Category: রাজনীতি

  • এনসিপির ১২৫ প্রার্থীর মধ্যে নারী ১৪ জন

    এনসিপির ১২৫ প্রার্থীর মধ্যে নারী ১৪ জন

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে দলের মনোনীত ১২৫ প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এসব প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেন।

    তালিকায় নারী প্রার্থীর সংখ্যা ১৪ জন। তাঁদের মধ্যে ডা. তাসনিম জারা, ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও dillshana paruld আছেন, যারা আগে থেকেই পরিচিত মুখ। তবে, সামান্তা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম এই তালিকায় এখনো স্থান পাননি।

    নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেবেন দেশের বিভিন্ন আসনে নির্বাচিত প্রার্থীরা। যেমন, নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিন, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), ঝালকাঠি-১ আসনে ডা. মাহমুদা আলম মিতু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    অন্যদিকে, ময়মনসিংহ-১১ আসনে তানহা শান্তা, ঢাকা-৯ আসনে ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১২ আসনে নাহিদা সারওয়ার নিভা, ঢাকা-১৭ এ ডা. তাজনূভা জাবীন, ফরিদপুর-৩ আসনে সৈয়দা নীলিমা দোলা, চাঁদপুর-২ আসনে ইসরাত জাহান বিন্দু, নোয়াখালী-৫ আসনে অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, চট্টগ্রাম-১০ এ সাগুফতা বুশরা মিশমা এবং খাগড়াছড়িতে অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিবেন।

    এনসিপির নারী প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত তালিকা হলো:

    1. মনিরা শারমিন (নওগাঁ-৫)
    2. দিলশানা পারুল (সিরাজগঞ্জ-৩)
    3. দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি) (সিরাজগঞ্জ-৪)
    4. ডা. মাহমুদা আলম মিতু (ঝালকাঠি-১)
    5. তানহা শান্তা (ময়মনসিংহ-১১)
    6. ডা. তাসনিম জারা (ঢাকা-৯)
    7. নাহিদা সারওয়ার নিভা (ঢাকা-১২)
    8. ডা. তাজনূভা জাবীন (ঢাকা-১৭)
    9. ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ (ঢাকা-২০)
    10. সৈয়দা নীলিমা দোলা (ফরিদপুর-৩)
    11. ইসরাত জাহান বিন্দু (চাঁদপুর-২)
    12. এডভোকেট হুমায়রা নূর (নোয়াখালী-৫)
    13. সাগুফতা বুশরা মিশমা (চট্টগ্রাম-১০)
    14. এডভোকেট মনজিলা সুলতানা (খাগড়াছড়ি)

  • বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর: মেগা প্রকল্পে যাবে না দলটি, বললেন তারেক রহমান

    বিএনপি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর: মেগা প্রকল্পে যাবে না দলটি, বললেন তারেক রহমান

    ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির অবসান ঘটাতে বিএনপি কোনো মেগা প্রকল্পে যাবে না বলে স্পষ্ট করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো বড় প্রকল্পে যাব না, কারণ এগুলো দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টি করে। বরং আমরা সরকারের কাছে অর্থ খরচ করব শিক্ষার উন্নয়ন ও জনবল প্রস্তুতিতে।’

    বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক ধারাবাহিক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    তিনি আরও বলেন, ‘ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবেই জয় আমাদের। দেশকে সঠিক পথে চালানোর জন্য ধানের শীষের জয় অপরিহার্য। এর কোনো বিকল্প নেই।’

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মানবাধিকার অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আমি চাই না আবার কোনো দল বা মানুষ মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হোক।’

    তারেক রহমান আরও বলেন, ‘মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সবাইকে মর্যাদার সঙ্গে জীবিকা চালাতে হবে। আমরা পর্যায়ক্রমে নারীদের জন্য পরিবার পরিকল্পনা কার্ডের ব্যবস্থা করব যাতে তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারে। এর মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি দৃঢ় হবে।’

    তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষা ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে যাতে ইংরেজির পাশাপাশি অন্য ভাষাতেও শিক্ষার্থীরা দক্ষ হয়ে ওঠে।

    অতিরিক্ত তিনি বললেন, ‘আমরা ভাবছি— যদি ক্ষমতায় আসি, তাহলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করব, তাদের মধ্যে ৮০-৮৫ শতাংশই নারী হবে। এর মাধ্যমে সার্বিক জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু হবে এবং দশ বছরের মধ্যে এর ফল দেখতে পাবো।’

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া—এই তিন মন্ত্রণালয় সারা বছর একসঙ্গে কাজ করবে। শহরের দমবন্ধ করা পরিবেশে খেলার মাঠের অভাব থাকায় আমরা নতুন মাঠ তৈরি করব।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দল আমাদের ভবিষ্যত পরিকল্পনা দেয়নি। এই পরিকল্পনাগুলিই একমাত্র বিএনপি দিয়েছে এবং আমরা এগুলো বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

  • মির্জা ফখরুলের ভাষণে বললেন: খুব কঠিন লড়াই হবে এই নির্বাচনে

    মির্জা ফখরুলের ভাষণে বললেন: খুব কঠিন লড়াই হবে এই নির্বাচনে

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে কঠিন লড়াই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, এই নির্বাচন শুধু সাধারণ নির্বাচন নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম যেখানে আমাদের সবাইকে ঈমানি সাহস নিয়ে অংশ নিতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে অনুষ্ঠিত বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচির পঞ্চম দিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সেখানে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এবারের নির্বাচন শুধুমাত্র ভোট দেওয়ার জন্য নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র ও স্বাধিকার রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি লড়াই।

    মির্জা ফখরুল আরও জানান, এই নির্বাচনে জয় লাভের জন্য জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, এ প্রচেষ্টায় আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, পেছনে টেনে নেওয়ার শক্তির বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত এই লড়াইয়ে বিএনপি সামনে দাঁড়িয়ে থাকবে। নিজেদের আত্মবিশ্বাস ও জনগণের দোয়া নিয়ে আমরা এই সংগ্রামে বিজয় অর্জন করবো বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    মির্জা ফখরুল অভিযোগ করেন, নতুন গঠিত একটি রাজনৈতিক জোট বিএনপিকে ‘সংস্কারবিরোধী’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। তিনি দৃঢ়ভাবে মন্তব্য করেন, দেশের যতবার সংস্কার এসেছে, তার বেশি ভাগই বিএনপির হাত ধরেই এসেছে। দেশের সব উন্নয়ন ও অগ্রগতির পেছনে বিএনপির অবদান রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, আমাদের লড়াই একটাই—দেশের গণতন্ত্র ও আধুনিকীকরণের জন্য এই সংগঠন সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

  • মির্জা ফখরুলের ঘোষণা: খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন নেত্রী

    মির্জা ফখরুলের ঘোষণা: খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন নেত্রী

    নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হতে চলেছে, এর আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুরুত্বপূর্ণ এক বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আজকের এই সেমিনারে উপস্থিত সব নেতাকর্মী ও সমর্থকদের জানাতে চাই, আমাদের নেত্রী এবং দলের প্রধান ঘোষণা অনুযায়ী খুব শিগগিরই দেশে ফিরে আসবেন। এই খবর শুনে পুরো দলের জন্যই নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকালবেলা রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি আরও বলেন, যখন আমাদের নেত্রী দেশে ফিরবেন, তখন পুরো দেশ কেঁপে উঠবে। সেই দিন বাংলাদেশ আজকের চেয়ে অনেক বেশি পরিবর্তিত ও উন্নত হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমরা যদি সত্যিই একসাথে কাজ করে এগিয়ে যাই, আমাদের এই লক্ষ্য অর্জন কোনোভাবেই অসম্ভব নয়।

    মির্জা ফখরুল তুলে ধরেন সামনের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দৃষ্টিভঙ্গি, দেশের মর্যাদা পুনরুদ্ধার এবং প্রগতির অঙ্গীকার। তিনি জানান, বর্তমানে আমাদের প্রধান লড়াই হলো নির্বাচনে জয় লাভ করা। এই নির্বাচনে আমাদের পুরো অবদানের মাধ্যমে বিজয় অর্জন করতে হবে, যাতে বাংলার মানুষ এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বিভিন্ন বাধা ও বিপত্তি আসবে, নানা ষড়যন্ত্র চলবে, ফ্যাসিবাদী শক্তির চেস্টাও বাড়বে। তবে তাদের সবাইকে আমরা রুখে দাঁড়াতে জানি এবং পরাজিত করব বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    এক সময় তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ দেশের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এই ইতিহাস অমূল্য। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যারা ১৯৭১ সালের যুদ্ধের শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান অস্বীকার করেন বা তাদের কুরুচিপূর্ণ ভাষায় অপমান করেন, তাঁদের সাহস কী করে হয় এইসব বলতে? আসলে এই বিপ্লবের প্রেরণাই আমাদের এই পাকিস্তানি শাসনবিরোধী আন্দোলনের পেছনে ছিল।

    বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, অনেক প্রজন্ম এখন ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তিতে আছে। যেখানে কেউ কেউ মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য করেন, সেখানে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে আজকের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে, অন্ধকারের মধ্যে আবারও যেন কোনও কালো ছায়া না পড়ে। এই জন্য নিজেদের ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন হতে হবে।

    তিনি বলেন, আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুধু শোনা নয়, বরং জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। নিজেদের কাজের প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে, যাতে তারা আমাদের সাথে সংহত হয়। এর মাধ্যমে বিশ্বাস ও আস্থা বাড়বে এবং আমাদের আন্দোলন আরও শক্তিশালী হবে।

    বৈঠকের শেষে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানের পর্যায়ক্রমে এসব আলোচনা ও পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়, যেখানে _তারেক রহমান_ আজ বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। সভাপতিত্ব করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

  • এনসিপির প্রথম ধাপে ১২৫ জন প্রার্থী নাম ঘোষণা

    এনসিপির প্রথম ধাপে ১২৫ জন প্রার্থী নাম ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১২৫ জন মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এই মনোনয়ন তালিকা প্রকাশ করেন। সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, আমাদের মনোনয়ন পত্র বিতরণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং এই মুহূর্তে প্রাথমিক নির্বাচনী তালিকা প্রকাশ করা হবে। কোনো প্রার্থী যদি তালিকার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তা তদন্তের মাধ্যমে প্রার্থিতা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই অনুষ্ঠানে দলের যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা বলেন, আমাদের মনোনয়ন তালিকায় বেশ কিছু ব্যতিক্রমী প্রার্থী রয়েছেন। দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সবাই ভোটে ‘হ্যাঁ’ বলবেন, আর আমাদের প্রার্থীরাও ভোট চাইবেন। আমাদের লক্ষ্য আমাদের দল ও দেশবিরোধী অপকর্ম, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, আওয়ামী লীগ ও অন্য কোনো অপরাধীকে সংসদে পাঠানো নয়। প্রার্থীর বিরুদ্ধে যদি কোনো অবৈধ অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করে দেওয়া হবে। আমরা প্রথম তালিকা ঘোষণা করব, এরপর আরও দুটি তালিকা আসবে।

    প্রার্থীদের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো:

    ১. পঞ্চগড়–১: মো. সারজিস আলম
    ২. ঠাকুরগাঁও–২: মো. রবিউল ইসলাম
    ৩. ঠাকুরগাঁও–৩: মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম
    ৪. দিনাজপুর–৩: আ. হ. ম. শামসুল মুকতাদির
    ৫. দিনাজপুর–৫: ডা. মো. আব্দুল আহাদ
    ৬. নীলফামারী–২: ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন
    ৭. নীলফামারী–৩: মো. আবু সায়েদ লিয়ন
    ৮. লালমনিরহাট–২: রাসেল আহমেদ
    ৯. লালমনিরহাট–৩: মো. রকিবুল হাসান
    ১০. রংপুর–১: মো. আল মামুন
    ১১. রংপুর–৪: আখতার হোসেন
    ১২. কুড়িগ্রাম–১: মো. মাহফুজুল ইসলাম
    ১৩. কুড়িগ্রাম–২: ড. আতিক মুজাহিদ
    ১৪. কুড়িগ্রাম–৩: ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি
    ১৫. গাইবান্ধা–৩: মো. নাজমুল হাসান সোহাগ
    ১৬. গাইবান্ধা–৫: ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান
    ১৭. জয়পুরহাট–১: গোলাম কিবরিয়া
    ১৮. জয়পুরহাট–২: আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল
    ১৯. বগুড়া–৬: আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি
    ২০. চাঁপাইনবাবগঞ্জ–২: মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান)

    এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীর নামের তালিকা নিম্নরূপ যা বিভিন্ন জেলা ও স্থান থেকে নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রতিনিধিত্ব করে। এই তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে এনসিপি নির্বাচনের জন্য তাদের মনোনীত প্রার্থীদের সনদ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পার্টির নেতারা।

  • নাহিদ জানিয়েছেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা ফ্যাসিজমের অভিযোগ পেলে প্রার্থী বাতিল হবে

    নাহিদ জানিয়েছেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা ফ্যাসিজমের অভিযোগ পেলে প্রার্থী বাতিল হবে

    আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এই ঘোষণাটি দেন। তিনি বলেন, যদি কাওো প্রার্থী দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা ফ্যাসিজমের সঙ্গে যুক্ত বা জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তবে তার প্রার্থীতাও বাতিল করা হবে। এপ্রক্রিয়াটি বর্তমানে চলমান এবং চলতেই থাকবে।

    প্রচারে আরো সকালে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ১২৫ জন প্রার্থীকের নাম ঘোষণা করেন। নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, দল কোনো আসন ভিন্ন কারো জন্য নির্দিষ্ট করে রাখতে চাননি। প্রাথমিকভাবে যেসব আসনের মনোনয়ন নির্ধারিত হয়েছে, তা আমাদের মনোনয়ন বোর্ডের রিপোর্ট অনুসারে ঠিক করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই তালিকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত, যাতে কেউ অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। অভিযোগ থাকলে, সেই অনুযায়ী প্রার্থীতাও বাতিল হতে পারে।

    নাহিদ আরও জানান, যা প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছে, তাঁদের জন্য তিনি অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যারা তালিকায় জায়গা পাননি বা প্রত্যাশী ছিলেন তা অর্জন করতে পারেননি, তাদের কাছে আমাদের আহ্বান—আমরা ভবিষ্যতেও তাঁদের মূল্যায়ন করবো।

    তিনি emphasize করেন, এনসিপি সাধারণ মানুষের, রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিদের, গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী এবং দেশের পরিবর্তন চেক মতো ব্যক্তি ও সংগঠনের কাছে বিনা দ্বিধায় নমিনেশন দিচ্ছে। এছাড়াও দল বাইরের পেশাজীবী, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, প্রবাসী বাংলাদেশিদেরকেও মনোনীত করছে।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে। নারা, পুরুষ, সংখ্যালঘু, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মধ্যে সমন্বয় করেই তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, চূড়ান্ত ৩০০ আসনে মনোনয়নের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যেখানে এখনও মনোনয়ন দেওয়া হয়নি বা দেওয়া হয়েছে, সেখানে আরও ভালো প্রার্থী থাকলে বিবেচনা করা হবে। যদি কেউ অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তার মনোনয়ন বাতিলও হতে পারে।

    তিনি শেষ মুহূর্তে বলেন, নতুন প্রার্থী ও ভালো সম্ভাবনাময় প্রতিযোগীদের বিনা দ্বিধায় মনোনয়ন দেওয়া হবে।

  • এনসিপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ: প্রভাবশালী নেতাদের আসন নির্ধারণ

    এনসিপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ: প্রভাবশালী নেতাদের আসন নির্ধারণ

    নির্বাচনী লড়াই শুরুর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রথম দফায় ১২৫টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটরে তাদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলের সভাপতি আখতার হোসেন প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেন।

    প্রথম দফার এই প্রার্থী তালিকায় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে নেতৃত্বদানকারী একজন মুখ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে ঢাকা-১১ আসনে (বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা এলাকা) দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রংপুর-৪ আসনে নির্বাচনে অংশ নেবেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    অন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম, ঢাকা-৯ আসনে তাসনিম জারা, ঢাকা-১৬ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহ এবং নোয়াখালী-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তাসনিম জারা বলেন, দলের একজন সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ও নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দেড় হাজারের বেশি প্রার্থী তাদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তবে, এনসিপির প্রার্থী তালিকা অন্যান্য দলের থেকে ব্যতিক্রমী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নেতৃত্বদানকারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও জানান, এবারের নির্বাচনে তারা ব্যাপকভাবে ব্যালট রেভল্যুশন চালানোর পরিকল্পনা করেছেন। তিনি দলীয় প্রতীক শাপলা কলি এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলার পক্ষে প্রচার চালানোর জন্য প্রার্থীদের আহ্বান জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিনসহ অন্য নেতারাও। এই প্রাথমিক ঘোষণা নির্বাচনী প্রক্রিয়া আরও উৎসাহ ও উদ্দীপনা যোগাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

  • এনসিপির ১২৫ প্রার্থী মধ্যে নারী ১৪ জন

    এনসিপির ১২৫ প্রার্থী মধ্যে নারী ১৪ জন

    আসন্ন প্রভাবশালী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং দেশের বিভিন্ন আসনের জন্য দলগুলো তাদের মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আজ (১০ ডিসেম্বর, বুধবার) সকাল ১১টায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের প্রথম ধাপে ১২৫ জন মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে। এই তালিকায় উল্লেখযোগ্যভাবে ১৪ নারী প্রার্থী রয়েছেন, যারা নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেবেন। এর মধ্যে ডা. তাসনিম জারা, ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও দিলশানা পারুলের মতো পরিচিত মুখগুলো স্থান পেয়েছেন। তবে, সামান্তা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম এখনও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি। আশা করা যাচ্ছে, তারা ভবিষ্যতে অন্ন্য নির্বাচনী ধাপেও অংশ নিবেন।আগামী নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে মনোনীত প্রার্থীরা হচ্ছেন, নওগাঁ-৫ থেকে মনিরা শারমিন, সিরাজগঞ্জ-৩ থেকে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ থেকে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রিয়তি), ঝালকাঠি-১ থেকে ডা. মাহমুদা আলম মিতু। এছাড়া অন্যান্য আসনেও তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।পশ্চিমা ও বৃহৎ শহরাঞ্চলে এই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে নির্বাচনে লড়াই করবেন। ময়মনসিংহ-১১ আসনে তানহা শান্তা, ঢাকা-৯ আসনে ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১২ আসনে নাহিদা সারওয়ার নিভা, ঢাকা-১৭ এ ডা. তাজনূভা জাবীন, ফরিদপুর-৩-এ সৈয়দা নীলিমা দোলা, চাঁদপুর-২-এ ইসরাত জাহান বিন্দু, নোয়াখালী-৫-এ অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, চট্টগ্রাম-১০-এ সাগুফতা বুশরা মিশমা, এবং খাগড়াছড়িতে অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন।নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেওয়া এই নারীরা দেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক মানসিকতা প্রকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। আসুন তাঁদের পরিচয় ও সম্ভাবনার ওপর এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।

  • খালেদা জিয়ার আসনে প্রার্থী দিলো এনসিপি

    খালেদা জিয়ার আসনে প্রার্থী দিলো এনসিপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১২৫টি আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর মধ্যে দিনাজপুর-৩ (দিনাজপুর সদর) আসনের জন্য দলটি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে আ হ ম শামসুল মুকতাদিরকে। যদিও এই আসনে বিএনপি অনুমোদিত প্রার্থী হিসেবে রয়েছে খালেদা জিয়ার নাম।

    ১০ ডিসেম্বর বুধবার সকালে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন মনোনয়ন কাগজের তালিকা প্রকাশ করেন। ওই সময় তিনি জানান, দলটি এপ্রিলে প্রার্থী নির্বাচন সম্পন্ন করেছে এবং আজ প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করছে। তিনি আরও বলেন, ‘যেসব প্রার্থীর নাম প্রকাশ হবে, তাদের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ থাকে, সেটি তদন্ত করে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।’

    অন্যদিকে, দিনাজপুর-৩ আসনে বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন অ্যাডভোকেট মইনুল আলম।

    প্রসঙ্গত, এর আগে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছিলেন যে, তারা খালেদা জিয়ার আসনে প্রার্থী দেবে না। তবে দলের দলীয় সিদ্ধান্ত এবং দিকনির্দেশনায়, বর্তমানে দলের পক্ষ থেকে তার নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

  • ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    ২০ দল নিয়ে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ

    আজ সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, রাজধানীর গুলশানে ইমানুয়েল পার্টি সেন্টারে এক তথ্যবহুল সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। এই জোটের নেতৃত্বে রয়েছেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, যারা বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি (জাপা) ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর ব্যক্তিগত নেতৃত্বে একত্রিত হয়েছেন। এই জোটের নাম দেয়া হয়েছে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট’ (এনডিএফ)।

    জোটে আরও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দল, যেমন – জনতা পার্টি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জাতীয় ইসলামিক মহাজোট, জাতীয় সংস্কার জোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টি, স্বাধীন পার্টি, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি, বাংলাদেশ মানবাধিকার পার্টি, বাংলাদেশ সর্বজনীন দল, বাংলাদেশ জনকল্যাণ পার্টি, অ্যাপ্লায়েড ডেমোক্রেটিক পার্টি, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগ।

    সংবাদ সম্মেলনে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক সংকট সমাধান এবং দেশের আগামীর জন্য একটি সুদৃঢ় মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন। আমরা দেশটির মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ২৪ জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান ও জাতীয় ঐক্যকে কেন্দ্র করে এগিয়ে যেতে চাই। এই নতুন জোটের মাধ্যমে আমরা জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ, ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দেওয়া শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই এবং অবকাঠামোগত সংস্কার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

    আনিসুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিজ নিজ স্বকীয়তা ও আদর্শ বজায় রেখে, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত নীতিমালা গ্রহণ করব। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই জোটের নাম দেয়া হয়েছে ‘জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট’।’

    তাঁর বক্তব্যে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়, যেমন:
    ১. ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন পরিচালনার জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
    ২. অন্তর্বর্তী সরকারকে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য দুই মাসের মধ্যে গঠন করতে হবে।
    ৩. অবৈধ হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করে নির্বাচন ও রাজনীতি স্বচ্ছ করতে হবে।
    ৪. আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
    ৫. নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
    ৬. স্বনির্ভর অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান উন্নয়নের জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।
    ৭. দুর্নীতি মুক্ত, জোরদার সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    অপরদিকে, গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নতুন আরেকটি রাজনৈতিক জোটের ঘোষণা দেয় তিনটি দল—নিহার ইসলাম নেতৃত্বাধীন ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’। এই জোটের নাম ঘোষণা করেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এই জোটের সদস্যরা হলো: এনসিপি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) এবং রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। এই জোটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশকে দুটি পথে চলতে না দেয়ার জন্য সরকারের পরিবর্তন, গণতন্ত্র ও সংস্কার প্রতিষ্ঠা করা। এর মাধ্যমে নতুন পরিবর্তনের সূচনা এবং দেশের রাজনৈতিক পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।