Category: রাজনীতি

  • জামায়াত ধর্মকে ব্যবহার করে বিভাজন ও সহিংসতার রাজনীতি উসকে দিচ্ছে: এনসিপি

    জামায়াত ধর্মকে ব্যবহার করে বিভাজন ও সহিংসতার রাজনীতি উসকে দিচ্ছে: এনসিপি

    বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অভিযোগ করেছে যে, জামায়াতে ইসলামি ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে দেশটিকে বিভাজন, ঘৃণা ও সহিংসতার পথে ঠেলে দিচ্ছে। তারা বলছেন, ৫ আগস্টের পরবর্তীকালের নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে গ্রহণ না করে জামায়াত পুরোনো সহিংস ও আধিপত্যবাদী রাজনীতির পথেই হাঁটতে চাইছে, যা দেশের জন্য ক্ষতিকর সংকেত।

    সোমবার এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও মিডিয়া সেল সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৭ ডিসেম্বর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত ন্যাশনাল প্রফেশনালস অ্যালায়েন্সের (এনপিএ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে করোনা-সংক্রান্ত সহিংসতার প্রমাণ হিসেবে প্রকাশিত মন্তব্যের বিষয়টিকে তারা সম্পূর্ণ গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী ও দায়িত্বশীল বলে মন্তব্য করেছেন।

    এনসিপি জানায়, ২৭ নভেম্বর পাবনা ঈশ্বরদীতে নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘর্ষে গুলি চালানোর ঘটনাটি জামায়াতের একজন কর্মী তুষার মণ্ডল করেছে বলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ নিশ্চিত করেছে। অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হওয়া এই কর্মীর বিষয়টিকে অস্বীকার করে জামায়াতের পক্ষ থেকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চলছে।

    এনসিপি মনে করছে, জামায়াত ধর্মকে ব্যবহার করে বিভাজন ও সহিংসতার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। ৫ আগস্টের পরবর্তীতে তারা পুরোনো সহিংস ও আধিপত্যবাদী রাজনীতির পথে ‘নতুন খেলোয়াড়’ হিসেবে উপস্থিত হতে চাইছে, যা দেশের জন্য অশুভ সংকেত।

    তাদের মতে, সহিংসতা, অস্ত্রের ব্যবহার এবং ধর্মের অপব্যবহার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য আপত্তিজনক। আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীল আচরণ অপরিহার্য।

    এনসিপি জামায়াত আসলে সত্য, শান্তি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছে, যাতে দেশ এগিয়ে যায় এক শান্তিপূর্ণ ও একটি সমগ্র জাতির পথে।

  • বিএলডিপি বিলুপ্ত করে বিএনপিতে শাহাদাত হোসেন সেলিমের যোগদান

    বিএলডিপি বিলুপ্ত করে বিএনপিতে শাহাদাত হোসেন সেলিমের যোগদান

    আজ সোমবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (বিএলডিপি) চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম তার দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগদান করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন। শাহাদাত হোসেন সেলিম জানান, তিনি তার দলের সম্মৃতি এবং অনুমতি নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। এর আগে, গত ২৭ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষীর-কুমিল্লা (রামগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপি সূত্র জানায়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, শাহাদাত হোসেন সেলিম ১২ দলীয় জোটের মুখপাত্র হিসেবে গত কয়েক বছর ধরে বিএনপির বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। সেই কারণেই তাকে বিএনপি থেকে আগেই সবুজ সংকেত দেওয়া হয়—তাই তার এই যোগদান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

  • নির্বাচনের তপশিল এই সপ্তাহেই ঘোষণা হতে পারে সালাহউদ্দিনের দৃষ্টিতে

    নির্বাচনের তপশিল এই সপ্তাহেই ঘোষণা হতে পারে সালাহউদ্দিনের দৃষ্টিতে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তপশিল ঘোষণার কাজ এই সপ্তাহের মধ্যেই সম্পন্ন হতে পারে বলে আশা করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দেশের ইতিহাসে নতুন ও পরিবর্তনশীল এক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—যেটি মানে হবে দেশের গণতন্ত্রের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

    শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ইসলামনগর শহীদ হোছাইন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    সালাহউদ্দিন বলেন, জাতীয় নির্বাচন কেবল বিজয়ীদের নির্ধারণের জন্য নয়, বরং এটি এমন একটি ভোট প্রক্রিয়া হবে যা আন্তর্জাতিক মানে স্বীকৃতি ও প্রশংসা পাথেয় করবে। তিনি যোগ করেন, জনগণ নিজেই তাদের ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে—আর কারো সেখানে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়বে না।

