Category: খেলাধুলা

  • বাংলাদেশকে সম্মান করলেও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হংকংয়ের পূর্বাভাস

    বাংলাদেশকে সম্মান করলেও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হংকংয়ের পূর্বাভাস

    আগামী বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) এশিয়া কাপে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ হিসেবে তারা খেলবে অপেক্ষাকৃত কম শক্তির দল হংকংয়ের বিপক্ষে। তবে হংকংয়ের দল বাংলাদেশের জন্য এখনও হুমকি তৈরি করে রেখেছে এবং এই ম্যাচে তারা জয় পেতে চায় সব ধরনের সম্ভাবনা দেখছে।

    এই ম্যাচের ফরম্যাট হলো টি-টোয়েন্টি, যা তাদের নিজের সামর্থ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। অলরাউন্ডার নিজাকাত খান মনে করেন, দলের কয়েকজন খেলোয়াড় ভালো পারফরম্যান্স করলে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় পাওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, আমাদের দলের মধ্যে আছে এমন খেলোয়াড় যারা একাই ম্যাচ বদলে দিতে সক্ষম। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের মূল মজা হলো নির্দিষ্ট দিনে কারা বেশি ভালো খেলবেন, সেটাই ফলাফল নির্ধারণ করে। একসঙ্গে ২-৩ ওভারে খেলা হয়ে থাকায়, কেউ যদি খুব ভালো ব্যাট করে বা বল করে, পুরো খেলার মোড় ঘুরে যেতে পারে। আমাদের দল প্রস্তুত, আমরা বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।

    নিজাকাত খান আরও বলেন, টি-টোয়েন্টিতে কোনো ভয় বা আতঙ্কের কিছু নেই। যদি আপনি নির্দিষ্ট দিনে নিজের সেরাটা দেন, তাহলে জেতা নিশ্চিত। শক্তিশালী বা দুর্বল দল মানে না, কারণ অতীতে অনেকবার দেখিয়েছি, পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তিনি আরও জানান, তাদের প্রস্তুত এবং তারা প্রথম বল থেকেই লড়াই করতে মুখিয়ে।

    বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা বিশ্বের বিভিন্ন লিগে খেলায় থাকায়, হংকংয়ের এই অলরাউন্ডার তাদের ব্যাপক সম্মান করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে, যারা টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বেশ অভিজ্ঞ। তিনি জোড়ালো মন্তব্য করেন, টি-টোয়েন্টিতে আতঙ্কের কিছু নেই—যদি নির্দিষ্ট দিনে ভালো খেলো, আপনি জিতবেন। ম্যাচের ফল নির্ভর করে প্রতিবেশী দলটির শক্তি বা দুর্বলতার উপর নয়। এই বিশ্বাস নিয়ে তারা খেলতে নামে।

    হংকংয়ের জন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় বেশ সুখকর ইতিহাসের অংশ। ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হংকং বাংলাদেশকে দুই উইকেটে হারিয়েছিল। সেই ম্যাচে নিজাকাত তিন উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো। বাংলাদেশ তখন ব্যাটিং করে ১০৮ রান করে, কিন্তু হংকং সেটা আরো দুই বল হাতে রেখে জয় করে গেল।

    নিজাকাত খান স্মরণ করেন, ওটা অনেক স্পেশাল একটা ম্যাচ ছিল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ জেতা খুব কঠিন, তবে তারা অন্যতম সেরা দল। তিনি বলেন, ঐ ম্যাচে আমরা খুব ভালো খেলেছি। বাংলাদেশ তখন বেশ ভালো খেলছিল, কিন্তু স্পিন দিয়ে আমরা তাদের নিয়ন্ত্রণে এনে সেই ম্যাচ জিতে উঠেছিলাম। ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে শেষ পর্যায়ে আমরা জয় নিশ্চিত করি। এই জয় আমাদের জন্য খুবই স্মরণীয়।

    নিজাকাত নিজে তৎকালীন ম্যাচে বেশ ভালো বল করেছিলেন, পাশাপাশি নাদিম আহমেদের সঙ্গে তার বোলিং জুটি ছিল শক্তিশালী। এরপর বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ ধ্বংস হয়ে গেলে, হংকং ফিরে আসে এবং ম্যাচ জিতে যায়। এই জয়ের গল্প এভাবেই এগিয়ে চলে।

  • বিশাল জয় ওএসিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তানের

    বিশাল জয় ওএসিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তানের

    ২০২৫ এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখিয়েছে আফগানিস্তান। তারা হংকংকে ৯৪ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টের শুভ সূচনা করল। আবুধাবিতে প্রথমে ব্যাটিং করে আফগানিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান করে। তাদের শক্তিশালী ব্যাটিং বিভাগের জন্য এটি ছিল একটি চ্যালেঞ্জিং স্কোর। পাল্টা ব্যাট করে হংকং পুরো ২০ ওভার খেললেও তারা মাত্র ৯৪ রান করতে সক্ষম হয়, যা তারাও কোঁচড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ। তাদের ব্যাটসম্যানরা বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে গেলে, বিশেষ করে দুজন রানআউটের শিকার হন। একেবারে শুরুতেই আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যান বাবর হায়াত ৪৩ বলে ৩৯ রান করেন, এর পাশাপাশি অধিনায়ক ইয়াসিম মোর্তজাই ২৬ বলে ১৬ রান তৈরি করেন। অন্য সব ব্যাটসম্যানরা খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি। আফগানিস্তানের নেওয়েল গুলবাদিন নাইব ৮ রানে দুই উইকেট, ফজলহক ফারুকি ১৬ রানে ২ উইকেট পান। আফগান দলের ইনিংসের মূল শক্তি ছিল অতলmostly a low scoring match but the Afghan team’s dominance was evident throughout the game. আবুধাবিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক। অতলের ব্যাটে শুরুটা ভালো হলেও পরে তারা দুটি উইকেট হারায়, কিছু সময় চাপের মধ্যে পড়ে যায়। তবে, শেষদিকে আজমতউল্লাহ ওমরজাই দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফিফটি সংগ্রহ করেন। তার অকালীন ইনিংস ২০ বলে ৫৩ রানে শেষ হয়। আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রানে পৌঁছে যায়। হংকং এর পেসাররা কিছু ভালো বল করলেও তাদের কীভাবে উইকেটের জন্য সংগ্রাম করতে হয় সেটি এই ম্যাচে স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অন্যতম ঝঁকিপূর্ণ এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তান নতুন প্রকাশ পেয়েছে, এবং এশিয়া কাপের সুপারিশ সূচনায় তারা সৌন্দর্য্য ও শক্তির পরিচয় দিয়েছে।

  • বাংলাদেশকে সম্মান করলেও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হংকংয়ের আশা

    বাংলাদেশকে সম্মান করলেও আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হংকংয়ের আশা

    আগামী বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, এশিয়া কাপের ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে অপেক্ষাকৃত কম শক্তির দল হংকং, তবে দলটি বাংলাদেশকে আগাম হুমকি হিসেবেও দেখছে। হংকং এই ম্যাচে জয় তুলে পয়েন্ট সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে আত্মবিশ্বাসীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    মূলত, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের কারণে হংকং নিজেদের ক্ষমতায় ভরসা রাখছে। দলের কয়েকজন ক্রিকেটার যদি ভালো খেলেন, তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন অলরাউন্ডার নিজাকাত খান। তিনি বললেন, আমরা এই বিশ্বাসে ভরপুর। আমাদের দলে এমন খেলোয়ার রয়েছে যারা একাই ম্যাচ বদলে দিতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে নির্দিষ্ট দিনে যে খেলোয়াড় ভালো পারফরমেন্স করবেন, সেই দলই জিতবে। এই খেলা ২-৩ ওভারের, তাতে যদিও কারো পারফরমেন্স পুরো ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। টি-টোয়েন্টি সত্যিই এক রহস্যময় খেলা। কখন কি হবে, কেউ জানে না। আমাদের দল প্রস্তুত, এবং আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে খেলার জন্য উত্তেজিত।

    টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আতঙ্কের কোনো স্থান নেই। নির্দিষ্ট দিনে ভালো খেললে জেতাই অবধারিত। শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেললেও বা দুর্বল মনে হলেও ফলাফল পরিবর্তন হতে পারে। অতীতেও আমরা এমন দেখেছি। আমাদের লক্ষ্য হলো প্রথম বল থেকে নিজেদের সর্বোচ্চ দেওয়া। মুখিয়ে আছি খেলার জন্য।

    হংকং মনে করে, বাংলাদেশিরা কষ্টেই সহজে হারানো যাবে না। বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন লিগে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, যা তাদের বাড়তি তকৎ দেয়। নিজাকাত খান বলেন, ওদের অনেক ভালো ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার রয়েছে। তারা বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি লিগে খেলেছেন। এই খেলা আতঙ্কের কিছু নেই। নির্দিষ্ট দিনে যদি খেলোয়ারটি ভালো করেন, জেতা সম্ভব। শক্তিশালী বা দুর্বল দলের সঙ্গে খেললেও এই কথা প্রযোজ্য। অতীতেও দেখা গেছে, আমরা এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছি। আমরা আমাদের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত, প্রথম বল থেকে শুরু করে। খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।

    অতীতের এক অনুকরণীয় মুহূর্তে, ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে হংকং দুই উইকেটে জয় পেয়েছিল। সেই ম্যাচে নিজাকাত নিজ তিন উইকেট নিয়েছিলেন, যখন বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ১০৮ রান করে। হংকং তখন সেটি টপকিয়ে আরো দুই বল হাতে রেখেই জিতেছিল।

    নিজাকাত উল্লেখ করেন, ওই ম্যাচটি ছিল খুব বিশেষ একটি ঘটনা। বাংলাদেশকে দেশের মাটিতে হারানো খুব কঠিন। আমি ঐ ম্যাচের কথা এখনও মনে রেখেছি, আমরা খুব ভালো খেলেছিলাম। তখন বাংলাদেশ অনেক ভালো খেলছিল, কিন্তু আমরা আমাদের স্পিনের মাধ্যমে ম্যাচে ফিরি। এরপর ব্যাটিংয়ে আমরা ম্যাচ জিতে ফেলি। এটা ছিল আমাদের জন্য এক স্মরণীয় জয়। আমি তখন খুব ভালো বল করেছিলাম, নাদিম আহমেদের সঙ্গে আমার বোলিং জুটিও ছিল। এরপর বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ ধসে পড়ে, এবং আমরা সেখান থেকে ফিরে আসি।

  • ফাহমিদুল ও মোরসালিনের জোড়া গোলের ঝোড়ো উৎসবে বাংলাদেশ জয়ী

    ফাহমিদুল ও মোরসালিনের জোড়া গোলের ঝোড়ো উৎসবে বাংলাদেশ জয়ী

    এএফসি অনূ বয়স ২৩ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের যেন জ্বলে উঠলো শেষ মুহূর্তে। টানা দুটো ম্যাচে হেরেও মূল পর্বের জন্য সম্ভাবনা শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাই এই ম্যাচটি ছিল একপ্রকার নিয়ম-রক্ষা করার। ভিয়েতনামের সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলাটা ছিল মর্যাদাপূর্ণ ঘোষণা দেওয়ার সুযোগ। সেই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশ ৪-১ গোলে জয়ের স্বাদ নেয়।

    প্রথমার্ধে ম্যাচের চিত্র ছিল অনেকটা ভিন্ন। সিঙ্গাপুর প্রথম ৪৫ মিনিটে দুর্দান্ত খেলেছিল এবং বেশ কিছু গোলের সুযোগ মিস করে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ বেশ কিছু অসাধারণ সেভ করেন, যা বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরতে সহায়তা করে। দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ঝড় তোলে বাংলাদেশের তরুণরা। ৭০-৮২ মিনিটের মধ্যে ১০ মিনিটে বাংলাদেশ চারটি গোল করে।

    এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ইতালির প্রবাসী ফাহমিদুল। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে ডিফেন্ডারদের পেছনে ফেলে জোরালো একটি শট নেন তিনি, যা সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষক এই বলে প্রত্যাখ্যান করতে পারেননি। এটি ছিল ফাহমিদুলের বাংলাদেশের জার্সিতে প্রথম গোল।

    তার দুই মিনিটের মধ্যে আল আমিনের উদ্দেশ্যে একটি লং বল পাঠানো হয়। দুর্দান্ত দক্ষতায় সেটি রিসিভ করে দারুণ ফিনিশিং করেন আল আমিন, যার ফলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। এরপর আট মিনিটের মধ্যেই মহসিন আহমেদ লং বল থেকে একাকী শটে গোল করেন। এই গোলে দলকে আরও এগিয়ে দেন মহসিন। শেষে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশের অধিনায়ক শেখ মোরসালিন। ৮২ মিনিটে তিনি বক্সের উপর দারুণ এক শটে দলকে বড় জয় উপহার দেন। ইনজুরির সময় সিঙ্গাপুর এক গোল করে সম্মান ফিরে দেয়।

    বিশেষ উল্লেখ্য, ম্যাচের শেষ দিকে ইংল্যান্ডে থাকা কিউবা মিচেলকেও মাঠে নামান কোচ। এতে করে দলের গতি আরও বাড়ে এবং ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।

    প্রথম দুই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করতে পারেনি বাংলাদেশ, অথচ আজকের এই জয় অনেক দিন পরে ফিরে এল আনন্দের হাসি। বাফুফের প্রত্যাশা ছিল বাংলাদেশ এবার তাদের পারফরম্যান্স দেখিয়ে এএফসি মূলপর্বে উঠবে। এর জন্য প্রথমবারের মতো বাহরাইনে ২৩ দলের এই আসর আয়োজন করা হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশ ২টি ম্যাচ খেলেছিল। এত সব প্রস্তুতি সত্ত্বেও প্রথম দুই ম্যাচে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স না করলেও, আজকের জয় দেশের ফুটবল প্রেমীদের জন্য অনেকটাই প্রেরণা জোগাবে।

    মাস চারেক আগে ঢাকায় এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে বাংলাদেশ সিনিয়র দল ২-১ গোলে সিঙ্গাপুরের কাছে হেরেছিল। আজকের যুবদলের এই জয় যেন সেই হারভোলানো ব্যর্থতার পাহাড় কাটিয়ে নতুন আশার আলো দেখালো। এই জয়ে আগামী মাসে অক্টোবরের হংকং ম্যাচের জন্য অনেকটাই অনুপ্রেরণা পাবে বাংলাদেশ। ক্রিকেটের পাশাপাশি ফুটবলেও এই জয় দেখিয়ে দিল দেশীয় ফুটবল আজও প্রতিযোগিতার লড়াইয়ে টিকে আছে।

  • আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন পাকিস্তানের পেসার উসমান শিনওয়ারি

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন পাকিস্তানের পেসার উসমান শিনওয়ারি

    পাকিস্তানের হার্ডহিটার পেসার উসমান শিনওয়ারি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দীর্ঘ ক্যারিয়ার শেষ করেছেন। দেশের জার্সিতে তিনি একটি টেস্ট, ১৭টি ওয়ানডে এবং ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন ৩১ বছর বয়সে। তাঁর ক্রিকেট জীবন শুরু হয় ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুবাইয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে, যদিও এই ম্যাচে তিনি মাত্র এক ওভার বল করেছেন এবং উইকেটশূন্যই থাকেন। এরপর তিনি আরও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলেন। ২০১৭ সালের অক্টোবরে শারজায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাঁর প্রথম ওয়ানডে অভিষেক হয়। ২০১৯ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছেন তাঁর একমাত্র টেস্ট, যা ছিল তাঁর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। মূলত পিঠের চোটের কারণে তিনি এই দীর্ঘ ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেননি, বারবার চোটের কারণে নিয়মিতভাবে দলে থাকাও সম্ভব হয়নি।

  • অচল কাঠমান্ডু, আজ বাংলাদেশ দলের ফেরা হচ্ছে না

    অচল কাঠমান্ডু, আজ বাংলাদেশ দলের ফেরা হচ্ছে না

    নেপালে সরকারের বিরোধী আন্দোলনের কারণে দেশটির পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে। এর ফলে আজ বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচটি বাতিল করা হয়। ম্যাচটি দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু গতকালই সেটি অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে এই পরিস্থিতির कारण বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা এখন ঠিক সময়ে দেশে ফিরে আসতে পারছেন না। বাংলাদেশি হাইকমিশন তরফ থেকে সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, দেশটিতে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকতে।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এর উদ্যোগে, ম্যাচ বাতিলের পর বাংলাদেশের ফুটবলাররা আজই ফ্লাইটে ওঠে ঢাকায় ফিরে আসার পরিকল্পনা করেছিল। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় তাদের উড়োজাহাজের কথা ছিল। কিন্তু সেখানে চলমান কারফিউ ও ছাত্র-জনতার রাস্তায় নামে আসার কারণে পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। কাঠমান্ডুতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে এবং ফুটবলাররা হোটেল থেকে বাইরে আসতে পারেনি। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ফ্লাইট আপাতত বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের হোটেলে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের কারণে নেপালের সরকার প্রধান কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেছেন। এছাড়াও, পরিস্থিতির অবনতি ও নিরাপত্তার শঙ্কায় অবশেষে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে। সোমবারের পর থেকে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ফ্লাইটের উড্ডয়ন বন্ধ রয়েছে, যা পুরো দেশের বিমান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেছে।

  • বিশাল জয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    বিশাল জয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    ২০২৫ এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তান দারুণ বাস্তবতা দেখিয়েছে। আবুধাবিতে হংকংয়ের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর, আফগানিস্তান শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে। তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান সংগ্রহ করে।

  • সর্বকালের সেরা একাদশে ধোনি, কোহলি ও সাকিব

    সর্বকালের সেরা একাদশে ধোনি, কোহলি ও সাকিব

    এশিয়া কাপ ক্রিকেটের আসরটি খুব শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে। খেলা মাঠে গড়াবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। এইবারের টুর্নামেন্টের সব ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। বাংলাদেশ থেকে আজ সকালেই বাংলাদেশ দলের সদস্যরা দুটো দল হয়ে আমিরাতের উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন। অন্যদিকে, মহাদেশীয় শিরোপা জয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য বেশ কিছু আনন্দের খবর, যেখানে ইএসপিএন ক্রিকইনফো প্রকাশ করেছে সর্বকালের সেরা একাদশের তালিকা।

    এশিয়া কাপের আগেই ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো বিশ্লেষণ করে এশিয়ার সর্বকালের সেরা টি-টোয়েন্টি একাদশ। এই দলে রয়েছে ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচাইতে প্রভাবশালী ও কিংবদন্তি কিছু ক্রিকেটার, যার মাঝে বাংলাদেশের প্রবীণ অফ স্পিনার সাকিব আল হাসানের নামটি অবশ্যই জায়গা পেয়েছে।

    বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এশিয়ার সেরা এই একাদশে ওপেনার হিসেবে শ্রীলঙ্কার সনাথ জয়াসুরিয়া ও মাহেলা জয়াবর্ধনের নাম রয়েছে, যারা দীর্ঘ দিন ধরেই বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের কৃতিত্ব দেখিয়ে আসছেন। এরপর তিন নম্বরে মনোযোগ দেয়ার মতো ব্যাটসম্যান হিসেবে থেকে গেছেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

