Category: রাজনীতি

  • ‌‘খেলা হবে’ মানসিকতার পরিবর্তন হয় নাই: ববি হাজ্জাজ

    ‌‘খেলা হবে’ মানসিকতার পরিবর্তন হয় নাই: ববি হাজ্জাজ

    দেশকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেছেন, পরাজিত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসররা তাদের পলাতক নেত্রী হাসিনার প্রতিশোধ স্পৃহা বাস্তবায়ন করতে রাজধানী ঢাকাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। গুম-খুন এবং লুটপাটের মাস্টারমাইন্ড ওবায়দুল কাদের-নানকরা কর্মীদের মধ্যে যে ‌‘খেলা হবে’ মানসিকতা তৈরি করেছিলো সেটার পরিবর্তন হয় নাই। পতিত স্বৈরাচার হাসিনা এখনও খুনের নেশায় উন্মাদ হয়ে আছে।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ।

    তিনি বলেন, ঢাকায় বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার সহিংসতার ঘটনা ২৪ এর গণ-অভ্যুত্থানের মূলমন্ত্র বিরোধী। ছাত্রদের ভিতরে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা অনুপ্রবেশ করে এবং উসকানি দিয়ে একের পর এক অঘটনের জন্ম দিচ্ছে। একদিকে সাধারণ মানুষদের টাকার লোভ দেখিয়ে শাহবাগে আনা হচ্ছে অন্যদিকে ইসকনকে ব্যবহার করে আবারও সংখ্যালঘু কার্ড খেলার চেষ্টা করছে পরাজিত শক্তি। এসব ঘটনায় দায়ীদের খুঁজে বের করতে সাঁড়াশি অভিযান চালাতে হবে।

    প্রশাসনে আওয়ামী দোসরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রশাসনের স্থবিরতা দূর করতে যখনই দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়া শুরু করেছে তখনই ফ্যাসিবাদের অনুগতরা ষড়যন্ত্রের নীলনকশা আঁকছে। সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে। প্রয়োজনে অবসরে যাওয়া বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তা এবং নাগরিক সমাজ থেকে যোগ্য লোকদের বাছাই করে সাময়িক বিভিন্ন দায়িত্ব প্রদান করা যেতে পারে। কোনোভাবেই আওয়ামী দোসরদের ক্ষমতার কাঠামোতে স্থান দেয়া যাবে না।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর পরামর্শ নেবার আহ্বান জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, আমরা ড.ইউনূসের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল। এই সরকারকে যারাই অস্থিতিশীল করতে চাইবে আমরা রাজপথে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের বিষদাঁত ভেঙ্গে দিব। চলমান নানা সংকট মোকাবেলায় সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে পরামর্শ করতে হবে। ফ্যাসিবাদের কোন স্থান এদেশে সহ্য করা হবে না।

    আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগঠন হিসাবে ব্যবস্থা নেবার দাবি জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দলের কোন অধিকার নেই এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার। আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একাধিক গণহত্যা, গুম, ভোটাধিকার হরণ এবং অর্থপাচারের অভিযোগ রয়েছে। এই দলটিকে অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে ববি হাজ্জাজ উল্লেখ করেন, সার্চ কমিটির মাধ্যমে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সাধুবাদ জানাই। গণতন্ত্র এবং জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত একটি জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ চাই। জনগণের নির্বাচিত সরকার সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

  • সংবিধানে উপ-প্রধানমন্ত্রী পদ রাখাসহ আরও যেসব প্রস্তাব বিএনপির

    সংবিধানে উপ-প্রধানমন্ত্রী পদ রাখাসহ আরও যেসব প্রস্তাব বিএনপির

    সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবনা জমা দিয়েছে বিএনপি। যেখানে  সংবিধানে উপ-প্রধানমন্ত্রী, উপরাষ্ট্রপতি, পরপর দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হওয়া, সংসদে উচ্চকক্ষ, গণভোটের বিধান পুনঃপ্রবর্তন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) কমিশন প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজের হাতে লিখিত প্রস্তাব তুলে দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    এসময় সালাউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, সংস্কার প্রস্তাবে ব্যালান্স অব পাওয়ারের কথা বলা হয়েছে। সংস্কার কমিটি সুপারিশ চূড়ান্ত করে সরকারকে দেবে। তারপর নির্বাচিত সরকার এসে এসব সংশোধন করবে।

    অন্তর্বর্তী সরকার এখন পর্যন্ত রাষ্ট্র সংস্কারে মোট দশটি কমিশন গঠন করলেও হলেও এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে সংবিধান ও নির্বাচনী সংস্কারের বিষয়গুলো।

  • এদেশে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই: রাজিব আহসান

    এদেশে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই: রাজিব আহসান

    বগুড়ায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান বলেছেন, এদেশে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথের সব গণআন্দোলনে দায়িত্ব পালন করবেন।

     

    তিনি আরও বলেন, আমরা সাম্য ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে দিকনির্দেশনামূলক কাজ করে যাচ্ছি। আগামীতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সব সময় ভূমিকা রেখে যাবে।

    সোমবার শহিদ টিটু মিলনায়তনে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ কর্মিসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এতে প্রধান আলোচক ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল করিম পল। বক্তব্য দেন যুবদল কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জুয়েল, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী মোখতার হোসাইন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

  • ইইউভুক্ত ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক

    ইইউভুক্ত ৮ দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে জামায়াতের বৈঠক

    ডেলিগেশন অব ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রাষ্ট্রদূত সেবাস্টিয়ান রিগার ব্রাউনের আমন্ত্রণে ইইউভুক্ত ৮টি দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিকালে রাজধানীর গুলশানে রাষ্ট্রদূতের বাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ছিলেন নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এবং সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৮ দেশের প্রতিনিধিগণ হলেন- জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রোস্টার, ইটালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও অ্যালেস্যান্ড্রো, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মুলার, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্টিয়াগা, ফ্রান্সের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর ক্রিস্টিয়ান বেক, নরওয়ের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ম্যারিয়ান রেবেকনায়েভেলস্রুড, সুইডেনের হেড অব পলিটিক্যাল ও ট্রেড অ্যান্ড কমিউনিকেশন লোভিসা হোফম্যান এবং নেদারল্যান্ডসের ডেপুটি হেড অব মিশন থিজ উওদস্ট্রা।

    বৈঠকে অংশ নেওয়া রাষ্ট্রদূত ও জামায়াত নেতারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    দেশ-রাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।

    তিনি বলেছেন, দেশের সংস্কার আছে, রাষ্ট্রের আছে; রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে। অনেকে বক্তৃতা করার সময় পেছনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। আমরা যদি কোনো কাজ করতে না পারি, জনগণের কল্যাণ করতে না পারি, তাহলে এ ছবি কোনো কাজে আসবে না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অনেক কষ্ট করেছেন, তবুও তিনি মাথানত করেননি। তিনি বলেছেন, দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও। এর জন্যই তিনি আজীবন লড়াই করেছেন।

    সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ‘মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটি’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    সেলিনা রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলটির নেতাকর্মীরা ভারত ও অন্যান্য দেশে অবস্থান করে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। বিএনপি ১৭ বছর ধরে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করছে। হ্যাঁ, আমাদের একটা সরকার আছে। তারা কাজ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু স্বৈরশাসক যিনি পালিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছেন, সেখান থেকে তিনি একেকদিন একেকটা ফোনকল ছাড়ছেন। আওয়ামী লীগ নেতা যারা পালিয়ে আছেন, তারা দেশের মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন যাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়।

    কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মোছা. ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে ও মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মো. সারোয়ার হোসেন রুবেলের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্মমহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।

  • তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    গত কয়েকদিন রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন কলেজ ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি কিংবা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও একে-অন্যের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

    সোমবার সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার কারণে এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীসমাজসহ নাগরিকদের মধ্যে পুঞ্জীভূত হয়ে আছে নানা ক্ষোভ ও অভিযোগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ের পর আমরা সবাই বাংলাদেশিরা সম্মিলিত প্রয়াসে একটি ইতিবাচক ও বৈষম্যহীন সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নে কাজ করে যাচ্ছি আর অন্যদিকে পতিত স্বৈরাচার খুনি হাসিনার দোসররা দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

    তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টজনদের কাছে নিজেদের মধ্যকার ভুলবোঝাবুঝিসহ নানা জটিলতাকে আলাপ-আলোচনা-উদারতা ও পরমত সহনশীলতার মাধ্যমে জাতীর বৃহত্তর কল্যাণ স্বার্থে বিবাদ মিমাংসার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে এবং একইসঙ্গে, তৃতীয় স্বার্থান্বেষী যে দেশদ্রোহী মহল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য বিনষ্ট করে দূরত্ব তৈরি করছে এবং ক্যাম্পাসগুলো অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে তাদের সম্পর্কে সজাগ ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীসহ সবাই ধৈর্যশীল-উদার ও ইতিবাচক হবার অনুরোধ জানিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সব বিবাদ মিমাংসার ওপর জোর দিয়ে উল্লিখিত আহ্বান জানিয়েছেন।

  • বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। নির্বাচন কিন্তু এখনো ঘোষণা হয় নাই। নির্বাচন কমিশন হয়েছে। এজন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।

    সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    আবদুস সালাম বলেন, আশা করি সরকার অনতিবিলম্বে নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে। তা নাহলে আওয়ামী দোসররা ষড়যন্ত্র করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইবে। এই অস্থিরতা মোকাবিলা করার জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ছাড়া কি আর কেউ আছে? আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে পারে একমাত্র বিএনপি।

    তিনি আরও বলেন, রাজপথে এলাকায় এলাকায় ওই খুনিদের মোকাবিলা করার জন্য বিএনপিকে দরকার। আমরা এখনো মাঠে আছি। গণতন্ত্র যে পর্যন্ত ফিরে না আসবে, ভোটের ডেট যে পর্যন্ত দেওয়া না হবে, নির্বাচন যে পর্যন্ত শেষ না হবে সে পর্যন্ত আমাদের রাজপথে থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আমাদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। এজন্য জনগণের মন জয় করতে হবে। আমি সন্ত্রাসে বিশ্বাস করি না, চাঁদাবাজিতে বিশ্বাস করি না, কোনো খারাপ কাজে বিশ্বাস করি না।

    পথসভায় মিজানুর রহমান স্বপন, মোতাহার হোসেন, সেলিম রেজা, শামীম আহমেদ ও যুবদল নেতা আমির হোসেন রাজুসহ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন করতে পারে: তারেক রহমান

    নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন করতে পারে: তারেক রহমান

    জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বেছে নেয়া নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

    রোববার এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বেছে নেয়া একটি নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন শুরু করতে পারে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিকে সম্মান করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদেরও জনগণের সেবা করতে হবে। উভয় পক্ষকেই সরকারে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে হবে, যাতে সবার জন্য সমতা, অংশগ্রহণমূলক ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে বাংলাদেশ।

    তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন যত বিলম্বিত হবে, আওয়ামী লীগ যে ভঙ্গুর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে গেছে নিজেদের আখের গোছানোর জন্য, তা ততই তীব্র হবে। সমাজে জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা ব্যবস্থা, কৃষক যে সমস্যার মুখোমুখি, ব্যবসায় যে চ্যালেঞ্জের মুখে, বিচার বিভাগে এবং সরকারি কর্মক্ষেত্রে যে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব বিদ্যমান, তাতে আমরা একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথে এগুতে পারবো না।

  • আন্তর্জাতিক অপরাধ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন, রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিধান রাখা হয়নি

    আন্তর্জাতিক অপরাধ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন, রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিধান রাখা হয়নি

    অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে। তবে এতে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিধান রাখা হয়নি।

    ট্রাইব্যুনালে দল বা সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ রেখে সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের প্রস্তাবনা তোলা হলেও ওই বিধানটি যুক্ত হয়নি। তবে সরকার চাইলে প্রচলিত আইনে বিদ্যমান দল বা সংগঠন নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

    আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অধ্যাদেশের বিষয়ে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বৈঠক শেষে এদিন সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশ ২০২৪ এর খসড়া গৃহীত হয়েছে। তবে, আমরা আইনের যে সংশোধনী করেছিলাম, উপদেষ্টা পরিষদ মনে করেছে যে, এই অধ্যাদেশের আওতায় ট্রাইব্যুনাল যদি মনে করে সংগঠনকে শাস্তি দেওয়া দরকার, তাহলে তারা সুপারিশ করতে পারবে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে।’

    তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদ বলেছে আমরা এই বিচারকে অন্য কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত করতে চাই না। রাজনৈতিক দল বা কোনো সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা প্রশ্ন এলে, এই আইনকে অযথাই প্রশ্নবিদ্ধ করার সুযোগ তৈরি হবে। আমরা এই সুযোগ দিতে চাই না। এজন্য এ বিধান বাতিল করা হয়েছে।’

    ‘কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠন নিষিদ্ধ করার দাবি আসে বা প্রয়োজন হয় তাহলে আমাদের অন্যান্য আইন আছে। তাই ট্রাইব্যুনালে এ বিধান থাকছে না বলে রাজনৈতিক দলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকল না, এমন কিছু না, রাজনৈতিক ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্যান্য প্রচলিত আইনে পরে বিবেচনা করা যাবে,’ বলেন আইন উপদেষ্টা।

    গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতাধীন অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্তদের বিচারের লক্ষে ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন প্রণয়ন করা হয়।

    আইন ও বিচার বিভাগ পরে আন্তর্জাতিক অপরাধের সংজ্ঞা যুগোপযোগীকরণ, অপরাধের দায় নির্ধারণ, অডিও ও ভিডিওর মাধ্যমে বিচারকাজ ধারণ ও সম্প্রচার, বিদেশি কাউন্সেলের বিধান, বিচারকালে অভিযুক্তের অধিকার, অন্তবর্তীকালীন আপিল, সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও প্রাসঙ্গিকতা সংক্রান্ত বিধান, তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক তল্লাশি ও জব্দ করার বিধান, পর্যবেক্ষক, সাক্ষীর সুরক্ষা, ভিকটিমের অংশগ্রহণ ও সুরক্ষার বিধান সংযোজন করে এর খসড়া তৈরি করে।

    বর্তমানে সংসদ না থাকায় এ অবস্থায় গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতাধীন অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্তদের বিচার করতে বিদ্যমান আইন যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশের খসড়া উপদেষ্টা পরিষদের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।

  • একাত্তরের ভুল প্রমাণিত হলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইব: জামায়াত আমির

    একাত্তরের ভুল প্রমাণিত হলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইব: জামায়াত আমির

    একাত্তরের ভুল যদি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় তাহলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইব বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) পূর্ব লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টে যুক্তরাজ্যে বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, একাত্তরে আমরা কোনো ভুল করে থাকলে এবং তা যদি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়, আমি জাতির কাছে ক্ষমা চাইব। ওয়ার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের নামে যে বিচার হয়েছে তার অবজারভেশনে এখানকার বিচারপতিরা সে রায়কে জেনোসাইড অব জাস্টিস বলেছে।

    গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্বীকৃতি প্রদানের দাবি জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের ‘জাতীয় বীর’ হিসেবে স্বীকৃতি দিন। এ অভ্যুত্থানে দেশের সকল শ্রেণির মানুষ অংশ গ্রহণ করেছিল। এমনকি দেশের বাইরে অবস্থানরত প্রত্যেকেই যার যার সাধ্য অনুযায়ী আমাদের সাথে যুদ্ধ করেছেন।

    তিনি বলেন, জাতিগতভাবে অনৈক্য এবং দুর্নীতির কারণে আমরা জাতি হিসেবে আগাতে পারিনি। দুর্নীতি আমাদের জন্য একটি জাতীয় লজ্জার বিষয়। যুক্তরাজ্য নিজেদের দুর্নীতি থেকে অনেকটা মুক্ত রাখতে পারার কারণে সারা বিশ্বে নিজেদের একটা মর্যাদাপূর্ণ স্থানে নিয়ে যেতে পেরেছে। কিন্তু আমরা পারিনি। যারা সমাজ পরিচালনা করবেন তারা পরিচ্ছন্ন না হলে সমাজ পরিচ্ছন্ন হবে না।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা। আবু সালেহ ইয়াহইয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইমাম উদ্দিন এবং দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন শিল্পী কামাল হোসাইন। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বাংলা মিডিয়ার অর্ধশতকেরও বেশি সাংবাদিক এতে অংশ নেন।