Category: রাজনীতি

  • এনসিপির প্রথম ধাপে ১২৫ জন প্রার্থী নাম ঘোষণা

    এনসিপির প্রথম ধাপে ১২৫ জন প্রার্থী নাম ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১২৫ জন মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এই মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করেন। সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, আমাদের মনোনয়ন পত্র বিতরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এই মুহূর্তে প্রাথমিক নির্বাচনী তালিকা প্রকাশ করা হবে। কোনো প্রার্থী যদি তালিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তা তদন্তের মাধ্যমে প্রার্থিতা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই অনুষ্ঠানে দলের যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা বলেন, আমাদের মনোনয়ন তালিকায় বেশ কিছু ব্যতিক্রমী প্রার্থী রয়েছেন। দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সবাই ভোটে ‘হ্যাঁ’ বলবেন, আর আমাদের প্রার্থীরাও ভোট চাইবেন। আমাদের লক্ষ্য আমাদের দল ও দেশবিরোধী অপকর্ম, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, আওয়ামী লীগ ও অন্য কোনো অপরাধীকে সংসদে পাঠানো নয়। প্রার্থীর বিরুদ্ধে যদি কোনো অবৈধ অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করে দেওয়া হবে। আমরা প্রথম তালিকা ঘোষণা করব, এরপর আরও দুটি তালিকা আসবে।

    প্রার্থীদের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:

    ১. পঞ্চগড়–১: মো. সারজিস আলম
    ২. ঠাকুরগাঁও–২: মো. রবিউল ইসলাম
    ৩. ঠাকুরগাঁও–৩: মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম
    ৪. দিনাজপুর–৩: আ. হ. ম. শামসুল মুকতাদির
    ৫. দিনাজপুর–৫: ডা. মো. আব্দুল আহাদ
    ৬. নীলফামারী–২: ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন
    ৭. নীলফামারী–৩: মো. আবু সায়েদ লিয়ন
    ৮. লালমনিরহাট–২: রাসেল আহমেদ
    ৯. লালমনিরহাট–৩: মো. রকিবুল হাসান
    ১০. রংপুর–১: মো. আল মামুন
    ১১. রংপুর–৪: আখতার হোসেন
    ১২. কুড়িগ্রাম–১: মো. মাহফুজুল ইসলাম
    ১৩. কুড়িগ্রাম–২: ড. আতিক মুজাহিদ
    ১৪. কুড়িগ্রাম–৩: ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি
    ১৫. গাইবান্ধা–৩: মো. নাজমুল হাসান সোহাগ
    ১৬. গাইবান্ধা–৫: ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান
    ১৭. জয়পুরহাট–১: গোলাম কিবরিয়া
    ১৮. জয়পুরহাট–২: আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল
    ১৯. বগুড়া–৬: আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি
    ২০. চাঁপাইনবাবগঞ্জ–২: মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান)

    এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীর নামের তালিকা নিম্নরূপ যা বিভিন্ন জেলা ও স্থান থেকে নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করে। এই তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে এনসিপি নির্বাচনের জন্য তাদের মনোনীত প্রার্থীদের সনদ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পার্টির নেতারা।

  • নাহিদ জানিয়েছেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা ফ্যাসিজমের অভিযোগ পেলে প্রার্থী বাতিল হবে

    নাহিদ জানিয়েছেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা ফ্যাসিজমের অভিযোগ পেলে প্রার্থী বাতিল হবে

    আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই ঘোষণাটি দেন। তিনি বলেন, যদি কাওো প্রার্থী দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা ফ্যাসিজমের সঙ্গে যুক্ত বা জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তবে তার প্রার্থীতাও বাতিল করা হবে। এপ্রক্রিয়াটি বর্তমানে চলমান এবং চলতেই থাকবে।

    প্রচারে আরো সকালে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ১২৫ জন প্রার্থীকের নাম ঘোষণা করেন। নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, দল কোনো আসন ভিন্ন কারো জন্য নির্দিষ্ট করে রাখতে চাননি। প্রাথমিকভাবে যেসব আসনের মনোনয়ন নির্ধারিত হয়েছে, তা আমাদের মনোনয়ন বোর্ডের রিপোর্ট অনুসারে ঠিক করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই তালিকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত, যাতে কেউ অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। অভিযোগ থাকলে, সেই অনুযায়ী প্রার্থীতাও বাতিল হতে পারে।

    নাহিদ আরও জানান, যা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছে, তাঁদের জন্য তিনি অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যারা তালিকায় জায়গা পাননি বা প্রত্যাশী ছিলেন তা অর্জন করতে পারেননি, তাদের কাছে আমাদের আহ্বান—আমরা ভবিষ্যতেও তাঁদের মূল্যায়ন করবো।

    তিনি emphasize করেন, এনসিপি সাধারণ মানুষের, রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিদের, গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী এবং দেশের পরিবর্তন চেক মতো ব্যক্তি ও সংগঠনের কাছে বিনা দ্বিধায় নমিনেশন দিচ্ছে। এছাড়াও দল বাইরের পেশাজীবী, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকেও মনোনীত করছে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। নারা, পুরুষ, সংখ্যালঘু, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মধ্যে সমন্বয় করেই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, চূড়ান্ত ৩০০ আসনে মনোনয়নের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যেখানে এখনও মনোনয়ন দেওয়া হয়নি বা দেওয়া হয়েছে, সেখানে আরও ভালো প্রার্থী থাকলে বিবেচনা করা হবে। যদি কেউ অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তার মনোনয়ন বাতিলও হতে পারে।

    তিনি শেষ মুহূর্তে বলেন, নতুন প্রার্থী ও ভালো সম্ভাবনাময় প্রতিযোগীদের বিনা দ্বিধায় মনোনয়ন দেওয়া হবে।

  • এনসিপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ: প্রভাবশালী নেতাদের আসন নির্ধারণ

    এনসিপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ: প্রভাবশালী নেতাদের আসন নির্ধারণ

    নির্বাচনী লড়াই শুরুর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রথম দফায় ১২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে তাদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলের সভাপতি আখতার হোসেন প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন।

    প্রথম দফার এই প্রার্থী তালিকায় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে নেতৃত্বদানকারী একজন মুখ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে ঢাকা-১১ আসনে (বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা এলাকা) দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রংপুর-৪ আসনে নির্বাচনে অংশ নেবেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    অন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম, ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা, ঢাকা-১৬ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নোয়াখালী-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তাসনিম জারা বলেন, দলের একজন সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ও নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দেড় হাজারের বেশি প্রার্থী তাদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তবে, এনসিপির প্রার্থী তালিকা অন্যান্য দলের থেকে ব্যতিক্রমী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নেতৃত্বদানকারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও জানান, এবারের নির্বাচনে তারা ব্যাপকভাবে ব্যালট রেভল্যুশন চালানোর পরিকল্পনা করেছেন। তিনি দলীয় প্রতীক শাপলা কলি এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার পক্ষে প্রচার চালানোর জন্য প্রার্থীদের আহ্বান জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিনসহ অন্য নেতারাও। এই প্রাথমিক ঘোষণা নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও উৎসাহ ও উদ্দীপনা যোগাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

  • এনসিপির ১২৫ প্রার্থী মধ্যে নারী ১৪ জন

    এনসিপির ১২৫ প্রার্থী মধ্যে নারী ১৪ জন

    আসন্ন প্রভাবশালী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং দেশের বিভিন্ন আসনের জন্য দলগুলো তাদের মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আজ (১০ ডিসেম্বর, বুধবার) সকাল ১১টায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের প্রথম ধাপে ১২৫ জন মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে। এই তালিকায় উল্লেখযোগ্যভাবে ১৪ নারী প্রার্থী রয়েছেন, যারা নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেবেন। এর মধ্যে ডা. তাসনিম জারা, ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও দিলশানা পারুলের মতো পরিচিত মুখগুলো স্থান পেয়েছেন। তবে, সামান্তা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম এখনও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি। আশা করা যাচ্ছে, তারা ভবিষ্যতে অন্ন্য নির্বাচনী ধাপেও অংশ নিবেন।আগামী নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে মনোনীত প্রার্থীরা হচ্ছেন, নওগাঁ-৫ থেকে মনিরা শারমিন, সিরাজগঞ্জ-৩ থেকে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ থেকে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রিয়তি), ঝালকাঠি-১ থেকে ডা. মাহমুদা আলম মিতু। এছাড়া অন্যান্য আসনেও তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।পশ্চিমা ও বৃহৎ শহরাঞ্চলে এই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে নির্বাচনে লড়াই করবেন। ময়মনসিংহ-১১ আসনে তানহা শান্তা, ঢাকা-৯ আসনে ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১২ আসনে নাহিদা সারওয়ার নিভা, ঢাকা-১৭ এ ডা. তাজনূভা জাবীন, ফরিদপুর-৩-এ সৈয়দা নীলিমা দোলা, চাঁদপুর-২-এ ইসরাত জাহান বিন্দু, নোয়াখালী-৫-এ অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, চট্টগ্রাম-১০-এ সাগুফতা বুশরা মিশমা, এবং খাগড়াছড়িতে অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেওয়া এই নারীরা দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক মানসিকতা প্রকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। আসুন তাঁদের পরিচয় ও সম্ভাবনার ওপর এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।

  • খালেদা জিয়ার আসনে প্রার্থী দিলো এনসিপি

    খালেদা জিয়ার আসনে প্রার্থী দিলো এনসিপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১২৫টি আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর মধ্যে দিনাজপুর-৩ (দিনাজপুর সদর) আসনের জন্য দলটি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে আ হ ম শামসুল মুকতাদিরকে। যদিও এই আসনে বিএনপি অনুমোদিত প্রার্থী হিসেবে রয়েছে খালেদা জিয়ার নাম।

    ১০ ডিসেম্বর বুধবার সকালে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন মনোনয়ন কাগজের তালিকা প্রকাশ করেন। ওই সময় তিনি জানান, দলটি এপ্রিলে প্রার্থী নির্বাচন সম্পন্ন করেছে এবং আজ প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করছে। তিনি আরও বলেন, ‘যেসব প্রার্থীর নাম প্রকাশ হবে, তাদের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, সেটি তদন্ত করে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।’

    অন্যদিকে, দিনাজপুর-৩ আসনে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মইনুল আলম।

    প্রসঙ্গত, এর আগে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছিলেন যে, তারা খালেদা জিয়ার আসনে প্রার্থী দেবে না। তবে দলের দলীয় সিদ্ধান্ত এবং দিকনির্দেশনায়, বর্তমানে দলের পক্ষ থেকে তার নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

  • ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    আজ সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, রাজধানীর গুলশানে ইমানুয়েল পার্টি সেন্টারে এক তথ্যবহুল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এই জোটের নেতৃত্বে রয়েছেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, যারা বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি (জাপা) ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর ব্যক্তিগত নেতৃত্বে একত্রিত হয়েছেন। এই জোটের নাম দেয়া হয়েছে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট’ (এনডিএফ)।

    জোটে আরও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দল, যেমন – জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, স্বাধীন পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।

    সংবাদ সম্মেলনে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক সংকট সমাধান এবং দেশের আগামীর জন্য একটি সুদৃঢ় মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন। আমরা দেশটির মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ২৪ জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান ও জাতীয় ঐক্যকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যেতে চাই। এই নতুন জোটের মাধ্যমে আমরা জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ, ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দেওয়া শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই এবং অবকাঠামোগত সংস্কার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

    আনিসুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিজ নিজ স্বকীয়তা ও আদর্শ বজায় রেখে, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত নীতিমালা গ্রহণ করব। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই জোটের নাম দেয়া হয়েছে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট’।’

    তাঁর বক্তব্যে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়, যেমন:
    ১. ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন পরিচালনার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
    ২. অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য দুই মাসের মধ্যে গঠন করতে হবে।
    ৩. অবৈধ হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করে নির্বাচন ও রাজনীতি স্বচ্ছ করতে হবে।
    ৪. আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
    ৫. নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
    ৬. স্বনির্ভর অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান উন্নয়নের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
    ৭. দুর্নীতি মুক্ত, জোরদার সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    অপরদিকে, গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নতুন আরেকটি রাজনৈতিক জোটের ঘোষণা দেয় তিনটি দল—নিহার ইসলাম নেতৃত্বাধীন ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’। এই জোটের নাম ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এই জোটের সদস্যরা হলো: এনসিপি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) এবং রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। এই জোটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশকে দুটি পথে চলতে না দেয়ার জন্য সরকারের পরিবর্তন, গণতন্ত্র ও সংস্কার প্রতিষ্ঠা করা। এর মাধ্যমে নতুন পরিবর্তনের সূচনা এবং দেশের রাজনৈতিক পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

  • ডা. শফিকুর রহমানের রহিত মন্তব্য: জামায়াতে ইসলাম ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করে না

    ডা. শফিকুর রহমানের রহিত মন্তব্য: জামায়াতে ইসলাম ধর্মকে রাজনীতিতে ব্যবহার করে না

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে না—এমন বিবৃতি দিয়েছেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকাস্থ ইউরোপীয় ইউনিয়ন দূতাবাসে আট দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এসব কথা বলেন। এরপর তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় নির্বাচন এবং দলের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

    তিনি বলেন, ‘জামায়াত ধর্মকে হাতিয়ার করে রাজনীতি করে না, এবং ধর্মের নামে ব্যবসা করাও দলটির নীতির মধ্যে নেই। তবে নির্বাচন ও গণমাধ্যমে যারা ধর্মীয় আচরণকে প্রচারণার অংশ করে থাকেন, তারা প্রকৃতপক্ষে ধর্মকে ব্যবহার করেন।’

    একজন সাংবাদিকের প্রশ্নে তিনি স্পষ্ট করেন, ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচন যদি পেছানো হয়, তবে দেশের অস্থিরতা বেড়াতে পারে। তাঁর মতে, কোন কারণেই নির্বাচন বিলম্বিত হওয়া উচিত নয়, কারণ এর ফলে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

    আলোচনায় তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় গেলে এক অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ার প্রতিশ্রুতি দেন। দেশের স্বার্থে সব দলের সঙ্গে সমন্বয় করে অন্তত পাচঁ বছরের জন্য একটি স্থিতিশীল প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য তাঁদের।

    তার মতে, ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ গড়ার জন্য দুইটি মূল শর্ত হলো—প্রথমত, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান framing, এবং দ্বিতীয়ত, সবার জন্য সমান বিচার নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক প্রভাব যেন বিচারব্যবস্থায় স্থান পায় না, সেটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই বিষয়ের সঙ্গে যারা একমত, তাঁরা সহায়ক হিসেবে সরকারের পরিচালনায় যোগ দিতে প্রস্তুত।

    খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, অসুস্থতা মানুষের নিয়ন্ত্রণে নয়। দেশবাসী তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছে। তবে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতি দেশের অগ্রগতির পথে বাধা নয়, এটাই তাঁর মত।

    একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের উদ্বেগের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি স্বীকার করেন, দুইটি একসঙ্গে ভোটের জন্য শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রয়োজনে আলাদা দিনে ভোটগ্রহণের বিষয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।

    শেষে, তিনি আবারও 강조 করেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচন সময়মতো হওয়া অপরিহার্য। আনুমানিক পরিবর্তন দেশকে সংকটের দিকে নিয়ে যেতে পারে। দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক ঐক্যবদ্ধতা জরুরি—এ সতর্কতা দিয়ে তিনি সবাইকে শান্তি ও সার্বভৌমত্বের প্রতি লক্ষ্য রাখতে আহ্বান জানান।

  • ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবে বিএনপি: তারেক রহমান

    ক্ষমতায় গেলে আবারও খাল খনন কর্মসূচি শুরু করবে বিএনপি: তারেক রহমান

    বিএনপি ক্ষমতায় এলে কৃষির উন্নয়নে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বার্তা দেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ নির্বাচনে যদি জনগণ বিএনপিকে দেশ চালানোর দায়িত্ব দেয়, তবে তারা আবার সেই জিয়াউর রহমানের খাল খনন প্রকল্প শুরু করবেন। এই পরিকল্পনার আওতায় বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ফসলের ক্ষেতে সেচের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, জিয়াউর রহমান এক সময় এক মাঠে তিন ফসল ফলানোর উদ্যোগ নেন, যা ইতোমধ্যে বিএনপির বর্তমান পরিকল্পনায় স্থান পেয়েছে। এছাড়া প্রবাসীদের জন্য বিএনপি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে তিনি জানান। তার মতে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রবাসে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য পেশাগত প্রশিক্ষণের পথ সৃষ্টি করেছিলেন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে যে কাজগুলো হয়নি, বিএনপি তা আবার শুরু করবে। তিনি আরও বলেন, তরুণদের জন্য প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তির জ্ঞান থাকলে তরুণরা বেশি আয় করতে পারবে, পাশাপাশি ভাষাগত দক্ষতা থাকলে কর্মসংস্থান ও আয়-উন্নতির সম্ভাবনা আরও বাড়বে। বিএনপি এসব উদ্দেশ্যে কাজ করছে এবং মানুষের জীবনমান উন্নত করতে নানা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

  • জামায়াত ধর্মকে ব্যবহার করে বিভাজন ও সহিংসতার রাজনীতি উসকে দিচ্ছে: এনসিপি

    জামায়াত ধর্মকে ব্যবহার করে বিভাজন ও সহিংসতার রাজনীতি উসকে দিচ্ছে: এনসিপি

    বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অভিযোগ করেছে যে, জামায়াতে ইসলামি ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দেশটিকে বিভাজন, ঘৃণা ও সহিংসতার পথে ঠেলে দিচ্ছে। তারা বলছেন, ৫ আগস্টের পরবর্তীকালের নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে গ্রহণ না করে জামায়াত পুরোনো সহিংস ও আধিপত্যবাদী রাজনীতির পথেই হাঁটতে চাইছে, যা দেশের জন্য ক্ষতিকর সংকেত।

    সোমবার এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও মিডিয়া সেল সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৭ ডিসেম্বর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত ন্যাশনাল প্রফেশনালস অ্যালায়েন্সের (এনপিএ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে করোনা-সংক্রান্ত সহিংসতার প্রমাণ হিসেবে প্রকাশিত মন্তব্যের বিষয়টিকে তারা সম্পূর্ণ গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী ও দায়িত্বশীল বলে মন্তব্য করেছেন।

    এনসিপি জানায়, ২৭ নভেম্বর পাবনা ঈশ্বরদীতে নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘর্ষে গুলি চালানোর ঘটনাটি জামায়াতের একজন কর্মী তুষার মণ্ডল করেছে বলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ নিশ্চিত করেছে। অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়া এই কর্মীর বিষয়টিকে অস্বীকার করে জামায়াতের পক্ষ থেকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চলছে।

    এনসিপি মনে করছে, জামায়াত ধর্মকে ব্যবহার করে বিভাজন ও সহিংসতার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। ৫ আগস্টের পরবর্তীতে তারা পুরোনো সহিংস ও আধিপত্যবাদী রাজনীতির পথে ‘নতুন খেলোয়াড়’ হিসেবে উপস্থিত হতে চাইছে, যা দেশের জন্য অশুভ সংকেত।

    তাদের মতে, সহিংসতা, অস্ত্রের ব্যবহার এবং ধর্মের অপব্যবহার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য আপত্তিজনক। আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য।

    এনসিপি জামায়াত আসলে সত্য, শান্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে দেশ এগিয়ে যায় এক শান্তিপূর্ণ ও একটি সমগ্র জাতির পথে।

  • বিএলডিপি বিলুপ্ত করে বিএনপিতে শাহাদাত হোসেন সেলিমের যোগদান

    বিএলডিপি বিলুপ্ত করে বিএনপিতে শাহাদাত হোসেন সেলিমের যোগদান

    আজ সোমবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম তার দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, তিনি তার দলের সম্মৃতি এবং অনুমতি নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। এর আগে, গত ২৭ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষীর-কুমিল্লা (রামগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপি সূত্র জানায়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, শাহাদাত হোসেন সেলিম ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র হিসেবে গত কয়েক বছর ধরে বিএনপির বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। সেই কারণেই তাকে বিএনপি থেকে আগেই সবুজ সংকেত দেওয়া হয়—তাই তার এই যোগদান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।