Category: সারাদেশ

  • জান্নাতের টিকিট বিক্রেতাদের সতর্কতা জরুরি

    জান্নাতের টিকিট বিক্রেতাদের সতর্কতা জরুরি

    মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন সতর্ক করে বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে ঘরে ঘরে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। জনগণকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে rằng বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল, যা গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনবে। তিনি আরও বলেন, যারা সাধারণ মানুষকে ভোটের আশ্বাস দিয়ে জাল টিকিট দিচ্ছে—এরা আসলে ভোটারদের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এই সব বিক্রেতাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    শফিকুল আলম তুহিন আরও বলেন, এই দেশের জনগণ বহু আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে প্রমাণ They’ve অনেক বার বুঝিয়ে দিয়েছে যে, স্বৈরাচারী শক্তির কাছে তাদের মাথা নত করবে না। তাই ধানের শীষের বিজয় কেবল একটি রাজনৈতিক প্রতীক নয়; এটা হলো গণতন্ত্রের বিজয় ও জনগণের মুক্তির নিশ্চয়তা। তিনি উল্লেখ করেন, খুলনা বিএনপি’র ঘাঁটি। এখানকার জনগণ আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এবং সব সময় গণতন্ত্রের পক্ষে থেকেছে। তাই তারা আবারও ধানের শীষের পক্ষে ভোট দিয়ে প্রমাণ করবে- এই নগরীর মানুষ অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না।

    সভায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ২০নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ হাবিবুর রহমান হাবিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান মনি, মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ, ইকবাল বাপ্পি, আবুল আবুল ওয়ারা, মীর মোসলে উদ্দিন বাবর, মক্কার মীর, কাজী নুর মোহাম্মদ, মীর মোসলেউদ্দিন বাবর, এনামুল কোভিদ, হাওলাদার শফিকুল ইসলাম, মোল্লা মিজান, আবুল কালাম সাবু, খন্দকার আজাদ, মাসুদ পারভেজ বাবু, সাবু খন্দকার, শামসুল হুদা জাহিদ, গোলাম রসুল রনি, আমিন হোসেন মিঠু, মোহাম্মদ আতিয়ার রহমান, রিপন সিকদার, নুর আলম, সুলতানা পারভিন রজনী, ফারহানা আক্তার লিপি ও রেশমা আক্তার প্রমুখ।

  • খান এ সবুর মহিলা মাদ্রাসায় অভিভাবক নির্বাচন নিয়ে অধ্যক্ষের লুকোচুরি

    খান এ সবুর মহিলা মাদ্রাসায় অভিভাবক নির্বাচন নিয়ে অধ্যক্ষের লুকোচুরি

    নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোডে অবস্থিত খান এ সবুর মহিলা ফাযিল (ডিগ্রি) মডেল মাদ্রাসার পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক সদস্য নির্বাচন নিয়ে নানা অস্পষ্টতা ও অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে। প্রকাশিত অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের সময় অধ্যক্ষ মো. ছালেহ আহমেদ সাধারণ অভিভাবকদের যথাযথভাবে অবগত না করে, ভোটার তালিকা ও তালিকার মোবাইল নম্বর এবং ঠিকানা সরবরাহ না করে গোপনীয়তা বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। এর ফলে, পছন্দের প্রার্থীকে ভোটে জেতানোর জন্য তিনি বিভিন্ন অনিয়মের আশ্রয় নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে এই মাদ্রাসায় প্রায় ৯၆৭ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

    সূত্রমতে, শারদীয় দুর্গা পূজার ছুটির মধ্যে অপ্রত্যাশিতভাবে আগামীকাল শনিবার মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্যের নির্বাচনের দিন নির্ধারিত হলেও, নির্বাচনের পূর্বে অভিভাবকদের জন্য কোনো সভা আহবান বা অবহিত করা হয়নি। শেষ মুহূর্তে, আশিকুজ্জামান শেখ নামের একজনকে এলাকা ও শিক্ষামূলক সমর্থন থাকা একজন ব্যক্তি হিসেবে দাঁড় করানোর জন্য অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে।

    অভিভাবকদের অভিযোগ, তাদেরকে নির্বাচনের বিষয়ে কোন ধরনের তথ্য দেয়া হয়নি, এবং অধ্যক্ষ নিজের পছন্দের ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে বসানোর জন্য এই গোপনীয়তা অব্যাহত রেখেছেন। সাধারণ অভিভাবকদের পক্ষে নির্বাচনের জন্য দাবি জানানো হয়েছে লুকোচুরির অবসান ঘটানোর এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত সভা ডেকে সময়মতো নির্বাচন অনুষ্ঠানের।

    প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী এসএম জাহিদুল করিম পিন্টু অভিযোগ করেন, তাদের দেয়া ভোটার তালিকায় কোনও শিক্ষার্থীর অভিভাবকের ঠিকানা বা মোবাইল নম্বর নেই, ফলে ভোটের সময় যোগাযোগ বা সমর্থন জানানো সম্ভব নয়।

    অবশেষে, খানের এ সবুর মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. ছালেহ আহমেদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই ধরনের লুকোচুরি বা তদ্বিরের কিছু নেই। তিনি জানান, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের জন্য নির্বাচন সম্পর্কিত নোটিশ নিজে দিয়ে এসেছেন এবং তিনি কোনো পক্ষে বিবেচিত নন। এ সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় নিয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম ছায়েদুর রহমানের সাথে বারবার যোগাযোগের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়েছে।

  • নিম্নচাপে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, ঘাটে ফিরেছে ইলিশ শূন্য শত শত ট্রলার

    নিম্নচাপে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, ঘাটে ফিরেছে ইলিশ শূন্য শত শত ট্রলার

    উত্তাল বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপে দেশে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ঘূর্ণিনীর কারণে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে ইলিশে ভরপুর বঙ্গোপসাগর এখন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের মুখোমুখি। গভীর নি¤œচাপের প্রভাবে প্রবল ঝড়ো বাতাস শুরু হওয়ায় সাগরে মাছ ধরা কর্মক্ষম ট্রলারগুলো দ্রুত কূলে ফিরে আসতে শুরু করে। বুধবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে রাতে বাগেরহাটের শরণখোলার শতাধিক বড় ট্রলার, যারা ইলিশ শিকার করছিল, তারা নিরাপদে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে পৌঁছে গেছে। ছোটবড় মিলিয়ে আরো একশোটির মতো ট্রলারও এখন পথে, যারা দ্রুত ঘাটে ফিরবে বলে প্রত্যাশা করছে মাছের আকাল ও আবহাওয়ার কারণে। এই পরিস্থিতিতে অতীতের মতো ইলিশ ধরা সম্ভব না হওয়ায়, জেলেরা এবং মাছ ব্যবসায়ীরা হতাশায় ভুগছেন। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, এই মুহূর্তে প্রচুর ইলিশ থাকলেও আবহাওয়ার কারণে অনেক ট্রলারই লাইসেন্সের আওতায় এসে চলে আসছে। বিশ্লেষকদের ধারনা, এবারের বৈরি আবহাওয়ার কারণে অনেক ট্রলারই এই ট্রিপে মাছ ধরতে পারেনি বা খুব কম মাছ পেয়েছে, ফলে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। জানাজানি হচ্ছে, এক সপ্তাহ আগে শেষ ট্রিপে অনেক জেলে অনিশ্চিত আশা নিয়ে সাগরে পাড়ি দিয়েছিলেন, কিন্তু মেঘের রোষে, ঝোড়ো বাতাসে তাদের মাছ ধরা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়ে। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া প্রবল ঝড়ের কারণে জেলেরা দ্রুত জাল তুলে সাগর থেকে উঠে আসে। বেশিরভাগ ট্রলার আজ বা কাল কূলে ফিরে আসবে বলে জানিয়েছেন সংঘটিত ট্রলার মালিক ও আড়ৎদাররা। শরণখোলার বড় ট্রলারগুলো, যেগুলো গভীর সাগরে মাছ ধরতে পাঠানো হয়, বেশিরভাগই এ বার ধরা পড়েনি। অন্যদিকে, ছোট জালের ট্রলারগুলোতে ইলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে, যা বলে মনে করা হচ্ছে লাভজনক হতে পারে। শরণখোলা সমুদ্রগামী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন বলেছেন, এই বছর ইলিশের উপস্থিতি তেমন নেই, তাই বেশিরভাগ ট্রলার ও আড়ৎদার ক্ষতির মুখোমুখি। আজ বা কাল ফিরছে ট্রলারগুলো, কিন্তু নানা কারণে অধিকাংশেরই চালান মধুর ফল দিতে পারছে না। মাতৃ ইলিশ রক্ষা প্রকল্পের আওতায় এই শনিবার থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা, মজুদ ও বিপণনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, বলে জানান শরণখোলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন সরকার। জানানো হয়, শরণখোলায় বর্তমানে ৬৮০০ এর বেশি নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন, যার মধ্যে ৪৫০০ জন ইলিশ মাছ ধরা নিয়ে নিবিড় কাজ করেন। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি করে রিচার্জভিত্তিক চাল দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা অসুবিধায় না পড়েন। ফলে সরকারি এই পদক্ষেপে মাছ প্রজনন ও আহরণ বাধা করা সম্ভব হলে ভবিষ্যতে মাছের সরবরাহের ওপর প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে প্রশাসন।

  • নগর বিএনপির সভাপতি মনার প্রতিমা বিসর্জনে সম্প্রীতির বার্তা

    নগর বিএনপির সভাপতি মনার প্রতিমা বিসর্জনে সম্প্রীতির বার্তা

    শারদীয় দুর্গোৎসবের বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মুহূর্তে খুলনা নগরীতে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর ও আনন্দের পরিবেশ। জেলখানা ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়, যা সম্প্রীতির এক সুন্দর বার্তা দিয়েছে নগরবাসীর মধ্যে। খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা এ সময় উপস্থিত ছিলেন এবং এই আনন্দঘন এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তিনি বলেন, আমরা সবাই এই দেশে বাস করি, যেখানে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলেমিশে একটি সম্প্রদায় হয়ে থাকি। আজকের দুর্গাপূজা যেমন শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে, একইভাবে প্রতিমা বিসর্জনও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে আমাদের বিশ্বাস। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতেও যে কোনো ধর্মীয় উৎসবে সবাই একসঙ্গে থাকবে এবং সহযোগিতা করবে। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ধরে রাখার লক্ষ্যে তিনি আহ্বান জানান। শফিকুল আলম মনা বলেন, “আমরা চাই এমন একটি বাংলাদেশ যেখানে ধর্মের বিভাজন থাকবে না। আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমান বলেছেন, আমরা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক, এখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগরিষ্ঠের পার্থক্য নেই। সবার সমান অধিকার ও সুযোগ থাকা এক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।” তাঁদের উপস্থিত ছিলেন খুলনা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, বিশ্বজিৎ দে মিঠু, বিপ্লব মিত্র, ভবেশ সাহা, পাপ্পু সরকার, ধনরঞ্জন সাহা বাপ্পি, রতন বণিক, সুশীল দাসসহ বিভিন্ন মন্দির কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং স্বেচ্ছাসেবক নেতাকর্মীরা। পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শফিকুল আলম মনা বলেন, “তাঁরা অক্লান্ত পরিশ্রমে দুর্গাপূজা সফলভাবে আয়োজন করেছেন। বিএনপি সব সময় তাদের পাশে থাকবে।” প্রতিমা বিসর্জনের পর রূপসা নদীসহ বিভিন্ন ঘাটে ভক্তরা আবেগপূর্ণ পরিবেশে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানায়। ঢাক ঢোল, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। আনন্দ ও অভিমান মিশ্রিত এই বিদায়বেলায় ভক্তরা ভবিষ্যতে আবার দেবী দুর্গার আগমন ও শুভ বার্তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

