Category: আন্তর্জাতিক

  • আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ১৭

    আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ১৭

    আফগানিস্তানের সীমান্তে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যা আরও জোরদার করে পরিস্থিতি। এই হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন, রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ঘটেছে এই হামলা। পাশাপাশি অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। তালেবান সরকার এই হামলার কড়া নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, তারা উপযুক্ত জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, পাকিস্তানি সেনারা আফগান সীমান্তবর্তী এলাকায় জঙ্গি আস্তানা লক্ষ্য করে এ lourd আঘাত চালিয়েছে। বিশেষ করে ইসলামাবাদের শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলার পর পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে এই হামলা চালানো হয়। এই অভিযানে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বলেছে, তারা সীমান্তের ওপারে থাকা জঙ্গিদের ওপর কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে।

    আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি আন্তর্জাতিক আইন ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের বিরোধী। তারা আরও জানায়, নাঙ্গারহার ও পাকতিকা প্রদেশে ধর্মীয় স্কুল এবং আবাসিক এলাকা লক্ষ্য করে এই হামলা হয়েছে, যাতে নারী ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।

    এক সূত্রের বরাতে আল জাজিরাকে জানানো হয়, আফগানিস্তানের নাঙ্গারহার প্রদেশে পাকিস্তানের হামলায় কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আফগান পর্যবেক্ষকদের মতে, এই হামলা জাতীয় সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে পরিচালিত।

    পাকিস্তান এই হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি আইন ও সৌহার্দ্যজনক সম্পর্কের বিরুদ্ধে এবং আফগানিস্তানকে এই ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে তারা বারবার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে, কাবুলের পক্ষ থেকে কোনও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেছে।

    বিস্তারিত বলছে, কিছু ঘণ্টা আগে খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় একটি নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর আত্মঘাতী হামলায় একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ দুই সেনা নিহত হন। পাকিস্তানের মন্তব্য অনুযায়ী, এই সব হামলার পেছনে রয়েছে আফগানিস্তানভিত্তিক সংগঠনগুলি, যারা বলে, পাকিস্তানের সীমানার ওপারে থাকা গোষ্ঠীগুলো হামলা চালাচ্ছে। পাকিস্তান সরকার এ ব্যাপারে তালেবান সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

  • থাইল্যান্ডে চিড়িয়াখানায় ৭২টি বাঘের মৃত্যু, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়

    থাইল্যান্ডে চিড়িয়াখানায় ৭২টি বাঘের মৃত্যু, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে হতাহতের সংখ্যা বেড়ে যায়

    প্রাণঘাতী ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় এক বেসরকারি চিড়িয়াখানায় গত কয়েক সপ্তাহে অন্তত ৭২টি বাঘট মারা গেছে। এ তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় চিয়াং মাই প্রদেশের প্রাণিসম্পদ দপ্তর, যা শনিবার এক বিবৃতিতে প্রকাশ করেছে। খবর দ্যা গার্ডিয়ান।

    চিয়াং মাইয়ের প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ দপ্তর বলেছে, চিকিৎসা ও পরীক্ষায় ভাইরাসের মধ্যে সবচেয়ে সংক্রামক ক্যানাইন ডিসটেম্পার ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি শ্বাসতন্ত্রে প্রভাব ফেলা একটি ব্যাকটেরিয়াও দেখা গেছে।

    জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রতানামুংকলানন স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, বাঘগুলো অসুস্থ হলে সহজে শনাক্ত করা যায় যেমনটি কুকুর বা বিড়ালে হয়, কিন্তু বাঘের ক্ষেত্রে তা এতটা সহজ নয়। যখন বুঝতে পারা যায় যে তারা অসুস্থ, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে।

    মৃত্যুতে আক্রান্ত চিড়িয়াখানার নাম হলো ‘টাইগার কিংডম’। এজন্য জড়িত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য শনিবার যোগাযোগ করা হলেও, তারা এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

