Category: সারাদেশ

  • গল্লামারী মোহাম্মদ নগর মোড়ে ডাস্টবিন সরানোর উদ্যোগে চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা

    গল্লামারী মোহাম্মদ নগর মোড়ে ডাস্টবিন সরানোর উদ্যোগে চূড়ান্ত সময়সীমা ঘোষণা

    গল্লামারী মোহাম্মদ নগর মোড়ে অবস্থিত ময়লার ডাস্টবিনের অব্যবস্থা এবং এর কারণে সৃষ্টি হওয়া সমস্যাগুলোর সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নয়তো কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে এর পরিবর্তনের জন্য হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে গল্লামারী মোহাম্মদ নগর মোড়ে ব্যাপক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়, যা বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর উদ্যোগে সংগঠিত। এই মানববন্ধনের মূল বিষয় ছিল ডাস্টবিন অপসারণের পাশাপাশি পুরো কেসিসি’র অন্তর্গত সমস্ত সড়কের পাশে থাকা আবর্জনা অপসারণ এবং রাতের বেলা সড়ক পরিবহন সচল করার দাবি।

    সংগঠনের সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং মোঃ জামাল মোড়লের পরিচালনায় এ মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই মোড়ে থাকা ময়লার ডাস্টবিনের জন্য সড়কটি অনেকটা চিকন হয়ে গেছে। পাশাপাশি গল্লামারী ব্রিজের কাজ শুরু না হওয়া ও সড়কের জ্যামের কারণে সাধারণ মানুষ বড় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ডাস্টবিন থেকে পঁচা দুর্গন্ধের কারণে এলাকায় স্বস্তি নেই।

    বক্তারা আরো বলেন, পরবর্তীতে সমস্যা সমাধানে যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তাহলে কঠোর কর্মসূচি উল্লেখ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    অতিরিক্ত বক্তারা অ্যাকাউন্টে দৃষ্টি দিয়ে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব, নেতা ও সমাজসেবকদের সমর্থন চেয়েছেন। এ সময় বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা শামিল হন এবং পরিবেশের সুস্থতার জন্য একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • দলের দুর্দিনে যারা সঙ্গে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা জরুরি : লবি

    দলের দুর্দিনে যারা সঙ্গে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা জরুরি : লবি

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক বিজয়ের লক্ষে খুলনা-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির প্রার্থী মোহাম্মদ আলী আসগর লবি ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলির সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করেছে। রোববার সকালে উপজেলা শহিদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী আসগর লবি, তিনি বক্তব্যে বলেন, ডুমুরিয়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি। আগামী নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করতে হলে দলের মধ্যে কোনও বিভাজন বা লবিং চলার সুযোগ নেই। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে সবাই এককাট্টা হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্দিনে যেসব নেতাকর্মী আন্দোলন সংগ্রামে ঝুঁকি নিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে। সভায় জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী এড. তছলিমা খাতুন ছন্দা, সাধারণ সম্পাদক সেতারা বেগম, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন, সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা-sদর دار আলেক মোল্লা, আব্দুল মালেক, মোল্লা মাহবুবুর রহমান, শেখ হাফিজুর রহমান, গাজী আব্দুল হালিম, প্রভাষক মঞ্জুর রশিদ, হেমায়েত রশিদ খান সহ অনেক নেতাকর্মী। এই কার্যক্রম দলের অঙ্গ সংগঠনের মধ্যে ঐক্য সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • বিনামূল্যে সার ও শীতকালিন সবজি বীজ পেলেন ৫৩০ কৃষক

    বিনামূল্যে সার ও শীতকালিন সবজি বীজ পেলেন ৫৩০ কৃষক

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ৫৩০ জন প্রান্তিক ও ছোট কৃষককে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও শীতকালীন বিভিন্ন সবজি বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে এ সুবিধা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি পুনর্বাসন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ সাজ্জাদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং এসব উপকরণ বিতরণ করেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষি পুনর্বাসন কমিটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোঃ সিফাত-আল-মারুফ বলেন, চলতি অর্থ বছরে অর্থাৎ ২০২৫-২৬ শীত মৌসুমে মোট ৫৩০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও শীতকালীন সবজি বীজ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ২০০ জনকে জনপ্রতি ৫০০ গ্রাম করে শীতকালীন শাকসবজি বীজ, ৫০ জন পেয়েছেন ২০০ গ্রাম লাউ বীজ, ১০০ জনকে ৪০ গ্রাম বেগুনের বীজ, ১০০ জনকে ৬০ গ্রাম মিষ্টি কুমড়ার বীজ, ৮০ জনের জন্য ৪০ গ্রাম শসার বীজ এবং ৩৩০ জন কৃষক পেয়েছেন সাত কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার।

    বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ আহমেদ ইকবাল, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রুম্মান হোসাইন, আইসিটি কর্মকর্তা মোঃ ফয়সাল ও জনি সরকার সহ অন্যরা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবারের চাহিদা পূরণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য রয়েছে।

  • সর্বজনীন পেনশন স্কিমে সব নাগরিকের সম্মানজনক ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের উদ্যোগ

    সর্বজনীন পেনশন স্কিমে সব নাগরিকের সম্মানজনক ভবিষ্যৎ নিশ্চিতের উদ্যোগ

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ বলেছেন, বাংলাদেশ এখন জনমিতির লভ্যাংশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফলে ২০৩৩ সালে দেশের বয়সের কারণে নির্ভরশীল জনসংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি গড় আয়ুও বৃদ্ধি পাবে। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর সম্মানজনক ও নিরাপদ ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে সরকার এবার চালু করছে সব নাগরিকের জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম। সোমবার সকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এই নতুন পেনশন মেলার শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. শেখ আব্দুর রশীদ আরও বলেন, দুস্থ ও অসহায় মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি চলমান রয়েছে, যার সংখ্যা ১৪৩টি। এর মধ্যে কিছু কর্মসূচির ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে, তথাপি উপকারভোগীদের জন্য অর্থ এখনও অপ্রতুল। এই সমস্ত কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে সরকারের ব্যয় উপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষকরা খুবই নিম্নমানের পেনশন পান, যেখানে বেসরকারি চাকুরিজীবীরা চাকরি হারানোর ভয়ে থাকেন। এর পাশাপাশি, সরকারি চাকুরিজীবীদের মধ্যে মাত্র ১৪ লাখ পেনশনের আওতায় আছেন। ফলে অনেক জনগোষ্ঠী এখনও পেনশন সুবিধার বাইরে থাকেন। এই নতুন স্কিম তাদের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ, যার যথাযথ সদব্যবহার উচিত।

    তিনি উল্লেখ করেন, পেনশন ব্যবস্থার উন্নতি এখনও অনেক দেরিতে এসেছে, তবে এই উদ্যোগে বেশ কিছু উৎসাহব্যঞ্জক সুবিধা রয়েছে। গ্রাহকরা自己的 পেনশন তহবিল থেকে লোন নিতে পারবেন, কমপক্ষে ১০ বছর চাঁদা জমা দিলে পেনশনের সুবিধা পাবেন। রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই কর্মসূচিকে দেখা হচ্ছে না, কারণ সরকার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শতভাগ নিশ্চিততা দেবে।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফাহিমুল ইসলাম বলেন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব থেকে মানুষের প্রতি এই সর্বজনীন পেনশনের উদ্যোগ কার্যকর করা হয়েছে, যার মূল লক্ষ্য হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন। বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ ফিরোজ শাহের সভাপতিত্বে সংগঠিত এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মোঃ মহিউদ্দীন খান ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য মোঃ গোলাম মোস্তফা, খুলনার অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। স্বাগত বক্তব্যে ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হুসাইন শওকত।

    অনুষ্ঠানের পূর্বে, মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা খুলনা আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। বিভিন্ন পেশার মানুষ এতে অংশ নেন। দিনব্যাপী এই মেলায় সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের ৫০টি স্টলে সর্বজনীন পেনশন সম্পর্কিত সেবা প্রদান করা হয়।

    অন্যদিকে, পরে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলনকক্ষে এই পেনশন স্কিমের বিষয়ে এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ সেখানে বক্তব্য দিয়ে বলেন, একটি কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হলো সব নাগরিকের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন, খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবন খুবই কস্টের, তবে এই স্কিমের আওতায় আসলে তারা সম্মানের জীবন পাবে। এই উদ্যোগ তাদের ভবিষ্যৎ উন্নত ও নিরাপদ রাখবে। এক সঙ্গে উপস্থিত বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম কাজ হবে এক কোটি তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম কাজ হবে এক কোটি তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তায় সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমরা চাই একটি ভোটাধিকার বলিষ্ঠ, জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন হোক, যারা জনগণের পাশে থাকবেন এবং তাদের স্বচ্ছভাবেই সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। ভোটের মাধ্যমে যারা নির্বাচিত হবেন, তারা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে—অন্যথায় সরকারের দায়িত্ব-কর্তব্যের প্রায় কোনই গভীরতা থাকবে না। বিএনপি একাট্টা এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়, যেখানে মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবে। তিনি আরও বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে কারো শিশুটি দারিদ্র্যতার কারণে স্কুল থেকে ছিটকে যাবে না। গতকাল রোববার বিকেলে নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে “ঈমান ও আকিদা রক্ষায় করণীয়” শীর্ষক নারী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বকুল বলেন, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া চালু করেছিলেন ‘খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা’ কর্মসূচি, যা আবার শুরু হবে। তিনি বলেন, শিক্ষা সমাজের সকলের অধিকার, কেবল অভিজাত বা ধনী শ্রেণির জন্য নয়। বিএনপি’র ৩১ দফা কর্মসূচি হচ্ছে আগামী দিনের বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির প্রেরণা। এই কর্মসূচিগুলো শেখ হাসিনার পতনের পর তৈরি হয়নি—এগুলি দুই বছর আগে বিএনপির প্রধান নেতা তারেক রহমান বাংলাদেশের পুনর্গঠন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। যারা এখন সংস্কারের কথা বলে, তাদের বেশিরভাগই এই কর্মসূচিগুলোর ধার ধারেই। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম কাজ হবে এক কোটি তরুণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। খুলনা অঞ্চলের বন্ধ মিল ও কলকারখানা পুনরায় চালু করে শিল্পচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনা হবে। এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে বকুল বলেন, এই অঞ্চলে প্রায় দশ লাখ মানুষ বসবাস করে, কিন্তু আজ পর্যন্ত আধুনিক কোনো জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ হয়নি। জনগণের ভোটে যদি আমরা দায়িত্ব পাই, তাহলে খুলনা অঞ্চলে একটি আধুনিক জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের কাজ শুরু করব। মাদকের বিরুদ্ধে সতর্কতা জানিয়ে তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতা প্রতিটি পরিবারকে গ্রাস করছে। প্রশাসন যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও মাদক নিয়ন্ত্রণে সফলতা আসেনি। তাই জনগণকে একত্র হয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে। সবাই মিলে মাদকের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে খুলনা শহরে কারো পক্ষে টিক্তে পারা সম্ভব নয়। নারীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্তানদের নৈতিকতা ও ধর্মীয় শিক্ষায় গড়ে তুলুন। শিক্ষিত, নৈতিক এবং সচেতন নারীরাই সমাজ পরিবর্তনের মূল চাবিকাঠি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক রেহেনা ঈসা ও চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, মহানগর মহিলা দলের আহবায়ক সৈয়দা নার্গীস আলী, সদস্য সচিব এড. হালিমা খানম প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ১৪ নম্বর ওয়ার্ড মহিলা দলের আহবায়ক রুনা বেগম।

  • সিরাজুল ইসলাম মেঝো ভাইয়ের শূন্যতা কখনোই পূরণ হবে না

    সিরাজুল ইসলাম মেঝো ভাইয়ের শূন্যতা কখনোই পূরণ হবে না

    মহানগর বিএনপি’র সভাপত এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, প্রয়াত সিরাজুল ইসলাম মেঝো ভাইয়ের নেতৃত্ব ও অবদান দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অম্লান রয়ে গেছে। তিনি জীবদ্দশায় ভাসানী ন্যাপের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন এবং মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। মেঝো ভাই ছিলেন দলের এক বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য নেতা, যার শূন্যতা কখনোই পূরণ হবে না বলে তিনি দৃঢ় মনে করেন।

  • ধর্ম আমাদের আত্মার শান্তির জন্য, ভোটের জন্য নয়

    ধর্ম আমাদের আত্মার শান্তির জন্য, ভোটের জন্য নয়

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, ধর্ম আমাদের আত্মার শান্তির জন্য, ভোটের জন্য নয়। যারা বলে অমুক মার্কায় ভোট দিলে বেহেশত মিলবে, তারা আল্লাহর দীনকে উপহাস করছে। আছিয়া ফেরাউনের স্ত্রী আল্লাহর ইবাদত করেই বেহেশত পেয়েছেন, কোনো প্রতীকে ভোট দিয়ে নয়। গতকাল শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের ২, ৩, ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের মহিলা দলের নির্বাচনী সভায় তিনি এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি আপনারাদের এলাকার সন্তান। ২০০৭ সালে এক-এগারোর ভয়াবহ ঘটনার কারণে আপনি ভোটাধিকার হারিয়েছেন। ২০১৮ সালে দেশের মানুষ হয়েছিল ভোটের শেষ পর্যায়ের দুঃখের স্মৃতি। তবে এবার পুরোপুরি বিশ্বাস আছে, ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হবে। ধানের শীষের প্রতীককে ভোট দিয়ে আপনি আপনার সন্তানকে সংসদে পাঠাবেন। আওয়ামী লীগের মানুষের প্রতি নিপীড়ন ও অত্যাচারী রাজনীতি সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে তারা জনগণকে কষ্ট দিয়ে এসেছে। এই কারণেই তাদের দল এখন মূল রাজনৈতিক প্রেরণা থেকে বিচ্ছিন্ন। বিএনপি ক্ষমতায় এলে এক বছরের মধ্যেই এক কোটি বেকারের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করবে। খুলনা অঞ্চলে শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া ও বেকারত্বের ছবি তুলে ধরে হেলাল বলেন, মানসিক দুশ্চিন্তা আর কাজের অভাবে মানুষ দিশেহারা। যদি বিএনপি সরকার আসে, নারীদের মর্যাদা রক্ষা করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি পরিবারের জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে, যার মালিক হবে পরিবারের মা বা বোন। বিএনপি সরকারের সময় চালু হওয়া নারীর নিরাপত্তা ও শিক্ষাবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের কথা স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মেয়েদের বিনামূল্যে শিক্ষা পরিবেশ তৈরির কাজ সবকিছুই বিএনপি-ই চালু করেছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ক্ষমতায় এলে সেই ধারাবাহিকতা আরও জোরদার হবে। স্বাস্থ্যখাতে অনেক উন্নত পরিকল্পনাও তুলে ধরেন, তিনি বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট প্রতিষ্ঠা ও স্বাস্থ্য কার্ড চালু করা হবে, যাতে বড় ধরনের রোগে কেউ দিশেহারা না হয়। সভাপতিত্ব করেন জেলা মহিলা দলের সভাপতি এড. তসলিমা খাতুন ছন্দা। প্রধান আলোচক ছিলেন নার্গিস বেগম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অন্যদিকে শনিবার বিকেল ৫টায় তেরখাদা উপজেলায় তেরখাদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপজেলা মহিলা দলের নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আজিজুল বারী হেলাল। ওই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক তছলিমা খাতুন ছন্দা। সভাপতিত্ব করেন তেরখাদা উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি কহিনুর বেগম। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা বেগম। তেমনি উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, এনামুল হক সজল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, জেলা বিএনপি’র সদস্য আব্দুস সালাম মল্লিক, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান ও চৌধুরী কাওছার আলী।

  • খুলনায় রেলওয়ে শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল জখমের ঘটনা

    খুলনায় রেলওয়ে শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল জখমের ঘটনা

    খুলনায় প্রতিপক্ষের হামলায় রেলওয়ে শ্রমিকদলের বিভাগীয় সমন্বয়ক ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল হাওলাদার গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়ে এই ঘটনা ঘটে। আহত সোহেল হাওলাদারকে প্রথমে স্থানীয় সিটি মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়, পরে তাকে খুলনা ডক্টরস পয়েন্টে নিয়ে গেলে শেষ পর্যন্ত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব ও দক্ষিণ জোনের জেনারেল ম্যানেজার রেলের কার্যক্রম পরিদর্শন করতে রাত সাড়ে ৮টার দিকে খুলনায় আসেন। এ সময় তার পক্ষ থেকে ফুল দেওয়া ও রেলওয়ে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এড. এম আর মঞ্জুরের হয়ে স্লোগান দেন শ্রমিক নেতা সোহেল হাওলাদার। এরই মধ্যে অপর এক গ্র“পের শ্রমিক দলের কার্যকরী সভাপতি আল মামুন রাজার নেতৃত্বে এমিনুর আজাদ, শ্রমিক লীগের মিলনসহ বহিরাগতরা অতর্কিতভাবে হামলা চালায় সোহেল ওপর। গুরুতর আহত হয়ে তিনি সড়ক পথে অন্য নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় প্রথমে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, এরপর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল লোকে।

    খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ কবির হোসেন বলেন, রাত সাড়ে ৮টার পর এ ধরনের গুরুতর ঘটনার খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হলেও কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি জানান, অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ববকুলের আহবান: ধর্মের নামে বিভ্রান্তি রুখে দাঁড়াও

    ববকুলের আহবান: ধর্মের নামে বিভ্রান্তি রুখে দাঁড়াও

    খুলনা মহানগরীর খালিশপুর বৈকালী বড় বয়রা এলাকায় অবস্থিত বায়তুল নাজাত নূরানী মসজিদ ও মাদ্রাসা একাডেমীর সম্প্রসারণ (এক্সটেনশন) কার্যক্রমের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল।

    উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি বলেন, “রাজনীতি খারাপ নয়, কিন্তু কিছু অসৎ রাজনীতিবিদদের কারণে আমাদের সমাজে রাজনীতির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। আমরা চাই, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে সবাই একত্র হতে হবে।”

    বকুল আরও বলেন, “আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান আমাদের শেখিয়েছেন, জনহিতের জন্য কাজ করতে হবে, জনগণের পাশে থাকতে হবে এবং তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।”

    তিনি উল্লেখ করেন, “আমরা সবসময় মসজিদ, মাদ্রাসা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে আসছি এবং ভবিষ্যতেও করব। আমাদের লক্ষ্য হলো—প্রতিটি ঘরে ইসলামের আলো পৌঁছে দেওয়া, তবে সে ইসলাম যেন বিভ্রান্তির কারন না হয়।”

    ধর্মের অপব্যবহার ও ইসলামের নামে বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিরুদ্ধে তিনি মন্তব্য করে বলেন, “আমরা লক্ষ্য করি, আজকাল কিছু দল ইসলামের নাম দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। কেউ কেউ এমন দাবিও করে যে তাদের দলে ভোট দিলে জান্নাতে যাবে—এগুলো সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা। জান্নাত ও জাহান্নাতের মালিক একমাত্র আল্লাহ, তিনিই ঠিক করবেন কে কোথায় যাবে।”

    বকুল আরও বলেন, “আগামী নির্বাচনে উপস্থিত সব ভোটারকে সচেতনভাবে ভোট দিতে হবে। কেউ যদি আপনাকে ভোটের জন্য প্রশ্ন করে, তাহলে বলবেন, এখন পর্যন্ত তারা কোথায় ছিলেন, জনগণের জন্য কী কাজ করেছেন।” সমাজে সাম্প্রদায়িক ঐক্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    শিক্ষার ক্ষেত্রে ইসলামী মূল্যবোধের পুনঃস্থাপনেও গুরুত্বারোপ করেন বকুল, বলেন, “আমাদের সন্তানদের মধ্যে ঈমানি শক্তি ও মানবিকতা গড়ে তুলতে হবে। মাদ্রাসাগুলো ইসলামী শিক্ষার কেন্দ্র, সেগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।”

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মসজিদ কমিটির সভাপতি শেখ আব্বাস ফকির, সাধারণ সম্পাদক শেখ বাসিত আহম্মেদ মিঠু, মসজিদের হুজুর মাওলানা আব্দুস সাত্তারসহ এলাকার বিভিন্ন ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও নেতৃবৃন্দ।

    বক্তারা বায়তুল নাজাত নূরানী একাডেমীটিকে ইসলামী শিক্ষা ও নৈতিকতার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • যশোরে দুই কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক এক ব্যক্তি

    যশোরে দুই কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক এক ব্যক্তি

    যশোরে এক কেজি ২০ গ্রাম ওজনের আটটি স্বর্ণের বারসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ বিজিবি। রোববার (২৬ অক্টোবর) সকালে শহরের মুড়লি মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলো শেখ অলিউল্লা (৫৫), যিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মধ্যকাটিয়া গ্রামের শেখ আরিজুল্লাহর ছেলে।

    বিজিবি যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী জানান, সকালে শহরের মুড়লি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। তাঁর শরীরের বিভিন্ন অংশ পরীক্ষা করে কোমরে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় জব্দ করা হয় স্বর্ণের আটটি বার, যার মোট ওজন ১ কেজি ২০ গ্রাম, পাশাপাশি একটি স্বর্ণের আংটি ও একটি মোবাইল ফোন।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শেখ অলিউল্লা জানায়, সে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে স্বর্ণের বারগুলো সংগ্রহ করে ভারতে পাচারের জন্য নিয়ে যাচ্ছিল। পরে আটকের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করে পুলিশ তার বিরুদ্ধে মামলা করে যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় ব্যাপারটি হস্তান্তর করে।

    অভিযান শেষে গ্রেফতারকৃত অলিউল্লাকে মামলা দিয়ে থানায় প্রেরণ করা হয়েছে। জব্দকৃত স্বর্ণের বারগুলো সতর্কতার সঙ্গে ট্রেজারিতে সংরক্ষিত করা হয়েছে।