সে পর্যন্ত আমাদের রাজপথে থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আমাদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। এজন্য জনগণের মন জয় করতে হবে। আমি সন্ত্রাসে বিশ্বাস করি না, চাঁদাবাজিতে বিশ্বাস করি না, কোনো খারাপ কাজে বিশ্বাস করি না।

    পথসভায় মিজানুর রহমান স্বপন, মোতাহার হোসেন, সেলিম রেজা, শামীম আহমেদ ও যুবদল নেতা আমির হোসেন রাজুসহ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন করতে পারে: তারেক রহমান

    নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন করতে পারে: তারেক রহমান

    জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বেছে নেয়া নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

    রোববার এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বেছে নেয়া একটি নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন শুরু করতে পারে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিকে সম্মান করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদেরও জনগণের সেবা করতে হবে। উভয় পক্ষকেই সরকারে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে হবে, যাতে সবার জন্য সমতা, অংশগ্রহণমূলক ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে বাংলাদেশ।

    তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন যত বিলম্বিত হবে, আওয়ামী লীগ যে ভঙ্গুর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে গেছে নিজেদের আখের গোছানোর জন্য, তা ততই তীব্র হবে। সমাজে জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা ব্যবস্থা, কৃষক যে সমস্যার মুখোমুখি, ব্যবসায় যে চ্যালেঞ্জের মুখে, বিচার বিভাগে এবং সরকারি কর্মক্ষেত্রে যে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব বিদ্যমান, তাতে আমরা একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথে এগুতে পারবো না।

  • আন্তর্জাতিক অপরাধ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন, রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিধান রাখা হয়নি

    আন্তর্জাতিক অপরাধ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন, রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিধান রাখা হয়নি

    অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে। তবে এতে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিধান রাখা হয়নি।

    ট্রাইব্যুনালে দল বা সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ রেখে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের প্রস্তাবনা তোলা হলেও ওই বিধানটি যুক্ত হয়নি। তবে সরকার চাইলে প্রচলিত আইনে বিদ্যমান দল বা সংগঠন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

    আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অধ্যাদেশের বিষয়ে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বৈঠক শেষে এদিন সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর খসড়া গৃহীত হয়েছে। তবে, আমরা আইনের যে সংশোধনী করেছিলাম, উপদেষ্টা পরিষদ মনে করেছে যে, এই অধ্যাদেশের আওতায় ট্রাইব্যুনাল যদি মনে করে সংগঠনকে শাস্তি দেওয়া দরকার, তাহলে তারা সুপারিশ করতে পারবে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে।’

    তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদ বলেছে আমরা এই বিচারকে অন্য কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত করতে চাই না। রাজনৈতিক দল বা কোনো সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা প্রশ্ন এলে, এই আইনকে অযথাই প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ তৈরি হবে। আমরা এই সুযোগ দিতে চাই না। এজন্য এ বিধান বাতিল করা হয়েছে।’

    ‘কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠন নিষিদ্ধ করার দাবি আসে বা প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদের অন্যান্য আইন আছে। তাই ট্রাইব্যুনালে এ বিধান থাকছে না বলে রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকল না, এমন কিছু না, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্যান্য প্রচলিত আইনে পরে বিবেচনা করা যাবে,’ বলেন আইন উপদেষ্টা।

    গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতাধীন অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের লক্ষে ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন প্রণয়ন করা হয়।

    আইন ও বিচার বিভাগ পরে আন্তর্জাতিক অপরাধের সংজ্ঞা যুগোপযোগীকরণ, অপরাধের দায় নির্ধারণ, অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে বিচারকাজ ধারণ ও সম্প্রচার, বিদেশি কাউন্সেলের বিধান, বিচারকালে অভিযুক্তের অধিকার, অন্তবর্তীকালীন আপিল, সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রাসঙ্গিকতা সংক্রান্ত বিধান, তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক তল্লাশি ও জব্দ করার বিধান, পর্যবেক্ষক, সাক্ষীর সুরক্ষা, ভিকটিমের অংশগ্রহণ ও সুরক্ষার বিধান সংযোজন করে এর খসড়া তৈরি করে।

    বর্তমানে সংসদ না থাকায় এ অবস্থায় গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতাধীন অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্তদের বিচার করতে বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশের খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।

  • একাত্তরের ভুল প্রমাণিত হলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইব: জামায়াত আমির

    একাত্তরের ভুল প্রমাণিত হলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইব: জামায়াত আমির

    একাত্তরের ভুল যদি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় তাহলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইব বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) পূর্ব লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে যুক্তরাজ্যে বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, একাত্তরে আমরা কোনো ভুল করে থাকলে এবং তা যদি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়, আমি জাতির কাছে ক্ষমা চাইব। ওয়ার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের নামে যে বিচার হয়েছে তার অবজারভেশনে এখানকার বিচারপতিরা সে রায়কে জেনোসাইড অব জাস্টিস বলেছে।

    গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্বীকৃতি প্রদানের দাবি জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি দিন। এ অভ্যুত্থানে দেশের সকল শ্রেণির মানুষ অংশ গ্রহণ করেছিল। এমনকি দেশের বাইরে অবস্থানরত প্রত্যেকেই যার যার সাধ্য অনুযায়ী আমাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন।

    তিনি বলেন, জাতিগতভাবে অনৈক্য এবং দুর্নীতির কারণে আমরা জাতি হিসেবে আগাতে পারিনি। দুর্নীতি আমাদের জন্য একটি জাতীয় লজ্জার বিষয়। যুক্তরাজ্য নিজেদের দুর্নীতি থেকে অনেকটা মুক্ত রাখতে পারার কারণে সারা বিশ্বে নিজেদের একটা মর্যাদাপূর্ণ স্থানে নিয়ে যেতে পেরেছে। কিন্তু আমরা পারিনি। যারা সমাজ পরিচালনা করবেন তারা পরিচ্ছন্ন না হলে সমাজ পরিচ্ছন্ন হবে না।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা। আবু সালেহ ইয়াহইয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইমাম উদ্দিন এবং দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন শিল্পী কামাল হোসাইন। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বাংলা মিডিয়ার অর্ধশতকেরও বেশি সাংবাদিক এতে অংশ নেন।

  • জামায়াত আমিরের বক্তব্যের সমালোচনা, শিক্ষককে মারপিট ও মোবাইল ভাঙচুর

    জামায়াত আমিরের বক্তব্যের সমালোচনা, শিক্ষককে মারপিট ও মোবাইল ভাঙচুর

    খুলনার কয়রা উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মোঃ হুমায়ুন বিশ্বাস নামে এক শিক্ষককে বাড়ি থেকে ডেকে এনে মারপিট করেছে স্থানীয় জামায়াতের নেতা কর্মীরা। ফেসবুকে জামায়াত আমীরের বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা করায় তাকে রোববার রাত ৯টার দিকে হয়রানী করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

    এরপর থানার ওসি এবং ইউএনও কে দিয়ে ডাকিয়ে শাসিয়েছন জামায়াত নেতারা। বিষয়টি নিয়ে খুলনায় নানা আলোচনা সমালোচনা চলছে।

    জানা গেছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান লন্ডন সফরকালে আওয়ামীলীগকে নিয়ে মন্তব্য করেন। সেই মন্তব্যের জের ধরে কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হুমায়ুন বিশ্বাস তার ফেসবুক জামায়াত আমিরের বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা করেন।

    তার সমালোচনার বিষয়টি স্থানীয় জামায়াত নেতাকর্মীদের দৃষ্টিগোচর হয়। শিক্ষক হুমায়ুন বিশ্বাসের পোস্টের নিচে অনেকেইে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। এরপর ওই শিক্ষক পোস্টটি ডিলিট করে দেন। একই সাথে এই ধরনের পোষ্টের জন্য তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ঘটনা এখানেই শেষ হয়নি।

    রোববার রাতে স্থানীয় কয়েকজন জামায়াতের নেতাকর্মী তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বেদকাশীর কাছারী বাড়িতে নিয়ে কয়েক ঘন্টা বসিয়ে রেখে ব্যাপক মারপিট করে।  এসময় তার ব্যবহৃত মোবাইলটি ভাংচুর করে। একই সাথে তাকে এ বিষয়ে কাউকে কিছু না জানাতে হুমকি দেয়।

    স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, ওই শিক্ষকের পরিবারের একাধিক সদস্য জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত। যারা জামায়াতের রাজনীতির সাথে জড়িত তাদেরও বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও রয়েছে।

    ভুক্তভোগী শিক্ষক হুমায়ুন বিশ্বাস বলেন, গতকাল রাত ৮টার দিকে আমাকে ফোন করে ইউনিয়ন কার্যালয়ে ডাক দেয় উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর সুজাউদ্দিন। তবে ব্যস্ততা থাকায় আমি যেতে পারিনি।  এরপর আমাকে জামায়াত নেতা ইউনিয়নের সেক্রেটারি এনামুল, যুব নেতা আরিফুল, জামিল, সোহাগ মটর সাইকেলে এসে বাড়ির সামনে থেকে জোর করে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তাদের সাথে যেতে না চাইলে আমাকে মারধর করে এবং আমার ফোনটি ভেঙে ফেলে।

