Category: জাতীয়

  • বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলে নিহত

    বগুড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলে নিহত

    বগুড়ার সোনাতলায় ট্রেনে কাটা পড়ে মা-ছেলে নিহত হয়েছেন। এ সময় তাদেরকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও একজন আহত হয়েছেন। এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা ঘটেছে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সোনাতলা রেল স্টেশনের অদূরে ছয়ঘড়িয়াপাড়ায়।

    সোনাতলা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান, নিহতরা হলো রনি বেগম (৩০) এবং তার ছেলে ইয়াসিন আরাফাত (১০)। তারা দুজনই পার্শ্ববর্তী Gobindganj উপজেলার দৌহাইল গ্রামের বাসিন্দা।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারনা মতে, রনি বেগম তার ছেলেকে নিয়ে সোনাতলা বাজারে কোচিং সেন্টারে যাচ্ছিলেন। রেললাইনের পাশে হাঁটার সময় লালমনিরহাটের দিকে যাওয়া পদ্মরাগ ট্রেন দেখতে পেরে রনি অঝোরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করেন। সঙ্গে সঙ্গে তার ছেলে ইয়াসিন আরাফাত মা’কে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে তারা দুজনেই ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন।

    ঘটনাকে দেখে পথচারী তাজুল ইসলাম (৬৫) তাদের উদ্ধার করতে গেলে তিনিও ট্রেনের ধাক্কায় আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন।

    পুলিশ জানিয়েছে, নিহত রনি বেগম মানসিক রোগী ছিলেন, এবং এর আগে বাড়িতে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, ওই নারীর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ছিল।

    সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে, এবং পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

  • তরুণ ভোটার হিসেবে ইসিতে তারেক রহমান

    তরুণ ভোটার হিসেবে ইসিতে তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভোটার হওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে (ইসি) গেছেন। তিনি ঢাকার গুলশান এলাকার ডিএনসিসি ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের একজন ভোটার হবেন। এ জন্য তিনি ইতোমধ্যে অনলাইনের মাধ্যমে নিজের ভোটার ফরম পূরণ করেন এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানের পক্ষে কিওয়ার্ড দাখিল করেছেন। আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে তিনি ইসিতে পৌঁছান।

    জানা গেছে, ভোটার হওয়ার জন্য তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো আইনি বাধা নেই, কারণ তার নাগরিকত্ব ও ভোটার হওয়ার নিয়মাবলি পুরোপুরি মেনে চলেছেন তিনি। ইসি তারেক রহমানকে ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম সম্পন্ন করবে, যার মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি ও ছবি প্রদান, আঙুলের ছাপ নেওয়া এবং অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা অন্তর্ভুক্ত।

    অতিরিক্তভাবে, জানানো হয়েছে যে, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন যে কোনো যোগ্য ব্যক্তিকে কখনোই কাউন্সিল বা অন্য কোনো সময়ে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত করার এখতিয়ার রাখে। ফলে, প্রকৃতপক্ষে তারেক রহমানের ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো আইনি জটিলতা নেই। সাধারণ নাগরিকদের মতো এখানেও সব নিয়ম অনুসরণ হবে—তথ্য যাচাই, ছবি ও আঙুলের ছাপ গ্রহণসহ সব আনুষ্ঠানিকতা যথাযথভাবে সম্পন্ন হবে।

    এর আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তাকে স্বাগত জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ও অন্যান্য শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। তিনি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, কবর জিয়ারত করেন, পাশাপাশি মহান মোনাজাত করেন। এ সময় তিনি কবিতা ও গানের কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিতে ফুল দেন।

    সুবিধাজনকভাবে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ, ছাত্রলীগ নেতা সাদা দলের আহ্বায়কেরূপে অধ্যাপক ড. মোরশেদ হাসান খান, ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়েম, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছিরুদ্দিন নাছির, ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান ও ডাকসুর ছাত্রপরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাতের কিছু পেরিয়ে তারেক রহমান নির্বাচন কমিশনে এনআইডি রেজিস্ট্রেশনের জন্য রওনা হন।

    বেলা ১০:৪০ মিনিটে তারেক রহমান গুলশানের বাসা থেকে বের হন। তার আগমন দেখতে সকাল থেকেই শাহবাগ মোড় ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নেতাকর্মী উপস্থিত হন।

    প্রায় দেড় বছর নির্বাসনের পর, গত বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তিনি দেশে ফিরে আসেন। তার প্রত্যাবর্তনের খবর পেয়ে লাখো নেতা-কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষ ঢাকায় ভিড় জমায়। ঢাকার পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফুট) এলাকায় এক বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে দেশর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

