Category: অর্থনীতি

  • এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য জরুরি নির্দেশনা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্রের তথ্য আদান-প্রদান

    এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্নের জন্য জরুরি নির্দেশনা: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্রের তথ্য আদান-প্রদান

    আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা নির্বিঘ্নে, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ এক জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রীয় পর্যায়ে সিসি ক্যামেরার তথ্য এবং প্রশ্নপত্র গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিস্তারিত তথ্য দ্রুত পাঠানোর জন্য। বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে ঘোষিত হয়েছে।

    বিশেষভাবে বলা হয়েছে, রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালেই সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোকে তাদের সিসি টিভি ক্যামেরার আইডি ও পাসওয়ার্ড শেয়ার করতে হবে। এছাড়াও, যারা প্রশ্নপত্র গ্রহণের মাধ্যমে দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ অন্যান্য তথ্য সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ন প্রমাণপত্রগুলো [email protected] ই-মেইলে পাঠাতে হবে। এ জন্য শিক্ষকদের জরুরি ভিত্তিতে এই কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    নির্দেশনা অনুযায়ী, আজকের মধ্যে এই তথ্যাদি পাঠানো বাধ্যতামূলক। সময়মতো সব তথ্য পাঠানোর মাধ্যমে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি হিসেবে দেখা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, শিক্ষা বোর্ডগুলোর announced সময়সূচির অনুযায়ী, এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষাগুলো ২১ এপ্রিল শুরু হবে। প্রথম দিনে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর পরবর্তী লিখিত পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জুন এবং শেষ হবে ১৪ জুন।

  • জ্বালানি সংকটের কারণে পاشাক খাতের অর্ডার স্থগিত, অর্থনৈতিক উন্নতির শঙ্কা বাড়ছে

    জ্বালানি সংকটের কারণে পاشাক খাতের অর্ডার স্থগিত, অর্থনৈতিক উন্নতির শঙ্কা বাড়ছে

    দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা নতুন অর্ডার দিতে চাইছেন না। এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) এর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে, যা নিশ্চিত করে অনেক ক্রেতা বাংলাদেশে নতুন অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করেছেন। এর ফলে তৈরি পোশাক খাতসহ দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের খাতে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলনকেন্দ্রে প্রাক-বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিসিআই সভাপতি আরও জানান, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের কারণে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে আগামী জুলাই ও আগস্ট মাসের অনেক অর্ডার ইতোমধ্যে ধীরগতি শুরু করেছে। বড় বড় কিছু ক্রেতা প্রতিষ্ঠান নেগেটিভ বার্তা পাঠাচ্ছেন এবং কিছু অর্ডার ভারতসহ অন্য দেশগুলোর দিকে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, বিদেশি ক্রেতাদের ঢাকা অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও শীর্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা বর্তমানে বাংলাদেশে নতুন অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে পিছু হটছেন। পাশাপাশি, আনোয়ার উল আলম উল্লেখ করেন, বর্তমান কর কাঠামো ব্যবসা বান্ধব নয়। লাভ-লোকসানের কোনো নিশ্চয়তা না থাকলেও এক শতাংশ হারে ন্যূনতম করের বাধ্যবাধকতা অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় চাপে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য এটি আরও বেশি ক্ষতিকর। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে মুনাফা না থাকলেও কর পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা তাদের টিকে থাকাকে কঠিন করে দিচ্ছে।

    তিনি ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব দেন এবং রপ্তানি আয় থেকে উৎস কর কমানোর আর্জি জানান। তবে, এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান এই প্রস্তাব নাকচ করেন।

    আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৪৭ ধারায় প্রসঙ্গে বিসিআই সভাপতির বক্তব্য, কর যাচাইয়ের নামে যে কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দের ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। এতে ব্যবসার পরিবেশ অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) দেশের ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর উৎস কর ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামানোর আবেদন জানায়। তারা আরও দাবি করে, নিট সম্পদের উপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বাতিল করা হোক। একইসঙ্গে করের বোঝা কমিয়ে ব্যবসা সম্পদক কর কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

    শিল্প উদ্যোক্তাররা মনে করেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল না হলে এবং কর কাঠামো সহজ না করলে দেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

  • দেশে বৈদেশিক ঋণের আকার ৭৮,০৬৭ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী সংসদে জানান

    দেশে বৈদেশিক ঋণের আকার ৭৮,০৬৭ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী সংসদে জানান

    বর্তমানে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮,০৬৭ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮ তম দিনে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য তুলে ধরেন। রুমিন ফারহানা প্রশ্ন করেন, বর্তমানে দেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত? এই ঋণ পরিশোধে এখন পর্যন্ত কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছেন এর পর থেকে কি কোনো ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে? তাঁদের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, ডিসেম্বর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ ৭৮ হাজার ৬৭ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার। তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সরকারের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করে থাকে। প্রতি অর্থবছর এ জন্য ঋণের মূলধন ও সুদের বাবদ সম্ভাব্য মোট খরচের একটি পরিকল্পনা তৈরি হয়, এবং বাজেটের মধ্যে সেই অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়। বাজেটের বরাদ্দ অনুযায়ী বছরব্যাপী পরিশোধের সূচি অনুসারে ঋণ পরিশোধ চালানো হয়। এর পাশাপাশি, বর্তমান সরকার আজ পর্যন্ত মোট ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করেছে।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনেই রেমিট্যান্সের প্রবাহ ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনেই রেমিট্যান্সের প্রবাহ ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনেই দেশের অর্থনীতিতে প্রবাহিত হয়েছে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার) রেমিট্যান্স। এর ফলে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত বছর একই সময়ে দেশে পাঠানো হয়েছিল ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এর তুলনায় এ বছর রেমিট্যান্সের প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এবছর জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসে পৌঁছেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার। যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    বিশেষ করে, চলমান মার্চ মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ একক মাসের রেমিট্যান্স প্রবাহ দেখা গেছে, যেখানে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এছাড়া জানুয়ারিতে এসেছে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ এবং ফেব্রুয়ারি ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার। ডিসেম্বরে ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ, ও সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    আন্তর্জাতিক বাজারে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারেও পড়েছে। ডলারের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে এর বিনিময় হার বেড়েছে, যার ফলে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠানোর পর বেশি টাকা পেয়ে থাকছেন।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যে সংকট দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে তার প্রভাব পড়তে পারে দেশের অর্থনীতির ওপর। এজন্য তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন, যাতে বড় ধরনের ঝুঁকি এড়িয়ে চলা যায়।

  • অর্থমন্ত্রী জানান: দেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    অর্থমন্ত্রী জানান: দেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি এই তথ্য নানুন মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে জানান। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা প্রশ্ন করে জানতে চেয়েছিলেন বর্তমান বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ, ঋণ পরিশোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে সরকার কি কোনো ঋণ পরিশোধ করেছে কি না।

    জবাবে অর্থমন্ত্রী বললেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি জানান, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের কাজ সরকারি পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) পরিচালনা করে।

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি অর্থবছরে ঋণের মুল ও সুদ মিলিয়ে সম্ভাব্য মোট পরিশোধের একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয় এবং সেই অনুযায়ী বাজেটে তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহার করে সারাবছর নির্ধারিত পরিশোধ সূচি অনুসারে ঋণ পরিশোধ করা হয়।

    তিনি জানান, বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।

  • রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া: ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া: ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এতে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ে দেশে আসে ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে অনুযায়ী এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে স্পষ্ট বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০.৬০ শতাংশ বেশি।

    এর আগে গত মার্চে একক মাস হিসেবে রেকর্ডভাবে দেশে আসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি গেল অর্থবর্ষে যথাক্রমে এসেছে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ এবং ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার। ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ, নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

    মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রা বাজারকেও প্রভাবিত করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ায় টাকার বিনিময়ে ডলারের দর বেড়ে গেছে, ফলে প্রবাসীরা বাংলাদেশে টাকা পাঠালে তুলনামূলকভাবে বেশি না পাওয়া যাচ্ছে।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘকাল স্থায়ী হলে সেটি সরাসরি ও পরোক্ষভাবে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্ত অবস্থায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

  • বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার: সংসদে জানালেন অর্থমন্ত্রী

    বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার: সংসদে জানালেন অর্থমন্ত্রী

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে জানান, দেশের বৈদেশিক ঋণের বর্তমান পরিমাণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি এই তথ্য মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রদান করেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা প্রশ্ন করে জানতে চান—বর্তমানে বিদেশি ঋণের মোট অবস্থান কত, ঋণ পরিশোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে কি না।

    জবাবে আমির খসরু বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি বলেন, ঋণ পরিশোধ সংক্রান্ত কাজ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) পরিচালনা করে থাকেন।

    অর্থমন্ত্রী আরও জানান, প্রতিটি অর্থবছরে ঋণের মূল ও সুদ মিলিয়ে মোট সম্ভাব্য ব্যয়ের একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয় এবং সেই পরিমাণ অনুযায়ী বাজেটে অর্থ সংরক্ষণ করা হয়। বাজেট বরাদ্দ ব্যবহার করে বছরের throughout ঋণের পরিশোধ সূচি অনুসারে भुगतान করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে অন্তত ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, নির্ধারিত বাজেট ও সময়সূচি মেনে ধারাবাহিকভাবে ঋণ শোধের কাজ চলছে।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনে রেমিট্যান্স ২.১৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনে রেমিট্যান্স ২.১৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স入り এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দৈনিক গড় প্রাপ্তিকে দাঁড় করিয়েছে প্রায় ১১২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ)। এই তথ্য সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নিশ্চিত করেছেন।

    মুখপাত্র জানান, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। তুলনায় এবারের প্রবাহ অনেকটা দ্রুতগতিতে বেড়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক উপাত্ত অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    একই সঙ্গে গত মার্চ মাসে একক মাস হিসেবে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ এক মাসের প্রবাহ হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ডিসেম্বরে ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

    বিশ্ববাজারে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারেও তরঙ্গ সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় মুদ্রার তুলনায় ডলারের বিনিময় হার বাড়ছে। এর ফলে প্রবাসীরা যখন বিদেশি মুদ্রা পাঠাচ্ছেন, তারা তুলনামূলকভাবে বেশি টাকাই পেয়েছেন—যা রেমিট্যান্স বৃদ্ধির এক কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে শক্ত অবস্থানে রাখার পরামর্শ দেন।

    সংক্ষেপে, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে দ্রুতগতিসহ বৃদ্ধি দেখা গেলেও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এবং ভূ-রাজনীতিক উত্তেজনা ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে। তাই রিজার্ভ ও নীতিগত প্রস্তুতিকে আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তাই অধিকতর জরুরি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

  • সংসদে জানালেন অর্থমন্ত্রী: বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

    সংসদে জানালেন অর্থমন্ত্রী: বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

    অর্থমন্ত্রী অ্যামির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি বর্তমানে ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি এই তথ্য বলেন মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে।

    রুমিন ফারহানা জানতে চেয়েছিলেন বর্তমানে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত এবং ঋণ পরিশোধে এখন পর্যন্ত সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে; পাশাপাশি বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে কোনো ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে কি না।

    জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী সরকারের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য। তিনি আরও বলেন, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) পালন করে।

    অর্থমন্ত্রী জানান, প্রতি অর্থবছর ইআরডি ঋণের মূল ও সুদ মিলিয়ে পরিশোধের সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের একটি প্রক্ষেপণ প্রস্তুত করে। সেই হিসাব অনুযায়ী বাজেটে ঋণ পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয় এবং বরাদ্দ ব্যবহার করে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সারা বছর ঋণ পরিশোধ করা হয়।

    অতিরিক্তভাবে তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।

    সংসদে দেওয়া এই বিবরণে অর্থমন্ত্রী ঋণ ব্যবস্থাপনা ও বাজেট বরাদ্দের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং ঋণ পরিশোধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারের নিয়মিত পদক্ষেপগুলোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

  • রেমিট্যান্সের জোয়ার: প্রথম ১৯ দিনে দেশে এল ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    রেমিট্যান্সের জোয়ার: প্রথম ১৯ দিনে দেশে এল ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এতে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার বলে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান।

    সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে দেশের কাছে এসেছিল ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সে হিসাবে বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ কড়া বৃদ্ধিই দেখা গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানও বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার — যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    একক মাস হিসেবে গত মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ। এর আগে ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ডিসেম্বর ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ; নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ; অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

    বিশ্বব্যাপী, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারকে প্রভাবিত করছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ার ফলে স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে গেছে, ফলত প্রবাসীরা যখন টাকা পাঠাচ্ছেন তাতে দেশে পৌঁছানো টাকার পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হচ্ছে—এটিই রেমিট্যান্স বাড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে বিশ্লেষকরা জানান।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হয় তবে এর প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থায় রাখার উপর জোর দিয়েছেন। রেমিট্যান্সের এই সংগ্রহশীল বৃদ্ধি ছন্দ ধরে রাখার পাশাপাশি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হবে।