    তাদের ওয়েবসাইটে দর্শনার্থীদের জন্য বড় আকারের বাঘের সঙ্গে ছবি তোলার ও স্পর্শ করার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে।

    প্রাণী অধিকার সংস্থা পেটা এশিয়া জানিয়েছে, এই বাঘগুলো দুর্দশা, বন্দিত্ব ও ভয়ঙ্কর পরিবেশের মধ্যে জীবনযাপন করলেও নিজের চরিত্রে তারা অল্প সময়ে মারা গেছে। এটি স্পষ্ট করে দেয়, প্রাকৃতিক পরিবেশের বাইরে এমন পরিস্থিতিতে বাঘগুলোর জীবন কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।

  • ইরানে আবার শুরু হয়েছে জেন-জি বিক্ষোভ

    ইরানে আবার শুরু হয়েছে জেন-জি বিক্ষোভ

    ইরানে আবারও জেন-জি বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে, যদিও এই সময় দেশে পরমাণু প্রকল্প নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছে। রাজধানী তেহরানে গতকাল রোববার দ্বিতীয় দিন ধরে চলে চলমান এই বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল। সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণে এই আন্দোলন আরও জোরদার হয়ে উঠছে।

    একটি প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, দীর্ঘ ডিসেম্বর-জানুয়ারি বিক্ষোভের চাপে নিহত মানুষের স্মরণে এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি নিয়ে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু করে তরুণ প্রজন্মের অংশ। সেই আন্দোলনের পাল্টায় সরকারও পক্ষ নিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন আন্দোলনের কেন্দ্রস্থলে রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শিক্ষার্থীরা পতাকা হাতে নানা স্লোগান দিচ্ছেন এবং রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবিও উপস্থিত করছে।

    আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দিকে তাকালে দেখা যায়, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরানের অর্থনীতি ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশের মুদ্রা ইরানি রিয়াল এখন বিশ্বের অন্যতম দুর্বল মুদ্রা। অর্থনৈতিক চাপের কারণে জীবনে দুর্দশা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার প্রতিবাদে ডিসেম্বরের শেষে ব্যবসায়ী ও দোকান মালিকরা আন্দোলনে নামে। কিন্তু ঈর্ষাকরভাবে, এই আন্দোলন দ্রুত সরকারবিরোধী প্রবণতায় পরিণত হয় এবং দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

    প্রথম দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আন্দোলনে সমর্থন জানান এবং ইরানে সামরিক পদক্ষেপেরও ইঙ্গিত দেন। তবে দ্রুত তিনি নজর দেন- ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন হুমকি দিতে। ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই ব্যাপারে আলোচনা শুরু হলেও, এর মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়িয়ে দেয়।

    ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভকে কঠোর দমন করে চলে ইরানের সরকার। সরকারি সূত্র বলছে, পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে মারা গেছে প্রায় ৩ হাজারের বেশি মানুষ। অন্য একটি মানবাধিকার সংস্থা বলছে, নিহতের সংখ্যা এই চেয়ে অনেক বেশি। তবে, বিভিন্ন সূত্রের নিজেদের মতে, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে প্রায় ১৫,০০০ মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

  • ইরানে অবস্থানরত ভারতীয়দের দ্রুত সরে যাওয়ার পরামর্শ

    ইরানে অবস্থানরত ভারতীয়দের দ্রুত সরে যাওয়ার পরামর্শ

    ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কায় দেশটিতে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে ভারতীয় দপ্তর। ভারতীয় দূতাবাস কর্তৃপক্ষ সবাইকে নিশ্চিত করতে বলেছে যে, ইরানে থাকা ভারতের নাগরিকরা যেন দ্রুত তাদের বর্তমান অবস্থান ত্যাগ করেন। বিশেষ করে, বাণিজ্যিক ফ্লাইট বা অন্য যে কোনও উপলভ্য পরিবহন ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরান ছাড়তে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এটি বিশেষ করে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, পর্যটকসহ সব ধরনের নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য।

    দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের পর থেকে এই পরামর্শ পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, সব ভারতীয় ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিক্ষোভ বা প্রতিবাদমূলক এলাকার থেকে দূরে থাকাকরণে, ইরানের বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার, এবং স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়াও, ভারতীয় নাগরিকদের পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র এবং ভ্রমণ সংক্রান্ত অন্যান্য নথিপত্র সবার কাছে হাতের কাছে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে তাদের সহায়তার জন্য ভারতের দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে।

    দূতাবাস বিভিন্ন যোগাযোগ নম্বর ও ইমেইল আইডি প্রকাশ করেছে, যাতে সহজে সাহায্য বা পরামর্শ গ্রহণ করা যায়: +৯৮৯১২৮১০৯১১৫, +৯৮৯১২৮১০৯১১০৯, +৯৮৯১২৮১০৯১১০২; ইমেইল: [email protected]। তারা আরও জানিয়েছে, ইরানে থাকা প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিক যেন তাদের প্রশাসনিক নিবন্ধন সম্পন্ন করেন।

    এই সতর্কতা ও নির্দেশনা আমাদের দেশের নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। সবাইকে যথাযথভাবে নিজেদের প্রস্তুতি নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • নেপালে যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে নিহত ১৮

    নেপালে যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ে নিহত ১৮

    নেপালে ভয়াবহ একটি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ধাডিং জেলার পোখারা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা করা একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ত্রিশুলি নদীতে ডুবে যায়। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৬ জন। নিহতদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের দুই পর্যটকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

    নেপালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের খবর অনুযায়ী, সোমবার ভোরে (২৩ ফেব্রুয়ারি) এই দুর্ঘটনা ঘটে। বাসটি রাত আনুমানিক ১টার দিকে ধাডিং জেলার বেনিঘাট রোরাং পৌরসভা এলাকার ভৈসেপাটি এলাকার কাছ দিয়ে পার হচ্ছিলো। তখন সে প্রতিপক্ষের আনুমানিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চিনাধারা এলাকার কাছ দিয়ে প্রায় ৩০০ মিটার নিচে ত্রিশুলি নদীর তীরে পড়ে যায়। ফলে বাসটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    ধাডিং জেলা ট্রাফিক পুলিশের প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, मृतকের সংখ্যা বর্তমানে ১৮ জনে পৌঁছেছে। তাঁদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী। হাইওয়ে রেসকিউ ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান রাজকুমার থাকুরি দাবি করেছেন, আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাসটিতে মোট ৪৪ জন যাত্রী সান্ত্বনা পেয়েছিলেন, তবে দুর্ঘটনায় নিহতের পাশাপাশি অনেকেই আহত হয়েছেন।

    বাসে থাকা দুইজন নিউজিল্যান্ডের পর্যটক—একজন নারী ও একজন পুরুষ—ও এই দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

    দুর্ঘটনার পর স্থানীয় সেনা, আর্মড পুলিশ ফোর্স এবং নেপাল পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালায়। স্থানীয় মানুষও এতে অংশ নেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, অন্ধকার পরিস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রীর অভাবে উদ্ধার কাজের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।

    জেলা প্রশাসকের হিসেবে সুবেদি জানান, রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের সাহায্যে আহতদের উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে ত্রাণের অভাব থাকায় উদ্ধার কাজে জটিলতা সৃষ্টি হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ভয়াবह দুর্ঘটনায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যেতে হয়।

  • ভোরের সময় পাকিস্তানের হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানে

    ভোরের সময় পাকিস্তানের হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানে

    আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন অঞ্চলে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে পাকিস্তান কর্তৃক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি হামলার জেরে এই নতুন হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। সেই সঙ্গে, তালেবান সরকার এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে আফগান সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী দুটি প্রদেশে হামলা চালিয়েছে। এ সংক্রান্ত সূত্র বলেছে, পাকতিকা প্রদেশের একটি মাদ্রাসা ও নানগারহার প্রদেশে এই হামলা হয়েছে। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের সেনাবাহিনী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সন্ত্রাসী সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও তার সহযোগী গোষ্ঠীর সাতটি গোপন আস্তানা ও ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি, ইসলামিক স্টেট সংশ্লিষ্ট একটি সংগঠনের ক্যাম্পেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের কাছে স্পষ্ট তথ্য আছে যে, রাজধানী ইসলামাবাদের মসজিদসহ সাম্প্রতিক বেশ কিছু হামলার পিছনে আফগানিস্তানে ভিত্তি করে থাকা সশস্ত্র নেতা ও তাদের সহযোগীরা রয়েছেন। এদিকে, শনিবার রাতে খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু বিভাগে আত্মঘাতী হামলায় একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ দুজন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। এর কিছুক্ষণ পরই পাকিস্তানের সীমান্তে বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। এর আগে, গত সোমবার বাজাউরে অস্ত্রধারীর সহায়তায় এক আত্মঘাতী হামলাকারী নিরাপত্তা চৌকির কাছে এসে বিস্ফোরণ ঘটায়, যেখানে ১১ সেনা ও একটি শিশু নিহত হয়। এই হামলা আফগানিস্তানের এক নাগরিকের দ্বারা চালানো বলে পাকিস্তান মনে করছে। এর আগে, ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলায় ৩১ জন নিহত হন।

  • আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত অন্তত ১৭

    আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত অন্তত ১৭

    আফগানিস্তানের সীমান্তে পাকিস্তানের বিমান ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। রবিবার ভোরে এই হামলায় নারী ও শিশুসহ বহু মানুষ আহত হন। তালেবান সরকার এই হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে, উপযুক্ত জবাব দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী আফগান সীমান্তের জঙ্গি আস্তানা লক্ষ্য করে এই বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই অভিযান চলাকালে ইসলামাবাদের শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী হামলার পাল্টা হিসেবে পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে হামলার জেরে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় বলেছে, নাঙ্গারহার এবং পাকতিকা প্রদেশে একটি ধর্মীয় স্কুল ও আবাসিক ভবনের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, যাতে নারী ও শিশুসহ অনেক হতাহত হয়।

    এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাঙ্গারহার অঞ্চলে পাকিস্তানের হামলায় কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন ও সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী ও অগ্রহণযোগ্য বলে দাবী করে উপযুক্ত জবাব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

    বিবৃতি পাঠিয়েছে, যেখানে তারা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে দায়ী করে বলেছে, তারা বেসামরিক ও ধর্মীয় স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার জন্য দায়ী। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সময় মতো এই হামলার পরিমাণ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে তারা প্রস্তুত।

    এর আগে, পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক বিবৃতিতে জানায়, পাকিস্তান সেনাবাহিনী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সাতটি তালেবান ও সহযোগী সংগঠনের ক্যাম্পে সফল অভিযান পরিচালনা করেছে।

    এছাড়া, প্রতিবেদনে বলা হয়, সীমান্তবর্তী এলাকা আইএসের একটি সহযোগী সংগঠনের ওপরও কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের মন্ত্রণালয় দাবি করে, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাজাউর ও বান্নু জেলায় হামলাগুলো ‘আফগানিস্তানভিত্তিক সংগঠনের নেতৃত্বে হয়েছে’—এমন প্রমাণ তারা দেখিয়েছে।

    পাকিস্তান একবার আবারো reiterate করে বলেছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যাতে হামলা চালাতে না পারে, সেই জন্য তালেবান সরকারকে বারবার অনুরোধ জানিয়েছে। কিন্তু কাবুল এই বিষয়ে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।

    বিমান হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে, খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলায় এক নিরাপত্তা ব stakeholderে আত্মঘাতী হামলাই ঘটেছে, যেখানে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ দুই সেনা নিহত হয়েছেন।

  • থাইল্যান্ডের চিড়িয়াখানায় ৭২ বাঘের মৃত্যু

    থাইল্যান্ডের চিড়িয়াখানায় ৭২ বাঘের মৃত্যু

    প্রাণঘাতী ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের কারণে থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলের একটি বেসরকারি চিড়িয়াখানায় গত কয়েক সপ্তাহে অন্তত ৭২টি বাঘ মারা গেছে। এই তথ্যটি শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) চিয়াং মাইয়ের প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ দপ্তর নিশ্চিত করেছে। খবর দ্যা গার্ডিয়ানের। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছে যে সংক্রমণের पीछे রয়েছে অত্যন্ত সংক্রামক ক্যানাইন ডিসটেম্পার ভাইরাস। এছাড়াও শ্বাসতন্ত্রে প্রভাব ফেলে এমন ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। জাতীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক সোমচুয়ান রতানামুংকলানন বলেন, বাঘের অসুস্থতা শনাক্তে সাধারণত অন্যান্য প্রাণীর মতো সহজ হয় না। তিনি বলেন, যখন বোঝা যায় যে বাঘগুলো অসুস্থ, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। মৃত বাঘটিরা থাকছিল ‘টাইগার কিংডম’ নামের একটি চিড়িয়াখানায়। শনিবার এ বিষয়ে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কেউ মন্তব্য করেনি। তাদের ওয়েবসাইটে দর্শনার্থীদের জন্য বাঘ স্পর্শ করার এবং বড় এই বন্যপ্রাণীদের সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ রয়েছে বলে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। প্রাণী অধিকার সংগঠন পেটা এশিয়া জানিয়েছে, এই বাঘগুলো দুর্দশা, বন্দিত্ব এবং ভয়ের মধ্যে থাকাকালীনই তাদের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে বোঝা যায়, এই বাঘগুলো প্রকৃতির বাইরে থাকা কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে লড়ে জীবন সংগ্রাম চালিয়েছে।

  • নেপালে দুর্ঘটনায় নিহত ১৮ বাস নিহতবাস ট্র্যাজেডি

    নেপালে দুর্ঘটনায় নিহত ১৮ বাস নিহতবাস ট্র্যাজেডি

    নেপালে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ধাডিং জেলায়, যেখানে পোখারা থেকে কাঠমান্ডুগামী এক যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ত্রিশুলি নদীতে পড়ে যায়। এই হ্রদাণীত ঘটনা ঘটার সময়, বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর আহত হন। নিহতদের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের দুই পর্যটকও রয়েছেন।

    সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানায়, সোমবার সকালে (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরের দিকে এই অপূরণীয় ঘটনা ঘটে। আহতের সংখ্যা ২৬ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

    পোখারা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া বাসটি রাত আনুমানিক ১টার দিকে ধাডিং জেলায় বেনিঘাট রোরাং পৌরসভার ভৈসেপাটি এলাকার কাছে পৃথ্বী মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যায়। দ্রুততায় চালক বাসটি চিনাধারা এলাকার কাছ দিয়ে প্রায় ৩০০ মিটার নিচে ত্রিশুলি নদীর তীরে পড়ে যায়, যার ফলে বাসটির ব্যাপক ক্ষতি ও প্রায় সবাই আহত হয়।

    ধাডিং জেলা ট্রাফিক পুলিশের প্রধান শিশির থাপা জানান, আপাতত মৃত্যুর সংখ্যা ১৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ১২ জন পুরুষ ও ছয়জন নারী। হাইওয়ে রেসকিউ ও নাগরিকরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে উদ্ধার কাজে অংশ নেন।

    বাসটিতে মোট ৪৪ জন যাত্রী ছিলেন, তাদের মধ্যে দুইজন ছিলেন নিউজিল্যান্ডের পর্যটক—একজন নারী ও একজন পুরুষ। এই দুর্ঘটনাতেও তারা মারা গেছেন।

    দুর্ঘটনার পর নেপাল সেনাবাহিনী, আর্মড পুলিশ ফোর্স এবং পুলিশ একত্রে উদ্ধার কাজ চালায়। পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা, গভীর অন্ধকার ও স্বল্প ত্রাণ সামগ্রীর কারণে।

    দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসক সুবেদি জানান, রাতের অন্ধকারে টর্চলাইটের সাহায্যে আহতদের উদ্ধার করা হয়। তবে, ত্রাণের অভাব ও নানা চ্যালেঞ্জের কারণে উদ্ধার অভিযান বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। কর্তৃপক্ষ জানান, রাতের এই দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে ব্যাপক দেরি হয় ও পরিস্থিতি জটিলতায় পড়ে।

  • ইরানে ফের শুরু হয়েছে জেন-জি বিক্ষোভ

    ইরানে ফের শুরু হয়েছে জেন-জি বিক্ষোভ

    ইরানে সম্প্রতি আবারও জেন-জি বা গণতান্ত্রিক দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়েছে, যা চলমান পরমাণু আলোচনা চলাকালীন সময়ে নতুন মাত্রা লাভ করেছে। রাজধানী তেহরানে গতকাল রোববার এই বিক্ষোভের দ্বিতীয় দিন ছিল, যেখানে সাধারণ ইরানি জনগণ প্রতিবাদ, সমাবেশ এবং মিছিল করেছেন।

    এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ব্যাপক বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে বহু প্রাণহানি ঘটে। এই নিহতদের স্মরণে এবং হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে শনিবার তেহরানে তরুণ প্রজন্মের পক্ষ থেকে নতুন করে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। এর জবাবে ক্ষমতাসীন দলের তরুণ-তরুণীরা মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের সমর্থন জানিয়েছেন।

    ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তেহরানের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়—শরিফ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, তেহরানের বিশ্ববিদ্যালয়, এবং আমির কবির বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। বিশেষ করে শরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ভিডিও মাধ্যমে দেখানো হয়েছে, যেখানে তারা সাবেক শাসক শাহ মুহম্মদ রেজা শাহ পাহালভির সময়কালের পতাকা হাতে নিয়ে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছেন এবং বিগত স্বৈরশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানাচ্ছেন।

    অর্থনৈতিক দিক থেকে অবনতির মুখে পড়ে যাওয়া ইরানের পরিস্থিতি আরও সংকটের মধ্যে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একের পর এক আরোপিত নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানি রিয়াল এখন বিশ্বের দুর্বলতম মুদ্রা হিসেবে পরিচিত। জীবনযাত্রার খরচ সহ্য করতে না পেরে ডিসেম্বরের শেষ থেকে ইরানের ব্যবসায়ী এবং দোকানমালিকরা বিভিন্ন protest শুরু করেন, যা পরে দেশব্যাপী ব্যাপক সরকারের বিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়।

    প্রথম দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আন্দোলনগুলোকে সমর্থন করেছিলেন, এমনকি ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। 그러나 পরবর্তীতে তিনি তিনি এই আন্দোলন থেকে মনোযোগ সরিয়ে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে হুমকি পুনরায় দেন।

    গত ৬ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু আলোচনার স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য আলোচনা শুরু হলেও, এর মধ্যেই মার্কিন সেনা ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের উপস্থিতি বাড়িয়েছে।

    গত ডিসেম্বরের শেষ থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভগুলো ছিল নজিরবিহীন। এর দমনপ্রক্রিয়ায় ইরানের সরকার কঠোরতা দেখিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাদের গুলিতে এক দিনেই নিহত হন প্রায় ৩,০০০ এর বেশি মানুষ। কিন্তু আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, এই সংখ্যাটা পৌঁছে গেছে ৭,০০০ এর বেশি। তবে ইরানের বাইরে বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা যায়, ডিসেম্বর ও জানুয়ারির সরকারের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ১৫,000 মানুষ।