Category: রাজনীতি

  • নির্বাচন আরও কঠিন হবে, ষড়যন্ত্র এখনও চলমান: তারেক রহমান

    নির্বাচন আরও কঠিন হবে, ষড়যন্ত্র এখনও চলমান: তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচন সাধারণের জন্য সহজ হবে না, কারণ ষড়যন্ত্র এখনো চলমান। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দেশের বিভিন্ন ঘটনায়—হাদিকে গুলির ঘটনা, চট্টগ্রামে আমাদের প্রার্থীর ওপর হামলা—প্রমাণিত হচ্ছে যে, আমি আগে থেকেই বলছিলাম, ষড়যন্ত্র বন্ধ হয়নি এবং পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। এসব বিষয় এখন স্পষ্ট করে দেখাচ্ছে যে নির্বাচনকে সামনে রেখে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে।

    শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, বিএনপির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই বক্তব্য রাখেন তিনি। রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই ধারাবাহিক কর্মশালার সপ্তম দিন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন।

    তারেক রহমান জানান, আমাদের যদি নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য কম না করি, ঐক্যবদ্ধ না হই, তাহলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুববে। তিনি বলেন, প্রায়ই দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে বিএনপি। শহীদ জিয়া এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ধীরে ধীরে দেশের খাদের কিনারা থেকে মুক্ত করে আনা হয়েছে।

    তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিভিন্ন সূত্রের খবর বলছে, ষড়যন্ত্র বন্ধ হবে না, বরং আরও খারাপ পরিস্থিতি আসতে পারে। তবে আমাদের ভয় বা আতঙ্কে না পড়ে, সাহসী হতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। যত বেশি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাবো, নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারব, ততই ষড়যন্ত্রকারীরা পিছিয়ে যাবে। বিএনপির এই ক্ষমতা বা শক্তির মূল ভিত্তিই হলো ঐক্য।”

    তারেক রহমান দাবি করেন, ষড়যন্ত্রকারীদের পিছু হটানোর একমাত্র শক্তি ও ক্ষমতা বিএনপিরই রয়েছে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় প্রার্থীদের ওপর গুলির ঘটনা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ যাতে কোনো সুবিধা নেওয়া যায়।

    তিনি দেশের উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন, যেমন খাল খনন, স্বাস্থ্য কার্ড, কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, শিক্ষাব্যবস্থা, বেকার সমস্যা, প্রযুক্তি, বায়ু ও পানির দূষণ রোধ—এসব বিষয়ে বিএনপির পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, এখন সময় এসেছে—আমি কি পেলাম, এই চিন্তা বাদ দিতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো, দেশের জন্য কতটা করেছি সেটার মূল্যায়ন না করে, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কতটা অবদান রাখতে পারলাম, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সবাইকে উদাহরণ দিয়ে বলেন, যদি কেউ দেশের জন্য কিছু করে যান, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবন উন্নত হবে। আমাদের লক্ষ্য অবশ্যই শান্তি, শৃঙ্খলা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

    তিনি আরও বলেন, এখন আর বসে থাকার সময় নয়। এই সংগ্রামে জয়ী হতে হবে। জয় নিশ্চিত করতে দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তাদের সাথে না থাকলে কোনওভাবেই সফলতা আসবে না।

    এর মধ্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এই কর্মশালার পরিচালনা করেন।

  • আশঙ্কা প্রকাশ মির্জা ফখরুলের, আরও হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা স্থানীয় ঘটনা ঘটতে পারে

    আশঙ্কা প্রকাশ মির্জা ফখরুলের, আরও হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা স্থানীয় ঘটনা ঘটতে পারে

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সতর্ক করে বলেছেন, দেশের যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে জনগণ গণতন্ত্রের জন্য স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই আবার কিছু শত্রু নতুন হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি একটি হত্যাচেষ্টা ঘটেছে এবং এই ধরনের ঘটনাগুলি ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।

    রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল বেলা রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এই দিনটি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়, যার সূচনায় বিএনপি পক্ষ থেকে সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের সহযোগী দোসরদের সাথে যোগসাজশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, গবেষক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানকে তুলে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। তিনি বলেন, এই হত্যা যেন জাতিকে তাদের সবচেয়ে প্রিয় সন্তানদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য চালানো হয়েছিল। এই দিনটি মনে করে রাষ্ট্র সেই মহান নেতাদের স্মরণ করবে এবং স্বাধীনতার চেতনাকে অটুট রাখতে সচেষ্ট হবে।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বর্তমানে অনেক অসুস্থ। তার পক্ষ থেকে এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তারা আজ এই স্মৃতিসৌধে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। পাশাপাশি তারা এই প্রতিজ্ঞা করেছেন যে, যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক অগ্রগতির পথ অটুট রাখবেন।