    তিনি এও উল্লেখ করেন যে, গত ১৬-১৭ বছর ধরে দেশবাসী আওয়ামী লীগ সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ কারণে নিজেদের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।

    সালাহউদ্দিনের অভিযোগ, শেখ হাসিনা কার্যত একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কখনোই দেশের মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল ছিলেন না, বরং তিনি চেয়েছেন দেশের সম্পদ লুটপাট ও অন্য দেশগুলোর প্রভাবাধীন করা।

    তার দাবি, জনগণের ‘গণভোটসদৃশ প্রত্যাখ্যানের’ পর নিজেই দেশের বাইরে চলে গেছেন শেখ হাসিনা, যা বোঝায় তিনি জনগণের প্রতিনিধি নন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদ, কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    বিকেলে তিনি ধারাবাহিকভাবে চকরিয়া এলাকার ফাঁসিয়াখালী, কাকারা, লক্ষ্যারচর ও বরইতলী ইউনিয়নে গণসংযোগ ও একাধিক পথসভা করবেন।

  • ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনও কাটেনি: ডা. শফিক

    ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনও কাটেনি: ডা. শফিক

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিস্টরা দেশ থেকে পালালেও ফ্যাসিজমের কালো ছায়া এখনও কাটেনি। তিনি বলেন, কিছু অপকর্মের জন্য যেমন একদল অপলোক করছে, অন্যরা সেই দায় নিয়ে নানা অপরাধে লিপ্ত থাকছে। একদিকে চাঁদাবাজি করে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে একই কাজ আরও বেশি শক্তি ও দম্ভের সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে সিলেটের আলিয়া মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত ইসলামী ও সমমনা আট দলের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান lament করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে দেশের সম্পদ যথেষ্ট ছিল, কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশের মানুষ সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারেনি। কারণ, বর্গীরা চলে যাবার সময় দেশের ভিতরে ক্ষত সৃষ্টি করে গেছে। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে বাইরে পাচার করেছে, দেশের প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে ‘বেগম পাড়া’ গড়ে তুলেছে।

    তিনি আরও বলেন, কিছু মানুষ পালানোর জন্য খালে ও বিলে আশ্রয় নিয়েছে, আবার কেউ কেউ কলাপাতা দিয়ে ধরা পড়েছে। এভাবেই অপকর্মের দায়ে ফ্যাসিস্টরা বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেছে। কিন্তু ফ্যাসিজমের ছায়া এখনও দেশের ওপর বিদ্যমান। একদল দখলদার হয়ে জনগণের ঘৃণা কুড়িয়েছে, অন্য দল তখনো দখল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের, আলেম-ওলামাদের জেল, নির্যাতন, ফাঁসির চক্রে ঢোকানো এবং দেশ থেকে বিতাড়নের প্রবণতা এখনও অব্যাহত।

    জামায়াতের আমির সতর্ক করে বলেন, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্বাচনকে মাস্তুলে ফেলার কালো সূর্য ডুবে গেছে। এই সূর্য আর বাংলাদেশে উঠবে না। নতুন সূর্য উদয় হবে, তারআলোয় দেশ এগিয়ে যাবে।

    তিনি বিএনপির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, জনগণ তাদেরকে আগামী নির্বাচনে লাল কার্ড দেখানোর প্রস্তুতি নিয়ে আছে। যদি কেউ এই নির্বাচনের পরিবেশ ভেঙে ভণ্ডুলের চেষ্টা করে, তবে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বলছি, দেশের সংগ্রামী জনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র সবই ভণ্ডুল করে দেওয়া হবে।

    তিনি যোগ করেন, তাঁরা কোনো সংস্কার মানতে রাজি নয়, সনদ বাস্তবায়নে অস্বীকৃতি জানায় এবং গণভোটের জন্য প্রথমে দ্বিধায় ছিল। তবে এখন তারা বুঝতে পেরেছে, এই নির্বাচনই একমাত্র পথ। কিছু শরিক দল এখন নির্বাচনের দাউদাউ আগুনের মতো অবস্থান থেকে ভিন্ন সুরে কথা বলছে, যা ইতিবাচক লক্ষণ। তারা বুঝতে পেরেছে, জনগণ তাদের প্রতারণা চেনে এবং অচিরেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়।

    জোটের বাইরে থাকা ইসলামি দলকে তিনি অনুরোধ করেন, সকল বিভ্রান্তি কেটে নিজের আঙিনায় ফিরে আসার। বলেন, এখন যেখানে আছেন, 그것াও আপনারা নয়। যারা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে না, তাদের জন্য এটা উপযুক্ত স্থান নয়। সবাই নিজ ঘরে ফিরে যান, আমরা আপনাদের আন্তরিক歓迎 ও শুভেচ্ছা জানাবো।

    সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম, পীর সাহেব চরমোনাই, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি–জাগপার কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক চাঁনসহ অন্যান্য নেতারা।

  • ফখরুলের মত, ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় কি দলের কেউ?

    ফখরুলের মত, ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করতে চায় কি দলের কেউ?

    বাংলাদেশে বড় ধরনের বিভাজনের পথ তৈরি করার চেষ্টার অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী বা মহল ধর্মের নাম করে দেশের মধ্যে বিভাজন তৈরি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। রোববার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর খামারবাড়িতে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক গুরুত্বপূর্ণ এক কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    ফখরুল অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ দুঃশাসন ও বর্বর আচরণের মাধ্যমে দেশের সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে নতুন করে সব প্রতিষ্ঠানকে গঠন ও পুনর্বহাল করতে জরুরি হয়ে পড়েছে।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষ সব সময় ধর্মভীরু। আমরা অবশ্যই ধর্মকে মানি, কিন্তু ধর্মের নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করা আমাদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি ছিল সবার জন্য স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

    বিএনপিকে এগিয়ে নিতে বাধা দেয়ার অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে তিনি দৃঢ়ভাবে বলছেন, সব অপপ্রয়াস পরাজিত করে আমাদের দল ও দেশের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    তরুণ সমাজের মনোভাব পরিবর্তনের বিষয়ে ফখরুল মন্তব্য করেন, সবাই পরিবর্তন চায়। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন এখন অনেকের মধ্যে। পুরনো রাষ্ট্রীয় কাঠামো আর টেকসই নয়, তাই আমাদের ভাবনায় পরিবর্তন আনা আবশ্যক। তিনি নিজ দলকে নতুন চিন্তাধারায় গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    ছাত্রদলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচিকে গ্রাম ও শহরে ব্যাপকভাবে পৌঁছে দিতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র দলের সংগঠন আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। উল্লেখ করেন, শিক্ষাখাতে তাদের উপস্থিতি ও কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি দরকার, যাতে বিগত নির্বাচনে ফলপ্রসূ ফল পাওয়া যায়।

    খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। বলেন, তার চিকিৎসার জন্য সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তারেক রহমান নিজে তার চিকিৎসা তদারকি করছেন। দেশের ও দেশের বাইরে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা তার যত্ন নেওয়া হচ্ছে। ওইসব দোয়া ও প্রার্থনার মাধ্যমে সৃষ্টিকর্তা যেন তার সুস্থতা কামনা করেন, সেটাই প্রত্যাশা বিএনপির।

  • ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    আজ ৮ ডিসেম্বর, সোমবার, রাজধানীর গুলশানে ইমানুয়েল পার্টি সেন্টারে সম্পন্ন হয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘোষণা। সেখানে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (জাপা) ও জাতীয় পার্টি (জেপি) একত্রিত হয়ে নতুন একটি জোট, called জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ), এর আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করেছেন। এই নতুন জোটে আরও বেশ কিছু রাজনৈতিক দল যুক্ত হয়েছে, যেমন: জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, স্বাধীন পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।

  • খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যানের তথ্য ‘অনুমান ভিত্তিক’: বিএনপি মিডিয়া সেল

    খালেদা জিয়ার সিটিস্ক্যানের তথ্য ‘অনুমান ভিত্তিক’: বিএনপি মিডিয়া সেল

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা হিসেবে সিটিস্ক্যান করানো হয়েছে—এমন খবর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। তবে বিএনপি মিডিয়া সেল এ ধরনের খবর প্রকাশের ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে। রোববার বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, চিকিৎসা সম্পর্কিত কোনো খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে দায়বদ্ধতা থাকা জরুরি।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার চিকিৎসক বোর্ডের প্রধান ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন বহুবার গণমাধ্যমকে অনুরোধ করেছেন, অনুমান বা অসতর্ক তথ্যের ভিত্তিতে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের বিষয়ে সংবাদ না করার জন্য। কারণ, এমন খবর বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে অপ্র_REQUIRED অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে।

    শায়রুল কবির খান আরও যোগ করেছেন, মেডিকেল বোর্ডের সরকারি সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ছাড়া এ ধরনের তথ্য প্রচার বা প্রকাশ করা ঠিক হবে না। তিনি সকল সংবাদকর্মী এবং গণমাধ্যমকে পরামর্শ দিয়েছেন, নিশ্চিত ও যাচাই করা তথ্যের ভিত্তিতে খবর প্রকাশ করতে। এটি মাধ্যমে বিভ্রান্তি কমবে এবং সত্যতা নিশ্চিত হবে।

  • জামায়াতের আমিরের মন্তব্য: ফ্যাসিবাদ এখনো বিদায় নেনি

    জামায়াতের আমিরের মন্তব্য: ফ্যাসিবাদ এখনো বিদায় নেনি

    জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদীরা বিদায় নিয়েছে, তবে ফ্যাসিবাদের ধারণা এখনো পুরোপুরি সমাপ্ত হয়নি। তিনি পরিষ্কারভাবে জানান, ফ্যাসিবাদ কোনো রঙের না—কালো বা লাল—সুতরাং বাংলার মাটিতে কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদকে আর স্থান দেওয়া হবে না। ইনশাআল্লাহ।

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের লালদিঘি মাঠে আটটি রাজনৈতিক দলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    শফিকুর রহমান আরও বলেন, কেউ যদি আবার ফ্যাসিবাদের ভাষা বলে বা তাদের মতো আচরণ করে, তারা কোন পথ খুঁজে পাবেন না। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্ম, ছাত্র-জনতা এবং শ্রমজীবী মানুষ আর ফ্যাসিবাদকে সহ্য করবে না। অতীতে আমরা রুখে দিয়েছি বিশ্বাসের শক্তিতে, ভবিষ্যতেও রুখে দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

    তিনি জানান, তিনি কোনও দল বা তাদের বিজয় চাচ্ছেন না। তিনি বাংলার ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশার বিজয়ের জন্য কাজ করতে চান, যা কোরআনের নির্দেশিত আইনে ভিত্তি করে হবে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য এর বাইরে কিছু সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    শফিকুর রহমান ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মানুষ নিরাপদে কথা বলতে পারেনি। দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ভয়াবহ ছিল। দেশ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ হওয়ার পরিমাণ ২৮ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। উন্নয়নের গল্প শোনানো হলেও বাস্তবে দেশের অবস্থা ছিল খারাপ। একদিকে উন্নয়নের নামে বাঁশের নতুন শহর তৈরি হয়েছিল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ। বাংলাদেশের উন্নয়নের গল্প শুনিয়ে তাদের ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়; তবে দেশের বাস্তব পরিস্থিতি অন্য ছিল।

    প্রকাশ্যভাবে আলেম-উলামাদের ওপর আঘাত হানা হয়েছিল, যারা শান্তিপূর্ণভাবে অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছিলেন। তাদের নির্যাতন, হত্যা ও রক্তাক্ত চেয়েছে। ৫ মে আনুষ্ঠানিক হত্যাকাণ্ডের সময় তখনকার সরকার উপহাস করে বলেছিল, কেউ মরেনি, বরং রক্ত দেখে তারা মজা নিয়েছিল। এই নৃশংসতা ও অসহনীয়তা তাদের শাসনামলের চিহ্ন।

    মূল বক্তব্যে শফিকুর রহমান বলেন, এই ফ্যাসিবাদীদের হাত রক্তে অধিকার। তাদের শাসনামলে পিলখানায় ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়েছে, দেশপ্রেমিক সেনা ও পুলিশ সদস্যদের অপব্যবহার করা হয়েছে। দেশের বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে, যা দেশের স্বাভাবিক উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

    প্রকৃত সমাবেশের শুরু হয় দুপুর পৌনে ২টার দিকে, যেখানে নানা দিক থেকে মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। জুমার নামাজও সেখানে আদায় করা হয়।

    বক্তৃতায় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম (শায়খে চরমোনাই), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ আটটি দলের শীর্ষ নেতারা।

    সমাবেশের মূল আয়োজকদের ঘোষিত পাঁচ দফা মূল দাবি হলো:— জুলাই ২০২৫-এর জন্য জাতীয় সার্টিফিকেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভোটের আগে গণভোটের আয়োজন, সংখ্যালঘু ও প্রভাবশালী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে অবাধ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, পূর্বের সরকারের সব জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার, এবং স্বৈরাচারী দোসর হিসেবে পরিচিত জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবি।

  • এনসিপির হান্নান মাসউদ বিবাহিত হলেন ছাত্রশক্তির নেত্রী জেদনীকে

    এনসিপির হান্নান মাসউদ বিবাহিত হলেন ছাত্রশক্তির নেত্রী জেদনীকে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ সম্প্রতি বিয়ে করেছেন। শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, তিনি তাঁর প্রাণের জীবনসঙ্গিনী, জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামলী সুলতানা জেদনীকে বিয়ে করেছেন।

    নিজের ফেসবুক পোস্টে মাসউদ ও জেদনী বিবাহের ছবি সাধারণের সঙ্গে শেয়ার করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন। তিনি আরও জানান, এই বিবাহের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে প্রেরণা হিসেবে যুক্ত হয়েছে জুলাই মাসের অনুপ্রেরণা। দুজন স্বাধীন ও সচেতন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে এই আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পেরে তিনি খুবই গর্বিত ও খুশি বোধ করছেন।

    পরিবারের সূত্রে জানা যায়, জেদনী লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা। তিনি বর্তমানে জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।

    ১৯ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে জেদনীর বাসায় দুই পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে তাদের বাগদান সম্পন্ন হয়। এই শুভ মুহূর্তের আগমনকে চোখের সামনে দেখার জন্য পরিবার ও বন্ধুদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে।

  • শেখ হাসিনার দমনবঞ্চনায় খালেদা জিয়ার জীবন সংকটে: তারেক রহমান

    শেখ হাসিনার দমনবঞ্চনায় খালেদা জিয়ার জীবন সংকটে: তারেক রহমান

    ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুঃশাসনে বিএনপি’র চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপর বিভিন্ন নিপীড়নের অভিযোগ তুলে ধরেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে এই অভিযোগ প্রকাশ করেন। স্বৈরাচার পতন দিবসের প্রাক্কালে এই পোস্টের মাধ্যমে তিনি বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

    পোস্টে তারেক রহমান লিখেছেন, ‘অবিস্মরণীয় দিন হলো ৬ ডিসেম্বর। ১৯৯০ সালে এই দিনে রক্তাক্ত পথে অবসান হয়েছিল স্বৈরশাসনের। ৮২ সালের ২৪ মার্চ শেখ হাসিনা এরশাদ পেশাদারিত্ব ও শপথ ভঙ্গ করে অস্ত্রের মুখে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি ifত্মপ্রাণ নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যায় এবং অসাংবিধানিক শাসন চালু করে। এটি ছিল স্বদেশপ্রেমের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ লড়াই। গেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে পরিচালিত বহুদলীয় গণতন্ত্রের অংগদান। হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেন।’

    তারেক রহমান গণতন্ত্রের জন্য খালেদা জিয়ার অবদানও স্মরণ করান। তিনি বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর ধরে কঠোর সংগ্রাম করে গণতন্ত্র রক্ষা করেছেন। তিনি এক অনুপ্রেরণামূলক নেতা হিসেবে বিপুল জনসমর্থন গড়ে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে ছাত্র-জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বৈরাচারকে পরাজিত করে গণতন্ত্র ফিরে আসে। আবার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, হিংস্র ফ্যাসিস্ট শক্তি ও দমননীতিকে পরাস্ত করে দেশপ্রেমিক জনতা বিজয়ী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ছিল গণতন্ত্রের জন্য ভয়ঙ্কর শত্রু। শেখ হাসিনার দুঃশাসনের অবসান হলে আবারও গণতন্ত্রের পূর্ণ জোয়ার আসবে। আমাদের এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ওপর জেল-জুলুমসহ বিভিন্ন নিপীড়ন চালানো হয়েছে। অসুস্থ এই নেত্রীর জীবন আজ চরম সংকটে; আল্লাহর কাছে তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। দেশের লাখ লাখ নেতা-কর্মীর ওপরও নিপীড়ন চালানো হয়েছে। সারাদেশের মানুষ অবরুদ্ধ ছিল।’

    তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আজকের দিনে আমি ’৮২ থেকে ’৯০ পর্যন্ত স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। তাঁদের আত্ম anthology কৃতজ্ঞতা জানাই। গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামরত সকল আন্দোলনকারী ও দেশপ্রেমিক নাগরিকের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।’

    শেষে তিনি সবাইকে একযোগে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে বলেন, ‘গণতন্ত্রের শত্রু শক্তিকে আর পুনরুদ্ধার না করার জন্য আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে। আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশজিন্দাবাদ।’