Category: খেলাধুলা

  • বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর সুযোগ, সুপার ফোরে যেতে পারবে কি?

    বাংলাদেশের সামনে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর সুযোগ, সুপার ফোরে যেতে পারবে কি?

    সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটে এশিয়ার এক রাইভালরি হিসেবে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার লড়াই আরও উত্তেজনাময় হয়ে উঠেছে। এশিয়া কাপে একই গ্রুপে থাকায় এই দুটি দলের মধ্যে ম্যাচের প্রত্যাশা করছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। হংকংয়ের বিপক্ষে জয় দিয়ে শুরু করে টাইগাররা এখন পরের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান ও ক্রিকেট বিশ্লেষক ওয়াসিম জাফর মনে করেন, শ্রীলঙ্কাকে হারাতে পারলেই বাংলাদেশ সুপার ফোরের পথে এগিয়ে যাবে।

    অতীতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচগুলি ছিল উত্তেজনাময় পরিস্থিতি তৈরি করে। বিশেষত ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফির পর থেকে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালে আচমকাই হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, যখন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসের টাইমড আউটের ঘটনা ঘি ঢেলে দেয়। এশিয়া কাপের সুপার ফোরে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার জয় খুবই জরুরি।

    বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে সহজেই হংকংকে হারিয়েছে। পরবর্তীতে তাদের মুখোমুখি হবে আফগানিস্তানের সঙ্গে। এর অর্থ, শ্রীলংকার বিপক্ষে জয়টি দলের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ইতিমধ্যেই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কা এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের জন্য একটু দেরিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসেছে, এর আগে জিম্বাবুয়েতে সিরিজও খেলেছে তারা।

    শ্রীলঙ্কার প্রথম ম্যাচ হতে যাচ্ছে ১৩ সেপ্টেম্বর, যেখানে প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ। অন্যদিকে, বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশকে এক ধরণের সুবিধা দিচ্ছে বলে মনে করেন ওয়াসিম জাফর। তিনি বলেন, ‘আমার ধারণা, এই সূচি বাংলাদেশকে অনেকখানি সুবিধা দিয়েছে। তারা ইতিমধ্যেই এক জয় পেয়েছে এবং কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারেও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তাই এই ম্যাচটি শ্রীলঙ্কার চেয়ে বাংলাদেশের জন্য অনেক সহজ।’

    তবে, কন্ডিশনের সুবিধা হলেও তরুণ লিটন দাসদের জন্য যেখানে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অপার পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যানও গুরুত্বপূর্ণ। তবুও জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর সেই চেহারা খানিকটা বদলে গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ সুপার ফোরে যেতে পারে যদি তারা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভালো করার সুযোগ নিতে পারে।

    উল্লেখ্য, ওয়াসিম জাফর মনে করেন, ‘বাংলাদেশকে কখনই আপনি সুপার ফোরের হিসেবের বাইরে রাখতে পারবেন না। তারা ইতিমধ্যে কন্ডিশন জানে, এক ম্যাচ খেলেছে। শ্রীলঙ্কা প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে। যদি বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে এই ম্যাচে হারিয়ে দেয়, তাহলে তারা স্বয়ং সুপার ফোরের প্রবেশের পথ খুলে যাবে।’

  • ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশ

    ৭ উইকেটের জয় নিয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশ

    হংকংয়ের বিপক্ষে একমাত্র প্রতিপক্ষের সাথে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দল বড় ব্যবধানে জয় লাভ করেছে। এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের সংগ্রামরত শত্রু হংকংয়ের বিরুদ্ধে মাঠে শক্তিশালী উপস্থিতি দেখিয়েছে। আবুধাবির আবু জায়েদ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় যেখানে হংকংয়ের দেয়া ১৪৪ রানের লক্ষ্য সহজেই অর্জন করে টাইগাররা।

    ম্যাচের শুরুতেই ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন উড়ন্ত ইনিংস শুরু করেছিলেন। তবে কিছুক্ষণ পরই তিনি ১৪ বলে ১৯ রান করে আয়ুশ শুকলার বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর তানজিদ তামিমের সাথে লিটন দাস দলের পরিস্থিতি সামাল দেন। তামিমের বিদায়ের পরে তানজিদ ১৪ রান করার পরে ফিরে যান, তবে লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয় দলের জন্য পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে থাকেন।

    দলের ৫০ রানের জুটি গড়ে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন অধিনায়ক লিটন দাস, যার জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৪ রান। হৃদয় দলের জয় নিশ্চিত করতে সহায়তা করেন এবং অবসান ঘটান ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    অন্যদিকে, বাংলাদেশ টস জিতে আগে বল করতে চয়ন করে, যেখানে হংকংয়ের দল নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান তোলে। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন নিজাকাত খান, ৪২ রান। বাংলাদেশের জন্য সেরা বোলার ছিলেন তানজিম সাকিব, যিনি ২ উইকেট নেন।

    তাসকিন আহমেদ তার প্রথম ওভারেই প্রতিপক্ষে ব্যাটসম্যান অংশুমান রাথকে ক্যাচ ধরিয়ে ফেরান। এরপর তিনি আরও দু’টি উইকেট লাভ করেন, যার মধ্যে বাবর হায়াত ও জিসান আলীর গুরুত্বপূর্ণ উইকেট রয়েছে। তানজিম সাকিব আরও দুটি উইকেট নেন, একেবারে শেষ ওভারে আইজাজ খানকে আউট করেন।

    পরবর্তী ম্যাচে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার সাথে মুখোমুখি হবে, যা আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। এই জয় দিয়ে বাংলাদেশি দল এশিয়া কাপের শুভ সূচনা করেছে, সতেজ আত্মবিশ্বাসের সাথে পরবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুত হচ্ছে।

  • আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানি পেসার উসমান শিনওয়ারি

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানি পেসার উসমান শিনওয়ারি

    পাকিস্তানের প্রখ্যাত পেসার উসমান শিনওয়ারি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন। দেশটির জার্সিতে তিনি খেলেছেন একটি টেস্ট, ১৭টি ওয়ানডে ও ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। তার বয়স এখন ৩১ বছর।

    শিনওয়ারির আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটে ২০১৩ সালের ডিসেম্বর, যখন তিনি শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুবাইয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তবে প্রথম ম্যাচে তিনি এক ওভারে বল করে উইকেটশূন্য থাকেন। এরপর তিনি আরও তিনটি টি-টোয়েন্টিতে খেলেছেন। ২০১৭ সালে শারজায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তার ওয়ানডে অভিষেক হয়।

    ২০১৯ সালে ডিসেম্বরে রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্ট ম্যাচটি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষের দিকে আসে। মূলত পিঠের চোটের কারণে তার খেলার সময়কাল বেশি লম্বা হয়নি। নিয়মিত চোটের ফলে তিনি দলে নিয়মিত থাকতে পারেননি।

    ওয়ানডেতে তার সেরা পারফরম্যান্স ছিল অভিষেকের দ্বিতীয় ম্যাচে, ২০১৭ সালে শারজায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। ওই ম্যাচে তিনি ২১ বলের মধ্যে ৫ উইকেট নিয়ে ৩৪ রানে পাঁচ উইকেট শিকার করেন। আবার ২০১৯ সালে করাচিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিজের শেষ ওয়ানডেতেও তিনি পাঁচ উইকেট নেন।

    মাত্র ১৯ বছর বয়সে তিনি আলোচনায় আসেন যখন বিভাগীয় টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে নিজেকে প্রমাণ করেন। মিসবাহ-উল-হকের নেতৃত্বাধীন নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের বিপক্ষে ৩।১ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট তুলে নেন। সেই পারফরম্যান্সের পরই তাকে জাতীয় দলে ডাক দেয়া হয়। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে তার পারফরম্যান্স আরও দৃঢ় হলেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে টিকিয়ে রাখতে পারেননি। এবার তিনি ক্রিকেটের বিশ্ব থেকে অবসর নিচ্ছেন, এই তার কাঁধে সতেজ এক বিদায়ের গল্প।

  • বিশ্বকাপে সব ম্যাচ কাউন্সিলই নারী, বাংলাদেশি জেসি রয়েছেন

    বিশ্বকাপে সব ম্যাচ কাউন্সিলই নারী, বাংলাদেশি জেসি রয়েছেন

    ক্রিকেটের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে আইসিসি। এবারের নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপে সব ম্যাচের অফিসিয়াল দলের সদস্যরা সবাই নারী। বাংলাদেশ থেকে একজন নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসের মধ্যে রয়েছেন জেসি নামে পরিচিত সাথিরা জাকির। আইসিসি জানিয়েছে, এই প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ নারী দলের মধ্যেই দায়িত্ব পালন করব তারা।

    অতীতে ২০২২ কমনওয়েলথ গেমস এবং শেষ দু’টি আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য নারী অফিসিয়ালরা দায়িত্ব পালন করেছিলেন, কিন্তু এবারই প্রথম একসাথে পুরো টিম হিসেবে নারী অফিসিয়ালরা বিশ্বকাপের সব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করবেন।

    বিশ্বকাপের জন্য ১৪ জন আম্পায়ারদের মধ্যে বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে রয়েছেন সাথিরা জাকির জেসি। তার সঙ্গে রয়েছেন ক্লেয়ার পোলসাক, জ্যাকুলিন উইলিয়ামস এবং সু রেডফার্ন— যারা তৃতীয়বারের মতো নারী বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া লরেন অ্যাগেনবাগ এবং কিম কটন রয়েছেন তাদের দ্বিতীয়বারের জন্য। গত ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আসরে তারা অস্ট্রেলিয়ার সপ্তম শিরোপা জয়ের সময় দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

    ম্যাচ রেফারির দলে রয়েছেন ট্রুডি অ্যান্ডারসন, শান্দ্রে ফ্রিটজ, জি.এস. লক্ষ্মী এবং মিশেল পেরেইরা। এঁরা ভারত ও শ্রীলঙ্কায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া নারী বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন করবেন।

    আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহ বলেছেন, “সম্পূর্ণ নারী অফিসিয়াল প্যানেল নারী ক্রিকেটের জন্য একটি ঐতিহাসিক মূহূর্ত এবং এটি ভবিষ্যতেও আরও সফলতার পথ দেখাবে। এটি লিঙ্গ সমতা অর্জনের এক বড় পদক্ষেপ।” তিনি আরও বলেছিলেন, “এটি নারী ক্রিকেটের যাত্রায় এক মাইলফলকের মুহূর্ত, যা ক্রিকেটের প্রতিটি ক্ষেত্রে আরও নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। নারী ম্যাচ অফিসিয়ালসদের অন্তর্ভুক্তি কেবল একটি মাইলফলক নয়, এটি আইসিসির লিঙ্গসমতার প্রতিশ্রুতিরও প্রতিফলন।”

    ম্যাচ অফিসিয়ালসের মধ্যে রয়েছেন:
    – আম্পায়ার: সাথিরা জাকির জেসি, বৃন্দা রাঠি, কান্দেস লা বোর্দে, সুই রেডফার্ন, কেরিন ক্লাস্তে, এলোইস শেরিদান, ক্লেয়ার পোসাক, লরেন অ্যাগেনবাগ, গায়ত্রী ভেনুগোপালান, নারায়ণ জননী, নিমালি পেরেরা, জ্যাকুলিন উইলিয়ামস, কিম কটন ও সারাহ ড্যামনেভানা।
    – ম্যাচ রেফারি: ট্রুডি অ্যান্ডারসন, শান্দ্রে ফ্রিটজ, জি.এস. লক্ষ্মী এবং মিশেল পেরেইরা।

  • বিশাল জয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    বিশাল জয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু আফগানিস্তানের

    ২০২৫ এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টির উদ্বোধনী ম্যাচে আফগানিস্তান যেন অন্যরকম শক্তি দেখিয়েছে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে হংকংকে বিশাল ৯৪ রানের ব্যবধানে হারিয়ে তারা বড় ধরণের মনোবল যোগায়। আবুধাবিতে শুরুতেই ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রান সংগ্রহ করে। জবাবে হংকং نے পুরো ২০ ওভার খেলে ৯ উইকেটে ৯৪ রানে থেমে যায়। ১৮৯ রান লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিং করতে নেমে হংকংয়ের শুরুটা খারাপ হয়। ২২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে তারা আর রক্ষা পায়নি। চার ব্যাটারের মধ্যে দুজনই রানআউট হন। অন্যদিকে, বাবর হায়াত ৪৩ বলে ৩৯ এবং অধিনায়ক ইয়াসিম মোর্তজাই ২৬ বলে ১৬ রান করে লড়াই চালিয়ে যান। তবে বাকিরা এ ম্যাচে অসহায়ই থেকে যান। আফগান সাধারণ গুলবাদিন নাইব ৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন, ফজলহক ফারুকি ১৬ রানে ২ উইকেট শিকার করেন। ইনিংসের শুরুতে অতল আলি শেষ পর্যন্ত এক প্রান্ত ধরে খেলতে থাকেন এবং শেষ দিকে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। এই তারকার ফিফটির মাধ্যমে আফগানিস্তান ৬ উইকেটে ১৮৮ রান তোলায় সক্ষম হয়। আবুধাবিতে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করবে বলে সিদ্ধান্ত নেয় আফগানরা। শুরুতেই অতলের ব্যাটে ভালো সূচনা হলেও, দ্রুতই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দল। প্রথম ওভারে মেইডেন দেন হংকংয়ের পেসার, এরপরই ভেঙে যায় তাদের ভিত। রহমানুল্লাহ গুরবাজ এবং আতিক ইকবাল দ্রুতই ফিরে যান, ফলে প্রথম পাওয়ার প্লে’তে আফগানরা ২৬ রানে ২ উইকেট হারায়। এরপর অতল আলি এবং মোহাম্মদ নবি ৫১ রানের জুটি গড়ে দলের পরিস্থিতি সামলে নেয়। ১০ ওভারে ৭৭ রান নিয়ে অবস্থান করে আফগানিস্তান। ১১তম ওভারে কিনচিত শাহ প্রথম বলেই নবি ও নাইবকে তুলে নেন। অতল আলি তার ফিফটি ৪১ বলে পূরণ করেন। এরপর বড় ঝড় তোলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই, যিনি মাত্র ২০ বলেই ফিফটি করে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত ৫৩ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। আফগান ওপেনার অতল আলি ৫২ বলে ৭৩ রানে অপরাজিত থাকেন, যার মধ্যে ৬ চার ও ৩ ছক্কা ছিল। হংকংয়ের কিনচিত শাহ ও আয়ুশ শুক্লা দুজনই দুটি করে উইকেট নেন। এই জয়ে আফগানিস্তান তাদের শক্তি প্রমাণ করে যায় এবং টুর্নামেন্টের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

  • ফাহমিদুল ও মোরসালিনের গোলে বাংলাদেশ জিতল সিঙ্গাপুরকে

    ফাহমিদুল ও মোরসালিনের গোলে বাংলাদেশ জিতল সিঙ্গাপুরকে

    এএফসি অ-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশ দলের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চমকপ্রদ পারফরম্যান্স দেখালো। টানা দুই ম্যাচ হেরে মূল পর্বের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে যাওয়ার পর, আজ ভিয়েতনামের মুখোমুখি অবশেষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলতে নামে। এ ম্যাচে জয় পেতে হলে অবশ্যই জয়লাভ করতে হবে, আর সেই লক্ষ্যেই প্রথম থেকে উদ্দীপনাপূর্ণ খেলা শুরু করে বাংলাদেশ।

    ৭০ থেকে ৮২ মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশের আক্রমণ যেন ঝড় হয়ে আসে, যেখানে তারা একই সময়ে চারটি গোল করে। এই সময়ে অসাধারণ দুটি গোল করেন ইতালির প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল। তিনি প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক শট নেন এবং সেই বল সরাসরি গড়িয়ে যায় সিঙ্গাপুরের জালটিতে, যা ছিল তার দেশের হয়ে প্রথম গোল।

    তাঁর এই দুর্দান্ত শটের দুই মিনিট পরই বাংলাদেশ দ্বিগুণ করে ব্যবধান। আল আমিনের জন্য লং পাস দেন, যেখানে তিনি দুর্দান্ত কনট্রোল ও ফিনিশিং করে গোল করতে সক্ষম হন। সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষক বক্সের বাইরে থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও সেভ করতে পারেননি।

    ৮২ মিনিটে দলের ক্যাপ্টেন শেখ মোর্শালিন আরও এক গোল করেন। লং বল থেকে দুর্দান্ত এক জোড়া শটে কৌশলগতভাবে তিনি ডিফেন্ডারদের সামনে থেকে বল জালায়। এর কিছুক্ষণ পরে, ইনজুরি সময়ে সিঙ্গাপুরের এক গোল শোধ করে। তবে এর আগে ম্যাচের প্রথমার্ধে সিঙ্গাপুর খুবই শক্তিশালী ছিল। তারা বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ নষ্ট করে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ বেশ কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ করেন এবং দলের রুখে দাঁড়ান। যদি না তিনি সেগুলো পারতেন, হয়তো বাংলাদেশ এই ম্যাচে হারত।

    আজকের এই অসাধারণ জয়ে বাংলাদেশ অ-২৩ দল কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে। যেমন করে কোচ সাইফুল বারী টিটু হোটেলে ফিরে আসলেও সহকারী কোচ হাসান আল মামুন ডাগ আউটে ছিলেন। প্রথমে ফাহমিদুলকে শুরুতে খেলানো হয়নি, কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে তাকে নামানোর পরই খেলার চিত্র বদলে যায়। ফাহমিদুল ও আল আমিনের গতি ও স্কিলের উপর ভর করে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের ডিফেন্সকে বিভ্রান্ত করে। বিশেষ করে, ঠিক যখন শেষের দিকে আক্রমণ বাড়ে, তখন ইংল্যান্ড প্রবাসী কিউবা মিচেলকেও খেলানো হয়।

    এএফসি অ-২৩ টুর্নামেন্টের গত দুই বছর বাংলাদেশ কোনও ম্যাচে জয় পায়নি, এমনকি গোলও করতে পারেনি। তবে আজকের এই জয় বেশ খুশির বিষয়, যা অনেক দিন পর আসল। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্রত্যাশা ছিলো, এবারের সরাসরি মূল পর্বে যেতে পারে দল। এর জন্য তারা বাহরাইনে গিয়ে ২৩ দলের মধ্যে থাকার সুযোগ পায় ও দুটি প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলে, কিন্তু প্রথম দুই ম্যাচে পারফরম্যান্স বেশ খারাপ ছিল। তবে আজকের সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে জয় সেই হতাশা কিছুটাই কমিয়ে দিতে পারে।

    প্রায় চার মাস আগে ঢাকায় অ্যাশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশের তৎকালীন সেন্টার দল ২-১ গোলে সিঙ্গাপুরের কাছে হেরেছিল। সেই পর্বে হামজা-সামিতরা কোচের পরিকল্পনায় সফল না হলেও, আজ অ-২৩ দলের তরুণ ফুটবলাররা মনে করছে যে, এই জয়টিই তাদের নতুন স্বপ্ন দেখানোর সূচনা। ভবিষ্যতের জন্য এই জয় একটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে, যেখানে দেশের ফুটবল উন্নয়নের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার আশা জাগে।