  • নির্বাচন ও অভ্যুত্থান ঠেকাতে লক্ষ্যবস্তু হত্যাকাণ্ড দাবি নাহিদের

    নির্বাচন ও অভ্যুত্থান ঠেকাতে লক্ষ্যবস্তু হত্যাকাণ্ড দাবি নাহিদের

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই মাসে গণ-অভ্যুত্থানকে নস্যাৎ করার জন্যTARGET কিলিংয়ের মাধ্যমে নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক সংবাদসভায় এ দাবি তুলে ধরেন।

    নাহিদ বলেন, ওসমান হাদীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে হত্যাচেষ্টার পেছনে যারা রয়েছে তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেফতার করতে হবে। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগামিতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি ও অভ্যুত্থান ঠেকানোর নাম করে TARGET কিলিংয়ের মাধ্যমে নিরীহ মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রশাসন ও সরকারী বাহিনীসহ ভেতর-বাহিরের সকল দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি আরও বলেন, এর ঘটনার মাধ্যমে অনেক রাজনৈতিক দল একে অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করছে। সবাইকে সহমর্মিতা ও ঐক্য বজায় রেখে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। অন্যথায়, ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলোর সুবিধা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

    নাহিদ বলেন, দেশে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বলতে চান, সবাই সবার পাশে দাঁড়িয়ে বিভক্তি ও অশান্তি ঠেকিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

    জনগণের অধিকার, স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত প্রচেষ্টা। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জনগণ ও সচেতন বুদ্ধিজীবীরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবেন।

    অভিযোগ করে নাহিদ উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই দুর্বল। সরকার তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারছে না, যা জনগণের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি করছে। দেশের নিরাপত্তা ও শান্তি পরিস্থিতি উন্নত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয় তিনি।

    উল্লেখ্য, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে সকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা স্থান দুটিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। দিবসটি পালনে বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষজন সেখানে উপস্থিত হন এবং স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

  • হাদির উপর আঘাতকারীদের কঠোর শাস্তি দাবী মির্জা আব্বাস

    হাদির উপর আঘাতকারীদের কঠোর শাস্তি দাবী মির্জা আব্বাস

    ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, হাদি আমার সন্তানের মতো। হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর শুনে আমি মানসিকভাবে খুবই আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছি। তিনি বলেন, এ ধরনের আঘাত শুধুই একজন ব্যক্তির নয়, এটি গণতন্ত্রের উপর এক গভীর আঘাত। যারা এই হামলা চালিয়েছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে। শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত ইনকিলাব মঞ্চে আলোচিত ঘটনায় প্রতিবাদ এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার আন্দোলনের আওতায় এক বক্তৃতায় মির্জা আব্বাস এ কথা বলেন। তিনি বলেন, হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় বিকেল দুইটার দিকে আমি হাসপাতালে পৌঁছেছি। তার আধাঘণ্টা পরে ফেসবুকে অপ্রত্যাশিত উসকানিমূলক পোস্ট দেখা যায়, যা পুরোপুরি পরিকল্পিত ছিল। আমি ঢাকার সন্তান। দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে এই শহরে রাজনীতি করছি। আমি কখনো উত্তেজনা সৃষ্টি করিনি, কারণ এটা হাদির সুচিকিৎসায় বিঘ্ন তৈরি করত। তিনি বলেন, এ ধরনের ষড়যন্ত্র অনেক সময় দেখেছি, ১৯৭১, ১৯৮৬-সহ বিভিন্ন সময় এ ধরনের শক্তি বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালিয়েছে। এরা হলো মূল শক্তি, যারা স্থির রাষ্ট্র সহ্য করতে পারে না এবং বারবার রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করে রাখতে চায়। হাদির উপর হামলার পর, ফেসবুকে একশ থেকে দুইশ’ লোক উসকানি দেয়ার জন্য পোস্ট করে দেশজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করতে চেয়েছে, যা সবাই নিরীহ চরিত্রের। বিএনপি নেতার মতে, এই উসকানি মূলত এক বিশেষ রাজনৈতিক দলের দ্বারা চালানো হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আমি ৭১, ৮৬ সাল থেকে নির্বাচন করে আসছি, কখনো কারও সঙ্গে মারামারি করিনি। বরং প্রার্থীদের এক সঙ্গে কোলাকুলি করেছি, খেয়েছি। আওয়ামী লীগ অন্যায়ভাবে মারামারি করে, নির্বাচন ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা অস্থির করে তোলে। তিনি দাবি করেন, হাদির ওপর হামলাকারী দ্রুত গ্রেফতার হোক এবং এই হামলার সঙ্গে জড়িত মুখোশ উম্মোচন করা হোক। মির্জা আব্বাস যোগ করেন, হাদির আমার নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, তিনি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী। তিনি একজন সাহসী রাজপথের সৈনিক। আমি আশা করি, আবারও তাকে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় দেখা যাবে।

  • নাহিদ ইসলাম বললেন, আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠে আনছেন পরিকল্পিতভাবে

    নাহিদ ইসলাম বললেন, আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠে আনছেন পরিকল্পিতভাবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আওয়ামী লীগকে রাজনীতির মাঠে পুনর্বাসনের জন্য একটি স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকেরা গোপন মিটিংয়ের সুযোগ পাচ্ছেন, কোর্ট পাড়ায় জয় বাংলা স্লোগান শোনা যাচ্ছে, টক শো বাস্তবায়ন হচ্ছে যেখানে আওয়ামীপন্থী বুদ্ধিজীবীরা অংশ নিচ্ছেন। ভোটের মাঠেও দেখছি, জাতীয় পার্টিকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই সমস্ত চিত্র একত্রে সময়ের পরিকল্পিত উদ্যোগের অংশ, যারা আওয়ামী লীগকে আবার রাজনৈতিকভাবে অভ্যস্ত করে তুলতে চান।

  • নির্বাচন কঠিন, ষড়যন্ত্র অব্যাহত: তারেক রহমান

    নির্বাচন কঠিন, ষড়যন্ত্র অব্যাহত: তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনটা সহজ হবে না, কারণ ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। গত কয়েক দিন ধরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো— হাদিকে গুলির ঘটনা, চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীর ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা— এগুলো প্রমাণ করে যে আমি যা আগের বার বলেছিলাম তা ধীরে ধীরে সত্যি হচ্ছে।

    শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিএনপির আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক একটি কর্মশালায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর ফার্মগেটে অবস্থিত কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার সপ্তম দিনের সিরিজের অংশ হিসেবে দলের মাঠ পর্যায়ের নেতারা এই আলোচনা শোনেন।

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘যদি আমরা নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে না আনি, যদি আমরা একে অপরের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ না হই, তাহলে এই দেশ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের সময়বার্তা থেকে শুরু করে শহীদ জিয়া, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আমরা ধীরে ধীরে দেশকে খাদের কিনারা থেকে ফিরিয়ে এনেছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন সূত্র থেকে খবর পাওয়া যাচ্ছে, ষড়যন্ত্রগুলো এখানে থেমে যাবে না, বরং আরও ভয়াবহ হতে পারে। তবে আমাদের ভয় পেতে হবে না, আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। বরং মানুষকে সাহস জোগাতে হবে, নিজেদের ঐক্যবদ্ধ করতে হবে, দেশের সাধারণ নাগরিকদের সচেতন করে তুলতে হবে। যত বেশি আমরা একাত্ম হবো, যত বেশি সামনে এগোবো, যত বেশি মরিয়া হয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করবো— এটিই ষড়যন্ত্রকারীদের পিছু হটতে বাধ্য করবে।’

    তারেক রহমান দাবি করেন, ‘‘বিএনপিরই একমাত্র শক্তি বা ক্ষমতা এই ষড়যন্ত্রগুলো ঠেকাতে পারে।’’ চট্টগ্রাম ও ঢাকায় দলের প্রার্থীর ওপর গুলির ঘটনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনাগুলো কোনো ফায়দা নেওয়ার চেষ্টার অংশ।’

    তিনি বিএনপির বিভিন্ন পরিকল্পনা যেমন খাল খনন, স্বাস্থ্য ও কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়ন, বেকার সমস্যার সমাধান, তথ্য প্রযুক্তি, বায়ু ও পানিদূষণ রোধ প্রভৃতি প্রসঙ্গে বিস্তারিত তুলে ধরেন ও প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।

    তারেক রহমান বলেন, ‘এখন আমাদের সময় এসেছে— আমি কি পেয়েছি, তা ছাড়িয়ে আসতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো, দেশ ও জাতির জন্য কি করতে পারলাম সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আজকের দিন থেকে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা নয়, বরং একযোগে কাজ করতে হবে। যদি আপনি কিছু করে থাকেন বা করতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ভালো কিছু রেখে যেতে পারবেন। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত, দেশে শান্তি, শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এখন আর ঘরে বসে থাকার সময় নয়। আমাদের এই সংগ্রামে জয় লাভ করতে হবে। জয় নিশ্চিত করতে একমাত্র নিশ্চিত শক্তি হলো— বাংলাদেশের জনগণ। তাদের সাথে নিয়ে এই সংগ্রাম জিততেই হবে।’

    এ বিষয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, এবং সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

  • আশঙ্কা প্রকাশ করলেন মির্জা ফখরুল, আরও হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা প্রবল

    আশঙ্কা প্রকাশ করলেন মির্জা ফখরুল, আরও হত্যাকাণ্ডের আশঙ্কা প্রবল

    বাংলাদেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষ যখন একুশের স্বপ্নে বিভোর হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা করছে, সেই সময় আবারও দেশের অন্ধকার পাশ ফিরে আসার চেষ্টায় শত্রুরা হত্যাকাণ্ডের নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে। তিনি এ কথা বলেছেন রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, একজন হিসেবে তিনি গভীরভাবে আশঙ্কা করছেন যে, ভবিষ্যতে আরও অনেক হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে, যা দেশের জন্য এক ভয়ঙ্কর আভাস। এ দিন তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদাররা তাদের দোসরদের যোগসাজশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, গবেষক, কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিকসহ বহু দেশপ্রেমিককে টুলে নিয়ে হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তারা বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামকে বাধাগ্রস্ত করার পরিকল্পনা করেছিল, যাতে দেশের মেধাহীন ও অন্ধকারে নিমজ্জিত করে ফেলা যায়।

    মির্জা ফখরুল এই হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এ ধরনের নির্মম কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণভাবে মেধা এবং স্বাধীনচেতা অন্যায়ের মুখে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আজকের দিনটি বাংলাদেশের জন্য,非常 গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই দিনটি জাতিকে স্মরণ করিয়ে দেয় মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্বপ্ন ও সাহসের কথা, যেখানে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার চেতনা লুকিয়ে আছে।

    বিএনপির মহাসচিব জানান, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বর্তমানে খুবই অসুস্থ। তার পক্ষ থেকে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নেতারা শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। তারা এর মাধ্যমে শপথ নিয়েছেন যে, যে কোন মূল্যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবেন এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখবেন। এ দিন তারা জাতীয় ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে দেশের মুক্তি সংগ্রামের চেতনাকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • নির্বাচন ও অভ্যুত্থান ঠেকাতে টার্গেট কিলিং এবং সজাগ থাকুন: নাহিদ

    নির্বাচন ও অভ্যুত্থান ঠেকাতে টার্গেট কিলিং এবং সজাগ থাকুন: নাহিদ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানকে বাধাগ্রস্ত করতে আরও ব্যাপক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে টার্গেট কিলিং চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি এই মন্তব্য করেন রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর বধ্যভূমিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের শ্রদ্ধা জানানো শেষে।

    নাহিদ বলেন, অপপ্রচার, ষড়যন্ত্র ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অন্যতম অংশ হিসেবে কিছুজন টার্গেট কিলিংয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দমন করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও জানান, এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত প্রশাসন, সরকার ও অন্যান্য অপ্রত्यक्ष সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলো চিহ্নিত করে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ওই ব্যক্তি হত্যাচেষ্টা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জন্য যারা দায়ী তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

    তিনি উল্লেখ করেন, নানা রাজনৈতিক দল এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একে অপরের প্রতি দোষারোপ করছে। তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখন সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে যাতে বিভাজন না তৈরি হয়। জাতীয় ঐক্য বজায় রাখতে হবে, কারণ না হলে ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো সুবিধা গ্রহণ করবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য পরিবেশ ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, দেশের কিছু সুশীল বুদ্ধিজীবী যে ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করে চলেছেন, তাদের বিরুদ্ধে জনগণের পক্ষের অন্তর্নিহিত সম্মতি সৃষ্টি করতে হবে। তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে দুর্বল এবং বাহিনী জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। এই পরিস্থিতি পরিবর্তন না হলে অস্থিতিশীলতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    অন্তে, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই দিন স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা, শহীদ পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা মিরপুর ও রায়েরবাজারের স্মৃতিসৌধে বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এছাড়া, এ দিন দুটি স্থান মানুষজনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়, যেন সকলেই শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পারে।

  • মির্জা আব্বাসের হুঁশিয়ারি: হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি

    মির্জা আব্বাসের হুঁশিয়ারি: হাদির ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি

    ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, তার মতো তিনি যেন কেউ না আঘাত হানে। হাদির উপর গুলি চালানোর খবর পেয়ে তিনি মানসিকভাবে গভীর ভাবে আহত হয়েছেন। এই হামলা গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত বলে মন্তব্য করেন আব্বাস। তিনি বলেন, যারা এই আঘাত করেছে, তাদের কালো হাত ভেঙে দিতে হবে।

    শনিবার নয়াপল্টনে বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত ইনকিলাব মঞ্চের এক প্রতিবাদ ও হামলার তদন্তের দাবিতে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। আব্বাস আরও বলেন, হাদিকে গুলিবিদ্ধ করে হাসপাতালে নেওয়ার আধাঘণ্টার মধ্যে একদল উত্তেজনা ছড়ানোর জন্য ফেসবুকে পোস্ট দিতে শুরু করে। তিনি বলেন, আমি হাসপাতালে গিয়ে দেখলাম সবই পরিকল্পিত।আমি দীর্ঘ ৫০ বছর ঢাকায় রাজনীতি করি। শান্ত থাকায় হাদির চিকিৎসা ব্যাহত হয়নি, অন্যথায় হয়ত আরও ক্ষতি হতে পারত।

    মির্জা আব্বাস বলেন, এই হামলার পেছনে এক বা একাধিক ষড়যন্ত্রকারীর হাত রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা ৭১, ৮৬সহ বিভিন্ন সময় এ ধরনের ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি হয়েছি। এই ষড়যন্ত্রের মূল শক্তি হ’ল তারা, যারা শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র সহ্য করতে পারে না। তারা দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে যেতে চায়।

    তিনি আরও বলেন, হাদির ওপর হামলার পর অনেক মানুষ ফেসবুকে দেশের মধ্যে অরাজগতা সৃষ্টি করতেও উসকানি দিয়েছে। তারা সবাই একটি কুচক্রী রাজনৈতিক দলের দোসর। আব্বাস জানিয়েছেন, তিনি ৭৭ সাল থেকে নির্বাচন করে আসছেন, কখনো মারামারি বা বিরোধে জড়িয়ে পড়েননি। তিনি বলেন, নির্বাচনে সবাই মিলেমিশে কাজ করেছেন। এই বিতর্কিত রাজনৈতিক দল, যারা সন্ত্রাসের আশ্রয় নিচ্ছে, তারা সরকারকে অস্থিতিশীল করতে চায়। তিনি কড়া ভাষায় দাবি করেন, হাদির ওপর হামলাকারীদের খুঁজে বের করে গ্রেফতার করা দরকার এবং তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে।

    সবশেষে, মির্জা আব্বাস বলেন, হাদি আমার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, তিনি আমার সহযোদ্ধা। আমি আশাবাদী, আবারও নিয়মিত পথে তার সক্রিয় উপস্থিতি দেখা যাবে এবং আমরা তার সাহসকে প্রশংসা করি।

  • মির্জা ফখরুলের দাবি: হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করুন

    মির্জা ফখরুলের দাবি: হাদিকে হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করুন

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি হাদির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন এবং এ ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দিকে মনোযোগ দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    শনিবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর পল্টন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে, যখন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মির্জা ফখরুল তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

    এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো স্থান নেই। তাকে কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমাদের মতাদর্শ যাই হোক, ভয়ভীতি বা শক্তির আশ্রয় নিলে সেটা গ্রহণযোগ্য নয়।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, তিনি শুনেছেন যে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং হাসপাতালে নেয়ার পর তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অচিরেই অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এই ঘটনার কঠোর জবাব দেবে।

    এর আগে, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমও এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হলো। তারা চান ঢাকা শহরকে চাঁদাবাজ ও গ্যাংস্টার থেকে মুক্ত করতে, এজন্য তিনি ছাত্র-জনতাকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।