Category: সারাদেশ

  • দুর্গোৎসব ও চন্ডীপাঠের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আবেদন জানালেন হেলাল

    দুর্গোৎসব ও চন্ডীপাঠের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির আবেদন জানালেন হেলাল

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, দুর্গোৎসব শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি বাংলার শাশ্বত ঐতিহ্য এবং আধ্যাত্মিক চেতনার প্রতীক। তিনি উল্লেখ করেন, চন্ডীপাঠের মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে যাচ্ছে। হেলাল সাহেব আহ্বান জানিয়েছেন, পূজার মূল বার্তা হলো শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মানবকল্যাণ সব মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া। গতকাল মঙ্গলবার রূপসা উপজেলায় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা প্রকাশ করেন।

    সভায় বক্তারাসহ উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক বিকাশ মিত্রের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জি এম কামরুজ্জামান টুকু ও এনামুল হক সজল। এ ছাড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনুও উপস্থিত ছিলেন, পাশাপাশি জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা এবং জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ সেখ সহ আরও অনেকে অংশ নেন।

  • বিএনপি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ

    বিএনপি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, দেশকে অসাম্প্রদায়িক, সম্প্রীতিপূর্ণ বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে বিএনপি অঙ্গীকারাবদ্ধ। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সকল ধর্মের মানুষকে একত্রিত করে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ার লক্ষ্যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে নগরীর বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এড. মনা আরও বলেন, বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ দফা হলো ধর্মীয় স্বাধীনতার মানোন্নয়ন। বাংলাদেশে যেখানে যে ধর্মের উৎসব হোক—মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান—সেগুলোর প্রতি বিএনপি আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করে। এর ফলে আসল অর্থে একটি সম্প্রীতির সমাজ গড়ে উঠবে।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকার ধর্মীয় সম্প্রীতিকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। যখনই কোনো মন্দিরে হামলা বা অস্থিতিশীলতা দেখা গেছে, তাকে বিএনপি’র ওপর চাপানো হয়। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আসলে দেখা গেছে—এসব হামলা আওয়ামী লীগ নিজেরাই চালিয়েছে, যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে বিএনপির দূরত্ব সৃষ্টি হয়। যারা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন, তাদের জন্য তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময় আপনাদের ‘সংখ্যালঘু’ বলেছে। কিন্তু বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারમ‍্যান তারেক রহমান কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করেন না। তারা আপনাদের ভাই, প্রতিবেশী, পরিবারবর্গ এবং সন্তান হিসেবে দেখেন। বিএনপি অঙ্গীকার করে, আপনাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের জন্য কাজ করবে। অনুষ্ঠানে বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী এবং পূজা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অপকর্ম করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ: বকুল

    দলের নাম ভাঙ্গিয়ে অপকর্ম করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ: বকুল

    দুর্গাপূজা শুধুমাত্র হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি বাংলাদেশের সার্বজনীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। এতে দেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে আনন্দে মেতে ওঠেন। এ কথা বলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি বলেন, বিএনপি জনকল্যাণমূলক রাজনীতি করে, ক্ষমতার জন্য নয়। দেশের সনাতন সম্প্রদায়ের মানুষকে যুক্ত করার জন্য রাজনীতি করে তারা। যারা এই ধর্মীয় উৎসবের নামে বিভিন্ন অপকর্ম করছে, তাদের কড়া হাতে দমন করা হবে, বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
    শনিবার রাতের শারদীয় দুর্গাৎসব উপলক্ষে দৌলতপুরে একটি পুজামন্ডপ পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন বকুল। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় না থাকলেও মানুষের পাশে থাকবে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। যদি জনগণ আমাদের ভোট দেয়, তাহলে আগামী দিনে তিনিেক রহমানের নেতৃত্বে একটি বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়া হবে। নতুন বাংলাদেশে ‘মাইনরিটি’ শব্দের জন্য কোনো স্থান থাকবেনা। সবাই মানবতার চোখে দেখা হবে—মুসলমান, হিন্দু বা অন্য কেউ—সবাই সমান অধিকার, স্বাধীনতা এবং নিরাপত্তা উপভোগ করবে।
    বকুল সনাতন ধর্মালম্বীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নন, কোনো দলের পুঁজি নয়। আপনাদের নিজেদের অধিকার আছে, সমাজে সমানভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার। অতীতে কিছু কুচক্রী মহল সনাতন সম্প্রদায়কে রাজনীতিতে ব্যবহার করে চলে গেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ নয়, কেবল স্বার্থপর কিছু অসাধু মহল উপকৃত হয়েছে। কিছু এলাকা থেকে সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও লুটপাটের ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা এসব অপরাধে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে যদি বিএনপি নেতা ও আশেপাশের কেউ জড়িত থাকেন, তার শাস্তি দ্বিগুণ হবে।
    বকুল আরও জানান, যারা দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এবং পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের শাস্তি দেবে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক সরকার ব্যতীত কোনও সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। সুতরাং, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে মার্চ মাসে বাংলাদেশের জনগণ ভোটের উৎসব উদযাপন করবে—এটাই আমাদের লক্ষ্য। একদল ষড়যন্ত্র করে ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বানচাল করতে চাচ্ছে, সেই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করতে সবাই সতর্ক থাকুন ও করণীয় গ্রহণ করুন। কোথাও যদি অন্যায় হয়, দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
    ব্যবসায়ী সমাজকেও তিনি নিরাপদ পরিবেশে কাজ করতে উৎসাহ দেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে সদিচ্ছা ও সমতা বজায় রাখতে অনুরোধ জানান। বক্তৃতার শেষে বকুল বলেন, আমরা জনগণের পাশে আছি, আছি এবং থাকব। আমাদের স্বপ্ন—তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি বৈষম্যহীন, অসাম্প্রদায়িক এবং আধুনিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শেখ সাদী, মুর্শিদ কামাল, ইমাম হোসেন, প্রফেসর মাধব চন্দ্র, সত্যানন্দ দত্ত, শ্রামল কুমার দাশ ও অজয় কুমার দে সহ অনেকে।