  • ৭ উইকেটে জিতে এশিয়া কাপের সূচনা জানাল বাংলাদেশ

    ৭ উইকেটে জিতে এশিয়া কাপের সূচনা জানাল বাংলাদেশ

    হংকংয়ের বিপক্ষে একমাত্র ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে এবার পুরোপুরি ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামে বাংলাদেশ। এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টাইগাররা দুর্দান্ততাকে বজায় রেখেছে এবং বড় ব্যবধানে জয়ের স্বাদ গ্রহণ করেছে। আবুধাবির আবু জায়েদ স্টেডিয়ামে এই ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে ছিল ১৪৪ রানের লক্ষ্য। ব্যাট হাতে শুরু করেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন, যিনি প্রথম কিছুটা ঝড় তোলার চেষ্টা করেন। তবে দ্রুত ১৪ রান করেই আয়ুশ শুকলার শিকার হন। এরপর তানজিদ তামিমকে নিয়ে ইনিংসটি মেরামতের কাজ শুরু করেন লিটন দাস। ১৮ বলে ১৪ রান করে তামিমও ফিরে গেলে চাপ কিছুটা বেড়ে যায়। তবে লিটন ও তাওহীদ হৃদয় পরিস্থিতি সামাল দেন, দুজনের জোড়া জুটিতে দল শতাধিক রান পার করে। অধিনায়ক লিটন ৩৩ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন, তখন দলের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১৪ রান। হৃদয়ও দারুণ সঙ্গে দেন, কিন্তু দলকে জয় নিশ্চিত করার শেষ মুহূর্তে ৫৯ রান করে আউট হন লিটন। দলের জয় তখন বেশ কাছাকাছি, রইলেন ৩৫ রানে অপরাজিত। আগে টসে জিতে বাংলাদেশ শুরু করে বল হাতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। হংকং প্রথমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন নিজাকাত খান। বাংলাদেশ তারকা বোলার তানজিম সাকিব দুটি উইকেট নেন, যেখানে প্রথম উইকেটটি পান তিনি উঠে। এরপরই শুরু হয় হংকংয়ের ঝলক, ওপেনার অংশুমান রাথকে গ্রেফতার করেন তাসকিন আহমেদ। অন্যদিকে, বাবর হায়াতকে ধীরস্থিরভাবে আউট করেন। জিসান আলী ও নিজাকাত খান জুটি গড়লেও এরপর দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে দলটি। ইয়াসিম মুরতেরজা আক্রমণাত্মক ইনিংস খেললেও, রান আউট হয়ার পর দল আরও দ্রুত পড়ে যায়। শেষদিকে, রিশাদ হোসেন নিজাকাত খানের উইকেটটি তুলে নেন এবং তাসকিন শেষ ওভারে আইজাজ খানকে আউট করে হংকংয়ের প্রতিরোধ ভেঙে দেন। আগামী শনিবার বাংলাদেশ তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে।

  • ফাহমিদুল ও মোরসালিনের গোলের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ জিতলো সিঙ্গাপুরকে

    ফাহমিদুল ও মোরসালিনের গোলের সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ জিতলো সিঙ্গাপুরকে

    এএফসি অ-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাই পর্বে বাংলাদেশের যুব দল দুর্দান্ত ফিরে এসেছেন। টানা দুই ম্যাচ হারার পর তাদের মূল পর্বে খেলা এখন অপ্রাশ্রিত হয়ে পড়েছিল। তবে আজভিয়েতনামে অনুষ্ঠিত শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বড় এক সুখবর। এই ম্যাচটি ছিল মূলত ব্যবচ্ছেদের জন্য, কারণ অলিখিতভাবে বাংলাদেশের মূল পর্বের সম্ভাবনা শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু খেলার শেষে বাংলাদেশ ৪-১ গোলে জয়লাভ করে সবাইকে অবাক করে দিল।

    ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ১০ মিনিটে বাংলাদেশের ছয়টি গোলের প্রবল আক্রমণে সিলেট হয়ে ওঠে। এই সময়ে বাংলাদেশের আক্রমণ বেশ জোরালো ছিল। প্রথম গোলটি করেন ইতালির প্রবাসী বাংলাদেশের তরুণ ফুটবলার ফাহমিদুল। ৩০ গজ দূর থেকে ডিফেন্ডারদের পেছনে ফেলে এক জোরালো শটে গোলটি করেন তিনি। সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষক তার শটটি পার হচ্ছেন না। এই গোলটি ছিল ফাহমিদুলের বাংলাদেশের জার্সিতে প্রথম গোল।

    এর দুই মিনিটের মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয় গোলটি করে। ফরোয়ার্ড আল আমিনের উদ্দেশ্যে লং বল পাঠানো হয়, আল আমিন সেটি দারুণভাবে রিসিভ করে দারুণ এক ফিনিশিংয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। সিঙ্গাপুরের গোলরক্ষক বক্স থেকে বেরিয়ে আসলেও গোল ঠেকাতে পারেনি।

    পরের ম্যাচে মহসিন আহমেদ গেল করেন। এটি আবারও এক লং বল থেকে। সিঙ্গাপুর ডিফেন্ডার বলটি ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে না পারায় মহসিন সেটি রিসিভ করে এককাকুনি শটে গোল করেন। তার এই দুর্দান্ত গোলের মাধ্যমে দলের অধিনায়ক শেখ মোরসালিন ৮২ মিনিটে দলের চতুর্থ ও শেষ গোলটি করেন। এই গোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ বড় জয় আসে। ইনজুরি সময়ে সিঙ্গাপুর একটি consolation গোল করতে সক্ষম হয়।

    প্রথমার্ধের চিত্র ছিল ভিন্ন, যেখানে সিঙ্গাপুরের খেলাটি ছিল বেশ ভালো। তারা বেশ কিছু গোলের সুযোগেরই হাতছাড়া করে। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ বেশ কয়েকটি অসাধারণ সেভ করেন। যদি না তিনি গুরুত্বপূর্ণ কিছু সেভ করতেন, হয়তো বাংলাদেশ এই ম্যাচে আরও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতো।

    দলের হেড কোচ সাইফুল বারী টিটু হাসপাতালে থাকায় ডাগ আউটে ছিলেন তার সহকারী কোচ হাসান আল মামুন। আজকের ম্যাচে প্রথমে ফাহমিদুল ইসলামকে দলের বাইরে রাখা হয়, তবে দ্বিতীয়ার্ধে তাকে মাঠে নামানো হলে পরিস্থিতি বদলে যায়। ফাহমিদুলের গতি ও স্কিলের কারণে সিঙ্গাপুরের ডিফেন্স অনেকটাই ভেঙে যায়। শেষ দিকে ইংল্যান্ডে প্রশিক্ষণ নেওয়া কিউবা মিচেলকেও খেলায় আনা হয়।

    অ-২৩ দলের এই জয়টি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিগত দুই আসরে তারা কোনো ম্যাচই জিততে পারেনি, গোলের মুখ দেখেনি। আজকের এই জয় অনেক দিনের হতাশার মাঝে স্বস্তির সঞ্চার করেছে। বিগত সময়গুলোতে বাংলাদেশের প্রত্যাশা ছিল এএফসি’র মূল পর্বে খেলার, এবং এর জন্য তারা বিশাল প্রস্তুতি নিয়েছিল। বাহরাইনে প্রথমবারের মতো ২৩ দলকে পাঠিয়ে দুটি ম্যাচের ব্যবস্থা করলেও প্রথম দুই ম্যাচে সুবিধা করতে পারেনি। আজকের জয় দেশের ফুটবলসংগঠনের জন্য নতুন দিগন্তের সূচনা।

    অক্টোবরের এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে হংকং ম্যাচের জন্য এই জয় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। মাস চারেক আগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে বাংলাদেশ ভিটামিনের মতো সিঙ্গাপুরের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল। আজ অ-২৩ দলের এই জয়ে দেশের ফুটবল জাগরণ ফিরে আসার আশা জেগেছে। এই জয় আসন্ন চ্যালেঞ্জের জন্য দলের মনোবল বাড়াবে এবং ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বার্তা দেবে।

  • আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন পাকিস্তানি পেসার উসমান শিনওয়ারি

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন পাকিস্তানি পেসার উসমান শিনওয়ারি