    তিনি বলেন, একপর্যায়ে আমাকে চ্যাংদোলা করে বাইকে উঠিয়ে নিয়ে কাছারীবাড়ি ইউনিয়ন কার্যালয়ে নিয়ে কয়েকঘণ্টা বসিয়ে রাখে।  এসময় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সাইফুল্লাহ, ইউনিয়ন আমীর মাস্টার নুর কামাল মামলার হুমকি এবং পুলিশের হাতে উঠিয়ে দেয়া হবে বলে জানায়।

    তিনি আরো বলেন, আমি লেখাটি লেখার পর বুঝতে পারি যে এটা ঠিক হয়নি। যেকারণে ওই পোস্টটি ডিলিট করে দেই এবং অন্য পোস্টের মাধ্যমে সকলের কাছে ক্ষমা চাই। এরপরও সকলের সামনে দিয়ে আমাকে উঠিয়ে নিয়ে মারপিট করে। আমাকে যখন মারা হয় তখন সেখানে আমার অনেক ছাত্রও ছিলো। আমি লজ্জায় কুঁকড়ে মরে যাচ্ছিলাম।  এরপর ওই ঘটনা যাতে কাউকে না বলি সেজন্য আমাকে অব্যহতভাবে মুঠোফোনে চাপ দিতে থাকে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার পরদিন অর্থাৎ গতকাল সোমবার সকালে ওই শিক্ষককে থানারও ওসি এবং ইউএনও ডেকে উভয়পক্ষকে নিয়ে বসে। সেখানে উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, থানার ওসি এমদাদুল হক, ইউএনও রুলি বিশ্বাস, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তপর কুমার বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠকের বিষয়ে ওসি ইমদাদুল হক বলেন, ওই শিক্ষকের পোস্টকে ঘিরে জামায়াত নেতারা ক্ষুব্ধ ছিলো। সেজন্য শিক্ষককে ডেকে এনে পোস্ট ডিলিটসহ এ ধরনের কর্মকান্ড না করার জন্য সতর্ক করা হয়।

    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সাইফুল্লাহ মারপিটের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাকে মারপিট করা হয়নি।  তাকে ডেকে এনে পোস্টের বিষয়ে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছিলো।  তিনি রাজি না হওয়ায় বিষয়টি পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।

  • মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে: এ্যানি

    মার্চ-এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে: এ্যানি

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সংস্কারের জন্য তিন মাসের বেশি সময় দরকার হওয়ার কথা না। জনগণ দ্রুত নির্বাচন চায়। তাই আগামী মার্চ-এপ্রিল মাসে নির্বাচন দিতে হবে।

    সোমবার বিকেলে বরিশালের বাকেরগঞ্জ কলেজ মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে গুম-খুন ও গণহত্যার দায়ে বিচার দাবিতে বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি গণসমাবেশের আয়োজন করে।

    জেলা দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খানের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ও মাহাবুবুল হক নান্নু, নির্বাহী কমিটির সদস্য এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) সদস্য সচিব আবুল কালাম শাহিন, বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, বাকেরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হারুন অর রশীদ জমাদ্দার ও সদস্য সচিব নাছির হাওলাদার, বাকেরগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির উদ্দিন জোমাদ্দার, সাধারণ সম্পাদক শাহিন তালুকদার প্রমুখ।

    এ্যানি আরও বলেন, জনগণের জন্য আমরা আন্দোলন, সংগ্রাম ও লড়াই করেছি। জনগণের জন্য দেশটা গড়তে চাই। এক্ষেত্রে সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব হচ্ছে কথায় ও কাজে মিল রাখা।

  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রতিষ্ঠান, স্থাপনাগুলোর নামকরণ শহীদদের নামে করা হবে: তারেক রহমান

    আজ সোমবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ আয়োজিত চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে পঙ্গুত্ববরণকারী ছাত্র-জনতা ও দুস্থদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের সমর্থন নিয়ে বিএনপি আবারো ক্ষমতায় এলে– শহীদদের নামে বিভিন্ন এলাকার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরণ করা হবে।

    তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে ইনশাআল্লাহ জনগণের সমর্থন নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনে সক্ষম হবে। যারা শহীদ হয়েছেন, যারা স্বৈরাচারদের বিদায় করার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন– এরকম প্রতিটি মানুষের নামে বিভিন্ন এলাকায় রাষ্ট্রের যে প্রতিষ্ঠান, স্থাপনাগুলো তৈরি হবে, এই মানুষগুলো যাতে হারিয়ে না যায় – তাই এই শহীদদের নামে নামকরণ করার প্রস্তাব করা হবে।’

    আজ সোমবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ আয়োজিত চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে পঙ্গুত্ববরণকারী ছাত্র-জনতা ও দুস্থদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেছেন, “আমরা সকলে যদি সকলের সহযোগিতায় এগিয়ে আসি— তাহলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজ নাহলে কাল, কাল না হলে পরশু –- আমরা যেরকম একটি বাংলাদেশ নিজেদের মনে কল্পনা করি, সেরকম স্বপ্নের একটা বাংলাদেশের সূচনা দেখতে সক্ষম হব।”

    আন্দোলন বাদেও সামাজিকভাবে বহু মানুষ আছেন — যাদের বিভিন্নভাবে জন্মগত কারণেই হোক বা অসুখেই হোক পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়েছে। তাঁদের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের সামাজিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যদি পরিবারের কোন মানুষ পঙ্গু হয়ে থাকে, সে ব্যক্তি পরিবারের কাছে একটি বোঝার মতো হয়ে থাকে। সেই পরিবারের কষ্ট অনেক বেড়ে যায়। জনগণের সমর্থনে বিএনপি ইনশাআল্লাহ আগামীতে সরকার গঠনে সক্ষম হলে– সরকারের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে আমাদের একটা উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য থাকবে। সমগ্র বাংলাদেশে, সে যে পরিবারের সদস্য হোক, স্বচ্ছল বা অস্বচ্ছ্ল হোক, আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করব– যেসকল পরিবারে এরকম সদস্য আছে, তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে। যাতে করে সে পঙ্গু মানুষগুলো নিজেরা যতটুকু সম্ভব স্বাবলম্বী হতে পারে।

    নেতাকর্মীসহ দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল মানুষকে আমি বলতে চাই, কারো মাধ্যমে যাবার দরকার নাই; আপনি নিজে যদি মনে করেন, আপনার সামর্থ্য অনুযায়ী একজন হোক, দুইজন হোক, পাঁচজনকে হোক — আপনি কিছুটা হলেও সাহায্য করতে পারবেন – সে মানুষটাকে চলাফেরায় হোক বা অন্যভাবে হোক স্বাবলম্বী করে দেয়ার, দয়া করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিবেন। কোন সংগঠনের সাথে জড়িত হবার দরকার নেই। আপনি নিজ উদ্যোগে, নিজ অবস্থান থেকেও করতে পারেন। আমরা সকলে যদি সকলের সহযোগিতায় এগিয়ে আসি তাহলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আজ নাহলে কাল, কাল নাহলে পরশু আমরা যেরকম একটি বাংলাদেশ নিজেদের মনে কল্পনা করি— সেরকম একটা বাংলাদেশের সূচনা দেখতে সক্ষম হব।

    তারেক রহমান বলেন, এই মুহুর্তে দেশ যে স্বৈরাচারমুক্ত বা এটি অর্জন করার জন্য সমগ্র বাংলাদেশে দলমত নির্বিশেষে অনেক মানুষ, অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক কর্মী অনেক ক্ষেত্রে অরাজনৈতিক কর্মী বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সকল মানুষকে কতটুকু সাহায্য করা সম্ভব ব্যক্তিগতভাবে আমি জানি না। আমরা হয়তো কেউই জানি না। কিন্তু যে মানুষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যারা শহীদ হয়েছেন- যারা শহীদ হয়েছেন তারা তো চলেই গেছেন, তাদের পরিবারের মানুষরা রয়ে গেছেন; যারা বিভিন্নভাবে আহত হয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছেন তাদের পাশে কতটুকু দাঁড়াতে পারব— আমি বলতে পারবো না। কিন্তু, আমি মনে করি তারা দেশের জন্য, আমাদের জন্য আত্মত্যাগ করেছেন; আমাদের দ্বায়িত্ব আমাদের কর্তব্য যতটুকু সম্ভব তাদের পাশে দাঁড়ানো।

    অনুষ্ঠানে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সংগঠনের আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও বিএনপি পরিবারের প্রধান পৃষ্ঠপোষক এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও বিএনপি পরিবারের উপদেষ্টা এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত প্রমুখ।