Category: জাতীয়

  • শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা: রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে

    শীতের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা: রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে

    রাজধানীসহ সারাদেশে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ার আশঙ্কা রোববার থেকেই শুরু হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রাতের তাপমাত্রা আরও কমে যেতে পারে, ফলে শীতের প্রকোপ বেশ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও, মধ্যরাত থেকে সকালের দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশা পড়ার প্রবণতা দেখা যেতে পারে। বিশেষ করে উত্তুরে জেলাগুলি এবং নীরবপ্রবাহীয় অঞ্চলগুলোতে ঘন কুয়াশা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে ষড়ঋতুচক্রের স্বাভাবিক পূর্বাভাস প্রকাশ করে জানিয়েছে, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও অবগাহন এলাকা থেকে গঠিত উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর পাশাপাশি, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে বিরাজ করছে এবং সেই সঙ্গে এর বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে দেশের আবহাওয়া পরীক্ষিতভাবে শুষ্ক থাকলেও কুয়াশা এবং তাপমাত্রায় পরিবর্তনের আশঙ্কা ইতিমধ্যে দেখা দিয়েছে।

    পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রথম দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, সারাদেশে প্রাথমিকভাবে আংশিক মেঘলা আকাশে আবহাওয়া থাকতে পারে, তবে খুব বেশি বদল আসবে না। তবে মধ্যরাত্রি ও ভোরের প্রথম প্রহরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা থাকছে। এই সময়ে রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রিতে নিম্নমুখী হতে পারে, যা সাধারণত শীতের তীব্রতা বাড়ানোর জন্য দায়ী। দিনের তাপমাত্রাও অল্প কিছুটা কমতে পারে।

    পরবর্তী দিনে অর্থাৎ শুক্রবার, সারা দেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় গভীর কুয়াশার দেখা দেবে, যেখানে মাঝারি থেকে অনেক ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, অন্যদিকে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    শনিবার ও রবিবার (২৭-২৮ ডিসেম্বর) একই ধরণের আবহাওয়া থাকতে পারে। এই দুই দিনেও আকাশ আংশিক মেঘলা থাকায় শীতের তীব্রতা কমবে না। মধ্যরাত থেকে ভোরের দিকে উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশাও দেখা দিতে পারে। সেই সময়ে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে যেতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রায় খুব বেশি পরিবর্তন আশা করা হচ্ছে না।

    চতুর্থ দিনে (২৮ ডিসেম্বর), একই রকম আবহাওয়ার সর্তকতা বজায় থাকলেও রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। শেষ দিন, অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বর, আবারও সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে ভোরের সময় উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে সেই সময় রাতের তাপমাত্রা আবারও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সবমিলিয়ে, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাতের তাপমাত্রা বেশ নিচে চলে যেতে পারে, যা স্বাভাবিকের থেকে আরও বেশী শীত অনুভব করতে বাধ্য করবে।

  • হাতে নিয়ে দেশের মাটি ছুঁলেন তারেক রহমান, খালি পায়ে হাঁটলেন

    হাতে নিয়ে দেশের মাটি ছুঁলেন তারেক রহমান, খালি পায়ে হাঁটলেন

    দেশের দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন ও অপার অপেক্ষা শেষে অবশেষে দেশের মাটিতে ফিরলেন বিএনপির ভারাভর্তি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখার মুহূর্তে প্রতিটি মুহূর্তে আবেগ আর অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটে। বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে তিনি প্রথমে জুতা খুলে খালি পায়ে নিজের মাতৃভূমির মাটিতে পা রাখেন। এরপর তিনি হাতে তুলে নেন এক মুঠো দেশের মাটি। প্রিয় স্বদেশের স্পর্শে তিনি গভীর আবেগে আপ্লুত হয়ে যান।

    বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রথমে দুই পায়ের জুতা খুলেন তিনি। এরপর হাতে নেন এক মুঠো দেশের মাটি। দলীয় সূত্রের ভাষ্য, এই ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল না। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর হঠাৎ করে তিনি কয়েকটা গাঁদা ফুলের গাছের পাশে গিয়ে দেশের মাটি স্পর্শ করেন। সেখানে তিনি জুতা খুলে খালি পায়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে নিচু হয়ে মাটি হাতে নেন এবং গভীর স্নেহসহ দেখেন।

    এর আগে, বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তারেক রহমান প্রথমে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময়, তার মেয়ে জামাইকে গোপাল ফুলের মালা দিয়ে গর্বের সঙ্গে বরণ করেন সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু।

    বিমানবন্দর ত্যাগের পর, এক লাল ও সবুজ রঙের বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে করে তিনি ৩০০ ফুট রোড নামে পরিচিত এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে রওনা হন।

    এদিকে, সেই মুহূর্তে বহু মানুষ, বিএনপির নেতা-কর্মী এবং সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা তারেক রহমানের বাসে হাত নাড়িয়ে স্বাগত জানান। রাস্তায় তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ব্যানার এবং জাতীয় পতাকা ধারণ করে উপস্থিত হন। এটি তার দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং স্বতঃস্ফূর্ত স্বাগত প্রকাশের নিদর্শন।

  • আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবর

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবর

    প্রায় এক দশক দশমিক পাঁচ বছর পর বাংলাদেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমান অবতরণ করে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি শুধু স্থানীয় সংবাদমাধ্যম নয়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে।

    বিশেষ করে কাতারভিত্তিক মিডিয়া আল জাজিরা প্রথমে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসিত থাকার পর বাংলাদেশে ফিরলেন দেশের বিরোধীদলীয় নেতা তারেক রহমান।’ শিরোনামটি স্পষ্ট করে দেয়, তিনি দীর্ঘদিন থেকে দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন।

    ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্সের শিরোনামও একই ধরণের—‘নির্বাচনের আগে দেশে ফিরলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী’। এতে তারেক রহমানের দেশের প্রতি প্রত্যাবর্তনের গুরুত্ব জোরপূর্বক তুলে ধরা হয়।

    পাকিস্তানের প্রভাবশाली পত্রিকা দ্য ডন ‘নির্বাচনের আগে ১৭ বছর নির্বাসন শেষে দেশে ফিরলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী’ বলে খবর প্রকাশ করে। এর আগে বিবিসি শিরোনামে লেখা হয়, ‘১৭ বছর পরে ফিরে এলেন বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী।’

    ভারতের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমও এই খবরকে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করে। এনডিটিভির শিরোনামে বলা হয়, ‘১৭ বছর পর স্ত্রী, সন্তান ও পোষ্য প্রাণী নিয়ে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান।’ এছাড়া হিন্দুস্তান টাইমস, দ্য হিন্দুসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই খবর ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর দুর্নীতির অভিযোগে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। তিনি প্রায় অর্ধযুগ কারাভোগ করেন। ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে অসুস্থতার কারণে সপরিবারে লন্ডনে চিকিৎসার জন্য যান। পরে ওই বছরের ডিসেম্বরে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার সময়, দেশে ফিরার পথ বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন মামলায় জর্জরিত থাকায় পুনরায় ফিরতে পারেননি তিনি। অবশেষে, দীর্ঘ এই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে, প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে এলেন তারেক রহমান।

  • তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য সাজো সাজো রব

    তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য সাজো সাজো রব

    আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ফিরে আসলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকতার শেষ করে তিনি একটি গাড়ি বহরের সঙ্গে কাওলা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছান। এরপর তার গাড়ি বহর পশ্চিম দিকে এগিয়ে যায়, রওনা নিয়ে যেতে সেখানে তৈরি বিশাল এক সংবর্ধনা মঞ্চের দিকে।

    বিমানবন্দরে তার অবতরণের সময় ছিল সকাল ১১টা ৪০ মিনিট। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীর পূর্বাচলে ৩০০ ফুট (পূর্বাচল) এলাকায় নির্মিত হয়েছে এক বিশাল সংবর্ধনা মঞ্চ। এই মঞ্চের আকার ৪৮ ফুট বাই ৩৬ ফুট, যা গত রোববার থেকে কঠোর পরিশ্রমে শ্রমিকরা প্রস্তুত করেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী এই এলাকায় ভিড় জমিয়েছেন।

    নির্মাণের পর থেকে এই মঞ্চ ও আশেপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোড়ে মোড়ে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি, যাতে যেন কেউ অপ্রয়োজনীয় অবাঞ্ছিত প্রবেশ করতে না পারে।

    বিশেষ করে প্রতীক্ষিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বিশাল সংখ্যক মানুষ—প্রত্যাশিত সংখ্যাটা ৫০ লাখের বেশি। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও অভ্যর্থনা কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী জানান, ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে এই এলাকায় তৈরি হয়েছে বিশেষ এই সংবর্ধনা মঞ্চ। তিনি আরও বলেন, এই দিনটি দেশের সর্বস্তরের মানুষের জন্য মহমিলন ও উৎসবের দিন হয়ে উঠবে।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, একত্রিত হয়ে এই ঐতিহাসিক দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই সূচনায় দেশের রাজনীতি ও মানুষের জীবনে নতুন অধ্যায় শুরু হবে।

  • তারেক রহমান দেশে ফিরে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতারা

    তারেক রহমান দেশে ফিরে স্বাগত জানালেন বিএনপি নেতারা

    প্রায় দেড় দশক পর প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ পরিবারসহ ঢাকা এসে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দলের নেতাকর্মীরা তদানুযায়ী স্বাগত জানান।

    বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তাদের বহনে থাকা বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যরা তাকে উষ্ণ স্বাগত জানান। একটি উল্লাসে অংশ নিয়ে তিনি বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। সামান্য পরে ফুলের মালা দিয়ে ডা. জুবাইদা রহমানের মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু তারেক রহমানকে বরণ করে নেন। ভেতরে বসে তিনি দেশপ্রেমিক স্বজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমার সাথে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা; তাদের মধ্যে ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

    তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের এই মাহেন্দ্রক্ষণ উপলক্ষে রাজধানীর পূর্বাচলে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪৮ ফুট প্রশস্ত বিশাল এক মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। কুড়িল মোড়সংলগ্ন সড়কের উত্তর পাশে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে এই মঞ্চ সাজানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে হাজারো নেতাকর্মী ঢোকায় এই শুভ মুহূর্তটি স্মরণীয় করে তুলেছেন।

    বিমানবন্দর থেকে তার পরিবার ও নেতাকর্মীদের নিয়ে তিনি পৌঁছবেন পূর্বাচলের ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে, যেখানে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করবেন। এরপর তিনি দেখা করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে এভারকেয়ার হাসপাতালে। সবশেষে, তিনি যান গুলশান-২ নম্বরের বাসভবনে।

    এর আগে, সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে তারেক রহমানের বহনকারী বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এক ঘণ্টার গ্রাউন্ড টার্নঅ্যারাউন্ডের পর, এটি বিকেল ১১টা ১০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৩৬ মিনিট (বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৩৬ মিনিটে) লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে সপরিবারে বাংলাদেশে ফেরেন বিএনপির এই নেতা। তিনি তাদের এই দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর এই শুভাগমনকে জীবনযাত্রার এক নতুন অধ্যায় হিসেবে মনে করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এক অনুভব প্রকাশ করে একলাইনে লিখেছেন, “দ্রুত ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে।”

    বিমান সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের জন্য বিশেষভাবে বরাদ্দ ছিল বিডিজি-২০২ বোয়িং ড্রিমলাইনার, যা লন্ডন হিথ্রো থেকে সিলেট হয়ে ঢাকায় পৌঁছেছিল। এই ফ্লাইটের রুট ছিল লন্ডন-সিলেট-ঢাকা এবং তার জন্য A1 সিট নির্দিষ্ট করা হয়।

    তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী, কন্যা, ব্যক্তিগত সচিব আব্দুর রহমান সানি, দলের প্রেস উইং কর্মকর্তারা, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা এবং আরও অনেকে।

    ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে দুর্নীতির অভিযোগে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে তাকে প্রায় ১৮ মাস কারাগারে রাখে। পরে, ২০০৮ সালে তারেক রহমানের লন্ডনে চলে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসার জন্য থাকতেন। সেই সময়ে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে, তার দেশে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ এই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিজের প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরলেন তিনি।

  • গুলশানে জুবাইদা ও জাইমা রহমানের উপস্থিতি

    গুলশানে জুবাইদা ও জাইমা রহমানের উপস্থিতি

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানের নিজের বাড়িতে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় এক সংবর্ধনাস্থলে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ৫৭ মিনিটের সময় তারা গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় জাইমা রহমান হাত নেড়ে উপস্থিত বিএনপি নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাড়িটি বিএনপি পার্লামেন্টের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজার পাশে অবস্থিত। জলপথ ও সড়ক দিয়ে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ, বিজিবি এবং র‍্যাব মোতায়েন করা হয়েছে, এবং আশপাশের রাস্তাগুলোতে যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। এর আগে, তারেক রহমান বহনকারী বিমানের পাখাটি সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে, বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান। পাশাপাশি তিনি দলের অন্য নেতাদের সঙ্গে একে একে কুশল বিনিময় করেন। তারেক রহমানকে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানান তার শাশুড়ি। এই সময়ে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও। তারেক রহমান বহনকারী বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ উড়োজাহাজটি স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লণ্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এ aviãoটি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অবতরণ করে। সেখানে স্বল্প সময়ের জন্য যাত্রাবিরতি সম্পন্ন করে, এরপর বিকেল ১১টা ১২ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

  • বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

    বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

    সরকার আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে নিয়োগের ঘোষণা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ফলে তিনি দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতা ব্যবহার করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।’এর আগে, সোমবার (২২ ডিসেম্বর), রাষ্ট্রপতি দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে এই নিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন। নতুন প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আগামী ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, সংবিধান অনুযায়ী, ৬৭ বছর বয়সে অবসরে যাচ্ছেন দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ, যিনি আগামী ২৭ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করবেন।বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও একজন বিচারক ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করে। পরে যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের উপর আরও একটি মাস্টার্স করেন।১৯৮৫ সালে জুবায়ের রহমান চৌধুরী প্রথমত জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের নিয়োগ পান, এবং দুই বছরের মধ্যে এই নিয়োগ স্থায়ী হয়ে যান।২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন। এরপর, ১৩ আগস্ট তিনি শপথ গ্রহণ করেন।

  • রামপুরায় ২৮ ছাত্র হত্যার ঘটনায় বিজিবি কর্মকর্তাসহ চারজনের বিচার শুরু

    রামপুরায় ২৮ ছাত্র হত্যার ঘটনায় বিজিবি কর্মকর্তাসহ চারজনের বিচার শুরু

    জুলাই-August মাসের গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জন ছাত্র-জনতাকে হত্যা করার ঘটনার অপরাধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিজিবি কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলামসহ চারজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল-১। আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর), আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ প্রদান করেন। প্যানেলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। মামলার প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারের শুরু করার আবেদন করা হয়। তবে, অপরাধে জড়িত হলেও গ্রেফতার বা পলাতক থাকায় আসামিদের আইনজীবীরা মুক্তির আবেদন করেন। ২১ ডিসেম্বর, পলাতক দুজনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আমির হোসেন, অপরদিকে অন্য দুজনের পক্ষ থেকে লড়েন আইনজীবী হামিদুল মিসবাহ। প্রত্যেকেই জামিন বা ডিসচার্জে আবেদন করেন। এ জন্য আজকের দিন ধার্য ছিল ট্রাইব্যুনালের। তবে, ধারে এই বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রতিরক্ষা করেন মঈনুল করিম ও শাইখ মাহদী। নিহতের মধ্যে গ্রেফতারকৃত একজন বিজিবির কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম। অন্যদিকে, পলাতক রয়েছেন ডিএমপি খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমান। এর আগে, ১৪ ডিসেম্বর বিষয়টি শুনানির কথা থাকলেও তা অনুষ্ঠিত হয়নি। ৬ ডিসেম্বর ফরমাল চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষ করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ২২ অক্টোবর, সেনা হেফাজতে থাকা রেদোয়ান ও রাফাতকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয় এবং শুনানি শেষে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। পলাতকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, জুলাই ও আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চলে। এর মধ্যে রামপুরায় নিহত হন ২৮ জন, আহত হন আরও অনেকে। আহত এবং নিহতের মধ্যে বিজিবি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি রেদোয়ানুলকে সরাসরি গুলি ছুড়তে দেখা গেছে। সেইসঙ্গে অন্যরাও এ হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেন। এই ঘটনার তদন্তে সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী চারজনের বিরুদ্ধে আলাদা ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করে প্রসিকিউশন।

  • ইসি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উপেক্ষা করলো: ড. বদিউল আলম

    ইসি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ উপেক্ষা করলো: ড. বদিউল আলম

    সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক এবং বিশ্লেষক অর্থনীতিবিদ ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল গেজেটে প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে কমিশন কোনো পরিবর্তন আনেনি, যা নির্বাচন সুষ্ঠুতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তারা উপেক্ষা করেছে।

    বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডের সিরডাপ মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) আয়োজিত নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কার অগ্রগতি বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. বদিউল আলম আরো জানান, নির্বাচনী ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও অনিয়ম প্রতিরোধে বিভিন্ন নির্বাচন কেন্দ্রে নির্বাচনী ব্যয় মনিটরিং কমিটি গঠনের প্রস্তাব থাকলেও এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো উদ্যোগ নেনি। এছাড়া, নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কার সংক্রান্ত বেশ কিছু সুপারিশ তারা গ্রহণ করলেও, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তারা উপেক্ষা করেছে।

    নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং নির্বাচন শেষে ফলাফল গেজেটে প্রকাশের বিষয়টিতে কোনো পরিবর্তন না আনার বিষয়েও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, মনোনয়নপত্রের সাথে প্রার্থীদের সর্বশেষ পাঁচ বছরের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার বিধান থাকলেও, এর সঙ্গে প্রার্থীর কর বর্ষের নির্দিষ্ট কপি জমা দেওয়ার অاناে খুব দায়িস্ম বলে মনে করেন। একাধিক আসনে এক ব্যক্তির প্রার্থী হওয়ার বিধানও আরপিওতে উপেক্ষিত হয়েছে।

    ড. বদিউল বলেন, দলের নিবন্ধন নবায়নে এবং নির্বাচনে অংশ না নিলে নিবন্ধন বাতিলের বিধানসহ কিছু সুপারিশ তারা গ্রহণ করলেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করেনি। স্বতন্ত্র প্রার্থীর জন্য ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর জমা দেওয়ার বদলে ৫০০ ভোটারের সম্মতি নেওয়ার সুপারিশটিও উপেক্ষা করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারে গঠিত কমিশন ১৮টি মূল ক্ষেত্রের সংস্কার নিয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে, তবে এখনো বেশ কিছু প্রস্তাব উপেক্ষিত রয়েছে।

  • সাবেক ডিএমপি কমিশneur হাবিবুরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জশিট দাখিল

    সাবেক ডিএমপি কমিশneur হাবিবুরসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জশিট দাখিল

    ২৬ জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইমাম হাসান তাইম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জশিট) দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারকের কাছে এ অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

    অভিযোগে নাম রয়েছে আরও নয়জনের, যারা সবাই পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, ওয়ারী জোনের সাবেক ডিসি ইকবাল হোসাইন, এডিসি শাকিল মোহাম্মদ শামীম, মো. মাসুদুর রহমান মনির, নাহিদ ফেরদৌস, যাত্রাবাড়ী থানার তৎকালীন ওসি আবুল হাসান, জাকির হোসাইন, মো. ওহিদুল হক মামুন, সাজ্জাদ উজ জামান ও মো. শাহদাত আলী। জানা গেছে, বাকিরা সবাই পুলিশবিভাগেরই কর্মী ছিলেন।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশ গুলিতে শহীদ হন ইমাম হাসান তাইম। তার বাবা মো. ময়নাল হোসেন ভূঁইয়া রাজারবাগ পুলিশলাইনসের উপ-পরিদর্শক। ওই দিন সকালে বন্ধুদের সঙ্গে চা飲 করতে বের হন তিনি, কিন্তু সেই স্মৃতি এখনো কষ্টের স্তম্ভ হয়ে থাকল। পুলিশ গুলিতে তিনি লাশ হয়ে ফিরেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে তার মরদেহ পাওয়া যায়, যেখানে ময়নাল ফোনে উপ-পরিদর্শক ছিলেন। তিনি মরদেহ দেখার সময় ফোনে বলেছিলেন, ‘স্যার, আমার ছেলেটা মারা গেছে। ওর বুক ঝাঁঝরা হয়ে গেছে গুলিতে। আমার ছেলে আর নেই। এটাই আমার জন্য বড় আঘাত। আর একজনকে মারতে কতগুলো গুলি লাগে, স্যার?’