  • খুলনায় ঘুমন্ত অবস্থায় যুবককে গুলি করে হত্যা

    খুলনায় ঘুমন্ত অবস্থায় যুবককে গুলি করে হত্যা

    খুলনার দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা ৩নং ওয়ার্ডে তানভীর হাসান শুভ (২৯) নামে এক যুবককে জানালার ফাঁক থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ দুঃখজনক ঘটনা ঘটে বৃহস্পতিবার রাতে।

    দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, তানভীর হাসান শুভ নিজ বাড়ির নিজ রুমে রাতে কানে হেডফোন লাগিয়ে গেম খেলছিলেন। হঠাৎ রাত সাড়ে ৩টার দিকে পরিবারের লোকজন শব্দ শুনে তার রুমে যান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, কানের হেডফোনের কারণে একটু ডিসকমফোর্ট হলে হাসান শুভ জাগ্রত হয়েছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কিন্তু তখনই পরিবারের লোকজন রুমের জানালার পাশে গুলির তিনটি খোসা দেখতে পান।

    আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক গুলির ক্ষত বলে নিশ্চিত করেন এবং ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। এরপর সকালে কড়া নজরদারির মধ্যে তাকে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

    জানা গেছে, তানভীর হাসান শুভ দীর্ঘদিন ধরে একটি আন্তর্জাতিক মার্কেটিং কোম্পানির জিএম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বর্তমানে বিদেশ যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কী কারণ থাকতে পারে কিংবা হামলাকারীরা কারা, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গল্লামারী মৎস্য বীজ খামার অধিগ্রহণের দাবি জোরদার, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক গল্লামারী মৎস্য বীজ খামার অধিগ্রহণের দাবি জোরদার, কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারটি অধিগ্রহণ না করলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবী পূরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় উন্নয়ন কমিটির নেতারা। মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যায়লের প্রধান ফটকের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তাদের এই ঘোষণা দেয়া হয়। এ সময় তারা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার পরিদর্শনকারী কর্মকর্তাদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন, যেখানে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনা ও সুপারিশ কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত সচিব মোঃ ইমাম উদ্দিন কবিরের নিকট এই দাবি তুলে ধরা হয়েছে।

    মানববন্ধনের পর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে এসে উন্নয়ন কমিটির মহাসচিব এড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজের নেতৃত্বে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এই কর্মসূচিতে খুলনার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মীর্জা মোহাম্মদ আলী রেজা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মোঃ হাসানুজ্জামান, উপ-সচিব শাহাদাত খন্দকার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুন অর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. নূরুন্নবী, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক ড. নাজমুস সাদাত ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

    বক্তারা বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বৃহত্তম আঞ্চলিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হলেও দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামো ও গবেষণার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকটের পাশাপাশি নানা রকম অন্য সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। দ্রুত এই সমস্যাগুলোর সমাধান এবং উন্নত মানের শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তারা আহ্বান জানান।

    নেতৃবৃন্দ গল্লামারী মৎস্য বীজ খামারটি অবিলম্বে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিগ্রহণের জন্য জোর দাবি জানান। তারা বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করছি। গল্লামারী লিনিয়ার পার্ক, বধ্যভূমি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়িক স্থানগুলো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট দ্রুত নিরসন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পর্যাপ্ত জমি অধিগ্রহণেরও অনুরোধ জানান বক্তারা।

    এছাড়া, যুগোপযোগী মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু, নতুন ফ্যাকাল্টি সৃষ্টি এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনার দাবি উঠেছে। কর্মসূচির সমন্বয়ে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিতে কর্তৃপক্ষের সদয় বিবেচনা জরুরি। গল্লামারী মৎস্য বীজ খামারটি দ্রুত অধিগ্রহণ না হলে কঠোর কর্মসূচি পরবর্তী ধাপে ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

    মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি নিজাম উর রহমান লালু, এবং পরিচালনা করেন মহাসচিব এড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, মহানগর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মোঃ মাহফুজুর রহমান, সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার রুহিন হোসেন প্রিন্স, নাগরিক নেতা এড. কুদরত-ই-খুদা এবং আরও many নেতৃবৃন্দ।

  • আসুরের বিনাশে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দুর্গাপূজার মূল संदेश

    আসুরের বিনাশে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দুর্গাপূজার মূল संदेश

    খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালি জাতির হাজার বছরের ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই উৎসব শুধু ধর্মীয় আনন্দের লীলাই নয়, বরং এটি আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী সম্প্রীতির একটি প্রতীক। দুর্গোৎসবের মূল বাণী হলো- অসুর রূপী হিংসা, লোভ ও ক্রোধকে পরাস্ত করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। যেখানে মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। যারা নিরীহ মানুষকে নিপীড়ন, নির্যাতন এবং প্রতিহিংসার মাধ্যমে সমাজ ও মানব সভ্যতাকে ধ্বংসের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠাই এই উপাসনার মূল উদ্দেশ্য।

    রোববার রাতে নবতরুণ সংঘের বাগানবাড়ি, রূপসা মহাশ্মশান ও কালী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির মূল ভিত্তি হলো সহাবস্থান ও সম্প্রীতির শিক্ষা। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ যুগযুগ ধরে একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছে। দুর্গোৎসব সেই সহাবস্থানের এক অনন্য উদাহরণ। এই উৎসব আমাদের সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, শ্রমিক দলের মহানগর আহবায়ক মজিবর রহমান, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবীর, নাসির উদ্দিন, সওগাতুল ইসলাম সগীর, মেহেদী হাসান লিটন, সাগর আকন, শুকুর আলী, জালাল প্রমুখ।

  • খুলনায় ছিনতাইকারীর হাতে অপর ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় ছিনতাইকারীর হাতে অপর ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় রোববার গভীর রাতে এক ছিনতাইকারীর হাতে অপর এক ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। আহত ছিনতাইকারীর নাম মো. মুন্না, ওরফে কাটিং মুন্না, তিনি নগরীর লবণচরা থানাধীন চানমারি খ্রিষ্টানপাড়া এলাকার বাসিন্দা। মো. মুন্না শীর্ষ সন্ত্রাসী আশিক গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্য এবং টুটপাড়া, চানমারী ও লবণচরা এলাকার ছিনতাইকারী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে খুলনা নগরীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে।

    লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, সোমবার রাতে তিনি খুলনার হাজী মালেক কলেজ এলাকা থেকে ছিনতাইয়ের দায়িত্বে ছিলেন। স্থানীয় জনগণ তাকে ধাওয়া করে। জানা গেছে, মো. মুন্না আশিক গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত এক শীর্ষ সন্ত্রাসী। রাত সাড়ে ১২টার দিকে অপর গ্রুপের সদস্যরা তাকে ধরে নেয় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে কয়েকটি গুলি চালায়। দুটি গুলি তার পায়ে বিদ্ধ হয়। পরে উদ্ধার করে হীরক-কালভার্ট ও মুক্তা মোড় থেকে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য খুলনা জেনারেল হাসপাতাল ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • বিএনপি’র নেতা বললেন: ক্ষুদের খাল জনগণের জন্য পুনরুদ্ধার হবে

    বিএনপি’র নেতা বললেন: ক্ষুদের খাল জনগণের জন্য পুনরুদ্ধার হবে

    নগরীর দৌলতপুর আড়ংঘাটা এলাকায় ক্ষুদের খালের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনকালে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, লুটপাটের দিন শেষ। জনগণের জন্য ক্ষুদের খাল পুনরুদ্ধার করতে হবে। অতীতের সরকার খাল পুনঃখননের নামে тен্ডার দিয়ে কাজের নামে অর্থ লুট করেছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কিছুই করেনি। এর ফলে, এই খালগুলো ভরাট হয়ে বর্ষাকালে গ্রামের জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, নদী ও খালগুলোতে জল চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, যদি বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ক্ষুদের খাল পুনঃখনন করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে, যাতে জলজ পরিবেশ ফেরে আর গ্রামগুলো জলমগ্ন না হয়।

    বকুল আরও জানান, বর্তমানে খালের দুই পাশে বসবাসরত মানুষদের সুবিধার্থে কালভার্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, খালের পাশের সড়কও পুনঃনির্মাণ করা হবে। এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্থানীয় সহায়তায়, জলাবদ্ধতা কমানো, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস ব্যক্ত করেন। একসময় এই খালে নৌকা ও ট্রলার চলত, যা এখন অতীত, তবে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী এই খালকে নতুন করে ব্যবহার উপযোগী করার পরিকল্পনা চলছে।

    এ সময় খানিক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি মুর্শিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদল নেতারা।

  • কয়লাঘাট মন্দিরে নববস্ত্র বিতরণে এড. মনা

    কয়লাঘাট মন্দিরে নববস্ত্র বিতরণে এড. মনা

    খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, ধর্মের নামে যারা ব্যবসা করে সমাজকে বিভাজনের চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ হবে একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এখানে কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু বলে ভাবার কোনো স্থান নেই। দেশের সমৃদ্ধির জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। রোববার কয়লাঘাট পূজা মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে আয়োজিত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    শফিকুল আলম মনা আরও বলেন, বিএনপি তারেক রহমানের নির্দেশনায় সব সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই দেশের আমি এবং আপনারা—সবার জন্ম, সবাই সমান। বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য রয়েছে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন, উন্নত জীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য করার অধিকার। এখানে কাউকে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু মানা হবে না।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ রেহেনা ইসা, বদরুল আনাম খাঁন, ২২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি এস.এম নুরুল আলম দীপু, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মহানগর সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, কয়লাঘাট কালীবাড়ি মন্দিরের সভাপতি অভিজিৎ দাস লবি ও সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দত্তসহ স্থানীয় বিএনপি ও পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। পরে, দুস্থ ও দুঃস্থদের মাঝে নতুন বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

  • শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এই উৎসব: মঞ্জু

    শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এই উৎসব: মঞ্জু

    খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশের সব নাগরিকের মধ্যে ধর্মবর্ণের ভেদাভেদ থাকলেও তারা সবাই সমান অধিকার, স্বাধীনতা ও সুরক্ষা ভোগ করছে। বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ, প্রতিটি গোষ্ঠী, গোত্র ও সম্প্রদায় উৎসাহের সঙ্গে তাদের ধর্ম পালন করছে। এই ধর্মীয় উৎসাহ ও সামাজিক মূল্যবোধ আমাদের দেশের সংস্কৃতির এক সুন্দর অনুষঙ্গ। একজন বাংলাদেশি হিসেবে এই সব ধর্ম, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের ভাব প্রকাশ পাচ্ছে। শারদীয় দুর্গোৎসব এই শৈল্পিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে, প্রতিটি পরিবারে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।

    তিনি রোববার সন্ধ্যায় নগরীর বিভিন্ন স্থান, যেমন বাগমারা সর্বজনীন শ্রীশ্রী গোবিন্দ মন্দির, তেঁতুলতলা মন্দির ও লবণচরা সর্বজনীন পূজামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামন্দিরের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এই শুভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, মজিবর রহমান ফয়েজ, ইউসুফ হারুন মজনু, নজরুল আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শামীম আশরাফ, হুমায়ুন কবির ও অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

    অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে ধর্মের পারিপার্শ্বিক সৌন্দর্য ও এর মাধ্যমে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরেন। তারা বলেন, এই উৎসবের মাধ্যমে আমাদের ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষ একে অপরের কাছাকাছি আসছে, মিলেমিশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রাণবন্ত উদাহরণ তৈরি করছে। এর মাধ্যমে সৃষ্টিশীলতা ও ভ্রাতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এরকম সুন্দর অনুষ্ঠান ও উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশে শান্তি ও ঐক্য আরো প্রকৃতিশালী হবে—এমন প্রত্যাশায় সবাই একত্র হয়।