Category: খেলাধুলা

  • টাইব্রেকারে হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ

    টাইব্রেকারে হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ১৯৭৮ সাল থেকে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ করে আসছে। এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রতিষ্ঠিত ডিসিপ্লিন হলো পুরুষ হকি। এবারে জাপানে অনুষ্ঠিত হওয়া আইচি এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হকির অংশগ্রহণের ব্যাপারে বেশ উদ্বেগ ছিল, কারণ তারা স্থান নির্ধারণী কাপের প্লে-অফে হংকংয়ের সঙ্গে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল। তবে শেষমেশ টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে জিততে পেরেছে বাংলাদেশ দল, ফলে তারা এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণের জন্য নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করেছে।

    ম্যাচটি ছিল নাটকে ভরা। নির্ধারিত সময়ে দুই দল ৪-৪ গোলে ড্র করে, তাই খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। প্রথম শটে বাংলাদেশের রকি ব্যর্থ হলে হংকং এগিয়ে যায়। বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসে হকিতে না খেলার ঝুঁকি দেখা দেয়। তবে বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষক বিপ্লব কুজুর দুর্দান্ত সাফাই করে দুটি শট বন্ধ করে দেন, ফলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। চতুর্থ শটে যদি বাংলাদেশ সফল হতেন, ম্যাচ তারা সহজে জিতে যেতে পারতেন। কিন্তু সেই সুযোগ মিস করে বাংলাদেশ, হংকং আবার সমতা আনে পঞ্চম শটে। শেষ শটে বাংলাদেশ সফল হলে তারা জয় লাভ করে এবং এশিয়ান গেমসের বাছাই পর্বের মধ্য দিয়ে নিজেদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে। তাতে করে ছয়টি দল এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারবে, যার ফলে বাংলাদেশের অংশগ্রহণও নিশ্চিত হয়।

    প্রথমে বাংলাদেশের দলে খেলোয়াড় রকি ও আমিরুলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখায় ২-০ গোলে এগিয়ে যায়। তবে হংকং প্রথম কোয়ার্টারে একটি গোল শোধ দেয়। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আর কোন দল লক্ষ্য করে না, ফলে বাংলাদেশ ২-১ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায়। তৃতীয় কোয়ার্টারে হংকং গোল করে সমতা আনলেও, চতুর্থ কোয়ার্টারে আশরাফুলের গোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ আবার লিড নেয়। কিন্তু সেই লিড বেশিদিন টেকা হয়নি, হংকং চতুর্থ কোয়ার্টারের শেষের দিকে আবার সমতা ফেরায়। আশরাফুল পুনরায় গোল করলেও হংকং এক মিনিটের মধ্যে পেনাল্টি স্ট্রোকে সমতা আনে। শেষের দশ মিনিটে বাংলাদেশের তিনটি পেনাল্টি কর্নারও গোল হয়নি, যার ফলে খেলা টাইব্রেকারে যায়।

    টাইব্রেকারে বাংলাদেশ থেকে পঞ্চম শটটি নিয়েছিলেন রাব্বি, তিনি গোল করে দলকে জয় নিশ্চিত করেন। এই জয় দেশের জন্য বড় স্বস্তির কারণ, কারণ দেশের ইতিহাসে বহুবার তারা এশিয়ান গেমসে হকিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তবে এবারে দল বেশ বাজে পারফরম্যান্স করলেও, শেষ পর্যন্ত দরকারি জয় তুলে এনে তারা নিশ্চিত করেছে তাদের অংশগ্রহণের মর্যাদা।

  • ৪ ওভারে ৭ রানে নাহিদ রানা ৩ উইকেট, শরিফুলের ১ — পেশাওয়ার দাপটপূর্ণ জয়

    ৪ ওভারে ৭ রানে নাহিদ রানা ৩ উইকেট, শরিফুলের ১ — পেশাওয়ার দাপটপূর্ণ জয়

    পিএসএল ম্যাচে করাচি কিংসকে ১৫৯ রানে হারিয়ে দারুণ জয় পেয়েছে পেশাওয়ার জালমি। নিজেদের করা ২৪৬ রানের জবাবে কিংস মাত্র ৮৭ রানে অলআউট হয়ে যায়।

    নাহিদ রানা ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কার্যকর বোলিং করে — চার ওভারে মাত্র ৭ রানে ৩টি উইকেট তার হাত ধরে। মোট ২৪ বলের মধ্যে ২০টি ডট বল করে তিনি বিরাট চাপ সৃষ্টি করেন। অফ-বোলিংয়ে পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ইফতিখার আহমেদও দুর্দান্ত ছিলেন, তিন উইকেট নিয়ে মাত্র ৯ রান খরচ করেন।

    শরিফুল ইসলামও সুফল বয়ে আনেন। তিন ওভারে ২৩ রান খরচ করে তিনি ডেভিড ওয়ার্নারের উইকেট নেন; তিনটি ওভারই তিনি পাওয়ার প্লেতে বল করেন। প্রথম ওভারে ইফতিখার মুহাম্মাদ ওয়াসিমকে আউট করেন। পরের ওভারের প্রথম বলে শরিফুল ওয়ার্নারকে বিকৃত ব্যাক অফ লেংথ ডেলিভারিতে বোল্ড করান না হলেও ফারহান ইউসুফ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট থেকে দৌড়ে এসে দুর্দান্ত ডাইভ কেচ নিয়ে তাকে বিদায় করান। এমনকি ম্যাচের আগে লস অ্যাঙ্গেলেসে আরোপিত ঘটনার পর বিশ্ব ক্রিকেটে দেখা ওয়ার্নারের এই ইনিংস তার জন্য হতাশাজনক আবির্ভাব হয়ে রইল।

    ব্যাট হাতে কুসাল মেন্ডিস ছিলেন ম্যাচ সেরা—৫২ বল খেলতে ১৪ চার ও চার ছকের সাহায্যে ১০৯ রান করেন তিনি। অধিনায়ক বাবর আজম ইনিংসের অনেকাংশই ছিলেন নির্ভরতার প্রতীক; ৫১ বলে অপরাজিত ৮৭ রান করেন তিনি।

    ম্যাচের প্রথম অংশে পেসারদের কমানো-চাপটি স্পষ্ট ছিল। শরিফুলের প্রথম ওভার মাত্র ৪ রান, দ্বিতীয় ওভারে পেয়েছিলেন ১১ রান। পঞ্চম ওভারেই নাহিদ বল করতে এসে আজম খানের সঙ্গে কড়া লড়াইয়ে যুক্ত হন; ওই ওভার থেকে মাত্র এক রান আসে। সাত নম্বরে নাহিদের দ্বিতীয় ওভারে তিনি সাদ বেগকে শর্ট বল পুল করতে গিয়ে ওপরে তুলে দেন এবং নিজেই কুশদিলের মতো বলের ক্যাচ নিয়ে উইকেট পান; সেই ওভারে মইন আলি শেষ বলে চার মারেন ও ওভার হয়ে আসে মোট ৬ রানে।

    গেমের ১৪তম ওভারে নাহিদকে আবার বোলিংয়ে ফিরিয়ে আনলে তিনি কোনো রান না দিয়ে খুশদিল শাহ ও অ্যাডাম জ্যাম্পারকে পতিত করেন — শর্ট বলে খুশদিল কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়ে এবং জ্যাম্পা বোল্ড হন। নিজের কোটার শেষ ওভারে নাহিদ কেবল এক রান দেন। ম্যাচের আগে ঢাকার প্রথম অভিষেকে তিনি হায়দরাবাদ কিংসম্যান্সের বিপক্ষে ৩ ওভারে ৩০ রান খরচ করে উইকেটশূন্য ছিলেন; এবার তিনি সেটা পূরণ করে দলের জন্য বড় অবদান রেখেছেন।

    অন্যদিকে শরিফুলের জন্যও এই ম্যাচ সন্তোষজনক—আগের দুই ম্যাচে উইকেটশূন্য থাকলেও এবার পাওয়ার প্লে ব্যবহারে আরেক পেসারের চোখে পড়ার মতো পারফরম্যান্স দেখান।

    শেষ পর্যন্ত সীমিত ব্যাটিং ও ধারাবাহিক উইকেটের কারণে করাচি কিংসের ইনিংস দ্রুত ভেঙে পড়ে এবং পেশাওয়ার বিপুল রান ব্যবধানে জয়ের হাসি ফিরে পায়।

  • বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচিতে পরিবর্তন

    বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচিতে পরিবর্তন

    চলতি মাসের ১৭ থেকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। শুরুতে সিরিজের সব ওয়ানডে ম্যাচ দিবারাত্রির হিসেবে আয়োজন করার কথা থাকলেও বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সময়সূচিতে পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

    বৃহস্পতিবার বিসিবি জানিয়েছে যে ওয়ানডে সিরিজের সব ম্যাচ এখন সকাল ১১টায় শুরু হবে। ওয়ানডের পর দুই দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজও দিনস্থ অর্থাৎ দিনের আলোতে অনুষ্ঠিত হবে এবং সেগুলোই প্রতিদিন দুপুর ২টায় শুরু হবে। এর অর্থ হলো ফ্লাডলাইটের উপর নির্ভরতা কমিয়ে দিনভিত্তিক সময়েই খেলাগুলো আয়োজন করা হবে।

    গতকাল বুধবার বিসিবির এডহক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভার পর সংবাদ সম্মেলনে সিরিজের সময়সূচি বদলের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে; ওয়ানডেগুলো ১১টা বা সাড়ে ১১টায়, আর টি-টোয়েন্টি দুপুর ২টা বা আড়াইটায় হতে পারে।’

    বিসিবি জানিয়েছে সময় পরিবর্তনের মূলে রয়েছে বিদ্যুতের সংকট মোকাবিলা ও সাশ্রয়ের প্রয়োজনে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত। দর্শক, খেলোয়াড় ও সম্প্রচারের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে খেলা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

  • টাইব্রেকারে হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের যোগ নিশ্চিত

    টাইব্রেকারে হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের যোগ নিশ্চিত

    ১৯৭৮ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে এশিয়ান গেমসে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ। ঐতিহ্যগতভাবে দেশের সবচেয়ে বেশি ভাগ নেওয়া ক্রীড়া বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে পুরুষ হকি। এবার জাপানের আইচি প্রদেশে অনুষ্ঠিত বাছাই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের হকি দল রাফতানি ছাপাতে না পারলেও কঠিন সংগ্রামে এশিয়ান গেমসে জায়গা নিশ্চিত করল।

    স্থান নির্ধারণী খেলায় হংকংয়ের বিরুদ্ধে লড়াইটা ছিল নাটকীয়। নিয়মানুযায়ী ম্যাচটি ৪-৪ গোলে ড্র হয় এবং সিদ্ধান্তে আসতে হয় টাইব্রেকারে। খেলার নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশের শুরুটা দুর্দান্ত ছিল — প্রথম পাঁচ মিনিটে রোকান পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করেন এবং এক মিনিট পর আমিরুলের পেনাল্টি স্ট্রোকে বাংলাদেশ ২-০ এগিয়ে যায়। কিন্তু খুব দ্রুত হংকং পেনাল্টি কর্নার থেকে একটি গোল করে ব্যবধান কমায় এবং প্রথমার্ধে বাংলাদেশ ২-১ লিড নিয়ে বিরতির কক্ষতায় ফিরেছিল।

    তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই হংকং সমতা ফিরিয়ে আনে। ৪১ মিনিটে আশরাফুলের পেনাল্টি কর্নার বাংলাদেশকে আবার এগিয়ে দিলেও চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরুতেই হংকং ফের সমতা করায় ম্যাচ আবার খোলাখুলি শুরু হয়। একের পর এক উত্তেজনায় দেখা যায় আশরাফুল এক মিনিটের ব্যবধানে ফের গোল করলে বাংলাদেশ সাময়িকভাবে এগিয়ে গেল; কিন্তু তাৎক্ষণিকভাবে হংকং পেনাল্টি স্ট্রোকে সমতা ফিরিয়ে দিয়ে স্কোর ৪-৪ করে। শেষ দশ মিনিটে বাংলাদেশ তিনটি পেনাল্টি কর্নার পায়, কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় খেলা টাইব্রেকারে গড়ায়।

    টাইব্রেকারে বাংলাদেশ-হংকং লড়াই ছিল সারা ম্যাচের চেয়েও বেশি নাটকীয়। গোলরক্ষক বিপ্লব কুজুরের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ দলের জন্য নির্ধারণী মুহূর্ত সৃষ্টি করে। পাঁচ শটের সিরিজে রোকান, জয় ও ফজলে রাব্বি গোল করে বাংলাদেশকে ৩-২ হিসেবে এগিয়ে রাখে এবং ফজলে রাব্বির শেষ শটটাই নিশ্চিত করে দেয় বাংলাদেশের জয়ের বাক্সে চাবিটি।

    এই জয়ে বাংলাদেশ বাছাই টুর্নামেন্টে ৫ম-৬ষ্ঠ স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং মোট ছয় দলের মধ্যে একটা জায়গা হয়ে এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়া নিশ্চিত করল। গত কয়েকবারের মতো বাংলাদেশ এ টুর্নামেন্ট স্বতন্ত্র চ্যাম্পিয়নও হয়েছে, তবে এবারের টুর্নামেন্টে দলের খেলার মান অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে নীচে থাকায় সংশ্লিষ্টরা উদ্বিগ্ন ছিল। তাই এই টাইব্রেকারে জয়ের মাধ্যমে এশিয়ান গেমসে খেলার যোগ্যতা নিশ্চিত করা এখন বড় একটি স্বস্তির বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    টুর্নামেন্টে ভবিষ্যতে দলের খেলা আরও ধারাবাহিক ও উন্নত হলে বাংলাদেশ ভক্তরা আরও স্বস্তি পাবে—তবে আজকের এই জয় নিশ্চিতভাবেই ভূমিকা রেখেছে দলের মনোবল বাড়াতে।

  • বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি বদলেছে

    বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি বদলেছে

    চলতি মাসের ১৭ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের সময়সূচি পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পূর্বপরিকল্পনায় সবকটি ম্যাচ ছিল দিবারাত্রির, কিন্তু বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এনে ম্যাচগুলো দিনের আলোতে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    বিসিবি জানিয়েছে, ওয়ানডে সিরিজের সবকটি ম্যাচ শুরু হবে বেলা ১১টায়। ওয়ানডের পর দুই দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজও দিনের আলোতেই অনুষ্ঠিত হবে; এসব ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়।

    এই সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত সভা গতকাল বুধবার বিসিবির এডহক কমিটির বৈঠকে গৃহীত হয়। পরে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। ওয়ানডে ম্যাচ ১১টা কিংবা সাড়ে ১১টায় এবং টি-টোয়েন্টি বেলা ২টা অথবা আড়াইটায় হতে পারে।”

    বিসিবি জানিয়েছে, ফলশ্রুতিতে স্টেডিয়াম পরিচালনা, আলো ও নিরাপত্তা ইত্যাদির খরচ কমবে এবং দর্শক সুবিধার দিকটিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত সূচি সংক্রান্ত আরও সূক্ষ্ম সমন্বয় ও তারিখভিত্তিক ঘোষণা দ্রুতই দেয়া হবে।

  • টাইব্রেকারে হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের টিকিট

    টাইব্রেকারে হংকংকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের টিকিট

    বাংলাদেশ ১৯৭৮ সাল থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে আসছে। মূলত পুরুষ হকি দেশের জন্য এশিয়ান গেমসে নিয়মিত উপস্থিতির অন্যতম প্রধান ক্রীড়া বিভাগের একটি। তবে এবারের জাপানের আইচি এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের হকির অংশগ্রহণ একপর্যায়ে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত স্থান নির্ধারণী প্লে-অফে হংকংকে টাইব্রেকারে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে যোগ দেওয়ার স্বস্তি পেয়েছেন আমিরুলরা।

    নির্ধারিত সময়ের ম্যাচটি ৪-৪ গোলে শেষ হলে খেলা টাইব্রেকারে যায়। টাইব্রেকারের প্রথম শটে রকি গোল করার চেষ্টা মিস করলে বাংলাদেশই প্রথমে অনুশকিত অবস্থায় পড়েন। যদিও পরিস্থিতি কাজে লাগাতে পারছিল না হংকং, বাংলাদেশ গোলরক্ষক বিপ্লব কুজুরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ দলের জন্য চোখে পড়ার মতো ছিল।

    সাধারণ সময়ে ম্যাচটি ছিল উত্থান-পতনের মিশ্রণ। প্রথম পাঁচ মিনিটে রকির পেনাল্টি কর্নার ও আমিরুলের পেনাল্টি স্ট্রোকে বাংলাদেশ দ্রুত ২-০ এগিয়ে যায়। এক মিনিট পর পেনাল্টি কর্নার থেকে হংকং বয়স কমিয়ে ২-১ করে। প্রথমার্ধ শেষে বাংলাদেশ ২-১ লিড নিয়েই বিশ্রামে ফিরেছিল।

    তৃতীয় কুয়ার্টারে হংকং সমতা আনে, কিন্তু ৪১ মিনিটে আশরাফুলের পেনাল্টি কর্নারে বাংলাদেশ আবার এগিয়ে যায়। চতুর্থ কুয়ার্টারের শুরুতে হংকং ফের সমতা ফিরিয়ে দেয়। মাত্র এক মিনিটের মধ্যে আশরাফুল পুনরায় গোল করে দেশকে আগাতে সাহায্য করেন, কিন্তু হংকং পরে একটি পেনাল্টি স্ট্রোকে সফল হয়ে স্কোর ৪-৪ করে দেয়। শেষ দশ মিনিটে বাংলাদেশ তিনটি পেনাল্টি কর্নার পেলেও সেগুলো থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলে ম্যাচটি টাইব্রেকারে ঢুকে যায়।

    টাইব্রেকারে মোট পাঁচ-৫টি শটই নিজেদের ভাগ্যে নির্ধারণী হয়। রকির প্রথম শট মিস করলেও পরে জয় ও ফজলে রাব্বি গুরুত্বপূর্ণ শটে জালে বল জড়ো করে বাংলাদেশের দিকে ঝোঁক ফিরিয়ে আনেন। শেষ শটে ফজলে রাব্বির সফল শটই বাংলাদেশকে টাইব্রেকারে ৩-২ জয় এনে দেয় এবং ফলে দলটি এশিয়ান গেমসে খেলতে পারবে।

    বাংলাদেশ historically এশিয়ান গেমসের হকিতে কয়েকবার রানার-আপ ও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কৃতিত্ব রাখে, তবে চলতি টুর্নামেন্টে দল মোটেই ভালো ফুটে ওঠেনি। এ পরিস্থিতিতে প্লে-অফে জিতেই মূল টুর্নামেন্ট নিশ্চিত করা বড় স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোচ ও খেলোয়াড়দের মতে, দুর্বল পারফরম্যান্সের মধ্যে টাইব্রেকারে সংগ্রহ করা এই জয় ভবিষ্যতের জন্য আত্মবিশ্বাস যোগাবে।

  • বুলবুলের অভিযোগে আইসিসি নীরব, তামিমের কমিটিকে নিয়েই ভারত আশাবাদী

    বুলবুলের অভিযোগে আইসিসি নীরব, তামিমের কমিটিকে নিয়েই ভারত আশাবাদী

    সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে নতুন করে সক্রিয় হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সিদ্ধান্তে গঠিত ১১ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তামিমের অধীনে বোর্ড ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। এ বছর শেষের দিকে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে—যা দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্ক মেরামতের প্রথম সংকেত হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

    বর্তমান ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ চক্রে ভারতের বাংলাদেশ সফর অনুষ্ঠিত হলে द्वিপাক্ষিক সিরিজ পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বোঝা হচ্ছে, এটি ঢাকার নতুন প্রশাসনের কূটনৈতিক একটি প্রয়াস, যাতে সাম্প্রতিক উত্তেজনা কাটিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্য ফিরিয়ে আনা যায়।

    দুই দেশের সম্পর্ক তখনই সবচেয়ে উত্তপ্ত পরিসরে পৌঁছায়, যখন নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়। ওই সিদ্ধান্তের পর ভারত ম্যাচ আয়োজন সংক্রান্ত বাংলাদেশের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশকে প্রতিস্থাপিত করে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে নেয়—এসব ঘটনায় দুই বোর্ডের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাড়ে।

    তামিম নেতৃত্বাধীন ওই ১১ সদস্যের কমিটিকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দুর্ত্তায় দেওয়া হয়েছে। এটি বিসিবির প্রশাসনিক রূপান্তরের অংশ, যার পরিণামে সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে পদচ্যুত করা হয়।

    পদচ্যুতির পরে বুলবুল আইসিসির কাছে হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠান; তিনি দাবি করেছেন তার অপসারণ সরকারি হস্তক্ষেপ ও আইসিসির নীতিমালার লঙ্ঘন। তবে আইসিসি সূত্রগুলো বলছে, বুলবুলের আবেদন তেমন গুরুত্ব পাবে না—কারণ তার অবস্থানে কিছু অসঙ্গতি রয়েছে।

    অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় বুলবুল আইসিসিকে জানিয়েছিলেন যে সরকার নির্দেশনা দেয়ার কারণে দল ভারতে যেতে পারেনি। সেই একই সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি এখন আইসিসির সুরক্ষা খুঁজছেন—এমন দ্বৈত অবস্থানকে আইসিসির এক শীর্ষ কর্মকর্তা ভারতের সংবাদমাধ্যমকে আশ্চর্যের সাপেক্ষণে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন। তিনি অনামের অনুরোধে বলেছেন, “এটি সত্যিই আশ্চর্যজনক। একই বোর্ড সভাপতি, যিনি কিছুদিন আগে আইসিসির সঙ্গে চুক্তি থাকা সত্ত্বেও সরকারের দোহাই দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাননি, এখন নিজের পদ সংরক্ষণের জন্য সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ করে আইসিসির সুরক্ষা চাচ্ছেন—এটা অবাক করার মতো।”

    বিসিবির নতুন কমিটি ও তামিমের উদ্যোগ কিভাবে এগোবে এবং দুই দেশের ক্রিকেট রাজনীতিতে কী ফল নিয়ে আসে, তা আগামী কিছু সপ্তাহের মধ্যে স্পষ্ট হবে বলেexpect করা হচ্ছে।

  • মাঠ থেকে প্রশাসনে: তামিমের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ফেরানো

    মাঠ থেকে প্রশাসনে: তামিমের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ফেরানো

    ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুকালে দাঁড়িয়েছিলেন তামিম ইকবাল। তার সুস্থতার খবর পেয়ে সবখানে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছিল, সবাই জানতে আগ্রহী হয়েছিল তার অবস্থা কেমন। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠার মাধ্যমে সবাই স্বস্তি পেয়েছিল। তবে ঠিক এক বছর পর আবারও এপ্রিল মাসে তামিমের জীবনবোধে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হলো। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তিনি এলেন অ্যাডহক কমিটির বাস্তব দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে। জাতীয় দলের তৃতীয় অধিনায়ক হিসেবে খেলোয়াড়ি জীবনের শেষের পর এবার তিনি বোর্ডের সর্বোচ্চ পদে বসেছেন। প্রথম প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেই তার লক্ষ্য স্পষ্ট করে বলেছিলেন—বাংলাদেশ ক্রিকেটের ভাবমূর্তি ফেরানো। তার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ক্রিকেটের ক্ষত গুলি সারানো এবং পুনরায় গর্বের জায়গায় নিয়ে আসা।

  • ভিয়েতনামের কাছে হারিয়ে স্বপ্ন ভেঙে গেল বাংলাদেশের

    ভিয়েতনামের কাছে হারিয়ে স্বপ্ন ভেঙে গেল বাংলাদেশের

    থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এএফসি উইমেন’স অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভিয়েতনাম ছিল একটি শক্তিশালী দল। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের লড়াই জমে উঠেছিল। প্রতিযোগিতার তিনটি গ্রুপে চারটি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম জন্য জন্য এই ম্যাচ ছিল অনেক কিছু। গ্রুপের অন্য দুই দল চীন ও থাইল্যান্ড ইতিমধ্যে কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠার প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করে ফেলেছে, তাই এই ম্যাচের ফলাফল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল বাংলাদেশের জন্য। তবে বাংলাদেশের আশা থাকলেও, শেষ পর্যন্ত তারা পারলো না। গ্রুপের তৃতীয় দল হিসেবে শেষ করে জাতিকে হতাশ করে তারা। কারণ ভিয়েতনাম জিতল—a victory that kept their hopes alive and eliminated Bangladesh from the tournament।

    ম্যাচের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ কিছু দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করছিল। ১৩ মিনিটে সাগরিকা সতীর্থের থ্রু পাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গোলকিপারকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু শটটি ঠিকমত হয়নি। ২৬ মিনিটে আবারও উজ্জ্বল আক্রমণে এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ, তবে অফসাইডে পড়ে গেলেন সাগরিকা, বলে চলে যায় গোলরক্ষকের কাছে। অন্যদিকে, ভিয়েতনাম শেষের দিকে আক্রমণ বাড়াতে থাকলে বাংলাদেশ রক্ষণদলে চাপ পড়ে। ২৯ মিনিটে এনগান থি থানের শট ক্রসবারের উপরে দিয়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পর, ৩৩ মিনিটে ভিয়েতনামের চাপ সামলেও, বাংলাদেশের মিলি আক্তার দুর্দান্ত রক্ষার মাধ্যমে গোলের সম্ভাবনাকে রক্ষা করেন।

    দ্বিতীয়ার্ধে ভিয়েতনাম এগিয়ে যায়। ৫৩ মিনিটে থি থুই লিনহের দক্ষ হেডে ভুলে যায় বাংলাদেশের রক্ষা। এরপর ৮৬ মিনিটে, সতীর্থের আড়াআড়ি ক্রসে, থি থুই লিনের হেডটি পোস্টের বাইরে গেলে ব্যবধান দ্বিগুণ হওয়া থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। এর আগেও, এই টুর্নামেন্টের অন্যান্য ম্যাচের মতো, বাংলাদেশের চোখে স্বপ্ন দেখতে দেখা শেষ হয়ে যায়। প্রথমবারের মতো উইমেন’স এশিয়ান কাপের মতো আয়োজনের এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে, তিন ম্যাচে সবখানে হারে তারা। গ্রুপ পর্ব থেকে এবারও বিদায় নিতে হয় তাদের। এই হারে বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলারের স্বপ্নভঙ্গ হয়, তবে এই যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধ করবে।

  • আইসিসির নীরবতা ও তামিমের আস্থা: ভারত বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্কের নতুন দিশা

    আইসিসির নীরবতা ও তামিমের আস্থা: ভারত বাংলাদেশের ক্রিকেট সম্পর্কের নতুন দিশা

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের পরিস্থিতি নতুন করে উত্তেজনা ও প্রত্যাশার জন্ম দিচ্ছে। সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে গঠিত ১১ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বোর্ডের কার্যক্রম জোরদার হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে, তামিমের নেতৃত্বে বোর্ড ভারত সফরে যাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং এ বছরের শেষের দিকেই ভারতীয় দলকে বাংলাদেশে আক্রোশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই উদ্যোগ দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কের পুনরুদ্ধার ও সৌহার্দ্য ফেরানোর একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপটি সাম্প্রতিক দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা অসন্তোষ কাটিয়ে আন্তঃদেশীয় সম্পর্ক উন্নয়নের পথে এক নতুন প্রত্যয়। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের ক্রিকেটের মধ্যে অবনতি ঘটে যাওয়ার পর, যখন বাংলাদেশ নিরাপত্তার বিষয় তুলে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়, তখন পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়। বিশেষ করে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজনে অস্থিরতা দেখা দেয়, যেখানে আইসিসি বাংলাদেশে না এসে স্থানীয় বোর্ডের অনুরোধে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই ঘটনায় দুই দেশের বোর্ডের মধ্যে উত্তেজনা চরমে ওঠে।

    নতুন কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তামিমের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের এই আংশিক বোর্ড আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দায়ভার গ্রহণ করেছে। এটি বোর্ডের প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কার করার অংশ, যেখানে সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে দায়িত্ব থেকে সরানো হয়। তার বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে আইসিসির কাছে হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি লিখলেও, আইসিসি সূত্রগুলো বলছে, তার আবেদন খুবই গুরুত্ব পাবে না, কারণ তার অবস্থানে বেশ কিছু অসঙ্গতি রয়েছে।

    প্রায় একই সময়ে, সেদিন বুলবুল আইসিসিকে বলেছিলেন, সরকারি নির্দেশনায় দল ভারতে যেতে পারেননি। এখন তিনি আবার একই সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইসিসির সুরক্ষা পেতে চান। আইসিসির একজন শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, ‘এটি সত্যিই আশ্চর্যজনক। এই সেই বোর্ড সভাপতি যিনি আগে আইসিসির চুক্তি সত্ত্বেও সরকারী হস্তক্ষেপের ভয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি, এখন আবার সরকারি হস্তক্ষেপের বিষয়টিতে আইসিসির সহায়তা চাইছেন।’

    এখন দ্রুত পদক্ষেপ ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ক্রিকেট আবারও নিজেকে নতুন উচ্চতায় দেখতে পাবে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হবে, যা দুই দেশের সকল ক্রিকেটপ্রেমীর জন্যই সুখবর।