Category: সারাদেশ

  • এড. মনা বললেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে

    এড. মনা বললেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে

    খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঝলমলে দৃষ্টান্ত বিরাজমান। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব অসাম্প্রদায়িক মানুষকে মনোভাবাপন্ন করে তুলতে তার উদ্যোগে নতুন শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে, যা এরই একটি প্রমাণ। তিনি আরও বলেন, নেত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন—বাংলাদেশে কোনও সংখ্যালঘু নেই, যারা এ দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন, তারা সবাই বাংলাদেশী। সকলের সমান অধিকার রয়েছে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করার। বিএনপি একদিকে ফ্যাসিবাদী শাসনকে বিদায় জানিয়েছে, অন্যদিকে আগামী নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচন করবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।
    শনিবার সকাল ১১টায় নগরীর শ্রীশ্রী শীতলামাতা ঠাকুরানী মন্দির প্রাঙ্গণে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে নববস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। তিনি তারেক রহমানের ৩১ দফা দাবি উল্লখ করে বলেন—প্রতিটি মায়ের নামে ফ্যামিলি কার্ড থাকবে, যার মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ক্রয় করা যাবে। পাশাপাশি, হেলথ কার্ডের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘৭১ সালে যারা বাড়িঘর লুট করেছে, মানুষের উপর নিরীহভাবে হামলা চালিয়েছে, তারা এখন বেহেশতের টিকিট বিক্রির হুমকি দেয়—এ সবকিছ থেকে সতর্ক থাকতে হবে। নিজেকে নিরাপদ রাখতে প্রত্যেকেরই সচেতনতা জরুরি।
    অতীতের নেতিবাচক ঘটনার জন্য আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং আসন্ন দুর্গাপূজা আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    অনুষ্ঠানের মূল উদ্বোধক ছিলেন খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুজ্জামান সজীব। উপস্থিত ছিলেন শীতলাবাড়ি মন্দির কমিটির সভাপতি সুজিত সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার ঘোষ, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বদরুল আনাম খান, খুলনা মহানগর পূজা ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, পাশাপাশি সুজনা জলি, মেশকাত আলী, মাহাবুবউল্লাহ শামীম, আসাদুজ্জামান লিটন, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবু সাঈদ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • বিশ্বের ইতিহাসে বিরল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নজির: মঞ্জু

    বিশ্বের ইতিহাসে বিরল শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নজির: মঞ্জু

    খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ ধর্মের চেতনা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মাধ্যমে দীর্ঘ দিন ধরেই সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রেখে আসছে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সকল ধর্মের জনগণ স্বাধীনভাবে নিজেদের ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করছে। এই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল নজির বলে তিনি উল্লেখ করেন। গোটা দেশের মতো খুলনাতেও ঐক্য, সম্প্রীতি ও Brotherhood এর মাধ্যমে এগুলি তুলে ধরা হয় এবং আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের এই দৃষ্টান্ত প্রশংসিত হচ্ছে। অতীতে যেখানে যে কোন উৎসব বা পার্বনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে ছিল বিএনপি, এখনো থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।

    শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর বয়রা রায়েরমহল ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপি’র কার্যালয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। মঞ্জু আরও বলেন, ‘বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা জনগণের সঙ্গে একযোগে আন্দোলন সংগ্রাম করে এসেছেন, অন্যায় ও অন্যুভূতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। স্বৈরাচার পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে, এখন দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়াই একমাত্র পথ। তিনি প্রশাসনের প্রতি নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়ে বলেন, upcoming পুজা এবং অন্যান্য উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার প্রয়োজন।’

    বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আসাদুজ্জামান মুরাদ, সাদিকুর রহমান সবুজ, আনোয়ার হোসেন, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, শেখ জাফিরুল ইসলাম, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, শেখ আব্দুল গফ্ফার, খন্দকার আকিরুল ইসলাম, মিজানুজ্জামান তাজ, মোস্তফা জামান মিন্টু, আবুল কাশেম, খান আবু দাউদ, হারুনার রশিদ হারুন, আমির হোসেন বাচ্চু, হাফিজুর রহমান টুটুল, মুশফিকুর রহমান অভি, জাহিদুল ইসলাম, বাবুল হোসেন, হারুন মোল্লা, পারভেজ মোড়ল, টিটু, কামাল, রাফি, শেখ ইসমাইল, রফিকুল, জাকির, মোল্লা কবির উদ্দিন, শেখ মফিজ, পরিতোষ ঘোষ, সাধন ঘোষসহ অনেকে। এই অনুষ্ঠানে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় পারস্পরিক সমঝোতা ও সৌহার্দ্য লক্ষ্য করা গেছে, যা দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মর্মবাণীকে আরও শক্তিশালী করবে।

  • ১১ অক্টোবর পলিথিন ব্যবহার বিরোধী শপথ গ্রহণের ঘোষণা

    ১১ অক্টোবর পলিথিন ব্যবহার বিরোধী শপথ গ্রহণের ঘোষণা

    গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষা মঞ্চ, খুলনার পরিবারের সদস্যরা আগামী ১১ অক্টোবর বেলা ১১টায় পলিথিন ব্যবহার না করার অঙ্গীকার করবেন। এ দিন জেলা আইনজীবী সমিতির প্রাঙ্গণে একটি গুরুত্বপূর্ণ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার সকাল স্থানীয় হোটেল গোল্ডেন কিং-এ সংগঠনের একটি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায়ীরা অব্যাহতভাবে পলিথিন ব্যবহার করছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, নগরীতে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কেজি পলিথিন বিক্রি হয়। এই অপদ্রব্য ডাস্টবিন ও নর্দমায় ফেলনের ফলে পানির সূর্যপ্রকাশ কমে গেছে। রূপসা, ভৈরব ও ময়ূর নদীর গভীরতা হ্রাস পাচ্ছে। খানজাহান আলী রোড ও শেরে বাংলা রোডের ড্রেনগুলো এখন কালির মতো বাধা সৃষ্টি করছে। দ্রুতই এই নগরী ব্যবহারে অযোগ্য হয়ে উঠার আভাস পাওয়া যায়। বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা আরও বেড়ে যেতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় নগরবাসীর সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিকল্প হিসেবে পাটের ব্যাগের ব্যবহারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এড. আ. ফ. ম মহসীন সভার সভাপতিত্ব করেন। নগরবাসীকে পলিথিনের ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়। বক্তৃতা দেন মানবাধिकार কর্মী এড. মোমিনুল ইসলাম, সংগঠনের সদস্য সচিব কাজী মোতাহার রহমান বাবু, নগরপ্রিয় নেতা সরদার আবু তাহের, শেখ আব্দুল হালিম, আবু হারুনার রশিদ, এড. আজিজুর রহমান, মোঃ দাউদ আলী এবং মানবাধিকার কর্মী মোঃ জামাল মোড়ল। সভায় নগরীতে যানজট কমাতে নিয়মিত অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের পরিকল্পনা এবং খুলনা নগরীর স্বাস্থ্যসেবার উন্নতির জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণের কথা উল্লেখ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

  • কেসিসির প্রশাসকের শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা

    কেসিসির প্রশাসকের শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ ফিরোজ সরকার শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। নিজের বার্তায় তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব হলো সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের সংস্কৃতি, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান উদযাপন করে আসছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, যা দেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে আমাদের ধরে রাখতে হবে এবং সবাইকে একসাথে থেকে এই উৎসবকে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করার আহ্বান জানান। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সমাজে প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বন্ধন আরও শক্তিশালী করে তুলবে। দুর্গোৎসব যাতে সুষ্ঠু, আনন্দময় এবং নিরাপদ পরিবেশে পালিত হয়, সেজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।

  • কালিগঞ্জে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি আত্মহত্যা

    কালিগঞ্জে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি আত্মহত্যা

    সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোরগোল শুরু হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে পরিবারের পক্ষ থেকে তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। ওই যুবকের নাম জুবায়ের আহমেদ, তিনি উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের শেখ মেহেদী হাসানের ছেলে। পুলিশ বলছে, পরিবারের সদস্যরা ধারণা করছেন, জুবায়ের রশির সাহায্যে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকায় কিছু সন্দেহে রয়েছে। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হারুন অর রশিদ মৃধা জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ থানায় আনা হয়েছে। আগামী রবিবার সকালে এটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে। পরিবারের দাবির সঙ্গে এখনও পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। পুরো ঘটনা এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।

  • শহরের জলাশয় ধাপে ধাপে পরিষ্কার করার পরিকল্পনা তুহিনের ঘোষণা

    শহরের জলাশয় ধাপে ধাপে পরিষ্কার করার পরিকল্পনা তুহিনের ঘোষণা

    খুলনা মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনে ধানের শীষে মনোনয়ন প্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন জানিয়েছেন, শহরের জলাশয়গুলো ধাপে ধাপে পরিষ্কার করার একটি ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে mশার বংশবিস্তার রোধ, পরিবেশের উন্নয়ন এবং জলাশয়গুলোকে ব্যবহারোপযোগী করে তোলা লক্ষ্য করা হচ্ছে। পরিষ্কারের পর, জলাশয়গুলোতে মাছ অবমুক্ত করা হবে, যা যেনো সবার জন্য উন্মুক্ত হয়। এলাকার দরিদ্র মানুষরা বিনামূল্যে মাছ ধরার সুবিধা পাবেন, এমন ব্যবস্থাও রাখা হবে। শুক্রবার সকালে, সদর থানার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রীন লাইন বস্তির একটি জলাশয়ে কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণ এবং পয়ঃনিষ্কাশন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এই পরিকল্পনার ঘোষণা দেন। তুহিন আরো উল্লেখ করেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুসারে জনকল্যাণমূলক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে দল। তিনি জানান, স্থানীয়রা মনে করছেন, এই উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষা ও এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি অবদান রাখবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবির, আবু সাঈদ শেখ, শফিকুল ইসলাম শফি, নুরুল ইসলাম, আলতাফ হোসেন খান, মাস্টার রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, শাহজাহান, বারেক আহমেদ, রুবেল জমাদ্দার, মিজানুর রহমান, সাহানা রহমান, কামাল আহমেদ, বেল্লাল, লতিফ শিকদার, আরিফ প্রমুখ।

    শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর), মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন নগরীর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাগমারা মেইন রোডস্থ মসজিদ-এ-দারুস সালামে জুম্মার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মুসল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ও তাদের খোঁজ-খবর নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবির, বিএনপি নেতা ইশতিয়াক উদ্দিন লাভলু, নাসির উদ্দিন, জাকির ইকবাল বাপ্পি, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মনিরুজ্জামান মনি, সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সরোয়ার হোসেন, জিয়াউর রহমান খান আপন, হেলাল ফারাজি, ফয়েজ আহমেদসহ অন্যান্য নেতা।

    অপরদিকে, কমার্স কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সামশেদ হোসেন আবিদের মায়ের মৃত্যু খবর পেয়ে, শফিকুল আলম তুহিন শোক সন্তপ্ত পরিবারের বাড়িতে যান। তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের হাতে সর্বশ্রেণীর সমর্থন ও সান্ত্বনা দেন, এবং মরহুমার জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করেন।

  • তরুণরাই انتخابات ও মানবিক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়বে

    তরুণরাই انتخابات ও মানবিক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়বে

