সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে যে প্রশাসনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে গভীর শংকা সৃষ্টি করছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের এই শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি ভবিষ্যতেও পাতানো বা নকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তবে এর ফলাফল সুস্থ ও গ্রহণযোগ্য হবে না। উল্টো দেশের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়বে।
বুধবার (৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির সাথে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকগণ। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে berlangsung এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দেশের ভবিষ্যত নির্বাচন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বেলা ১০:৩০ মিনিটের পর দলীয় নেতারা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করেন। সেখানে তাহের বলেন, দেশের একাধিক রাজনৈতিক সংকটের মূল কারণ হলো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা না থাকা। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যদি ভবিষ্যতে আবারও পাতানো বা লুকানোভাবে নির্বাচন হয়, তবে দেশের সাধারণ জনগণ আরও বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে এবং দেশের অস্থিতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
তাহের অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের সহকারী কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ দেশের মূল গণতান্ত্রিক আদর্শে আঘাত হেনেছে। এর ফলে জনমনে নানা শঙ্কা ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই শঙ্কা যদি কাটানো না যায়, তবে দেশের জনগণ রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে।
অতএব, ভবিষ্যত নির্বাচনগুলোকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য সরকার ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের উচিত সতর্কতা অবলম্বন করা। এ বিষয়ে আরও আলোচনা ও সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য মতবিনিময় চলমান রয়েছে।
Leave a Reply