Category: খেলাধুলা

  • আসিফ মাহমুদ কেন তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হননি, ব্যাখ্যা দিলেন

    আসিফ মাহমুদ কেন তদন্ত কমিটির মুখোমুখি হননি, ব্যাখ্যা দিলেন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে গত মাসে গঠিত হয়েছিল একটি স্বচ্ছন্দ্য তদন্ত কমিটি, যা দেশের বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছে। তবে এ বিষয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, তদন্ত কমিটির সামনে আসেননি।

    আসিফ মাহমুদ তার স্পষ্ট ব্যাখা দিয়েছেন কেন তিনি তদন্ত কমিটির জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেননি। নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, ‘আমি কেন বিসিবি সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারে সাড়া দিইনিঃ প্রথমত, এই কমিটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বিসিবির ওপর এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে মন্ত্রণালয় তদন্ত করছে। দ্বিতীয়ত, তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন কোন বিষয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে, যেখানে তদন্ত কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট সবাই আদালত অবমাননা করছেন। চতুর্থত, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড পরিচালকদের পরবর্তী বোর্ডে সদস্যপদ পাওয়ার লোভ দেখাচ্ছেন এবং লোভে রাজি না হলে intimidation করে পদত্যাগ করাচ্ছেন।’

    আসিফ আরও যোগ করেন, ‘উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বিষয়ের কারণে আমাকে তদন্তের জন্য সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। আমি নৈতিকভাবে এবং আইনি দিক থেকে এই ধরনের আদালতবিরোধী কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারব না। তাই আমি এই কোনও তদন্তের সাক্ষাৎকারের নোটিশে সাড়া দিইনি।’

    প্রসঙ্গত, গত ১১ মার্চ, এক সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এক তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল এনএসসির মাধ্যমে। মূল উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। এই কমিটি নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন জমা দেয়, যা দেশের ক্রিকেটে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

    গত বছর ৬ অক্টোবর, ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবের কিছু সংগঠক বিসিবির নির্বাচন বর্জন করে। এর ফলে দেশের ক্লাব ক্রিকেটের কার্যক্রম অচল হয়ে পড়ে। հատկապես, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনো মাঠে গড়ানো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেটপ্রেমীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।

  • সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলারদের মাসে ১ লাখ টাকার বেতন ঘোষণা

    সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলারদের মাসে ১ লাখ টাকার বেতন ঘোষণা

    বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল টানা দ্বিতীয়বার সাফ (সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন) চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নতুন করে উল্লসিত হয়েছে। ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা পাল্টে আনবার পর শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে দেশে ফেরার আগে-পরই খেলোয়াড়দের জন্য গাঢ় উৎসাহ-উদ্দীপনার পরিবেশ ছিল।

    বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে চ্যাম্পিয়নদের নেয়া হয় রাজধানীর হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে, যেখানে হাজারো পথচারী ও সমর্থক তাদের উষ্ণ স্বাগত জানিয়েছে। সেখানে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি ছিল সংবর্ধনা ও পুরস্কারের মিশ্রণ: খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও দলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উজ্জ্বলভাবে সম্মানিত করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রথমে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ঘোষণা করে, চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকে এক লাখ টাকা করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পঞ্চাশ হাজার টাকা করে আর্থিক পুরস্কার দেয়া হবে। এছাড়া ঢাকা সিটি করপোরেশনও আলাদা আর্থিক প্রণোদনা দেয়ার প্রতিশ্রুতি জানিয়েছে।

    জয় উদযাপনের সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও উপস্থিত ছিলেন। তিনি আগেই চ্যাম্পিয়নদের জন্য সামরিক ও আর্থিক প্রণোদনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তবে সুনির্দিষ্ট অঙ্ক ঘোষণা করেননি।

    অবশেষে জাতীয় ক্রীড়া দিবসে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে চমক ঘোষিত হয়: অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়ন প্রতিটি খেলোয়াড়কে প্রত্যেক মাসে এক লাখ টাকা করে বেতন দেয়া হবে। এই ঘোষণা খেলোয়াড়দের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তা ও উৎসাহ হিসেবে গণ্য হবে।

    টুর্নামেন্টে শিরোপা রক্ষা ও সরকারের এই স্বীকৃতি—উভয়ই দেশের যুব ফুটবলের জন্য বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পদক্ষেপগুলো আশা করা হচ্ছে ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রতিভাবান কিশোরদের ফুটবলের দিকে আকৃষ্ট করবে এবং জাতীয় পর্যায়ে খেলার মান বাড়াতে সাহায্য করবে।

  • বিসিবি তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকার না দেওয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

    বিসিবি তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকার না দেওয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

    সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) গঠন করা বিসিবি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া দেননি—তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন নিজ অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে।

    আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন, তিনি সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারেননি কয়েকটি কারণেই। প্রথমত, বিসিবি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান; ওই প্রতিষ্ঠানের ওপর মন্ত্রণালয় কীভাবে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে তদন্ত পরিচালনা করতে পারে, তা তিনি গ্রহণযোগ্য মনে করেন না। দ্বিতীয়ত, তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপনে এমন ইঙ্গিত আছে যে সিদ্ধান্ত কিছুটা পূর্বনির্ধারিত—এটি নিয়েও তার আপত্তি আছে। তৃতীয়ত, বিসিবি নির্বাচনের বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকায় তদন্ত করলে তা আদালত অবমাননার শামিল হতে পারে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। চতুর্থত, তিনি অভিযোগ করেছেন যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ডের পরিচালক পদকে সামনে রেখে কিছু পরিচালকদের প্রলোভন দেখাচ্ছেন এবং রাজি না হলে তাদের ভয়ভয়ে পদত্যাগ করানো হচ্ছে।

    আরো বিস্তারিতভাবে তিনি লিখেছেন যে, তদন্ত কমিটি তাকে জানায় বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন; তারপরও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ওপর তারা তদন্ত করলে সেটা বৈধ হবে কি না—এমন কোনো সন্তোষজনক সরাসরি জবাব তিনি পাননি। তিনি বলেন, ‘‘আমি জানে-বুঝে নিয়মবহির্ভূত বা আদালত অবমাননার মতো কাজের অংশ হব না। এ কারণেই সাক্ষাৎকারের নোটিশে আমি সাড়া দিইনি।’’

    এনএসসি গত ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির মূল দায়িত্ব ছিল নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের সময় দেয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই রিপোর্ট জমা দিয়েছে।

    গত বছরের ৬ অক্টোবর ঢাকার কিছু ক্লাব সংগঠক বিসিবির নির্বাচন বর্জন করায় দেশের ক্লাব ক্রিকেট প্রভাবিত হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনও মাঠে গড়ায়নি; টুর্নামেন্ট পিছিয়ে যাওয়ায় ক্রিকেটাররা সামাজিক মাধ্যমে হতাশা ব্যক্ত করেছেন।

    ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে বিতর্ক অব্যাহত আছে এবং তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জমা দেয়ার পরও বিষয়টি নিয়ে বিবাদ থামেনি। সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ কী—এ নিয়ে সরকার, আদালত ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতিক্রিয়া নজরে রাখতে হবে।

  • বিসিবি নির্বাচন তদন্তে সাক্ষাৎকারে অংশ নেননি আসিফ মাহমুদ, কারণ জানালেন

    বিসিবি নির্বাচন তদন্তে সাক্ষাৎকারে অংশ নেননি আসিফ মাহমুদ, কারণ জানালেন

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক নির্বাচন সংক্রান্ত স্বচ্ছতা তদন্তের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কমিটি আজ এনএসসিতে তার প্রতিবেদন জমা দিল। তবে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হননি এবং এ বিষয়ে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, তিনি কেন তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারে সাড়া দেননি—এর পেছনে কয়েকটি কারণ আছে। প্রথমত, বিসিবি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও মন্ত্রণালয় ক্ষমতার বাইরে থেকে এর ওপর তদন্তভার দিয়েছে। দ্বিতীয়ত, তদন্তটি গঠনের প্রজ্ঞাপনে পূর্ব সিদ্ধান্তের ছাপ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তৃতীয়ত, এই বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকায় আদালত অবমাননার আশঙ্কা আছে; এমন একটি মামলার বিষয়ে তদন্ত করে তা প্রভাবিত করা হচ্ছে বলে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। চতুর্থত, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—বলেন, কিছু বোর্ড পরিচালককে আগামী বোর্ডে পরিচালক করার মিথ্যা লোভ দেখিয়ে রাজি না হলে ভীতি দেখিয়ে পদত্যাগ করানো হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেছেন, তদন্ত কমিটি থেকে তাকে জানানো হয়েছিল যে বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন; তবু কমিটি কর্তৃপক্ষ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ওপর তাদের তদন্তক্ষমতা এবং আদালত অবমাননার সম্ভাবনা সম্পর্কে স্পষ্ট ও সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দেননি। এই কারণেই তিনি জানতে পেরেও তদন্তে অংশ নেওয়া থেকে বিরত ছিলেন।

    এনএসসি ১১ মার্চ সাবেক একজন বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের ওই তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কমিটির প্রধান দায়িত্ব ছিল নির্বাচনী প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হয়েছে কি না তা যাচাই করা। কমিটিকে ১৫ কার্যদিবসের সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

    গণমাধ্যমে ও খেলোয়াড়দের মধ্যে মনে করা হয়, গত বছরের ৬ অক্টোবর ঢাকার কিছু ক্লাব সংগঠন বিসিবির নির্বাচন বর্জন করার পর থেকে দেশব্যাপী ক্লাব ক্রিকেট স্থবির রয়েছে। ঢাকার প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনও মাঠে শুরু না হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্রিকেটার ও অনুরাগীরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

  • সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলাররা মাসে ১ লাখ টাকা বেতন পাবেন

    সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলাররা মাসে ১ লাখ টাকা বেতন পাবেন

    বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করেছে। ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জেতার সুবাদে শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে দেশে ফিরলে তাদের জন্য ছিল উষ্ণ সংবর্ধনা ও অভিনন্দনের ঢল।

    বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে জাওয়া হয় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে, যেখানে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়দের জন্য বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকে এক লাখ টাকা করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি ৫০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেয়ার কথা জানিয়েছে। এছাড়া ঢাকা সিটি করপোরেশনও আলাদা আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার কথা জানায়।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জয় লাভের পর থেকেই আর্থিক প্রণোদনার কথা উল্লেখ করেছিলেন, কিন্তু নির্দিষ্ট অঙ্ক তখন জানাননি। তিনি জানিয়েছিলেন জাতীয় ক্রীড়া দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারের বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে এবং ফুটবলারদের জন্য কিছু বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    অবশেষে আজ জাতীয় ক্রীড়া দিবসে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে চমকস্বরূপ ঘোষণা করা হয়েছে: অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়ন দলের প্রতিটি খেলোয়াড়কে মাসিক এক লাখ টাকা করে বেতন দেওয়া হবে। এই ঘোষণায় খেলোয়াড়দের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে উৎফুল্লতা ও নতুন প্রত্যাশার সঞ্চার হয়েছে।

    এই সুযোগ খেলোয়াড়দের জীবনে স্থায়ী আর্থিক সহায়তা হিসেবে কাজ করবে এবং ভবিষ্যতে দেশের ফুটবলের উন্নয়নে তরুণ প্রতিভাদের অনুপ্রাণিত করার সম্ভাবনা রাখে।

  • সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলারদের মাসিক ১ লাখ টাকা বেতন

    সাফজয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলারদের মাসিক ১ লাখ টাকা বেতন

    বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে। ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দলের দেশে ফিরলে শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতেই তাদের জন্য হয় উষ্ণ সংবর্ধনার আয়োজন।

    বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে যাওয়া হয় হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে, যেখানে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বড় অঙ্কের আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ইতোমধ্যে জানিয়েছে, চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকে এক লাখ টাকা করে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পঞ্চাশ হাজার টাকা করে আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে। এ ছাড়া ঢাকা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও আলাদা অনুদান প্রদানের কথা ঘোষণা করা হয়।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক প্রথমে শুধুমাত্র আর্থিক প্রণোদনার কথা জানিয়ে নির্দিষ্ট অঙ্ক প্রকাশ করেছিলেন না এবং জানিয়েছিলেন, জাতীয় ক্রীড়া দিবসে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। প্রতিমন্ত্রী একটি চমক রেখে রাখায় আশাপ্রদ আশ্বাস থেকেই ক্রিকেটারদের মধ্যে উত্তেজনা ছিল।

    আবহমান সেই চমক আজ জাতীয় ক্রীড়া দিবসে সামনে এসেছে—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে, অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়দের প্রত্যেককে মাসিক এক লাখ টাকা করে বেতন দেওয়া হবে। এই ঘোষণা খেলোয়াড়দের জন্য অনুপ্রেরণার গুরুত্বপূর্ণ একটি সংকেত হিসেবে ধরা হচ্ছে।

    জয়ী দলের এই সফলতায় দেশের ফুটবল ও তরুণ প্রতিভাদের প্রতি নজর আরো বাড়ার আশা করা হচ্ছে। খেলোয়াড়রা উচ্ছ্বসিত, এবং ভক্ত-সমর্থকরা তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য স্থিতিশীল সহায়তা পাওয়া নিয়ে অনুপ্রাণিত।

  • বিসিবি তদন্তে হাজির হননি আসিফ মাহমুদ, নিজেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন

    বিসিবি তদন্তে হাজির হননি আসিফ মাহমুদ, নিজেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচন শুদ্ধভাবে হয়েছে কি না—এই বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করে। তদন্তকারী দল আজ এনএসসিতে তাদের প্রতিবেদন জমা দিলেও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নিজেকে তদন্ত কমিটির সাক্ষাৎকারে হাজির করেননি।

    তার নিজ অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি অনুপস্থিত থাকার কারণ বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন,

    ১) বিসিবি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান; এই প্রতিষ্ঠানের ওপর মন্ত্রণালয় স্বীয় এখতিয়ার ছাড়িয়ে তদন্ত চালাচ্ছে।

    ২) তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপনে এমন ইঙ্গিত আছে যে সিদ্ধান্ত আগেভাগেই ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

    ৩) বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন; সেই অবস্থায় তদন্ত করে তদন্ত কমিটি ও সংশ্লিষ্টরা আদালত অবমাননার পথে যাচ্ছেন।

    ৪) ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড পরিচালকদের পরবর্তী বোর্ডে পরিচালক পদের লোভ দেখিয়ে প্ররোচিত করছেন এবং না মানলে ভীতি দেখিয়ে পদত্যাগ করিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা চলছে—এ ধরনের অনীীত চাপের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

    আসিফ আরও লিখেছেন যে তাঁকে যখন সাক্ষাৎকারের নোটিশ পাঠানো হয়, তখন বলা হয়েছিল বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ওপর তারা তদন্ত চালাতে পারবে কি না—এ প্রশ্নের সন্তোষজনক কোনো জবাব তিনি পাননি। উপর্যুক্ত কারণগুলো বিবেচনায় নিয়ে তিনি জানালেন, নিয়মবহির্ভূত কিংবা আদালত অবমাননার মতো কাজে অংশ নেবেন না, তাই কমিটির ডাকে সাড়া দেননি।

    এনএসসি ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। তাদের মূল দায়িত্ব ছিল নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হয়েছে কি না খতিয়ে দেখা। তদন্ত কমিটির কাজের সময় ১৫ কার্যদিবস নির্ধারণ করা হলেও তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ৬ অক্টোবর ঢাকার কয়েকটি ক্লাব সংগঠন বিসিবির নির্বাচন বর্জন করে; এর পর থেকেই দেশের ক্লাব ক্রিকেট থমকে আছে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনো মাঠে শুরু না হওয়ায় ক্রিকেটাররা সামাজিক মাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করেছেন।

  • কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

    কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনের স্বচ্ছতা যাচাইয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ওই কমিটি আজ এনএসসিতে তাদের প্রতিবেদন জমা দিলেও তার সাক্ষাৎকারে অংশ নেননি সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

    নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করে তিনি এ বিষয়ে কারণ তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তিনি কেন বিসিবি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া দেননি—প্রথমত, মন্ত্রণালয় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বিসিবির ওপর এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে তদন্ত করছে। দ্বিতীয়ত, তদন্ত কমিটির গঠনের প্রজ্ঞাপনে সিদ্ধান্ত আগেই নির্ধারিত করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তৃতীয়ত, এই বিষয়ে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন পরিস্থিতি থাকা সত্ত্বেও তদন্ত চালানো হচ্ছে, যা আদালত অবমাননার আশঙ্কা তৈরি করে। চতুর্থত, তিনি অভিযোগ করেছেন যে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বোর্ড পরিচালকদের ভবিষ্যৎ পরিচালকের পদ প্রলোভন দেখিয়ে রাজি করাচ্ছেন বা রাজি না হলে ভয়-ভীতি দেখিয়ে পদত্যাগ করানো হচ্ছে।

    আসিফ আরো বলেছেন, তদন্ত কমিটি তাকে সাক্ষাৎকারের জন্য জানিয়েছিল বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তদন্ত পরিচালনা করা কতটুকু আইনসম্মত—কিন্তু সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা পাননি। সরকারের কাজকর্ম, প্রজ্ঞাপনের প্রয়োগ ও কোন বিষয়গুলো বিচারাধীন বলে গণ্য হবে—এসব নিয়ম-নীতিই তিনি বিবেচনায় রেখে এসব অনুদ্ধত ও সম্ভাব্য আদালত অবমাননার কাজে অংশ নেবেন না বলে পরিষ্কার করে দেন। সেই কারণেই তিনি তদন্ত কমিটির নোটিশে সাড়া দেননি।

    এনএসসি ১১ মার্চ সাবেক একজন বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। কমিটির মূল দায়িত্ব ছিল নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ছিল কি না তা খতিয়ে দেখা। তারা ১৫ কার্যদিবসের সময় পেয়েও নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

    প্রেক্ষাপট হিসেবে বলা যায়, গত বছরের ৬ অক্টোবর ঢাকা ক্লাব সংগঠকদের একটি অংশ বিসিবির নির্বাচনে বর্জন ঘোষণা করেছিল এবং তারপর থেকেই দেশের ক্লাব ক্রিকেট কার্যত থমকে পড়ে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনও মাঠে শুরু না হওয়ায় ক্রিকেটার ও সংশ্লিষ্টরা সামাজিক মাধ্যমে হতাশা উড়িয়ে ধরেছেন।

  • আসিফ নজরুল ইস্যুতে বিসিবির স্পষ্ট অভিযোগ: রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তই বিশ্বকাপ থেকে সরিয়েছে বাংলাদেশ

    আসিফ নজরুল ইস্যুতে বিসিবির স্পষ্ট অভিযোগ: রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তই বিশ্বকাপ থেকে সরিয়েছে বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ক্রিকেটে দীর্ঘদিন জমে থাকা বিষয়টি এবার আলোচনায় এল—টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-বিষয়ক সিদ্ধান্তটিতে খেলোয়াড় ও বোর্ডই অংশ নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তই তাদের হাত-পা বেঁধে দেয়। শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বাবস্থাপক সূত্রে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিসিবি পরিচালকরা।

    ঘটনার সূত্রপাত ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে হঠাৎ করে রিলিজ করার সিদ্ধান্ত থেকে। আইপিএল ২০২৬-এ কেনা এই পেসারের 갑작িত রিলিজে উত্তেজনা তৈরি হলে নিরাপত্তার আভাস টেনে তৎকালীন সরকার সিদ্ধান্ত নেন যে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারতে যাবে না। তখনকার ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এই ইস্যুতে সবচেয়ে সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন মন্তব্য করেছিলেন; তবে এখন বিসিবি কর্তারা সেই বক্তব্যের অনেক দাবি সরাসরি খারিজ করেছেন।

    বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘খেলোয়াড়দের কাছ থেকেই আমরা পরিষ্কার সিগনাল পেয়েছিলাম।’ পরবর্তীভাবে নাজমুল আবেদিন ফাহিম পরিস্থিতি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করে বলেন, মুস্তাফিজ ইস্যুর পর বোর্ড প্রথমে প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং মনে করেছিল আলাপ-আলোচনা, দরকষাকষি কিংবা বিভিন্ন সমাধানের পথ খোলা থাকবে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আগত এক সহস্রবর্তী রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের ফলে আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

    ফাহিম আরো জানান, ‘বিপিএল ফাইনালের পর সময়সূচি ও আনুষ্ঠানিক জটিলতার কারণে আমরা কৌশলগতভাবে কিছু পরিবর্তন করতে পারতাম—সম্ভবত কয়েক দিন শিডিউল সামলে পরে যেতাম—কিন্তু যখন সরকার নিরাপদ নয় বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিলো, তখন বোর্ডের কোনও বিকল্প ছিল না। আমাদের মতামত সেই মুহূর্তে ততটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না।’

    অন্য একজন পরিচালক মোখসেদুল কামাল বাবু সরাসরি বলেন, ‘বোর্ড অবশ্যই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার পক্ষে ছিল।’ পরিচালকরা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন, কোনও পরিচালক বা কর্মকর্তাই বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানায়নি; খেলোয়াররাও যেতে চেয়েছিলেন।

    বিসিবি জানায়, ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি—সরকারের নির্দেশ এলেই বোর্ডকে তা মেনে নিতে হয়েছিল। এরপর আইসিসিকে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্যত্র সরানোর জন্য করা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের টিকিট থেকে সরিয়ে স্কটল্যান্ডকে তার স্থানে রাখা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া এই ব্যাখ্যা থেকে স্পষ্ট—মুস্তাফিজর প্রেক্ষাপট এবং তৎকালীন নিরাপত্তার অজুহাত মিলিয়ে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেটি বোর্ড বা খেলোয়াড়দের ইচ্ছার বাইরে ছিল এবং বিসিবি সেই সময় রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত কারণ হিসেবে দেখাচ্ছে।

  • তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানালেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানালেন সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

    জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গত মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনের স্বচ্ছতা যাচাইয়ের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। আজ সেই কমিটি তাদের প্রতিবেদন এনএসসিতে জমা দিলেও, সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তদন্তকারীদের সাক্ষাৎকারে উপস্থিত হননি।

    অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অনাস্থা-ভিত্তিক কারণগুলো ব্যাখ্যা করেছেন। বক্তব্যের সারসংক্ষেপে তিনি বলেন—

    ১) বিসিবি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় মন্ত্রণালয় সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে তার ওপর তদন্ত করছে যা গ্রহণযোগ্য না।

    ২) তদন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপনে কথিতভাবে সিদ্ধান্ত আগেই নির্ধারণ হয়ে রাখা হয়েছে, ফলে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হবে না বলে তার সন্দেহ রয়েছে।

    ৩) তদন্ত বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন; সেই পরিস্থিতিতে তদন্ত চালালে তা আদালত অবমাননার শামিল হতে পারে।

    ৪) ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বোর্ড পরিচালকদের পরবর্তী বোর্ডে পরিচালক পদ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে লোভ দেখানো এবং রাজি না হলে ভয় দেখিয়ে পদত্যাগ করানোর অভিযোগ তুলে আছেন তিনি।

    আসিফ আরও লিখেছেন যে, তাঁকে জানানো হয়েছিল বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বিচারাধীন বিষয় তদন্ত করা যায় কিনা সে বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো জবাব পাননি। ফলে তিনি নিয়মবহির্ভূত বা আদালত অবমাননার মতো কোনো কর্মকাণ্ডে অংশ নেবেন না বলে তদন্ত কমিটির নোটিশে সাড়া দেননি।

    এনএসসি ১১ মার্চ সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির মূল দায়িত্ব ছিল নজরদারি করা যে নির্বাচন প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে হয়েছে কি না। কমিটির কাজ শেষের জন্য ১৫ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন জমা করেছে।

    পটভূমিতে থাকা বিষয়টি হচ্ছে—গত বছরের ৬ অক্টোবর ঢাকার কিছু ক্লাব সংগঠন বিসিবির নির্বাচন বর্জন করে। সেই ঘটনায় দেশের ক্লাব ক্রিকেট স্থবির হয়ে গেছে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) এখনও মাঠে গড়ায়নি এবং খেলোয়াড়রা সামাজিক মাধ্যমে তাদের হতাশা প্রকাশ করেছেন।