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল এবং সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, আগামী নির্বাচনে তরুণরা এক মহাদলটির সঙ্গে শক্তি দিয়ে ফ্যাসিবাদ ও অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। তিনি বলেন, সেই তরুণরা যারা ফ্যাসিবাদকে পরাস্ত করেছে, তারা ভবিষ্যতেও দেশ পরিচালনার দায়িত্ব সঠিকভাবে গ্রহণ করবে। তাই, ভোটের মাধ্যমে সর্বস্তরের তরুণরা মানবিক ও সাম্য ভিত্তিক একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য আগামী নির্বাচনে প্রত্যাশা রেখে গণপ্রতিনিধিত্বে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, জামায়াত যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে বেকারদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে সমস্যা সমাধান করবে। আমাদের আমীরে জামায়াত, ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে আমরা শাসক নই, সেবক হিসেবে থাকব। তারা আরও জানান, অতীতে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন, এখন তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে এবং একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা নিচ্ছে।

    তিনি ডুমুরিয়া-ফুলতলা এলাকায় জলাবদ্ধতার সমস্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, এর মূল কারণ হলো বিল ডাকাতিয়া, যার জন্য মহাপরিকল্পনা তৈরি করা হবে। শিক্ষার্থীরা পাস করেই চাকরি পাবে, আর যারা চাকরি করতে পারে না, তাদের জন্য বেকারভাতা চালু করা হবে। কারিগরী শিক্ষায় শিক্ষিত করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি সাধন করা হবে। শুক্রবার বিকেলে ফুলতলার স্বাধীনতা চত্তরে উপজেলা জামায়াতের আয়োজিত ছাত্র ও যুব সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

    বিভিন্ন অতিথি এবং নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যেমন—উপজেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলীম মোল্লা, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, খুলনা অঞ্চলের সহকারি পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, খুলনা মহানগরীর আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন। উদ্বোধন করেন খানজাহান আলী থানার জামায়াতের আমীর ডা. সৈয়দ হাসান মাহমুদ টিটো।

    অতিরিক্ত হিসাবে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান মন্তব্য করেন, যদি জামায়াত দায়িত্ব পায়, তাহলে শুধু মুসলিমের জন্য নয়, সব ধর্মের মানুষের পাশাপাশি নারীর মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে।

    ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, ২৪ জুলাই আমাদের শেখিয়েছে কিভাবে আমাদের ফ্যাসিস্টমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়, এবং তরুণ প্রজন্ম ভবিষ্যতে একই ভুল করবেন না, যাতে আবারো বাংলাদেশে কোনও ফ্যাসিবাদ জন্ম নিতে না পারে।

    দলীয় প্রতিনিধিরা জানান, অধ্যাপক গোলাম পরওয়ার সকালে ডুমুরিয়ায় ছাত্র-যুব সমাবেশের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। এই সভার সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুক্তার হোসাইনের, এবং এতে অংশ নেন কেন্দ্রীয় নেতা, ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি, বিজ্ঞান ও কর্মপরিষদ সদস্যসহ আরও অনেকে, যারা বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও অগ্রগতির জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

  • খুলনা বিভাগে ১০ জেলায় ৪৩ লাখ শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা

    খুলনা বিভাগে ১০ জেলায় ৪৩ লাখ শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা

    খুলনা বিভাগে টাইফয়েড টিকা প্রাকটিসের উদ্যোগের ক্ষেত্রে গত শুক্রবার একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সুযোগে খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য টাইফয়েড টিকাদান বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও কনসালটেশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয় প্রেসক্লাবে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক। তিনি বলেন, টাইফয়েড প্রতিরোধে টিকা কার্যকর গুরুত্বপূর্ণ একটি হাতিয়ার। সরকারি উদ্যোগে এই ক্যাম্পেইন সফল করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপ্রতুল নয়। গুজব রোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে টিকা গ্রহণে মানুষের মনোভাব ইতিবাচক করতে প্রচার-প্রচারণা আরও জোরদার করতে হবে। তিনি আরও জানান, টাইফয়েড জ্বর একটি সংক্রামক রোগ হলেও এটি প্রতিরোধযোগ্য। টিকা নেয়ার কোনও ভয় নেই—এমন আলোচনায় তিনি সবাইকে উৎসাহ দেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকা গ্রহণের জন্য। মহাপরিচালক বলেন, শিশুদের টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করতে সকলের সহযোগিতা কাম্য।
    খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ওয়ার্কশপে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, ইউএনবির প্রতিনিধি শেখ দিদারুল আলম, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার এ এস এম কবীর, জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান এবং সিভিল সার্জন দপ্তরের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ। সভায় স্বাগত বক্তৃতা করেন বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক গাজী জাকির হোসেন। বিস্তারিত 내용 উপস্থাপন করেন বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় সমন্বয়ক ডাঃ মোঃ আরিফুল ইসলাম, যিনি টিকা কার্যক্রমের ব্যাপারে পয়েন্টসভার প্রেজেন্টেশন দেন।
    আলোচিত হয়, ক্যাম্পেইনের আওতায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৭ শিশুকে টাইফয়েড টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত অনলাইনে ১৩ লাখ ১০ হাজার ৬৯ জনের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। শিশুদের জন্য নির্ধারিত টিকা কার্যক্রমের সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যায়ক্রমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে, এরপর ১ থেকে ১৩ নভেম্বর কমিউনিটিতে এই টিকা প্রদান করা হবে। ক্যাম্পেইনে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী সকল শিশুকে একটি ডোজ টিকা দেয়া হবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে জন্মনিবন্ধন সনদের তথ্য নিয়ে www.vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে নিবন্ধন। এই মাধ্যমে নিবন্ধনের জন্য ১৭ ডিজিটের তথ্য প্রদান করতে হবে। কর্মশাপে অংশ নেন খুলনার বিভিন্ন স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা।

  • হাসিনার নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে মুফতী আমানুল্লাহর মন্তব্য: ফ্যাসিবাদের জন্মের বিরোধিতা

    হাসিনার নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে মুফতী আমানুল্লাহর মন্তব্য: ফ্যাসিবাদের জন্মের বিরোধিতা

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি ও খুলনা ২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুফতী আমানুল্লাহ অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান নির্বাচনী পদ্ধতি মুক্ত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই পদ্ধতিতে আমাদের অনেক সময় ডামি ভোট ও রাতে ভোটদান দেখতে হয়েছে, যা সম্পূর্ণভাবে একজন ফ্যাসিস্ট শাসকের জন্ম দেয়ার মতো। তিনি দৃঢ়ভাবে বলছেন, এই ব্যর্থ ও অনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে আর কোনো নির্বাচন অমে পছন্দ নয়। বরং তিনি এমন একটি পদ্ধতি চান যেখানে আর কোনো ফ্যাসিস্ট ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত নয়, যার জন্য তিনি প্রস্তাব করেন পিআর (প্রোপোর্টশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি চালু করার প্রয়োজন। আমিনুল্লাহ বলেন, সরকারের তিনটি অঙ্গিকার ছিলো—সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। যদি এই তিনটি অঙ্গিকা বাস্তবায়িত হয়, তবে তিনি বলেন, আগামীকালই পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হলেও দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার পূরণ হয়নি। বরং, দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা পাচার এখন স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাসিনার শাসনামলে আইয়াতে জাহেলিয়াতের বর্বরতার চিত্র দেখা যাচ্ছে। ৫ আগস্ট আমাদের জন্য এক সুযোগ তৈরি হলেও, রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কার বা বিচার ব্যবস্থা দৃশ্যমান নয়। এই পরিস্থিতিতে পুরোনো নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে এত মাতামাতির কোন অর্থই দেখা যাচ্ছে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, জুলাই সনদের আইনী ভিত্তি নিশ্চিত করতে হবে, অন্যথায় মুক্তিযোদ্ধাদের ফাঁসির আশঙ্কা বাড়ছে।

    তিনি বলেন, জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, গণহত্যার বিচার ও ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে বিচার করার দাবিতে কেন্দ্রীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বিকেল ৪টায় সবুজবাগ মসজিদ চত্বরে সাধারণ মানুষ অবস্থান নেন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। এর সাথে আরও বেশ কয়েকটি থানায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে সমাবেশ ও বিক্ষোভ সম্পন্ন হয়।

    শনিবারের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ, যেমন মোঃ নুরুজ্জামান বাবুল, মোঃ কবির হোসেন হাওলাদার, হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়াল, শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান, মোহাম্মদ শাহজাহান পাটোয়ারী, মোঃ আব্দুস সোবাহান, মোঃ নাজমুল ইসলামসহ অনেকে। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের জনগণের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধুভাবে দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। শেষ পর্যায়ে এসব বিক্ষোভ ও সমাবেশগুলো দোয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয় ও অন্যান্য থানায় একযোগে একই ধরনের কর্মসূচি পালিত হয়।

  • খুলনায় টাইফয়েড টিকাদান নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    খুলনায় টাইফয়েড টিকাদান নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

    খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এবং টাইফয়েড ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে আজ শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) খুলনাস্থ প্রেসক্লাবের শহীদ হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে এক বিস্তারিত কনসালটেশন ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণযোগাযোগ ও জনসংখ্যা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক।

    প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, টাইফয়েডের মতো সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সংবাদ ও প্রচার মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও গুজব মোকাবেলায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, টাইফয়েডটি এক প্রতিরোধযোগ্য রোগ, তাই এর বিরুদ্ধে টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে আহ্বান জানান। মহাপরিচালক আশ্বস্ত করে বলেন, টাইফয়েডের ভয়ের কোনো কারণ নেই এবং নির্দিষ্ট দিনে টিকা নেওয়ার জন্য সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের টিকা কেন্দ্রে আসার ব্যাপারে উৎসাহ দিতে তিনি সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।

    খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই মোহাম্মদ আনাছের সভাপতিত্বে ওয়ার্কশপে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি শেখ দিদারুল আলম, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার এ এস এ এম কবীর, জেলা শিক্ষা অফিসার এস এম ছায়েদুর রহমান ও সিভিল সার্জন দপ্তরের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তৃতা দেন বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক গাজী জাকির হোসেন। আলোচনা পর্বে কর্মশালার বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন বিশ^স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় সমন্বয়ক ডা. মোঃ আরিফুল ইসলাম, যিনি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে টিকাদান বিষয়ক বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

    এছাড়াও, জানানো হয় যে, ক্যাম্পেইনের আওতায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি পর্যায়ে মোট ৪২ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৭ শিশুকে টাইফয়েডের টিকা দেয়া হবে। এখন পর্যন্ত খুলনা বিভাগে অনলাইনে নিবন্ধন করা হয়েছে ১৩ লাখ ১০ হাজার ৬৯ জন। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, খুলনা জেলার নয় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং কমিউনিটিতে মোট ৪ লাখ ৩১ হাজার একশত শিশু টাইফয়েডের টিকা নেয়া নিশ্চিত করা হবে। সরকারী প্রাথমিক স্বাস্থ্যযোদ্ধা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হবে জাতীয় টাইফয়েড ক্যাম্পেইন-২০২৫। এই সময়কালীন প্রথম দুই সপ্তাহ (১২-৩০ অক্টোবর) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও স্থায়ী কেন্দ্রে, পরে (১-১৩ নভেম্বর) সাধারণ জনসাধারণের মধ্যে সাধারণ কমিউনিটি কেন্দ্রে টিকা বিতরণ চলবে। এই ক্যাম্পেইনে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের শিশুদের এক ডোজ করে টিকা দেয়া হবে। টিকা পাওয়ার জন্য জন্মনিবন্ধন সনদের (১৭ ডিজিট) তথ্য দিয়ে ওয়েবসাইট www.vaxepi.gov.bd-এ নিবন্ধন করতে হবে।

    বিশেষ এই ওয়ার্কশপে খুলনার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে তারা টাইফয়েড ক্যাম্পেইনের প্রয়োজনীয়তা, বিস্তারিত কার্যক্রম ও উপকারিতা সম্পর্কে অবহিত হন এবং জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য প্রস্তুত হন।