Category: জাতীয়

  • খালেদা জিয়ার দাফন-জানাজা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হবে: প্রেস সচিব

    খালেদা জিয়ার দাফন-জানাজা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হবে: প্রেস সচিব

    বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এভারকেয়ার থেকে শুরু করে তার জানাজা ও দাফনের পুরো প্রক্রিয়ায় মোতায়েন থাকবে ১০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভার পরে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    প্রেস সচিব জানান, খালেদা জিয়ার মরদেহের দাফন ও জানাজা সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় থাকবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এটি পরিচালনা করার জন্য ১০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর পাশাপাশি, খালেদা জিয়ার জানাজায় উপস্থিত থাকবেন তার প্রধান উপদেষ্টা সহ সব উপদেষ্টা।

    এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। সভায় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম উপদেষ্টা আ ফম খালিদ হোসেন, আইন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, নৌপরিবহন ও শ্রম বিভাগে উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, স্থানীয় সরকার, শিল্প ও গৃহায়ন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও রেলপথের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মুক্তিযুদ্ধ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।

    এছাড়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

  • আঙুলের ছাপ দিয়ে খালেদা জিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন

    আঙুলের ছাপ দিয়ে খালেদা জিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন

    আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর), চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এটি তার জন্য এক বিশেষ মুহূর্ত, কারণ এই নির্বাচনকালে তিনি প্রথমবারের মতো স্বাক্ষরের পরিবর্তে আঙুলের ছাপ ব্যবহার করেছেন, যা ব্যাংকিং বা ভোটে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে এখন সাধারণ হলেও রাজনীতিতে এটা নতুন এক পদ্ধতি।

    খালেদা জিয়া তিনটি আসনে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন—বগুড়া-৭, দিনাজপুর-৩, ও ফেনী-১।

    দিনাজপুর-৩ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি। এছাড়াও, এই আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও দিনাজপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমও মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

    বগুড়া-৭ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হেলাল উদ্দিন তালুকদার লালু এবং জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম।

    অপরদিকে, ফেনী-১ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু। এই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য এসব মনোনয়নপত্র দাখিলের মাধ্যমে তারা নির্বাচনী প্রচারনায় প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

  • নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি প্রার্থী মনজিলা ঝুমা

    নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন এনসিপি প্রার্থী মনজিলা ঝুমা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা ঝুমা। তিনি দলের দক্ষিণাঞ্চলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক। গতকাল রোববার (২৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন।

    মনজিলা সুলতানা ঝুমা সেই পোস্টে উল্লেখ করেন, এনসিপি দেশের ১২৫টি সংসদীয় আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে। এর মধ্যে খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে তাকে দল থেকে মনোনীত করা হয়। এর আগে, ২৪ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি জেলা থেকে তার মনোনয়নপত্র দলের পক্ষ থেকে উত্তোলন করা হয়।

    তবে, নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি গতকালই দলের খাগড়াছড়ি জেলা আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে জানিয়ে দেন। ওই পোস্টে তিনি স্পষ্ট করেন, প্রাথমিকভাবে তারই সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন থাকলেও, তিনি নিজেই এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া ও দলকে অবহিত করেছেন।

    অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে মনজিলা ঝুমা বলেন, আমি অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা ঝুমা, তবে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি অংশ নিচ্ছি না। তবুও, তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে তরুণরা একদিন সংসদে যাবে—আজ হয়তো নয়, তবে একদিন অবশ্যই।

    এদিকে, জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা করেছে এনসিপি। এই বিষয়টি জানাতে ২৮ ডিসেম্বর রাতেই রাজধানীর বাংলামটরে দলের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সেখানে তিনি বলেন, দলটির সর্বসম্মত মতের ভিত্তিতে এই জোট গঠন করা হয়েছে যাতে বৃহত্তর ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

    একাধিক নেতার পদত্যাগের বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে আবার আলোচনা করা হবে, বোঝানোর চেষ্টা করা হবে।

  • বগুড়া-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মীর শাহে আলম

    বগুড়া-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মীর শাহে আলম

    বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে আগামী নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী কে হবেন, এ নিয়ে বেশ গুঞ্জন রয়েছে। অবশেষে, বিএনপি পক্ষ থেকে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মীর শাহে আলমকে। রবিবার (২৯ ডিসেম্বর ২০২৫) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এই মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এ খবর নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাহ। এর আগে, বিএনপি এই আসনে সাবেক নেতা মাহামুদুর রহমান মান্নাকে মনোনয়ন দিয়েছিল। তবে তার ঋণখেলাপির কারণে তাকে নির্বাচন করার শঙ্কা দেখা দেয়। আজ সকালে ঢাকার একটি চেম্বার আদালত মান্নার ঋণ খেলাপির বিষয়টি ভুল সংশোধন করে, তাকে ঋণখেলাপি থেকে মুক্ত করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়। এর ফলে এই আসন নিয়ে বেশ বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলম জানান, ‘আজ দলের পক্ষ থেকে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আমি বিকেল ৩টায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করবো।’ অন্যদিকে, বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশাহ বলেন, ‘মীর শাহে আলমকে দলের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এর আগে, মাহামুদুর রহমান মান্নাকে এই আসন ছেড়ে দিতে বলা হয়েছিল। তবে এখন দল প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।’

  • ফেনীতে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন নিবন্ধন সম্পন্ন

    ফেনীতে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন নিবন্ধন সম্পন্ন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ফেনী-১ আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে। আজ সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে দলের প্রার্থীরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হকের কাছে এই মনোনয়নপত্র প্রদান করেন। বিএনপি নেতা ও নির্বাচনী সমন্বয়ক রফিকুল আলম মজনু, যিনি বর্তমানে ইভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় বিকল্প প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন, তিনি জানান, দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি খালেদা জিয়ার পক্ষে কাজ করবেন। এই সময়ে ফেনী-৩ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, ফেনী-২ আসনে দলের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবদীনও মনোনয়নপত্র জমা দেন। এছাড়া, দুপুর ২টার মধ্যে ফেনী-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী এসএম কামাল উদ্দিন, ফেনী-৩ আসনে জামায়াতের ডা. মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন মানিক, পিআরপি চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম, বাসদ জেলা সভাপতি জসিম উদ্দিন ও জাতীয়পার্টির আবু সুফিয়ান ও অন্যান্য প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তফসিল অনুযায়ী আজ সোমবার বিকেল ৫টার মধ্যে সকল প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।

  • নির্বাচনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ইসির চিঠি

    নির্বাচনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে ইসির চিঠি

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্নের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে এক জরুরি চিঠি পাঠিয়েছে। এই চিঠিতে তাঁরা বিশেষ করে প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ জন্য নির্বাচন পরিচালনায় নিয়োজিত সকল কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, নিরপেক্ষতা ও আইনানুযায়ী আচরণের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে মন্ত্রী ও দফতরগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে এই সংক্রান্ত ডিও লেটার মন্ত্রিপরিষদের সিনিয়র সচিবকে সরাসরি পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যে জানা যায়, এই নির্বাচন অক্টোবর থেকেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার এবং ৪৯৯ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যেও সব الوز্রনালয়, বিভাগ, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও পর্যাপ্ত সংখ্যক ভোটদাতা কর্মকর্তার নিয়োগের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর পাশাপাশি, দেশের জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ভোটার, সরকারি চাকরিজীবী, নির্বাচনী কর্মকর্তারা এবং জেলখানা ও আইনী হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থাও প্রবর্তন করা হয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব গ্রুপের ভোটদানের সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এ উদ্যোগের প্রতি অঙ্গীকার করে বলা হয়েছে, সকল নির্বাচনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী যেন দায়িত্বশীল ও সততার সঙ্গে কাজ করেন, এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখেন। নির্বাচনের দায়িত্বে যারা আছেন, তারা যেন সকল আইন-বিধান সম্পর্কে শুধু সতর্ক থাকেন, ভুলত্রুটি মুক্তভাবে দায়িত্ব পালন করেন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা ও সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ে মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় আগামী ২৯ ডিসেম্বর। এরপর উল্লেখিত তারিখে মনোনয়নপত্র বাছাই, আপিল, শেষ দিনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ ও প্রচারণার সময়সূচি নির্ধারিত রয়েছে। নির্বাচনে ভোট গ্রহনের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী শপথ গ্রহণ করলেন

    প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী শপথ গ্রহণ করলেন

    দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গভবনে জাতির পক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধান বিচারপতিকে এই শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে, গত ২৩ ডিসেম্বর, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন সচিব लিয়াকত আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসাবে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ তার শপথ নেওয়ার তারিখ থেকে কার্যকর হবে। তিনি ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে যোগ দেন এবং ১৯৮৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্টে নিয়োগ পান, এবং দুই বছর পরে হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন। জুবায়ের রহমান চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে যুক্তরাজ্যে বৈশ্বিকে আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে আরও শিক্ষাগ্রহণ করেন।

  • আয়কর রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়লো

    আয়কর রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়লো

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এটি ঘোষণা করেছে যে, ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় আরেকটি মাসের জন্য বাড়ানো হয়েছে। ফলে, করদাতারা আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত ২০২৫-২৬ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। আস originally, রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন ছিল ৩০ নভেম্বর, পরে সেটা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এনবিআরের সচিব মো. একরামুল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ সময় বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত ৩০ নভেম্বর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন থাকলেও, এই বছর অনলাইনে আয়কর জমা বাধ্যতামূলক হওয়ায় সময় বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়ে। প্রথমে সময় বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর করা হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি ও করদাতাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এই সময় আরও এক মাস বাড়ানো হয়েছে।

    এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান জানান, অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের এ সিদ্ধান্ত একটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত এবং জনগণের সুবিধার্থে সময় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। এই আইনের আওতায় এবার থেকে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হয়েছে। তবে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী, শারীরিকভাবে অক্ষম, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি বা মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত শিথিল থাকবে। এছাড়া এই সুবিধা তারা চাইলে ই-রিটার্নও দিতে পারবেন।

    করদাতাদের সুবিধার জন্য, তারাও তার প্রতিনিধির মাধ্যমে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। পাশাপাশি, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ইমেইল ইত্যাদি তথ্য দিয়ে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাচ্ছেন। এখন কোনো নথি বা দলিল আপলোডের প্রয়োজন ছাড়া, ব্যাংকিং বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে আয়কর পরিশোধ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিটার্নের স্বীকারপত্র পেতে পারেন করদাতারা।

    এছাড়া, অন্য কোনও সমস্যায় সহায়তার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড একটি কল সেন্টার চালু করেছে। করদাতারা এই কল সেন্টারে গিয়ে বা সারাদেশের ই-রিটার্ন হেল্প-ডেস্ক থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছেন।

    বর্তমানে, এই অর্থবছরের জন্য, শনিবার পর্যন্ত মোট ২৮ লাখ ৮৫ হাজার করদাতা রিটার্ন দাখিল করেছেন।

  • হাদি হত্যা: শ্যুটার ফয়সাল ও আলমগীর ভারতে পালানোর বিস্তারিত route

    হাদি হত্যা: শ্যুটার ফয়সাল ও আলমগীর ভারতে পালানোর বিস্তারিত route

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বলেছেন, হাদির হত্যাকাণ্ডের রাতের ঘটনা পরই ময়মনসিংহের সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায় শ্যুটার ফয়সাল ও আলমগীর। পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সূত্র, সিসিটিভি ফুটেজ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার দিনই তাদের শনাক্ত করা হয়। তদন্তে প্রাথমিক তথ্যে প্রকাশ পেয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদ দাউদ ওরফে রাহুল এবং তার সহযোগী মোটরসাইকেল চালক মো. আলমগীর শেখ কীভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। তারা প্রথমে ঢাকার মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে উপস্থিত হয়, এরপর সাভার, হেমায়েতপুর, আগারগাঁও ও নরসিংদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। তবে, তারা তদন্তে বলেছে, নাটকীয় এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা তারা আগেই করেছিল। এর অংশ হিসেবে, ডিএমপির বিশেষ দল ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের সীমান্তবর্তী এলাকা পর্যন্ত অনুসন্ধান চালিয়েছে। ঘটনার মূল masterminds ও পালানোর সহায়তাকারীদের ধরতে পুলিশ কাজ করছে, যার মধ্যে মোট ১১ জনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ফয়সালের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বন্ধু মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির নুরুজ্জামান নোমানিয়া, সিবিয়ন দিও, সঞ্জয় চিসি, মো. আমিনুল ইসলাম রাজু, আব্দুল মান্নান এবং আলমগীরের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিমন রয়েছেন। তারা ছাড়াও, হত্যার জন্য ব্যবহৃত দুই বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড গুলি, ম্যাগজিন, ছুরি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং ভুয়া নম্বর প্লেটসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে জানা গেছে, এই খুনের পরিকল্পনা তারা ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে শুরু করে মানিকগঞ্জের কালামপুর, ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পৌঁছানোর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী করে। ধরা পড়ার আগে তারা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যায় এবং স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে ভারতে তাদের হস্তান্তর সম্পন্ন করা হয়। পুলিশ কর্মকর্তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, অভিযুক্তরা অবৈধ পথে সীমান্ত পেরিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত ছয়জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৬৪ ধারায়। পুলিশ বলছে, পুরো তদন্ত চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • হাদি হত্যা: হামলাকারীর ২ সহযোগী ভারতের মেঘালয়ে গ্রেফতার

    হাদি হত্যা: হামলাকারীর ২ সহযোগী ভারতের মেঘালয়ে গ্রেফতার

    ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ভারতের মেঘালয় পুলিশের মাধ্যমে হাদি হত্যা মামলার দুই সন্দেহভাজন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই খবর রোববার (২৮ ডিসেম্বর) একটি বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়, যেখানে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

    তিনি জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যায় জড়িত মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সহযোগিতা করেছিলেন বলে অভিযোগ, এবং তাদের ভারতের মেঘালয়ের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই দুইজনের নাম হলো পুর্তি ও সামী।

    ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকার বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেলে আসা দু’জন সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। গুলিবর্ষণের ফলে তার মাথায় গুলি লাগে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে initially ভর্তি করা হয়, তবে অবস্থার অবনতি দেখে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানেই ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু ঘটে।

    এ ঘটনায় পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের হয়, যার প্রধান আসামি হিসেবে শ্যুটার ফয়সালকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার সহযোগীদের এখনো ধরতে পারেনি পুলিশ। অনুমান করা হচ্ছে, তারা ভারতে পালিয়ে গেছে। অবশেষে আজ গোপন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেফতার করে মেঘালয় পুলিশ।

    অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জানান, হাদির হত্যাকাণ্ড পরিকল্পনা অনুযায়ী ছিল। ঘটনার পর ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকা থেকে সিএনজিতে করে বেড়াতে বের হয়। এরপর তারা আমিনবাজার, কালামপুর এবং ময়মনসিংহ সীমান্তের দিকে যান। সেখানে ফিলিপ স্নাল ও সঞ্জয় নামের ব্যক্তির মাধ্যমে তাদের ভারতের মেঘালয়ে আনা হয়।

    পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, ভারতে পৌঁছানোর পর ফিলিপ এই দুজনকে তুরা নামে এক স্থানে পৌঁছে দেন, যেখানে তাদের হাতে তুলে দেন ভারতের নাগরিক পুর্তি। পরে সামী নামে আরও একজনের গাড়িতে করে তারা পালিয়ে যায়। এই সম্পত্তি ও মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দেয়।

    এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ছ’জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ পিছনে যারা রয়েছেন, তাদের নাম-ঠিকানা উন্মোচনের জন্য কাজ চলমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে তিনি বলেন, এটি একটি রহস্যজনক হত্যাকাণ্ড, যার পেছনে বহু লোক জড়িত থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শিগগিরই মূল হত্যাকাণ্ডের মূল দায়িদের পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করা হবে।