Category: সারাদেশ

  • খুলনা-৬ আসনের জনগণের প্রতি জামায়াতের নেতৃত্বের আহবান: আগামীর বাংলাদেশ গড়ার জন্য একত্রিত হোন

    খুলনা-৬ আসনের জনগণের প্রতি জামায়াতের নেতৃত্বের আহবান: আগামীর বাংলাদেশ গড়ার জন্য একত্রিত হোন

    খুলনা-৬ আসনের জনগণকে ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে এগিয়ে আসার জন্য জামায়াতে ইসলামী নেতারা আহবান জানিয়েছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আজাদ বলেন, জামায়াত ফ্যাসিস্ট অপশক্তির বিরুদ্ধে সাহসের সাথে লড়াই করে বুকের উপর বুকে দাঁড়িয়ে প্রতিহত করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াত একমাত্র আল্লাহর ভয় করে, অন্য কাউকে ভয় করেনা বা করবে না। তিনি বলেন, জনগণের সমর্থনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির সকল অপশক্তির মোকাবিলা করে নতুন, মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারবদ্ধ। বর্তমান যুগে বাংলাদেশকে আরও সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উন্নয়নশীল করতে এই নেতারা খুলনা-৬ আসনের জনগণকে ইসলামী নেতৃত্বে এগিয়ে আসার স্বাগত জানাচ্ছেন। শুক্রবার সকালে কয়রা উপজেলা মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চৌকুনি মৎস্য আড়ত এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ এই আহবান জানান।

    গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, নায়েবে আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম, সেক্রেটারি মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়ন আমীর আবু সাঈদ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়া স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মৎস্য বিক্রেতারা নেতাকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান, এবং ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামী মোক্ষম বিজয় অর্জনে বিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সকল প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরংকুশ বিজয় অর্জন হবে।

    এছাড়া, তিনি মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের তেতুল তোলার চরসহ আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যান ও সরকারি রাস্তা, বাজার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জীবনমান উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, জামায়াত চায় একটি সৎ নেতৃত্বে পরিচালিত, আল্লাহর আইনের বাস্তবায়ন নিশ্চিত রাষ্ট্র। তারা বলেন, নির্বাচন হলে সকল সম্প্রদায়ের সমর্থন অর্জনের পাশাপাশি সমাজের উন্নয়নমূলক কাজে একসাথে কাজ করতে চান। নেতারা বলেন, তারা ন্যায়ের প্রতীক দণ্ডাপাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করছেন, যাতে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে উঠতে পারে।

  • দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে একত্রে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে

    দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে একত্রে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে

    মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা সতর্ক বার্তা দিয়ে বলেছেন, যারা বিগত সময়ে দলের নির্দেশনা অমান্য করে নিজস্ব বলয় গঠন করেছেন, শীর্ষ নেতৃত্বকে অবহেলা করেছেন এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশ্য উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন, তাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিএনপির দুঃসাময়িক সময়ে ওইসব নেতারা দলের জন্য কোনো কাজে আসেনি; বরং তারা দলের ব্যানার ছেড়ে ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য আলাদা ব্যানার নিয়ে নিজেদের স্বতন্ত্রতা প্রকাশের চেষ্টা করেছিলেন। গতকাল শুক্রবার দলের নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ ও গণমিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। ২২ নম্বর ওয়ার্ডে এই কর্মসূচিরপর্যায়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    শফিকুল আলম মনা বলেন, বর্তমানে শহরের দলের নেতৃত্ব আগের তুলনায় বেশি একচেটিয়া এবং সব ধরনের গোষ্ঠীবাজি কঠোরভাবে দমন করা হবে। তারা যদি দলের নাম ব্যবহার করে প্রধান নেতাদের নির্দেশ অমান্য করে, তাহলে তাদেরকে সদস্য বলে গণ্য করা হবে না। নেতা-কর্মীদের উচিত দলের আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে চলা, যাতে আগামী নির্বাচনে দল একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

    একই কর্মসূচির সময় সন্ধ্যায় ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বিভাজন ও বিভ্রান্তিকর কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, দলের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর দোসরদের সবাইকে সর্তক থাকতে হবে। এ ছাড়াও যারা ‘জান্নাতের টিকিট বিক্রির’ নাম করে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মা-বোনদের সঙ্গে প্রতারণা করছে, তাদের প্রচণ্ড সতর্ক থাকতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এই দলের বিতর্কিত ভূমিকা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে। যুদ্ধকালীন তাদের সেই কার্যক্রমের জন্য ক্ষমা চাইলেও, ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ ও দুই লক্ষ মা-বোনের অম্লান স্নেহফলের মূল্য নিরূপণ করা সম্ভব নয়।

    ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে এই প্রচারণামূলক মিছিল শুক্রবার সন্ধ্যায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে হাফিজ নগর মোড়ে এসে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় সমাপ্ত হয়। মিছিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু। এ ছাড়াও মিছিল ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন শেক ফারুক হোসেন, শেখ আজিজুর রহমান, মোঃ সাইফুল ইসলাম, আহসান মৃধা খোকন, ইয়াজুল ইসলাম অ্যাপোলো ও ইয়াসিন মোল্লা, হাসনা হেনা, মুন্নি জামানসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গসংগঠনের কর্মীবৃন্দ।

    ২২ নম্বর ওয়ার্ডে বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বদরুল আনাম খান, নুর আলম জিয়া, জহিরুল ইসলাম জুয়েল, জিয়াউর রহমান, মাহফিজুল ইসলাম, আলী হোসেন সানা, ময়েজ উদ্দিন চুন্নু, গোলাম কিবরিয়া, সাহারুজ্জামান মুকুল ও সুলতানা রহমান ন্যান্সিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের পক্ষে প্রচার কাজ পরিচালিত হয়। ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় রোড ও মোয়লা বাড়ি এলাকায় এই কার্যক্রম চলে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ মোঃ ফারুক হোসাইন, সহ-সভাপতি আলমগীর আজাদ মিলন, মোঃ মাসুম হোসেন, খালেকুজ্জামান, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ মোস্তফা শেখ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঞ্জুর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ হোসেনসহ আরও বহু নেতা-কর্মী। এছাড়াও এই ওয়ার্ডের মহিলা দল, কৃষক দল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। এ ধরনের কর্মসূচি সারা মহানগরীতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে একইভাবে পালিত হয়েছে।

  • দেশে দায়বদ্ধ ও নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে

    দেশে দায়বদ্ধ ও নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একত্রে কাজ করতে হবে

    বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, যারা নির্বাচনের জন্য ভয় পায়, তারা আসলে দেশের উন্নয়ন চায় না। যারা ভোট দেয়াকে ভয় করে, তারা জানেন যে জনগণের রায়ের মুখোমুখি হলে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের একটি দায়বদ্ধ ও নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সবাইকে একত্রে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি আরও ঘোষণা দেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে খুলনা-৩ আসনে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে—এটি তার প্রতিশ্রুতি।

    আজ শুক্রবার দুপুরে দৌলতপুর থানার ৬নং ওয়ার্ড বিএল কলেজ সেন্টারের সুধীজনের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বকুল। সভায় সভাপতিত্ব করেন কালাম খান। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ভোটের রাজনীতি বিশ্বাস করেন না কারণ তিনি জানেন, ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হলে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। যারা নির্বাচনের জন্য বাতিল বা ভন্ডুল করতে চায়, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না। তিনি স্পষ্ট করেন যে, খুলনা-৩ আসনে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বাস করে, কিন্তু সেখানে আজও একটি আধুনিক হাসপাতাল নেই। সাধারণ মানুষকে চিকিৎসার জন্য অনেক দূরে যেতে হয়, যা অস্বাভাবিক। তিনি বলেন, আমরা সকল মিলেই একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

    বকুল তরুণদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমি নিশ্চিত করছি, ক্ষমতায় এলে এক কোটি যুবকের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যবস্থা করা হবে।

    মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার জন্য তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হলে অর্ধেক তরুণকে মাদক থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। বাকিদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও সামাজিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা সম্ভব, যা কেবল প্রশাসনের নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলনের বিষয়।

    বক্তব্যের শেষে বকুল বলেন, বিএনপি অতীতে জনগণের জন্য কাজ করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দুর্ভিক্ষপীড়িত দেশকে স্বনির্ভর বাংলাদেশে রূপান্তর করেছিলেন। বর্তমানে আমরা সেই ধারাবাহিকতায় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের উন্নয়ন চাই।

    সভায় মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এড. মোমরেজুল ইসলাম, মোঃ বারেক খান, খন্দকার কামরুল ইসলাম, মোঃ তৈয়বুর রহমান, মোবারেক হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • নগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে মঞ্জুরের পক্ষে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ

    নগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে মঞ্জুরের পক্ষে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ

    শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় সড়ক রাস্তার উপড় বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাংলার বিস্তারিত লিফলেট বিতরণ করা হয় সদর থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিস্ত্রিপাড়া বাজার এলাকায়। এই কর্মসূচিতে মূলত সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুর পক্ষে নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি হাসান মেহেদী রিজভীর সভাপতিত্বে এবং আব্দুল জব্বারের পরিচালনায় এক সংক্ষিপ্ত পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, মজিবর রহমান ফয়েজ, রবিউল ইসলাম রবি, শামসুজ্জামান চঞ্চল, ইশহাক তালুকদার, মোস্তফা কামাল, রিয়াজুর রহমান, আসলাম শেখ এবং আল বেলালসহ আরো অনেকে। বক্তব্যে বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়নে সংবিধান ও প্রশাসনিক সংস্কার জরুরি। তাই বিএনপি এই দফাগুলো জনগণের মধ্যেও পৌঁছে দিচ্ছে। এ ধরনের উদ্যোগে এলাকার জনগণ বেশ উৎসাহিত এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছেন।

  • দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিদ্ধান্ত

    দিঘলিয়া প্রেসক্লাবের নির্বাচন স্থগিত প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সিদ্ধান্ত

    খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের আগামী ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠানের কথা ছিল নির্বাচন। এর জন্য আজ শনিবার (২৫ অক্টোবর) মনোনয়ন ফরম বিতরণের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু হঠাৎ কাজের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যক্ষ মনিরুল হক বাবুল কোনও আলোচনা বা ঘোষণা ছাড়াই ফরম বিতরণের কার্যক্রম ও নির্বাচনের তারিখ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছেন বলে মৌখিকভাবে জানানো হয়। অনুষ্ঠানে স্থগিতের কোনও কারণ স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি।

    প্রেসক্লাবের সদস্যরা মনে করছেন, একটি অরাজনৈতিক সংগঠনের দিকে লক্ষ্য করে নির্বাচনের ধারাবাহিকতাকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলা স্তরের সাংবাদিক, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার মৌখিকভাবে জানান, অনিবার্য কারণবশত ফরম বিতরণ এবং নির্বাচনের কার্যক্রম আগামী সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তবে এই স্থগিতের কারণের বিস্তারিত ব্যাখ্যা না মেলার কারণে সংশ্লিষ্টরা হতাশ হলেও, তারা আশা করেন যে, খুলনা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রেসক্লাবের পরিবেশে গণতান্ত্রিক ধারাকে অব্যাহত রাখতে সকলের প্রত্যাশা রয়েছে।

  • নগরীর ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিঠু দল থেকে বহিষ্কার

    নগরীর ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিঠু দল থেকে বহিষ্কার

    নগরীর ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ রকিবুল ইসলাম মিঠুকে দলে তার শৃঙ্খলার অবনতি এবং সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মহানগর বিএনপি’র মিডিয়া সেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

    বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, দলের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার অপরাধে, মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা এবং সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের স্বাক্ষরিত পত্রে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই বহিষ্কারের ফলে মোঃ রকিবুল ইসলাম মিথু এখন থেকে দলের কোন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না এবং দলের অন্যান্য সদস্যদের এই তাকের সাথে আর কোন সম্পর্ক স্থাপন না করার জন্য আহবান জানানো হয়েছে।

  • রূপসা ঘাটের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: জেলা প্রশাসক

    রূপসা ঘাটের সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: জেলা প্রশাসক

    খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিকুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, রূপসা ঘাটে বিরাজমান সমস্যাগুলোর সমাধানে দ্রুত এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, জনগণের সহজসুলভ এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। পাশাপাশি, ঘাটের দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে তারপর সর্বোত্তম সমাধান খুঁজে বের করা হবে।

    বৃহস্পতিবার সকালে রূপসা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে উপজেলার সরকারি দপ্তর প্রধানগণের সাথে এক জরুরি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, নিজেদের সততা, দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা দিয়ে জনগণের সেবায় এগিয়ে আসতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, আমরা জনগণের কল্যাণে অবদানের জন্যই এই চাকরি করছি। তাই জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলের উপকারের জন্য কাজ করে যেতে হবে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন রূপসা থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাজেদুল হক কাউসার, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আহসান হাবিব প্রামাণিক, জেলা প্রশাসন অফিসের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আসাদুজ্জামান আরিফ, কৃষি কর্মকর্তা তরুন কুমার বালা, মৎস্য কর্মকর্তা জ্যোতি কনা দাস, প্রকৌশলী শোভন সরকার, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আনোয়ার উল কুদ্দুস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ বোরহান উদ্দিন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক ইকবাল আজিজসহ আরও অনেক সরকারি ব্যক্তিত্ব।

    তাছাড়া তিনি রূপসা থানা পরিদর্শন করেন এবং উপজেলা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর আয়োজিত কর্মক্ষেত্রে “আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার” শীর্ষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন। সকল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এই উদ্যোগে অংশগ্রহণ করে প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে উৎসাহিত হন, যা রূপসার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের পথে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

  • সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় একত্রীক হওয়া জরুরি

    সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় একত্রীক হওয়া জরুরি

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বর্তমানে দেশে চলছে চরম অর্থনৈতিক সংকট, বেআইনি বেকারত্ব এবং সামাজিক অবক্ষয়। এসব সংকটের মূল কারণ হলো বর্তমান সরকার। তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা এবং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে এই দুঃসময় থেকে মুক্তি সম্ভব। তার মতে, শুধুমাত্র এমন নির্বাচনই পারে দেশের রাজনীতিকে পুনরুদ্ধার করে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত করতে।
    বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডে গোয়ালখালী ইউনিট ও নেছারিয়া মাদ্রাসা ইউনিটসহ চারটি নারী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তিনি। ঐতিহাসিক এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, খালিশপুর থানা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, খালিশপুর মহিলা দলের আহ্বায়ক শাহানাজ সরোয়ারসহ নয়নং ওয়ার্ডের মহিলা দলের সদস্যরা।
    রকিবুল ইসলাম বকুল উল্লেখ করেছেন, খালিশপুরের অর্থনীতির মূল ভিত্তি ছিল মিল-কারখানা। কিন্তু বর্তমানে সরকারের নিষেধাজ্ঞা ও নীতির কারণে এই শিল্পগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে হাজারো পরিবার কর্মসংস্থান হারিয়ে দুঃখের জীবন কাটাচ্ছে। কেউ রিকশা চালাচ্ছে, কেউ ছোট ব্যবসা শুরু করেছে, কিন্তু সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। তিনি ব্যাখ্যা করেন, চাকরি হারানো তরুণরা হতাশায় নিপতিত হয়ে মাদকাসক্তিতে ডুবে যাচ্ছে। এক পরিবারে যদি একজন মাদকাসক্ত হয়, তাহলে পুরো পরিবারই অস্থির হয়ে পড়ে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই পরিস্থিতির থেকে উত্তরণে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধতা, ধৈর্য্য ও সঠিক নেতৃত্ব। নচেৎ এই নাজুক পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

  • দলের দুঃসময়ে যারা নিরাপদ দূরত্বে থেকেছেন, তারা বিএনপি’র কেউ নয়

    দলের দুঃসময়ে যারা নিরাপদ দূরত্বে থেকেছেন, তারা বিএনপি’র কেউ নয়

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলন ও সংগ্রামে অংশ না নেওয়া এবং দলের প্রতি বেঈমানী করা ব্যক্তিরা বিএনপির প্রকৃত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মুখোমুখি। যারা দলের অঙ্গীকারের প্রতি অবিচল না থেকে নিজেদের ‘আমিত্ব’ ও ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছেন, তারা দলের স্বার্থের পরিপন্থী। বিএনপি এক আদর্শিক রাজনৈতিক সংগঠন, যার শেকড় রাজপথে ও সাধারণ মানুষের হৃদয়ে। তিনি আরও বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ উপেক্ষা করে কিছু ব্যক্তিরা নিজের বলয় গড়ে তুলতে চাইছেন, যা দলের শৃঙ্খলা ও ঐক্যের জন্য হুমকি। এসব ব্যক্তিরা দলের মূল আদর্শের বাইরে গেলেও তারা বৈধ নেতা-কর্মী নয়। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় রূপসা বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হওয়া বিএনপি’র রাষ্ট্র মেরামতে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের পক্ষে প্রচার মিছিলের শেষ পর্যায়ে তিনি এসব কথা বলেছেন।

  • খুলনা মহানগর বিএনপিতে আন্দোলনবিমুখ ও বিশ্বাসঘাতকদের স্থান হবে না

    খুলনা মহানগর বিএনপিতে আন্দোলনবিমুখ ও বিশ্বাসঘাতকদের স্থান হবে না

    খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, অতীতে যারা দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশ অমান্য করে সংবাদপত্রে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেছেন, তারা দলের আর একজন সদস্য হতে পারছেন না। তিনি বলেন, বিএনপি একটি বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এখানে নেতৃত্বে প্রতিযোগিতা স্বাভাবিক, কিন্তু দলের শৃঙ্খলা ভাঙা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যারা বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপপ্রয়াস চালাচ্ছেন, তারা কখনোই বিএনপির অংশ নয়। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি এখন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সংগ্রাম করছে। এই সময়ে যারা দল বিকৃতি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন, তারা অজান্তে আওয়ামী লীগের স্বার্থ রক্ষা করছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে যারা প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করছেন, তাদের কোনওভাবে বিএনপির আদর্শের অংশ বলে বিবেচনা করা যায় না। বিএনপি কোনও ব্যক্তির প্রতিষ্ঠান নয়, এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া একটি জনগণের দল। এখানে নেতৃত্ব পাওয়ার জন্য ত্যাগ, আনুগত্য ও সংগঠনের প্রতি দায়বद्धতা থাকতে হবে, সংবাদ সম্মেলনের নাটক তাদের জন্য নয়।

    বুধবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বিকেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের পক্ষে বিশাল প্রচার মিছিল শেষে পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    মহানগর বিএনপির সভাপতি আরও বলেন, যারা ওয়ান ইলেভেনের সময় জিয়া পরিবারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, আন্দোলনের নামে চাঁদাবাজি ও নেতাকর্মীদের থেকে প্রতারণা করেছে, তাদের জন্য বিএনপিতে কোনও স্থান নেই। খুলনা বিএনপি এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। কোনও ষড়যন্ত্রকারী বা দলবিরোধী ব্যক্তিকে দলে স্থান দেওয়া হবে না।

    রয়্যাল মোড় থেকে শুরু হওয়া এই প্রচার মিছিল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিববাড়ি মোড়ে পথসভায় মিলিত হয়। সেখানে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য এখানে এসেছি কারণ আমরা এই দেশকে ভালোবাসি। দলীয় বিশ্বাসঘাতকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যারা ওয়ান ইলেভেনের সময় জিয়া পরিবারকে ধোঁকা দিয়েছে, আন্দোলনের নামে চাঁদাবাজি করেছে, এমনকি বিএনপি অফিসের সামনে গড়াকোটি দিয়ে নাটক করে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে—তাদের দল কখনো মেনে নেবে না। খুলনার মানুষ এমন নেতাদের বিএনপিতে দেখতে চায় না। তুহিন আরও বলেন, খুলনা বিএনপি এখন আন্দোলনের সফলতার প্রতীক। এই বিএনপির হাত ধরেই খুলনায় ফ্যাসিবাদী শক্তির পতন হয়েছে, এবং ভবিষ্যতেও এই মাটিতে ফ্যাসিস্টদের স্থান হবে না। আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, খুলনার ছয়টি আসন ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। খুলনা বিএনপি এখন একত্র ও ঐক্যবদ্ধ, কোনও আন্দোলনবিমুখ বা পলায়নপর ব্যক্তিকে দলে ঢুকতে দেবে না।

    কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজসহ থানা, ওয়ার্ড বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, জাসাস, মহিলা দল, তাঁতীদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি দেশের জনগণের মুক্তি, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রের উপকারী রূপান্তরের জন্য। খুলনা মহানগর বিএনপি এই কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরব থাকবে।

    পরবর্তী কর্মসূচি: বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় রূপসার ফেরিঘাট থেকে রয়্যাল মোড় পর্যন্ত লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের পক্ষে বিশাল প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।