Category: খেলাধুলা

  • ফিক্সিংয়ের প্রমাণ চেয়ে আইনি লড়াইয়ের পথে বিজয় ও মোসাদ্দেক

    ফিক্সিংয়ের প্রমাণ চেয়ে আইনি লড়াইয়ের পথে বিজয় ও মোসাদ্দেক

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরের জন্য আগামী রোববার নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের ক্রিকেটারের তালিকা থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। বিশেষ করে, গত বিপিএলের মধ্যে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল এমন ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের মধ্যে সাত জনের নাম রয়েছে তালিকায়।

    তাদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম হলো এনামুল হক বিজয় ও মোসাদ্দেক হোসেন। দুজনই দীর্ঘদিন ধরে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত। যদিও তারা নিয়মিত জাতীয় দলে জায়গা না পেলেও, জাতীয় দলের বাইরে থেকেই বেশ কিছুবার দলে ফিরেছেন। এনামুল হক বিজয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭৭টি ম্যাচ খেলেছেন, যেখানে তিনি বেশ দক্ষ হয়ে উঠেছেন। অন্যদিকে, মোসাদ্দেক তিনি জাতীয় দলের নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মোট ৮৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন।

    তবে এই দুই ক্রিকেটার এবার বিসিবির বিরুদ্ধে ফিক্সিংয়ের প্রমাণ চেয়ে এবং আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তার মান্যতা দাবি করেছেন। জানা গেছে, এনামুল হক বিজয় বর্তমানে খুলনা বিভাগের জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) চারদিনের ম্যাচ খেলছিলেন। তবে, নিলাম থেকে বাদ পড়ার পর তিনি ঢাকায় ফিরে আসছেন।

    বিজয়ের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, “আমি তো এতদিন বাংলাদেশে ক্রিকেট খেলছি। আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া কারো সাথে কোনো দুর্নীতি ও ফিক্সিংয়ের সাথে জড়িত হতে পারি না। আমার সম্মান কীভাবে এত দ্রুত ক্ষুণ্ন হলো? আমি নিলামে ক্যাটাগরি ‘বি’ থেকে ‘সি’তে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, এই অসম্মান। এখন নিলাম থেকেই বাদ পড়েছি, যেন আমি দোষী। ব্যর্থতা কিংবা অভিযোগের কোনো প্রমাণ দেখাক।”

    অন্যদিকে, মোসাদ্দেক বলেছেন, “নিলাম থেকে আমার নাম অবৈধভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, কেন এটি করা হয়েছে তা জানি না। আমি বিসিবির সাথে যোগাযোগ করি, কিন্তু কেউ ফোন ধরে না। যদি বাদ দেওয়ার কারণ জানা যায়, তবে সেটি জানার পর আমি সিদ্ধান্ত নিতে পারব। না হলে আমি কিছু বলতে অবহেলা করব না।”

  • লিটনের অর্ধশতকের পর সাইফউদ্দিনের ক্যামিওতে বাংলাদেশ সমতা ফেরালো

    লিটনের অর্ধশতকের পর সাইফউদ্দিনের ক্যামিওতে বাংলাদেশ সমতা ফেরালো

    সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের পরাজয় ৩৯ রানের ব্যবধানের ফলে, দ্বিতীয় ম্যাচে জেতা ছিল বাধ্যতামূলক। চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রান করে। দলের জন্য সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন টাকার। জবাবে বাংলাদেশের শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি; তানজিদ তামিম ৭ রান করে রান আউট হওয়ায় প্রথম থেকেই কিছুটা ক্ষতিতে পড়ে যায় বাংলাদেশি দল। তবে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের দুর্দান্ত ব্যাটিং ও লিটনের ফিফটি দলকে বিপদের মুখ থেকে উদ্ধার করে। লিটন ৩৪ বলে ৫৭ রান করেন, যা দলের বড় সহায়তা। মাঝমধ্যে যখন মনে হচ্ছিল জয় ঝুঁকিতে, তখন শেষের দিকে সাইফউদ্দিনের ৭ বলে অপরাজিত ৭ রানে জয় নিশ্চিত হয়। আয়ারল্যান্ডের ওপেনার পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টরের দুর্দান্ত শুরুতে তারা প্রথমে ভালো লাগলেও হঠাৎ মাঠে ফ্লাডলাইট বন্ধ হয়ে যায়, যা কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ করে দেয়। খেলা আবার শুরু হলেও আইরিশরা ছন্দ ধরে রাখে। স্টার্লিং ১৪ বলে ২৯ রান করেন। তার পরের ওভার তানজিম সাকিবের হাতে ধরা পড়ে। পাওয়ার প্লেতে আয়ারল্যান্ডের স্কোর খুবই উচ্চমাধ্যমে পৌঁছে যায়, যা টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে তাদের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। যদিও শেখ মেহেদি ২৫ বলে ৩৮ রান করে ফেরত গেলে কিছুটা ধাক্কা লাগে তাদের ব্যাটিংয়ে। এরপর হ্যারি টেক্টর ও বেন কার্টিজ দ্রুত ফিরে গেলে পরিস্থিতি বাংলাদেশের পক্ষে আসে। শেষদিকে টাকার লড়াইয়ের মাধ্যমে তারা ১৭০ রান সংগ্রহ করে, যা ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই জয়ে সিরিজে সমতা ফিরে এসেছে, যা দুদলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা।

  • বিপিএলের আসন্ন মৌসুম শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি

    বিপিএলের আসন্ন মৌসুম শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি

    আগামী ৩০ নভেম্বর বিকেল তিনটায় হোটেল রেডিসন ব্লুতে বিপিএলের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আজ, বুধবার, এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য ঘোষণা করে। এ বছরের বিপিএল প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে মোট छह দল। নতুন করে যুক্ত হয়েছে নোয়াখালী, যা এবারের লিগে একটি নতুন দলেরূপে অন্তর্ভুক্ত। এই দলটির নাম রাখা হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস এবং তারা একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিরূপে লিগে অংশ নিচ্ছে।

    বিসিবি আরও জানিয়েছে, বিপিএলের জন্য গত কিছুদিনে বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ৫০০ জনের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে থেকে ২৫০ জন ক্রিকেটারকে বেছে নেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান।

    বিপিএলের শুরুর তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১৯ ডিসেম্বর, যা নিয়ে বিসিবি নিশ্চিত করেছে। ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৬ জানুয়ারি। এর আগে, ১৭ ডিসেম্বর ঢাকাতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

    এর আগে বিসিবি পাঁচটি দল চূড়ান্ত করেছিল। তবে, দল সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের। অবশেষে, নভেম্বরের প্রথম দিকে গৃহীত সিদ্ধান্তে ৬ দলের লিগে রূপ দেওয়া হয়েছে। গত ৫ নভেম্বর, বিপিএলের আগামী পাঁচটি আসরের জন্য পুরো ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলোর নাম ঘোষণা করা হয়েছে গভার্নিং কাউন্সিলের মাধ্যমে।

    এবারের বিপিএলে অংশ নিচ্ছে রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট টাইটান্স, চট্টগ্রাম রয়্যালস, রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স এবং নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেস। নিলামের আগে, প্রত্যেক দল দুজন করে দেশীয় ও বিদেশি ক্রিকেটারের সরাসরি চুক্তি করার সুযোগ পেয়েছে।

    প্রতিটি দল তার-নিজস্ব প্রাথমিক দলে কয়েকজন ক্রিকেটার সই করে ফেলেছে। যেমন, ঢাকায় তাসকিন আহমেদ ও সাইফ হাসান, রাজশাহীতে নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিম, সিলেটে নাসুম আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ, রংপুরে নুরুল হাসান সোহান ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং চট্টগ্রামে তানভির ইসলা এবং শেখ মেহেদীর মতো তারকা ক্রিকেটাররা দলবদলের মধ্যে রয়েছেন।

    এ ছাড়াও, বেশ কিছু বিদেশি ক্রিকেটারকেও নিজেদের দলে নিয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি। সবমিলিয়ে, এই মৌসুমের প্রত্যাশা রয়েছে রোমাঞ্চকর এবং উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ার।

  • বিপিএল নিলামে পাথিরানা, চার্লস ও মেন্ডিসসহ ২৫০ বিদেশি ক্রিকেটার

    বিপিএল নিলামে পাথিরানা, চার্লস ও মেন্ডিসসহ ২৫০ বিদেশি ক্রিকেটার

    অবশেষে, কয়েক দফা পিছিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নিলাম আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও অনেক বিদেশি ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছেন, যার সংখ্যা এখন ৫০০ এর বেশি। তবে, যাচাই-বাছাই শেষে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল চূড়ান্ত করেছে ২৫০ জন বিদেশি ক্রিকেটারের নাম।

    নিলামে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ভারতের পিয়ূষ চাওলা, পাশাপাশি রয়েছেন রবী বোপারা, জনসন চার্লস ও পল স্টার্লিং। এছাড়া যুক্ত রয়েছেন রায়ান বার্ল, বাস ডি লিড, সন্দীপ লামিচানে এবং জর্জ মিনজি, সালমান আলী আঘা, উইন পার্নেল ও নিরোশান ডিকওয়াল।

    শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররাই এই নিলামে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জন। পাকিস্তানের ৪৫, ভারতের ৩, আয়ারল্যান্ডের ৬, আফগানিস্তানের ১৮ এবং যুক্তরাজ্যের ৫৪ জন ক্রিকেটারও অংশ নিচ্ছেন এই নিলামে।

    নিলামে অংশগ্রহণকারী ক্রিকেটারদের জন্য সুনির্দিষ্ট ক্যাটাগরি নির্ধারিত হয়েছে, যেখানে মার্কিন ডলারে নির্ধারিত ভিত্তিমূল্য অনুযায়ী মূল্যমান নির্ধারিত হয়েছে। মূল ক্যাটাগরি ‘এ’ এর ভিত্তিমূল্য ৩৫ হাজার ডলার, যেখানে ‘বি’ ক্যাটাগরি ২৬ হাজার, ‘সি’ ২০ হাজার, ‘ডি’ ১৫ হাজার এবং ‘ই’ ক্যাটাগরির মূল্য ধার্য হয়েছে ১৫ হাজার ডলার। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে ডাকে বাড়বে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ।

    বিপিএলের সবচেয়ে সরদ্ধশীল সংক্ষিপ্ত তালিকায় রয়েছেন ৪০ জন ক্রিকেটার, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হিসেবে থাকছেন পিয়ূষ চাওলা, শোয়েব মালিক, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, জনসন চার্লস, কেসি কার্টি, জর্জ মিনজি, ওয়েন পার্নেল, উসামা মির, মোহাম্মদ হাসনাইন, জামান খান, আব্দুল সামাদ, দাসুন শানাকা, জর্জ ডকরেল, বাস ডি লিড, শান মাসুদ, সালমান আলী আঘা, দীনেশ চান্দিমাল, লাহিরু কুমারা, বিনুরা ফের্নান্দো, নিরোশান ডিকওয়ালা, চামিকা করুণারত্নে, জেফরি ভেন্ডারসি, দুনিথ ভেল্লালাগে, দুশমন্থ চামিরা, কামিন্দু মেন্ডিস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, মাহিশ থিকশানা, মাথিশা পাথিরানা, চারিথ আসালািঙ্কা, মোহাম্মদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ হারিস ও আমের জামাল।

    ‘বি’ ক্যাটাগরিতে আছেন ২২ ক্রিকেটার, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন সন্দ্বীপ লামিচানে, আসিফ আলি, সালমান মির্জা, রিচার্ড এনগারাভা, স্কট এডওয়ার্ডস, হ্যারি টেক্টর, আলী খান, হাসমতউল্লাহ শহীদি, ইসুরু উদানা, সৌদ শাকিল, রবী বোপারা, সামিত প্যাটেল, সাদিরা সামারাবিক্রমা, শরাফউদ্দিন আশরাফ, নাজিবউল্লাহ জাদরান।

    ‘সি’ ক্যাটাগরিতে মোট ৬০ ক্রিকেটার রয়েছেন, তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নাম হলেন হায়দার আলী, জাহানদাদ খান, শন উইলিয়ামস, সামিউল্লাহ শিনওয়ারি, জেমস ফুলার, লাহিরু মিলান্থা, খুররম শেহজাদ ও উইলিয়াম বসিস্তো। এছাড়া দিলশান মুনাবিরা, প্রমোদ মাদুশান, আশেন বান্দারা, আব্দুল্লাহ শফিক, কেনার লুইস, রেইমন রেইফার, শামার স্প্রিঙ্গার, অ্যাঞ্জেলো পেরেরা, আমির হামজা হোটাক, রস হোয়াইটলি, জশ লিটল, ড্যান পেটারসন, কাসুন রাজিথা, বিজয়কান্ত বিশ্বকান্ত, লাহিরু উদারা, ইনোসেন্ট কাইয়া, অলিক অ্যাথনাজ, অ্যারন জোন্স, আকিলা ধনঞ্জয়া, ইহসানউল্লাহ খান, জশুয়া ডি সিলভা, শেলডন কটরেল, রায়ান বার্ল, কার্টিস ক্যাম্পফার ও পল স্টার্লিং উল্লেখযোগ্য।

    ‘ডি’ ক্যাটাগরির মধ্যে ২৫ জন ক্রিকেটার রয়েছেন, যেমন উসমান কাদির, ব্রায়ান বেনেট, কাশিফ আলী, দীপেন্দ্র সিং আইরে, মির হামজা, ইরফান খান নিয়াজি, শেভন ড্যানিয়েল, ব্র্যাড ইভানস, সালিম সাফি ও আহমেদ দানিয়াল। এর পাশাপাশি ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৯৮ জন ক্রিকেটার থাকছেন, যেমন নিমেশ বিমুক্তি, জশুয়া বিশপ, আসাদ রাজা, আসিফ শেখ, গুলশান ঝা, সোমপাল কামি, রুম্মন রাইস, মির্জা সাদ বেগ, চন্দরপল হেমরাজ, জনাথন ক্যাম্পবেল ও এডওয়ার্ড বার্নার্ড।

  • বিপিএলের নিলামে ৩ ভারতীয়, সুইডেনের এক ক্রিকেটার

    বিপিএলের নিলামে ৩ ভারতীয়, সুইডেনের এক ক্রিকেটার

    আগামী মাসে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ক্র độiব্যাপার বিপিএলের ১২তম আসর মাঠে গড়ানোর কথা রয়েছে। এর এক দফা প্রস্তুতি হিসেবে, ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটারদের নিলাম অনুষ্ঠান। আজকের দিনেই প্রকাশিত হয়েছে নিলামে অংশগ্রহণের জন্য প্রস্তুত ক্রিকেটারদের তালিকা। এই তালিকায় দেশের ১৫৬ জন ক্রিকেটার সরাসরি স্থান পেয়েছেন, আর বিদেশি ক্রিকেটার সংখ্যা প্রায় আড়াইশো।

    বিশেষ করে, বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটাররা তিনজন রয়েছেন। সাধারণত ভারতীয় খেলোয়াড়রা বিদেশি লিগে খেলেন না। তবে এ রকম কিছু অন্যথা হলে তাদের জন্য কঠিন কিছু বাধা থাকেন। এইসব বাধা এড়াতে ভারতীয় ক্রিকেটাররা প্রায় সবাই তার দেশের জাতীয় দলের খেলোয়াড় থাকাকালীন দেশের বাইরে খেলতে চাইলে অনেক ক্ষেত্রেই অবসরে যেতে হয়। তবে এই বাধা অতিক্রম করে, সাবেক স্পিনার পিযুষ চাওলা নিলাম সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। পিয়ুষ চাওলা ভারতের হয়ে ৩টি টেস্ট, ২৫টি ওয়ানডে এবং ৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তিনি আইপিএলের গত আসরে খেলেননি। যদিও তার আগের বছরে তিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জার্সি গায়ে ১১ ম্যাচ খেলেছিলেন এবং ১৩টি উইকেট নেন।

    নিলামের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছেন তিনি। অন্য দুই ভারতীয় ক্রিকেটার, আরিয়ান সাক্সেনা ও আকাশ গোমেল, রয়েছেন ‘ই’ ক্যাটাগরিতে। তাদের মধ্যে গোমেল অলরাউন্ডার হিসেবে পরিচিত, তবে তিনি শুধুমাত্র একবার টি-২০ খেলেছেন। অন্যদিকে, সাক্সেনা এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে, সেটাও সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয়ে।

    বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ব্যাপক সংখ্যায় রয়েছেন ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং উইেস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা সর্বোচ্চ, যেখানে ৫৪ জন রয়েছেন। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও উইسٹ ইন্ডিজের প্রতিনিধির সংখ্যা যথাক্রমে ৫০, ৪৫ ও ৩০। এছাড়া আফগানিস্তান থেকে আছেন ১৮ জন, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ১১ জন ক্রিকেটার।

    আরও আছেন আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও নেপালের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। তবে, নিউজিল্যান্ড থেকে কেউ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন না। এদিকে, সুইডেনের একজন ক্রিকেটার রয়েছেন, তার নাম মো. আরিফ হোসেন।

  • বিপিএল: নোয়াখালী এক্সপ্রেসে সৌম্য-হাসান, কোচ সুজন

    বিপিএল: নোয়াখালী এক্সপ্রেসে সৌম্য-হাসান, কোচ সুজন

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল) আবারও নতুন উচ্ছ্বাসে ফিরতে চলেছে। আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ আসরের জমজমাট নিলাম, যা ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য এক আনন্দের অপেক্ষার নাম। শুরুতে পাঁচটি দল নিয়ে গড়া হলেও শেষ মুহূর্তে নতুন এক দল যুক্ত হয়েছে—নোয়াখালী এক্সপ্রেস। এর মধ্যে এ দলটি অভিষেকেই দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণে বাঢ়ে উৎসাহ।

    নোয়াখালীর এই দল গঠনে দেশ ট্রাভেলসের মালিকানাধীন অঙ্গনটি বেশ সচেতনভাবে দল সাজাচ্ছে। তারা কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ দক্ষ কোচ খালেদ মাহমুদ সুজনকে, যিনি জাতীয় দলের সাথে কাজের অভিজ্ঞতাও রাখেন। তাদের দলে ভিড়েছে তারকাখচিত ক্রিকেটার—সৌম্য সরকার ও পেসার হাসান মাহমুদ। সৌম্য খেলেছেন গত মৌসুমে রংপুর রাইডার্সে, আর হাসান ছিলেন খুলনা টাইগার্সের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার।

    নতুন দলটির বিদেশি খেলোয়াড় সংগ্রহেও তারা চোখ রাখছে ভালো মানের ক্রিকেটারদের। ইতোমধ্যে ক্যারিবীয় হার্ডহিটার ব্যাটসম্যান জনসন চার্লসকে দলে নেওয়ার আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায় আছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়া, অন্যান্য দলের মালিকানায় বড় পরিবর্তন এসেছে। রংপুর রাইডার্সের মালিক টগি স্পোর্টস (বসুন্ধরা গ্রুপ), ঢাকা ক্যাপিটালসের মালিক চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস (রিমার্ক-হারল্যান), রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মালিক নাবিল গ্রুপ, সিলেট স্ট্রাইকার্সের মালিক ক্রিকেট উইথ সামি এবং চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা ট্রায়াঙ্গাল সার্ভিসেস।

    নিলাম ও টুর্নামেন্টের সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর প্লেয়ার্স ড্রাফট বা নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এবারের আসরে অংশগ্রহণের জন্য ৫০০টির বেশি বিদেশি ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছেন, যার মধ্যে চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন ২৫০ জন। মাঠের লড়াই শুরু হবে ১৯ ডিসেম্বর, এবং ফাইনালের মাধ্যমে পর্দা নামবে ১৬ জানুয়ারি। এই দ্বাদশ আসরটি নিশ্চয়ই ক্রিকেট বিশ্বের জন্য নতুন চমক অপেক্ষা করছে।

  • হৃদয়ের লড়াইয়ে মরিয়া বাংলাদেশের প্রতিরোধ, তবে শেষ হাসি আয়ারল্যান্ডের

    হৃদয়ের লড়াইয়ে মরিয়া বাংলাদেশের প্রতিরোধ, তবে শেষ হাসি আয়ারল্যান্ডের

    বাংলাদেশের জন্য প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছিল মোটেও সহজ নয়। স্বাগতিকরা যদি ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়ার রেকর্ড গড়তে পারেন, তবে তারা সেটাই করতে পারেননি। শুরুতেই দারুণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে তারা। ইনিংসের তৃতীয় বলেই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম উইকেট হারান। বাঁহাতি স্পিনার ম্যাথু হামফ্রিসের বলে উড়ানোর চেষ্টায় মিড অনে হ্যারি টেক্টরের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। পরের ওভারে লিটন দাসও যান। মার্ক অ্যাডায়ারের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে ৩৯ রানের মধ্যে বাংলাদেশের দুই ওপেনারই ফিরে যান। এটি ছিল বাংলাদেশের জন্য এক বাজে সূচনা।

    অধিনায়ক লিটন দাস মাত্র ১ রান করে আউট হন। পারভেজ হোসেন ইমনও সুবিধাজনক সময়ে ঝড় তুলতে পারেননি; অ্যাডায়ারের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে জর্জ ডকরেলের হাতে ক্যাচ দেন। তিনি ৬ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি। এর আগে, সাইফ হাসানও পাওয়ার প্লে শেষে ফিরে যান। ব্যারি ম্যাকার্থির বলে পড়ে গেলে তিনি সাজানো ইনিংসের অবসান ঘটান। তিনি ১৩ বলে ৬ রান করে আউট হন।

    এর পর দ্রুত চার উইকেট হারানোর পর হৃদয় ও জাকের জুটি গড়েন। তবে ম্যাকার্থি তাদের জুটিকে খুব বেশি সুবিধা করতে দেননি। ডানহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে জাকের টেনে খেলতে চেয়েছিলেন তবে ঠিকভাবে টাইমিং করতে পারেননি, বল ব্যাটের কানায় লেগে থার্ড ম্যান এলাকায় চলে যায়। জাকেরের ব্যাটে সম্ভাব্য জোট ভাঙ্গে ২০ রানে। এই পর্যায়ে হৃদয় ও জাকেরের মধ্যে ৪৮ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি সৃষ্টি হয়।

    তবে জাকেরের আউটের মাধ্যমে এই জুটি ভেঙে যায়। তার আগে, জাকেরের লেগে ক্যাচ চলে যায় থার্ড ম্যানের সামনে। এরপর দ্রুতই ফিরে যান সাকিব ও রিশাদও। ব্যাট হাতে মাঠে থাকাকালীন একা লড়াই চালিয়ে যান হৃদয়। তিনি অবিশ্বাস্যভাবে ৮৩ রান করেন, কিন্তু স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৯ উইকেটে ১৪২ রানে। আয়ারল্যান্ডের হয়ে চারটি উইকেট নেন হামফ্রিস, ম্যাকার্থি ও অ্যাডায়ার তিনটি করে উইকেট নেন।

    এর আগে, টস হারিয়ে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো পাওয়ার চেষ্টা করে। তবে দ্রুতই তারা প্রতিপক্ষের আঘাতের শিকার হয়। অধিনায়ক পল স্টার্লিং ২১ রান করে ফিরে গেলেও, টিম টেক্টর তার সাথে যোগ দেন। তিনি ২২ রান করেন। লরকান টাকার ১৮ ও কার্টিস ক্যাম্ফার ২৪ রান করে আয়ারল্যান্ডের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যান। বাংলাদেশের প্রতি আক্রমণ চালিয়ে যান হ্যারি টেক্টর। ৪৫ বলে তিনি ৬৯ রান করে অবদান রাখেন। শেষের দিকে আয়ারল্যান্ড ১০৪ রান যোগ করে শেষ ১০ ওভারে। এর ফলে তারা ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান সংগ্রহ করে। এই স্কোর বাংলাদেশের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করে।

  • দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫ বছর পর ভারতের মাটিতে সিরিজ জয় নিয়ে ইতিহাস গড়ল

    দক্ষিণ আফ্রিকা ২৫ বছর পর ভারতের মাটিতে সিরিজ জয় নিয়ে ইতিহাস গড়ল

    গোয়া টেস্টে ভারতকে Ferreira রানে হারিয়ে নয়টি ম্যাচের লম্বা অপেক্ষার পর সিরিজ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা। এই জয় শুধু একটি ম্যাচের জয় নয়, এটি একটি মহান ইতিহাসের অংশ, যা ২৫ বছর পর আবার ভারতের মাটিতে টেস্ট সিরিজে প্রোটিয়াদের বিজয় এনে দিয়ে দিল। এই সিরিজ জয়ে তারা প্রথমবারের মতো হ্যান্সি ক্রনিয়ের অধীনে ২০০০ সালে জিতেছিল, এবং আজ আবার বাভুমার নেতৃত্বে সেই সাফল্য পুনরায় ফিরল। অধিনায়ক হিসেবে তিনি অপরাজিত থাকলেন, ১২টি টেস্টের মধ্যে এটি তার ১১তম সিরিজ জয়।

    এই সিরিজের মূল আকর্ষণ ছিল অপ্রতিরোধ্য এইডেন মার্ক্রাম, যিনি ম্যাচের এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি দারুণ ক্যাচ ধরেছিলেন। প্রথম ইনিংসে ৯৩ রান করে ছিলেন ফিল্ডার হিসেবে, অন্যদিকে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা কঠিন পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাদের লক্ষ্য ছিল অন্তত ড্র করা, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি।

    শুরুতে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা ভালোই লড়াই করেছিলেন, বিশেষ করে জাদেজা ও সুদর্শন। তবে, ইংরেজি সময়ের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা যে কোনও সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ভারতীয়রা ২৭ রানে ৮ উইকেট হারালে পরিস্থিতি মারাত্মক দাঁড়ায়। এরপর সুদর্শন ও জাদেজা কিছুক্ষণ প্রতিরোধের চেষ্টা করেন, কিন্তু দক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকান স্পিনারদের বলের স্পিনে শেষমেশ তাদেরকে বাধ্য হন ফিরে যেতে।

    সোনার মতো এই ম্যাচে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল মার্ক্রামের অসাধারণ পারফরম্যান্স, তিনি ম্যাচের সর্বোচ্চ ৯ ক্যাচ নেওয়ার পাশাপাশি ৬ উইকেট নিয়েছেন। এভাবেই তিনি টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলেছেন। অন্যদিকে, জানসেন, যিনি প্রথম ইনিংসে ৯৩ রান করেছেন, ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন। তিনি দুই ইনিংসে মোট সাত উইকেট শিকার করেন।

    অবশেষে, দক্ষিণ আফ্রিকার এই ইতিহাসের জয় ভারতকে তাদের নিজস্ব মাঠে ২৫ বছর পর প্রথমবারের মতো টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা থেকে মুক্তি দেয়। এটি পর্যাপ্ত নয়, এটি এক অনুপ্রেরণাদায়ক অর্জন, যা ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য নতুন নির্দেশনা এবং স্বপ্নের দরজা খুলে দিয়েছে।

  • শোয়েব আখতার হলেন বিপিএলের নতুন ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর

    শোয়েব আখতার হলেন বিপিএলের নতুন ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এর এবারের আসরে যুক্ত হলেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা পেসার শোয়েব আখতার। তিনি ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, যার জন্য ইতোমধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রথমবারের মতো বিপিএলে কাজ করবেন শোয়েব, আগে কখনো কোচ বা খেলোয়াড় হিসেবে এই লিগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না তিনি। তার এই বিপিএলে অংশ নেওয়া নিয়েও এক ঢল নামেছে।

    শোয়েব আখতার ভিডিওবার্তায় বলেন, “হ্যালো বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আমার খুব প্রিয় এবং হৃদয়ের কাছের একটি দেশ। বেশিরভাগ সময় আমি এখানে আসি না, তবে এইবার আমি বিপিএলের ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হয়ে আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে আসছি। আপনাদের অনেক ভালোবাসি।”

    প্রসঙ্গত, এবারের বিপিএলের নিলাম তিন দফা পিছিয়ে আগামী ৩০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এবারের আসরে প্লেয়ার্স ড্রাফটের পরিবর্তে হবে অকশন। এর পাশাপাশি কিছু নাটকীয়তা এলো বিপিএলের পরিকল্পনায়; শুরুর সময় ৫ দলের পরিবর্তে নতুন করে যোগ হলো আরও এক দল। ফলে এবারের আসর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ৬ দল নিয়ে, যার খেলার জন্য সম্ভাব্য দিন নির্ধারিত হয় ২৬ ডিসেম্বর। অল্প কিছু দিন পরেই হবে ফাইনাল, যা ধারণা করা হয় ২৪ জানুয়ারি।

    এছাড়া, এই আসরের জন্য বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা পরিবর্তনের খবর সামনে এসেছে। বসুন্ধরা গ্রুপের টগি স্পোর্টস পেয়েছে রংপুর রাইডার্সের মালিকানা, চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকানা দেওয়া হয়েছে ট্রায়াঙ্গাল সার্ভিসকে, নাবিল গ্রুপ পেয়েছে রাজশাহী, রয়েছে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মালিকানা, যেমন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের জন্য দেশ ট্রাভেলস, সিলেটের জন্য ক্রিকেট উইথ সামি ও ঢাকা ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস। এছাড়া সব মিলিয়ে এবারের বিপিএল শুধু প্রতিযোগিতা নয়, বরং বিভিন্ন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নতুন রঙে সেজেছে এই লিগ।

  • শামীমের বাদ দেওয়ার বিষয়টি আমাকে জানাননি লিটন, অভিযোগ

    শামীমের বাদ দেওয়ার বিষয়টি আমাকে জানাননি লিটন, অভিযোগ

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশ দলে শামীম পাটোয়ারিকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে অধিনায়ক লিটন দাসের দৃষ্টিতে আরও স্পষ্টতা ও মানবিকতা যোগ দেওয়া দরকার। তবে এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে আগে থেকেই জানানো হয়নি, যা নিয়ে তিনি বিস্বস্তভাবে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু জানিয়েছেন, আয়ারল্যান্ড সিরিজের স্কোয়াডে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ক্রীড়া বোর্ড বা কোচরা কোনো জানিয়েছেন না।