বাংলাদেশে নারী জাগরণের অন্যতম প্রবক্তা বেগম রোকেয়া। দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের স্বীকৃতি ও অবদানের জন্য মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতি বছর বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করে থাকে। এবার এই prestigious পদকের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ড. রুভানা রাকিব, শ্রম অধিকার আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য ড. নাবিলা ইদ্রিস এবং ক্রীড়ায় নারী জাগরণের অন্যতম কাণ্ডারি ঋতুপর্ণা চাকমা। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নারী ফুটবলার। তার জোড়া গোলের সুবাদে বাংলাদেশ শক্তিশালী মিয়ানমারকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের মূলপর্বে খেলার সুযোগ পেয়েছে। এছাড়া, গত বছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে হারিয়ে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল চ্যাম্পিয়ন হয়, যেখানে ঋতুপর্ণার অবদান বড়। সমাজের নানা প্রতিবন্ধকতাকে উপেক্ষা করে এখন তিনি ক্রীড়াঙ্গনসহ পুরো দেশের জন্য অনুপ্রেরণার এক আইকনে পরিণত হয়েছেন। ৯ ডিসেম্বর বুধবার বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী। এই দিন সরকার রোকেয়া পদক প্রদান করে। অতীতে এই দিনে ক্রীড়াবিদদের পুরস্কৃত করা হয়নি, তবে গত বছর কিংবদন্তি দাবাড়ু রাণী হামিদ পুরস্কৃত হন। এবার আবারও ক্রীড়াঙ্গনের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র ঋতুপর্ণা চাকমা এই পদক পাচ্ছেন। অনুষ্ঠান শুরু হবে আগামীকাল এক বিশেষ অনুষ্ঠানে, যেখানে এই সুন্দর মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার হস্তান্তর করা হবে। এদিকে, দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক অভিনন্দনমূলকভাবে অর্জন করেছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল ২০২৫ সালে। নারী ফুটবলাররা এর আগে একুশে পদক পায়নি, বরং সাবেক খেলোয়াড় ও ধারাভাষ্যকার আব্দুল হামিদ সাংবাদিকতার জন্য এই পুরস্কার লাভ করেন। দলীয়ভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার প্রথমবারের মতো পেল নারী ফুটবল দল, যা দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন ইতিহাস রচনা করল।
Category: খেলাধুলা
-

বিশ্বস্ততা দিয়ে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের বিপিএলে অংশগ্রহণ নিশ্চিত
আগামী বিপিএল আসরে অংশগ্রহণ করবে দেশের সব দলের পাকিস্তানি ক্রিকেটরা। শুরুতেই ছিল অনিশ্চয়তা যে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এই খেলা জন্য তাদের অনুমতি দেবে কি না। তবে এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, পিসিবি মোট ৯ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে বিপিএলে খেলতে অনুমতি দিয়েছে। এই খবরটি নিশ্চিত করেছে এনডিটিভি।
তালিকায় থাকা ক্রিকেটাররা হলেন- মোহাম্মদ নাওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, সাহিবজাদা ফারহান, হুসাইন তালাত, ইহসানউল্লাহ, হায়দার আলি, আবরার আহমেদ, খাজা নাফিস এবং সালমান ইর্শাদ।
অন্যদিকে, পাকিস্তানি ব্যাটার উমর আকমলকে এনওসি (নোটিশ জন্য অনাপত্তিপত্র) দেয়া হয়নি। তিনি এর কারণ জানতে পিসিবির কাছ থেকে আবেদন করেছেন। উমর আকমল বলেছেন, ‘আমি জানি না কেন আমার এনওসি অনুমোদন করা হয়নি। এই সিদ্ধান্তের কারণে আমি বেশ কিছু ভালো চুক্তিও হারিয়েছি।’
বিপিএলের অধিকাংশ দলেরই পাকিস্তানি ক্রিকেটার থাকায় এই অনুমতিকে অনেকেই এক বড় স্বস্তি হিসেবে দেখছেন।
বিপিএলের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে। এই পর্বে ছয় দিনে মোট ১২টি ম্যাচ হবে, যেখানে মাঝেমধ্যে দুটি করে দিনের বিরতিও থাকবে। দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে চট্টগ্রামে, ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। এরপর ১৫ জানুয়ারি ঢাকায় ফিরে আসবে বিপিএল। তিন দিন টানা ম্যাচের পর ১৭ জানুয়ারি শেষ হবে গ্রুপ পর্বের খেলা।
-

অবিশ্বাস্য ড্র: গ্রিভসের দ্বিশতক ও হোপের সেঞ্চুরিতে নাটকীয় সমাপ্তি ওয়েস্ট ইন্ডিজের
ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার অ্যাশেজ সিরিজের উত্তাপের মধ্যে গতকাল ক্রাইস্টচার্চে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের একটি আকর্ষণীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউজিল্যান্ড বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচটি ছিল অনেকের জন্য বেশ দারুণ এক চমক। এই ম্যাচটি শুরুতে একটু আড়ালেই থেকে যায় যেন, তবে দিন শেষে এটি হয়ে ওঠে টেস্ট ক্রিকেটের এক অনন্য ম্যাচের উদাহরণ। নানা কারণেই এই ম্যাচ হঠাৎ করে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনোযোগ কেড়ে নেয়।
প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৬৭ রানে অলআউট হওয়া ক্যারিবীয়রা দ্বিতীয় ইনিংসে চমক দেখিয়ে ৫৩১ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করায়। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে প্রথম দুই দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিপক্ষ থেকে চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখানোর জন্য তারা প্রেরণা পান। অচিরেইই বোঝা গেল, এই ম্যাচটি কেবল নির্দিষ্ট দিক থেকে না, বরং পুরো ক্রিকেট বিশ্বকে লোভনীয় করে তুলবে।
দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যারিবীয়রা ৬ উইকেটে ৪৫৭ রান সংগ্রহ করে। এই ইনিংসটি ছিল টেস্ট ক্রিকেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের দৃষ্টান্ত, যা প্রচুর উৎসাহ ও উন্মাদনার জন্ম দেয়। শাই হোপ ১৪০ রান করে দলের নেতৃত্ব দেন এবং তার পরই জাস্টিন গ্রিভসের ব্যাট থেকে এক চমৎকার ২০২ রানের ইনিংস আসে। তিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৩৮৮ বলের মোকাবিলায়। তার সাথে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন টেলএন্ডার কেমার রোচ, যিনি ৫৩ রানে টিকে থাকেন এবং বলখেলেছেন ২৩৩টি।
প্রতিপক্ষের কাছ থেকে জেতার জন্য শেষ কথাটা বলার খুব কাছেই থাকলেও দিনের শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি অমীমাংসিত থাকল। কিছুটা সময় থাকলে হয়তো এই ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত। ক্যারিবীয়দের ডাগআউটে ড্যারেন সামিদের উচ্ছ্বাস দেখে বোঝা গেল, তারা আসলে জয়ই চাইছিল। এই ড্র ছিল ক্রিকেটের জন্য যেন এক চমৎকার নাটক, যা দর্শকদের মনোযোগ কেড়ে নিল।
এই প্রথম টেস্টে, ক্রাইস্টচার্চে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ২৩১ রান করে, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ১৬৭ রানে। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে দলটির প্রধান খেলোয়াড়রা অসাধারণ অবদান রাখতে সক্ষম হন। অধিনায়ক টম লাথামের ১৪৫ এবং রাচিন রবীন্দ্রর ১৭৬ রানের ইনিংস যেখানে দলের বড় সংগ্রহের ভিত্তি হয়, সেখানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রতিপক্ষকে আসল চাপে ফেলে দেয়।
প্রথমে বড় রান তাড়া করতে নেমে সফরকারীরা শুরুতেই বেশ জনপ্রিয় উইকেট হারান। ২৪ রানে শুরু করে ৭২ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের মাধ্যমে বিপদে পড়ে যায়। জন ক্যাম্পবেল ১৫, ত্যাগনারায়ান চন্দরপল ৬, অ্যালিক আথানাজে ৫ এবং অধিনায়ক রোস্টন চেজ ৪ রানে আউট হন। তবে শেষ মুহূর্তে শাই হোপ এবং জাস্টিন গ্রিভসের দৃঢ়তা সেই পরিস্থিতি বদলে দেয়। শতরানের জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পুনরাই লড়াইয়ে ফিরিয়ে আনেন তারা। এই পর্যায়ে নিউজিল্যান্ডের হয়ে জাম্বেক ডাফি সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন।
সবশেষে, এই নাটকীয় ও উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি সমাপ্তির পথে থাকলেও ফলাফল নির্ধারিত হয়নি। এইসময় যদি আরও কিছু সময় থাকত, হয়তো এই ম্যাচের ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। তবে ক্যারিবীয়দের আত্মবিশ্বাস আর দৃঢ়তা স্পষ্ট দেখিয়েছে, এই ড্রও কেবল এক অর্জন নয়, এটি সত্যিই ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এক ছোট আনন্দের ব্যাপার।
-

মিরাজ-শান্তদের নেতৃত্বে খেলবেন আকবর, সোহান, সাকলাইনরা
বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রতি বছরই মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজন করা হয়। এই জনপ্রিয় আয়োজনে এবারও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তত্ত্বাবধানে ১৬ ডিসেম্বর দুটি দল উঠে খেলবেন। পাশাপাশি, একই দিনে বিকেলে জাতীয় দলের বর্তমান ক্রিকেটাররাও অংশ নেবেন এই আনন্দমুখর ম্যাচে।
ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) উদ্যোগে মিরপুরে বিকেলে দুটি দল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। অদম্য নামে দলের নেতৃত্বে থাকবেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, আর অপরাজেয় দলের অধিনায়ক হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশের টেস্ট দলের অবিসংবাদিত নেতা নাজমুল হোসেন শান্ত। এই দুই দলের স্কোয়াডে রয়েছে বাংলাদেশের তরুণ ও উজ্জ্বল ক্রিকেটাররা, যারা বর্তমানে জাতীয় দলের সঙ্গে খেলছেন বা ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ পারফর্ম করছেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা এক্সট্রা ছুটিতে থাকায় আরেকটু সহজে এই আয়োজন। তবে, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদরা ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টি খেলতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকায় তাদের স্কোয়াডে রাখা হয়নি। তবুও চোটমুক্ত ক্রিকেটাররাই এই ম্যাচে অংশ নেবেন। লিটন দাসের নাম না থাকলেও, জাতীয় দলের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের বেশ কিছু তারকা ক্রিকেটাররাও দলে আছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাটে দুর্দান্ত পারফর্ম করে আলোচিত খেলোয়াড় হাবিবুর রহমান সোহান এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সে ব্যাট হাতে নিজের প্রতিভা দেখিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়েছেন। বিপিএল নিলামে নোয়াখালী এক্সপ্রেস হিসেবে ৫০ লাখ টাকায় নিলামে ওঠেন। অদম্য স্কোয়াডে তার সঙ্গে থাকবেন তরুণ ওপেনার আকবর আলী, যিনি সম্প্রতি ব্যাটিংয়ে উজ্জ্বল ছিলেন। এই দলটিতে আরও থাকছেন জাতীয় দলে থাকা ও ঘরোয়া ক্রিকেটে আলো ছড়ানোর জেসমিনরা।
অপরাজেয় দলের নেতৃত্বে থাকছেন শান্তর নেতৃত্বে কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। এতে থাকছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, who is the captain, এবং গত এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান করা মাহমুদুল হাসান জয়। এ ছাড়াও থাকছেন দলে স্লোয়ার ডেলিভারি ও ডেথ ওভারে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
সংক্ষিপ্ত স্কোয়াডগুলো হল:
অদম্য: মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), হাবিবুর রহমান সোহান, তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আকবর আলী, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, হাসান মাহমুদ, তানভির ইসলাম এবং শরিফুল ইসলাম।
অপরাজেয়: পারভেজ হোসেন ইমন, মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান জয়, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, নাসুম আহমেদ, তানজিম হাসান সাকিব, নাহিদ রানা এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
-

মেসির জোড়া অ্যাসিস্টে এবার মায়ামিকে সর্বোচ্চ শিরোপা
ফুটবল বিশ্বে গত কয়েক মৌসুমে অপ্রচলিত মনে হওয়া মার্কিন লিগ এমএলএস এখন কীভাবে বদলে যেতে শুরু করেছে, তার অন্যতম কারণ হল লিওনেল মেসির আগমন। তার স্��র্শে রাতারাতি এসপুট স্পন্দিত হয়ে উঠেছে এই লিগের প্রতিযোগিতা। সম্প্রতি সেখানকার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি, এমএলএস কাপ, প্রথমবারের মতো জয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ইন্টার মায়ামি। এই সাফল্য মেসির জোড়া অ্যাসিস্টের কৃতিত্বে সম্ভব হয়েছে, যা দলের জন্য এক মহান অর্জন।
বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জিতে ক্যারিয়ারে এক বিশেষ অধ্যায় সম্পন্ন করেছেন। তারপরও পেশাদার ফুটবল চালিয়ে যেতে হবে, এই চ্যালেঞ্জ তিনি গ্রহণ করেছেন। সেই চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে, রীতিমতো আনকোরা দলের মধ্যেও এক নতুন জয়ের স্বপ্ন দেখাতে থাকেন মেসি। দল গঠনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, যেখানে মূল প্রেরণা ছিলেন মেসি নিজেই। রদ্রিগো ডি পলের মতো খেলোয়াড়দের দলে আনা, বুসকেটস, সুয়ারেজের উপস্থিতি—সবই ছিল দলের সাম্প্রতিক সফলতার মূল ভিত্তি।
দলের সাথে একসঙ্গে অনেক ট্রফি জয় করেছেন মেসি। এবার তিনি এমএলএস কাপে নিজের জয়ের সংখ্যাও ৪৮–এ নিয়ে গেছেন। এই কাপের ফাইনাল ম্যাচটি দুই কনফারেন্সের শীর্ষ দলগুলির মুখোমুখি হয়। উদ্বোধনী থেকে শুরু করে, শীর্ষে থাকা মায়ামি ইস্টার্ন কনফারেন্সের ট্রফি জিতেছে। এর মাধ্যমে তারা পুরো এমএলএসের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় তুলে নিয়েছে। গত শনিবার ফোর্ট লডারডেল-এর চেজ স্টেডিয়ামে এই ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে মায়ামি ও ভ্যাঙ্কুভার সমান লড়াই করেছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে মাত্র ৮ মিনিটের মধ্যেই এডিয়ার ওকাম্পোর আত্মঘাতী গোলে পিছিয়ে পড়ে ভ্যাঙ্কুভার। এরপর তাদের জন্য ম্যাচে ফিরে আসার জন্য অপেক্ষা করতে হয় ৬০ মিনিট পর্যন্ত। আলি আহমেদের গোল তাদের অনুপ্রেরণা যোগায়, তবে পরবর্তী সময়ে রদ্রিগো ডি পলের গোল লিড প্রদান করে মায়ামিকে। শেষমেষ, যোগ করা সময়ে তাদেও আলেন্দের গোল ম্যাচের জয় নিশ্চিত করে।
মেসি দুটি গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্টও করেছেন, যা এই জয়ের মূল চাবিকাঠি। এই জয়ের কৃতিত্বকে স্মরণ করে মেসি বলেন, ‘গত বছর আমাদের জন্য মৌসুমটা খুব হতাশাজনক ছিল, শুরুতেই বিদায় নিতে হয়েছিল। তবে এই বছর আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল এমএলএস জয়। দল শ্রম ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এ লক্ষ্য সফল করেছে। বছরটি ছিল অনেক দীর্ঘ, অনেক ম্যাচ খেলতে হয়েছে, কিন্তু চূড়ান্তভাবে আমরা সফল।’
১২ বছর আগে ডেভিড বেকহ্যাম দলটির মালিকানা গ্রহণের পর, ২০২০ সালে খেলোয়াড় হিসেবে দলটির যাত্রা শুরু হয়। তিন বছর পর মেসি যোগ দেন, আর তখন থেকেই দলটির ভাগ্য বদলে যেতে শুরু করে। বেকহ্যাম বলেন, ‘এটা এক অবিশ্বাস্য যাত্রা। মেসি শুধু উপভোগ করতে আসেনি, তার পরিবারও এই শহরকে ভালোবাসে। তবে তার আসলে জেতারই মনোভাব ছিল। সে সবসময় দলের প্রতি আন্তরিক ও নিবেদিত। লিও একজন প্রকৃত বিজয়ী।’
-

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি প্রকাশ: কবে কোথায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ
অবশেষে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পুরো সূচি প্রকাশিত হলো। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টস ভেন্যুতে বিশ্বকাপের বিস্তারিত রূপে ঘোষণা করেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো। এ সময় তার পাশে উপস্থিত ছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো নাজারিও।
আগামী বছরের ১১ জুন শুরু হবে এই বিশাল প্রতিযোগিতা, যা হবে ত্রৈমাসিক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিবে ৪৮ দল, যা প্রথমবারের মতো ১২টি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। আগের ৩২ দলের পরিবর্তে এবার গ্রুপের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং প্রতিটি গ্রুপে থাকবে চারটি দল। উদ্বোধনী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকো সিটিতে, ঐতিহ্যবাহী আজতেকা স্টেডিয়ামে।
প্রথম দিন অর্থাৎ ১২ জুন থেকে শুরু হবে গোলের উন্মাদনা কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো রাউন্ড-রবিন পদ্ধতিতে ২৭ জুন পর্যন্ত চলবে। এরপর ২৮ জুন শুরু হবে নক আউট পর্বের প্রথম রাউন্ড—রাউন্ড অফ ৩২। সেখান থেকে প্রতিটি ধাপে প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকবে, যেমন: ৪ জুলাই হবে গোলের মহাযুদ্ধ রাউন্ড অফ ১৬, ৯ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনাল, ১৪-১৫ জুলাই সেমিফাইনাল এবং ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে ফুটবলের মহা ফাইনাল।
বিশ্বকাপের গ্রুপ বিন্যাস অনুযায়ী, বেশ কিছু গ্রুপের দলগুলো হলো:
– গ্রুপ ‘এ’: মেক্সিকো, দক্ষিন কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—ডেনমার্ক, চেক রিপাবলিক, বা নর্দার্ন আইর্যান্ড।
– গ্রুপ ‘বি’: কানাডা, কাতার, সুইজারল্যান্ড এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—ইতালি, ওয়েলস, বা বসনিয়া-হার্জেগোভিনা।
– গ্রুপ ‘সি’: ব্রাজিল, মরক্কো, স্কটল্যান্ড ও হাইতি।
– গ্রুপ ‘ডি’: যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, প্যারাগুয়ে এবং ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—তুরস্ক, স্লোভাকিয়া, কসোভো বা রোমানিয়া।
– এছাড়াও রয়েছে জার্মানি, ইকুয়েডর, কোস্টা রিকা ও ক্যারিবিয়ান দলের গ্রুপ ‘ই’, নেদারল্যান্ডস, জাপান, তিউনিসিয়া ও চতুর্থ দল, ইউরোপিয়ান প্লে-অফের বিজয়ী—ইউক্রেন, পোল্যান্ড, আলবেনিয়া বা সুইডেন, ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, পানামা ও ঘানা, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডান, পর্তুগাল, কলম্বিয়া, উজবেকিস্তান ও অন্যান্য দল।বিশেষ করে বললে, আর্জেন্টিনার ম্যাচের সময়সমূহ হলো:
– ১৬ জুন রাত ৯টা: আর্জেন্টিনা বনাম আলজেরিয়া
– ২২ জুন দুপুর ১টা: আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়া
– ২৭ জুন রাত ১০টা: আর্জেন্টিনা বনাম জর্ডন।ব্রাজিলের ম্যাচের সময়সূচি:
– ১৩ জুন বিকাল ৬টা: ব্রাজিল বনাম মরক্কো
– ১৯ জুন রাত ৯টা: ব্রাজিল বনাম হাইতি
– ২৪ জুন সন্ধ্যা ৬টা: ব্রাজিল বনাম স্কটল্যান্ড।অন্য দেশগুলোর দিকে তাকালে, স্পেনের জন্য রয়েছে ১৫ জুন দুপুর ১২টা, উদাহরণস্বরূপ, ইংল্যান্ডের ম্যাচ যথাক্রমে ১৭ জুন বিকাল ৪টা এবং ২৩ জুন বিকাল ৪টা। এই সময়সূচিগুলো আমেরিকার সময় অনুসারে ঠিক করা হয়েছে।
সর্বশেষ, এই বিশ্বকাপে ফুটবল প্রেমীদের জন্য এবারের প্রতিযোগিতা হবে অনেক বেশি উত্তেজনাপূর্ণ, কারণ প্রথমবারের মতো এত বেশি দল অংশ নিচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি ম্যাচের দিন, সময় এবং ভেন্যু বিস্তারিত জানা থাকায় দর্শকরা নিজেদের পছন্দের ম্যাচগুলো উপভোগ করার জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।
-

সালাহউদ্দিনের মতে, টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি হয়েছেন
সালাহউদ্দিন মনে করেন, এ বছর খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের কৌশল বেশ ভালোভাবে উপলব্ধি করেছে। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, খেলোয়াড়রা টি-টোয়েন্টি সম্পর্কে ভালো ধারণা অর্জন করেছে। এখন তারা জানে কিভাবে খেলতে হবে। এটিই এই বছরকের সবচেয়ে বড় অর্জন। ব্যাটাররা নিজেদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে। এর আগে অনেক সময় পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হত না, এখন সবাই নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে ভালোভাবে সচেতন।’
-

বাংলাদেশি হিসেবে প্রথমবারের মতো অ্যাশেজ টেস্টে আম্পায়ার হলেন শরফুদ্দৌলা সৈকত
বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক নতুন গর্বের অধ্যায় যোগ হলো। প্রথমবারের মত মর্যাদাপূর্ণ অ্যাশেজ টেস্ট সিরিজে অন-ফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বাংলাদেশের আইসিসি এলিট প্যানেলের সদস্য শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। এই অনন্য অর্জনের মাধ্যমে তিনি দেশের ক্রিকেটের জন্য গর্বের কোনও ব্যাপার হয়ে উঠেছেন, কারণ এটি কেবল তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্যই নয়, বরং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উপস্থিতির এক বিশাল মানদণ্ড।
এই দারুণ সুযোগ পেয়ে প্রশংসায় ভাসান বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস। তিনি নিজের ফেসবুক পেজে সৈকতকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘সৈকত ভাই, অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আপনাকে অনেক শুভেচ্ছা। এটি শুধুমাত্র আপনার জন্যই নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের জন্য এক গর্বের ও ঐতিহাসিক ঘটনা। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই সিরিজে আপনার মতো একজন বাংলাদেশির অংশগ্রহণ সত্যিই অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। আমি আশা করি, আপনার সফলতা অন্য আরও অনেক ক্রিকেটারকে inspired করবে এবং বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি ট্যালেন্ট এই উচ্চতানে পৌঁছাতে পারবে।’
ইমরুলের এই উচ্ছ্বাস আর গর্বের প্রকাশটাই দেখিয়ে দেয়, এ ধরণের অর্জন কেবল ব্যক্তিগত সফলতা নয়, এটি জাতির জন্য সম্মানের বিষয়।
অ্যাশেজ সিরিজের গুরুত্ব বুঝতেই পারি, যেখানে বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ও মনোমুগ্ধকর দিকগুলোর মধ্যে একটি এটি। বাংলাদেশের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মানে হলো আন্তর্জাতিকমানের স্বীকৃতি। এর আগেও সৈকত ধারাবাহিকভাবে বিশেষ কিছু ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে নিজের দক্ষতা আর পেশাদারিত্ব দেখিয়েছেন। তিনি আইসিসির এলিট প্যানেলে ঠাঁই পেয়েছেন, যেখানে টেস্ট, ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি ও বিশ্বকাপের ম্যাচে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে এই অ্যাশেজ সিরিজে দায়িত্ব পাওয়া তার ক্যারিয়ারের জন্য এক নতুন দূরত্বের সূচনালগ্ন। সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সিরিজগুলোতে আম্পায়ার করা মানে হল সব প্রতিযোগিতায় শীর্ষ পর্যায়ের স্বীকৃতি, আর এখন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে এই সম্মান অর্জন করেছেন শরফুদ্দৌলা সৈকত। এটি নিশ্চিতভাবেই দেশের জন্য একটা বড় অর্জন, যা দেশের অন্যান্য তরুণ আম্পায়ারদের জন্যও অনুপ্রেরণা জুগাবে।
-

আশরাফুল থাকবেন ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত ব্যাটিং কোচ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রকাশ করেছে যে, জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে মোহাম্মদ আশরাফুলের দীর্ঘমেয়াদে নিয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এমনকি, তাকে আগামী ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব দিয়ে রাখতে যাওয়া হয়েছে। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হোম সিরিজে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন আশরাফুল। তার কাজের ধরন এবং দক্ষতা দেখে বোর্ডের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে চুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম এই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সে জাতীয় দলের সঙ্গে ক্যানের মতো থাকবে।’ তিনি যোগ করেন, কত বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তবে, একটি সূত্র জানায়, আলোচনা হয়েছে চট্টগ্রামে সিরিজ শেষে। সেখানে আশরাফুলের প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই এ ব্যাপারে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি করতে সম্মত হয়েছেন।
আশরাফুলের কোচিং ক্যারিয়ার দীর্ঘদিনের নয়। তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) রংপুর রাইডার্সে মিকি আর্থারের সহকারী কোচ ছিলেন। এছাড়া, গ্লোবাল টি২০ টুর্নামেন্টে রংপুরের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশীয় ক্রিকেটে তার কোচিং অভিজ্ঞতা আরও বিস্তৃত, যেমন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে বরিশাল দলের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।
বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ হিসেবে থাকছেন মোহাম্মদ সালাউদ্দিনও। একই সঙ্গে, ৬ ডিসেম্বর থেকে মিরপুরে এক সপ্তাহের জন্য টি২০ ও ওয়ানডে দলের batters নিয়ে ক্যাম্পের আয়োজন করা হচ্ছে। এই ক্যাম্পে উপস্থিত থাকবেন প্রধান কোচ ফিল সিমন্স, সহকারী কোচ সালাউদ্দিন ও নতুন দায়িত্বে থাকা ব্যাটিং কোচ আশরাফুল।
-

ফকিরহাটে আট দলীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত
ফকিরহাটে আট দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত আটটি কিলোমিটার দীর্ঘ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান গত শুক্রবার বিকেল ৪টায় কাজী আজহার আলী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলার শুভ সূচনা করেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন। তিনি বেলুন, ফেস্টুন উড়িয়ে ও কবুতর উড়িয়ে খেলাধুলার এই মহোৎসবের উদ্বোধন করেন। প্রধান অতিথির পাশাপাশি এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমনা আইরিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএসএম শাহনেওয়াজ মেহেদী, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা হুসাইন আহম্মেদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ তৈয়বুর রহমান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আট্টাকী যুব সংঘের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্যরা শেখ মুশফিকুজ্জামান রিপন, মো: জিয়াউর রহমান জিয়া, ইউপি সদস্য মো: রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক শেখ সৈয়দ আলী, ক্লাবের সভাপতি তৈয়বুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মামুন ফকির, সহ-সভাপতি তানভীর ইসলাম লিমন, রবীফকিরসহ অন্যান্যরা। খেলোয়াড়রা এ উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহণ করে। খেলায় নৈহাটী সান স্পোটিং ক্লাব ২-০ গোলের ব্যবধানে খুলনা টাইগার ক্লাবকে পরাজিত করে। খেলা পরিচালনা করেন মো: মিরাজ সরদার, সহকারী ছিলেন সুমন রাজু ও জসিম। এই পরিবেশে দেশের ও বিদেশের খেলোয়াড়দের খেলা দেখার জন্য হাজার হাজার দর্শক ভিড় করেন এবং মাঠে উপভোগ করেন এই সুন্দর প্রতিযোগিতা।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো: বাতেন বলেন, এ ধরনের খেলাধুলা সমাজকে সুন্দর করে তোলে, যুবকদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক হয়। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা যুবকদের সহনশীলতা, teamwork ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং সমাজের সমন্বয় সাধনে সহায়ক।
