Category: খেলাধুলা

  • ভারতের মাটিতে বলিউড ও ফুটবলের দুই কিংবদন্তির একসঙ্গে সাক্ষাৎ

    ভারতের মাটিতে বলিউড ও ফুটবলের দুই কিংবদন্তির একসঙ্গে সাক্ষাৎ

    বিশ্ব ফুটবলের জনপ্রিয় মহাতারকা লিওনেল মেসি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। তার এই সফরকালে প্রথম দিনেই ঘটে যায় এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত, যখন বলিউডের শাহরুখ খান ও ফুটবলের কিংবদন্তি মেসির মধ্যে দেখা হয়। এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে গেছে।

    শুক্রবার মধ্যরাতে কলকাতায় পৌঁছান লিওনেল মেসি। বিমানবন্দরে নামার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেবার পরিকল্পনা ছিল। সেই অংশ হিসেবে তিনি একটি মিট অ্যান্ড গ্রিট অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। সেখানে তার সঙ্গে দেখা হয় শাহরুখ খানের।

    এই বিশেষ সাক্ষাতে শাহরুখের সঙ্গে তার ছোট ছেলে আব্রাম খানও ছিলেন। ধারণা করা হয়, প্রিয় ফুটবলারের সঙ্গে দেখা করার আকাঙ্ক্ষা থেকে বাবার সঙ্গে এসেছিলেন আব্রাম।

    বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, জনগণের ভিড় ঠোঁটানো একটি হলে শাহরুখ খান তার ছেলে আব্রামকে নিয়ে আসছেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন শাহরুখের ম্যানেজার পূজা দাদলানি ও তার মেয়ে।

    অতিথিদের স্বাগত জানাতে শAgenceস্ক ডিসপ্লে দেখান শাহরুখ খান। তিনি লিওনেল মেসিকে শুভেচ্ছা জানান হাত মিলিয়ে। সেখানে আরও দেখা যায় ফুটবল তারকা লুইস সুয়ারেজের সঙ্গেও।

    সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই তারা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ছবি তোলেন। ব্যস্ততার কারণে এই মুহূর্তটি বেশি সময় স্থায়ী হয়নি।

    তবে সবচেয়ে মনোহারি ছিল ছোট আব্রাম ও মেসির একটি ছবি। পরে তারা বাবা-ছেলেও মেসির সঙ্গে ছবি তোলেন। এই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তরা এর জন্য বেশ উচ্ছ্বসিত।

    একজন নেটিজেন মন্তব্য করেন, ‘যখন বলিউডের রাজত্ব আর ফুটবলের রাজত্ব একসঙ্গে দেখা যায়—শাহরুখ খান ও লিওনেল মেসির সাক্ষাৎ নিশ্চিতই এক তারকা মহোৎসব।’

  • ভারতে প্রাণ নিয়ে শঙ্কায় মেসি, স্টেডিয়াম ছাড়লেন ২০ মিনিটে

    ভারতে প্রাণ নিয়ে শঙ্কায় মেসি, স্টেডিয়াম ছাড়লেন ২০ মিনিটে

    ফুটবল বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ তারকা লিওনেল মেসি ভারত সফরে এসে এক অসাধারণ ও তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। বিশ্বকাপ, কোपा আমেরিকা, চ্যাম্পিয়নস লিগসহ নানা বড় মঞ্চে তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এই ধরণের ঘটনার কথা শোনা যায়নি। কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে তার উপস্থিতি ছিল লাখো ভক্তের জন্য এক দারুণ উপলক্ষ্য, তবে সেই শুভ মুহূর্তটি হঠাৎ পরিস্থিতির অবনতিকর রূপ নেয়। সকাল থেকে স্টেডিয়াম ও এর আশেপাশে ব্যাপক ভিড় জমে যায়, এবং স্থানীয় পুলিশ ও আয়োজক টিম এর অপ্রতুল প্রস্তুতির কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। যখন মেসি মাঠে নামেন এবং দর্শকদের শুভেচ্ছা জানাতে গ্যালারিতে হাত নেড়ে চলছিলেন, তখন স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতা তার আশপাশে এসে দাঁড়ান, যা দর্শকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায় যখন কিছু দর্শক স্টেডিয়ামের ভিতরে পানিপ্রপাত করতে শুরু করেন, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই বিশৃঙ্খলার কারণে মেসির নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়লে, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তাকে ২০ মিনিটের মধ্যেই স্টেডিয়াম থেকে সরানো হবে। এর মধ্যে তার দর্শকদের সঙ্গে কথা বলার পরিকল্পনা থাকলেও নিরাপত্তার কারণে সেটি বাতিল করতে বাধ্য হন। পুরো ঘটনার ফলে ভারতের ফুটবল বিশ্বে লজ্জাজনক এক অধ্যায় রচিত হয়েছে। বিশৃঙ্খলার কারণে আজকের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনাও বাতিল করা হয়েছে, এবং সেই সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তির উপর হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি ফুটবল প্রেমীদের জন্য দুঃখজনক এবং দেশের সামগ্রিক ভাবমূর্তির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে।

  • ঋতুপর্ণা চাকমা পাচ্ছেন বেগম রোকেয়া পদক

    ঋতুপর্ণা চাকমা পাচ্ছেন বেগম রোকেয়া পদক

    বাংলাদেশে নারীর উন্নয়ন ও সমাজে তাদের অবদানকে সম্মান জানাতে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তিদের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এবার এই মর্যাদাপূর্ণ পদকের জন্য নির্বাচিত হন ড. রুভানা রাকিব, শ্রম অধিকার আন্দোলনে কল্পনা আক্তার, মানবাধিকার খাতে অবদানের জন্য ড. নাবিলা ইদ্রিস, এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে নারী জাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য ঋতুপর্ণা চাকমা।

    ঋতুপর্ণা চাকমা বাংলাদেশের এক জনপ্রিয় নারী ফুটবল খেলোয়াড়। তার জোড়া গোলের সুবাদে বাংলাদেশ শক্তিশালী মিয়ানমারকে হারিয়ে প্রথম বারের মতো এশিয়া কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। এর আগেও, গত বছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের নাইটিতে নেপালকে হারিয়ে বাংলাদেশকে চ্যাম্পিয়ন করে ঋতুপর্ণার অবদান অসামান্য। সামাজিক ও পারিবারিক নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও, তিনি এখন ক্রীড়াঙ্গন ছাড়াও দেশের অন্যতম আইকনে পরিণত হয়েছেন।

    ৯ ডিসেম্বর দিনটি বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই দিনই বাংলাদেশ সরকার রোকেয়া পদক প্রদান করে থাকে। অতীতে, রোকেয়া দিবসে ক্রীড়াবিদদের পুরস্কৃত করার রীতি না থাকলেও, গত বছর কিংবদন্তি দাবাড়ু রাণী হামিদ এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। এবার, ঋতুপর্ণা চাকমাকে এই পদক প্রদান করা হবে। আগামীকাল এক অনুষ্ঠানে এই পদক হস্তান্তর করা হবে।

    দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার হলো একুশে পদক। ২০২৫ সালে এই পদক পেয়েছিল নারী ফুটবল দল, যা ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এটিই প্রথম পুরস্কার। এর আগে, ক্রীড়াঙ্গনের জন্য কেউ বিশেষভাবে পদক পায়নি। সাবেক খেলোয়াড় ও ধারাভাষ্যকার আব্দুল হামিদ সাংবাদিকতায় এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। নারী দল হিসেবে একুশে পদক পাওয়া এটাই প্রথম ঘটনা।

  • পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য বিপিএলে অনুমতি দিল পিসিবি

    পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য বিপিএলে অনুমতি দিল পিসিবি

    আগামী বিপিএল আসরে অংশগ্রহণ করবে বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি ক্রিকেটার। শুরুতে ছিলো প্রশ্ন উঠেছিল, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) কি তাদেরের অংশগ্রহণের জন্য অনুমতি দেবে কিনা। তবে এখন পর্যন্ত পিসিবি মোট নয়জন ক্রিকেটারকে বিপিএলে খেলার অনুমতি প্রদান করেছে বলে জানিয়েছেন এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে।

    নির্দেশনা পাওয়া ক্রিকেটাররা হলেন — মোহাম্মদ নাওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, সাহিবজাদা ফারহান, হোসাইন তালাত, ইহসানউল্লাহ, হায়দার আলি, আবরার আহমেদ, খাজা নাফিস এবং সালমান ইর্শাদ।

    তবে, পাকিস্তানের তারকা ব্যাটসম্যান উমর আকমলকে এনওসি প্রদান করা হয়নি। তিনি পিসিবির কাছে এ বিষয়ে আবেদন করেছেন এবং জানিয়েছেন, কেন তার অনুমোদন দেওয়া হয়নি তা তিনি বুঝতে পারছেন না। উমর আকমল বললেন, আমি জানি না কেন আমার এনওসি দেওয়া হয়নি, এবং এই সিদ্ধান্তের ফলে আমি অনেক ভালো চুক্তি হাতছাড়া করেছি।

    যদিও কিছুটা স্বস্তি হয়েছে কারণ বিপিএলের বেশিরভাগ দলেরই পাকিস্তানি ক্রিকেটার থাকছেন। এর ফলে প্রতিযোগিতাটি আরও রঙিন ও উত্তেজনাপূর্ণ হবে বলে আশাবাদী ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো।

    বিপিএলের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে সিলেটে। এই পর্বে মোট ছয় দিনের মধ্যে ১২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মাঝে দুদফা বিরতি থাকবে। দ্বিতীয় পর্ব হবে চট্টগ্রামে, যেখানে টুর্নামেন্ট চলবে ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। এরপর, ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় ফিরে আসবে বিপিএল। এরপর তিন দিন টানা ম্যাচের পর ১৭ জানুয়ারি গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

  • ক্রিকেটার তোফায়েলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা: আদালতে চার্জশিট দাখিল

    ক্রিকেটার তোফায়েলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা: আদালতে চার্জশিট দাখিল

    আদালতে ক্রিকেটার তোফায়েল আহমেদ রায়হানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে গুলশান থানার পুলিশ চার্জশিট দাখিল করেছে। এই চার্জশিটটি নারীর ওপর নির্যাতন এবং শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারার আওতায় জমা দেওয়া হয়। তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সমিউল ইসলাম ৩০ নভেম্বর আদালতে এই চার্জশিট উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, ঘটনায় তুলনামূলক সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়ায় আদালত এই চার্জশিট গ্রহণ করেছেন এবং সাক্ষীরাও আদালতে উপস্থিত হয়ে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করবেন।

    প্রসিকিউশনের এসআই তাহমিনা আক্তার বলেন, মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জশিটটি আদালতে উপস্থাপন করা হবে।

    চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, তোফায়েল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। সে ফেসবুকের মাধ্যমে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওই নারীর সঙ্গে পরিচিত হন, বন্ধুত্ব হয় এবং এরপর প্রেমের প্রস্তাব দেন। নারী তা না মানলেও, তোফায়েল বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক চালিয়ে যান।

    অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ৩১ জানুয়ারি গুলশানস্থ একটি হোটেলে তোফায়েল ওই নারীকে ধর্ষণ করেন, এরপর কয়েকবার একই কাজ করেন। এই ঘটনার পর, ১ আগস্ট গুলশান থানায় নারীটি ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।

    মামলার পরে, ২৪ সেপ্টেম্বর তোফায়েল হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের জন্য আগাম জামিন পান। তবে এই সময়ে তিনি ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেননি। নারীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়ার পরও তোফায়েল তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরিবারে জানানো সত্ত্বেও কোনও সমাধান হয়নি।

  • অনূর্ধ্ব-১৫ বালক ফুটবল প্রতিযোগিতা ও বাছাইয়ের উদ্বোধন

    অনূর্ধ্ব-১৫ বালক ফুটবল প্রতিযোগিতা ও বাছাইয়ের উদ্বোধন

    তরুণ ফুটবল প্রতিভাদের উন্নয়ন ও উৎসাহিত করতে খুলনা জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে অনূর্ধ্ব-১৫ বালকদের ফুটবল প্রতিযোগিতা ও নির্বাচনী ম্যাচের উদ্বোধন আজ বৃহস্পতিবার খুলনা বিভাগীয় মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২৬-এর অংশ হিসেবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-পরিচালক যুব উন্নয়ন খুলনা মোঃ মোস্তাক উদ্দিন, যিনি এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্বে ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলীমুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক জাতীয় দলের খেলোয়াড় দস্তগীর হোসেন নীরা, মোস্তাফিজুর রহমান পলাশ ও শেখ হেমায়েত উল্লাহ। এছাড়াও এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া ছয়টি দলের কোচ ও উপস্থিত ছিলেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় তরুণ ফুটবলারদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এবং ভবিষ্যতে জাতীয় দলের জন্য সম্ভাবনা দেখানো খেলোয়াড় তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, এই ধরনের উদ্যোগ খেলাধুলায় আগ্রহীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা জাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ৮ ধাপ পিছালো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল

    ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ৮ ধাপ পিছালো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল

    বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল সর্বশেষ ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ৮ ধাপ পিছিয়েছে। কখনো কখনো উন্নতি হয়, কখনো আবার অবনমন। তিন মাস আগের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২৮তম থেকে ১০৪তম স্থানে উঠে এসেছিল, যা ছিল দলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উন্নতির নজির। তবে সম্প্রতি পারফরম্যান্সের কারণে র‌্যাংকিংয়ে আবার পতন ঘটেছে।

    গত তিন মাসে বাংলাদেশের মহিলা ফুটবল দল চারটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে, যার মধ্যে সবগুলোতেই হারে। অক্টোবরের উইন্ডোতে অনুষ্ঠিত দুটি প্রীতি ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ এবং ৫-১ ব্যবধানে পরপর হেরে দুই দলের পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে গেছে। এর আরও কিছু দিন পরে ঢাকায় আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজেও মালয়েশিয়ার কাছে ১-০তে হেরে যায় দল। একই সিরিজে আজারবাইজানের বিপক্ষে ২-১ গোলের হারও র‌্যাংকিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

    দলের কোচ পিটার বাটলার হাই লাইন ডিফেন্স কৌশল ব্যবহার করছেন, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সফল হলেও, থাইল্যান্ড সফরে এই কৌশলের কারণে বাংলাদেশ ৮টি গোল হজম করে। দেশের মাঠে ফিরে প্রত্যাশিত সমর্থন ও সমালোচনার মুখোমুখি হয়ে তিনি কৌশলে পরিবর্তন আনেননি। এর ফলস্বরূপ, দুটি হারের কারণে দলের র‌্যাংকিংয়ে আট ধাপ পিছিয়ে গেছে।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল জুনে শক্তিশালী মিয়ানমারকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে। সেই সময় জর্ডান ও ইন্দোনেশিয়ার মতো উচ্চ র‌্যাংকিংয়ের দলের বিপক্ষে ড্র করে র‌্যাংকিংয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও ফলাফলজনিত কারণে র‌্যাংকিংয়ে পতনের ফল ভুগতে হচ্ছে দলকে।

  • সাকিব বললেন, আমি সব বল আমার দেশের জন্য খেলব

    সাকিব বললেন, আমি সব বল আমার দেশের জন্য খেলব

    সম্প্রতি দেশের বাইরে একটি পডকাস্টে লম্বা সময় ধরে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের শীর্ষ তারকা সাকিব আল হাসান। সেখানে তিনি তার ক্যারিয়ারের নানা দিক বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। এক পর্যায়ে ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের কথা ওঠে। তখন উপস্থাপক জিজ্ঞেস করেন, বিশ্বকাপের আগেই কি তিনি টের পেয়েছিলেন যে এই বিশ্বকাপ তারই জন্য আসছে।

    সাকিব উত্তর দেন, ‘কিছুটা ধারণা ছিল। আইপিএলের আগের মৌসুমে আমি সব ম্যাচ খেলেছি (সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে). ফাইনালও খেলেছিলাম, কিন্তু জিততে পারেনি team. ওয়ার্নার তখন অধিনায়ক ছিলেন, তবে তিনি মৌসুমের মাঝপথে খেলতে পারেননি। পরের মৌসুমে তিনি ফিরে আসেন। কেইন উইলিয়ামসন দারুণ ফর্মে ছিলেন। জনি বেয়ারস্টো ও রশিদ খানও দলে ছিলেন। আমি মনে করি, তাদের প্রথম ম্যাচ খেলেছিল।

    সাকিব আরও বলেন, ‘আমি দেখছিলাম, যদি কেউ ইনজুরিতে না পড়ে তাহলে আমার এই বছর দলে থাকার সম্ভাবনা কম। তখন আমি ভাবলাম, কেন নিজেকে প্রস্তুত করছি না আমার সামর্থ্য অনুযায়ী? কারণ দুই মাস পরই বিশ্বকাপ। আমি হোটেল রুমে বসে নিজেকে অনুপ্রাণিত করছি, ভাবছিলাম, আমি যা চাই সেটি অর্জন করতে আমি বর্তমানে যথেষ্ট পরিশ্রম করছি না। তাই আমি নিজের সব কিছু উজাড় করে দিয়ে ট্রেনিং শুরু করি। এক মাসের ট্রেনিং শেষে আমার ওজন কমে যায় কেউ কেউ দেখেছেন। মূল কোচ টম মুডি জিজ্ঞেস করেন, কী হয়েছ, আমি বলি, দেখবেন বিশ্বকাপে। আমি সবাইকে দেখিয়ে দেব, আমি কী বলতে পারি। আমি ভেতর থেকে প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠি। দুই মাসের ট্রেনিং শেষে আমি আয়ারল্যান্ডে গেলে তিনটি ফিফটি করি। তবে ফাইনালের আগে ইনজুরির কারণে ফাইনাল খেলতে পারিনি, আমি কোনো সুযোগ হাতছাড়া করিনি।

    সাকিব আরও বলেন, ‘২০১৯ সালের বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে আমি ৭৫ রান করেছিলাম। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচে মনে হয় ৬০ রান ছিল। আর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমবার জোফরা আর্চারের মুখোমুখি হয়েছি। সে ১৫০ কিমি/ঘণ্টা+ গতিতে বল করত। কার্ডিফে আমরা খেলছিলাম। সৌম্য সরকার তখন আউট হয়ে গিয়েছিল, বল স্টাম্পে হিট করে বাউন্ডারিতে চলে যায়। আমি পরের ব্যাটার। তাকে মোকাবেলা করে একটি ছয় মারি। কারণ সে শরীর তাক করে বল করছিল, আমি হুক পুল করে বলছিলাম। এরপর আমি ভাবলাম, হ্যাঁ, আমি পারব। এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কঠিন বোলারকে আমি মোকাবেলা করেছি, ফলত বাকিরা একদম সহজ।

    সেঞ্চুরি করার পর যেনো খুব বেশি উদযাপন না করাটা নিয়ে সাকিব বলেন, ‘এর কারণ ছিল এই বিশ্বকাপে আমি একটি লেখা লিখে রেখেছিলাম, যাতে বলা হয়েছে আমি প্রতিটি বল আমার দেশের জন্য খেলব—নিজের জন্য নয়। এটি সম্পূর্ণ দলের জন্য।’

  • সাকিবের মন্তব্য: রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এখনও শেষ হয়নি

    সাকিবের মন্তব্য: রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এখনও শেষ হয়নি

    ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষের আগে থেকেই তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। তিনি স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের মনোনয়নে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তবে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে তিনি দেশের বাইরে থাকেন, আর ফিরতে পারেননি। এর ফলে তিনি নিজেকে আরও অধিক জনপ্রিয় এবং দৃঢ়ভাবে রাজনীতি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে তিনি এসব কথা প্রকাশ করেছেন। একাধিক মামলার আসামি হিসেবে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে দেশের বাইরে রয়েছেন তিনি — এর মধ্যে হত্যা মামলাও রয়েছে। তবে, তিনি এখনো ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী এবং আরও অনেকদিন রাজনীতি চালিয়ে যেতে চান। সাকিব বলেন, ‘আমার মনে হয়, ক্রিকেট ক্যারিয়ার প্রায় শেষ করে ফেলেছি আমি। তবে রাজনীতির অংশ এখনও বাকি আছে। এটা আমি বাংলার মানুষের ও মাগুরার মানুষের জন্য করতে চাই। এটাই আমার ইচ্ছা, এবং এখনও আমার আশা আছে। দেখা যাক, আল্লাহ কি করে আমাকে পরিচালনা করেন।’ তিনি জানিয়েছেন, গত বছরের আগস্টে শেখ হাসিনার পতনের পূর্ব থেকেই তিনি দেশের বাইরে ছিলেন, আর সেই সময় থেকে আর দেশের ফিরে আসেননি। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর সক্রিয়তা অব্যাহত ছিল। তিনি স্বৈরাচারী নেত্রী শেখ হাসিনাকে ‘আপা’ বলে সম্বোধন করে জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন, যা কিছুটা জনরোষের সৃষ্টি করেছিল। তবে, তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, ভবিষ্যতেও রাজনীতিতে সক্রিয় থাকতে চান এবং সেই রাজনীতি এখনো আওয়ামী লীগের নিয়মরীতেই করবেন।

  • ভারতের কারণে আইসিসির ৭৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি

    ভারতের কারণে আইসিসির ৭৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি

    আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে ভারতের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই গুরুত্বপূর্ণ আসরকে ঘিরে পুরো ক্রিকেট বিশ্বে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এরই মধ্যে টনক নড়ে আইসিসির দাঁতে, কারণ ভারতের বাজারে সম্প্রচার স্বত্ত্বের জন্য তারা বড় ধরনের ঝটকা খেয়ে গেছে।

    আইসিসির সঙ্গে রিলায়ান্সের মালিকানাধীন জিওস্টারের চুক্তি ছিল ২০২৪ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত চার বছরের জন্য। এই চুক্তির আওতায় প্রতি বছর আইসিসি পেত ৩০০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৬,৬৮৮ কোটি টাকা। কিন্তু হঠাৎই সম্প্রচার জায়ান্ট জিওস্টার এক চিঠিতে জানিয়ে দেয়, খুব দ্রুতই তারা এই চুক্তি বাতিল করছে, যেখানে মাত্র দুই বছরই বাকি। এই সিদ্ধান্তের ফলে আইসিসির জন্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক ধাক্কা লেগেছে। এই খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের व्यापक প্রতিবেদনে প্রকাশ পায়।

    এখন আইসিসিকে নতুন ধারক খুঁজতে হচ্ছে, তবে বড় অঙ্কের এই অর্থাৎ ৩০০ কোটি ডলার বছরে দেওয়ার মত কেউ এগোচ্ছে না। নতুন চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ২০২৬ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর আইসিসি পাবেই মাত্র ২৪০ কোটি ডলার, যা আগের চুক্তির তুলনায় ৬০ কোটি ডলার কম, অর্থাৎ বাংলাদেশের টাকায় প্রায় ৭,৩৩৮ কোটি টাকার ক্ষতি।

    জিওস্টার কেন এই চুক্তি ভেঙে দিল? এর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। ভারত সরকার সম্প্রচারকারীর জন্য রিয়েল মানি গেমিং অ্যাপগুলো কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ড্রিম১১, মাইইলেভেন সার্কেলসহ বড় বড় অ্যাপ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জিওস্টারের বিজ্ঞাপন থেকে আয়ের পরিমাণে ব্যাপক হ্রাস হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৭,০০০ কোটি রুপি বা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৯,৫০০ কোটি টাকা। এরফলে তাদের খরচ বেড়ে গেছে দ্বিগুণ, ফলে তারা এত বড় চুক্তি চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য হারিয়েছে।

    এখন আইসিসি অন্যান্য বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম যেমন সনি, নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইমের সঙ্গে আলোচনা করছে, কিন্তু কেউ এখনও রাজি হয়নি। যদি নতুন ক্রেতা না পাওয়া যায়, তবে আইসিসিকে বাধ্য হয়েই ২০২৭ সাল পর্যন্ত এই চুক্তি চালিয়ে যেতে হবে।

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নামকরা এই আসর। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৮ মার্চ। যদি পাকিস্তান ফাইনালের মুখোমুখি হয়, তাহলে ফাইনাল শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবে। অন্যথায়, আয়োজন হবে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে।