Category: খেলাধুলা

  • বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

    বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

    আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় এসে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। Initially চিন্তা ছিল, এই সিরিজ তিন শহরে আয়োজন করা হবে, তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে যে দুই ফরম্যাটের ম্যাচগুলো মিরপুর ও চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) মঙ্গলবার এই আসন্ন সিরিজের সূচি নিশ্চিত করেছে।

    সিরিজের প্রথম ওয়ানডে হবে ১৮ অক্টোবর মিরপুরের শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপর ২০ ও ২৩ অক্টোবর যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ গড়াবে একই স্থানে। এই ৫০ ওভারের ম্যাচগুলো দর্শকদের জন্য বড় একটি ট্রেলার হতে চলেছে কারণ এটি হবে দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি মহোর্ষে, কারণ স্পষ্টতই এটি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ। এই বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারতে, যেখানে শক্তিভুক্ত হবে ভারত নিজের হয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।

    তারপর, টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দুই দল চট্টগ্রামে উড়াল দেবে। বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে (পূর্বে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম) অনুষ্ঠিত হবে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ, যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ অক্টোবর এবং ১ নভেম্বর।

    উভয় দলের জন্যই এই সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের জন্য ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের বড় সুযোগ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের শেষবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর হয়েছিল ২০২৪ সালের ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে, যেখানে তারা তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ক্যারিবিয়ান দলকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করেছিল। এই সিরিজের মাধ্যমে বাংলাদেশের টাইগাররা ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডের পর প্রথমবার কোনও সিরিজে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচই জিতল। তবে, ওই সফরে ওয়ানডে সিরিজে তারা হোয়াইটওয়াশ হয়ে ফিরে এসেছিল। এর আগে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ সমতায় শেষ হয়।

  • আইসিসির হ্যান্ডশেক বিতর্কে পাকিস্তানের দাবি খারিজ

    আইসিসির হ্যান্ডশেক বিতর্কে পাকিস্তানের দাবি খারিজ

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হ্যান্ডশেকের জন্য সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের মধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বলেছিল, ম্যাচ রেফারি হিসেবে অ্যান্ডি পাইক্রফটকে এশিয়া কাপ থেকে সরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, পাইক্রফট এশিয়া কাপের ম্যাচে ছিল এবং তার কোনও অস্বাভাবিক ভুমিকা ছিল না। ম্যাচ রেফারি হিসেবে থাকবেন তিনি, এমন সিদ্ধান্তই কার্যকর থাকবে। ক্রিকবাজ নামে একটি ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। আইসিসি এখনও পর্যন্ত কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি দেয়নি, তবেছেন তারা পাকিস্তান বোর্ডকে এই সিদ্ধান্তের খবর দিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, জাতির নেতৃত্বদানকারী জয় শাহর মাধ্যমে।

    গত রোববার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টসের সময় করমর্দন না করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক শুরু হয়। পিসিবির অভিযোগ ছিল, রেফারি পাইক্রফট পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আঘাকে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে হাত মেলাতে বাধা দেয়। তবে আইসিসি জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে পাইক্রফটের কোনো স্বাধীন ভূমিকা ছিল না। সংস্থাটি বলেছে, এএসসি কর্মকর্তারা আগে থেকেই পাইক্রফটকে এই বিষয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি কেবল সেই নির্দেশ পালন করেছিলেন।

    চিঠিতে নিশ্চিত করা হয় যে, পাইক্রফট ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে কাজ করেননি বা কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। ফলে পিসিবির অভিযোগ প্রমাণিত নয় বলে স্পষ্ট করে দেয় আইসিসি। অনুমানিক, পাকিস্তান বোর্ড যদি পাইক্রফটকে সরায় না, তবে তারা বুধবারের পাকিস্তান-সংযুক্ত আরব আমিরাত ম্যাচে অংশ নাও করতে পারে। এই ম্যাচেও তাদের কর্তৃপক্ষ হিসেবে পাইক্রফটকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে আইসিসির এই সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশ্যে এলেও, পিসিবি বলছে, তারা এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা বার্তা পায়নি।

