Category: অর্থনীতি

  • ২২ দিনে রেমিট্যান্স আড়াই বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    ২২ দিনে রেমিট্যান্স আড়াই বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    চলতি মাস এপ্রিলের প্রথম ২২ দিনে বাংলাদেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের চেয়ে বেশি হয়েছে। এই সময়ে প্রবাসীরা মোট ২.৪২ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ২৪১ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার) রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা বর্তমান বাজারদরে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) প্রায় ২৯ হাজার ৪৮৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সূত্রে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এই তথ্য প্রকাশিত হয়। গত বছরের একই সময় এ আদানপ্রদানের পরিমাণ ছিল ২০৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এই সময়ে গত বছরের তুলনায় ৩৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ৪৪০ কোটি ৮০ লাখ টাকা বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় সপ্তম মাসে মার্চে রেকর্ড করে, যখন প্রবাসীদের পাঠানো ডলারের পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। অন্যদিকে, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ছিল গত বছরের মার্চে, যেখানে হয় ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। তৃতীয় সর্বোচ্চ ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, যেখানে প্রবাহ ছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। আর চতুর্থ বৃহত্তম অঙ্কটি ছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে, যেখানে প্রবাসী আয় ছিল ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপরও। তাই এই ঝুঁকি মোকাবিলায় দৃঢ়ভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ জরুরি বলে মত দিয়েছেন তারা।

  • দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

    দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

    বর্তমানে দেশের বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮ বিলিয়ন ৬০৭ মিলিয়ন ডলার (৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার), যা বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের কাছে নিশ্চিত করা হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে, প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এই তথ্য জানতে চান।

    রুমিন ফারহানা প্রশ্ন তোলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত? এর পরিশোধে এখন পর্যন্ত কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে কোন ঋণ কি পরিশোধ করেছে?

    উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের হিসাব অনুযায়ী, দেশের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ৭৮.০৬৭.২০ বিলিয়ন ডলার।’ তিনি আরও জানান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সরকারের পক্ষে নিয়মিতভাবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করে থাকে। প্রতি অর্থবছরই এই পরিমাণের ভিত্তিতে ঋণের মূলধন ও সুদ বাবদ সম্ভাব্য মোট ব্যয় নিরীক্ষিত হয় এবং সেই অনুযায়ী বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করে। এরপর বাজেটের অর্থ ব্যয় করে সুনির্দিষ্ট সময়সূচী অনুযায়ী ঋণ পরিশোধ সম্পন্ন হয়।

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ হয়েছে।’ এভাবে অর্থনীতির স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

  • ১৮ দিনের মধ্যে রেমিট্যান্স ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    ১৮ দিনের মধ্যে রেমিট্যান্স ছাড়াল ২ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনেই বাংলাদেশের বাইরে থেকে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ পৌঁছেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। এর ফলে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, একই সময় গত বছর দেশে এসেছে ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা বছরান্তরভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহের বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থপূর্ণ এই অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    বিশেষ করে, মার্চ মাসে রেকর্ড সংখ্যক ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে, যা ইতিহাসে একক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এছাড়া ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে। ডিসেম্বরে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরের সময়ে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স জমা পড়েছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রা বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে এর বিনিময় হার বেড়ে গেছে, যার ফলে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি টাকা পান।

    অর্থনীতিবিদরা বিষয়ে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট দীর্ঘায়িত হয়, তবে এর প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর পড়তে পারে। তারা সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

  • অর্থমন্ত্রী: দেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    অর্থমন্ত্রী: দেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি এই তথ্য দিয়েছেন জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে, মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে।

    রুমিন ফারহানা প্রশ্নে জানতে চেয়েছিলেন বর্তমানে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ কত এবং ঋণ পরিশোধের জন্য সরকারের কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানতে চেয়েছিলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কতটুকু ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।

    জবাবে আমির খসরু বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি জানান, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।

    অর্থমন্ত্রী জানান, প্রতিটি অর্থবছরের জন্য ঋণের আসল ও সুদ মিলিয়ে মোট সম্ভাব্য ব্যয়ের একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয় এবং সেই পরিমাণে বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়। বরাদ্দকৃত এ তহবিল ব্যবহার করে বছরের মধ্যে ঋণের পরিশোধসূচি অনুযায়ী কিস্তি পরিশোধ করা হয়।

    সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে বলে তিনি সংসদে জানিয়েছেন।

  • জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার স্থগিত, পোশাক খাতের উদ্বেগ বেড়েছে

    জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার স্থগিত, পোশাক খাতের উদ্বেগ বেড়েছে

    দেশে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় অনেক বিদেশি ক্রেতাই বাংলাদেশের নতুন ক্রয়াদেশ দিতে পিছিয়ে পড়েছেন—এমন তথ্য প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী।

    বৃহস্পতিবার না—রিকার্ডিং: তিনি বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জ্বালানির পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে—এমন আশঙ্কাই ক্রেতাদের সতর্ক করেছে। এতে তৈরি পোশাক খাতসহ দেশের প্রধান রপ্তানি খাতগুলো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় কমার সম্ভাবনা বাড়ছে।

    বিসিআই সভাপতির ভাষ্য, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে বিদেশি ক্রেতাদের উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে জুলাই ও আগস্ট মাসের জন্য বেশ কিছু ক্রয়াদেশ ইতিমধ্যেই ধীরগতি ধারণ করেছে। বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো নেতিবাচক সঙ্কেত দিচ্ছে; কিছু অর্ডার ভারতসহ অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। ঢাকা অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও শীর্ষ সিদ্ধান্তগ্রহণকারীরা নতুন অর্ডার দেওয়ার ব্যাপারে নাক ঝারছি করে দিচ্ছেন।

    আরেকটি বড় সমস্যা হিসেবে আনোয়ার-উল আলম বর্তমান কর কাঠামোকে ‘ব্যবসাবান্ধব’ বলেননি। তিনি বলেন, লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এক শতাংশ হারে ন্যূনতম করের বাধ্যবাধকতা অনেক প্রতিষ্ঠানের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন; মুনাফা না থাকলেও কর দিতে হচ্ছে, যা তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা কঠিন করে তুলছে।

    বিসিআই ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাব দিচ্ছে এবং রপ্তানি আয়ের ওপর উৎস কর কমানোর আহ্বান জানিয়েছে। তবে এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান উৎস কর কমানোর প্রস্তাব নাকচ করেছেন।

    আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা প্রসঙ্গে বিসিআই সভাপতি বলেন, কর যাচাইয়ের নামে যে কোনো প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার অবারিত ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং এটি ব্যবসার পরিবেশে অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।

    প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নেওয়া ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর উৎস কর ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামানো এবং নিট সম্পত্তির ওপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বাতিলের দাবি জানিয়েছে। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে করের বোঝা বাড়ানো বন্ধ রেখে ব্যবসা সহায়ক কর কাঠামো গড়ে তোলারও জোর দাবি করা হয়েছে।

    শিল্প ও ব্যবসায়িক নেতৃত্বগতরা সতর্ক করেছেন—জ্বালানি সরবরাহ যদি স্থিতিশীল না হয় এবং কর কাঠামো সহজীকরণ করা না হয়, তবে দেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

  • অর্থমন্ত্রী: দেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    অর্থমন্ত্রী: দেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী martes বিকেলে সংসদে জানান, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি এই তথ্য জানান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে।

    স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা প্রশ্ন করে জানতে চান, বর্তমানে দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ কত এবং ঋণ পরিশোধে এখন পর্যন্ত কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি জানতে চান, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে কোনো ঋণ পরিশোধ করেছেন কি না।

    জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, হিসাব অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি আরও জানান যে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ সরকারি দফতর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) পরিচালনা করে।

    অর্থমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, প্রতিটি অর্থবছরে ঋণের মূল ও সুদসহ পরিশোধযোগ্য সামগ্রিক ব্যয় নিরূপণের জন্য একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয় এবং সেই অনুযায়ী বাজেটে অর্থ সংরক্ষণ করা হয়। বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সূচি ও নিয়ম মেনে বছরের বাকি সময়ে ঋণ পরিশোধ করা হয়।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।

  • জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় পোশাক খাতের অর্ডার স্থগিত, উদ্বেগ বেড়েছে

    জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় পোশাক খাতের অর্ডার স্থগিত, উদ্বেগ বেড়েছে

    বৈদেশিক ক্রেতাদের জ্বালানি সংকটের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিত হচ্ছে—এমন চিত্র জানিয়েছে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী।

    তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে এমন আশঙ্কায় অনেক বিদেশি ক্রেতা বাংলাদেশে অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করছেন। এ পরিস্থিতি তৈরি পোশাক খাতসহ দেশের প্রধান রপ্তানি খাতগুলোকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। এসব কথা তিনি বলেন বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায়।

    বিসিআই সভাপতি আরও বলেন, বিশ্ববাজারের অস্থিরতার সঙ্গে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা মিলিয়ে ক্রেতাদের উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে আগামী জুলাই ও আগস্ট মাসে অনুমান করা অনেক ক্রয়াদেশ ইতোমধ্যেই ধীরগতির হয়ে এসেছে। অনেক বড় ক্রেতা নেতিবাচক সংকেত দিচ্ছে এবং কিছু অর্ডার ভারতসহ অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা-অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা বাংলাদেশে নতুন অর্ডার দিতে এখন পিছু হটছেন। এর ফলে অর্ডার শূন্যতাও বাড়তে পারে এবং রপ্তানি আয় সংকুচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    অন্য দিকে, বর্তমান কর কাঠামোও ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে বলে জানান আনোয়ার-উল আলম। লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এক শতাংশ হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে; বিশেষত ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এতে বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন। মুনাফা না থাকলেও কর দিতে হচ্ছে, যা অনেকের জন্য প্রতিষ্ঠান চালিয়ে যাওয়াকে কঠিন করে তুলছে।

    এই প্রেক্ষাপটে তিনি ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য করসংক্রান্ত প্রণালী পুনর্বিন্যাস এবং রপ্তানি আয় থেকে উৎস কর কমানোর দাবি জানান। তবে এনবিআরের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান প্রস্তাবিত উৎস কর কমানোর অনুরোধটি নাকচ করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

    আয়কর আইন-২০২৩-এর ১৪৭ ধারা প্রসঙ্গে বিসিআই সভাপতি বলেন, কর যাচাইয়ের নামে কোনও প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার অবারিত ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। এ ধরণের ব্যবস্থা ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা বাড়ায় এবং বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করে।

    প্রাক-বাজেট আলোচনায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর উৎস কর ২০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ নামানো ও নিট সম্পদের ওপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বাতিলের দাবি করেন। শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল না হলে এবং কর কাঠামো সহজীকরণ না হলে দেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

  • জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার স্থগিত, রপ্তানিতে উদ্বেগ বৃদ্ধি

    জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার স্থগিত, রপ্তানিতে উদ্বেগ বৃদ্ধি

    বিদেশি ক্রেতাদের জ্বালানি সংকটের সম্ভাব্য প্রভাবের আশঙ্কায় বাংলাদেশে নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিত করা চলছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী। তিনি বলেন, আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার ভয়ে অনেক ক্রেতা বাংলাদেশে অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক হয়ে উঠেছেন।

    এই প্রেক্ষাপটে তৈরি পোশাক খাতসহ দেশের প্রধান রপ্তানিখাতগুলো বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে তিনি অভিমত জানান। এসব মন্তব্য তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কেন্দ্রে বুধবার অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় বলেন।

    বিসিআই সভাপতি বলেন, বিশ্ববাজারে অস্থিরতা এবং দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা মিলে বিদেশি ক্রেতাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে। বিশেষ করে জুলাই ও আগস্ট মাসের জন্য যে ক্রয়াদেশগুলি আসার কথা ছিল, সেগুলোর বেশিরভাগই ইতোমধ্যে ধীরগতির হয়ে গেছে। অনেক বড় ক্রেতা নেতিবাচক সিগন্যাল দিচ্ছেন এবং কিছু অর্ডার অন্য দেশ—বিশেষত ভারত—এ সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, বিদেশি ক্রেতাদের ঢাকায় থাকা অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের শীর্ষস্থ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা নতুন অর্ডার বাতিল কিংবা স্থগিত করার রুচি দেখাচ্ছেন। এর ফলে রপ্তানিতে আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে প্রভাব ফেলতে পারে।

    অন্যদিকে, বর্তমান কর কাঠামোও ব্যবসার ওপর বোঝা বাড়াচ্ছে বলে বিসিআই সভাপতি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এক শতাংশ হারেই ন্যূনতম কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা ছোট-মাঝারি অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুতর চাপ সৃষ্টি করেছে। অনেক ক্ষেত্রে মুনাফা না থাকলেও কর দিতে হচ্ছে, ফলে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।

    তিনি পরামর্শ দেন ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য কর কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হোক এবং রপ্তানি আয়ের ওপর উৎস কর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হোক। তবে এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান উৎস কর কমানোর প্রস্তাবটি নাকচ করে দিয়েছেন।

    আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৪৭ ধারা প্রসঙ্গে আনোয়ার-উল আলম বলেন, কর যাচাইয়ের নামে প্রতিষ্ঠানগুলোর কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার বিস্তৃত ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং এটি ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।

    প্রাক-বাজেট আলোচনায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) কওয়া হয়েছে, কোম্পানির ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর বর্তমান উৎস কর ২০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামানো উচিত এবং নিট সম্পদের ওপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বাতিল করা হোক। সংস্থাগুলো কর কাঠামো ব্যবসা-সহায়ক করে তোলার আহ্বান জানিয়েছে।

    শিল্প উদ্যোক্তারা সতর্ক করে বলেছেন—যদি জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল না করা হয় এবং কর কাঠামো সহজীকরণ না করা হয়, তাহলে দেশের রপ্তানির প্রতিযোগিতাযোগ্যতা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। দ্রুত সমাধান না হলে রপ্তানি খাতের ওপর যে ধাক্কা পড়ছে তা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

  • সংসদে অর্থমন্ত্রী জানান: বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    সংসদে অর্থমন্ত্রী জানান: বৈদেশিক ঋণ ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন ডলার

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

    রুমিন ফারহানা ওই প্রশ্নে জানতে চান, বর্তমানে বাংলাদেশে বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ কত, ঋণ পরিশোধে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে কোনো ঋণ পরিশোধ করেছে কি না।

    জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ঋণের স্থিতি ৭৮,০৬৭.২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি জানান, সরকারিভাবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) পালন করে। প্রতি অর্থবছরে ঋণের মূল এবং সুদ বাবদ সম্ভাব্য মোট ব্যয়ের একটি প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয় এবং সেই অনুযায়ী বাজেটে ঋণ পরিশোধের জন্য অর্থ সংরক্ষণ করা হয়। বাজেট বরাদ্দ ব্যবহার করে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সারা বছর ঋণ পরিশোধ করা হচ্ছে।

    অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। তিনি জানান যে ঋণ পরিশোধ ও ব্যবস্থাপনায় সরকারি নীতিমালা ও পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে।

  • এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশীরা মোট ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এই অর্থপ্রবাহের মানে হচ্ছে দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা, যখন প্রতি ডলার মান ধরা হয়েছে ১২৩ টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৬.২ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার এই তথ্য জানান।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলমান অর্থ বছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২ হাজার ৮১৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০.২ শতাংশ বেশি। আগের বছর মোট ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং সেক্টরের উন্নতি রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

    এছাড়া, ধারাবাহিক মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের তথ্য বলছে, এই অর্থ প্রবাহ জুড়ে রয়েছে বেশ ধারাবাহিকতা। জুলাইয়ে পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর ছিল ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বর ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার এবং মার্চে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে।