Category: রাজনীতি

  • চীন নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত

    চীন নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত

    বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের নেতৃত্বে আসা একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সোমবার ঢাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনা কার্যকর ও ফলপ্রদ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপি’র যুগ্ম-মহাসচিব হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, চীন এখনো নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। বৈঠকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য কীভাবে এগোতে হবে, তা নিয়েও গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠকটি রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান এ আলোচনাটি ছিল কীভাবে বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তারা নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত এবং দেশের জনগণের উন্নয়নের জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভূমিকা কী হবে, সে বিষয়েও মতামত নেওয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তারেক রহমানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, এবং অতিরিক্ত রাজনৈতিক উপদেষ্টা মাহাদী আমিন।

  • নেতা মীর আরশাদুল এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিলেন

    নেতা মীর আরশাদুল এনসিপি থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দিলেন

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেন মীর আরশাদুল হক। তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব ও চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রধান সমন্বয়কারী ছিলেন।

    আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর তিনি বিএনপিতে যোগ দেন এবং প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির কোষাধ্যক্ষ রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিএনপির কনটেন্ট ক্রিয়েটর ড. সাইমুম পারভেজ ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

    উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন জন্য, মীর আরশাদুল হক চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। তবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার আলোচনা চলাকালে, তিনি গত ২৫ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন।

  • পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে, রুখে দেব: আসিফ মাহমুদ

    পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে, রুখে দেব: আসিফ মাহমুদ

    আপাতদৃষ্টিতে আরেকটি পাতানো নির্বাচনের পরিকল্পনা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন। আসিফ মাহমুদ বলেন, সরকার ও প্রশাসনের কিছু পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ড চোখে পড়ছে। নির্বাচনের আগে একটি বিশেষ দলের প্রতি সরকারী কর্মকর্তাদের অশোভন অংশগ্রহণ এবং এক দলের নেতাদের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকার বাংলাদেশে গণতন্ত্রের জন্য বেশ চিন্তার বিষয়। তিনি আরও জানান, যদি কোনো পুরানো সেটেলমেন্টের পথে হাঁটা হয়, তবে তা কঠোরভাবে রুখে দিতে প্রস্তুত থাকবেন তারা। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবে না দলটি। এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন, একবারের জন্য নয়, মাঝে মধ্যে জাতীয় সুরক্ষা সংস্থার (এনএসআই) কর্মকর্তাদের একটি দলের সঙ্গে বৈঠক করতে গিয়ে কিছু নির্বাচনী প্রচারমূলক কার্যকলাপের জন্য দলটি সমালোচিত হয়েছে। ভোটের পরিবেশের ব্যাপারে তিনি বলেন, কিছু চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের জেলে না পাঠানো পর্যন্ত সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় এনসিপি পুরোপুরি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এই অবস্থায় নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়েও তারা শঙ্কিত। তিনি বলেন, মনোনয়নের ফাইলে নিরপেক্ষতা রক্ষা হয়নি; বড় দলের পক্ষে রিটার্নিং অফিসার কাজ করেছেন বলে অভিযোগ। আপিলের ক্ষেত্রে ইসির পক্ষপাতিত্ব থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি, আসিফ মাহমুদ এও সতর্ক করে দেন, যেন জাতীয় পার্টি (জাপা) নির্বাচন থেকে বের করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা না হয়। তিনি বলেন, ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) বাইরে রাখার জন্য নির্বাচনী কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। দলটি বলেছে, বিগত শাসনতান্ত্রিক ফ্যাসিবাদী সরকারের সহযোগী হিসেবে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে না। আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘জাতীয় পার্টি বিগত ফ্যাসিবাদী শক্তিগুলোর সঙ্গে ছিল। আমরা চাই না তারা নির্বাচনে অংশ নাক, এ বিষয়ে আমরা স্পষ্টভাবে ইসিকে জানিয়ে দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য তারা যেন নির্বাচন থেকে প্রত্যাহার হয় বা পুনর্বাসিত না হয়।’ এই দাবির প্রেক্ষাপটে, নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কমিশন আমাদের কথা শুনেছে ও জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দেখা গেছে, দলটির ২৪৪ প্রার্থী মধ্যে ৫৭ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭।

  • একাত্তর মুক্তিযুদ্ধ আমাদের আত্মাআত্মের ভিত্তি: তারেক রহমান

    একাত্তর মুক্তিযুদ্ধ আমাদের আত্মাআত্মের ভিত্তি: তারেক রহমান

    বাংলাদেশের জন্য মুক্তিযুদ্ধই হলো মূল বাস্তবতা ও ভিত্তি। একাত্তরকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্বই থাকবে না—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের পর দেশেই নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা যথাযথ ব্যবহার করে সরকার ও বিরোধী দলসহ সবাইকে একসঙ্গে দেশের অগ্রগতির জন্য কাজ করতে হবে।

    আজ সোমবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাম দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এসব কথন ব্যক্ত করেন। সভায় উপস্থিত নেতারা বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন, পাশাপাশি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    বৈঠকে তারেক রহমান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধই আমাদের মূল ভিত্তি। একাত্তরকে বাদ দিলে আমরা অস্তিত্ব রাখতে পারব না।” তিনি জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তুলতে হবে।

    এদিকে, বাম দলগুলোর নেতারা বলন, একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যেন আর কখনো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ক্ষমতায় বসতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সজাগ ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তারা মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান জানান।

    পরিশেষে, বিএনপির এই নেতা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আরও গুরুত্ব দিয়ে বলেন, একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের জন্য সব দলসহ সরকারের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

  • পাতানো নির্বাচনে ফলাফল ভালো হবে না, হুঁশিয়ারি তাহেরের

    পাতানো নির্বাচনে ফলাফল ভালো হবে না, হুঁশিয়ারি তাহেরের

    সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে যে প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে গভীর শংকা সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের এই শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি ভবিষ্যতেও পাতানো বা নকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে এর ফলাফল সুস্থ ও গ্রহণযোগ্য হবে না। উল্টো দেশের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়বে।

    বুধবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির সাথে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকগণ। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে berlangsung এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দেশের ভবিষ্যত নির্বাচন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    বেলা ১০:৩০ মিনিটের পর দলীয় নেতারা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করেন। সেখানে তাহের বলেন, দেশের একাধিক রাজনৈতিক সংকটের মূল কারণ হলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা না থাকা। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি ভবিষ্যতে আবারও পাতানো বা লুকানোভাবে নির্বাচন হয়, তবে দেশের সাধারণ জনগণ আরও বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে এবং দেশের অস্থিতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে।

    তাহের অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের সহকারী কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ দেশের মূল গণতান্ত্রিক আদর্শে আঘাত হেনেছে। এর ফলে জনমনে নানা শঙ্কা ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই শঙ্কা যদি কাটানো না যায়, তবে দেশের জনগণ রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।

    অতএব, ভবিষ্যত নির্বাচনগুলোকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য সরকার ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের উচিত সতর্কতা অবলম্বন করা। এ বিষয়ে আরও আলোচনা ও সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য মতবিনিময় চলমান রয়েছে।

  • উত্তরাঞ্চলের ৯ জেলায় যাচ্ছেন তারেক রহমান, নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য চিঠি

    উত্তরাঞ্চলের ৯ জেলায় যাচ্ছেন তারেক রহমান, নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য চিঠি

    প্রায় ১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এই প্রথমবারের মতো তিনি ঢাকা বাইরে সফরে যাচ্ছেন। তার প্রথম সফরটি হবে উত্তরাঞ্চলের চারটি জেলায়, যা ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য বিএনপি সরকারের কাছে বিস্তারিত চিঠি দিয়েছে।

    বৈঠক, দোয়া ও কর্মসূচির মধ্যে এই সফরটি নির্ধারিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সফরটির মূল লক্ষ্য হলো শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত শহীদদের কবর জিয়ারত ও তাদের আত্মার শান্তির জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করা। অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্যও সুন্দর দোয়া করা হবে।

    সফরের সময় তিনি নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নির্বাচনি আদর্শ ও আচরণবিধি পুরোপুরি মেনে চলবেন এবং কোনভাবেই এই নিয়ম লঙ্ঘন করবেন না বলে জানানো হয়।

    প্রথম দিন, অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি, ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে তিনি গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর তিনি বগুড়া পৌঁছাবেন।

    ১২ জানুয়ারি, ওই দিন থেকেই সফর শুরু হয়ে রংপুর, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলায় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। একই দিন দুপুরে রংপুরে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করার কর্মসূচিও রয়েছে।

    ১৩ জানুয়ারি তিনি পঞ্চগড়, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক ও মতবিনিময়ে অংশ নেবেন।

    সফরের শেষ দিন, অর্থাৎ ১৪ জানুয়ারি, তিনি রংপুর ও বগুড়ায় কিছু আরও কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ঢাকায় ফিরবেন।

    সফরকালে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন, যেমন—মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শহীদ আবু সাঈদ এবং তৈয়বা মজুমদার। এছাড়া নিহত অন্য নেতাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন। এই সফরের মাধ্যমে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

  • ঢাবি শিবিরের নতুন সভাপতি মহিউদ্দিন, আশিক সেক্রেটারি

    ঢাবি শিবিরের নতুন সভাপতি মহিউদ্দিন, আশিক সেক্রেটারি

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৬ সেশনের জন্য নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মুহা. মহিউদ্দিন। তাদের সাথে সার্বিক নেতৃত্বে অংশ নেওয়ার জন্য আশিকুর রহমানকে সেক্রেটারি ও মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এই নির্বাচন কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন সদস্যের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মাহবুবুর রহমান অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সদস্য সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম, এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম।

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক সাইদুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এই সমাবেশে নতুন নেতৃত্বের জন্য ব্যালট পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনার পর কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত মুহা. মহিউদ্দিন খানকে শিবিরের নতুন সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন এবং তাকে শপথবাক্য পাঠ করান।

    নির্বাচিত সভাপতি নির্বাচনের পর সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে তাকে শাখার সেক্রেটারি হিসেবে আশিকুর রহমান (কাজী আশিক) এবং সংগঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদে মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁনকে মনোনীত করা হয়। এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে সভা সম্পন্ন হয়।

  • দু-এক দিনের মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল

    দু-এক দিনের মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন তারেক রহমান: মির্জা ফখরুল

    দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই বিএনপির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে তারেক রহমানের নাম নিশ্চিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার সন্ধ্যায় সিলেটে হযরত শাহজালাল ও শাহপরান রাহমতুল্লাহ আলাইহিমার মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এ ঘোষণা দেন।

    মির্জা ফখরুল জানান, ২০১৮ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারান্তরীণ হওয়ার পর তারেক রহমানকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রূপে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এখন সেই উত্তেজনাপূর্ণ প্রক্রিয়া শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, এবার দেশের গুরুত্বপূর্ণ আসন্ন নির্বাচনের প্রচার কর্মসূচি সিলেট থেকেই শুরু হবে। বিএনপি মনে করে, দেশ আজ অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পৌঁছেছে যেখানে ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনাটা আগের তুলনায় বেশ বেশি জরুরি। বহু আগে যারা ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছিল, এখন তাদের সেই অধিকার ফিরিয়ে দিতে কাজ করছে দলটি।

    বিএনপির মহাসচিব বলেন, বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে সম্মানের সঙ্গে রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। তিনি আশা করেন, ভবিষ্যতে আমাদের দেশ যেন একটি উন্নত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে ওঠে, সেটাই তার মূল স্বপ্ন।

    অন্য রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বর্তমানে এই সুযোগে মানুষের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য ঐক্যবদ্ধ চেষ্টা চালাতে হবে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র একদিনে প্রতিষ্ঠিত হয় না, আর গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে উঠতেও সময় লাগে। তাই একটি শক্তিশালী ও কার্যকর সংসদ গঠনের লক্ষ্য নিয়ে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

    ব্যক্তিগত সফরে রোববার তিনি সিলেটে যান এবং হযরত শাহজালাল ও শাহপরান রাহমতুল্লাহ আলাইহিমার মাজার জিয়ারত করেন।

  • প্রার্থিতা বাতিল: তুচ্ছ বিষয়ের ভিত্তিতে অভিযোগ জানিয়েছেন গোলাম পরওয়ার

    প্রার্থিতা বাতিল: তুচ্ছ বিষয়ের ভিত্তিতে অভিযোগ জানিয়েছেন গোলাম পরওয়ার

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় কিছু রিটার্নিং অফিসারের পক্ষ থেকে তুচ্ছ বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে প্রার্থিতা বাতিল করার অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল, অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার এসব কথা বলেছেন। তিনি জানান, নির্বাচনের আমলাকার্যক্রমে কিছু কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে, গুরুত্বপূর্ণ অথচ প্রয়োজনীয় নথিপত্র দেখানোর পরও অযুহাত দেখিয়ে প্রার্থিতা বাতিলের ঘটনা ঘটছে। মধ্যরাতে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলার রিটার্নিং অফিসাররা মনোনয়ন যাচাইয়ে নানারকম অস্বাভাবিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। নিরীহ প্রার্থীর মনোনয়ন এভাবেই তুচ্ছ বিষয় বস্তুতে বাতিল করা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে, ব্যক্তিগত ইচ্ছা বা নানা প্রকার বহিরাগত প্রভাবের কারণে যোগ্য প্রার্থীদের প্রার্থিতো সুরক্ষিত হচ্ছেনা। অভিযোগ করেন, আইনের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ নয় এমন বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রার্থী বাতিলের ঘটনা ঘটাচ্ছে রিটার্নিং অফিসাররা। তিনি মনে করেন, এই ধরণের অনিয়ম চলতেই থাকলে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও তুচ্ছ কারণে প্রার্থিতা বাতিলের ঘটনা এড়ানোর জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হোক। যারা অযুহাত হিসেবে তুচ্ছ বিষয় দেখিয়ে প্রার্থিতা হারাচ্ছেন তাদের প্রার্থিতা যেন অবিলম্বে বৈধ ঘোষণা করা হয়। সকলের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে একে বরাবরের মত সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও সুসংগঠিত নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারদের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান প্রকাশ করেছেন তিনি।

  • ক্ষমতায় এলে ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

    ক্ষমতায় এলে ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে প্রায় আড়াই ঘণ্টার একটি বৈঠক হয়েছে ব্যবসায়ীদের সাথে। এই বৈঠকে তারা দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সমস্যা তুলে ধরেন, যেমন ব্যবসার প্রতিবন্ধকতা, চাঁদাবাজি, ব্যাংকের উঁচু সুদ, আমলাতান্ত্রিক হয়রানি এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি। তারেক রহমান তাদের বিষয়গুলো শুনে আশ্বাস দেন যে, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান করা হবে।

    রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয় এবং রাত সাড়ে ৯টায় শেষ হয়। বৈঠকের শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তাদের কাছে যা সমস্যা রয়েছে তা তুলে ধরেন, যা শুনে তারেক রহমান আন্তরিকভাবে মনোযোগ দেন এবং আশ্বাস দেন যে, দেশের জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ব্যবসা বাণিজ্যের সমস্যা পুরোপুরি সমাধানে চেষ্টা করবেন।

    তিনি আরও বলেন, দেশের ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন, যার কারণ হলো চাঁদাবাজি, ব্যাংকের উঁচু সুদ, আমলাতান্ত্রিক হয়রানি ও নানা ধরনের দুর্নীতি। এর ফলে ব্যবসার খরচ বেড়ে যাচ্ছে এবং বিনিয়োগরহণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতিতে বিদেশিরা বাংলাদেশের বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হচ্ছে না। তাই তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এই সব সমস্যার সমাধান হবে।

    বৈঠকে উপস্থিত ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিরা জানায়, তারা দেশের অর্থনীতি এবং বেকারত্ব কমানোর জন্য অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি মনে করেন। বিএনপির নেতা এবং অর্থনীতিবিদরা এই আলোচনা দেখেছেন এবং ভবিষ্যতে এর বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    আনোয়ারুল উল আলম চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে অর্থনীতি স্থির করতেই হলে ব্যবসায়ীদের সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে। তিনি emphasized করেন, দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি। তিনি বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো কিভাবে পুনরুজ্জীবিত করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, যেকোনো সরকার এলে তাদের দায়িত্ব নিয়ে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। ব্যবসায়ীদের সাথে একমত হয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিএনপি যদি ক্ষমতা ফিরে পায়, তারা রাজনৈতিক স্বচ্ছতা বজায় রেখে ব্যবসার জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে।

    অন্যদিকে, ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, এই পরিকল্পনাগুলো সত্যিই ইতিবাচক। তারা প্রত্যাশা করেন, নতুন সরকার ব্যবসার জন্য কর ও ব্যয় কমানোর নীতি গঠন করবে, স্টক মার্কেট উন্নত করবে এবং ব্যাংকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনবে। বিশেষ করে, দেশের আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, মব কালচার থেকে মুক্তি পেতে হবে, অন্যথায় ব্যবসা চালানো অনেক কঠিন হয়ে পড়বে।

    সবশেষে, মীর নাসির হোসেন মন্তব্য করেন যে, তারেক রহমানের দেহভঙ্গি এবং মনোভাব দেখে মনে হয়েছে তিনি আন্তরিক। তিনি উল্লেখ করেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশের উন্নয়নের জন্য তাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেন।