Category: আন্তর্জাতিক

  • কোর্টের রায়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প: বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশে বাড়ানোর ঘোষণা

    কোর্টের রায়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প: বৈশ্বিক শুল্ক ১৫ শতাংশে বাড়ানোর ঘোষণা

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দেশের পণ্যের ওপরে শুল্ক হার বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। এ ঘোষণা আসছে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট তার আমদানি শুল্কের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। ট্রাম্প দুই দফায় ঘোষণা দেন, দেশের সব পণ্যের ওপর আগের ১০ শতাংশ শুল্ক এখন থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হবে।

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের আগে, শুক্রবার, তিনি আদালত কর্তৃক বাতিল হওয়া শুল্কের স্থলে নতুন করে সব পণ্যের জন্য ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলেছিলেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, তিনি এমন একটি আইনের অধীনে শুল্কের এই বৃদ্ধি ঘোষণা করেছেন যা আগে ব্যবহার হয়নি। এর মাধ্যমে তিনি জানান, শুল্ক এখন থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত হবে।

    এই সিদ্ধান্তের সময়সূচি এমন সময় এসেছে, যখন বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সরকার ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনের এই অর্থদণ্ড আদায়ের উপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। ট্রাম্প তার টুইট বা সোশ্যাল পোস্টে বলেছেন, এই শুল্ক ‘অবিলম্বে কার্যকর’ হবে। তিনি আরও বলেন, সুপ্রিম কোর্টের ‘অযৌক্তিক, দুর্বলভাবে লেখা এবং অত্যন্ত আমেরিকাবিরোধী’ রায়ের পর্যালোচনার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউনিফর্ম শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও, এখন যদি সেটি ১৫ শতাংশে ওঠে তাহলে এর নির্ধারিত সময় বা তার কার্যকারিতা কবে থেকে হবে, তা স্পষ্ট হয়নি।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্পের এই শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে তিনি গত শুক্রবার অবৈধ ঘোষণা করেন মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন ৬-৩ ভোটে এই রায় দেয় আদালত। তবে এই রায়ের পর, ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় আরও একবার ঘোষণা দেন, নতুন আইন অনুযায়ী ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই সিদ্ধান্ত অব্যাহত থাকলে, তা সত্যিই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হবে এবং দেশকে কঠিন বিপদে ফেলবে।

  • ইংল্যান্ডে মসজিদের সামনে মুসলিম যুবককে কুপিয়ে হত্যা

    ইংল্যান্ডে মসজিদের সামনে মুসলিম যুবককে কুপিয়ে হত্যা

    পবিত্র রমজান মাসে ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসে একটি সোচ্চার ও নৃশংস ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাতে বার্মিংহামের স্মেথউইক এলাকায়, মসজিদের সামনে একজন ১৮ বছর বয়সী মুসলিম যুবক জেশান আফজালকে দুর্বৃত্তরা অতর্কিতে কুপিয়ে হত্যা করে। নিহতের পাশাপাশি আরও দুই যুবক, বয়স ১৯ এবং ২০ বছর, ছুরিকাহত হয়েছেন এবং তারা দ্রুতই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। খবর বিবিসি ও আনাদোলুর।

    ঘটনাটি ঘটে যখন ওই মুসল্লিরা তারাবি নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে হামলার শিকার হন। পুলিশ বলছে, এই ঘটনা অবশ্যই গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে এবং এখনো পর্যন্ত বর্ণবাদ বা ধর্মীয় ঘৃণা প্রকাশের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, তারা প্রাথমিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখছে।

    ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, তারা ঘটনার সম্পূর্ণ বিবরণ ও অপরাধীদের চিহ্নিত করার জন্য তদন্তের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং সব ধরণের তথ্য সংগ্রহ করে অপরাধীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনাটি মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং পুলিশ সব ধরনের অবিবেচক আচরণ প্রতিরোধে নজরদারি বাড়াচ্ছে।

  • থাইল্যান্ডের চিড়িয়াখানায় ৭২ বাঘের একের পর এক মৃত্যু

    থাইল্যান্ডের চিড়িয়াখানায় ৭২ বাঘের একের পর এক মৃত্যু

    প্রাণঘাতী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের একটি বেসরকারি চিড়িয়াখানায় গত কয়েক সপ্তাহে কমপক্ষে ৭২টি বাঘ মারা গেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) চিয়াং মাইয়ের প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। দ্যা গার্ডিয়ান সংবাদ মাধ্যমের বরাতে বলা হয়, তদন্তে দেখা গেছে অত্যন্ত সংক্রামক ক্যানাইন ডিসটেম্পার ভাইরাসের উপস্থিতি। এর পাশাপাশি শ্বাসতন্ত্রে প্রভাব ফেলা কিছু ব্যাকটেরিয়াও ধরা পড়েছে। জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রতানামুংকলানন গণমাধ্যমকে জানান, বাঘের মতো বৃহৎ প্রাণীর অসুস্থতা প্রকাশ পেতে দেরি হয়। সাধারণত কুকুর বা বিড়াল যেমন সহজে শনাক্ত হয়, তেমনটি এই বাঘের ক্ষেত্রে নয়। যখন তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন অনেক দেরি হয়ে যায়। মৃত cérémon নাটোরাটনা চিড়িয়াখানার নাম ‘টাইগার কিংডম’। শনিবার, এই চিড়িয়াখানার সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করেনি। তাদের ওয়েবসাইটে দর্শনার্থীদের জন্য বাঘ স্পর্শ ও ছবি তোলার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। অপরদিকে, প্রাণী অধিকার সংস্থা পেটা এশিয়া বলছে, এই বাঘগুলো দুর্দশা, বন্দিত্ব ও ভয়ের মধ্যে জীবনে বেঁচে ছিল, যা এখন তাদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

  • আফগানিস্তানে ভোরে পাকিস্তানের ড্রোন হামলা

    আফগানিস্তানে ভোরে পাকিস্তানের ড্রোন হামলা

    আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পাকিস্তান ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হামলার জেরে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। পাকিস্তানের এই হামলার বিষয়ে এখনো কোনও মন্তব্য করেনি তালেবান সরকার। তবে, আফগান সূত্রগুলো জানিয়েছেন, এই হামলা দুটি প্রদেশকে লক্ষ্য করে। তারা বলছে, পাকিস্তানের সামরিক শক্তি সরাসরি ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

    আফগানিস্তানের একটি সূত্র জানায়, পাকিস্তান পাক্তিকা প্রদেশের একটি মাদ্রাসায় ড্রোন দ্বারা হামলা চালানো হয়েছে। একই সময়ে, নানগারহার প্রদেশেও হামলার ঘটনা ঘটে।

    পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক এক্স পোস্টে জানিয়েছে, তাদের সেনাবাহিনী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি গোপন স্থাপনা ও ক্যাম্পের ওপর হামলা চালিয়েছে। এই আক্রমণে তারা সংগঠনগুলো যেমন, তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও এর সহযোগী সংগঠনের সাতটি গোপন আস্তানা ও ক্যাম্প ধ্বংস করেছে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া, ইসলামিক স্টেট সংশ্লিষ্ট একটি ক্যাম্পেও হামলা চালানো হয়েছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পাকিস্তানের মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, তাদের কাছে প্রমান রয়েছে যে, রাজধানী ইসলামাবাদে সাম্প্রতিক কিছু হামলা ও বোমা বিস্ফোরণ মূলত আফগানিস্তান ভিত্তিক সশস্ত্র নেতা ও তাদের সহযোদ্ধাদের নির্দেশনায় ঘটছে।

    অপরদিকে, শনিবার রাতে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু ডিভিশনে একটি আত্মঘাতী হামলায় এক লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ দুই সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। ওই সময়ই আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় পাকিস্তানি সেনার সামরিক অভিযানের খবর পাওয়া যায়।

    এর আগে, গত সোমবার বাজাউরে অস্ত্রধারীদের সহায়তায় একজন আত্মঘাতি হামলাকারী নিরাপত্তা চৌকি লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়, এতে ১১ সেনা এবং এক শিশু নিহত হয়। দাবি করা হয়েছে, এই হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানের এক নাগরিক।

    আরও এক সপ্তাহ আগে, ৬ ফেব্রুয়ারি, ইসলামাবাদের এক শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় ৩১ জন নিহত হন। এসব ঘটনা সত্ত্বেও পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে।

  • আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ১৭

    আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ১৭

    আফগানিস্তানের সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে, এতে নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে এই হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হন। তালেবান সরকার এ হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে দ্রুত উপযুক্ত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করছে।

    আল জাজিরার খবরে জানানো হয়, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী আফগানিস্তানের সীমান্তের জঙ্গি আস্তানাগুলিকে লক্ষ্য করে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই অভিযান ইসলামাবাদের শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলা ও অন্যান্য পাকিস্তানি স্থানে সাম্প্রতিক হামলার জবাব হিসেবেই চালানো হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

    আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং দেশের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তারা আরও জানিয়েছে, নাঙ্গারহার ও পাকতিকা প্রদেশে ধর্মীয় স্কুল ও আবাসিক অঞ্চলে এই হামলা চালানো হয়েছে, যার ফলে নারী ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।

    এক সূত্রের বরাতে আল জাজিরাকে জানানো হয়, নাঙ্গারহার এলাকায় পাকিস্তানের হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আফগান মন্ত্রণালয় এ হামলার জন্য পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে দায়ী করে উল্লেখ করেছে, এই হামলার পরিমিত ও উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশের সাতটি ক্যাম্প ও আস্তানায় অভিযান চালিয়েছে। এ সময় তারা আইএসের এক সহযোগী সংগঠকেও লক্ষ্যবস্তু করে। হামলা হয়েছে বাজাউর ও বান্নু জেলাগুলোর মতো অঞ্চলেও, যেখানে পাকিস্তানের দাবি—আফগানিস্তানভিত্তিক সংগঠনের নেতৃত্বে এই হামলা পরিচালিত হচ্ছে।

    পাকিস্তান বারবার তালেবান সরকারের কাছে অনুরোধ করে, যাতে তারা দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে সন্ত্রাসী হামলা এড়াতে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়। তবে কাবুল এই বিষয়ে কোনও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়নি বলে তারা অভিযোগ করে।

    বিমান হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে, খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় একটি নিরাপত্তা বাহিনীর ঘাঁটিতে আত্মঘাতী হামলায় একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ দুই সেনা নিহত হন। এই দুটি ঘটনা পাশাপাশি ঘটায় উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে আকাঙ্ক্ষিত শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য।

  • আদালতের রায়ের পর ফের ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের

    আদালতের রায়ের পর ফের ১০ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের

    বিশ্বব্যাপী ঢালাও শুল্ক আরোপের নীতিকে অবৈধ ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। এই রায়ের পরপরই বাতিল হওয়া শুল্কের পরিবর্তে নতুন করে ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আদালতের এই সিদ্ধান্তকে ‘ভয়াবহ’ এবং ‘অপমানজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং বিচারকদের কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দেন, তিনি অন্য আইনী পথ অবলম্বন করে শুল্ক আরোপের নীতি চালিয়ে যাবেন, ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির ওপর নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে।

    উচ্চ আদালত রায় দিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন প্রেসিডেন্টকে শুল্ক আরোপের জন্য নির্বিশেষে ক্ষমতা দেয় না। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ট্রাম্পের প্রশাসন জাতীয় জরুরি অবস্থার অধীনে থাকা সংবিধানবিরুদ্ধে এই শুল্ক কার্যকর করেছে। এই আইনটি মূলত কংগ্রেসের কাছ থেকে ক্ষমতা নেয়, এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বে রায়ày বলেন, প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এই ধরনের শুল্কের ক্ষেত্রে স্পষ্টভাবে কংগ্রেসের অনুমোদন থাকতে হবে; ট্রাম্প তা প্রদান করেননি।

    গত এপ্রিল মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের প্রায় সকল দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে সেই নীতি অবৈধ ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট, যা তার কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় একে ‘অপমানজনক’ বলে অভিহিত করে বলেন, আদালতের বেশ কয়েকজন সদস্যকে তিনি লজ্জা দেন এবং বলেন, তাদের সাহসের অভাব রয়েছে।

    বিচারপতিদের এই রায়র মাধ্যমে ট্রাম্পের শুল্ক নীতির উপর বড় আঘাত এসেছে, বিশেষ করে শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকা নিয়ম স্পষ্ট হয়েছে। ট্রাম্পের ১৯৭৭ সালের জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা সংক্রান্ত আইন থেকে তার এই শক্তিশালী আরোপের ক্ষমতা আরও সীমিত হয়ে গেছে। এই রায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের জন্য বড় বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ তারা এই শুল্কের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেছিল।

    আদালতের সিদ্ধান্তের ফলে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে শুল্ক জোর করেন বা উচ্চ শুল্কের দাবি থাকলেও এখন অনেক কোম্পানি এ থেকে বিমূর্ত হতে চায়। তবে, ট্রাম্প এই পরিস্থিতিতে বিকল্প ভাবনা ভাবছেন। হোয়াইট হাউজের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি অন্যান্য আইনের আওতায় শুল্ক আরোপ চালিয়ে যেতে পারেন যাতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে তার প্রভাব বজায় থাকে।

    বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, তিনি এখন এমন একটি আইন ব্যবহার করতে পারেন যা প্রেসিডেন্টকে ১৫০ দিনের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের অনুমতি দেয়। এর মাধ্যমে কিছু নির্দিষ্ট দেশ বা পণ্যও টার্গেট করা সম্ভব। পাশাপাশি, কিছু শুল্ক ইতিমধ্যে বহাল রয়েছে, যা নির্দিষ্ট দেশের নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছিল। ফলে প্রশাসনের জন্য একদিকে নতুন শুল্ক নীতি তৈরি বা সাময়িক নিরীক্ষার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে, এই ইস্যু থেকে সহজে পিছু হবেন না বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

    সুপ্রিম কোর্টের এই রায় অনুযায়ী, ট্রাম্পের শুল্ক ক্ষমতা সীমিত হওয়ায় দেশটির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদাররাও আরও সাহসী হয়ে উঠতে পারে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, গত এক বছরে যে শুল্কের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় হয়েছিল, তার বড় অংশ ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে, প্রশাসন অন্য আইনী পথ অবলম্বন করে এই সমস্যা এড়াতে পারে বলেও ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    প্রতিক্রিয়া হিসেবে ট্রাম্প রায় নিয়ে বলেন, ‘এটি খুবই হতাশাজনক, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত যারা ব্রতী হয়েছেন, তারাও লজ্জিত হওয়া উচিত। তারা সঠিক কাজটি করার সাহস দেখাতে পারেননি।’ এই ভাষণে তার মনে পড়ে যায় নির্বাহী ও বিচার বিভাগের মধ্যে বর্তমানে চলমান চ্যালেঞ্জের সূচনা।

    অবশেষে, কয়েক ঘণ্টা পর হোয়াইট হাউজে ট্রাম্প রায়টির বিরুদ্ধে আবারও কঠোর সমালোচনা চালিয়ে বলেন, তিনি অন্যান্য দেশের ওপর শুল্ক আরোপ অব্যাহত রাখতে নতুন পথ খুঁজে বের করবেন। তবে তিনি আবারও বিচারকদের প্রতি আক্রমণ করে ব্যক্তিগত আঘাতের ইঙ্গিত দেন, যা গভীর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক টানাপড়েনের সংকেত দেয়। এ রায়ের ফলস্বরূপ, ট্রাম্পের জন্য কঠিন পরীক্ষা হলেও, তিনি এবং তার শিবির নানা আইনী বিকল্প ভাবনা নিয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

  • ইংল্যান্ডে মসজিদের সামনে মুসলিম যুবকে কুপিয়ে হত্যা

    ইংল্যান্ডে মসজিদের সামনে মুসলিম যুবকে কুপিয়ে হত্যা

    পবিত্র রমজান মাসের সময় ইংল্যান্ডে এক নৃশংস ঘটনার সাক্ষী হলো স্থানীয়রা। বার্মিংহামের কাছে স্মেথউইকে এক মুসলিম যুবককে, যার নাম জানা গেছে জেশান আফজাল, তাকে বিশৃঙ্খল দুবৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করেছে। এই হামলার সময় ঘটনাস্থলে থাকা অন্যান্য দুজন যুবকও ছুরিকাহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর বিবিসি ও আনাদোলুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলা স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত নয়টার দিকে ঘটে। নিহত জেশান আফজাল তারাবি নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে এই হামলার শিকার হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, তিনি ও আরও দুই মুসল্লি মসজিদের সামনে থাকা সন্ত্রাসীদের দ্বারা হামলার শিকার হন। তবে, পুলিশ সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে বলছে, এই হত্যাকাণ্ডকে তারা এখনই বর্ণবাদী বা ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক হামলা বলে মনে করছে না। তারা বর্তমানে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো পরিস্থিতি বোঝার জন্য তারা এই ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করছে এবং অপরাধীদের শনাক্তে তৎপর। এই ঘটনার ফলস্বরূপ মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তারা এই ধরনের ঘটনাকে গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেখছেন।

  • থাইল্যান্ডের চিড়িয়াখানায় একসঙ্গে ৭২টি বাঘের মৃত্যু

    থাইল্যান্ডের চিড়িয়াখানায় একসঙ্গে ৭২টি বাঘের মৃত্যু

    থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের এক বেসরকারি চিড়িয়াখানায় গত কয়েক সপ্তাহে অন্তত ৭২টি বাঘ মারা গেছে, যার পেছনে প্রায়ই প্রাণঘাতী ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের প্রভাব উল্লেখ করা হচ্ছে। এই দুর্যোগের খবর শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে প্রকাশ করেছে চিয়াং মাইয়ের প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ দপ্তর, যা দৈনিক দ্যা গার্ডিয়ানের রিপোর্টেও প্রকাশিত হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষায় সংক্রামক ক্যানাইন ডিসটেম্পার ভাইরাস (কিডিএভি) শনাক্ত হয়েছে, যা অত্যন্ত সংক্রামক বা ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস। এর পাশাপাশি শ্বাসতন্ত্রে আঘাত হানে এমন কিছু ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতিও ধরা পড়েছে।

    জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রতানামুংকলানন স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাঘের মত বড় প্রাণী অসুস্থ হলে এগুলোর রোগ লক্ষ্য করা কঠিন। তুলনামূলকভাবে কুকুর বা বিড়ালের মতো ছোট প্রাণীর ক্ষেত্রে যেখানে রোগ নির্ণয় সহজ, সেখানে বড়দের ক্ষেত্রে তা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের। তিনি ব্যাখ্যা করেন, যখন তারা বুঝতে পারেন বাঘগুলো অসুস্থ হয়ে পড়েছে, তখন বড় দেরি হয়ে যায়।

    জানা গেছে, যে চিড়িয়াখানায় এই ঘটনা ঘটেছে, তার নাম ‘টাইগার কিংডম’। তবে এই বিষয়ে যোগাযোগের জন্য শনিবার চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করেনি। তাদের ওয়েবসাইটে এখনও দর্শনার্থীদের জন্য বাঘ স্পর্শ ও ছবি তোলার বিজ্ঞাপন রয়েছে।

    প্রাণী অধিকার সংগঠন পেটা এশিয়া এই ঘটনাকে ভয়াবহ মনে করে বলেছে, এই বাঘগুলো দুঃখ, বন্দিত্ব ও ভয়ের মধ্যে জীবন যাপন করেছিল, আর এই পরিস্থিতির ফলে তাদের মৃত্যুও দ্রুত ও অসম্পূর্ণভাবে হয়েছে। এই ঘটনার পিছনে রয়েছে স্থানীয় ঢেঁকিঝুঁকি ও অসহায় পরিস্থিতির আলোচনাও।

  • কোর্টের রায়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, বৈশ্বিক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ ঘোষণা

    কোর্টের রায়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, বৈশ্বিক শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ ঘোষণা

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বৈশ্বিক শুল্কহার বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি গত সপ্তাহে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তের দুই ঘণ্টার মধ্যেই নতুন করে শুল্কহার বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেন। আগে তিনি জানিয়েছিলেন, দেশটির আমদানি পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক থাকবে, তবে এখন তা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করতে চান।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেন, তিনি এমন এক আইনের আওতায় এই শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যা আগে কখনো ব্যবহার হয়নি। এই ঘোষণা এমন সময়ে এলো যখন বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে শুল্ক ফেরত চাচ্ছে, যার পরিমাণ প্রায় ১৩৩ বিলিয়ন ডলার।

    তিনি আরও জানান, নতুন এই শুল্কটি ‘অবিলম্বে কার্যকর’ হবে। ট্রাম্পের দাবি, সুপ্রিম কোর্টের রায় ‘অযৌক্তিক, দুর্বলভাবে লেখা এবং অত্যন্ত আমেরিকাবিরোধী’। এখন শুল্ক নতুন রূপে কার্যকর হবে আগামী মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে। তবে, যদি শুল্ক ১৫ শতাংশে উন্নীত হয়, তবে তা কবে থেকে কার্যকর হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়।

    গত শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এই সিদ্ধান্ত দেয় যে, ট্রাম্পের অবৈধ ঘোষণা করা শুল্কে আস্থা রাখা যাবে না। তাদের রায় ৬-৩ ভোটে সিদ্ধান্তে আসে, যেখানে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টসের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই রায়ের পক্ষে ভোট দেয়।

    শুল্কের এই সিদ্ধান্তে বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন দেশ। ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উল্লেখ করেন, আপিল আদালতের এই রায় যদি কার্যকর হয়, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই নতুন শুল্ক আরোপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ট্রেডে অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।

  • ভোরে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা

    ভোরে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা

    আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পাকিস্তানের ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলা পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে, যারা বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে আসছে। ပাকিস্তানের এই 홉ামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত তালেবান সরকার কোনো মন্তব্য করেনি। তবে আফগান সূত্র সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে জানিয়েছে, পাকিস্তানি সেনারা দুটি প্রদেশে হামলা করেছে।

    সূত্রের মতে, পাকিস্তানের পাকতিকা প্রদেশের একটি মাদ্রাসায় ড্রোনের মাধ্যমে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়াও নানগারহার প্রদেশেও আলাদা আক্রমণ পরিচালিত হয়েছে। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীত্ব এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের সেনাবাহিনী গোয়েন্দা সূচনার ভিত্তিতে কাজ করে বলে দাবি করে, তারা সাতটি গোপন আস্তানা ও ক্যাম্পে অভিযান চালিয়েছে, যেখানে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও তার সহযোগী সংগঠনগুলি লুকিয়ে আছে।

    এছাড়াও, ইসলামিক স্টেট সংশ্লিষ্ট একটি সংগঠনের ক্যাম্পেও হামলা হয়েছে বলে পাকিস্তান দাবি করেছে। তারা আরও জানিয়েছে, সম্প্রতি রাজধানী ইসলামাবাদের বিভিন্ন হামলার পেছনে আফগানিস্তানের সশস্ত্র নেতাদের নির্দেশনা রয়েছে।

    অপরদিকে, শনিবার রাতে কাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু বিভাগে এক আত্মঘাতী হামলায় একজন লেফটেনেন্ট কর্নেলসহ দুই সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। এর সঙ্গে যাবতীয় সংযোগ রয়েছে আফগানিস্তানে পাকিস্তানির অভিযান ও হামলার।

    এর আগে, গত সোমবার বাজাউরে অস্ত্রধারীর সহায়তায় এক আত্মঘাতী হামলাকারী নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা করে, এতে ১১ সেনা ও এক শিশু নিহত হয়। পাকিস্তানের দাবি, এই হামলার পেছনে রয়েছে আফগানিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র নেতাদের নির্দেশনা।

    এছাড়া, ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় ৩১ জন নিহত হয়। এই ধারাবাহিক হামলা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্কের গভীর অস্থিরতা ফুটে উঠে।