Category: খেলাধুলা

  • ভিয়েতনামের কাছে ১-০ হেরে গ্রুপপর্বেই শেষ বাংলাদেশের আশার

    ভিয়েতনামের কাছে ১-০ হেরে গ্রুপপর্বেই শেষ বাংলাদেশের আশার

    থাইল্যান্ডের নন্থাবুরিতে এএফসি উইমেনস অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপে ‘এ’ গ্রুপে ভিয়েতনামের কাছে ১-০ গোলে হেরে গ্রুপপর্বেই বিদায় নিল বাংলাদেশ নারী দল। এই ম্যাচে জেতার ব্যাপারে ভিয়েতনাম গুরুত্ব দেয়ার কারণে তাদের আশা টিকে থাকল, আর বাংলাদেশ তিন ম্যাচ হারে গ্রুপের তলানিতে থেকে আসর শেষ করে।

    ম্যাচের সিদ্ধান্ত হয় দ্বিতীয়ার্ধের ৫৩ মিনিটে। বক্সে উড়ে আসা এক ক্রসে বল নাগাল পেতে লাফিয়ে মিলি আক্তার চেষ্টা করেন, কিন্তু বল গ্লাভস থেকে বেরিয়ে গেলে সেটি ঝাঁপিয়ে ধরে থি থুই লিনহ—দ্রুত বাম পা চালিয়ে বল জালে ঢুকিয়ে দেন। ওই একটিই গোল ম্যাচের ব্যবধান ঠিক করে দেয়।

    বহুক্ষণ জোরালো লড়াই চললেও প্রথমার্ধে উভয় দলই সুযোগ তৈরি করে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হুমকি আসে ১৩ মিনিটে, যখন সতীর্থের থ্রু পাস নিয়েছেন সাগরিকা। একান্ত অবস্থায় তিনি চিপ শট নিতে চাইলে ভিয়েতনামের গোলকিপার লি থি থু সুন্দরভাবে সেভ করেন। ২৬ মিনিটে আরেকটি থ্রু পাসে সাগরিকা অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে এগোয়, কিন্তু বলের গতির সঙ্গে তাল মেলাতে না পারায় সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি।

    ভিয়েতনামও প্রথমার্ধে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আক্রমণ বাড়ায়। ২৯ মিনিটে এনগান থি থানের শট ক্রসবারের উপর দিয়ে বাইরে গিয়ে বিপদ তৈরি না করলেও হুমকি ছিল। ৩৩ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে উড়ে আসা লং পাসের আগেই ঝাঁপিয়ে বেরিয়ে এসে মিলি আক্তার দারুণ একটি ক্লিয়ার করেন, যা রক্ষণকে সময় দিল।

    দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের আক্রমণ খেলায় কিছুটা অস্থিরতা দেখা যায়। ৫৩ মিনিটে গোলের আগে উমহেলা মারমা বক্সে ভালো জায়গায় বল পেলে শট নিতে পারেননি এবং রক্ষণে বডি ট্যাকলে বলটি হারান—এর কয়েক মিনিট পর থেকেই ভিয়েতনামের চাপে পরিবর্তন আসে এবং অবশেষে থি থুই লিনহের সেই কাজ করা গোলই ম্যাচের একমাত্র গোল হয়ে যায়। ৮৬ মিনিটে ভিয়েতনামের আড়াআড়ি ক্রস থেকে থি থুই লিনহের হেড পোস্টের বাইরে গেলে ব্যবধান আরও বাড়াতে পারেনি তারা।

    গ্রুপের অন্য ফলাফলে চীন ও আয়োজক থাইল্যান্ড ইতোমধ্যে কোয়ার্টারফাইনালের যোগ্যতা নিশ্চিত করেছিল। বাংলাদেশ যদি টিকে থাকতে চেয়েছিল, অন্তত ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে ড্র প্রয়োজন ছিল, তবে তা করতে পারেনি দল। টানা তিন পরাজয়ে গ্রুপে শেষ হওয়া বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এখন সংশোধন দরকার।

    এটি বাংলাদেশ দলের জন্য দুঃখজনক পুনরাবৃত্তি—পূর্বেও বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট ছাড়াও উইমেনস এশিয়ান কাপের মতো বড় মঞ্চে একইভাবে সবগুলো ম্যাচ হেরে গ্রুপ পর্বেই বিদায় হয়েছে দল। মাঠে লড়াই তো দেখালেও কার্যনির্বাহী ও কৌশলগত উন্নয়নের মাধ্যমে এখন দ্রুত শক্তি ঘাটতি পূরণ করা জরুরি।

  • মাঠ থেকে প্রশাসনে: ক্রিকেটের ক্ষতিগ্রস্ত ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য — তামিম

    মাঠ থেকে প্রশাসনে: ক্রিকেটের ক্ষতিগ্রস্ত ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনাই প্রধান লক্ষ্য — তামিম

    ২০২৫ সালের এপ্রিল—হঠাৎ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুর দুয়ারে পৌঁছেছিলেন তামিম ইকবাল। তখন দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছিল; ধীরে ধীরে ফিরে আসা সুসংবাদের মধ্যেই সবাই স্বস্তি পেয়েছিলেন। ঠিক এক বছর পর আবার এপ্রিল—ক্রিকেটার তামিম এবার দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের শীর্ষে বসে নতুন অধ্যায় শুরু করলেন।

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ঘোষণার পর দুপুরের পর দায়িত্ব পান তিনি। বিকেল চারটার পর মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে বিসিবি কার্যালয়ে হাজির হয়ে দীর্ঘদিনকার পরিচিত কর্মীর ভূমিকায় এবার বোর্ডের প্রধান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন। জাতীয় দলের তৃতীয় অধিনায়ক বলে পরিচিত এই ওপেনার খেলোয়াড়ি জীবন শেষে এখন দলের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন।

    প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তামিম ইকবাল স্পষ্টভাবে বললেন—প্রাথমিক লক্ষ্য হবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ক্ষতিগ্রস্ত ভাবমূর্তিকে ফিরিয়ে আনা। গত এক-দেড় বছরে যে ধাক্কা লেগেছে, তা কাটিয়ে ওঠাই তাদের অগ্রাধিকার। তা না হলে মাঠে অর্জিত সাফল্য ও দেশের গৌরব ফিরানো সম্ভব হবে না, এমনটিই তার ভাবনা।

    আদহক কমিটির ১১ সদস্যের একটি বাধ্যবাধকতা আছে—তিন মাসের মধ্যে বোর্ডের নিয়মিত নির্বাচন আয়োজন করা। তামিম জানিয়েছেন, তারা এই দায়িত্বটি সৎ ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করতে চাইছেন। ‘‘আমাদের ওপর যে দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে—ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন তিন মাসের মধ্যে আয়োজন করা—এটি আমরা যতটা সততার সঙ্গে এবং যতটা দ্রুত সম্ভব করতে চাই।’’

    দৈনন্দিন কাজকর্ম মসৃণভাবে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতীকী বক্তব্যও দিয়েছেন নতুন প্রশাসক। বিশ্বকাপ সংক্রান্ত ইস্যুসহ বর্তমানে যেসব চলমান কাজ রয়েছে, সেগুলোকে তারা সঠিকভাবে এগিয়ে নিবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে সবার সম্মান ফেরানো ও বিসিবি ও দেশের ক্রিকেট নিয়ে গর্ব ফিরিয়ে আনাই তার বড় অনুশীলন হবে — কর্মকর্তারা, খেলোয়াড়রা ও সব স্টেকহোল্ডারের আত্মমর্যাদা প্রাধান্য পাবে বলেই জানিয়েছেন তিনি।

    তামিম সরলভাবে মেনে নিয়েছেন—তারা ভুল করবে, কিন্তু সেই ভুল থেকে শিক্ষাও নেবে এবং উন্নতির জন্য চেষ্টা করবে। ‘‘আমরা শুধু কথা বলবো না, কাজ করব; চূড়ান্তভাবে পরিবর্তন আনব,’’ বললেন তিনি।

    বৈঠক শেষে তামিম জানালেন, অ্যাডহক কমিটির সদস্য তানজিল চৌধুরীকে বোর্ডের মুখপাত্র হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে; তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ও বোর্ডের কার্যক্রম সংবাদমাধ্যমে জানাবেন।

    নতুন নেতৃত্ব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া এই মুহূর্তকে তামিম ‘বিশেষ দিন’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন—খেলোয়াড়ি জীবনের পর প্রশাসনে এসে দেশের ক্রিকেটকে আবার গৌরবময় জায়গায় ফিরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ শুরু করেছেন।

  • নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বিসিবি কমিটি বিলুপ্ত; তামিমের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন

    নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে বিসিবি কমিটি বিলুপ্ত; তামিমের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা আগামী তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।

    এনএসসি গঠিত তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের হস্তক্ষেপে চলমান বিসিবি নির্বাচনে অনিয়ম হয়েছে। তদন্তে উদ্ভুট পদ্ধতিতে আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে কাউন্সিলর করে তোলা হয়—যা নিয়মবিরুদ্ধ বলে ধার্য হয়েছে। এই কারণেই বর্তমান কমিটি ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান আজ (৭ এপ্রিল) বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন তুলে ধরে জানান, এনএসসি ইতিমধ্যেই বিষয়টি বিশ্বক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা আইসিসিকে ইমেইলে জানিয়েছে। একই সঙ্গে অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের নামের তালিকাও আইসিসির কাছে পাঠানো হয়েছে।

    তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পর্যালোচনার পর এনএসসি মনে করেছে যে বিসিবি কমিটি গঠনের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট দুর্বলতা ও অনিয়ম ছিল। সে কারণেই আইনানুগ ক্ষমতার ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    আমিনুল এহসান বলেন, এনএসসি দেশের ক্রীড়া সংস্থাগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা তদারকি করে; যেখানে অনিয়ম দেখা যায়, সেখানে পরিষদ আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে। ২০১৮ সালের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইনের ধারা-২১ অনুযায়ী যদি কোনো নির্বাহী কমিটি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করে না বা সংস্থার স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড চালায়, তবে এনএসসি সেই কমিটি ভাঙ্গার এবং প্রয়োজন হলে অ্যাডহক কমিটি নিয়োগের ক্ষমতা রাখে।

    এনএসসির সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, গঠিত অ্যাডহক কমিটি তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করে নতুন ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করবে। প্রস্তাবিত কমিটির তালিকায় যারা আছেন, তাদের নাম আইসিসির নোটিশেও পাঠানো হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হবে।

    এনএসসি সিদ্ধান্তকে স্থানীয় ক্রীড়া অঙ্গনে জরুরি নজরদারি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে আইসিসির অনুসন্ধান ও স্থানীয় নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যক্রম কেমন হয়, সেটাই ভবিষ্যৎ নির্দেশ করবে যে বিসিবির নেতৃত্ব পূনরায় স্থিতিশীল হবে কি না।

  • তামিমের নেতৃত্বে গঠিত ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি

    তামিমের নেতৃত্বে গঠিত ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মঙ্গলবার বৈঠকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এই কমিটি আগামী তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন সম্পন্ন করবে।

    পটভূমি হিসেবে উল্লেখ্য, গত অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর তা তদন্তের আওতায় আসে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে যে ওই নির্বাচন পুরোপুরি স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়নি; তদন্তকালে বর্তমান পর্ষদের একাধিক পরিচালকও অনিয়মের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানানো হয়েছে। এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল এহসান সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

    এনএসসি ইতোমধ্যে এই সিদ্ধান্ত এবং তদন্ত প্রতিবেদন আইসিসিকে ইমেইলে জানিয়েছে। একই সঙ্গে অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের নাম এবং তদন্ত সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    অক্টোবরের বিতর্কিত নির্বাচনের পর ২৫ সদস্যের একটি পর্ষদ দায়িত্বগ্রহণ করলেও শুরু থেকেই বোর্ডটি অস্থিরতার মুখে পড়ে। মাত্র ছয় মাসের মধ্যে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় সাতজন পরিচালক ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করলে পর্ষদের সদস্য সংখ্যা কমে ১৭ জনে সীমাবদ্ধ হয়। অবশেষে এনএসসির হস্তক্ষেপে পুরো পর্ষদই বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

    আদ্যাহক কমিটি নিয়ে আগে গুঞ্জন ছিল এটি ১৫ সদস্যের হতে পারে; তবে চূড়ান্তভাবে ১১ সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাঁদের কাজ হবে আগামী তিন মাসের মধ্যে নতুন ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করা এবং বোর্ডে বিচারযোগ্যতা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা।

    অ্যাডহক কমিটির সদস্যরা হলেন: তামিম ইকবাল (আহ্বায়ক), রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদীন, আতহার আলী খান, তানজিল চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম ও ফাহিম সিনহা।

  • সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলারদের প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা বেতন ঘোষণা

    সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলারদের প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা বেতন ঘোষণা

    বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের গৌরব অর্জন করেছে। ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়ী হয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পর শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে দেশে ফিরলে চ্যাম্পিয়নদের জন্য উষ্ণ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

    বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে দলকে নিয়ে যাওয়া হয় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে, যেখানে জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে এককালীন ১ লাখ টাকা করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা করে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও আলাদা আর্থিক প্রণোদনার কথাও জানানো হয়।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক আগে থেকে সংক্ষিপ্তভাবে আর্থিক প্রণোদনার কথা নিশ্চিত করেছিলেন, তবে বিস্তারিত ঘোষণা করার জন্য তিনি তখন অপেক্ষা করার অনুরোধ করেছিলেন। অবশেষে জাতীয় ক্রীড়া দিবসে ক্রীড়া মন্ত্রালয় থেকে চমক তুলে ধরে আরও বড় ঘোষণা করা হয়েছে — অনূর্ধ্ব-২০ সাফজয়ী প্রতিটি খেলোয়াড়কে প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে বেতন দেওয়া হবে।

    এই ঘোষণায় চ্যাম্পিয়নাদের আর্থিক নিরাপত্তা বাড়বে এবং ভবিষ্যতে তরুণ খেলোয়াড়দের পেশাদার জীবন গঠনে সহায়ক ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

  • বিসিবি নির্বাচন তদন্তে উপস্থিত না হওয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

    বিসিবি নির্বাচন তদন্তে উপস্থিত না হওয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনের স্বচ্ছতা যাচাই করতে একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত শেষে আজ সংশ্লিষ্টরা এনএসসিতে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তবে কমিটির ডাকে উপস্থিত হয়নি সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তিনি খালি ডাকে কমিটির সাক্ষাৎকারে সাড়া দেননি কয়েকটি গুরুতর কারণে। প্রথমত, মন্ত্রণালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান—বিসিবি—সম্পর্কে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে তদন্ত করছে বলে তিনি মনে করেন। দ্বিতীয়ত, তার দাবি, তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপনে ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত কথাস্হায়ীভাবে ধরে নেওয়ার লক্ষণ রয়েছে, ফলে সত্য ও পক্ষপাতহীন তদন্ত হবে কি না সন্দেহ রয়েছে।

    তৃতীয় ও সবচেয়ে গুরুতর আখ্যায়িত কারণে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, বিষয়টি বর্তমানে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। আদালতে চলমান মামলার ওপর তদন্ত চালিয়ে তদন্ত কমিটি এবং যারা এ কাজে অংশ নেবে, তারা আদালত অবমাননায় অংশ নিচ্ছে—এমন উদ্বেগ তার রয়েছে। চতুর্থত, তিনি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কার্যকলাপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন; দাবি করেছেন যে প্রতিমন্ত্রী বোর্ড পরিচালকদের পরবর্তী বোর্ডে পরিচালক হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লোভ দেখান, রাজি না হলে ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করানো হয়।

    পোস্টে তিনি আরও জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটি থেকে তাকে বলা হয়েছিল যে বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন; তিনি জানতে চেয়েছিলেন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে এ রকম তদন্ত পরিচালনা করা যায় কি না, কিন্তু সন্তোষজনক কোনো উত্তর পাননি। তিনি বলেন, “আমি তো জেনে-বুঝে নিয়মবহির্ভূত বা আদালত অবমাননার মতো কাজে অংশ নেব না”—এই কারণেই তিনি কমিটির নোটিশে সাড়া দেননি।

    এনএসসি ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে ওই পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছিল। কমিটির মূল দায়িত্ব ছিল যাচাই করা যে নির্বাচনী প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হয়েছে কিনা। তদন্তের জন্য কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের সময় দেওয়া হয়েছিল; তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

    পটভূমিতে রয়েছে গত বছরের ৬ অক্টোবর ঢাকা ক্লাব সংগঠকদের একাংশের বিসিবির নির্বাচন বর্জন। সেই আন্দোলনের পর থেকে দেশের ক্লাব ক্রিকেট কার্যত থমকে আছে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনো মাঠে না গড়ানোর কারণে ক্রিকেটাররা সামাজিক পরিষেবা মাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করেছেন। এনএসসি তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিসিবি‑ভিত্তিক সিদ্ধান্তগুলো ক্লাব ক্রিকেট ও জাতীয় ক্রিকেটে কবে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে, সেটিই এখন নজরের।

  • আসিফ নজরুলকে নিয়ে বিসিবির বড় বিবৃতি

    আসিফ নজরুলকে নিয়ে বিসিবির বড় বিবৃতি

    বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায়ের শেষ মুহূর্তে পৌঁছানোর উপলক্ষ্যে বিসিবির পক্ষ থেকে স্পষ্টতা জানানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০২৬ সালে ভারতের পরিবর্তে কোথায় খেলবে তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চলছিল, তবে এখন বোর্ড ও খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে একান্তই সত্য কথাগুলো বলা হলো। গতকাল শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির পরিচালকরা বললেন, ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপে অংশ নিতে চেয়েছিল, কিন্তু তখনকার অন্তর্বর্তী সরকারের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত তার পথে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে খেলোয়াড় ও বোর্ডের মধ্যে আলোচনার সুযোগ হয়নি।

    এর আগে কল্পনাপ্রবাণ ঘটনার সূচনা হয় কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে। আইপিএল ২০২৬-এ এই পেসারকে কেনা হলেও হঠাৎ করে তাকে রিলিজ করার সিদ্ধান্তে দেশে ও বাইরেও আলোচনা ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সরকার নিরাপত্তার অজুহাতে ক্রিকেটের এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ এড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এই ইস্যুতে সবচেয়ে বেশী সক্রিয় ছিলেন তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, যিনি প্রথমে দাবি করেছিলেন যে ক্রিকেটাররা ভারতে যেতে চায়নি। পরে বিসিবি কর্তারা সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি তাদের জানা বা আলোচনা করার সুযোগ হয়নি।

    বিসিবির পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘খেলোয়াড়দের কাছ থেকে আমরা পরিষ্কার সিগন্যাল পেয়েছি, আলোচনা হয়নি।’ আবার নাজমুল আবেদিন ফাহিম জানান, মুস্তাফিজের ইস্যুর পর বোর্ড প্রথমে কিছু চিন্তা করেছিল। তারা আশা করছিল, ভারতীয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হবে এবং প্রয়োজনীয় আশ্বাস ও সমঝোতা হবে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত আসায় বোর্ডের আর কোনো বিকল্প রিসোর্স ছিল না।

    ফাহিম আরও জানান, ‘২৩ তারিখে বিপিএল ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। কিছু অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ম্যাচগুলো দেরিতে শেষ হয়, ফলে আমাদের ঢাকায় ফিরে আসতে হয়। আমাদের সামর্থ্য ছিল আরও দুই দিন সময় নিয়ে চট্টগ্রামে খেলা চালানোর, কিন্তু সেটা করা সম্ভব হয়নি। সবকিছু ছাপিয়ে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম, কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত অবরুদ্ধ করায় আমাদের আর কিছু বলার সুযোগ ছিল না। বিশ্বকাপে যাওয়ার ব্যাপারে আমাদের মতামত গুরুত্ব পায়নি।’

    এছাড়াও মোখসেদুল কামাল বাবু স্পষ্টভাবে বলেন, ‘বোর্ড অবশ্যই বিশ্বকাপ খেলার পক্ষে ছিল। আমাদের কেউই পরিকল্পনা করেননি যে, কেউ খেলবে না। সবাই আশা করছিলাম। তবে, বিসিবির দায়িত্বশীলরা জানিয়ে দেন, কোথাও থেকে কোনো আলোচনা বা সম্মতি আসেনি। এভাবেই সরকারের সিদ্ধান্ত জয়লাভ করে এবং বাংলাদেশের ম্যাচগুলো যে ভারত থেকে অন্য কোথাও সরানোর কথা থাকলেও আইসিসি তা প্রত্যাখ্যান করে। শেষ পর্যন্ত স্কটল্যান্ডকে বাংলাদেশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • শিরোপা জয় নিয়ে বাংলার যুবারা ঘরে ফিরল

    শিরোপা জয় নিয়ে বাংলার যুবারা ঘরে ফিরল

    উন্নত অক্ষরে বাংলাদেশ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে ছিল দেশের নতুন সাহসী ফুটবল তারকা দলের জন্য। অনূর্ধ্ব-২০ দলের ইতিহাসে এক অন্যতম সাফল্য হিসেবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত থেকে তারা ফিরলেন দেশের গর্বের ম্যাচধারীরূপে। এই খেতাবের গৌরব নিয়ে তারা দেশে ফিরেছেন ছাদখোলা বাসে করে, যেখানে দেশের মানুষ তাদের স্বাগত জানাচ্ছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস এবং熱ুর সাথে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাল-সবুজ পতাকার মাঝে ট্রফিসহ চ্যাম্পিয়নরা অবতরণ করেন, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণ—সবাই একসঙ্গে প্রস্তুত ছিলেন এই আনন্দ উদযাপনের জন্য। প্রতিমন্ত্রী ও ক্রিকেটের কিংবদন্তি আমিনুল হক নিজে উপস্থিত থেকে দলের অধিনায়ক মিঠু চৌধুরীকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান। এ সময় বাফুফে সহ-সভাপতি ও ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান তাঁর সাথে ছিলেন। একদিকে রাজধানীর রাজপথে শত শত ফুটবলপ্রেমী ভিড় করে থাকেন, অন্যদিকে বাঙালির মুখে এখন জয়োল্লাস। দেশের ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম পুরুষ দলের জন্য ছাদখোলা বাসের সংবর্ধনা দেওয়া হলো। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে হাতিরঝিলের দিকে যাত্রা শুরু করে বিজয়ী দলের ফুটবলাররা। সেখানে তারা সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন, হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। পুরো এলাকা এখন আলোকসজ্জায় আচ্ছন্ন, ভিড় দেখছে রঙের ঝলক। ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো পতাকায় মোড়া এবং পোস্টারে সজ্জিত, যেখানে জয়ী এই তরুণরা দেশের গৌরবের গল্প বলে যাচ্ছেন। বাফুফের আয়োজনে অ্যাম্ফিথিয়েটারে এক জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে, যা আরো অনেক স্মরণীয় করে রাখবে দেশের ফুটবল ইতিহাসকে।

  • বোর্ড সভায় আরও এক পরিচালক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    বোর্ড সভায় আরও এক পরিচালক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) আবারও পরিচালক পদে退াগের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ শনিবার ডিপ্লোম্যাটিক ও ডিসিপ্লিনারি কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন ফাইয়াজুর রহমান। তিনি বোর্ড সভা শেষে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। ফাইয়াজুর রহমান তার পদত্যাগের কারণ হিসেবে ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, অন্য কোনও জটিলতা বা কারণ নেই, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অজুহাতেই তিনি পদ ছাড়ছেন। তিনি গত বছরের অক্টোবরে ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হন। তার এই পদত্যাগের ফলে বোর্ডে পদত্যাগকারী পরিচালকের সংখ্যা এখন চারজন। এর আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মনোনীত ইয়াসির মোহাম্মদ ফয়সাল, বিসিবির পরিচালক আমজাদ হোসেন ও ইশতিয়াক সাদেক নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এবারে আরও একজন পরিচালক তার পদ থেকে প্রত্যাহার করেছেন। সব পরিচালকেরই মূল কারণ ব্যক্তিগত কারণ বললেও, বিসিবি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও পদত্যাগপত্র গ্রহণের ঘোষণা দেয়নি।

  • সাফ চ্যাম্পিয়নরা পাবেন মাসে লাখ টাকা করে বেতন

    সাফ চ্যাম্পিয়নরা পাবেন মাসে লাখ টাকা করে বেতন

    বাংলাদেশের যুব ফুটবল দল টানা দ্বিতীয়বারের মতো অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয় করলো। ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জনের পর, তারা শনিবার (৪এপ্রিল) রাতে দেশে ফিরলে তাদের জন্য অনুষ্ঠিত হয় উষ্ণ সংবর্ধনা। বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে। সেখানে এক জমকালো অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে তাঁদের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ঘোষণা করেন, চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক ফুটবলারের জন্য যথাক্রমে ১ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি ঢাকানগরীর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও আর্থিক প্রণোদনার ঘোষণা আসে। তবে সবচেয়ে বড় চমকটি ছিল যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের মুখ থেকে। তিনি জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের বিস্তারিত ঘোষণা হবে राष्ट्रीय ক্রীড়া দিবসে, যেখানে ফুটবলাদের জন্য বিশেষ কিছু অপেক্ষা করছে। অবশেষে, আজ জাতীয় ক্রীড়া দিবসে সুখবর আসলো। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, অনূর্ধ্ব-২০ সাফ জয়ী ফুটবলারদের জন্য প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা করে বেতন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই ঘোষণায় তরুণ ফুটবলাদের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো, যা তাদের স্বপ্নের পথকে আরও উজ্জ্বল করবে।