Category: খেলাধুলা

  • গোলপোস্ট থেকে রাজপথের সৈনিক, এখন ক্রীড়াঙ্গণের শীর্ষে: আমিনুলের অনন্য যাত্রা

    গোলপোস্ট থেকে রাজপথের সৈনিক, এখন ক্রীড়াঙ্গণের শীর্ষে: আমিনুলের অনন্য যাত্রা

    সুখবরটি ছিল সোমবারই। বিএনপির নবগঠিত সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট ক্যাটাগরিতে শপথ নেওয়ার জন্য ডাক পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। এই খবরের পর থেকে দেশে মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে আমিনুলের সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনি একজন अनुभवी ফুটবলার, বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক, এবং ২০০৩ সালে দেশের প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। মঙ্গলবার তিনি সেই প্রাপ্তির খেতাবের সঙ্গে আরও এক নতুন পরিচয় যোগ করলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে। এখন তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গণের একনায়ক, গোলপোস্টের মাঠে ছিলেন অতন্দ্র প্রহরী, আর এখন তিনি রাজপথের লড়াকু সৈনিক। তিনি দেশের ক্রীড়াবিদ ও খেলোয়াড়দের উন্নয়নে এক স্পষ্ট দিশারী।

    ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও জয়লাভ করতে পারেননি। কিন্তু এর মাঝেও তার প্রতি দেশের মানুষের আস্থা কমেনি। নির্বাচনের ফল যা-ই হোক, দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের পক্ষ থেকে তার প্রতি আস্থা ও সম্মান অব্যাহত ছিল, যা তার জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ।

    ফুটবলই আমিনুলের জীবনের মূল পরিচয়। ১৯৯৮ সালে কাতারের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে তিনি জাতীয় দলে অভিষেক করেন। এরপর এক দশকের বেশি সময় ধরে নিয়মিত দলে থেকেছেন, চোট ছাড়া খুব বেশি সময় একাদশের বাইরে যেতে হয়নি তাকে। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জয়ে দলের নেতৃত্বদান করেছেন, এবং ২০১০ সালে এসএ গেমসে বাংলাদেশের স্বর্ণ জয়িতার সম্মান অর্জন করেছেন। সেই টুর্নামেন্টে তার জালে বল জড়ায়নি একবারও।

    ২০১১ সালে ফুটবল থেকে অবসরে গিয়ে তিনি রাজনীতিতে মন দেন। প্রথমে সীমিত পরিচিত হলেও ধীরে ধীরে তিনি সক্রিয় ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। রাজপথে নানা আন্দোলন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার মধ্য দিয়ে তার নতুন পরিচয় গড়ে ওঠে। এই পথচলায় তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে, পুলিশি নির্যাতনের ঘটনাও ঘটেছে তার জীবনে।

    রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিনি ক্রীড়াঙ্গনে বেশি সময় কাটাচ্ছেন। দেশের নানা প্রান্তে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানো, পিছিয়ে পড়া ক্রীড়াবিদদের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তার এই অবদান স্বীকৃতি পেয়েছে সম্প্রতি। দীর্ঘ পথচলা, ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে এখন তার কাঁধে দায়িত্ব, যা দেশের ক্রীড়াঙ্গণের সংস্কারের বড় হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

    আগামী দিনে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাকে, যেখানে তার সক্ষমতা প্রমাণের প্রয়োজন। দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি বড় স্বপ্ন দেখালেন—দেশের ২৯৫টি উপজেলায় প্রতিটি উপজেলায় একজন করে ক্রীড়া অফিসার নিয়োগের পরিকল্পনা; সেখানে পাঁচটি ইভেন্ট বাধ্যতামূলক করে প্রতিটির জন্য তিনজন করে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত। এর ফলে, প্রতিটি উপজেলায় একজন ক্রীড়া অফিসার ও ১৫ জন ক্রীড়া শিক্ষক থাকবেন। পাশাপাশি, তিনি দেশের স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রিকে জোরদার করার পরিকল্পনাও রেখেছেন। তিনি চান, দেশের প্রয়োজনীয় স্পোর্টস ইকুইপমেন্ট দেশেই তৈরি ও রপ্তানি হোক, যাতে ক্রীড়াঙ্গনে স্বনির্ভরতা আসে। গ্রামীণ পর্যায়ে ক্রীড়া প্রসারে এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রধানমন্ত্রী থেকে দেশের তরুণ ক্রীড়াবিদদের জন্য এক নতুন দিশারী হতে চলেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, ক্রীড়াঙ্গণ হবে তার গুণগত পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম।

  • ১৪ সাবেক অধিনায়কের পাকিস্তান সরকারকে ইমরান খানের চিকিৎসার জন্য চিঠি

    ১৪ সাবেক অধিনায়কের পাকিস্তান সরকারকে ইমরান খানের চিকিৎসার জন্য চিঠি

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চৌদ্দজন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ চিঠি লিখেছেন। এই চিঠিতে তারা পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেটার ইমরান খানের স্বাস্থ্যের প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাকে মানবিক ও সম্মানের সাথে চিকিৎসা দেওয়ার আহ্বান জানান।

    সম্প্রতি ইমরান খানের চোখের জটিলতা নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তার পরিবার জানিয়েছে, কারাগারে থাকা অবস্থায় চিকিৎসার অপ্রতুলতায় এক চোখে তার দৃষ্টিশক্তি প্রায় সম্পূর্ণ হারিয়ে যায়। এই পরিস্থিতি শুধু পাকিস্তানই নয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গণেরও গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    চিঠিতে স্বাক্ষরকারী এই বিখ্যাত অধিনায়কদের মধ্যে ক্রিকেট বিশ্বের অনেক সুপরিচিত ব্যক্তির নাম রয়েছে। অধিকাংশই খেলোয়াড়ি জীবনেও ইমরান খানের বিপক্ষে খেলে এসেছেন। এই চিঠির খসড়া তৈরি করেছেন বিশ্ববিখ্যাত ক্রিকেট কোচ গ্রেগ চ্যাপেল। এতে বিভিন্ন দেশ থেকে ইয়ন চ্যাপেল, সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব, ক্লাইভ লয়েড, অ্যালান বর্ডার, মাইকেল অ্যাথারটন, নাসের হুসেইন, মাইকেল ব্রিয়ারলি, ডেভিড গাওয়ার, স্টিভ ওয়াহ, জন রাইট, কিম হিউজ ও বেলিন্ডা ক্লার্ক স্বাক্ষর করেছেন।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, “তার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সাম্প্রতিক প্রতিবেদন—বিশেষ করে তার দৃষ্টিশক্তির আশঙ্কাজনক অবনতি ও গত দুই আড়াই বছর ধরে কারাবাসের পরিস্থিতি—আমাদের গভীর উদ্বিগ্ন করেছে।” সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, ইমরান খানের ক্রিকেটে অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। তিনি পাকিস্তানকে ১৯৯২ সালে তার নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জয় এনে দিয়েছিলেন, যা ছিল তার দক্ষতা, দৃঢ়তা, নেতৃত্ব ও খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই জয় তাকে এক প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস করে তুলেছে।

    এটি এমন সময়ে লেখা হয়েছে, যখন তার স্বাস্থ্যের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি ও কারাগারে তার চিকিৎসা নিয়ে পাকিস্তান সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। কয়েক মাস ধরে তার পরিবারের জন্য সাক্ষাৎকারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। তারা তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সাক্ষাৎ চাইলেও এখনও তা মঞ্জুর হয়নি। এর মধ্যে গত সপ্তাহান্তে তার হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হবে বলে খবরও প্রকাশ পেয়েছিল, কিন্তু সেটি শেষ পর্যন্ত সত্য হয়নি।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ও তার বন্ধু ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস ও শোয়েব আখতার সম্প্রতি ইমরান খানের উপযুক্ত চিকিৎসার জন্য সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ভারতীয় সাবেক অধিনায়ক অজয় জাদেজা বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের প্রতি মানবিক দায়িত্ববোধের পাশাপাশি এই বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

    ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ইমরান খান, কিন্তু তার বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক মামলায় দণ্ড হয়। তাকে বিভিন্ন সময়ে কারাদণ্ড দেওয়া হলেও, তিনি ও তার সমর্থকরা এসবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন। নির্বাচনের আগে তার দলকে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখার জন্য নানা অজুহাত সৃষ্টি হলেও, ২০২৩ এর বড় ভোটে তার দল সর্বাধিক ভোট ও আসন পেয়েছে। তবে, আদালত তাকে একাধিক মামলায় দণ্ড দিলেও, সেই সাজাগুলো পরে বাতিল হয়।

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, “ক্রিকেট মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু আমাদের মধ্যে সম্মান ও শ্রদ্ধার সম্পর্কটি অটুট। ইমরান নিজের ক্যারিয়ারে সেই নীতিকে সম্মান করেছেন। এখন কর্তৃপক্ষের উচিত মানবিকতা দেখিয়ে তার চিকিৎসার জন্য যথাযথ ও ন্যায়বিচারে ব্যবস্থা নেওয়া।”

    মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলিও তার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তার পরিবার অভিযোগ করেছেন, তাকে বিশেষ কৌঁসুলির মতো এক ‘মৃত্যুকূপ’ এর মধ্যে রাখা হয়েছে এবং মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার করা হচ্ছে। তবে পাকিস্তান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

  • বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হচ্ছেন হাবিবুল বাশার

    বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হচ্ছেন হাবিবুল বাশার

    ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই বছরের চুক্তিতে বিসিবির প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। সে সময়ের অধীনে তিনি এই পদের দায়িত্বে ছিলেন, তবে দুই বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর তিনি এই পদে থাকতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। চলতি মাসের ৫ তারিখ লিপু বিসিবিকে লিখিত চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন যে, তিনি আর এই দায়িত্ব পালন করতে চান না।

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তার মেয়াদ এই মাসেই শেষ হবে। বিসিবি কিছুদিন আগে চেষ্টা করেছিল তাকে আরো দীর্ঘ সময়ের জন্য ধরে রাখতে, কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে লিপু এই প্রস্তাবে রাজী হননি। এর ফলে শীঘ্রই প্রধান নির্বাচকের পদ শূন্য হয়ে যাচ্ছে।

    অন্যদিকে, এরই মধ্যে খবর বেরিয়েছে যে, সাবেক নির্বাচক ও জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশারকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দিতে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এই প্রস্তাবটি মূলত ক্রিকেট অপারেশন্সের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে, বিসিবির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

    তবে, এখনই এই প্রস্তাবে তিনি সম্মত হননি বলে জানা গেছে। কিছু দিন সময় চেয়ে নিয়েছেন, তবে মৌখিকভাবে দেশের ক্রিকেটের এই প্রিয় তারকা প্রধান নির্বাচক হবেন বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। ফলে, বোঝা যাচ্ছে যে, শিগগিরই বিসিবির পরবর্তী প্রধান নির্বাচক হতে চলেছেন হাবিবুল বাশার।

  • ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ, আইসিসির নিশ্চিতকরণ

    ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ, আইসিসির নিশ্চিতকরণ

    বাংলাদেশ কি ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারবে? এই প্রশ্নটি অনেকের মনেই ছিল, বিশেষ করে চলমান বিশ্বকাপটি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় না হওয়ার কারণে। অবশেষে বুধবার এই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। আইসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৮ সালের আসরে বাংলাদেশ নিশ্চিতভাবে খেলতে পারবে। এই বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে, যেখানে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি র‌্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েছে। বুধবার কলম্বোতে নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের জয়ের ফলে এই খেলার সুপার এইটের লাইনআপ চূড়ান্ত হয়েছে। সুপার এইটের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। টুর্নামেন্টের বাছাইবিধি অনুযায়ী, এই সুপার এইটে ওঠা সব দলই ২০২৮ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ড অবশ্য আগে থেকেই আয়োজক হিসেবে নিশ্চিত ছিল। অস্ট্রেলিয়া এই আসরেও অংশ নিবে তবে সুপার এইটে উঠতে পারেনি, তবে স্বাগতিক হিসেবে তাদের খেলার যোগ্যতা স্বীকার হয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে, ২০ দলের এই বিশ্বকাপে বাছাইপর্বের মাধ্যমে যোগ্যতা অর্জন করবে ৮টি দল। বাকি ১২টি দলের মধ্যে ৯টি নিশ্চিত হয়েছে এবারের বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স ও স্বাগতিক হওয়ার ভিত্তিতে। অন্য তিনটি দল চূড়ান্ত হবে টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের ওপর নির্ভর করে, যা নির্ধারিত হবে আগামী ৯ মার্চ র‌্যাংকিংয়ের আপডেটের পর। এই তালিকায় বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডই থাকছে, কারণ তারা বর্তমানে যথাক্রমে ৯, ১০ ও ১২ নম্বরে অবস্থান করছে। এই তিন দলের জন্য আগামী ৯ মার্চের পর কোনও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থাকছে না যা তাদের র‌্যাংকিংয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে, এই তিন দল ইতিমধ্যেই ২০২৮ সালের বিশ্বকাপে খেলার জন্য নিশ্চিত ঘটনা।

  • বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছেছেন জার্মানির ইতিহাসের একজন বিশ্বকাপজয়ী ফুটবল তারকা, মেসুত ওজিল। তিনি ক্যাম্পাসে এসেছেন আধুনিকায়ন ও নতুন একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে। এই অনুষ্ঠানে তিনি শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোস্তফা মেডিকেল সেন্টার-এর আধুনিকায়ন কাজের উদ্বোধন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ উদ্দীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ছেলে বিলাল এরদোয়ান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানসহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি। মিনহাজ উদ্দীন জানান, আগামীকাল তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইফতার করতে যাবেন।

  • বিশ্বকাপ থেকে অস্ট্রেলিয়া বিদায়, সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে

    বিশ্বকাপ থেকে অস্ট্রেলিয়া বিদায়, সুপার এইটে জিম্বাবুয়ে

    অস্ট্রেলিয়ার জন্য বিশ্বকাপের পথে অপ্রত্যাশিত বিপত্তি দেখা দিলে সুপার এইটে তাদের টিকিটটি ঝুঁকিতে পড়েছিল। গতকাল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারের পর তাদের পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আজ জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডের ম্যাচে বৃষ্টির কারণে খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়নি, ফলে অজিরা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিল। অন্যদিকে, এই ম্যাচে এক পয়েন্ট লাভ করে সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছে রোডেশিয়ার দল।

    পাল্লেকেল্লেতে গ্রুপের শেষ ম্যাচে অতিক্রম করছিল জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার খেলা. তবে শুরুতেই বৃষ্টি বাধা সৃষ্টি করে। বৃষ্টি কখনো থামলেও ফেরা সম্ভব হয়নি মাঠের সংস্কার কাজ শেষ করতে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ পরিচালকেরা খেলাটিকে বাতিল করার ঘোষণা দেন। এতে দুই দলেরই একেকটি পয়েন্ট করে জমা হয়, আর গ্রুপে মোট ৫ পয়েন্ট নিয়ে জিম্বাবুয়ে সুপার এইটে নিশ্চিত করে। তবে তাদের একটি ম্যাচ এখনও বাকি।

    বিজয়ীদের তালিকায় শ্রীলঙ্কা শীর্ষে রয়েছে, ৩ ম্যাচে তিনটি জিতেছে তারা। এই জয়ে তাদের ৬ পয়েন্ট, যা নিশ্চিত করে রেখেছে তাদের সুপার এইটের স্থান। অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ড চার ম্যাচে এক জয় ও দুই হারসহ ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের তৃতীয় স্থানে। তারা একমাত্র দলের মধ্যে যারা সব ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছে। আর ওমান তিনটি ম্যাচে দুই হারের সঙ্গে এক জয় নিয়ে অপেক্ষায় আছে।

  • গোলপোস্ট থেকে রাজপথের সৈনিক, এখন ক্রীড়াঙ্গণের শীর্ষে: আমিনুলের অনন্য যাত্রা

    গোলপোস্ট থেকে রাজপথের সৈনিক, এখন ক্রীড়াঙ্গণের শীর্ষে: আমিনুলের অনন্য যাত্রা

    সুখবরটি ছিল সকালে। বিএনপির নবগঠিত সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় শপথ নেওয়ার জন্য ডাক পেয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক। রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বাইরেও তার সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও ২০০৩ সালে দেশের প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী তারকা। মঙ্গলবার সেই সাফল্যের খেতাবের সঙ্গে যুক্ত হলো আরও একটি স্বীকৃতি— তিনি শপথ নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে। গোলপোস্টের নিচে সতর্কপ্রহরী থেকে রাজপথের লড়াকু সৈনিক, এখন তিনি দেশের ক্রীড়াঙ্গণের মূল ঐক্যবদ্ধ নেতা। ২০১৮ সালে ঢাকা-১৬ আসনে তফসিলের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচন করেছেন আমিনুল, যদিও জয় পাননি। তবুও তার ব্যক্তিত্ব ও জনপ্রিয়তা অটুট রয়ে গেছে। প্রত্যাশা ছিল, তার হাতে ক্রীড়া মন্ত্রীর দায়িত্ব থাকবে—এটাই ছিল রাজনৈতিক মহলের ধারনা। নির্বাচন পরাজয়ের পরেও তার প্রতি রাষ্ট্রপ্রধানের আস্থা অবিচল, যা তার গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ। ফুটবল তাকে পরিচিত করে দিয়েছে। ১৯৯৮ সালে কাতারের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলে অভিষেক ঘটে তার। এরপর ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি নিয়মিত ছিলেন দলীয় একাদশে; চোটের কারণে খুব কম সময়ই বাদ পড়তে হয় তাকে। ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ের পাশাপাশি ২০১০ সালের এসএ গেমসে বাংলাদেশের স্বর্ণজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি—অবশ্য টুর্নামেন্টে তার জালে বল প্রবেশ করেনি একবারও। ২০১১ সালে ফুটবল থেকে বিদায় নিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হন আমিনুল। প্রথমে সীমিত পরিসরে কাজ শুরু করলেও ধীরে ধীরে তার পরিচিতি ও প্রভাব বৃদ্ধি পায়। আন্দোলন-সংগ্রাম, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চারতা—এসবের মাধ্যমে তার নতুন পরিচয় গড়ে উঠে। এই পথচলায় তাকে কГО কিছু বাধা পেরোতে হয়েছে, এমনকি কারাভোগও করতে হয়েছে, পুলিশের হাতে নিগৃহীত হওয়ার কাহিনিও রয়েছে। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি ক্রীড়াঙ্গনে নিজের বেশি সময় দিয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানো, পিছিয়ে পড়া ক্রীড়াবিদদের সহায়তা—এসব উদ্যোগ তাকে সমাজের গভীরে আরও স্থাপন করেছে। এই ধারাবাহিক উদ্যোগের স্বীকৃতি এবার পায়। দীর্ঘ পথচলা, ত্যাগ-তিতিক্ষা ও নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে এখন তার দায়িত্ব বড়। সংস্কার আন্দোলনে তিনি আগে থেকেই সোচ্চার, এবার সেই দায়িত্ব আঁকড়ে ধরার পালা। সামনে কঠিন পরীক্ষার অপেক্ষা রয়েছে, যেখানে নিজের সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বড় স্বপ্ন দেখালেন আমিনুল— তিনি বললেন, ‘আমাদের দেশে ২৯৫টি উপজেলা রয়েছে। প্রত্যেক উপজেলায় একজন করে ক্রীড়া অফিসার নিযোগ করব। এর সঙ্গে যোগ হবে, প্রতিটি উপজেলাতে পাঁচটি ইভেন্ট বাধ্যতামূলক করা—এ জন্য তিনজন করে ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, একজন ক্রীড়া অফিসার ও ১৫ জন ক্রীড়া শিক্ষক। পাশাপাশি, আমরা চাই দেশের স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রি এগিয়ে আনতে। নিজেদের তৈরি করব প্রয়োজনীয় খেলাধুলার উপকরণ, যেগুলো রপ্তানি হবে। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ক্রীড়াক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তন আনা প্রয়োজন—এই বিশ্বাসে আমি দৃঢ়।’

  • বিগত পাকিস্তানি অধিনায়করা ইমরানের স্বাস্থ্যের জন্য দ্রুত চিকিৎসার দাবি জানালেন

    বিগত পাকিস্তানি অধিনায়করা ইমরানের স্বাস্থ্যের জন্য দ্রুত চিকিৎসার দাবি জানালেন

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৪ জন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের কাছে চিঠি লিখে ইমরান খানের অসুস্থতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাকে মানবিক ও মর্যাদাপূর্ণ আচরণের অনুরোধ জানিয়েছেন। সম্প্রতি ইমরান খানের চোখের জটিলতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। পরিবার দাবি করেছে, কারাগারে চিকিৎসার অবহেলা আর কারণে তার এক চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রায় হারানোর পথে। এই খবরে পাকিস্তানসহ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে অজানা উদ্বেগ জাগে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা অনেক বিখ্যাত ক্রিকেট তারকা, যারা খেলোয়াড় হিসেবে ইমরান খানের বিপক্ষে খেলেছেন কিন্তু এখন তার চিকিৎসার জন্য ব্যথিত। এই চিঠির খসড়া করেন গ্রেগ চ্যাপেল, যেখানে স্বাক্ষর করেছেন ইয়ন চ্যাপেল, সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব, ক্লাইভ লয়েড, অ্যালান বর্ডার, মাইকেল অ্যাথারটন, নাসের হুসেইন, মাইকেল ব্রিয়ারলি, ডেভিড গাওয়ার, স্টিভ ওয়াহ, জন রাইট, কিম হিউজ ও বেলিন্ডা ক্লার্ক।

    চিঠিতে লেখা হয়, “তার স্বাস্থ্যের সাম্প্রতিক অবনতি, বিশেষ করে হেফাজতে থাকা অবস্থায় দৃষ্টিশক্তির আশঙ্কাজনক ক্ষতি এবং গত আড়াই বছরে কারাবরণে তার অবস্থা আমাদের গভীর ব্যথিত করেছে।” আরও উল্লেখ করা হয়, ইমরান খানের ক্রিকেটে অবদান সর্বজনবিদিত। তিনি পাকিস্তানকে ১৯৯২ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের শিরোপা জয় করে ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন, যা নেতৃত্ব, দক্ষতা ও মানসিক দৃঢ়তার অনন্য পরিচায়ক।

    এই চিঠি এমন সময়ে লেখা হলো যখন ইমরান খানের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার বিষয়টি পাকিস্তান সরকারের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার পরিবারের জন্য সাক্ষাতের অনুমতি এখনো দেওয়া হয়নি, তাদের চিকিৎসকদের সাথে দেখা করারও সুযোগ মেলেনি। সম্প্রতি খবর রটেছিল তিনি হাসপাতালে নেওয়া হতে পারেন, কিন্তু সেটি বাস্তবায়িত হয়নি।

    এদিকে, পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস ও শোয়েব আখতার গত সপ্তাহে ইমরানের দ্রুত ও যথাযথ চিকিৎসার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার অজয় জাদেজাও পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের এই বিষয়ে সোচ্চার হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

    ইমরান খান ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। বিভিন্ন দুর্নীতির মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, যা তিনি রাজনীতি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তার বিরুদ্ধে ১০, ১৪ ও ১৭ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তবে পরে কিছু সাজা বাতিল হয়। এর মাঝেই তার দল ২০২৪ সালের নির্বাচনে সিট না পেলেও প্রায় সর্বাধিক ভোটে বিজয় লাভ করে। সম্প্রতি বিবাহসংক্রান্ত মামলায় সাত বছরের সাজা স্থগিত হলেও মূলত তা বাতিল করা হয়।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, “ক্রিকেট মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শেষ হলেও আমাদের মধ্যে সম্মান অটুট রয়েছে। ইমরান তার ক্যারিয়ারে সেই মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। এখন কর্তৃপক্ষের উচিত শালীনতা ও ন্যায্যতার নীতি অনুসরণ করে তার প্রতি সমর্থন দেখানো।”

    বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থাগুলো, যেমন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ফেডারেশন, ইমরান খানের বিচারপ্রক্রিয়া ও কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তার পরিবারের ভাষ্য, তাকে হত্যা করার জন্য নির্যাতন ও মানসিক চাপের মধ্যে রাখা হয়েছে। পাকিস্তান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

  • বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

    রাজধানী ঢাকায় এসেছেন জার্মানির বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফুটবল তারকা মেসুত ওজিল। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টার’-এর আধুনিকায়ন ও নতুন একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন উপলক্ষে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হন। এই খবরটি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজ উদ্দীন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের ছেলে বিলাল এরদোয়ান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। মিনহাজ উদ্দীন জানায়, আগামীকাল তিনি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইফতার করবেন। এই সময়ে তার উপস্থিতি ও কর্মসূচি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।

  • বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হচ্ছেন হাবিবুল বাশার

    বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হচ্ছেন হাবিবুল বাশার

    ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই বছরের চুক্তিতে বিসিবির প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। এরপর থেকে তিনি এই পদে নিজেকে দায়িত্বশীলভাবে পালন করছেন। তবে এখন আর এই দায়িত্বে থাকতে আগ্রহী নয় লিপু। চলতি মাসের ৫ তারিখে তিনি বিসিবিকে লিখিত এক চিঠি পাঠিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, এই বছরের শেষের দিকে তার মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। এর আগে বিসিবি তাকে আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য নিয়োগের উদ্যোগ নিলেও, পারিবারিক পরিস্থিতির কারণে লিপু দীর্ঘমেয়াদে এই কাজ চালিয়ে যেতে চান না। তাই দ্রুতই প্রধান নির্বাচকের পদ শূন্য হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এরই মধ্যে জানা গেছে, সাবেক জাতীয় দলের অধিনায়ক এবং নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনকে প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব নিতে প্রস্তাব দিয়েছে বিসিবি। মূলত ক্রিকেট অপারেশনস শাখা থেকে এই প্রস্তাবটি এসেছে বলে জানা গেছে, যা নিশ্চিত করেছে বিসিবির একটি অভ্যন্তরীণ সূত্র।

    বাশার এখনই এই প্রস্তাব গ্রহণ করছেন না বললেও আধ্যাত্মিকভাবে আগ্রহী তিনি। তিনি আরও কিছু দিন সময় চেয়েছেন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। তবে বোঝা যাচ্ছে, সামনের দিনগুলোতে তিনি বিসিবির নতুন প্রধান নির্বাচক হিসেবে কাজ শুরু করবেন। এটা বোঝা যাচ্ছে যে, শীঘ্রই তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।