  • রূপসায় সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা ও চারজন আহত

    রূপসায় সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তা ও চারজন আহত

    ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের রূপসা উপজেলার জাবুসা চৌরাস্তা এলাকার জাবুসা গ্যাস পাম্পের কাছে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পাঁচজন আহত হন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঠাকুরপুরের থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, দুর্ঘটনাটি সাড়ে দশটার দিকে ঘটে। তখন জাবুসা মিলন মন্দির থেকে দূর্গা প্রতিমা নিয়ে বিসর্জনের জন্য আসা মন্দিরের নেতৃবৃন্দ এবং আনসার বাহিনীর সদস্যরা রূপসা নদীর দিকে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ করে খুলনাগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস একটি অপ্রত্যাশিতভাবে তাদের ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে রূপসা বাসস্ট্যান্ড পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল (৩৭), আনসার সদস্য তামিম হোসেন (২৫), গ্রাম পুলিশ ওদুদ (২৮), মন্দিরের পূজারী সুপ্রিয়া রায় (৪৫) এবং মলয় রায় (৪২) আহত হন। আহতদের মধ্যে আনসার সদস্য তামিমের অবস্থা গুরুতর। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এ সময় হাইওয়ে পুলিশ দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিকে আটক করেছে।

  • খুলনার রোটারী স্কুলের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ও শোভাযাত্রা

    খুলনার রোটারী স্কুলের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন ও শোভাযাত্রা

    খুলনার রোটারী স্কুলের ৫০ বছর পূর্তির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী একটি বর্ণাঢ্য ও আনন্দমুখর অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এই মহাঙ্গাল অনুষ্ঠানের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯টায় স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি শোভাযাত্রার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

    শোভাযাত্রাটি খালিশপুর গাবতলা থেকে শুরু হয়ে পৌরসভা মোড় হয়ে পুনরায় রোটারী স্কুল প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। মূল উদ্বোধন করেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার মো. জুলফিকার আলী হায়দার, তিনি বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন।

    অতঃপর, নানা আনুষ্ঠানিকতা পালিত হয় যেখানে কেক কাটা, ‘আলোকিত হোক আগামীর স্বপ্ন’ শীর্ষক আলোচনা পর্বে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী মিলিয়ে মুক্ত আলোচনা হয়। সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা এবং নাচ-গান অনুষ্ঠিত হয়। স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন এবং নিজের ব্যাচের বছর চিৎকার করে জানান। বৃষ্টির তোয়াক্কা না করেই উপস্থিত সকলের আনন্দে মাতোয়ারা থাকে এই দিনে।

    ২০০০ সালের এসএসসি ব্যাচের ছাত্র সালেহীন আহমেদ রোমেল বলেন, এত দিন পর প্রিয় বন্ধুদের একসঙ্গে দেখে তিনি খুবই আনন্দিত। তিনি বলেন, বর্তমানে নিজের জীবনে খুব ব্যস্ত থাকলেও আজকের এই মিলনমেলাটি তার জন্য বিশেষ memories হয়ে থাকবে। তিনি লন্ডনে ব্যবসা করছেন, কিন্তু এই অনুষ্ঠানে আসার জন্য অপেক্ষা করে এসেছেন। তিনি আরো বলেন, এই বন্ধুত্বের বন্ধন যেন চিরসবুজ।

    অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনেও (৩ অক্টোবর, শুক্রবার) নানা আয়োজন ও আনন্দময় পরিবেশে চলবে উৎসবের ধারা। পুরো সপ্তাহসপ্তাহজুড়ে এই সুবর্ণজয়ন্তীর বিভিন্ন দিকের আয়োজন ও আনন্দের পালা চলবে সারাদিন থেকে রাত পর্যন্ত।

  • অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহবান রকিবুল ইসলাম বকুলের

    অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যের আহবান রকিবুল ইসলাম বকুলের

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, দুর্গাপূজার মূল বার্তা হলো অশুভ শক্তির বিনাশ। অশুভ শক্তির প্রভাবে আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হলে সবদিক থেকে অবশ্যই ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই অভিন্ন ও একসঙ্গে আছি। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও আমরা আমাদের হিন্দু ভাইদের পাশে থাকবো। গত বুধবার শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আজ আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করছি। বিভিন্ন মতপার্থক্য ভুলে গিয়ে ৫ আগস্টের পর শুরু হওয়া নতুন ধরনের খুলনা ও নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে একত্রিত থাকা আবশ্যক।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনবারের নির্বাচনেও জনগণ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি। রাতের নির্বাচন, ডামি প্রার্থী, ও একতরফা আসন বণ্টনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে। তবে ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও বিপ্লবের মাধ্যমে সেই অস্বচ্ছ দিন শেষ হয়েছে। এখন বাকি শুধু অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা, যা জনগণ বহু দিন ধরে চাচ্ছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন তারই প্রতিফলন। তিনি বলেছেন, এটি জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার এক আন্দোলন, যেখানে মানুষ যে প্রার্থী চাইবেন, তাকে ভোট দেবে। এই নির্বাচনে সফলতা অর্জনের জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যারা নির্বাচন বানচাল করতে চাইবে, তাদের প্রতি নজর রাখতে হবে।

    স্থানীয় সমস্যা সমাধানে বকুল আশ্বাস দিয়ে বলেন, পূজার পরে জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য সাব-মার্শিবল পাম্প স্থাপন করা হবে। কৃষকদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে সরকার থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এক গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় গেলে বড় বড় সমস্যার সমাধান আরও দ্রুত হবে। তিনি উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান ও বলেন, আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো অশুভ শক্তি আমাদের স্বপ্ন ভাঙতে পারবে না। পাশাপাশি, তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিজয়া দশমী উত্সবে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানায়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খালিশপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি শেখ মোহাম্মদ আলী বাবু, হিন্দু ট্রাস্টের ট্রাস্টি সত্যনন্দ দত্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লাবুর রহমান কুদ্দুস, অন্যান্য নেতা নেত্রীবৃন্দ, এবং স্থানীয় নেতাকর্মীরা। পরে রকিবুল ইসলাম বকুল নগরীর বড় বয়রা সনাতন ধর্ম সভা দাসপাড়া, বৈকালী পালপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির, খালিশপুর ও রায়েরমহল হরি মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।

  • আমরা একসঙ্গে মিলেমিশে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই

    আমরা একসঙ্গে মিলেমিশে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই

    খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বাংলাদেশ হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তিনি উল্লেখ করেন, এই বাংলার মাটিতে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সবাই মিলেমিশে বাস করে এসেছে। আমাদের পূর্বপুরুষরা একসঙ্গে অক্লান্তভাবে জীবনযাপন করেছেন, আর আমরাও তাদের মতো করে এই দেশের শান্তিপূর্ণ ও সচেতন সমাজ গড়ে তুলতে চাই।

    বুধবার শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী উপলক্ষে নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এই কথা বলেন। এ সময় তিনি মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আন্তরিক মতবিনিময় করেন এবং তাদের সক্ৰিয় অংশগ্রহণ ও সংস্কৃতির সাথে একাত্মতা কামনা করেন।

    মনা আরও বলেন, বাংলাদেশ হচ্ছে আমাদের অভ্যন্তরীণ সম্প্রীতির প্রকৃত পরিচয়। এখানে কোনো বিভাজনের স্থান নেই। আমরা সবাই মিলে এই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধি করতে পারি। এ জন্য প্রয়োজন ঐক্য, ভালোবাসা এবং পারস্পরিক সম্মান। তিনি উল্লেখ করেন, যদি আমরা একসাথে থাকি, তাহলে আমাদের দেশ হবে সত্যিকারের শান্তি ও সম্প্রীতির আদর্শ স্থান। তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক সজিব তালুকদার, মেশকাত আলী, হাবিবুর রহমান, কাজী শান্টু, মোহাম্মদ লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গোলাম কিবরিয়া, রায়হান বিন কামাল, এজাজ আহমেদ, রবিউল ইসলাম, বাবুসহ ওয়ার্ড ও থানার নেতৃবৃন্দ।

  • উৎসব মানুষের মনকে মিলনের অনুভূতিতে উদ্বুদ্ধ করে

    উৎসব মানুষের মনকে মিলনের অনুভূতিতে উদ্বুদ্ধ করে

    মধ্যযুগের কাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত দুর্গাপূজা কখনো কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবেও পালন হয়ে আসছে। এই পূজা মানুষের অন্তরকে মিলিয়ে দেয়, সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করে। পাশাপাশি এটি ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মূল রীতিনীতি বজায় রেখেছে, যা ধর্মীয় বিভেদের জন্য এক অনন্য আমেজ সৃষ্টি করে। ধর্মীয় উৎসব কোনও ধর্মবিশ্বাসের গণ্ডি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে আবদ্ধ থাকেনা, বরং সব সম্প্রদায় ও মানুষকে এক করে সমাজে উদযাপনের রঙে রাঙ্গিয়ে তোলে। এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হৃদয়ে সৌহার্দ্য, প্রেম ও সহিষ্ণুতার বার্তা পৌঁছে দেওয়া, যা সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতির ভিত্তি স্থাপন করে। দুর্গা পূজার এই আনন্দপূর্ণ সময়টিকে অশুভ শক্তির প্রভাব থেকে মুক্ত রাখার জন্য সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে, যেন অপশক্তির অত্যাচার কোনওভাবেই এই উল্লাসের পথে বাধা না সৃষ্টি করতে পারে। বুধবার সন্ধ্যায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে খুলনা শহরে বিভিন্ন পবিত্র মন্দিরে নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। সোনাডাঙ্গা শ্রী শ্রী শিববাড়ি কালি মন্দির, পৈপাড়া সর্বজনীন মন্দির, বানরগাতি বটতলা মন্দির, কুন্ডুপাড়া মন্দির, বয়রা শ্মশানঘাট ও বয়রা পূজাখোলা মন্দিরে পূজা দর্শন, মিষ্টি ও ফুল দিয়ে মন্দির সমূহকে সাজানো হয়। এই সময় মন্দির পরিদর্শন করেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাংসদ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাথে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ। মন্দির পরিদর্শনকালে নানা বয়সের সমাজের মানুষ অংশ নেন, যারা এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকেন। এড. ফজলে হালিম লিটন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সারসহ অসংখ্য ব্যক্তি এই আনন্দ ও ভক্তিসভায় উপস্থিত ছিলেন। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে মানুষ আরও বেশি করে একে অপরের কাছাকাছি আসতে পারে, সমাজের সুস্থিতি ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় হয়।

  • খুলনায় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে উদযাপিত

    খুলনায় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে উদযাপিত

    খুলনায় শারদীয় দুর্গোৎসব অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরিচালিত হচ্ছে। রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রিজাউল হক পিপিএম বলেছেন, এই মহান ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। তিনি সচেতন করে বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায় তাদের বিশ্বাস ও উৎসাহের সঙ্গে এই উৎসব পালন করছে। প্রতিটি মণ্ডপে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ কর্মকর্তা ও মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন, যাতে সবাই নিরাপদে থাকেন এবং উৎসবের সৌন্দর্য ফুটে উঠে। আশা করা হচ্ছে, এই দুর্গোৎসব একে অন্যের প্রতি সম্প্রীতি ও হৃদ্যতা বজায় রেখে সফলভাবে শেষ হবে।

    গতকাল বুধবার দুপুরে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ট্রানজিড এলাকা চুকনগর শ্রী শ্রী মাতৃমঙ্গলা সার্বজনীন মন্দির তীর্থ কমপ্লেক্সের দুর্গোৎসবের মহানবমী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রিজাউল হক। তিনি সেখানে তাঁর বক্তব্যে এই বিষয়টি তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুজা উদযাপন পর্ষদের সভাপতি ব্যবসায়ী জয়দেব আর্ঢ্য। মূল বক্তব্য শোনান ডুমুরিয়া থানা ওসি মোঃ মাসুদ রানা সহ অন্যান্য invités।

    এছাড়াও, বিভিন্ন মণ্ডপ ও পূজা সভা পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন খুলনার পুলিশ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যাবসায়ী ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিরা। বিশেষ করে, কুমিরা সার্বজনীন দুর্গাপূজা ও পাটকেলঘাটার কালি মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে পুলিশ ও প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা পূজারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান করেন।

    খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, পিপিএম, কুমিরা ও পাটকেলঘাটা এলাকায় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি পুজারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে বলেন, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা সজাগ।’ এই উদ্যোগ ও উপস্থিতি পূজারীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা আর নিরাপত্তার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।