    অন্যদিকে, ম্যাচের ৪৮ ঘণ্টা পরে বিসিসিআই থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছে। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি না দিলেও, পিটিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সূর্যকুমার যাদব ও তাদের দলের অন্য ক্রিকেটাররা যা করেছেন, তা একদম সঠিক। তিনি বলেন, ক্রিকেটে সাধারণত ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করা হয়; এটি একটি সম্মান প্রকাশের রীতি। তবে এর কোনও আইন বা বাধ্যবাধকতা নেই। এ ক্ষেত্রে সূর্য ও দলের অন্যরা যা করেছেন, সেটার কোনও Gil আইন মানা হয়নি।

    অতিরিক্তভাবে, তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে যে এখন শত্রুতা প্রকট, সেখানে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলালে সেটাই অস্বাভাবিক। আমাদের ক্রিকেটাররা যে উচিত কাজ করেছেন, সেটিই ঠিক। যদি কোনও নিয়ম না থাকে, তাহলে সূর্যরা মনে করেছিলেন, বাবদ শত্রুতার মধ্যে থাকাকালীন পাকিস্তানিদের সঙ্গে হাত মেলানো সমীচীন নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে, ক্রিকেট খেলাটা সম্মানের মতো মনে হয় না। তারা বলছেন, সূর্য যেভাবে খেলেছেন, তা সঠিক, এবং এখন আর কোনওAdditional শর্মান দেখানোর প্রয়োজন নেই।

  • শ্রীলঙ্কার কাছে হারলো বাংলাদেশ

    শ্রীলঙ্কার কাছে হারলো বাংলাদেশ

    আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশ মুখোমুখি হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছে। প্রথম ওভারে দুই উইকেট হারায় দলটি; প্রথমে তামিম ইকবাল নুয়ান থুসারার দুর্দান্ত গুল লেংথ ডেলিভারিতে লাথি মারতে গিয়ে বোল্ড হন, এরপর দ্বিতীয় ওভারে দুশমন্থ চামিরার বলের এজ করে পারভেজ হোসেন ইমন ফিরতে বাধ্য হন। এই দুই ওভারে মোট চার উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ প্রথম একেবারে ভেঙে পড়ে। তবে দলের কিছু ব্যাটসম্যান পরিস্থিতি সামলে ওঠার চেষ্টা করেন, যার মধ্যে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় উল্লেখযোগ্য। তবে তারা বেশ দ্রুতই রান আউট হয়ে যান। লিটনকে ফিরিয়ে দেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, এরপর হৃদয়ও ২৮ রানে আউট হন।এরপর জাকের আলী অনিক ও শামীম হোসেন পাটোয়ারি জুটি গড়ে ম্যাচকে কিছুটা ঘুরে দেন। জাকের ৪১ ও শামীম ৪২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে রানসংখ্যা ১৩৯ পর্যন্ত নিয়ে যান। বাংলাদেশের জন্য এই সংগ্রহ মোটামুটি লড়াই করার মতো হলেও, শ্রীলঙ্কার অগ্রগতির মূল চালিকা শক্তি হলো পাথুম নিশাঙ্কা ও কামিল মিশারা। নিশাঙ্কা ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করে দলের মানসিকতা বদলে দেন, এবং শেষ পর্যন্ত ৫০ রানে আউট হলেও তার অবদান ছিল বড়।ম্যাচের জন্য লক্ষ্য ছিল ১৪০ রান। যা শ্রীলঙ্কা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মকভাবে তাড়া করে। উইকেটের জন্য বাড়তি চেষ্টা চালান বাংলাদেশের বোলাররা, মুস্তাফিজুর রহমানের হাতে প্রথম উইকেটটি পড়ে। তিনি আরও একটি উইকেট নেন, পরে শরিফুল হকও দুইটি উইকেট তুলে নেন। তবে শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা নিয়মিত বাউন্ডারির মাধ্যমে রান তুলতে থাকেন। নিশাঙ্কা ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করেন, তবে এরপর সাজঘরে ফিরে যান তার ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ারে ক্যাচ দিয়ে। এরপর কুশল পেরেরো ও দাসুন শানাকা দ্রুত রান তুলে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান। শেষ দিকে দরকার ছিল ১৩৯ রানের, যা তারা সহজেই হাসারাঙ্গার ভালো বোলিং ও দলের আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে অর্জন করে নেয়। এভাবে, শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি জিতে সুপার ফোরের আসর থেকে তাদের এগিয়ে নিল। বাংলাদেশের জন্য এই হারে তাদের জন্য থাকা সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে গেলো, তবে তাদের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় প্রয়োজন, যেন ভবিষ্যত এখনও জয়ের আশা ধরে রাখা যায়। পারস্পরিক সমঝোতা ও সামনের প্রতিযোগিতায় উত্তরণে এই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নেয়া গুরুত্বপূর্ণ।

  • পাকিস্তানের বোলিং তোপে উড়েই গেল ওমান

    পাকিস্তানের বোলিং তোপে উড়েই গেল ওমান

    এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শক্তির প্রদর্শন করেছে পাকিস্তান। ব্যাটিং এবং বল করার দিক থেকে তারা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে ওমানকে কঠিন চ্যালেঞ্জে ফেলে দেয়। পাকিস্তানের সালমান আগার দল ৯৩ রানের বড় সাফল্য অর্জন করে ম্যাচ জয় করে নিয়েছে।

    উইকেটে ব্যাট করতে নামা ওমানের পুরো ইনিংস শুরু থেকেই দুর্বল হয়ে পড়ে। অভিজ্ঞ জতিন্দর সিং, আমির কলিম এবং অধিনায়ক জিশান মাকসুদ কেউই পাকিস্তানের ধারালো বোলিংয়ের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি। পাকিস্তানের শাহীনের মতো বোলাররা আক্রমণে এসে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপকে ধ্বংস করে দেন। একমাত্র হাসান মির্জা কিছুটা লড়াই দেখান, ২৩ বলে ২৭ রান করেন। বাকি সবাই মাঠের দর্শক হিসেবেই থাকেন।

    পাকিস্তানের বোলাররা ধারাবাহিক আক্রমণে ওমানে ব্যাটিংয়ের ভেতর অস্থিরতা সৃষ্টি করে। শেষ পর্যন্ত ওমানের ইনিংস ৬৭ রানে থেমে যায়, যা পাকিস্তানের দাপুটে জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল। সাইম আইয়ুব, মুকিম ও ফাহিম দুটি করে উইকেট নেন, শাহীন, আবরার ও নেওয়াজ একেকটি উইকেট করে থাকেন।

    এর আগে ম্যাচের শুরুতে টস জিতে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে নামে। প্রথমে ওপেনার সাইম আইয়ুব ৪ রান করে আউট হন, जिससे দলের মধ্যে কিছু শঙ্কা তৈরি হয়। এরপর সাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ হারিসের মধ্যে ৮৫ রানের মহামূল্যবান জুটি গড়ে ওঠে। হারিস ছিলেন দারুণ আক্রমণাত্মক, তিনি খেলেন ৬৬ রানের ঝলমলে ইনিংস। তার সঙ্গে ফারহান (২৯) বেশ ভালো সঙ্গ দেন।

    তবে দুজনের বিদায়ের পর পাকিস্তানের ব্যাটিং ধস নামে। একসময় দল ১২০ রানে অর্ধেক উইকেট হারিয়ে ফেলে। শেষদিকে ফখর জামান ২৩ রানের ইনিংস ও মোহাম্মদ নেওয়াজের ১০ বলে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস পাকিস্তানকে পৌঁছে দেয় ১৬০ রানে।

    ওমানের হয়ে শাহ ফয়সাল ও আমির কলিম তিনটি করে উইকেট নেন, কিন্তু পাকিস্তানের ধারালো বোলিং এটাকে নিমেষে ঢেকে দেয়। পাকিস্তানের বলারুর প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে।

  • বাংলাদেশের জন্য শ্রীলঙ্কা হারানোই সুপার ফোরের দরজা খোলে

    বাংলাদেশের জন্য শ্রীলঙ্কা হারানোই সুপার ফোরের দরজা খোলে

    সম্প্রতি ক্রিকেটে এশিয়ার ঐতিহ্যবাহী প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশের এবং শ্রীলঙ্কার লড়াই নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে। এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য এই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। হংকংয়ের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ে শুরু করা বাংলাদেশ দল এখন শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান ও বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর মনে করেন, শ্রীলঙ্কাকে হারানোই বাংলাদেশকে সুপার ফোরে নিয়ে যাবে।

    বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে শেষ কয়েক বছরে ম্যাচগুলোতে নানা উত্তেজনা দেখা গেছে। ২০১৮ সালের নিদাহস ট্রফির পর থেকে এই দ্বৈরথ আরও জমে উঠেছে। ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের মেরু বদল সময়ে দেখা দিয়েছে নতুন উত্তেজনা। এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে উঠতেই হলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিততেই হবে বাংলাদেশের।

    আপাতত, বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে হংকংকে সহজেই হারিয়েছে। তাদের শেষ ম্যাচ ছিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। ফলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়টা দলটির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা ইতোমধ্যে কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুতের পর্যায়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা আসছে একটু দেরিতে একটি সিরিজের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এর আগে তারা জিম্বাবুয়ে সিরিজ খেলেছে।

    শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের বিপক্ষে। অন্যদিকে, এশিয়া কাপের এই আসরে বাংলাদেশের এটি দ্বিতীয় ম্যাচ। এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশকে একটি সুবিধাজনক অবস্থানে মনে করেন বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর। তিনি বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, এ সূচিটি বাংলাদেশকে বেশ সহায়তা করছে। তারা একটি ম্যাচে জিতেছে এবং কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিয়েছে। তাই, এই ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার মতো দলের জন্য সহজ নয়, বরং বাংলাদেশের জন্য সুবিধাজনক।

    তবে, কন্ডিশনের সুবিধা থাকলেও লিটন দাস ও বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কিছু সমস্যাও দেখেছেন জাফর। টি-টোয়েন্টি পরিসংখ্যান দেখিয়ে তিনি বলেছেন, শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে। তবে, জুলাইয়ে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কাকে টি-টোয়েন্টি সিরিজে জেতানো ইতিবাচক মনে করেন। তিনি আরও বলছেন, বাংলাদেশ অবশ্যই সুপার ফোরে যেতে পারে।

    জাফর বললেন, ‘বাংলাদেশকে কখনওই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। তারা যেমন একটি ম্যাচ জিতেছে, কন্ডিশনের সাথে পরিচিত হয়েছে, তেমনি যদি শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ম্যাচে হারাতে পারে, তাহলে তারা সুপার ফোরে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

  • বিসিবির নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত

    বিসিবির নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নির্বাচনপ্রক্রিয়া সামনে এগিয়ে থাকায় বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার, যেখানে বোর্ডের সভাপতি ও পরিচালকদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সভায় নির্বাচনের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা, আসন্ন সাধারণ সভা (ইজিএম ও এজিএম) এর সম্ভাব্য সূচি, এবং ঢাকা মহানগরীর ক্লাব ক্রিকেট সংগঠকদের কাউন্সিলর তালিকা নিয়েও আলোচনা হয়। শেষে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বিসিবির নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত তপশিল বা শিডিউল নির্ধারিত হয়েছে। ইতিমধ্যে ২০ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে, ২৫ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ এবং ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচনী দিন। বোর্ডের পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘অক্টোবরের নির্বাচনের জন্য ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া চলছে। তিনজন নির্বাচন কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, এবং আমাদের প্রয়োজন ছিল পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া। আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় কিভাবে সব চিঠি যাবে ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ক্যাটাগরিতে: প্রথম ক্যাটাগরি- বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে ১০জন, দ্বিতীয় ক্যাটাগরি- ক্লাব প্রতিনিধিদের ভোটে ১২জন, তৃতীয় ক্যাটাগরি- সাবেক অধিনায়ক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে ১জন। পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে আরও ২ জন পরিচালক থাকবেন। সব মিলিয়ে মোট ২৫ জন পরিচালকের ভোটে নির্বাচিত হবে বিসিবির নতুন সভাপতি।

  • ভারতকে হারাল পাকিস্তানকে হেসেখেলে

    ভারতকে হারাল পাকিস্তানকে হেসেখেলে

    ৬ রানে ২ উইকেট পড়ার পর, ফারহান ও ফখর জামান পাওয়ার খেলতে থাকেন। তারা দলের স্কোর উন্নত করতে চেষ্টা করেন, তবে ফখর বাজে শটে উইকেট হারান। এরপর সালমান আলি আগা, হাসান নাওয়াজ ও মোহাম্মদ নাওয়াজরাও ব্যাটিংয়ে অবদান রাখতে থাকেন। ফারহান তার সফল ইনিংসটা চালিয়ে যান, ৪৪ বলে ৪০ রান করে। তবে আউটের পর পরিস্থিতি কঠিন হয়ে আসে। তবে এখানেই শেষ নয়, আফ্রিদি নিজের পাওয়ার হিটিং ক্ষমতা আবার দেখান ১৬ বলে চার ছক্কায় ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন।

  • বিশ্বকাপে সকল ম্যাচই নারী অফিসিয়াল, একা বাংলাদেশি জেসি উপস্থিত

    বিশ্বকাপে সকল ম্যাচই নারী অফিসিয়াল, একা বাংলাদেশি জেসি উপস্থিত

    ক্রিকেটে নারীর ক্ষমতায়নে এক ঐতিহাসিক দৃষ্টি আকর্ষণীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে আইসিসি। নারী ক্রিকেটের জন্য এই প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসদের একটি দল দায়িত্ব পালন করবে আন্তর্জাতিক আসরে। এর ফলে এই ঘটনাকে ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। চলমান নারী বিশ্বকাপে ম্যাচ অফিসিয়ালসদের তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে, সামনের বিশ্বকাপে নারীদের এই ভূমিকা আরও শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে জানানো হয়েছে।

    বিশ্বকাপের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে ১৪ জন আম্পায়ারের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো প্রতিনিধিত্ব করছেন সাথিরা জাকির জেসি। এ ছাড়া, ক্লেয়ার পোলসাক, জ্যাকুলিন উইলিয়ামস এবং সু রেডফার্ন এই ত্রয়ীর তৃতীয়বারের মতো দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, লরেন এগেনব্যাগ ও কিম কটন তাদের দ্বিতীয় নারী বিশ্বকাপে আম্পায়ার হিসেবে কাজ করবেন। এই দুই নারী আম্পায়ার ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম শিরোপা জয়ের সময় দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    ম্যাচ রেফারি দলের মধ্যে রয়েছে ট্রুডি অ্যান্ডারসন, শান্দ্রে ফ্রিটজ, জি.এস. লক্ষ্মী ও মিশেল পেরেইরা। তারা ভারতের শীর্ষস্থানীয় নারী ক্রিকেটের এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবেন।

    আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ এই ঐতিহাসিক ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, নারীদের জন্য এই পূর্ণাঙ্গ অফিসিয়াল প্যানেল একটি নতুন দিগন্তের সূচনা। এটি লিঙ্গ সমতা অর্জনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যতে নারী ক্রিকেটের উন্নয়নে সাহস জোগাবে। তিনি বলেন, ‘এটি একটি মাইলফলকের মুহূর্ত, যা ক্রিকেটের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই আরও অনেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসদের অন্তর্ভুক্তি আইসিসির লিঙ্গ সমতা ও সমান সুযোগের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।’

    প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই তালিকায় রয়েছে নারায়ণ জননী, নিমালি পেরেরা, গায়ত্রী ভেনুগোপালান ও নারায়ণ জননীসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রখ্যাত মহিলা আম্পায়ার। বাংলাদেশ থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে আছেন সাথিরা জাকির জেসি, যিনি এই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রিকেট বিশ্বে নারীর অবস্থান আরও দৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বিশাল বিজয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    বিশাল বিজয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    ২০২৫ এশিয়া কাপের টি-টোয়েন্টি মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তান দারুণ প্রচুর আভিজাত্য দেখিয়েছে। হংকংকে ৯৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে তারা টুর্নামেন্টের শুভ সূচনা করেছে। আবুধাবিতে প্রথমে ব্যাট করে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রানের মারকুটে স্কোর তৈরি করে। জবাবে হংকং পুরো ২০ ওভার খেলেও মাত্র ৯৪ রানের বেশি করতে সক্ষম হয়নি। এতে তারা ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়। চার ব্যাটারের মধ্যে দুজন রানআউটের কারণে খেলার ধারায় বাধা পড়ে। বাবর হায়াত এবং অধিনায়ক ইয়াসিম মোর্তজাই কিছুটা লড়াই করলেও বেশির ভাগ ব্যাটাররা দ্বিশতক ছুঁতে পারেননি। বল হাতে আফগানিস্তানের গুলবাদিন নাইব ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট লাভ করেন, ফজলহক ফারুকি ১৬ রানে ২ উইকেট শিকার করেন। এর আগে, আফগান ব্যাটসম্যান সেদিকুল্লাহ অতল প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে খেলেছেন, শেষে ব্যাটিং ঝকমকিয়ে উঠেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। দুজনের ফিফটির ওপর ভর করে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রানের দুর্দান্ত স্কোর সংগ্রহ করে। আবুধাবিতে টসে জিতে আফগানরা আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে অতলের ব্যাটে উন্নত সূচনা পাওয়া গেলেও এরপর টানা দুই ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে তারা কিছুটা চাপের মধ্যে পড়ে যায়। প্রথম ওভারে মেইডেন দেন হংকং পেসার। এরপর তৃতীয় ওভারে আয়ুশ শুক্লার প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তারপরই রহমানুল্লাহ গুরবাজ (৫ বলে ৮) আউট হন। পরের ওভারে আতিক ইকবাল উইকেট কিপার ক্যাচ নিয়ে ফিরে যান। এই ওভারেও মেইডেন যান হংকং। প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ৪১ রান করে ২ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। পরে, তৃতীয় উইকেটে অতল ও মোহাম্মদ নবি ৫১ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১০ ওভারে ৭৭ রান নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আফগানিস্তান বেশ কিছু সময় ধরে স্থির থাকলেও ১১তম ওভারে গুলবাদিন নাইব ২৬ বলে ৩৩ রান করে ফেরেন। দ্বিতীয় ওভারে কিনচিত শাহ ২৬ বলে ৩৩ রান করে নিয়েছেন। অতল ৪১ বলে ফিফটি পূরণ করেন এবং অপরাজিত থাকেন ৫৩ বলে ৭৩ রানে, যেখানে ৬ চার ও ৩ ছক্কায় ইনিংস সাজিয়েছেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাই এক জায়গায় এসে ঝড় তুলেন এবং ২০ বলে ৫৩ রান করেন। এই দুর্দান্ত ইনিংসের মধ্যে চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা ছিল। তার পর, তিনি ৫২ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন। হংকংয়ের কিনচিত শাহ ও আয়ুশ শুক্লা দুইজন করে উইকেট নেন।

  • পাকিস্তানের দাপুটে বোলিংয়ে ওমানের উড়ন্ত পারফরম্যান্স শেষ

    পাকিস্তানের দাপুটে বোলিংয়ে ওমানের উড়ন্ত পারফরম্যান্স শেষ

    এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তান শক্তির ঝাঁঝ দেখিয়েছে। ব্যাটিং আর বোলিংয়ে দারুণ পারফরম্যান্স করে ওমানের প্রতিরোধভঙ্গ করে তারা ৯৩ রানের বড় ব্যবধানে জয় লাভ করে। সালমান আগার দল শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠে।

    পাকিস্তান প্রথমে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা করে। ওপেনার সাইম আইয়ুব দ্রুত আউট হয়ে গেলে কিছুটা শঙ্কায় পড়ে দল। তবে সাহিবজাদা ফারহান ও মোহাম্মদ হারিসের মধ্যে ৮৫ রানের উল্লেখযোগ্য জুটি গড়ে ওঠে। হারিস ছিলেন আক্রমণাত্মক, ৬৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে দলের অর্ধেক স্কোরে পৌঁছে দেন। ফারহান আরও ২৯ রান যোগ করেন।

    একপর্যায়ে পাকিস্তানের স্কোরে ধস নামে। অর্ধেক দলের মধ্যে ১20 রানে তাদের ছয় উইকেট পড়ে যায়। তবে শেষ মুহূর্তে ফখর জামান ২৩ রানের আর মোহাম্মদ নেহাজের ১০ বলে ১৯ রানের ক্যামিও ইনিংস পাকিস্তানকে ১৬০ রান ডাকে, যেখানে ২০ ওভারে তারা ৭ উইকেটে পৌঁছে।

    অন্য দিকে ওমানের হয়ে শাহ ফয়সাল ও আমির কলিম তিনটি করে উইকেট নেন, তবে পাকিস্তানের ধারাবাহিক বোলিং আক্রমণে তুলে নেন তাদের বিরাট ক্ষতি। ব্যাটসম্যানদের কঠোর দাপটে ওমানের ইনিংস শেষ হয় মাত্র ৬৭ রানে গুটিয়ে। সাইম, মুকিম ও ফাহিম দুটি করে উইকেট নেন, আর শাহীন শাহ আফ্রিদি, আবরার আহমেদ ও নেওয়াজের ঝুলিতে যায় একেকটি উইকেট।

    সর্বশেষ, পাকিস্তানের এই উজ্জ্বল জয় এশিয়া কাপের প্রথম দিনেই দর্শকদের মন মাতিয়ে সর্বত্র প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাদের এই শক্তিশালী পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য উৎসাহ যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।