Category: রাজনীতি

  • আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান দাবি এনসিপির

    আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান দাবি এনসিপির

    ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদীকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলির ঘটনা নির্মমভাবে নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তারা এগিয়ে এসেছে এই হঠকারী হামলার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার, হুমকির উৎস শনাক্ত এবং সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি এনে।

    শুক্রবার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এনসিপির যুগ্ম-সচিব ও মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন বলেন, এই হত্যাকাণ্ড কেবল একজন প্রার্থীর ওপর হামলা নয়, এটি গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে থামানোর অপচেষ্টাও। তারা প্রার্থীর দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়াও চেয়েছেন। তিনি জানান, এই হামলা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও নির্বাচনী পরিবেশের দুর্বলতা নতুন করে ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে, শরিফ ওসমান হাদী নিরাপত্তা হুমকি জানানো সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা বা উদাসীনতা নজর কাড়ে।

    নেতৃবৃন্দরা বলেন, এর আগেও জাতীয় নাগরিক পার্টির কার্যালয়ের সামনে বারবার ককটেল হামলা হয়েছে, প্রার্থীর বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়া হয়েছে, অথচ সরকারের নিস্পৃহতা ও অকার্যকরতা স্পষ্ট। এটাই দেশের বর্তমান পরিস্থিতির দৃষ্টান্ত যেখানে অপরাধীরা ভয়ংকর ক্ষমতায় স্বীয় অবস্থান ধরে রেখেছে। তারা অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত আওয়ামী লীগের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

    অতীতে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগ জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়ে আসছে, বাহিনী তৈরি করেছে এবং এখনো তাদের ক্ষান্ত হয়নি। এই অবিরাম সহিংসতা ও অসাম্প্রদায়িক চেহারা নষ্টের অপচেষ্টা অব্যাহত থাকায় দেশের অস্থিতিশীলতা বেড়েছে। যদি আওয়ামী লীগ এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দ্রুত ও শক্তিশালী অভিযানে না নামে, তবে দেশ আবারও সহিংসতার পথে চলে যাবে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।

    নেতৃবৃন্দ আকার দিয়ে উল্লেখ করেন, এখন সময় নিজের ভুল বা দোষধরার প্রত্যক্ষবিচার নয়, বরং মূল অপরাধী ও পৃষ্ঠপোষকদের চিহ্নিত করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর। তারা জানান, বিভক্তি থাকলে সুবিধা নেবে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও দেশবিরোধী অপশক্তি, যারা অতীতে হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার মাধ্যমে রাজনীতি কলঙ্কিত করেছে।

    সবশেষে, তারা দেশের নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম, গণতান্ত্রিক শক্তি ও সাধারণ জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য আমাদের দৃঢ় সংকল্প করতে হবে।

    এনসিপি আরও দাবি করে, এই ভয়ঙ্কর হামলার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার, হুমকির উৎস উদ্ঘাটন এবং সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক। তারা জোর দিয়ে বলে, শান্তি, নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমরা সকলের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আছি এবং থাকবো।

  • নির্বাচা চায় না যারা, তারা ওসমান হাদির ওপর হামলার পরিকল্পনা করে: সালাহউদ্দিন আহমেদ

    নির্বাচা চায় না যারা, তারা ওসমান হাদির ওপর হামলার পরিকল্পনা করে: সালাহউদ্দিন আহমেদ

    বাংলাদেশে যারা নির্বাচন চায় না, তারা এবং নির্বাচনের স্বার্থে অকার্যকর করার জন্যই ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তিনি এ সময় হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং সকলের প্রতি ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করে রাখার আহ্বান জানান। গত শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় একজন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলা বাংলাদেশের ওপরই হামলা। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও গণতন্ত্রের জন্য একটি গুরুতর বিপর্যয়। নির্বাচন তফসিল ঘোষিত হয়েছে ১০ ডিসেম্বর। তার পরদিনই একজন সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে পদপ্রার্থীর ওপর পরিকল্পিতভাবে প্রাণনাশের চেষ্টা চালানো হয়েছে। হামলার ধরন দেখে বোঝা যায়, এটি একজন পেশাদার ও প্রশিক্ষিত খুনীর কাজ।

    তিনি আরও জানান, বর্তমানে ওসমান হাদি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন তাঁর জীবন রক্ষা হয়, দ্রুত সুস্থতা লাভ করেন।

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনার ব্যাপারে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই ঘটনার পরেও আমাদের ঐক্য অটুট ও দৃढ़ থাকতে হবে। রাজনৈতিক মতভিন্নতা হতে পারে, কিন্তু আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যকে শক্তিশালী করা। নির্বাচনের আগে আমরা যেন কোনো বিভাজন ও বিভ্রান্তিতে না পড়ি, সেই জন্য ঐক্য বজায় রাখতে হবে। আমাদের মূল চেতনায় রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের যে স্বপ্ন দেখেছি তা বাস্তবায়নের প্রত্যাশা। এ চেতনাকে সামনে রেখে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো।

    তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশে নির্বাচনকে প্রতিহত করতে চাইছে, যারা গণতন্ত্রের বিকাশে বাধা হয়ে উঠছে, তারা দেশের ভেতরেও ও বাইরেও আছে। এই শক্তিগুলোর উদ্দেশ্য হলো পতিত ফ্যাসিবাদকে পুনরুজ্জীবিত করে বাংলাদেশকে আবারও একনায়কতন্ত্রের পথে ঠেলে দেয়া। আমরা এই ধরনের অপপ্রচেষ্টা ও হামলার প্রবণতাকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করছি।

    সালাহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, আমরা পুরোপুরি বিশ্বাস করি যে, জাতীয় ঐক্য থাকলে এই সকল শত্রুতা ও ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা সম্ভব। দেশের সব গণতান্ত্রিক দল তাদের ঐক্যকে অটুট রেখে, আগামী নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি স্বচ্ছ, বিশ্বাসযোগ্য ও ফলপ্রসূ নির্বাচন আয়োজনেরই প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।

  • জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

    জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির সাবেক এমপি মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা, সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। এই সাক্ষাৎশন শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

    শিক্ষাজীবনে কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচित হয়েছিলেন মেজর আখতার। এরপর ২০১৮ সালে তিনি ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন। তবে ২০২২ সালে বিএনপির সাথে তার বিরোধের কারণে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি আর কখনো বিএনপিতে ফিরে আসেননি।

    সাক্ষাৎকালে জামায়াতের প্রথম সারির নেতারা তাকে দলটির নীতি, আদর্শ, দেশপ্রেম ও দেশের স্বাধিকার রক্ষায় দলের অবিচল অবস্থানের ব্যাপারে গভীর আস্থা ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদ ফরম পূরণ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    নতুন দলের সদস্য হিসেবে তিনি ইসলাম ও ইসলামী মূল্যবোধের ভিত্তিতে দেশের স্বার্থ ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়া, তিনি জামায়াতের নিয়মনীতি, দলীয় শৃঙ্খলা ও আনুগত্যের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ হন।

    আন্তরিকভাবে তাকে স্বাগত জানিয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান তাকে বিদায় ও দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।

    যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম।

    উল্লেখ্য, দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘনের অভিযোগে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান পঞ্চমবারের মতো ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি বিএনপির থেকে বহিষ্কার হন। তবে বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন টক শো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিষয়ের উপর মন্তব্য করে আলোচনায় আসতেন।

  • প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ

    প্রার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থী ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই হামলার ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে দলটি এই আন্দোলন চালাচ্ছে।

    শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে বলে শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের ওপর এই ধরনের হামলা মানেই গণতন্ত্রের জন্য ভয়াবহ কলঙ্ক, এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

    এদিকে, গেল শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকার কালেভার্ট এলাকায় বন্দুকধারীদের গুলিবর্ষণে তৃয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির এক প্রার্থী ও বিএনপি নেতাকর্মী শরিফ ওসমান বিন হাদী গুরুতর আহত হন। এরপর তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দিন দুপুরে অস্ত্রধারীরা তাকে ব্যাপক গুলিবর্ষণ করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে দ্রুত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহত শরিফ ওসমান বিন হাদীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানা গেছে, তাকে বর্তমানে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

    বিএনপি নেতৃবৃন্দের দাবি, নির্বাচনের আগে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ও হামলা ডিজিটাল গণতন্ত্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ যা অবিলম্বে বন্ধ করা জরুরি। এই ঘটনার জন্য দায়ী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত শনাক্ত ও শাস্তির আওতায় আনতে সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি।

  • নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বললেন মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বললেন মির্জা ফখরুল

    বিএনপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা প্রকাশ্যে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একান্তে সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা ও ভাষণ যা আজ জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে, এটি আমাদের জন্য আশার আলো জর্জরিত করেছে। এই ঘোষণার মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হলো যে, নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলো এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে একসাথে কাজ করতে চায় এবং জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষা ও নিশ্চিত করতে প্রতিজ্ঞবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, এই তফসিলের ঘোষণা মোটামুটি আমাদের সন্তুষ্টি দিয়েছে। কিছু শব্দের এদিক-সেদিক হতে পারে, তবে এটি বড় বিষয় নয়। মূল বিষয় হলো, ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখে ২০২৬ সালে নির্বাচন ও গণভোট একসাথে অনুষ্ঠিত হবে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক বিরাট উল্লেখ্যযোগ্য ঘটনা। এর সুষ্ঠু আয়োজন ও সফল বাস্তবক্ষে কেন্দ্রীয় দায়িত্ব রয়েছে নির্বাচন কমিশনের ऊपर।

    মির্জা ফখরুল বিশ্বস্তভাবে প্রত্যাশা করেন, নির্বাচন কমিশন একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে। তিনি বলেন, সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী সক্রিয়ভাবে এই নির্বাচনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরিতে হাত লাগাবে। এর আগে, তিনি উল্লেখ করেন যে, গত ১৫ বছরে দেশে নির্বাচনের নামে নানা প্রহসন ঘটেছে, গণতন্ত্রের অপহরণ হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে আমাদের মুক্তি পেতে এখন একটি নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একটি নতুন গণতান্ত্রিক পার্লামেন্ট গঠন করতে সক্ষম হবো।

    তিনি বলেন, প্রায় নয় মাসের আলোচনার মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো দেশের প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে আলোচনা করেছে। বেশির ভাগ বিষয়ে তারা একমত হলেও কিছু বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ পেয়েছে, যা গণভোটের মাধ্যমে সমাধান হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে নতুন একজন দিগন্তের সূচনা ঘটবে।

  • জামায়াত তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানাল

    জামায়াত তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানাল

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ.এম.এম নাসির উদ্দিনের প্রকাশিত নির্বাচন তফসিলের খবরের পর দলটির পক্ষ থেকে দ্রুত প্রতিক্রিয়া আসে। সহকারী secretary এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নির্বাচন নিয়ে অনেক দিন ধরে যে অনিশ্চয়তা ছিল, আজকের তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে সেই বিভ্রান্তি দূর হলো। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকে সত্যিই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে নির্বাচন কমিশন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও একসুপার মার্কেটে লেভেল প্লেয়ার ফিল্ড নিশ্চিত করতে তারা ওয়চড্রোন রয়েছে। জামায়াতের এই নেতা আশা প্রকাশ করেন যে, এ ধরণের উদ্যোগগুলো নির্বাচনকে অতীতের মতো বিতর্কিত করার পরিবর্তে সবার জন্য গ্রহণযোগ্য করে তুলবে। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও সুন্দর একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য জামায়াত পুরোপুরি প্রস্তুত এবং নির্বাচন কমিশনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, আগামী সপ্তাহে জামায়াতের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল হালিম, কার্যনির্বাহী সদস্য মোবারক হোসাইন এবং মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির সেলিম উদ্দিন।

  • তফসিলকে স্বাগত বললেও ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় এনসিপির

    তফসিলকে স্বাগত বললেও ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় এনসিপির

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার প্রতি স্বাগত জানিয়ে করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে একই সঙ্গে তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এবং অন্তর্বতী সরকারের নিরপেক্ষতা ও সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলে, দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণা করতে আন্তরিকতা দেখিয়েছে সরকার ও নির্বাচন কমিশন, এ জন্য আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই। তবে, তারা নিরপেক্ষ ও সুসংহতভাবে দায়িত্ব পালন করবে এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের শঙ্কা রয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন অনেক ক্ষেত্রে সদিচ্ছার মাধ্যমে কাজ করেছে, কিন্তু তাদের ওপর আমাদের আস্থা দ্বিধার মধ্যে রয়েছে। কারণ, তাদের গঠন প্রক্রিয়ায় কিছু ভুল ছিল এবং কিছু দল তাদের নিয়োগ করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, তারা তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণ করবে তারা দলীয় নয় এবং দেশের জনগণের পক্ষে। এনসিপি মনে করে, আসন্ন নির্বাচনের মধ্যে লন্ডন ডিলের ছায়া রয়েছে। তারা বলেছে, যদি এই নির্বাচন দেশের সব দল ও জনগণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতো, তবে মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আরও দৃঢ় হতো। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, আমরা ভোটে অংশগ্রহণ করব। তবে প্রত্যাশা করি, ভোট কেন্দ্রগুলো যেন জনগণের এবং অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। যেসব অশুভ শক্তি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ে যুক্ত ব্যক্তি ভোট কেন্দ্র দখল করতে চাইবেন, তারা যেন তা না পারে। তবে আইনের শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা নিয়েও তিনি উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, এই নির্বাচনকে আঠাত্মকভাবে পরিচালনা করার জন্য আমাদের মনে হয়, বর্তমান কমিশনের পুনর্গঠনের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জে তিনজনের ওপর হামলা হয়েছে, ঢাকায় এনসিপির কাজের জন্য একজন সাংবাদিক মারধর করা হয়; বিভিন্ন স্থানে অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখা যাচ্ছে। সুষ্ঠু নির্বাচন জন্য পেশিশক্তি, টাকার প্রভাব এবং গডফাদার সংস্কৃতি নতুন করে সুরক্ষা চাই। ভবিষ্যতে বিএনপির সংস্কারপন্থী অংশের জন্য আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এই সরকার যদি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে না পারে, তবে সেইসব ব্যক্তি ওোপদেশ নিয়ে গিয়েছিলেন যারা এই সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিল, তারা জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল। এখন সেই ভয় দূর হয়েছে বলে তিনি আশাবাদী, उनसे আশা করেন তারা ভবিষ্যতে সংখ্যালঘু সংস্কারের পক্ষে দাঁড়াবে।

  • অভিনব সিদ্ধান্ত: আসিফ মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন

    অভিনব সিদ্ধান্ত: আসিফ মাহমুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ (শুক্রবার) সকালেই তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

    গতকাল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য তার তফসিল ঘোষণা করা হয়। এর আগের দিন, তিনি ও তার সহকারী উপদেষ্টা মাহফুজ আলম অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে পদত্যাগ করেন। উপদেষ্টা পদ ছাড়ার পর নানা গুঞ্জন শুরু হয়— হয়তো তাঁরা কোনো বড় রাজনৈতিক দল বা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হবেন, বা বিএনপি জোটের প্রার্থী হতে পারেন। তবে অবশেষে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি বড় কোনো দলে নয়, নিজস্ব স্বতন্ত্রভাবে ভোটের মাঠে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ফেসবুকে একটি ভিডিও করে আসিফ জানান, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের জন্য এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর আমাদের দেশের নতুন স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনের সময় এসেছে। এ জন্য তাঁর ভাষায়—“বিভাজনের রাজনীতি নয়, জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য এই লড়াই। নতুন সামাজিক, রাজনৈতিক ও জিওপলিটিক্যাল বন্দোবস্তের বাস্তবায়ন জরুরি।”

    তিনি আরও বলেন, এই সংগ্রাম সহজ নয়, তবে তিনি প্রেরণা পেয়েছেন দেশের বিপথগামী গণমানুষের আত্মত্যাগ থেকে— মতিউর রহমান, তারামন বিবি, নূর হোসেন, ফেলানী, আবরার ফাহাদ, আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে। এই প্রেরণায় তিনি তাঁর লড়াই চালিয়ে যেতে চান।

    আসিফ বলেন, তিনি ঢাকায় ধানমন্ডি, কলাবাগান, হাজারীবাগ, নিউ মার্কেট ও কামরাঙ্গীরচর এলাকার ভোটারদের জন্য স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁর কাছে বড় রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতা, প্রচুর অর্থ বা ক্যাম্পেইন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সংগঠন নেই। একমাত্র বিভিন্ন সমর্থকদের সহযোগিতা ও আস্থা তার জন্য মূল্যবান।

    তিনি আরও বললেন, তিনি শুধু সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হননি, তার পাশাপাশি গণভোটের জন্যও আবেদন করেছেন। দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে এই ভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার আহ্বান জানিয়ে মানুষকে দেশের বদলে যাওয়া স্বপ্নের অংশ হয়ে উঠার অনুরোধ করেছেন।

    এ বিষয়ে, এখনই স্পষ্ট নয় যে, মাহফুজ আলম কি নির্বাচনে অংশ নেবেন বা কোন দলের হয়ে করবেন, কারণ এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

  • মির্জা ফখরুলের ঘোষণা: খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান

    মির্জা ফখরুলের ঘোষণা: খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান

    নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার প্রাক্কালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে বার্তা দিলেন, তা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, আজকের দিনগুলোতে বাংলাদেশের সব কর্মী ও নেতাকর্মী এখানেই উপস্থিত আছেন, আর এই মুহূর্তে আমাদের আদর্শ নেতা খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন। এই ঘোষণা প্রাসঙ্গিক, কারণ এটি বিকেলবাস্তবতার সাথে একসাথে দেশবাসীর প্রত্যাশার কথাও বোঝায়।

    বৃহস্পতিবার সকালে ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনার কর্মসূচি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। এই কর্মশালায় দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    মির্জা ফখরুল স্পষ্ট করে বলেন, যখন আমাদের নেতা দেশে ফিরবেন এবং বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখবেন, তখন পুরো দেশ যেন কেঁপে উঠে। এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, সেই দিনটি আমাদের স্বপ্নের দিন, যখন আমরা বাংলাদেশের চেহারা পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হব।

    তিনি আরো বলেন, আমরা উন্নতির পথে এগোতে চাই, প্রগতির দিকে এগিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের নেতার দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত করতে আমাদের অঙ্গীকারের সাথে এগিয়ে যেতে হবে।

    মির্জা ফখরুল যোগ করেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য এখন হলো নির্বাচনে জয় লাভ। এর মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশকে যথাযথ পথে নিয়ে যেতে পারব। অনেক বাধা-প্রতিবন্ধকতা সামনে আসবে, নানা প্রচারণা চলবে। কিন্তু আমাদের দৃঢ় সংকল্প, বিএনপি কখনো পরাজিত হয়নি এবং ভবিষ্যতেও পারবে না।

    তিনি এও বলেন, ১৯৭১ সাল আমাদের অস্তিত্বের অংশ। অত্যন্ত জোরে উচ্ছসিত করে বলেন, আজকের প্রজন্মের কেউ যদি বলে ১৯৭১ সালের প্রজন্ম নিকৃষ্ট, তবে এটা কতটুকু দুঃসাহসের কথা! তারা যেন এমন দুঃসাহস দেখাতে না—এ বিষয়ে স্পষ্ট হুঁশিয়ার করেন।

    আরো বলেন, আজ কিছু শক্তিশালী দৃষ্টি ঝুলে আছে, অন্ধকারের মধ্য দিয়ে যেন একটা কালো থাবা বেরিয়ে আসছে। অন্যদিকে, নতুন ফ্যাসিবাদের অস্তিত্ব নিয়ে ভাবনা রয়েছে। ধর্মের অপব্যবহার করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি চলছে; এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে আমাদের।

    মির্জা ফখرুল জনগণের মনোভাব বুঝতে ও তার প্রতি সচেতনতার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। বলেন, এই আলোচনা শুধু শোনা বা নোট করার জন্য নয়, তা জনসমক্ষে তুলে ধরাতে হবে। জনগণকে জানাতে হবে, বিএনপি পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে এই দৃষ্টিভঙ্গি আরও স্পষ্ট করতে হবে।

    এছাড়া, বিএনপি মহাসচিব বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন ও দোয়া চান।

    অতীতের কর্মসূচির বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা ও একটি পরিকল্পনা নিশ্চিত করে এই আলোচনা যেহেতু চলছিল, বিকালে দেশের গণমানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন দেশের নেতা তারেক রহমান।

  • এনসিপির প্রথম ধাপের নির্বাচনী মনোনয়ন ঘোষণা

    এনসিপির প্রথম ধাপের নির্বাচনী মনোনয়ন ঘোষণা

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১২৫টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকার বাংলামটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

    প্রথম ধাপে প্রকাশিত প্রার্থী তালিকায় দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে ঢাকা-১১ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এই আসনটি ঢাকা জেলার বাড্ডা, ভাটারা ও রামপুরা অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ। অন্যদিকে, রংপুর-৪ আসনে নির্বাচন করবেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    এছাড়া, পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম, ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা, ঢাকা-১৬ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও নোয়াখালি-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব তাসনিম জারা বলেন, দেড় হাজারের বেশি প্রার্থী তাদের দল থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছে। তাদের এই প্রার্থী তালিকায় কিছু ব্যতিক্রমও রয়েছে, যা অন্য দলগুলোর থেকে আলাদা।

    নেতৃবৃন্দের মধ্যে দলের মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী উল্লেখ করেন, এবারে তারা ব্যালট রেভল্যুশনে যাচ্ছেন। দলীয় প্রতীক শাপলা কলি এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালানোর জন্য প্রার্থীদের তিনি আহ্বান জানান।

    এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।