    অপরদিকে, টি-টোয়েন্টির মারকুটে ব্যাটসম্যান সূর্যকুমার যাদব, যিনি ওয়ানডে ক্রিকেটে এখনও নিজের সামর্থ্য প্রকাশের জন্য অপেক্ষা করছেন, তাঁকে রাখা হয়েছে চার নম্বর পজিশনে। সঙ্গে থাকছেন ভারতের ক্যাপ্টেন মহেন্দ্র সিং ধোনি, যিনি এই একাদশের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    সাকিব আল হাসক এই তালিকায় ছয় নম্বর পজিশনে অবস্থান করছেন, এবং তিনি একাদশের তিনজন অলরাউন্ডারদের মধ্যে একজন। আরো দুইজন অলরাউন্ডার হিসেবে আছেন পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি ও আফগানিস্তানের রশিদ খান।

    পেসার বিভাগে সুযোগ পেয়েছেন উমর গুল (পাকিস্তান), জশপ্রীত বুমরা (ভারত) ও লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা)। এই বিশ্লেষণ ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে কাজ করবে, যেখানে তারা দেখতে পাবেন ক্রিকেটের ইতিহাসে স্মরণীয় কিছু নাম একত্রিত হয়েছে।

  • আর্জেন্টিনার মাঠে শেষ ম্যাচে মেসি কাঁদলেন, সবাইকে কাঁদালেনও

    আর্জেন্টিনার মাঠে শেষ ম্যাচে মেসি কাঁদলেন, সবাইকে কাঁদালেনও

    আজেন্টিনা-ভেনেজুয়েলা ম্যাচটি হয়ে উঠেছে ‘মেসিময়’। কারণ, আর্জেন্টিনার প্রাণভোমড়া লিওনেল মেসি আজ দেশের মাঠে দেশের জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলেছেন। ম্যাচে তিনি কীভাবে খেলছেন, তা জনপ্রিয়তা আর আবেগের বাঁধ মানাতে পারেননি। কিছু সময় পরপর তাঁর চোখে অশ্রু ঝরছিল।

    বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মাস মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় আর্জেন্টিনা-ভেনেজুয়েলা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ। এই ম্যাচ দেখতে এসেছিলেন তাঁর স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো ও তিন ছেলে। জাতীয় সংগীতের সময় মেসির সঙ্গে ছিলেন তাঁর তিন ছেলে। ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়ার লেখা বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ছবিও তুলেছেন আর্জেন্টাইন তারকা ফরোয়ার্ড। এমনকি জাতীয় সংগীতের সময় মেসি ও তাঁর তিন ছেলের সঙ্গে ছবি তুলেছেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড় এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও রদ্রিগো দি পলরা।

    আগেই জানা ছিল যে, আর্জেন্টিনার মাঠে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে মেসি খেলতে নামবেন। ২৮ আগস্ট লিগস কাপের সেমিফাইনাল শেষে তাঁর ভাষণ এবং তার কয়েক ঘণ্টা পরই ঘোষণা হয় দলের, যেখানে লেখা ছিল ‘মেসির লাস্ট ড্যান্স’—অর্থাৎ এটি তাঁর শেষ ম্যাচ। অন্যান্য সময় মেসি যখন খেলতেন, তখন বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম উৎসবের মুখর থাকত। কিন্তু আজ উৎসবের বদলে, দেশের মাঠে তাঁর পথে থাকার দর্শকদের হৃদয় স্পর্শ করেছে তাঁর বিদায়বরণের অনুভূতি। গ্যালারিতে বড় করে টাঙানো ছিল মেসির বিশ্বকাপ ট্রফির ছবি। সেই ট্রফির ছবি দেখে সবাই বুঝতে পেরেছে, ২০২২ সালে তিনি সেই স্বপ্নের বিশ্বকাপের স্বাদ পেয়েছেন।

    মেসি দেশের মাঠে বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে ছিলেন পুরো ৯০ মিনিট। তাঁর পায়ে বল গেলে, দর্শকদের গলা ফেটে ওঠে ‘ওলে, ওলে, ওলে…মেসি, মেসি, মেসি’ গান ভাষায়। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাঁর স্ত্রী রোকুজ্জো কয়েকবার দেখতে লাগলেন। ম্যাচের শেষের দিকে তাঁর মুখ ম্লান হয়ে যায়, কারণ তিনি বুঝতে পারছিলেন যে, এটি তাঁর আর্জেন্টিনা জার্সিতে শেষ ম্যাচ।

    ঘরের মাঠে এই ম্যাচে মেসি দুটি গোল করেন—৩৯ ও ৮০ মিনিটে। এর মধ্যে ৭৬ মিনিটে গোল করেন লিওঁ মার্তিনেজ। হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও ছিল, তবে ৮৯ মিনিটে রদ্রিগো দি পলের অ্যাসিস্টে মেসি গোল করেন, কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) নিয়মে অসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

    অবশ্য, এই ম্যাচ শেষ হলেও, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) জানিয়েছে যে, বিশ্বকাপের আগে জুনে সম্ভবত নতুন এক প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করতে পারে। তবে, এই ম্যাচই হয়ে উঠতে পারে মেসির আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ।

    আর্জেন্টিনার শেষ ম্যাচ হবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে। এটি অনুষ্ঠিত হবে ১০ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টায়, মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে। বর্তমানে ১৭ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা বাছাইপর্বের শীর্ষে রয়েছে আর্জেন্টিনা।

  • জাতীয় দলে খেলতে হলে প্রথমে দেশে ফিরতে হবে, মামলা লড়তে হবে

    জাতীয় দলে খেলতে হলে প্রথমে দেশে ফিরতে হবে, মামলা লড়তে হবে

    তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান—দেশের ক্রিকেটের দুটি বড় নাম। একসময় তাদের বন্ধুত্বের গল্প শোনা গেলেও এখন তারা দুই মেরুতে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের খবরও আমাদের কাছে প্রখ্যাত। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সাকিব এক বছর ধরে দেশের বাইরে থাকছেন, অন্যদিকে বিসিবির নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত তামিম ইকবাল।

    দেশান্তরিত থাকায় দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের বাইরে থাকছেন সাকিব। সম্প্রতি, সেই অবস্থাকে কি পরিবর্তন করবেন, এ প্রশ্ন উঠে এসেছে। বেশ কিছু সময় আগে থেকেই জানা যায়, তামিম বোর্ড সভাপতি হলে আবারও সাকিব জাতীয় দলে ফিরতে পারেন কি না—এ বিষয়টি নিয়েও আলোচনা আছে।

    সম্প্রতি ডেইলি ক্রিকেটের এক পডকাস্টে তামিম স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘উনি একজন সক্রিয় ক্রিকেটার। ক্রিকেটার হিসেবে উনি এখনও বাংলাদেশের হয়ে খেলার যোগ্য। যদি তিনি এই সময়টায় ফিট থাকেন, অনুশীলনে থাকেন এবং সেটা নির্বাচকমণ্ডলী মনে করেন, তাহলে অবশ্যই তিনি দলে ফিরে আসতে পারবেন। তবে তাকে দেশের বাইরে ফেরার বিষয়টা আমার হাতে নেই। এগুলো আইনি বিষয়, যেখানে আমার কিছু করার নেই।’

    আরও উল্লেখ করেছেন, সাকিব আগে একটি এমপি পদে থাকতেন নির্দলীয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারে। জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর তার বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা দাখিল হয়, যার মধ্যে হত্যা মামলাও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, তামিম বলেন, ‘আমি দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। যদি সাকিব এসব মামলার মুখোমুখি হতে পারেন এবং দীর্ঘ সময়ের খেলাধুলার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তার জন্যই দরজা খোলা। তিনি একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার, পর্তুগিজ বা আমেরিকান নন।’

    তামিম আরও যোগ করেছেন, ‘জাতীয় দলে খেলতে হলে সাকিবকে আগে দেশে ফিরতে হবে। দেশের জন্য খেলা, অনুশীলন—allই তার নিজের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। আমি এটা বলতে পারি না যে, তিনি কি করবেন। তবে এটুকুই বলতে পারি, এসব তারই সিদ্ধান্ত। কারণ, তার ক্যারিয়ার, তার দেশ—এ সবই তার নিজস্ব বিষয়।’