    অতঃপর শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন তারেক রহমান। পথে পঁুরে হাজারো নেতাকর্মী তাকে স্বাগত জানায়, উৎসাহে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তিনি যান জিয়া উদ্যান এবং সেখানে বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শহীদ জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি ফাতেহা পাঠ করেন, দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন, যাতে শহীদ জিয়ার রুহের মাগফিরাত ও বিএনপি নেত্রীর সুস্থতা কামনা করা হয়।

    তিনি এরপর সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথে জনতার ঢল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেষ্টা থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। রাত ১০টার দিকে তিনি স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

  • জোবায়দা ও জাইমার ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত

    জোবায়দা ও জাইমার ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান এবং মেয়ে জাইমা রহমানের নাম এখন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের ইটিআই (ইলেকশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট) ভবনে গিয়ে তারা নিজ নিজ ভোটার নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

    নির্বাচন কমিশনের সূত্র জানায়, দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ডা. জোবায়দা রহমান ও জাইমা রহমান ইটিআই ভবনে পৌঁছেছেন। এরপর কিছু মিনিটের মধ্যে, অর্থাৎ ১২টা ২৬ মিনিটে তারা ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে ছবি তোলা, আঙুলে ছাপ নেওয়া ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে তাদের ভোটার নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। নিবন্ধনের পর, দেড়টার দিকে জাইমা রহমান নির্বাচন কমিশন ভবন ত্যাগ করেন।

    এ সময় নির্বাচন কমিশন ভবন ও আশপাশের এলাকায় কড়া সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল। পুলিশ, র‍্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গুরুত্ব সহকারে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলোতে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং আশপাশে অতিরিক্ত নজরদারি চলে।

    নিরাপত্তার কারণে সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষকে ভোটার কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। তাদের কেন্দ্রের বাইরে অবস্থান করতে দেখা গেছে। পুরো নির্বাচন ভবন জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিচালিত হচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ডা. জোবায়দা রহমান ও জাইমা রহমানের ভোটার নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় সব আইনি নিয়ম পালন করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী তাদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা হয়নি।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর তিন মাস নির্বাসনের পর সোমবার ২৫ ডিসেম্বর তারা দেশে ফিরেছেন।

  • তারেক রহমান এনআইডি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন

    তারেক রহমান এনআইডি রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন

    জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাওয়ার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টায় নির্বাচন কমিশনে (ইসি) উপস্থিত হন। সেখানে তিনি আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দিয়ে এনআইডি রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

    নির্বাচন কমিশনের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের জানান, তারেক রহমান অনলাইনে ফরম পূরণ করেছেন। এরপর তিনি আমাদের কাছে এসে শুধুমাত্র আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান করান। সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার তথ্য সার্ভারে পাঠায় এবং তা অন্য কারও সঙ্গে মিললে তা নিশ্চিত করে। যদি মিল না হয়, তাহলে ৫ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার এনআইডি নম্বর জেনারেট হবে। তিনি চাইলে আমাদের কাছ থেকে স্মার্ট কার্ড বা এনআইডি সংগ্রহ করতে পারবেন।

    এছাড়াও তারেক রহমানের মোবাইলে এসএমএস যাবে, যেখান থেকে তিনি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আজকের মধ্যেই তার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রথমে ভোটার নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি নির্বাচন কমিশন ত্যাগ করেন। তিনি সকাল ১টার পর আগারগাঁওয়ের ইটিআই ভবনে প্রবেশ করেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলি সম্পন্ন করে প্রমাণিত হন। চেকিং, ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ গ্রহণের মাধ্যমে তাঁর নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হয়।

    নিবন্ধনের পরে দেখানো যায়, বিকেল ১টা ২০ মিনিটের দিকে তারেক রহমানের গাড়িবহর নির্বাচন কমিশন এলাকা ত্যাগ করে। এ সময় আগারগাঁও এলাকায় ব্যাপক নেতা-কর্মী উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তারা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেয় এবং তারেক রহমানকে স্বাগত জানায়। বাহন বের হওয়ার সময় তিনি হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান, এতে অংগীকার ও উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস নির্বাসন শেষে ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরে আসেন। ফিরে আসার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কাজ শুরু করেছেন। ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে তার নাগরিক অধিকার ব্যবহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হলো।

  • পাগলা মসজিদে চার ঘণ্টায় ৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা সংগ্রহ

    পাগলা মসজিদে চার ঘণ্টায় ৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা সংগ্রহ

    কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে দানসিন্দুক থেকে প্রায় তিন মাসের ব্যবধানের মধ্যে আরও এক বিশাল অর্থের সন্ধান পাওয়া গেছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সোয়া ৭টায় দানসিন্দুক খোলার পর, মসজিদের দ্বিতীয় তলার মেঝেতে বসানো ৩৫টি বস্তা থেকে দেখা যায় কেবল গণনার মধ্যেই চার ঘণ্টার মধ্যে ৮ কোটি ২৩ লাখ টাকার বেশি অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ভবনটিতে অবস্থিত দানসিন্দুকগুলো খুলে প্রথমে পাওয়া যায় বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রা ও নগদ টাকা। গণনা চলাকালে প্রায় ৫০০ জনের বিশাল দল অংশ নেয়, যারা দীর্ঘ সময় ধরে meticulousভাবে এই আর্থিক রেকর্ডের কাজ চালিয়ে যান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী হারেছী। তিনি জানান, এখন এই টাকা ব্যাংকে জমা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা এবং পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এর আগে, আগস্টে ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকার সংগ্রহের রেকর্ড ছিল এবং এপ্রিলের সময় আরও ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায়। এই মসজিদের দানবাক্স প্রায়ই নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করছে, যা প্রচুর মানুষ থেকে সেবা and দানের অংশ হিসেবে আসে। এই দানের টাকাগুলি নানা নির্মাণমূলক প্রকল্প, সমাজসেবা ও দরিদ্র মুখে পুনর্বাসনে ব্যয় করা হয়। আরও উল্লেখ্য, ২০২২ সালের নভেম্বর একই দানবাক্স থেকে ৮ কোটি ২১ লাখেরও বেশি টাকা সংগ্রহ হয়েছিল। পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটি জানিয়েছেন, এই অর্থ দিয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যার নাম ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’। এই প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয়ের মূল্যমূল্য অনুমান করা হয়েছে ১১৫ কোটি টাকা, যেখানে ৩০,০০০ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি শুধু ধর্মীয় কেন্দ্র নয়, বরং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের এক গুরুত্বপূর্ণ স্পট হিসেবে গড়ে উঠবে।

  • আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

    আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

    বাংলাদেশের বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) নিজেকে নিয়মিত কাজে অংশ নেওয়ার জন্য আগারগাঁওয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন কেন্দ্রের কর্মসূচির শেষ পর্বের কাজ শেষ করে বিকেলে বনানীতে তার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারতের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। এ সময় তারা পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও মোনাজাত পাঠ করেন।

    আরাফাত রহমান কোকো ১৯৬৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালীন বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে, জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে রেখে যান।

    তারেক রহমানের সঙ্গে তার ছোট ভাইয়ের প্রথম কবর জিয়ারত এটি। উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি বিদেশে ছিলেন তাদের মধ্যে যুক্তরাজ্যেই অবসর কেটেছে। ১৭ বছর পর চলতি বছরের বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফিরে আসেন।

    আফরাত রহমান কোকো তাঁর জীবনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ করেছিলেন। তার খ্যাতির পাশাপাশি তিনি দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নেও অবদান রেখেছেন। এই প্রথম তিনি তার ছোট ভাইয়ের কবর জিয়েছেন, যা পরিবারের জন্য অনেকই গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় ঘটনা।

  • তারেক রহমানের ফেরায় দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে, মন্তব্য রিভা গাঙ্গুলির

    তারেক রহমানের ফেরায় দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে, মন্তব্য রিভা গাঙ্গুলির

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঢাকা প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস। বৃহস্পতিবার ভারতের সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    রিভা গাঙ্গুলি দাস বলেন, আমি মনে করি তার এই প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক দিক থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অনেক দিন দেশের বাইরে থাকার পর তিনি আবার ফিরলেন, পাশাপাশি খালেদা জিয়া ব্যক্তিগত অসুস্থতার কারণে দলের পুরো দেখভাল করতে পারেননি, ফলে তিনি দলের দায়িত্ব সামলে নিয়েছেন।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলের প্রথম দিকে প্রচুর অস্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছিল, এর পরই তারেক রহমান দলীয় সমর্থন শক্তিশালী করে তোলেন। যদিও তিনি অনলাইনে ও অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এই কাজ করেছেন, তবুও তিনি দলের নেতৃত্ব সামলাতে সক্ষম হয়েছিলেন। এখন যখন দেশ নানা সহিংসতার মধ্য দিয়ে চলছে এবং রাজনৈতিক মতভেদে বিভক্ত, তখন তার ফেরত দেশের স্থিতিশীলতা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে পারে বলে ধারণা করছে বিশেষজ্ঞেরা। এর ফলে বাংলাদেশে মধ্যপন্থী শক্তিগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্য ও সমঝোতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফিরলেন বিএনপি’র এই নেতাকর্মী।

  • সরকারের দাবি, পাংশায় সম্রাট হত্যাকাণ্ডের অপপ্রচার স¤প্রদায়িক নয়

    সরকারের দাবি, পাংশায় সম্রাট হত্যাকাণ্ডের অপপ্রচার স¤প্রদায়িক নয়

    রাজবাড়ীর পাংশা থানাধীন এলাকায় অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাটের হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সামাজিক বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এই অপপ্রচার সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে বিভ্রান্তিকর, উসকানিমূলক ও সা¤প্রদায়িক বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিফুল আলমের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়েছে, রাজবাড়ীর পাংশা থানাধীন এলাকা wherein বুধবার রাতে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে। প্রাথমিক পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, এই হত্যাকাণ্ড মোটেও সা¤প্রদায়িক হামলা নয়। এটি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্টি হওয়া সহিংস পরিস্থিতির ফল। নিহত ব্যক্তি অমৃত মণ্ডল ওরফে সম্রাট চাঁদা দাবির উদ্দেশ্যে এলাকায় উপস্থিত হন এবং বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে প্রাণ হারান। তিনি আগেও বিভিন্ন হত্যা ও চাঁদাবাজির মামলার অাগে ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকত। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সম্রাটের সহযোগী সেলিমকে বিদেশী পিস্তল ও পাইপগানসহ আটক করে। এই ঘটনার পেছনে তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। সরকার এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাচ্ছে ও কঠোরভাবে ঘোষণা দিচ্ছে যে, কোনো ধরনের আইনবিরুদ্ধ কর্মকাণ্ড, গণপিটুনি বা সহিংসতা সরকার প্রশ্রয় দেয় না। যারা এই ঘটনায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত চলছে। একই সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, একটি মহল নিহতের ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে বিষয়টিকে সা¤প্রদায়িক হামলা হিসেবে উপস্থাপন করতে চান, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক। এই অপপ্রচার সমাজের সম্প্রীতি ক্ষুণ্ণ করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে। সরকার সকলকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানাচ্ছে এবং বিভ্রান্তিকর, উসকানিমূলক ও সা¤প্রদায়িক বক্তব্য প্রচার এড়ানোর অনুরোধ করছে। সরকারের বিশ্বাস, আইনশৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশ একটি সা¤প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, এবং দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্টের কোনও অপচেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অমৃত মণ্ডল নিজেই এলাকায় সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলেন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত করেন, পাশাপাশি চাঁদাবাজিও করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রমাণিত হয়েছে যে, তিনি ভারতের শরণার্থী থাকাকালীন সময়ে বাহিনী নিয়ে এলাকা দখল ও সন্ত্রাস চালিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি নিজ এলাকার ফিরেছিলেন, এবং হোসেনডাঙ্গা পুরাতন বাজার এলাকার এক ব্যক্তির বাড়িতে চাঁদা দাবি করেন। তখন অস্বীকার করায় তার বাহিনীর অন্য সদস্যরা বাড়িতে যান, মালিকের ছেলেকে মারধর করেন। এই ঘটনার জেরে বাড়ির লোকজন ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এসে সম্রাটকে পিটুনি দেন, যার ফলে তার মৃত্যু হয়।

  • ঘন কুয়াশায় মেঘনায় লঞ্চের সংঘর্ষ, নিহত ৪

    ঘন কুয়াশায় মেঘনায় লঞ্চের সংঘর্ষ, নিহত ৪

    ঘন কুয়াশার কারণে রাজধানী ঢাকা এবং চাঁদপুর, বরিশাল ও ভোলার নৌরুটে মেঘনা নদীতে কয়েকটি লঞ্চের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এর نتیجيত চার জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাতে আনুমানিক ২টার সময় চাঁদপুরের হাইমচর সীমান্তবর্তী নীলকমল বাংলাবাজার এলাকায় ঢাকামুখী জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের সঙ্গে ঝালকাঠিমুখী অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এই দুর্ঘটনায় চারজন মারা যান এবং গুরুতর আহত হন ১৫ জন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন— ভোলার লালমোহন উপজেলার কাজিরাবাদ এলাকার সিরাজুল ইসলাম ব্যাপারীর ছেলে আব্দুল গণি (৩৮), একই গ্রামের মো. কালু খাঁর ছেলে মো. সাজু (৪৫), কচুখালি গজারিয়া গ্রামের মিলনের স্ত্রী রীনা (৩৫), এবং চরফ্যাশন উপজেলার আহিমেদপুর গ্রামের মো. হোসেনের ছেলে মো. হানিফ (৬০)। নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের চাঁদপুর অঞ্চলের উপ-পরিচালক বাবু লাল বৈদ্য জানান, ঘন কুয়াশার কারনে হাই마চরে মেঘনা নদীতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, এই দুর্ঘটনায় একটি লঞ্চে একজন মারা যান, বাকি তিনজন ঢাকা যাওয়ার পথে নিহত হন। নৌ-পুলিশের চাঁদপুর অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় হাইমচর থেকে দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চ পরিদর্শনে আসছেন নৌবুঝদেষ্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম. সাখাওয়াত হোসেন। ভোলার চরফ্যাশনের দুলারহাট থানার ওসি মিজানুর রহমান নিশ্চিত করেছেন, এই দুর্ঘটনায় চারজন মারা গেছেন। অন্যান্য আহত যাত্রীদের মধ্যে একজনের নাম ইলিয়াস, যিনি জানান, অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চটি শুক্রবার সকালে ঝালকাঠি লঞ্চঘাটে নোঙর করে। একই দিনে ঢাকামুখী নৌযানের আরও দুটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বরিশাল নৌবন্দরে দেখা যায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা এম খান-৭ লঞ্চটি মধ্যিখানে ভেঙে গেছে, তবে যাত্রীরা অপূর্ণ ক্ষতি এড়াতে সক্ষম হন। সুপারভাইজার জানান, কুয়াশার কারণে গভীর দৃশ্যমানতা কম ছিল, তখন চাঁদপুর থেকে আসা ঈগল-৪ লঞ্চ ডান দিকে এসে ধাক্কা দেয়, ফলে এম খান-৭ এর পাশের খুঁটি ভেঙে যায়। তবে কোনো যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

  • বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার জন্য থাইল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর

    বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়ার জন্য থাইল্যান্ডের সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর

    বাংলাদেশ থেকে শ্রমজীবী কর্মী পাঠানোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেন বাংলাদেশের যে কোনও ধরনের জটিলতা বা বাধা ছাড়াই থাইল্যান্ডে শ্রমিক পাঠানোর উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানটি শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে শ্রমমন্ত্রী মিসেস ট্রিনুচ থিয়েনথংয়েস তার অফিসিয়াল কক্ষে এই চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করেন।

    সমঝোতা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে থাইল্যান্ডের শ্রমমন্ত্রী মিসেস ট্রিনুচ বলেছিলেন, আমরা আশাবাদী, এই দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা কেবল সুবিধাজনক নয়, এটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগের পথ সুগম করবে। এতে করে উভয় দেশই শ্রম বাজারে রুচিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পদ্ধতিতে কর্মী পাঠাতে পারবে।

    অপরদিকে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ফাইয়াজ মুরশিদ কাজী বলেন, আমরা বাংলাদেশের শ্রমিকদের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিতভাবে থাইল্যান্ডে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট থাই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাব। তিনি শ্রম অভিবাসন সম্পর্কিত প্রক্রিয়া আরও দক্ষ করার জন্য থাই কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশে এসে সরাসরি যোগাযোগ করার আমন্ত্রণ জানান যাতে করে এই বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন ও বাস্তবায়নে সহজতা আসে।

    বিশ্লেষণে, শ্রমমন্ত্রী তার ঊর্ধ্বতন সহকর্মীদের বাংলাদেশ-থাইল্যান্ডের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেন। তিনি বাংলাদেশের শ্রমকলা ও অভিবাসন ব্যবস্থার উন্নতিতে, পাশাপাশি বর্তমান শ্রম বাজারে শ্রমিকের ঘাটতি মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের անհրաժեշտতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এছাড়াও, বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত থাই ব্যবসায়ীরা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে এখন পর্যন্ত আলোচনার বিস্তারিত বিবরণ দেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য প্রধান গন্তব্য দেশগুলোর অনুশীলন অনুসরণ করছে, যা শ্রমবাজারে আরও উন্নত মান, স্বচ্ছতা ও সহযোগিতা নিশ্চিত করবে। এই উদ্যোগগুলো বাংলাদেশের শ্রমবাজারকে আরও সুসংগঠিত ও বিশ্বস্ত করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেন।