Category: সারাদেশ

  • জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছাড়া ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব নয়: বকুল

    জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ছাড়া ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব নয়: বকুল

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, গত ১৫ বছর ধরে দেশের Fasist শাসনব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের ভাগ্যকে উন্নত করার পরিবর্তে শুধু ক্ষমতাসীন লুটেরা গোষ্ঠীর স্বার্থই প্রাধান্য পাচ্ছে। তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থে দেশের স্বাভাবিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন তখনই সম্ভব হবে, যখন জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসবে। এ কথা তিনি জানান শুক্রবার বিকেলে নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের আলমনগর ও মক্কী মাদানি ইউনিটের সংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি ও উন্নয়নের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে বকুল আরও বলেন, দেশের অর্থনীতির মূল উৎস হিসেবে পরিচিত খুলনা শিল্পাঞ্চল ছিল একসময় দেশের প্রাণকেন্দ্র। কারখানা এবং মিলগুলো সচল থাকতো, শ্রমিকরা কাজ পেতেন। কিন্তু বিগত সরকারের আমলে সেই মিলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, নারকীয় লুটপাটের মাধ্যমে যন্ত্রপাতি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে, যেমনটি দেখা যায় নিউজপ্রিন্ট মিলের ক্ষেত্রে। তিনি অভিযোগ করেন, এই লুটপাটের ফলে কেবলমাত্র ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নত হয়েছে, সাধারণ জনগণের ভাগ্য আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা দারিদ্র্যের গর্ভে ঢুকে পড়ছে। বেকারত্ব ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রসঙ্গে বকুল বলেন, যারা তাদের সন্তানদের পড়ালেখা করিয়ে চাকরির স্বপ্ন দেখতেন, আজ তারা বেকার হয়ে মাদকদ্রব্যের দিকে ঝুঁকছেন। মাদক প্রবেশকারী পরিবারের সদস্যরা ধ্বংসের মুখোমুখি হচ্ছে। আলমনগর ও মক্কী মাদানি ইউনিটের সভাপতি মোঃ সাইফ শরীফের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক তহুরুল ইসলাম সঞ্চালনায় সভায় বক্তৃতা করেন মোঃ রুহুল কুদ্দুস খান। এর পাশাপাশি, বিএনপি নেতা বকুল খুলনার ৭১-এর মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যেখানে তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর কমান্ডের বীর মুক্তিযোদ্ধা কেএম আলমের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, শেখ আনসার আলী, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ আজাদ শেখ, শাহজাহান কমান্ডার, মোঃ ওয়াহিদুর রহমান ও এস এম মজিবর রহমান।

  • ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তিরা একাট্টা হয়ে নির্বাচনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

    ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তিরা একাট্টা হয়ে নির্বাচনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

    মহানগর বিএনপি কেন্দ্রীয় সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, পতিত নেতা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় যারা বিএনপির পরিচয় দিতে লজ্জা পেতেন, দলের পতাকাকে অবজ্ঞা করতেন এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কিংবা পত্রিকায় দল ছেড়ে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলেন, আজ তারা আবার বিএনপির নামে রাজপথে নামার চেষ্টা করছেন। যখন আন্দোলনের সময় হাজার হাজার নেতা-কর্মী কারাগারে, রাজপথে বা পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন, তখন তারা ঘরে বসে এসি রুমে শান্তিপূর্ণ জীবন উপভোগ করেছেন। এই মৌসুমি পাখিরা আবারও বিএনপির মুখোশ পরে নির্বাচনে অংশ নিতে চাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে নগরীর জিয়া আল চত্বর (শিববাড়ি মোড়) থেকে শুরু হওয়া ধানের শীষের গণপ্রচার মিছিল ও বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ সমাবেশে এ সব কথা বলেন তিনি। মিছিলটি কেডিএ অ্যাভিনিউ সড়ক দিয়ে গিয়ে র‌্যায়েল চত্বরে এসে এক পথসভা আকারে রূপ নেয়। এতে মহানগর, সদর ও সোনাডাঙ্গা থানার হাজারও নেতা-কর্মী অংশ নেন।

    শফিকুল আলম মনা আরো বলেন, যারা কঠিন সময়ে রাজপথে ছিলেন, পুলিশের গুলির মুখে থেকেও দলের পতাকা রক্ষা করেছেন, তাঁরা স্বতঃস্ফূর্ত নেতা-কর্মীই প্রকৃত বিএনপি। এই দলের প্রার্থীরাও তাদেরই হবে। অন্যরা যারা আন্দোলনের সময় নিরবিচ্ছিন্ন ছিলেন বা দলবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছেন, তাদের মনোনয়ন পাওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

    বিএনপি কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, এই মৌসুমি পাখিরা বিএনপির স্থায়ী সদস্য নয়। যারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোট বানচালের জন্য বিভিন্ন নাটক, যেমন পিআর বা হ্যাঁ-না ভোটের কৌশল অবলম্বন করছে, তাদের ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে। জনগণকে বিভ্রান্ত হওয়া থেকে সতর্ক রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তিরা আবার একত্রিত হয়ে নির্বাচনের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। একটি গোষ্ঠী ধর্মের নামে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, কুরআন শরিফের শপথ করে ভোট পাওয়ার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। এটা ইসলামের অপমান এবং গণতন্ত্রের ক্ষতি। যারা ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষের জীবন নষ্ট করেছিল, মা-বোনদের সম্মান লুটে নিয়েছিল, আজ তারা নতুন রূপে মুখোশ পরে আবার ভোটের নামে ষড়যন্ত্র করছে। ধর্মের অপপ্রয়োগ করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, যেন আবারও গণতন্ত্রকে হত্যা করা যায়। কুরআন শপথের মাধ্যমে ভোট দাবি এটা এক ধরনের রাজনৈতিক প্রতারণা। জনগণ এখন অনেক সচেতন, এসব নাটক তাদের সফল হবে না। ওরা মুখোশ খুলে দিতে হবে, কারণ এই শক্তি দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের চিরশত্রু।

    অপর দিকে, দলের অন্যতম নেতা লক্ষ্য করে বলেন, ব্যর্থ শক্তিগুলোর একজোট হয়ে নির্বাচন বানচালের এই চেষ্টার বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর 대응 করতে হবে। নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সতর্ক থাকতে হবে এবং আন্দোলনের মাধ্যমে ভোটের বিজয় নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সক্রিয় সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    প্রচার মহড়ায় মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, কে. এম হুমায়ূন কবির, শেখ হাফিজুর রহমান মনি, আসাদুজ্জামান আসাদসহ সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল, তাঁতী দল, মহিলা দল, জাসাসের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা ও সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    আজকের কর্মসূচি হিসেবে বিকেল সাড়ে ৩টায় ময়লাপোতা মোড়ে উপস্থিতির প্রথম আয়োজন এবং পরে একই দিন ৪টায় গল্‌লামারী মোড়ে গণপ্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ শেষ হবে।

  • খুলনায় নতুন আধুনিক কারাগার উদ্বোধন, কয়েদিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো

    খুলনায় নতুন আধুনিক কারাগার উদ্বোধন, কয়েদিদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো

    খুলনায় নতুন আধুনিক কারাগার উদ্বোধনের মাধ্যমে এক যুগের শুরু হয়েছে। পুরাতন কারাগার থেকে সশ্রম ও বিনাশ্রম সাজাপ্রাপ্ত মোট ১০০ জন কয়েদিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে নতুন কারাগারে প্রবেশের জন্য নেওয়া হয়। স্থানান্তরের সময় তাদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়, যা স্থানান্তরের উৎফুল্লতা ও মানবিক পরিবেশের প্রতিফলন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগের কারা অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মনির আহমেদ, খুলনা জেলা কারাগারের জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান, ডেপুটি জেল সুপার আব্দুল্লাহ হেল আল আমিন, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইন প্রক্রিয়ার সাক্ষীরা। জেল সুপার নাসির উদ্দিন প্রধান বলেন, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে ১০০ বন্দির স্থানান্তর সম্পন্ন হয়েছে। নতুন কারাগার নির্মাণের ফলে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান নিয়ে কাজ চলছে। সূত্রের খবর, খুলনায় বর্তমানে দুটি কারাগার পরিচালনা করতে মোট ২০৮ জন কর্মচারী দরকার হলেও বর্তমানে কর্মসংস্থান রয়েছে মাত্র ২০৮ জনের, যেখানে সম্প্রতি আরও ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া হয়েছে। সীমিত সংখ্যক কর্মবলয় নিয়েই এখন চলতে হচ্ছে নয়া কারাগার দুটির কার্যক্রম। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরাতন কারাগারে খুলনা মহানগরীর বন্দিরা থাকবেন, আর নতুন কারাগারটি স্থানীয় নয় উপজেলার বন্দিদের জন্য রাখা হয়েছে। এই নতুন কারাগারটি আধুনিক ও প্রযুক্তির ছোয়া দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। এখানে থাকবে আলাদা ভবন, নারী ও কিশোর বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যারাক, হাসপাতাল, ওয়ার্কশেড, ও মোটিভেশন সেন্টার। চিকিৎসার জন্য থাকছে ৫০ শয্যার হাসপাতাল, পাশাপাশি নারীদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার, স্কুল, ডাইনিং, লাইব্রেরি, সেলুন ও লন্ড্রি সুবিধা। এছাড়াও শিশুসন্তানসহ নারী বন্দিদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নতুন কারাগারটি নির্মিত হয়েছে সুন্দরভূমির মতো পাকা পথ, রঙিন ভবন, পার্কিং টাইলসের ফুটপাত, মসজিদ, হাসপাতালসহ বিভিন্ন আধুনিক সুবিধা নিয়ে। ভবনগুলোর চারপাশে পৃথক সীমানা প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে যাতে বিভিন্ন শ্রেণির বন্দিরা একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে। মোট ৫৭টি স্থাপনা নির্মিত হওয়ার মধ্যে ১১টি বন্দিদের আবাসের জন্য এবং নিরাপত্তার জন্য পুরো কারাগারের অনেক অংশে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত ফাঁসির মঞ্চটি দেশের সবচেয়ে আধুনিক বলে দাবি করছে কারা কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়েছে, এই নতুন কারাগারটি খুলনা সিটি বাইপাস (রূপসা ব্রিজ রোড) এর ৩০ একর জমির ওপর নির্মিত, যেখানে ২০১১ সালে ১৪৪ কোটি টাকার প্রাথমিক বাজেটে প্রকল্প শুরু হয়। ২০১৬ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ হলে খরচ দাঁড়ায় আনুমানিক ২৮৮ কোটি টাকা। এই কারাগারটি ৪,০০০ বন্দির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হলেও বর্তমান অবকাঠামোতে ২,০০০ বন্দি রাখা সম্ভব। এর ফলে, খুলনায় আধুনিক, মানবিক ও সংশোধনমুখী কারা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, যা prisoners ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জন্য স্বস্তি ও সুবিধার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

  • চিতলমারীতে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    চিতলমারীতে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ‘সাম্য ও সমতায় দেশ গড়বে সমবায়’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে একই দিন জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন করা হয়। এই মহৎ অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন ছিল শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে ব্যাপক উপস্থিতি ছিল এলাকার বিভিন্ন সমাজের মানুষের। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।

    উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোল্লা সাইফুল ইসলাম। বক্তৃতা দেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ সিফাত-আল-মারুফ। এছাড়া আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সমবায় প্রতিনিধিরা, যেমন শিপ্রা মজুমদার, ভারতী মন্ডল ও ছন্দা মন্ডল। সভার শেষে, সমবায় সদস্য ছন্দা মন্ডল এবং কৃষ্ণা মন্ডলকে ঋণের চেক প্রদান করা হয়। এই দিনটি উদ্যাপন করে সাম্যের বার্তা তুলে ধরার পাশাপাশি সমবায়ের গুরুত্ব ও প্রভাবের কথাও তুলে ধরা হয়।

  • বেনাপোলে মালিকবিহীন ৮ লাখ টাকা মূল্যমানের হোমিও ওষুধ উদ্ধার

    বেনাপোলে মালিকবিহীন ৮ লাখ টাকা মূল্যমানের হোমিও ওষুধ উদ্ধার

    যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল আইসিপি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আটক করেছে বিজিবি। আজ শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে বিজিবি প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশেষ টহলদল বেনাপোল আইসিপি এলাকায় চোরাচালান বিরোধী এক অভিযান চালিয়ে অকারণে রাখা এই ওষুধগুলো উদ্ধার করে। জানা যায়, আটক করা হোমিওপ্যাথিক ওষুধের বাজারমূল্য প্রায় ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

    যশোর বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানটি শনাক্ত করে এটি আটক করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মাদকদ্রব্য, চোরাচালান মালামালসহ নানা ধরনের অবৈধ পণ্য পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বিজিবির গোপনীয়তা আর আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে, যাতে এই ধরনের চুরি বা চোরাচালান দ্রুত বন্ধ করা সম্ভব হয়।

  • অর্থনৈতিক স্থবিরতার কারণে খালিশপুরে মাদক সিন্ডিকেটের বিস্তার

    অর্থনৈতিক স্থবিরতার কারণে খালিশপুরে মাদক সিন্ডিকেটের বিস্তার

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বর্তমান সময়ে খুলনা-৩ আসনের ঝুলন্ত শিল্পাঞ্চল খালিশপুর এখন দেশের অন্যতম অবহেলিত ও দরিদ্র এলাকার মধ্যে পরিণত হয়েছে। এখানকার অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং মানুষের অসহায় পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যা তরুণ সমাজের ভবিষ্যতকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে খালিশপুরের বিআইডিসি রোডে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে আয়োজিত এক বৃহৎ সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আমাদের এখানকার ব্যবসায়ীরা অনেক কষ্ট করে টিকে আছেন, তাঁরা শুধু বাতিটা জ্বালিয়ে রেখেছেন। বিভিন্ন কারখানা ও মিল বন্ধ হওয়ায় মানুষের কাছে এখন টাকা তেমন নেই। দোকান থাকা সত্ত্বেও বিক্রি কমে গেছে, ফলে এই অঞ্চলের মানুষ এখন খুবই দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। তিনি আরও বলেন, এই অর্থনৈতিক অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এখন খালিশপুরে মাদকের ভয়ঙ্কর বিস্তার দেখা দিয়েছে। মাদক বিরোধী অভিযানে সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে, কারণ এই লড়াইয়ে কোনো দল, মত বা পথের ভাগ নেই। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদককে নির্মূল করতে হবে। বকুল জোর দিয়ে বলেন, মাদকদ্রবের সঙ্গে জড়িত যে কেউই হোক, কত প্রভাবশালী বা দলের হোক না কেন, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আশ্বস্ত করেন, এই এলাকাকে মাদক মুক্ত বলতে ছাড়বে না তিনি, ইনশাআল্লাহ। ভোটের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নির্বাচনের জন্য আমি আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসিনি। আমি এখনো প্রার্থী নই। যখন প্রার্থী হবো, তখন ভোটের জন্য আসব। এখন আমি শুধু আপনাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনতে এবং সমাধানে সহায়তা করতে এসেছি। বিএনপি’র আন্দোলনের উদ্দেশ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। এই আন্দোলনে অসংখ্য নেতা ও কর্মী জীবন দিয়েছেন, পঙ্গু হয়েছেন। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই, যেখানে ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বৈষম্য থাকবে না। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা, ঐক্য ও শক্তিশালী নেতৃত্ব। বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির দিকে আমাদের লক্ষ্য। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আবদুল গফুর বিশ্বাস এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাকির হোসেন সঞ্চালনা করেন। বক্তব্য রাখেন মো: খলিলুর রহমান, মুফতি আঃ আজিম খায়ের, টি এম আলম চৌধুরী, মো: নুরুল হকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, জাহাঙ্গীর শেখ, আতাউর রহমান পপলু ও অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এই সমাবেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাধারণ ব্যবসায়ী, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মী ও এলাকার জনগণের উপস্থিতি খালিশপুরবাসীর পরিবর্তনের প্রত্যাশার প্রমাণ। বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতিতে সবাই এখন একযোগে অন্ধকার থেকে আলোতে আসার উদ্যোগ নিচ্ছেন।

  • সাতক্ষীরায় সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম, চালের বাজার স্থিতিশীল

    সাতক্ষীরায় সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম, চালের বাজার স্থিতিশীল

    সাতক্ষীরা শহরে সম্প্রতি সবজির বাজারে স্বস্তি ফিরলেও পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। অন্যদিকে, চালের বাজারের স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা গেছে। ভারত থেকে চাল আমদানি অব্যাহত থাকলেও দেশের বাজারে সরবরাহ কম থাকায় দেশি চালের দাম এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। ফলস্বরূপ, সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা ভোগান্তি কম অনুভব করছেন, তবে পেঁয়াজ ও চালের খরচ তাদের জন্য কিছুটা বেশি হয়ে উঠছে। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, ৩০ অক্টোবর থেকে ভারতের চাল আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায়, আসন্ন সময়ের মধ্যে চালের দাম আরও বাড়তে পারে বলে ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

    সাংবাদিকদের সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার সূর্যদীঘির সময় সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড়বাজারের পাইকারি সবজির বাজারে গেলে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় বেশ কিছু সবজির দাম কমে গেছে। কেজির দরে আলু বিক্রি চলছে ১৪ টাকা, এবং বড় বস্তায় ১২ থেকে ১৩ টাকায়। অন্যান্য সবজির মধ্যে স্থানীয় জাতের বেগুন ৫০ টাকা, বাহ্যিক জাতের ৪০ টাকা, ফুলকপি ৭০-৭৫ টাকা, বাইরের জাতের ৬০-৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাঁধাকপি ৪৫-৫০ টাকা, ওলকপি ৪৫-৫০ টাকা, টমেটো ৭০-৮০ টাকা, সিম ৪০ টাকা, বরবটি ৩০ টাকা, কচুরমোচি ১৫-১৮ টাকা, কচু ৩০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২৮-৩২ টাকা, খিরাই ৩৫-৪০ টাকা, ধনে পাতা ৮০-৮৫ টাকা, কাঁচকলা ৩০-৩২ টাকা, পেপে ১৪-১৮ টাকা, ঝিঙে ১৫ টাকা, ধুন্দুল ১০-১২ টাকা, ধেড়স ১৩-১৫ টাকা, চিচিংগা ১৪-১৫ টাকা, উচ্ছে ২৫-২৮ টাকা, ওল ১০০ টাকা ও মারঙ্গাজ জাতের ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সবজি যেমন, আলু ৪৫-৫৫ টাকা, জলপাই ৪৫-৫০ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, লাল শাখা ৭ টাকা, পালংশাক ১০-১২ টাকা, লাউ ১২-১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি, কাঁচামরিচের দাম ১০০ টাকা কেজি, তবে খুচরাতে তা আরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহখানেক আগে এ সবজির দাম আরও ১৫-২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছিল, তবে সরবরাহ বাড়ার কারণে এখন দাম কমতে শুরু করেছে।

    সুলতানপুর বড়বাজারের সবজির আড়তদার মিয়ারাজ হোসেন জানান, কিছুদিন ধরে স্থানীয় শীতকালীন সবজির ওঠানামা শুরু হয়েছে। বাজারে সরবরাহের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও নিম্নগামী হওয়াতে আগের মত ক্রেতাদের জন্য সবজির দাম কিছুটা সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সামনে যত দিন যাবে সবজির দাম আরও কমবে।

    অপরদিকে, বাজারে স্বস্তি ফিরলেও পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা হিসেবে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬৮-৭০ টাকায়, যেখানে এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬৩-৬৫ টাকা। পাশাপাশি, আদা বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকা, রসুনের প্রকারভেদে ৬০-৮০ টাকা কেজি।

    সুলতানপুর বাজারে পাইকারি আড়তদার আব্দুল আজিজ বলেন, পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়তি হয়েছে। কেজির মধ্যে ৩ থেকে ৫ টাকার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যান্য মসলা জাতীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

    চালের বাজারও গত দুই মাস ধরে স্থিতিশীল রয়েছে। ভারতীয় চালের আমদানি অব্যাহত থাকলেও দেশীয় চালের বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। তবে ভারতের চাল এখন কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। দেশীয় মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮-৫০ টাকা কেজি, মিনিকেট চাল ৬৮-৭০ টাকা, ২৮ জাতের চিকন চাল ৬৪ টাকা এবং মোটা জাত ৬০-৬১ টাকায়। অতিরিক্ত, আতপ মোটা চাল ৪৬ টাকা, এবং আতপ চিকন ৫২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, বাসমতি চালের দাম ৮২-৮৩ টাকা কেজি। ভারতের চালের মধ্যে অমদানি চাল বিক্রি হচ্ছে ৫১ টাকা, মিনিকেট ৬৬ টাকা, রতœা ৫২ টাকা, নাজির শাইল ৭৫ টাকা, কাটারিভোগ ৭৬ টাকা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই মাস ধরে এই দামে চাল বিক্রি চলছে। আমদানি বৃদ্ধির পরেও দর তা বদলায়নি।

    চাল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি হওয়া চালের মধ্যে বেশির ভাগ চলে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও অন্যান্য অঞ্চলে। ফলে, পর্যাপ্ত সরবরাহের অভাবে স্থানীয় বাজারে দাম এখনও বাড়েনি। আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ হলে, ছড়িয়ে পড়ে এমন ধারণা, দাম বাড়তে পারে।

    ভোমরা স্থলবন্দর কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান জানান, ভরতন্ত্র থেকে চাল আমদানির মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বর্তমানে, এই বন্দর দিয়ে ৪ হাজার ৪৫৮ গাড়িতে একলাখ ৭২ হাজার ৫১১ দশমিক ৪৭৬ মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। নভেম্বর মাসে আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারের স্থিতিশীলতা থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

  • অস্ত্র মামলায় একজনের ২১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

    অস্ত্র মামলায় একজনের ২১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড

    দাকোপ থানার অস্ত্র মামলায় এক আসামিকে দু’টি ধারা দিয়ে ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার খুলনা জেলা ও আদালত জজ আদালতের বিচারক চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলীম আল রাজি এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি হলেন বাগেরহাট জেলার রামপাল থানার কৈগরদাসকাঠি গ্রামের মৃত ইলিয়াস শেখের ছেলে ৪০ বছর বয়সী কবির শেখ। রায় সময় তিনি আদালতে নিজ উপস্থিতিতে সাক্ষ্য দেন।

  • নির্বাচনী প্রক্রিয়া বানচাল করতে চায় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে

    নির্বাচনী প্রক্রিয়া বানচাল করতে চায় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে

    খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেছেন, ইসলামকে অপব্যবহার করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা চালাচ্ছে কিছু অসাধু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী। যারা ইসলামকে কেন্দ্র করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া বানচাল করার চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক যৌথ সভায় তিনি এসব কথা বলেন, যা হলো ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালনের জন্য। সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমানে একটি গোষ্ঠী ধর্মের নামে সাধারণ মানুষের অনুভূতিকে পুঁজি করে জন্নাতের টিকিট বিক্রি করছে। তবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তাদের ভূমিকা ছিল সন্দেহজনক। জনগণকে এসব সত্য জানানো অত্যন্ত জরুরি। ভোটাধিকার রক্ষার জন্য মানুষের লড়াইকে ব্যর্থ করতে চায় কিছু চক্র, যারা ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। তাই সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একতার বিকল্প নেই। মহানগর বিএনপি নেতারা আরও বলেন, বিএনপি যার হাতে রাষ্ট্রের সামগ্রিক মেরামতের ৩১ দফা প্রকল্প, তার বাস্তবায়নই দেশের সংকট মোকাবেলায় পথ দেখাতে পারে। তাই সব নেতা ও কর্মীকে সাধারণ মানুষকে এই দফাগুলোর গুরুত্ব বুঝাতে হবে। এই ৩১ দফা শুধু রাজনৈতিক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি নয়, বরং এটি ন্যায়, সমতা ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার শপথবাক্য। যারা ধর্মের নাম করে বিভাজন সৃষ্টি করছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করাই এখন সময়ের দাবি। সভায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার ও ভবিষ্যত নির্বাচনে অংশগ্রহণের দিকনির্দেশনা তুলে ধরেন। বক্তৃতা দেন মহানগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু ও হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, থানা সভাপতি কে এম হুমায়ূন কবির, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, অন্যান্য নেতারা। এতে উপস্থিত ছিলেন অনেক বিশিষ্ট নেতা, বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের প্রতিনিধিগণ ও শ্রমিক, যুব, মহিলা ও ছাত্র সংগঠনের নেতারা। সভায় ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কার্যক্রমের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

  • সুন্দরবনে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্য অস্ত্রসহ আটক

    সুন্দরবনে ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সদস্য অস্ত্রসহ আটক

    সুন্দরবনের ঘন জঙ্গলে পুলিশের পাশাপাশি কোস্ট গার্ডের অভিযান চালিয়ে এক সদস্যকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বনের হারবাড়িয়া এলাকায় নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের এ সফলতা অর্জিত হয়। কোস্ট গার্ডের একজন কর্মকর্তা জানান, দুপুরে তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহের জন্য সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর সঙ্গে জড়িত এক সহযোগী শনিবার সকালে নন্দবালা খাল থেকে গোপনে বনদস্যুদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিল। আশপাশের এলাকার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, অভিযান চালানো হয় ওই এলাকায়। এ সময়, সন্দেহ হলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা হয়। তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় একটি একনলা বন্দুক, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ডাকাতির বিভিন্ন সরঞ্জাম।

    আটক যুবকের নাম আব্দুর রহিম (৩২), তিনি বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সুন্দরবনের দস্যু করিম শরীফের বাহিনীকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ করে আসছেন। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র, গোলাবারুদ ও তার বিরুদ্ধে একাধিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে, যা অব্যাহত থাকলে এই মানসিকতা আরো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।