    পাকিস্তানের পেসার উসমান শিনওয়ারি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দীর্ঘ ক্যারিয়ার শেষ করে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানিয়েছেন। দেশের জার্সিতে তিনি একটি টেস্ট, ১৭টি ওয়ানডে এবং ১৬টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন, তাঁর বয়স মাত্র ৩১ বছর।

    শিনওয়ারির আন্তর্জাতিক অভিষেক হয় ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে। প্রথম ম্যাচেই তিনি এক ওভার বল করে উইকেটশূন্য থাকেন। এরপর তিনি আরও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন। ওয়ানডেতে তার অভিষেক ঘটে ২০১৭ সালের অক্টোবরে শারজায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। বলে তখনই তিনি দারুণ সফলতা অর্জন করেন।

    তবে তার প্রথম ও শেষ টেস্ট ম্যাচটি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে রাওয়ালপিন্ডিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলা হয়, যা ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। মূলত পিঠের চোটের কারণে তার ক্যারিয়ার লম্বা হয়নি; বারবার চোটে পড়ে তিনি নিয়মিত দলে থাকতে পারেননি।

    ওয়ানডেতে তার সেরা পারফরম্যান্সটি ছিল অভিষেকের দ্বিতীয় ম্যাচে, যখন তিনি শারজায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২১ বলের মধ্যে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ৩৪ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন। ২০১৯ সালে করাচিতে সম্ভবত তার ক্যারিয়ারের শেষ ওয়ানডে ম্যাচে আবারো শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেট নেন।

    মাত্র ১৯ বছর বয়সে তিনি দারুণ আলোচনায় আসেন, যখন বিভাগীয় টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে মিসবাহ-উল-হকের নর্দার্ন গ্যাস পাইপলাইনস লিমিটেডের বিপক্ষে ৩.১ ওভারে ৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে নজর কেড়েছিলেন। সেই পারফরম্যান্সের পরই তাকে জাতীয় দলে ডাক দেওয়া হয়। তবে ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম্যান্সের মান ধরে রাখতে পারেননি তিনি, যার ফলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার উপস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী হয়নি।

  • অচল কাঠমান্ডু, আজ ফেরত আসছেন না বাংলাদেশ ফুটবল দল

    অচল কাঠমান্ডু, আজ ফেরত আসছেন না বাংলাদেশ ফুটবল দল

    নেপালে সরকার বিরোধী আন্দোলনের কারণে দেশটির পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত উত্তপ্ত। এই অস্থিরতার কারণে আজ বাংলাদেশ দলের দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচটি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এই ম্যাচটি দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে এর আগে গতকালই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশের ফুটবলাররা এখন নেপালে রয়েছে, কিন্তু পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তারা দেশে ফেরার জন্য ঠিক সময়ে বের হতে পারছেন না। হাইকমিশন দেশটিতে থাকা বাংলাদেশিদের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    ম্যাচ বাতিলের কারণেই বাংলাদেশের ফুটবলাররা ফ্লাইট যথাসময়ে পাওয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন, বাংলাদেশের ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এ জন্য আজই তাদের ঢাকায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করেছিল। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় তাদের ফ্লাইটে ওঠার কথা ছিল।

    তবে পরিস্থিতির ক্রমাগত অবনতি চলে আসায় কাঠমান্ডুতে কারফিউ জারির ফলে ছাত্র-জনতা রাস্তায় আবারও নেমে এসেছে, এবং শহরটি এখন কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা হোটেল থেকে বের হতে পারেননি। কাঠমান্ডু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সব ধরনের ফ্লাইট আপাতত বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত হওয়া অবধি তাদের হোটেলেই থাকতে হবে।

    অন্যদিকে, এই আন্দোলনের মুখে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি পদত্যাগ করেছেন। দেশটিতে চলমান অস্থির পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সব ফ্লাইট বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই পরিস্থিতিতে দুঃখ প্রকাশ করেছে। মূলত, স্থানীয় সময় দুপুরের পর থেকে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে।